বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬২৫ আষাঢ়, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

আপনার এলাকার খবর

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg
https://enews71.com/storage/ads/01KTB48CFAEJRYTN4T9G053ER9.png
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png

ভিডিও সংবাদ

Card Image

প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর

Card Image

কারিগরি শিক্ষা নিয়ে সরকারের নতুন পরিকল্পনা, কী বললেন নুরুল হক?

Card Image

বরিশালে অন্ডকোষ চেপে ধরে স্টাম্পে স্বাক্ষর! মুখ খুললেন ভুক্তভোগী | কী ঘটেছিল সেদিন?

Card Image

হিলিতে শিক্ষার্থীদের মাঝে ৩৮০০ ফলজ ও ওষুধি গাছের চারা বিতরণ

Card Image

🔴 “একই পরিবারের ৩ জনকে হত্যা!”🔍 “কুমিল্লায় নৃশংস খুন!”

Card Image

শেষ ঠিকানার কারিগর মনু মিয়া আর নেই, প্রায় ৩ হাজার কবর খোঁরেছিলেন তিনি || Enews71

Card Image

হিলি স্থলবন্দরে উন্নয়নের নামে কোটি কোটি টাকা শোষণ করা হয়েছে- সারজিস আলম

Card Image

জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে এসে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন বিএনপি'র মহাসচিব মির্জা ফখরুল

Card Image

'পলো বাওয়া’ উৎসবে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড়

Card Image

ভোগান্তির আরেক নাম পটুয়াখালী বাস টার্মিনাল, সড়কে যানজট বাড়ছে দুর্ঘটনা

বিনোদন

ব্রাজিলের বিদায় ঘিরে মেহজাবীনের ট্রল, সামাজিকমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

ব্রাজিলের বিদায় ঘিরে মেহজাবীনের ট্রল, সামাজিকমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

চলমান ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। আর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই বিদায়ে সরাসরি গ্যালারিতে বসেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। আর্জেন্টিনার কট্টর সমর্থক হিসেবে পরিচিত মেহজাবীন যুক্তরাষ্ট্রের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে উপস্থিত থেকে ব্রাজিল-নরওয়ের ম্যাচ উপভোগ করেন। ম্যাচ চলাকালে এবং শেষ হওয়ার পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একাধিক ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করে ব্রাজিলের বিদায় উদ্‌যাপন করেন তিনি। গ্যালারি থেকে প্রকাশ করা একটি ছবির ক্যাপশনে তিনি রসিকতা করে লেখেন, ‘ব্রাজিলকে দু-একটা ফুটবলের টিপস দিতে এলাম। আমি কিন্তু আর্জেন্টিনা।’ ম্যাচ দেখতে গিয়ে লাল রঙের টপস ও সবুজ স্কার্ট পরা মেহজাবীনকে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ওড়াতেও দেখা যায়। খেলা চলাকালে ভক্তদের উদ্দেশে আরেকটি পোস্টে তিনি লেখেন, ‘তোমার ফোনের চার্জ যত পার্সেন্ট, মানে ব্রাজিলের হারার চান্স! কমেন্ট দ্য পার্সেন্টেজ।’ ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজতেই ব্রাজিলের বিদায় নিশ্চিত হলে গ্যালারিতে হাত উঁচিয়ে উল্লাস প্রকাশ করেন তিনি। পরে স্টেডিয়ামের বড় পর্দায় নরওয়ের জয় এবং ব্রাজিলের বিদায়ের দৃশ্য পেছনে রেখে ধারণ করা একটি ভিডিও ফেসবুকে প্রকাশ করে ক্যাপশনে লেখেন, ‘বাই বাই ব্রাজিল।’ মেহজাবীনের এসব ট্রল ও উচ্ছ্বাসভরা পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কেউ তার রসবোধের প্রশংসা করেছেন, আবার অনেক ব্রাজিল সমর্থক বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, নরওয়ে ২-১ গোলের জয়ে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে।

শিল্পী সমিতির সভাপতি শিবা শানু, সম্পাদক জয় চৌধুরী নির্বাচিত

শিল্পী সমিতির সভাপতি শিবা শানু, সম্পাদক জয় চৌধুরী নির্বাচিত

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন অভিনেতা শিবা শানু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন অভিনেতা জয় চৌধুরী। শনিবার (৪ জুলাই) ভোর পৌনে ৫টায় নির্বাচন কমিশনার আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন। এর মধ্য দিয়ে আগামী দুই বছরের জন্য চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নতুন নেতৃত্ব নিশ্চিত হলো। গত শুক্রবার (৩ জুলাই) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণে সকাল থেকে দিনভর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। মোট ৫৭৩ জন ভোটারের মধ্যে ৪৮০ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোট শেষে ব্যালট বাক্স সিলগালা করে গণনা শুরু করে নির্বাচন কমিশন। দীর্ঘ সময় ধরে ভোট গণনার পর শনিবার ভোরে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এ সময় ১৭টি ব্যালট বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি পদে শিবা শানু ২৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফাইট ডিরেক্টর ও অভিনেতা আরমান পান ১৭৩ ভোট। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে জয় চৌধুরী ২৩৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী রুমানা ইসলাম মুক্তি পেয়েছেন ১৭৯ ভোট। এবারের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বিএফডিসি প্রাঙ্গণে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় দুটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেলের মধ্যে। একদিকে ছিল আরমান–মুক্তি পরিষদ, অন্যদিকে শিবা শানু–জয় চৌধুরী পরিষদ। প্রচার-প্রচারণা, প্যানেল পরিচিতি এবং ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে সরগরম ছিল চলচ্চিত্রাঙ্গন। নতুন কমিটির কাছে শিল্পীদের অধিকার রক্ষা, কল্যাণমূলক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ এবং দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশেষ সংবাদ

শখের বাগানে দেশি বিদেশি আমের অনন্য বিস্ময় গড়লেন শিক্ষক রেজাউল

শখের বাগানে দেশি বিদেশি আমের অনন্য বিস্ময় গড়লেন শিক্ষক রেজাউল

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের সরিয়া গ্রামের টিলার ওপর গড়ে উঠেছে এক ব্যতিক্রমী ফলের বাগান। স্থানীয় শিক্ষক রেজাউল করিম খন্দকারের শখের এই বাগানে দেশি-বিদেশি ৫০টিরও বেশি জাতের আমগাছ রয়েছে। চলতি মৌসুমে এর মধ্যে প্রায় ৩৭ জাতের আমগাছে থোকায় থোকায় ফল ধরেছে। নানা রং, আকার ও স্বাদের এসব আম দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। সরেজমিনে দেখা যায়, বাগানের আমগুলো দেখতে যেমন আকর্ষণীয়, তেমনি রয়েছে বিরল সব জাতের সংগ্রহ। আলফানসো, আমেরিকান কেন্ট, হিমসাগর, চেংমাই, পাকিস্তানি চোষ, আমেরিকান পালমা, সামার বেহেস্ত, সূর্য ডিম,...

