বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬৫ ভাদ্র, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

আপনার এলাকার খবর

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg
https://enews71.com/storage/ads/01KTB48CFAEJRYTN4T9G053ER9.png
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png

স্বাস্থ্য

ঢাকায় ডেঙ্গুর ধরন বদল, বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকি

ঢাকায় ডেঙ্গুর ধরন বদল, বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকি

দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার মধ্যেই ঢাকাসহ কয়েকটি এলাকায় ডেঙ্গু ভাইরাসের ধরনে বড় পরিবর্তনের তথ্য দিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান। বিগত চার বছর দেশে ডেন-২ ধরন বেশি সক্রিয় থাকলেও এবার ঢাকায় ডেন-৩ ধরন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ পরিবর্তনের কারণে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীদের জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি বাড়তে পারে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন ৭০৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৫ হাজার ৬০১ জন। তাদের মধ্যে মারা গেছেন

মানহীন চিকিৎসাকেন্দ্রে ছাড় নেই, বন্ধ হচ্ছে অবৈধ প্রতিষ্ঠান

মানহীন চিকিৎসাকেন্দ্রে ছাড় নেই, বন্ধ হচ্ছে অবৈধ প্রতিষ্ঠান

বাদ পড়া শিশুদের জন্য বিশেষ হাম-রুবেলা টিকাদান

বাদ পড়া শিশুদের জন্য বিশেষ হাম-রুবেলা টিকাদান

সরকারের ছয় মাসে স্বাস্থ্য সংস্কার, সামনে হাম ডেঙ্গুর চ্যালেঞ্জ

সরকারের ছয় মাসে স্বাস্থ্য সংস্কার, সামনে হাম ডেঙ্গুর চ্যালেঞ্জ

মতামত

Card Image

জিয়াউল হক

একক লড়াইয়ে ইসলামী আন্দোলন !

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো জোটে না থেকে এককভাবে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১১ দলীয় জোটে তারা আর থাকছে না এবং নিজের শক্তির ওপর ভর করেই নির্বাচনী মাঠে নামবে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশের ২৬৮টি আসনে প্রার্থী দেবে। দীর্ঘদিন ধরে জোট রাজনীতির বাইরে থেকে স্বতন্ত্র অবস্থান ধরে রাখার যে নীতি দলটি অনুসরণ করে আসছে, এই সিদ্ধান্ত তারই ধারাবাহিকতা বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। এর আগে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন একটি জোট সমঝোতার অংশ হিসেবে কিছু আসন খালি রাখার উদ্যোগ নেয়। সেখানে প্রায় ৫০টি আসন ছাড় দেওয়ার আলোচনা থাকলেও চরমোনাই পীর মুফতি রেজাউল করিমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন সেই প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি। বরং দলটি শুরু থেকেই এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান নেয়। দলীয় নেতারা বলছেন, জনগণের প্রত্যাশা ও ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাজনীতির বিস্তারের লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জোট রাজনীতির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে সরাসরি ভোটারদের কাছে নিজেদের বার্তা পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল উদ্দেশ্য। এদিকে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একটি গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের প্রাথমিক ধাপ শেষ হয়েছে এবং এখন আপিল নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া চলছে। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ২০ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণায় নামতে পারবেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

শহীদ নূর হোসেন থেকে শহীদ ওসমান হাদি: রাষ্ট্র কি বদলেছে?

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু মৃত্যু সময়কে ভাগ করে দেয়—আগের বাংলাদেশ আর পরের বাংলাদেশ। ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেনের মৃত্যু যেমন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনকে নতুন গতি দিয়েছিল, তেমনি ২০২৫ সালে শহীদ ওসমান হাদির মৃত্যু আজকের রাষ্ট্রব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে কঠিন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। নূর হোসেন ছিলেন একজন সাধারণ মানুষ। কোনো বড় পদ, ক্ষমতা বা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা তার ছিল না। তবুও তিনি বুক-পিঠে লেখা দুটি বাক্য—‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ ও ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’—নিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন। রাষ্ট্র তখন প্রকাশ্য স্বৈরশাসনের অধীনে ছিল। গুলির মুখে দাঁড়িয়ে নূর হোসেন দেখিয়ে দিয়েছিলেন, গণতন্ত্র কেবল রাজনৈতিক দল নয়, সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগেই বেঁচে থাকে। তার রক্তের দাগ মুছে যায়নি; বরং তা ইতিহাসে চিহ্ন হয়ে রয়ে গেছে। অন্যদিকে শহীদ ওসমান হাদি ছিলেন একটি প্রজন্মের কণ্ঠস্বর। তিনি কোনো সামরিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে নয়, বরং তথাকথিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভেতরের ব্যর্থতা, বৈষম্য ও নিরাপত্তাহীনতার বিরুদ্ধে কথা বলছিলেন। দিনের আলোয় রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে রিকশায় বসে থাকা একজন রাজনৈতিক কর্মী গুলিবিদ্ধ হন—এটি শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়, এটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রকাশ্য ভেঙে পড়ার ঘোষণা। নূর হোসেনের সময় রাষ্ট্র বলত, “আমরা স্বৈরাচার, তাই দমন করব।” হাদির সময় রাষ্ট্র বলে, “আমরা গণতান্ত্রিক, কিন্তু অপরাধ ঠেকাতে পারছি না।” এই দুই বক্তব্যের মাঝখানে পার্থক্য থাকলেও ফলাফল এক—একজন নাগরিক নিহত। সবচেয়ে বেদনাদায়ক প্রশ্ন হলো, নূর হোসেনের আত্মত্যাগের ৩৮ বছর পরও কেন হাদির