কেতকীর বিলে ফুটেছে পদ্ম, প্রকৃতিপ্রেমীদের ভিড় বাড়ছে উলিপুরে

কেতকীর বিলে ফুটেছে পদ্ম, প্রকৃতিপ্রেমীদের ভিড় বাড়ছে উলিপুরে

আধুনিকতার চাপে ধ্বংস হচ্ছে আত্রাইয়ের ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প

আধুনিকতার চাপে ধ্বংস হচ্ছে আত্রাইয়ের ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প

বই সংকটে নিষ্প্রভ রায়গঞ্জের উন্মুক্ত পাঠাগার

বই সংকটে নিষ্প্রভ রায়গঞ্জের উন্মুক্ত পাঠাগার

বাজেট অনুমোদন হলেও চা বাগানে নেই স্বস্তির ছোঁয়া

বাজেট অনুমোদন হলেও চা বাগানে নেই স্বস্তির ছোঁয়া

লাইফস্টাইল

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ভালোবাসা পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি। ‘মা’ শব্দটি শুধু একটি সম্বোধন নয়, বরং স্নেহ, মমতা, ত্যাগ ও অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রতীক। জন্মের পর মানুষের মুখে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত শব্দও ‘মা’। সেই মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানাতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্ব মা দিবস উদযাপন করা হয়। যদিও মাকে ভালোবাসা প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট কোনো দিন প্রয়োজন হয় না, তবুও বিশেষভাবে মায়েদের সম্মান জানাতেই দিনটি আলাদাভাবে পালিত হয়। ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়,

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

সম্পাদকীয়

    চীন-করিডোর: সুযোগ নাকি কৌশলগত পরীক্ষা?

চীন-করিডোর: সুযোগ নাকি কৌশলগত পরীক্ষা?

বিশ্ব রাজনীতিতে বন্ধু কিংবা প্রতিপক্ষ এই পরিচয়গুলো সময়ের সঙ্গে বদলে যায়। কিন্তু একটি বিষয় কখনো বদলায় না, সেটি হলো অর্থনৈতিক স্বার্থ। আধুনিক বিশ্বে যে রাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার প্রভাবও তত বেশি। ফলে আদর্শিক মতভেদ থাকলেও বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দেশগুলোকে একে অপরের সঙ্গে কাজ করতেই হয়। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। সম্প্রতি বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনকে ঘিরে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক করিডোর নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টিকে রাজনৈতিক আবেগ কিংবা পক্ষ-বিপক্ষের দৃষ্টিভঙ্গিতে না দেখে রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থের আলোকে মূল্যায়ন করা জরুরি। যেকোনো

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি

ধর্মীয় দৃষ্টিতে বিজ্ঞান মানবকল্যাণের গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার

ধর্মীয় দৃষ্টিতে বিজ্ঞান মানবকল্যাণের গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার

ধর্ম ও বিজ্ঞানকে অনেক সময় দুটি ভিন্ন ধারার জ্ঞান হিসেবে বিবেচনা করা হলেও বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, উভয়ের মূল লক্ষ্য মানবকল্যাণ এবং সত্যের অনুসন্ধান। ধর্মীয় দৃষ্টিতে বিজ্ঞানকে সৃষ্টিজগতের রহস্য অনুধাবনের একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে দেখা হয়। ইসলামসহ বিশ্বের বিভিন্ন ধর্মে জ্ঞান অর্জনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ধর্মীয় শিক্ষায় মানুষকে প্রকৃতি, মহাবিশ্ব এবং সৃষ্টির নানা নিদর্শন নিয়ে চিন্তা-গবেষণা করতে উৎসাহিত করা হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় বিজ্ঞান মানুষের জীবনকে সহজ, নিরাপদ এবং সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ধর্মীয় চিন্তাবিদদের মতে, বিজ্ঞান মানুষের কাছে সৃষ্টিকর্তার

সহায়ক প্রযুক্তিতে বাড়ছে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুযোগ

সহায়ক প্রযুক্তিতে বাড়ছে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুযোগ

নারী শিক্ষায় প্রযুক্তির বিস্তার, বদলে যাচ্ছে শেখার ধরন

নারী শিক্ষায় প্রযুক্তির বিস্তার, বদলে যাচ্ছে শেখার ধরন

প্রযুক্তি ব্যবহারে উন্নয়ন পাচ্ছে শিক্ষা স্বাস্থ্য ও অর্থনীতি

প্রযুক্তি ব্যবহারে উন্নয়ন পাচ্ছে শিক্ষা স্বাস্থ্য ও অর্থনীতি

দুই ধাপে বাস্তবায়নের পথে সরকারি নবম বেতন কাঠামো প্রস্তাব

দুই ধাপে বাস্তবায়নের পথে সরকারি নবম বেতন কাঠামো প্রস্তাব

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত নবম পে-স্কেলের সুপারিশ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। এখন কেবল অর্থমন্ত্রীর সম্মতির অপেক্ষায় রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সবুজ সংকেত মিললেই প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। এ লক্ষ্যে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই সুপারিশগুলো মন্ত্রিসভায় তোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অর্থ বিভাগকে। সোমবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, আসন্ন মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিষয়টি উপস্থাপন করা সম্ভব না হলে পরবর্তী সপ্তাহের বৈঠকে অবশ্যই তা তোলার নির্দেশ রয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, উচ্চপর্যায়ের কমিটি এর আগের বৈঠকেই সুপারিশ চূড়ান্ত করেছিল। বিচার বিভাগসংক্রান্ত কয়েকটি কারিগরি বিষয় নিষ্পত্তির জন্য সোমবার অতিরিক্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অর্থমন্ত্রীর সম্মতি পাওয়ার পরপরই প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে। বর্তমান রাজস্ব পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে কমিটি সুপারিশ প্রণয়ন করেছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে শুধু মূল বেতন কার্যকর করা হবে। বিভিন্ন ভাতা আগামী অর্থবছর থেকে কার্যকর হবে। ফলে অষ্টম পে-স্কেলের মতো নবম পে-স্কেলও দুই ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সুপারিশ অনুযায়ী, ১ থেকে ১০ গ্রেডের কর্মচারীদের মূল বেতন ১০০ শতাংশ বা এর কাছাকাছি বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীদের ক্ষেত্রে গড়ে প্রায় ১৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে। বর্তমানে সরকারি কর্মচারীরা মূল বেতনের ওপর ১০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা এবং ৫ শতাংশ বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি পেয়ে থাকেন। নতুন পে-স্কেলে এসব