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

৭ই নভেম্বর: স্বাধীনতা-গণতন্ত্র-সংহতি: এক দিনে তিন প্রতীক

বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে ৭ নভেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ‘মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পরিচিত এই দিনটি ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার পটভূমিতে সিপাহী-জনতার অভ্যুদয়ের প্রতীক হয়ে উঠে। দিনটি নিয়ে নানা মত ও ব্যাখ্যা থাকলেও এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না। কারণ, এই দিনের ঘটনাপ্রবাহ রাষ্ট্রের সামগ্রিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসে এবং জাতীয় রাজনীতির গতিপথে এক নতুন ধারা সূচনা করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর রাষ্ট্রে তীব্র অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। সামরিক, প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে নতুন ক্ষমতার সমীকরণ গড়ে উঠতে থাকে। এরপর ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে হত্যা এবং ক্ষমতার পালাবদলের ধারাবাহিকতায় ৭ নভেম্বর এক বিশেষ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সৈনিকদের একটি অংশ এবং জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সেদিনের ঘটনাকে কেউ বিপ্লব, কেউ সামরিক অভ্যুত্থান এবং কেউ জাতীয় ঐক্যের স্ফুরণ হিসেবে উল্লেখ করেন। এই দিবসটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কারণে। সেই সময় বন্দী অবস্থায় থাকা তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে মুক্তি পান এবং পরবর্তী সময়ে তিনি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব হাতে নেন। জিয়া রাষ্ট্রপরিচালনায় আসার পর বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর নতুন রাজনীতিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয় বলে মতামত রয়েছে। ৭ নভেম্বরকে একদলীয় শাসনের অবসান ও বহু মত-চিন্তার উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরির সূচনা হিসেবে দেখেন অনেক বিশ্লেষক।

সারাদেশ

পরকীয়ার অভিযোগে সালিস, প্রকাশ্যে নারীকে জুতাপেটার ভিডিও

পরকীয়ার অভিযোগে সালিস, প্রকাশ্যে নারীকে জুতাপেটার ভিডিও

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের বলাকিয়া গ্রামে কথিত পরকীয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে আয়োজিত গ্রাম্য সালিসে এক নারীকে প্রকাশ্যে জুতাপেটার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওতে মাধবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফরিদ উদ্দিনকে ওই নারীর চুলের খোঁপা ধরে পিঠে জুতা দিয়ে আঘাত করতে দেখা যায়। স্থানীয়দের ভাষ্য, গত সোমবার বিকেলে ওই সালিস বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠকে গ্রামের ছোট-বড় অনেক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয়রা জানান, চারিপাড়া গ্রামের সবজি বিক্রেতা বিল্লাল হোসেন নামে...

নাফ নদীতে অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার, লক্ষ্য ছিল রোহিঙ্গা ক্যাম্প

নাফ নদীতে অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার, লক্ষ্য ছিল রোহিঙ্গা ক্যাম্প

তিন ঘণ্টার ব্যবধানে দুই যুবককে গুলি করে হত্যা খুলনায়

তিন ঘণ্টার ব্যবধানে দুই যুবককে গুলি করে হত্যা খুলনায়

আজ টানা ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে যে সব এলাকায়

আজ টানা ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে যে সব এলাকায়

টেকনাফে বিদেশি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

টেকনাফে বিদেশি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

আন্তর্জাতিক

দিল্লিতে পাকিস্তান হাইকমিশনের অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিল ভারত

দিল্লিতে পাকিস্তান হাইকমিশনের অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিল ভারত

দিল্লিতে অবস্থিত পাকিস্তান হাইকমিশনের অনুমোদিত সীমানার বাইরে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা ভেঙে দিয়েছে ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ তথ্য জানিয়েছে। ইসলামাবাদে ভারতীয় হাইকমিশনের বাইরের সুরক্ষা ব্যারিকেড সরিয়ে দেওয়ার মাত্র তিন দিন পর ভারতের এই পদক্ষেপকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুলডোজার ব্যবহার করে পাকিস্তান হাইকমিশনের পাশের রাস্তা, ভিসা বিভাগের সামনের সারি নিয়ন্ত্রণের জন্য নির্মিত কাঠামো, ট্রাফিক বোলার্ড এবং নিরাপত্তা বেষ্টনীর বিভিন্ন অংশ সম্পূর্ণভাবে অপসারণ করা হয়। কর্তৃপক্ষের দাবি, এসব স্থাপনা দূতাবাসের অনুমোদিত সীমানার বাইরে নির্মিত হয়েছিল। উচ্ছেদ অভিযান শেষে হাইকমিশনের বাইরে ধাতব কাঠামো, ভাঙা কংক্রিট, বাঁকা লোহার ফ্রেম এবং অন্যান্য ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। টিনের চাল ও সাদা ধাতব বেষ্টনীসহ বাইরের কয়েকটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও দূতাবাসের মূল প্রবেশদ্বার এবং সীমানা প্রাচীর অক্ষত রয়েছে। এদিকে বুধবার কাশ্মীরে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোরের একটি বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাতে ইসলামাবাদে মার্কিন প্রতিনিধি নাটালি বেকারকে তলব করেছিল পাকিস্তান। তবে দিল্লিতে পাকিস্তান হাইকমিশনের বাইরের স্থাপনা উচ্ছেদের সঙ্গে পাকিস্তানের ওই কূটনৈতিক পদক্ষেপের কোনো সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি। ভারতীয় কর্তৃপক্ষও এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। ফলে ঘটনাটি কেবল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নাকি সাম্প্রতিক কূটনৈতিক টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে নেওয়া পদক্ষেপ—তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।

হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের দাবির জবাবে ক্যালিফোর্নিয়াকে ইরানের ভূখণ্ড দাবি

হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের দাবির জবাবে ক্যালিফোর্নিয়াকে ইরানের ভূখণ্ড দাবি

হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘নতুন ভূখণ্ড’ হিসেবে দেখানো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পোস্টের পাল্টা জবাবে ক্যালিফোর্নিয়াকে ইরানের ‘নতুন ভূখণ্ড’ হিসেবে দাবি করেছে ইরানের একটি সরকারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট। এ নিয়ে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। গত মঙ্গলবার ট্রুথ সোশ্যালে হরমুজ প্রণালির একটি মানচিত্র প্রকাশ করেন ট্রাম্প। মানচিত্রে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি নীল বৃত্ত দিয়ে চিহ্নিত করে নিচে লেখা হয়, ‘যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এলাকা’। এর আগে যুদ্ধ শেষ হলে হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পত্তিতে পরিণত করার কথা বলেছিলেন তিনি। পরে হোয়াইট হাউসও ট্রাম্পের ওই পোস্ট এক্সে পুনঃপ্রকাশ করে। ট্রাম্পের বক্তব্যের সমালোচনা করেন ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি। এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি

ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের নতুন অর্থনৈতিক যুদ্ধের হুঁশিয়ারি

ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের নতুন অর্থনৈতিক যুদ্ধের হুঁশিয়ারি

পাঁচ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা সংঘাত বন্ধে সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ার পর ইরানের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১৯ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে ‘সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ধ্বংসাত্মক অর্থনৈতিক অভিযান’ শুরুর ঘোষণা দেন। ট্রাম্প বলেন, চুক্তিতে যাওয়ার সুযোগ পেয়েও ইরান তাতে সম্মত হয়নি। এর ফলে তেহরান নজিরবিহীন অর্থনৈতিক যুদ্ধ এবং চরম একঘরে পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। ইরানের সঙ্গে ব্যবসায় জড়িত যেকোনো দেশকেও কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, যারা ইরানকে আর্থিক, বাণিজ্যিক বা কূটনৈতিক সুবিধা দেবে, তাদের পরিণতি ভোগ করতে হবে। একই সঙ্গে তেল চোরাচালান, অর্থ স্থানান্তর, নিবন্ধিত

ইরানের ওপর অনির্দিষ্টকালের বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আমিরাতের

ইরানের ওপর অনির্দিষ্টকালের বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আমিরাতের

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে নতুন উত্তেজনা

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে নতুন উত্তেজনা

সংঘাতের ধাক্কায় টানা চতুর্থ দিন বাড়ল বিশ্ববাজারে তেলের দাম

সংঘাতের ধাক্কায় টানা চতুর্থ দিন বাড়ল বিশ্ববাজারে তেলের দাম

কলকাতার আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ আগুন, নিহত ৯ বাংলাদেশি

কলকাতার আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ আগুন, নিহত ৯ বাংলাদেশি

সিনেমা বানিয়ে যুদ্ধের পরাজয় ঢাকা যায় না: পাকিস্তান

সিনেমা বানিয়ে যুদ্ধের পরাজয় ঢাকা যায় না: পাকিস্তান

রাজনীতি

অঙ্গীকার ও ওয়াদা রক্ষা করাই বিএনপির সংস্কৃতি: রিজভী

অঙ্গীকার ও ওয়াদা রক্ষা করাই বিএনপির সংস্কৃতি বলে মন্তব্য করেছেন দলটির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, জনগণের ভোটে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারই জনগণের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করে। বুধবার রাজধানীর জিয়া উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নেতাকর্মীদের নিয়ে সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রিজভী। শেখ হাসিনার ২০০৮ সালের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ঘরে ঘরে চাকরি ও বিনামূল্যে সার দেওয়ার কথা বলা হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। বরং তাঁর আমলে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের বেকারত্বের হার সবচেয়ে বেশি ছিল বলে দাবি করেন রিজভী। তাঁর ভাষায়, প্রতারণা, ভণ্ডামি ও মিথ্যা আশ্বাস আওয়ামী লীগের নীতি ও সংস্কৃতি ছিল। রিজভী বলেন, সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রধান দায়িত্ব। ইতিমধ্যে পরিবারের নারীদের ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষকদের কৃষক কার্ড দেওয়া হয়েছে। প্রায় ১৩ লাখ কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদ ও আসল মওকুফ করা হয়েছে। তিনি জানান, ইমাম, মোয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ধর্মগুরুদের সম্মানী ভাতা দেওয়ার তারেক রহমানের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়িত হচ্ছে। ২৫ কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্যের বিপরীতে প্রায় তিন কোটি এবং ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্যের মধ্যে ১০ হাজার কিলোমিটার খনন হয়েছে। বাংলাদেশ সমতার ভিত্তিতে সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব চায় উল্লেখ করে রিজভী বলেন, কোনো শর্তে বন্ধুত্ব হয় না; স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতেই সম্পর্ক হতে হবে। তারেক রহমানের জনকল্যাণমূলক কাজ এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব স্বেচ্ছাসেবক দলের বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অঙ্গীকার ও ওয়াদা রক্ষা করাই বিএনপির সংস্কৃতি: রিজভী
দল ছাড়ার ক্ষণে অশ্রুসিক্ত ফখরুল, বঙ্গভবনের পথে নতুন অধ্যায়

দল ছাড়ার ক্ষণে অশ্রুসিক্ত ফখরুল, বঙ্গভবনের পথে নতুন অধ্যায়

বিএনপি ফ্যাসিস্ট সরকারের পথে হাঁটছে: গোলাম পরওয়ার

বিএনপি ফ্যাসিস্ট সরকারের পথে হাঁটছে: গোলাম পরওয়ার

খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে প্রথম জন্মদিন, স্মরণে পুরো বাংলাদেশ

খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে প্রথম জন্মদিন, স্মরণে পুরো বাংলাদেশ

ধর্ম

ইসলামে মুমিন বান্দার পরিচয়

ইসলামে মুমিন বান্দার পরিচয়

ইসলামে মুমিন বান্দার পরিচয় শুধু মুখে ঈমানের দাবি নয়; বরং বিশ্বাস, আমল, চরিত্র ও মানুষের সঙ্গে আচরণের মাধ্যমে তার ঈমানের প্রকাশ ঘটে। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে মুমিনের বিভিন্ন গুণাবলি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। মুমিন ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস রাখেন এবং তাঁর সঙ্গে কাউকে শরিক করেন না। তিনি নামাজ প্রতিষ্ঠা করেন, আল্লাহর দেওয়া সম্পদ থেকে দান করেন এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের নির্দেশ অনুসরণ করেন। সুখে-দুঃখে আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা এবং বিপদে ধৈর্য ধারণ করাও মুমিনের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। মুমিনের চরিত্রে সত্যবাদিতা, আমানতদারি,

জুমার দিনে মুমিনের জন্য বিশেষ রহমত ও বরকত

জুমার দিনে মুমিনের জন্য বিশেষ রহমত ও বরকত

সবর ও তাওয়াক্কুলে মুমিনের শক্তি

সবর ও তাওয়াক্কুলে মুমিনের শক্তি

ঈমানের দৃঢ়তা মুমিনের জীবনে এনে দেয় প্রকৃত শান্তি

ঈমানের দৃঢ়তা মুমিনের জীবনে এনে দেয় প্রকৃত শান্তি

ভিডিও সংবাদ

Card Image

রাজশাহীতে চলন্ত ট্রেন থেকে তেল চুরি! এটাকে কি চুরি বলবেন, নাকি লুট?