আরও পড়ুন
১১ ঘণ্টা আগে
www.kidora.com.bd
বৈরী আবহাওয়ায় চট্টগ্রাম বোর্ডের আজকের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

বৈরী আবহাওয়ায় চট্টগ্রাম বোর্ডের আজকের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

বৈরী আবহাওয়া, টানা ভারী বৃষ্টি এবং বন্যা পরিস্থিতির অবনতির কারণে চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীন সব জেলার বুধবারের (৮ জুলাই) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই)

উত্তাল সাগর-ভারী বৃষ্টিতে সেন্টমার্টিনে বাড়ছে দুর্ভোগ

উত্তাল সাগর-ভারী বৃষ্টিতে সেন্টমার্টিনে বাড়ছে দুর্ভোগ

টানা ভারী বর্ষণ ও উত্তাল বঙ্গোপসাগরের প্রভাবে দেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ সেন্টমার্টিনে জোয়ারের পানির উচ্চতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এতে দ্বীপের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে এবং বড় বড় ঢেউ উপকূলে আছড়ে পড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) পর্যন্ত

সমুদ্রে ১২ ঘণ্টার মৃত্যুযুদ্ধ শেষে ফিরলেন ১২ জেলে, নিখোঁজ দুজনকে ঘিরে উৎকণ্ঠা

সমুদ্রে ১২ ঘণ্টার মৃত্যুযুদ্ধ শেষে ফিরলেন ১২ জেলে, নিখোঁজ দুজনকে ঘিরে উৎকণ্ঠা

বৈষম্যের অভিযোগে আবেদনকারীদের সুবিধা দিচ্ছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়

বৈষম্যের অভিযোগে আবেদনকারীদের সুবিধা দিচ্ছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে আপিল শুনানি শেষ, রায় বৃহস্পতিবার

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে আপিল শুনানি শেষ, রায় বৃহস্পতিবার

ইতিহাসের শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কায় সতর্ক বিশ্বের দেশগুলো

ইতিহাসের শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কায় সতর্ক বিশ্বের দেশগুলো

ঢাকা মেডিকেলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা মেডিকেলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

নাজাফ থেকে কারবালায় খামেনির শেষযাত্রার প্রস্তুতি সম্পন্ন

নাজাফ থেকে কারবালায় খামেনির শেষযাত্রার প্রস্তুতি সম্পন্ন

সর্বশেষ সংবাদ

জনপ্রিয়

নবাবগঞ্জে সানজিদা হত্যা মামলার জট খুলল, পাঁচ মাস পর গ্রেফতার এক

নবাবগঞ্জে সানজিদা হত্যা মামলার জট খুলল, পাঁচ মাস পর গ্রেফতার এক

সমুদ্রে ১২ ঘণ্টার মৃত্যুযুদ্ধ শেষে ফিরলেন ১২ জেলে, নিখোঁজ দুজনকে ঘিরে উৎকণ্ঠা

সমুদ্রে ১২ ঘণ্টার মৃত্যুযুদ্ধ শেষে ফিরলেন ১২ জেলে, নিখোঁজ দুজনকে ঘিরে উৎকণ্ঠা

কাউখালী পোস্ট অফিসের ভবন নির্মাণ থমকে, ভাড়া ভবনে ব্যাহত ডাকসেবা

কাউখালী পোস্ট অফিসের ভবন নির্মাণ থমকে, ভাড়া ভবনে ব্যাহত ডাকসেবা

উলিপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট স্ত্রীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারালেন স্বামীও

উলিপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট স্ত্রীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারালেন স্বামীও

হাসপাতালের দ্রুত চিকিৎসায় সাপে কাটা নারী প্রাণে বাঁচলেন

হাসপাতালের দ্রুত চিকিৎসায় সাপে কাটা নারী প্রাণে বাঁচলেন

টানা বর্ষণে মৌলভীবাজারে বাড়ছে নদীর পানি, বন্যার আশঙ্কা

টানা বর্ষণে মৌলভীবাজারে বাড়ছে নদীর পানি, বন্যার আশঙ্কা

যোগদানের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ঝালকাঠির নতুন এসপিকে ঢাকায় তলব

যোগদানের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ঝালকাঠির নতুন এসপিকে ঢাকায় তলব

বৈষম্যের অভিযোগে আবেদনকারীদের সুবিধা দিচ্ছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়

বৈষম্যের অভিযোগে আবেদনকারীদের সুবিধা দিচ্ছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে আপিল শুনানি শেষ, রায় বৃহস্পতিবার

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে আপিল শুনানি শেষ, রায় বৃহস্পতিবার

ইতিহাসের শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কায় সতর্ক বিশ্বের দেশগুলো

ইতিহাসের শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কায় সতর্ক বিশ্বের দেশগুলো
https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

ধর্ম

সংকটে মুমিনের শক্তি ধৈর্য ও তাওয়াক্কুল

সংকটে মুমিনের শক্তি ধৈর্য ও তাওয়াক্কুল

জীবনের পথে মানুষকে নানা ধরনের পরীক্ষা ও সংকটের মুখোমুখি হতে হয়। কখনো অর্থনৈতিক কষ্ট, কখনো পারিবারিক সমস্যা, আবার কখনো অসুস্থতা বা মানসিক অস্থিরতা মানুষকে দুর্বল করে তোলে। ইসলাম শিক্ষা দেয়, এসব পরিস্থিতিতে হতাশ না হয়ে ধৈর্য ধারণ এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখাই একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় শক্তি। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, "নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।" (সূরা আল-বাকারা: ১৫৩) এই আয়াত একজন মুমিনকে আশ্বস্ত করে যে, ধৈর্য কখনো বৃথা যায় না। কঠিন সময়ে আল্লাহর সাহায্য ধৈর্যশীলদের জন্যই আসে। রাসূলুল্লাহ (সা.)

আশুরা ত্যাগ, সত্য ও তাকওয়ার শিক্ষা

আশুরা ত্যাগ, সত্য ও তাকওয়ার শিক্ষা

এই ফেতনার যুগে ঈমান রক্ষার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপায়

এই ফেতনার যুগে ঈমান রক্ষার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপায়

ইয়াতিমের হক আদায়ে ইসলামের কঠোর নির্দেশনা

ইয়াতিমের হক আদায়ে ইসলামের কঠোর নির্দেশনা

মতামত

Card Image

জিয়াউল হক

একক লড়াইয়ে ইসলামী আন্দোলন !

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো জোটে না থেকে এককভাবে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১১ দলীয় জোটে তারা আর থাকছে না এবং নিজের শক্তির ওপর ভর করেই নির্বাচনী মাঠে নামবে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশের ২৬৮টি আসনে প্রার্থী দেবে। দীর্ঘদিন ধরে জোট রাজনীতির বাইরে থেকে স্বতন্ত্র অবস্থান ধরে রাখার যে নীতি দলটি অনুসরণ করে আসছে, এই সিদ্ধান্ত তারই ধারাবাহিকতা বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। এর আগে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন একটি জোট সমঝোতার অংশ হিসেবে কিছু আসন খালি রাখার উদ্যোগ নেয়। সেখানে প্রায় ৫০টি আসন ছাড় দেওয়ার আলোচনা থাকলেও চরমোনাই পীর মুফতি রেজাউল করিমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন সেই প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি। বরং দলটি শুরু থেকেই এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান নেয়। দলীয় নেতারা বলছেন, জনগণের প্রত্যাশা ও ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাজনীতির বিস্তারের লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জোট রাজনীতির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে সরাসরি ভোটারদের কাছে নিজেদের বার্তা পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল উদ্দেশ্য। এদিকে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একটি গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের প্রাথমিক ধাপ শেষ হয়েছে এবং এখন আপিল নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া চলছে। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ২০ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণায় নামতে পারবেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

শহীদ নূর হোসেন থেকে শহীদ ওসমান হাদি: রাষ্ট্র কি বদলেছে?

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু মৃত্যু সময়কে ভাগ করে দেয়—আগের বাংলাদেশ আর পরের বাংলাদেশ। ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেনের মৃত্যু যেমন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনকে নতুন গতি দিয়েছিল, তেমনি ২০২৫ সালে শহীদ ওসমান হাদির মৃত্যু আজকের রাষ্ট্রব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে কঠিন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। নূর হোসেন ছিলেন একজন সাধারণ মানুষ। কোনো বড় পদ, ক্ষমতা বা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা তার ছিল না। তবুও তিনি বুক-পিঠে লেখা দুটি বাক্য—‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ ও ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’—নিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন। রাষ্ট্র তখন প্রকাশ্য স্বৈরশাসনের অধীনে ছিল। গুলির মুখে দাঁড়িয়ে নূর হোসেন দেখিয়ে দিয়েছিলেন, গণতন্ত্র কেবল রাজনৈতিক দল নয়, সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগেই বেঁচে থাকে। তার রক্তের দাগ মুছে যায়নি; বরং তা ইতিহাসে চিহ্ন হয়ে রয়ে গেছে। অন্যদিকে শহীদ ওসমান হাদি ছিলেন একটি প্রজন্মের কণ্ঠস্বর। তিনি কোনো সামরিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে নয়, বরং তথাকথিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভেতরের ব্যর্থতা, বৈষম্য ও নিরাপত্তাহীনতার বিরুদ্ধে কথা বলছিলেন। দিনের আলোয় রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে রিকশায় বসে থাকা একজন রাজনৈতিক কর্মী গুলিবিদ্ধ হন—এটি শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়, এটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রকাশ্য ভেঙে পড়ার ঘোষণা। নূর হোসেনের সময় রাষ্ট্র বলত, “আমরা স্বৈরাচার, তাই দমন করব।” হাদির সময় রাষ্ট্র বলে, “আমরা গণতান্ত্রিক, কিন্তু অপরাধ ঠেকাতে পারছি না।” এই দুই বক্তব্যের মাঝখানে পার্থক্য থাকলেও ফলাফল এক—একজন নাগরিক নিহত। সবচেয়ে বেদনাদায়ক প্রশ্ন হলো, নূর হোসেনের আত্মত্যাগের ৩৮ বছর পরও কেন হাদির

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

৭ই নভেম্বর: স্বাধীনতা-গণতন্ত্র-সংহতি: এক দিনে তিন প্রতীক

বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে ৭ নভেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ‘মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পরিচিত এই দিনটি ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার পটভূমিতে সিপাহী-জনতার অভ্যুদয়ের প্রতীক হয়ে উঠে। দিনটি নিয়ে নানা মত ও ব্যাখ্যা থাকলেও এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না। কারণ, এই দিনের ঘটনাপ্রবাহ রাষ্ট্রের সামগ্রিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসে এবং জাতীয় রাজনীতির গতিপথে এক নতুন ধারা সূচনা করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর রাষ্ট্রে তীব্র অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। সামরিক, প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে নতুন ক্ষমতার সমীকরণ গড়ে উঠতে থাকে। এরপর ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে হত্যা এবং ক্ষমতার পালাবদলের ধারাবাহিকতায় ৭ নভেম্বর এক বিশেষ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সৈনিকদের একটি অংশ এবং জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সেদিনের ঘটনাকে কেউ বিপ্লব, কেউ সামরিক অভ্যুত্থান এবং কেউ জাতীয় ঐক্যের স্ফুরণ হিসেবে উল্লেখ করেন। এই দিবসটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কারণে। সেই সময় বন্দী অবস্থায় থাকা তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে মুক্তি পান এবং পরবর্তী সময়ে তিনি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব হাতে নেন। জিয়া রাষ্ট্রপরিচালনায় আসার পর বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর নতুন রাজনীতিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয় বলে মতামত রয়েছে। ৭ নভেম্বরকে একদলীয় শাসনের অবসান ও বহু মত-চিন্তার উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরির সূচনা হিসেবে দেখেন অনেক বিশ্লেষক।

খেলাধুলা

মেসির জাদুতে নাটকীয় জয়ে শেষ আটে আর্জেন্টিনা

মেসির জাদুতে নাটকীয় জয়ে শেষ আটে আর্জেন্টিনা

ম্যাচের ৭৯ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে পিছিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। সেখান থেকেই অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে ৩-২ গোলের নাটকীয় জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। শেষ ১১ মিনিটে তিনটি গোল করে ম্যাচ নিজেদের করে নেয় আলবিসেলেস্তেরা। শুরুর ১০ মিনিটে এলোমেলো ফুটবল খেলেছে আর্জেন্টিনা। মাঝমাঠে একের পর এক বল হারিয়ে চাপে পড়ে তারা। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ম্যাচের ১৫