Card Image

বরিশালে বিদ্যুৎ দুর্যোগ! কবে মিলবে নিরবচ্ছিন্ন সাপ্লাই?

Card Image

নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কেন বাড়ছে বারবার?

Card Image

ইসরায়েলের পরমাণু সুবিধা লক্ষ্য করে ইরানের আঘাত ও প্রতিশোধ

Card Image

কারিগরি শিক্ষা নিয়ে সরকারের নতুন পরিকল্পনা, কী বললেন নুরুল হক?

Card Image

বরিশালে অন্ডকোষ চেপে ধরে স্টাম্পে স্বাক্ষর! মুখ খুললেন ভুক্তভোগী | কী ঘটেছিল সেদিন?

Card Image

হিলিতে শিক্ষার্থীদের মাঝে ৩৮০০ ফলজ ও ওষুধি গাছের চারা বিতরণ

Card Image

🔴 “একই পরিবারের ৩ জনকে হত্যা!”🔍 “কুমিল্লায় নৃশংস খুন!”

Card Image

শেষ ঠিকানার কারিগর মনু মিয়া আর নেই, প্রায় ৩ হাজার কবর খোঁরেছিলেন তিনি || Enews71

Card Image

হিলি স্থলবন্দরে উন্নয়নের নামে কোটি কোটি টাকা শোষণ করা হয়েছে- সারজিস আলম

৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি ভোট, সংসদে আজ ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি

৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি ভোট, সংসদে আজ ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি

১৯৯১ সালের পর দীর্ঘ ৩৫ বছর বিরতি দিয়ে আজ বৃহস্পতিবার দেশে আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশে সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের পর রাষ্ট্রপতি পদে সর্বশেষ ভোট হয়েছিল ১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর। আজকের নির্বাচন হবে সংসদ সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দ্বিতীয় দৃষ্টান্ত। ফলে ১৯৯১ সালের নির্বাচন যারা দেখেননি, তাদের জন্য জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদকক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রত্যক্ষ করা নতুন অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে। দীর্ঘ বিরতির পর অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনকে ঐতিহাসিক হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। বুধবার বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় তিনি বলেন, অনেক মূল্য দিয়ে দেশ আজ এই জায়গায় এসেছে এবং এজন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেন। চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেন, দেশের মানুষ আবার ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার দৃশ্য প্রত্যক্ষ করবে এবং গণতন্ত্রের নতুন যাত্রার ইতিহাস তৈরি হবে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্বাচনি কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনও নির্বাচনটিকে ঐতিহাসিক উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ ও নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এবারের নির্বাচন বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর নির্বাচন হওয়ায় নির্বাচন কমিশন ও সংসদ সচিবালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতা সীমিত হলেও সম্ভাব্য সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। আজ সংসদকক্ষে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হবে। বর্তমান সংসদের সদস্য সংখ্যা ৩৪৯ জন; এর মধ্যে ৫০টি সংরক্ষিত আসন এবং একটি

আরও পড়ুন
৭ ঘণ্টা আগে
www.kidora.com.bd
হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের দাবির জবাবে ক্যালিফোর্নিয়াকে ইরানের ভূখণ্ড দাবি

হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের দাবির জবাবে ক্যালিফোর্নিয়াকে ইরানের ভূখণ্ড দাবি

হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘নতুন ভূখণ্ড’ হিসেবে দেখানো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পোস্টের পাল্টা জবাবে ক্যালিফোর্নিয়াকে ইরানের ‘নতুন ভূখণ্ড’ হিসেবে দাবি করেছে ইরানের একটি সরকারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট। এ নিয়ে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। গত মঙ্গলবার ট্রুথ

ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের নতুন অর্থনৈতিক যুদ্ধের হুঁশিয়ারি

ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের নতুন অর্থনৈতিক যুদ্ধের হুঁশিয়ারি

পাঁচ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা সংঘাত বন্ধে সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ার পর ইরানের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১৯ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে ‘সর্বকালের শ্রেষ্ঠ

৫৫ বছর পর বদলাচ্ছে বাংলাদেশের অর্থবছরের সময়সূচি

৫৫ বছর পর বদলাচ্ছে বাংলাদেশের অর্থবছরের সময়সূচি

দিল্লিতে পাকিস্তান হাইকমিশনের অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিল ভারত

দিল্লিতে পাকিস্তান হাইকমিশনের অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিল ভারত

পে স্কেলের জট খুলছে, গেজেট প্রকাশের প্রস্তুতি চূড়ান্ত

পে স্কেলের জট খুলছে, গেজেট প্রকাশের প্রস্তুতি চূড়ান্ত

তিন ঘণ্টার ব্যবধানে দুই যুবককে গুলি করে হত্যা খুলনায়

তিন ঘণ্টার ব্যবধানে দুই যুবককে গুলি করে হত্যা খুলনায়

ঢাকা-কলকাতা রেলপথে ফের মৈত্রী এক্সপ্রেসের অপেক্ষা

ঢাকা-কলকাতা রেলপথে ফের মৈত্রী এক্সপ্রেসের অপেক্ষা

অঙ্গীকার ও ওয়াদা রক্ষা করাই বিএনপির সংস্কৃতি: রিজভী

অঙ্গীকার ও ওয়াদা রক্ষা করাই বিএনপির সংস্কৃতি: রিজভী

সর্বশেষ সংবাদ

জনপ্রিয়

পরকীয়ার অভিযোগে সালিস, প্রকাশ্যে নারীকে জুতাপেটার ভিডিও

পরকীয়ার অভিযোগে সালিস, প্রকাশ্যে নারীকে জুতাপেটার ভিডিও

নাফ নদীতে অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার, লক্ষ্য ছিল রোহিঙ্গা ক্যাম্প

নাফ নদীতে অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার, লক্ষ্য ছিল রোহিঙ্গা ক্যাম্প