ব্রাজিল বিদায়, আর্জেন্টিনার সামনে আজ বাঁচা-মরার কঠিন পরীক্ষা

ব্রাজিল বিদায়, আর্জেন্টিনার সামনে আজ বাঁচা-মরার কঠিন পরীক্ষা

বিশ্বকাপ ফুটবলের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। এই হারের পর বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ব্রাজিল সমর্থকের মতো বাংলাদেশের সমর্থকদের মধ্যেও নেমে এসেছে হতাশার ছায়া। এখন ফুটবলপ্রেমীদের দৃষ্টি আর্জেন্টিনার দিকে। আজ শেষ ষোলোর ম্যাচে মিশরের মুখোমুখি হবে লিওনেল মেসির দল। বিশ্বকাপে নিজেদের যাত্রা ধরে রাখতে পারবে কি না, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক–নিউ জার্সির

পর্তুগাল বিদায়, স্পেনের রক্ষণে বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস রচিত

পর্তুগাল বিদায়, স্পেনের রক্ষণে বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস রচিত

বিশ্বকাপ ফুটবলের শেষ ষোলোর ম্যাচে পর্তুগালকে ১-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন। এই জয়ের মধ্য দিয়ে শুধু শেষ আটের টিকিটই নিশ্চিত করেনি স্প্যানিশরা, বিশ্বকাপের ইতিহাসে গড়েছে এক অনন্য রেকর্ডও। পর্তুগালের বিপক্ষে পুরো ম্যাচে কোনো গোল হজম করেনি স্পেন। এর ফলে বিশ্বকাপে টানা ষষ্ঠ ম্যাচে নিজেদের জাল অক্ষত রাখার কৃতিত্ব অর্জন করেছে দলটি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এর আগে কোনো দল টানা ছয় ম্যাচে গোল না খাওয়ার এমন নজির গড়তে পারেনি। চলতি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে কেপ ভার্দে, উরুগুয়ে এবং সৌদি আরবের বিপক্ষে গোল হজম করেনি স্পেন। এরপর শেষ বত্রিশের ম্যাচে অস্ট্রিয়াকেও গোল করতে দেয়নি তারা। সর্বশেষ শেষ ষোলোর ম্যাচে পর্তুগালও স্পেনের রক্ষণভাগ ভেদ করতে

মেক্সিকোর স্বপ্ন ভেঙে শেষ আটে জায়গা নিশ্চিত করল ইংল্যান্ড

মেক্সিকোর স্বপ্ন ভেঙে শেষ আটে জায়গা নিশ্চিত করল ইংল্যান্ড

১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের তিক্ত স্মৃতির পুনরাবৃত্তি হতে দেয়নি ইংল্যান্ড। স্বাগতিক মেক্সিকোকে ৩-২ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে থ্রি লায়ন্সরা। সোমবার (৬ জুলাই) আজতেকা স্টেডিয়ামে আবহাওয়ার কারণে প্রায় এক ঘণ্টা বিলম্বে ম্যাচ শুরু হলেও শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধে মাঝমাঠের দখল নিয়ে ধারাবাহিক আক্রমণে মেক্সিকোর রক্ষণভাগকে চাপে রাখে ইংল্যান্ড। এরই ধারাবাহিকতায় জুড বেলিংহাম জোড়া গোল করে দলকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। তার গতিময় ফুটবল, নিখুঁত অবস্থান নির্বাচন এবং আক্রমণভাগের কার্যকারিতায় প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় ইংল্যান্ড। বিরতির পর নতুন উদ্যমে মাঠে নামে স্বাগতিক মেক্সিকো। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই একটি গোল করে ব্যবধান কমিয়ে ম্যাচে উত্তেজনা ফিরিয়ে আনে তারা। তবে

হেক্সা স্বপ্ন ভেঙে নরওয়ের কাছে বিদায় নিলো ব্রাজিল

হেক্সা স্বপ্ন ভেঙে নরওয়ের কাছে বিদায় নিলো ব্রাজিল

হেক্সা মিশনের স্বপ্ন আর পূরণ হলো না ব্রাজিলের। বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। অন্যদিকে, আর্লিং হালান্ডের জোড়া গোলে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে নরওয়ে। ব্রাজিলের একমাত্র গোলটি করেন নেইমার। ম্যাচের শুরুতেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে নরওয়ে। চতুর্থ মিনিটে তারা বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোল বাতিল হয়। এরপর ১১ মিনিটে বক্সের ভেতরে ম্যাথিউস কুনহাকে স্লাইডিং ট্যাকলে থামান ক্রিস্টোফার আয়ের। কুনহা পেনাল্টির দাবি জানালেও প্রথমে তা নাকচ করেন রেফারি। পরে ভিডিও সহকারী রেফারির পর্যালোচনায় মাঠের মনিটর দেখে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। তবে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি

নেইমার প্রসঙ্গে আশাবাদী, একাদশ গোপন রাখলেন আনচেলত্তি

নেইমার প্রসঙ্গে আশাবাদী, একাদশ গোপন রাখলেন আনচেলত্তি

নরওয়ের বিপক্ষে বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে আত্মবিশ্বাস থাকলেও সতর্ক অবস্থানই বজায় রেখেছেন প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তি। যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সিতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তার উপস্থিতিকে ঘিরে ছিল ব্যাপক আগ্রহ। যেখানে নরওয়ের সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক কম এবং কক্ষের অর্ধেকেরও বেশি আসন খালি ছিল, সেখানে ব্রাজিলের সংবাদ সম্মেলন শুরু হওয়ার আগেই প্রায় পুরো কক্ষ পূর্ণ হয়ে যায়। আনচেলত্তি মঞ্চে উঠতেই ক্যামেরার ফ্ল্যাশ ও ক্লিকের শব্দে মুখর হয়ে ওঠে পুরো পরিবেশ। ক্লাব ফুটবলে অসাধারণ সাফল্যের পর ব্রাজিল জাতীয় দলের দায়িত্ব নেওয়া আনচেলত্তি এবারও আলোচনার কেন্দ্রে। জাপানের বিপক্ষে তার কৌশল কার্যকর হলেও দলের পারফরম্যান্সে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন তিনি। নিজের দলের পারফরম্যান্সের মূল্যায়নে

আইন-আদালত

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে আপিল শুনানি শেষ, রায় বৃহস্পতিবার

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে আপিল শুনানি শেষ, রায় বৃহস্পতিবার

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলের শুনানি শেষ হয়েছে। টানা তিন দিনের শুনানি শেষে আগামী বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেছেন আপিল বিভাগ। বুধবার (৮ জুলাই) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ শুনানি শেষে রায়ের জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন। বহুল আলোচিত এই মামলার শুনানিতে রাষ্ট্র, আবেদনকারী ও বিভিন্ন পক্ষ তাদের যুক্তি উপস্থাপন করেন। রাষ্ট্রের পক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল শুনানি শেষে আদালতের কাছে আবেদন জানান, পঞ্চদশ সংশোধনী-সংক্রান্ত