৫৫ বছর পর বদলাচ্ছে বাংলাদেশের অর্থবছরের সময়সূচি

৫৫ বছর পর বদলাচ্ছে বাংলাদেশের অর্থবছরের সময়সূচি

দিল্লিতে পাকিস্তান হাইকমিশনের অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিল ভারত

দিল্লিতে পাকিস্তান হাইকমিশনের অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিল ভারত

পে স্কেলের জট খুলছে, গেজেট প্রকাশের প্রস্তুতি চূড়ান্ত

পে স্কেলের জট খুলছে, গেজেট প্রকাশের প্রস্তুতি চূড়ান্ত

হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের দাবির জবাবে ক্যালিফোর্নিয়াকে ইরানের ভূখণ্ড দাবি

হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের দাবির জবাবে ক্যালিফোর্নিয়াকে ইরানের ভূখণ্ড দাবি

ছয় মাসেই রেকর্ড চা উৎপাদন, সুদিন ফিরছে দেশের বাগানে

ছয় মাসেই রেকর্ড চা উৎপাদন, সুদিন ফিরছে দেশের বাগানে

তিন ঘণ্টার ব্যবধানে দুই যুবককে গুলি করে হত্যা খুলনায়

তিন ঘণ্টার ব্যবধানে দুই যুবককে গুলি করে হত্যা খুলনায়

ঢাকা-কলকাতা রেলপথে ফের মৈত্রী এক্সপ্রেসের অপেক্ষা

ঢাকা-কলকাতা রেলপথে ফের মৈত্রী এক্সপ্রেসের অপেক্ষা

অঙ্গীকার ও ওয়াদা রক্ষা করাই বিএনপির সংস্কৃতি: রিজভী

অঙ্গীকার ও ওয়াদা রক্ষা করাই বিএনপির সংস্কৃতি: রিজভী
https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি

বুধবার পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ, অন্ধকারে ঢাকবে পৃথিবীর যেসব অঞ্চল

বুধবার পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ, অন্ধকারে ঢাকবে পৃথিবীর যেসব অঞ্চল

মহাজাগতিক বিরল এক ঘটনার সাক্ষী হতে যাচ্ছে পৃথিবী। বুধবার ১২ আগস্ট পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ হবে। প্রায় দুই বছর পর সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করায় চাঁদের প্রচ্ছায়ায় ঢেকে যাবে সূর্যের পুরো ডিস্ক। ফলে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় দিনের আলো কয়েক মুহূর্তের জন্য বদলে যাবে গাঢ় অন্ধকারে। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গ্রিনিচ মান সময় বিকেল ৩টা ৩৪ মিনিটে সূর্যগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হবে। বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৩৪ মিনিটে গ্রহণ শুরু হবে। তবে বাংলাদেশ থেকে সরাসরি এ গ্রহণ দেখা যাবে না। এবারের

ফেসবুক বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধে বিকাশ যুক্ত করার উদ্যোগ মেটার

ফেসবুক বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধে বিকাশ যুক্ত করার উদ্যোগ মেটার

এআই যুগে বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তি বিশ্বের ভবিষ্যৎ

এআই যুগে বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তি বিশ্বের ভবিষ্যৎ

মানুষের মতো কথোপকথনে বড় অগ্রগতি আনছে চ্যাটজিপিটির ভয়েস প্রযুক্তি

মানুষের মতো কথোপকথনে বড় অগ্রগতি আনছে চ্যাটজিপিটির ভয়েস প্রযুক্তি

প্রতিবেশী

হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে ঢাকার ধারাবাহিক দাবির মধ্যে ভারতের অবস্থান আরও স্পষ্ট হয়েছে। দেশটির শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রত্যর্পণের বিষয়ে কোনো রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, শেষ পর্যন্ত ভারতের আদালতই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। ভারতীয় কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে প্রত্যর্পণের আনুষ্ঠানিক অনুরোধ এলে সেটি দেশটির বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। অভিযোগগুলো ভারতের আইন অনুযায়ীও অপরাধ হিসেবে বিবেচিত কি না, তা আদালতের সামনে যাচাই করা হবে। এদিকে শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার বিষয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে কূটনৈতিক পর্যায়ে

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় আসামের এনআইটি ৫ জনকে বহিষ্কার

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় আসামের এনআইটি ৫ জনকে বহিষ্কার

সম্পাদকীয়

    চীন-করিডোর: সুযোগ নাকি কৌশলগত পরীক্ষা?

চীন-করিডোর: সুযোগ নাকি কৌশলগত পরীক্ষা?

বিশ্ব রাজনীতিতে বন্ধু কিংবা প্রতিপক্ষ এই পরিচয়গুলো সময়ের সঙ্গে বদলে যায়। কিন্তু একটি বিষয় কখনো বদলায় না, সেটি হলো অর্থনৈতিক স্বার্থ। আধুনিক বিশ্বে যে রাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার প্রভাবও তত বেশি। ফলে আদর্শিক মতভেদ থাকলেও বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দেশগুলোকে একে অপরের সঙ্গে কাজ করতেই হয়। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। সম্প্রতি বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনকে ঘিরে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক করিডোর নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টিকে রাজনৈতিক আবেগ কিংবা পক্ষ-বিপক্ষের দৃষ্টিভঙ্গিতে না দেখে রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থের আলোকে মূল্যায়ন করা জরুরি। যেকোনো

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

চাকুরী

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ৫০তম বিসিএসের বহুল প্রত্যাশিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বুধবার সন্ধ্যায় পিএসসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই বিসিএসে মোট ২ হাজার ১৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হবে ১ হাজার ৭৫৫ জনকে এবং নন-ক্যাডারে ৩৯৫ জনকে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন যুক্ত পদসহ এবার প্রশাসন, পুলিশ, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের নিয়োগ হচ্ছে। ক্যাডার পদের মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ২০০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ১১৭ জন, স্বাস্থ্য ক্যাডারে সর্বোচ্চ ৬৫০ জন,

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

আইন-আদালত

স্বামীর জানাজায় যেতে দীপু মনির প্যারোলের আবেদন

স্বামীর জানাজায় যেতে দীপু মনির প্যারোলের আবেদন

মুন্সীগঞ্জ কারাগারে থাকা সাবেক শিক্ষা মন্ত্রী, সাবেক সংসদ সদস্য এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ডা. দীপু মনির প্যারোলে মুক্তির পর তাঁর স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের জানাজার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্যারোলে মুক্তির আবেদন নিয়ে তাঁর আইনজীবী ও স্বজনরা বর্তমানে মুন্সীগঞ্জে অবস্থান করছেন। বুধবার সকালে দীপু মনির আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত পাওয়ার পর তৌফিক নেওয়াজের জানাজা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর একটি

জুলাই আন্দোলনে উসকানির অভিযোগে আসামি হচ্ছেন তিন সাংবাদিক

জুলাই আন্দোলনে উসকানির অভিযোগে আসামি হচ্ছেন তিন সাংবাদিক

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

আন্দোলনের খবর ঠেকাতে টিভি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন কাদের

আন্দোলনের খবর ঠেকাতে টিভি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন কাদের

বিনোদন

জন্মের পর অন্য পরিবারের কাছে চলে গিয়েছিলেন রানি মুখার্জি

জন্মের পর অন্য পরিবারের কাছে চলে গিয়েছিলেন রানি মুখার্জি

বলিউড অভিনেত্রী রানি মুখার্জির জীবনের এক অবাক করা ঘটনা দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে। জন্মের পর হাসপাতালের এক ভুলে তিনি অন্য এক পরিবারের কাছে চলে গিয়েছিলেন। পরে তার মা কৃষ্ণা মুখার্জির তৎপরতায় তিনি নিজের প্রকৃত পরিবারের কাছে ফিরে আসেন। ১৯৭৮ সালের ২১ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন রানি মুখার্জি। তিনি চলচ্চিত্র নির্মাতা রাম মুখার্জি ও কৃষ্ণা মুখার্জির মেয়ে। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, জন্মের পর হাসপাতালের এক নার্সের ভুলে তাকে একটি পাঞ্জাবি দম্পতির নবজাতকের সঙ্গে অদলবদল করা হয়েছিল। রানির ভাষ্য অনুযায়ী, তার মা শিশুটিকে দেখেই সন্দেহ করেন। কারণ নবজাতকের চোখের রং তার সন্তানের চোখের রঙের সঙ্গে মিলছিল না। বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি দ্রুত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানান যে শিশুটি তার নয় এবং নিজের সন্তানকে খুঁজে বের করার দাবি জানান। এরপর হাসপাতালজুড়ে অনুসন্ধান চালিয়ে ওই পাঞ্জাবি দম্পতির কাছ থেকে রানিকে উদ্ধার করা হয়। পরে দুই নবজাতককে তাদের প্রকৃত পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। রানি জানান, পরবর্তী সময়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটি নিয়ে প্রায়ই হাস্যরস করতেন। অনেকে মজা করে বলতেন, তিনি আসলে পাঞ্জাবি পরিবারের সন্তান, ভুল করে মুখার্জি পরিবারে বড় হয়েছেন। ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নবজাতকদের পরিচয়পত্র লাগানোর সময় দায়িত্বে থাকা এক নার্সের ভুলেই এই অদলবদলের ঘটনা ঘটেছিল। বর্তমানে এই ঘটনাটি রানির জীবনের অন্যতম আলোচিত স্মৃতি হিসেবে পরিচিত।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে মুখ খুললেন সালমান খান

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে মুখ খুললেন সালমান খান

শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়ে মুখ খুলেছেন বলিউড অভিনেতা সালমান খান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক দীর্ঘ বার্তায় তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসকে ‘অত্যন্ত গুরুতর বিষয়’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ না দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রশংসা করে আহতদের প্রতি সমবেদনা জানান। সালমান খান লেখেন, আন্দোলনটি শুরু হয়েছিল অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে। তবে শেষ পর্যন্ত তা সহিংসতায় রূপ নেওয়ায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস একটি অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা। দেশের তরুণেরা উন্নত শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে এবং তাঁদের অভিভাবকেরাও পাশে দাঁড়িয়েছেন—এটি ইতিবাচক একটি বিষয়। তিনি আরও বলেন, নিষ্ঠা, সততা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়তে এবং আরও শিক্ষিত ভারত গঠনের যে আগ্রহ শিক্ষার্থীরা দেখিয়েছে, তা প্রশংসার দাবিদার। তাঁর ভাষায়, আন্দোলন বা প্রতিবাদ গণতান্ত্রিক অধিকারের অংশ এবং শিক্ষার্থীরা তা শান্তিপূর্ণভাবেই করেছে। শিক্ষা নিয়ে সচেতন এই প্রজন্ম একদিন ভারতের জন্য গৌরব বয়ে আনবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। পোস্টের শেষাংশে সালমান খান বলেন, এটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষাব্যবস্থার বিষয়। তাই একে রাজনৈতিক রং দেওয়া উচিত নয়। তাঁর বিশ্বাস, সরকারও শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবে এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তিনি শিক্ষার্থীদের মঙ্গল কামনাও করেন। শিক্ষাব্যবস্থায় সংস্কার এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের পদত্যাগের দাবিতে রাজধানী দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়। সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার সময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। অভিযোগ রয়েছে, পুলিশ লাঠিপেটা ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করেছে, যাতে বহু শিক্ষার্থী আহত ও অসুস্থ হয়েছেন। তবে সহিংসতার জন্য উভয় পক্ষই একে অপরকে দায়ী করেছে। এর আগে চলচ্চিত্র অঙ্গনের