পঞ্চদশ সংশোধনী সংবিধান ধ্বংস করেছে, আপিলে দাবি আইনজীবীর

পঞ্চদশ সংশোধনী সংবিধান ধ্বংস করেছে, আপিলে দাবি আইনজীবীর

রামপুরা-বনশ্রী হত্যাকাণ্ড: সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

রামপুরা-বনশ্রী হত্যাকাণ্ড: সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

রামপুরা হত্যা মামলার রায় সরাসরি দেখাবে বিটিভি

রামপুরা হত্যা মামলার রায় সরাসরি দেখাবে বিটিভি

শিক্ষা

অফিসিয়াল ই-মেইল ছাড়া আবেদন গ্রহণ করবে না জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

অফিসিয়াল ই-মেইল ছাড়া আবেদন গ্রহণ করবে না জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সব কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ই-মেইলভিত্তিক দাপ্তরিক যোগাযোগে শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দেওয়া অফিসিয়াল ই-মেইল আইডি (কলেজ কোড@nu.ac.bd) ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ব্যক্তিগত বা অন্য কোনো ই-মেইল আইডি থেকে পাঠানো আবেদন, তথ্য কিংবা বার্তা আর গ্রহণ করা হবে না। সম্প্রতি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শন দপ্তর থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, এ বিষয়ে এর আগেও ২০২৫ সালের ২৮ জুলাই একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল।

একই প্রশ্নে কাল শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ১২ লাখের বেশি শিক্ষার্থী

একই প্রশ্নে কাল শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ১২ লাখের বেশি শিক্ষার্থী

প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে সারাদেশের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে সারাদেশের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

প্রশ্নফাঁসের অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী

প্রশ্নফাঁসের অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী

প্রতিবেশী

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ভারতবিরোধী মনোভাব এবং ভূ-রাজনৈতিক টানাপড়েনের মধ্যেও নয়াদিল্লি বাংলাদেশের জন্য অর্থ সহায়তা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। ২০২৬ অর্থবছরের ভারতের কেন্দ্রীয় বাজেট অনুযায়ী বাংলাদেশে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬০ কোটি রুপি। গত অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এই বরাদ্দ ছিল ৩৪ কোটি ৪৮ লাখ রুপি। অর্থাৎ নতুন বরাদ্দ প্রায় ৭৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। ভারতের এই উদ্যোগে ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির প্রতিফলন দেখা যায়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় আসামের এনআইটি ৫ জনকে বহিষ্কার

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় আসামের এনআইটি ৫ জনকে বহিষ্কার

মার্কিন শুল্কে ভারতীয় রপ্তানি বিপর্যয়, বিধ্বস্ত ভারতীয়রা !

মার্কিন শুল্কে ভারতীয় রপ্তানি বিপর্যয়, বিধ্বস্ত ভারতীয়রা !

রাজনীতি

এনসিপি জনসভায় হামলা রাজনীতির কালো অধ্যায় বললেন ইশরাক

সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জনসভায় হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি নেতা এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। একই সঙ্গে তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত সাড়ে তিনটার পর নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান। ফেসবুক পোস্টে ইশরাক হোসেন বলেন, এনসিপির জনসভায় হামলার মতো ঘটনা দেশের রাজনীতির জন্য একটি কালো অধ্যায়। এ ধরনের সহিংসতা রাজনৈতিক পরিবেশকে ধ্বংস করে দিতে পারে। আর রাজনীতি ধ্বংস হয়ে গেলে দেশ ও জাতি চরম সংকটের মুখে পড়বে, যা শেষ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্বকেও বিপন্ন করতে পারে। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের ঘটনা কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড হতে পারে না। যারা ফ্যাসিবাদী, যারা খুনি, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে বিক্রি করেও ক্ষমতায় থেকেছে এবং যারা জনগণের সমর্থনের পরিবর্তে বিদেশি প্রভুদের দয়ায় রাজনীতি করেছে, এই ঘটনার মাধ্যমে তারাই লাভবান হবে বলে তিনি মনে করেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ওই অপশক্তির অবশিষ্ট অংশ এবং তাদের আশ্রয়দাতাদের দ্রুত নিষ্ক্রিয় করা বর্তমানে বাংলাদেশের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত জরুরি। তাই হামলার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি। ইশরাক হোসেনের মতে, রাজনৈতিক সহিংসতা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক চর্চার অংশ হতে পারে না। দেশের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা রক্ষায় সব ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নেওয়া জরুরি বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

এনসিপি জনসভায় হামলা রাজনীতির কালো অধ্যায় বললেন ইশরাক
সিঙ্গাপুর থেকে ফেরার পর হাসপাতালে ভর্তি নজরুল ইসলাম খান

সিঙ্গাপুর থেকে ফেরার পর হাসপাতালে ভর্তি নজরুল ইসলাম খান

খুচরা পয়সার সংকটের কারণে সিগারেটের দাম বেশি: আমির হামজা

খুচরা পয়সার সংকটের কারণে সিগারেটের দাম বেশি: আমির হামজা

নীরব সময় পার করছেন বর্ষীয়ান রাজনীতিক ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, দোয়া কামনা

নীরব সময় পার করছেন বর্ষীয়ান রাজনীতিক ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, দোয়া কামনা

চাকুরী

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ৫০তম বিসিএসের বহুল প্রত্যাশিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বুধবার সন্ধ্যায় পিএসসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই বিসিএসে মোট ২ হাজার ১৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হবে ১ হাজার ৭৫৫ জনকে এবং নন-ক্যাডারে ৩৯৫ জনকে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন যুক্ত পদসহ এবার প্রশাসন, পুলিশ, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের নিয়োগ হচ্ছে। ক্যাডার পদের মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ২০০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ১১৭ জন, স্বাস্থ্য ক্যাডারে সর্বোচ্চ ৬৫০ জন,

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

স্বাস্থ্য

ডেঙ্গুর নতুন হটস্পট গ্রামাঞ্চল, উদ্বেগে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ

ডেঙ্গুর নতুন হটস্পট গ্রামাঞ্চল, উদ্বেগে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ

দেশব্যাপী ডেঙ্গুর ভয়াবহ পরিস্থিতির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন কীটতত্ত্ববিদ ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। একই সময়ে হাম রোগীর চাপ এবং অন্যান্য জটিল রোগীর চিকিৎসা সামাল দিতে গিয়ে হাসপাতালগুলো চরম সংকটে পড়েছে। চিকিৎসকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়লে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর আরও বড় চাপ তৈরি হতে পারে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের বড় হাসপাতালগুলোতে বিদ্যমান শয্যার তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। দুর্ঘটনার পাশাপাশি হৃদরোগ, স্ট্রোকসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত রোগীদের বড় একটি অংশ জরুরি চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন নিয়ে হাসপাতালে আসছেন। এর মধ্যেই হাম

ডেঙ্গুতে একদিনে আরও পাঁচ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪ রোগী

ডেঙ্গুতে একদিনে আরও পাঁচ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪ রোগী

হামে মৃত শিশুদের অধিকাংশই টিকা পায়নি, বাড়ছে উদ্বেগ

হামে মৃত শিশুদের অধিকাংশই টিকা পায়নি, বাড়ছে উদ্বেগ

হামে ও উপসর্গে মৃত্যু ৭০৮, একদিনেই প্রাণ গেল আরও ছয় শিশুর

হামে ও উপসর্গে মৃত্যু ৭০৮, একদিনেই প্রাণ গেল আরও ছয় শিশুর

আন্তর্জাতিক

ইতিহাসের শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কায় সতর্ক বিশ্বের দেশগুলো

ইতিহাসের শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কায় সতর্ক বিশ্বের দেশগুলো

জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) সতর্ক করেছে, চলতি বছরের ‘এল নিনো’ দ্রুত শক্তিশালী হয়ে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যেই এ জলবায়ুগত ঘটনা শক্তিশালী পর্যায়ে পৌঁছাবে। এর প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে খরা, বন্যা, অতিবৃষ্টি, তাপপ্রবাহ, সামুদ্রিক তাপপ্রবাহ এবং অন্যান্য চরম আবহাওয়াজনিত দুর্যোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। জেনেভা থেকে ৩ জুলাই এএফপির বরাতে ডব্লিউএমও জানায়, এল নিনো ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং আগামী কয়েক মাসে এর তীব্রতা দ্রুত বাড়বে। সংস্থার মাসিক ‘গ্লোবাল সিজনাল ক্লাইমেট আপডেট’-এ বলা হয়েছে, জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়েই এটি শক্তিশালী অবস্থায় পৌঁছাবে। ডব্লিউএমও এল নিনোকে দুর্বল, মাঝারি, শক্তিশালী ও অত্যন্ত শক্তিশালী—এই চার শ্রেণিতে ভাগ করে। বর্তমান পূর্বাভাসে এটি তৃতীয় স্তর অর্থাৎ শক্তিশালী পর্যায়ে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এল নিনোর ফলে মধ্য ও পূর্ব বিষুবীয় প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। এর প্রভাবে বিশ্বব্যাপী বায়ুপ্রবাহ, বায়ুচাপ ও বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন ঘটে। সাধারণত প্রতি দুই থেকে সাত বছর অন্তর এই ঘটনা দেখা দেয় এবং এর স্থায়িত্ব প্রায় নয় থেকে বারো মাস হয়। পরে এটি লা নিনা এবং নিরপেক্ষ অবস্থার সঙ্গে পর্যায়ক্রমে পরিবর্তিত হয়। ডব্লিউএমওর জলবায়ুবিজ্ঞানী আলভারো সিলভা বলেন, বর্তমানে শক্তিশালী এল নিনো গঠনের বিষয়ে আগের চেয়ে অনেক বেশি নিশ্চিত হওয়া গেছে। প্রয়োজন হলে আগামী মাসগুলোতে নতুন হালনাগাদ পূর্বাভাস প্রকাশ করা হবে। সংস্থাটি আরও জানায়, মধ্য ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি বাড়তে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে এল নিনোর প্রভাবে পৃথিবী রেকর্ডের দ্বিতীয় উষ্ণতম বছর দেখেছে। আর ২০২৪ সালে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা শিল্পপূর্ব সময়ের তুলনায় প্রায় ১ দশমিক ৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল, যা ইতিহাসের উষ্ণতম বছর হিসেবে রেকর্ড হয়েছে। ডব্লিউএমওর মহাসচিব সেলেস্তে সাউলো বলেন, মানুষের জীবন, অর্থনীতি ও সমাজকে সুরক্ষিত রাখতে আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃষি, স্বাস্থ্য ও জলবায়ু-সংবেদনশীল খাতগুলোকে প্রস্তুত রাখতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, দক্ষিণ অক্ষাংশের ৬০ ডিগ্রি থেকে উত্তর অক্ষাংশের ৬০ ডিগ্রি পর্যন্ত বিশ্বের অধিকাংশ জনবসতিপূর্ণ স্থলভাগে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি তাপমাত্রা বিরাজ করার সম্ভাবনা রয়েছে।

নাজাফ থেকে কারবালায় খামেনির শেষযাত্রার প্রস্তুতি সম্পন্ন

নাজাফ থেকে কারবালায় খামেনির শেষযাত্রার প্রস্তুতি সম্পন্ন

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মরদেহ মঙ্গলবার রাতে ইরাকের নাজাফে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার নাজাফে জানাজা শেষে মরদেহ পবিত্র নগরী কারবালায় নেওয়া হবে। এ উপলক্ষে ইরাক সরকার দেশজুড়ে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে। প্রেস টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের মরদেহ বহনকারী বিমানটি মঙ্গলবার রাতে নাজাফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে তার সম্মানে সরকারি সংবর্ধনার আয়োজন করা হয় এবং ইরাকের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচি অনুযায়ী, বুধবার নাজাফে জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর মরদেহ কারবালায় নেওয়া হবে। আয়োজকদের আশা, এ কর্মসূচিতে লাখো ইরাকি অংশ নেবেন।

মার্কিন হামলার জবাবে ৮৫ লক্ষ্যবস্তুতে ইরানের আঘাত

মার্কিন হামলার জবাবে ৮৫ লক্ষ্যবস্তুতে ইরানের আঘাত

বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। বুধবার (৮ জুলাই) তেহরান জানায়, মার্কিন বিমান হামলার জবাবে তাদের নৌ ও বিমান বাহিনী যৌথভাবে এই সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে। আইআরজিসির জরুরি সামরিক বিবৃতিতে বলা হয়, বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের প্রধান ঘাঁটি এবং কুয়েতের আলী আল-সালেম বিমানঘাঁটি সরাসরি লক্ষ্যবস্তু ছিল। ইরানের দাবি, মার্কিন সামরিক অবকাঠামোর মোট ৮৫টি নির্দিষ্ট স্থাপনায় অত্যন্ত নিখুঁতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। ইরানের সামরিক নীতিনির্ধারকেরা এই অভিযানকে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি এবং ইসলামাবাদ চুক্তি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ‘প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বুধবার

ইরানের সামরিক অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি ওয়াশিংটনের

ইরানের সামরিক অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি ওয়াশিংটনের

খামেনির দ্বিতীয় জানাজায় কোমে ইতিহাস গড়ল শোকাহত মানুষের উপস্থিতি

খামেনির দ্বিতীয় জানাজায় কোমে ইতিহাস গড়ল শোকাহত মানুষের উপস্থিতি

প্রবাসীদের আইনি সচেতনতা বাড়াতে নতুন সতর্কবার্তা দিল দূতাবাস

প্রবাসীদের আইনি সচেতনতা বাড়াতে নতুন সতর্কবার্তা দিল দূতাবাস

মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনা কমলেও তেলের দামে সীমিত ঊর্ধ্বগতি

মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনা কমলেও তেলের দামে সীমিত ঊর্ধ্বগতি

মেলোনিকে নিয়ে ট্রাম্প: আইনী সহায়তা প্রয়োজন!

মেলোনিকে নিয়ে ট্রাম্প: আইনী সহায়তা প্রয়োজন!

যুক্তরাষ্ট্রই একমাত্র মিত্র নয়, ভারতকে সামনে আনলেন নেতানিয়াহু

যুক্তরাষ্ট্রই একমাত্র মিত্র নয়, ভারতকে সামনে আনলেন নেতানিয়াহু

সারাদেশ

নবাবগঞ্জে সানজিদা হত্যা মামলার জট খুলল, পাঁচ মাস পর গ্রেফতার এক

নবাবগঞ্জে সানজিদা হত্যা মামলার জট খুলল, পাঁচ মাস পর গ্রেফতার এক

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার আলোচিত সানজিদা হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। ঘটনার পাঁচ মাস ২০ দিন পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় এক আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার দেখানো মতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো বটি উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, গত ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ গভীর রাতে নবাবগঞ্জ উপজেলার গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের ছোট মহেশপুর গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা বাড়িতে প্রবেশ করে ঘুমন্ত অবস্থায় সানজিদার ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় সানজিদাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসাধীন...

সমুদ্রে ১২ ঘণ্টার মৃত্যুযুদ্ধ শেষে ফিরলেন ১২ জেলে, নিখোঁজ দুজনকে ঘিরে উৎকণ্ঠা

সমুদ্রে ১২ ঘণ্টার মৃত্যুযুদ্ধ শেষে ফিরলেন ১২ জেলে, নিখোঁজ দুজনকে ঘিরে উৎকণ্ঠা

কাউখালী পোস্ট অফিসের ভবন নির্মাণ থমকে, ভাড়া ভবনে ব্যাহত ডাকসেবা

কাউখালী পোস্ট অফিসের ভবন নির্মাণ থমকে, ভাড়া ভবনে ব্যাহত ডাকসেবা

উলিপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট স্ত্রীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারালেন স্বামীও

উলিপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট স্ত্রীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারালেন স্বামীও

হাসপাতালের দ্রুত চিকিৎসায় সাপে কাটা নারী প্রাণে বাঁচলেন

হাসপাতালের দ্রুত চিকিৎসায় সাপে কাটা নারী প্রাণে বাঁচলেন

জাতীয়

বৈষম্যের অভিযোগে আবেদনকারীদের সুবিধা দিচ্ছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়

বৈষম্যের শিকার হয়ে অযৌক্তিকভাবে চাকরিচ্যুতির অভিযোগে আবেদন করা সাবেক সেনাসদস্যদের মধ্যে প্রথম ধাপে ১৬২ জন সৈনিক ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি এবং অবসরজনিত সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন। একই প্রক্রিয়ায় আরও অন্তত ৫০০টি আবেদন বর্তমানে বিভিন্ন পর্যায়ে পর্যালোচনাধীন রয়েছে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। বুধবার (৮ জুলাই) সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চাকরি পুনর্বহাল অথবা ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি ও অবসরকালীন সুযোগ-সুবিধার দাবিতে সৈনিক পর্যায়ের এক হাজার ৩০০ জনের বেশি সাবেক সেনাসদস্য আবেদন করেন। এসব আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের জন্য গঠিত পর্ষদ একাধিক ধাপে পর্যালোচনা করে প্রায় ৮৫০টি আবেদনকে যৌক্তিক হিসেবে চিহ্নিত করে। এরপর পর্যালোচনা কমিটি প্রথম ধাপে প্রায় ৩৫০টি আবেদন নিষ্পত্তি করে। এর মধ্যে ১৬২ জন সাবেক সেনাসদস্যের ক্ষেত্রে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি অথবা প্রাপ্য অবসরজনিত সুবিধা প্রদানের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ইতোমধ্যে তাদের মধ্যে কয়েকজন অবসরকালীন আর্থিক ও অন্যান্য সুবিধা পেতে শুরু করেছেন। বাকিরাও শিগগিরই এসব সুবিধা পাবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা প্রায় ৫০০টি আবেদন বিভিন্ন স্তরে যাচাই-বাছাই চলছে। প্রতিটি আবেদন পৃথকভাবে পরীক্ষা করে চাকরিচ্যুতির কারণ, অভিযোগের প্রকৃতি এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, যাচাইয়ের সময় দেখা গেছে, কিছু আবেদনকারী মাদকাসক্তি, পরকীয়াসহ বিভিন্ন নৈতিক স্খলন কিংবা শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে চাকরি হারিয়েছিলেন। এরপরও তারা বৈষম্য ও অন্যায়ের শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে পুনর্বহাল বা ভূতাপেক্ষ সুবিধার আবেদন করেন। এসব ক্ষেত্রে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে সাবেক সৈনিকদের একটি অংশ আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, এই আন্দোলনে বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত বা শাস্তিপ্রাপ্ত কিছু সাবেক সেনাসদস্য সক্রিয় রয়েছেন। তাদের উসকানিমূলক কর্মসূচির কারণে প্রকৃতভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত এবং সুবিধা পাওয়ার অপেক্ষায় থাকা আবেদনকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। উল্লেখ্য,

বৈষম্যের অভিযোগে আবেদনকারীদের সুবিধা দিচ্ছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
ঢাকা মেডিকেলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা মেডিকেলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বের তৃতীয় সর্বনিম্ন বাসযোগ্য শহর হিসেবেই থাকল ঢাকা

বিশ্বের তৃতীয় সর্বনিম্ন বাসযোগ্য শহর হিসেবেই থাকল ঢাকা

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট লিখিত পরীক্ষার সূচি প্রকাশ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট লিখিত পরীক্ষার সূচি প্রকাশ