জাতীয়

৫৫ বছর পর বদলাচ্ছে বাংলাদেশের অর্থবছরের সময়সূচি

দীর্ঘ প্রায় ৫৫ বছর পর বাংলাদেশের অর্থবছরের সময়সূচিতে বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে বর্তমানে চালু থাকা জুলাই-জুনের পরিবর্তে এপ্রিল-মার্চ সময়কে অর্থবছর হিসেবে নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় অর্থবছর শুরু হবে ১ এপ্রিল এবং শেষ হবে ৩১ মার্চ। বর্তমানে দেশে ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত অর্থবছর গণনা করা হয়। সরকারের বাজেট প্রণয়ন, রাজস্ব আদায়, সরকারি আয়-ব্যয় এবং বিভিন্ন আর্থিক হিসাব এই সময়সূচির ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। নতুন ব্যবস্থা চালুর আগে ২০২৭-২৮ অর্থবছরকে রূপান্তরকাল হিসেবে বিবেচনা করা হবে। ওই অর্থবছরটি জুলাই ২০২৭ থেকে মার্চ ২০২৮ পর্যন্ত নয় মাসে শেষ হবে। এরপর ২০২৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে নতুন অর্থবছর শুরু হবে। সরকারের অন্যতম যুক্তি, বর্তমান অর্থবছরের শেষ তিন মাস এপ্রিল, মে ও জুনে দেশে বর্ষা শুরু হয়। ফলে সড়ক, সেতু, পানি উন্নয়নসহ বিভিন্ন অবকাঠামো প্রকল্পের কাজ ব্যাহত হয়। এতে প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি তৈরি হয় এবং কাজের মান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। নতুন ব্যবস্থায় অর্থবছরের শেষ তিন মাস হবে জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ। এ সময় আবহাওয়া তুলনামূলক শুষ্ক থাকায় উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত ও মানসম্মতভাবে শেষ করার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছে সরকার। জুনের মধ্যে কাজ শেষ করার তাড়াহুড়োও কমবে। অর্থবছর হলো সরকারের আর্থিক হিসাবের ১২ মাসের নির্দিষ্ট সময়কাল। জিডিপি, রাজস্ব, মুদ্রাস্ফীতি ও ঋণের হিসাবও এর ভিত্তিতে করা হয়। ব্রিটিশ শাসনামলে ভারতবর্ষে জুলাই-জুন অর্থবছর চালু হয়, যা পাকিস্তান আমলেও বহাল ছিল। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে ৩০ জুন ১৯৭২ পর্যন্ত একটি সংক্ষিপ্ত অর্থবছরের বাজেট দেন। এরপর থেকে জুলাই-জুন সময়সূচিই বহাল রয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, নতুন অর্থবছর উন্নয়ন প্রকল্প

৫৫ বছর পর বদলাচ্ছে বাংলাদেশের অর্থবছরের সময়সূচি
পে স্কেলের জট খুলছে, গেজেট প্রকাশের প্রস্তুতি চূড়ান্ত

পে স্কেলের জট খুলছে, গেজেট প্রকাশের প্রস্তুতি চূড়ান্ত

ঢাকা-কলকাতা রেলপথে ফের মৈত্রী এক্সপ্রেসের অপেক্ষা

ঢাকা-কলকাতা রেলপথে ফের মৈত্রী এক্সপ্রেসের অপেক্ষা

৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি ভোট, সংসদে আজ ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি

৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি ভোট, সংসদে আজ ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি

শিক্ষা

এসএসসি ফল নিয়ে অসন্তুষ্টদের খাতা চ্যালেঞ্জের সুযোগ শুরু আজ

এসএসসি ফল নিয়ে অসন্তুষ্টদের খাতা চ্যালেঞ্জের সুযোগ শুরু আজ

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রত্যাশামতো না এলে হতাশ হওয়ার কারণ নেই। ফল নিয়ে অসন্তুষ্ট পরীক্ষার্থীদের জন্য শুরু হয়েছে খাতা চ্যালেঞ্জ বা ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন। মঙ্গলবার ১১ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া এ আবেদন চলবে আগামী ১৭ আগস্ট পর্যন্ত। এবার নতুন পদ্ধতিতে প্রতি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা ফি দিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক চিঠিতে জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য শিক্ষার্থীদের রোল ও নিবন্ধন নম্বর দিয়ে নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালে প্রবেশ

যে কারণে ফেলের হার বেশি, যা বললেন ঢাকা বোর্ড চেয়ারম্যান

যে কারণে ফেলের হার বেশি, যা বললেন ঢাকা বোর্ড চেয়ারম্যান

এসএসসিতে ৩১২ প্রতিষ্ঠানে এবারও পাস করেনি কেউই

এসএসসিতে ৩১২ প্রতিষ্ঠানে এবারও পাস করেনি কেউই

এসএসসিতে পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ

এসএসসিতে পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ

বিশেষ সংবাদ

ছয় মাসেই রেকর্ড চা উৎপাদন, সুদিন ফিরছে দেশের বাগানে

ছয় মাসেই রেকর্ড চা উৎপাদন, সুদিন ফিরছে দেশের বাগানে

নানা প্রতিকূলতা ও উৎপাদন ব্যয়ের চাপ কাটিয়ে দেশের চা শিল্পে আবারও সুদিনের আভাস দেখা দিয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত, সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং চায়ের নিলামে ভালো দাম পাওয়ায় চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদন হয়েছে। গত তিন বছরের প্রথমার্ধের তুলনায় এ উৎপাদন সর্বোচ্চ। চলতি বছরে দেশে ১০ কোটি ৪০ লাখ কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। জুন পর্যন্ত উৎপাদন হয়েছে প্রায় ২ কোটি ২৪ লাখ কেজি, যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ২৯ দশমিক ৪৫ শতাংশ। বাংলাদেশ চা বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,...

গোল্ডেন পেয়ারায় বদলাচ্ছে জুড়ীর পতিত জমির অর্থনীতি

গোল্ডেন পেয়ারায় বদলাচ্ছে জুড়ীর পতিত জমির অর্থনীতি

যমুনার তীরে বেহুলা ভাসান, বেঁচে আছে বাংলার লোকঐতিহ্য

যমুনার তীরে বেহুলা ভাসান, বেঁচে আছে বাংলার লোকঐতিহ্য

শ্রীমঙ্গলে কাঁটায় ভরা ক্যাকটাসে রাতজাগা ফুলের মুগ্ধতা

শ্রীমঙ্গলে কাঁটায় ভরা ক্যাকটাসে রাতজাগা ফুলের মুগ্ধতা

বিলুপ্তির শঙ্কা কাটিয়ে মৌলভীবাজারে ফিরছে পাহাড়ি ফল চাম কাঁঠাল

বিলুপ্তির শঙ্কা কাটিয়ে মৌলভীবাজারে ফিরছে পাহাড়ি ফল চাম কাঁঠাল

লাইফস্টাইল

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ভালোবাসা পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি। ‘মা’ শব্দটি শুধু একটি সম্বোধন নয়, বরং স্নেহ, মমতা, ত্যাগ ও অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রতীক। জন্মের পর মানুষের মুখে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত শব্দও ‘মা’। সেই মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানাতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্ব মা দিবস উদযাপন করা হয়। যদিও মাকে ভালোবাসা প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট কোনো দিন প্রয়োজন হয় না, তবুও বিশেষভাবে মায়েদের সম্মান জানাতেই দিনটি আলাদাভাবে পালিত হয়। ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়,

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

খেলাধুলা

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো স্বাগতিকদের হারিয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে চার দিন ধরে দাপট দেখিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এই জয় শুধু একটি ম্যাচের সাফল্য নয়, বরং অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের দীর্ঘ অপেক্ষারও অবসান। ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পষ্ট। প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে মাত্র ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পেছনে সবচেয়ে

অস্ট্রেলিয়াকে গুটিয়ে জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য মাত্র ৫৭

অস্ট্রেলিয়াকে গুটিয়ে জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য মাত্র ৫৭

ক্যামেরন গ্রিনের লড়াকু সেঞ্চুরি অস্ট্রেলিয়াকে ইনিংস হারের লজ্জা থেকে বাঁচালেও ডারউইন টেস্টে ঐতিহাসিক জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংস ২৮৪ রানে গুটিয়ে যাওয়ায় স্বাগতিকদের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে মাত্র ৫৭ রান। চতুর্থ দিন ৪ উইকেটে ১৬১ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। শুরু থেকেই স্বাগতিকদের চাপে রাখে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ। প্রথম দেড়

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম জয়ের স্বপ্নে এগিয়ে বাংলাদেশ দল

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম জয়ের স্বপ্নে এগিয়ে বাংলাদেশ দল

প্রস্তুতি ম্যাচে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের কাছে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। সেই দলেরই এবার যেন সম্পূর্ণ ভিন্ন চেহারা। ডারউইন টেস্টে পূর্ণশক্তির অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দাপট দেখিয়ে ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনের মধ্যাহ্নভোজের বিরতি পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ২১৯ রানের বিশাল লিড নিয়েছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের সম্ভাবনা এখন বাস্তব হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে অস্ট্রেলিয়ার অতীত পরিসংখ্যান। ২০০০ সালের পর প্রথম ইনিংসে অন্তত ১৫০ রানে পিছিয়ে থাকার পর অস্ট্রেলিয়া মাত্র তিনবার টেস্ট জিতেছে। এর মধ্যে ২০১০ সালে সিডনিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০৬ রানে পিছিয়ে থেকেও জয় পেয়েছিল তারা।

হাসানের পর তানজিদ, ডারউইনে চলছে টাইগারদের রাজত্ব

হাসানের পর তানজিদ, ডারউইনে চলছে টাইগারদের রাজত্ব

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২৩ বছর আগে টেস্ট ইতিহাসের শুরুতে যে বাংলাদেশকে ডারউইন ও কেয়ার্নসের মাঠে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল, সেই ডারউইনেই এবার ভিন্ন গল্প লিখছে লাল-সবুজের দল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে বোলিংয়ের পর ব্যাটিংয়েও দাপট দেখিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদের ছয় উইকেটের পর তানজিদ হাসানের সেঞ্চুরিতে স্বাগতিকদের চাপে ফেলেছে সফরকারীরা। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পর দ্বিতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ শক্ত অবস্থান তৈরি করে। তানজিদ হাসান ১৮৮ বলে আটটি চার ও একটি ছক্কায় ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট শতক তুলে নেন। নাথান লায়নের বল লং অফ দিয়ে সিঙ্গেল নিয়ে শতরানের মাইলফলকে পৌঁছান তিনি। এরপর হেলমেট

বাংলাদেশের পেস আক্রমণে ঘরের মাঠে বিপর্যস্ত অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং

বাংলাদেশের পেস আক্রমণে ঘরের মাঠে বিপর্যস্ত অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং

২৩ বছর পর ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে নেমে শুরুতেই বড় বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের পেস আক্রমণের তোপে প্রথম ইনিংসে ১৭৬ রানেই ৮ উইকেট হারিয়েছে সফরকারীরা। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৬টায় দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট শুরু হয়। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়া। শুরু থেকেই নতুন বলে হাসান মাহমুদ ও তাসকিন আহমেদের আঁটসাঁট বোলিংয়ে অস্বস্তিতে পড়েন অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার ট্রাভিস হেড ও জেক ওয়েদারাল্ড। ১২তম ওভারের চতুর্থ বলে প্রথম সাফল্য পান হাসান মাহমুদ। অফ স্টাম্পের বাইরে ড্রাইভের প্রলোভনে শট খেলতে গিয়ে ব্যাটের কানা ছোঁয়ান ওয়েদারাল্ড। বল উইকেটকিপার লিটন দাসের গ্লাভসে জমা পড়ে। ২৩ রান করে

ফিফার নতুন পরিকল্পনায় বাংলাদেশের ফুটবলে আসতে পারে বড় অর্থায়ন

ফিফার নতুন পরিকল্পনায় বাংলাদেশের ফুটবলে আসতে পারে বড় অর্থায়ন

বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা নিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর প্রস্তাব ঘিরে বিশ্ব ফুটবলে বিতর্ক তৈরি হলেও, এটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল ফুটবল ফেডারেশনগুলো উল্লেখযোগ্য আর্থিক সুবিধা পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফিফার পরিকল্পনা অনুযায়ী, ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান গঠন করা হবে। এই প্রতিষ্ঠানের অধীনে বিশ্বকাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব, স্পনসরশিপ, টিকিট বিক্রি, লাইসেন্সিংসহ সব ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন প্রতিষ্ঠানের একটি ক্ষুদ্র অংশ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করা হবে। এর সম্ভাব্য মূল্য ধরা হয়েছে ২০ বিলিয়ন ডলার। এ প্রক্রিয়ায় প্রায় ৪ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহের