রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬১৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

আপনার এলাকার খবর

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg
https://enews71.com/storage/ads/01KQAG1VP3BB73V7HDE2DKRZ1X.jpg
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png

আইন-আদালত

পল্লবী হত্যাকাণ্ডে এক সপ্তাহে রিপোর্ট দিতে নির্দেশ

পল্লবী হত্যাকাণ্ডে এক সপ্তাহে রিপোর্ট দিতে নির্দেশ

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দ্রুত তদন্ত শেষ করে এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বৃহস্পতিবার (২১ মে) তিনি জানান, এ ধরনের নৃশংস অপরাধের বিচার দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) পল্লবীর একটি আবাসিক এলাকায় এ ভয়াবহ ঘটনা ঘটে।

সভাপতি খোকন, সম্পাদক আলী—বার নির্বাচনে বিএনপির জয়

সভাপতি খোকন, সম্পাদক আলী—বার নির্বাচনে বিএনপির জয়

ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণে হাইকোর্টের যুগান্তকারী রায়

ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণে হাইকোর্টের যুগান্তকারী রায়

প্রিজনভ্যান দুর্ঘটনায় আহত সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক

প্রিজনভ্যান দুর্ঘটনায় আহত সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক

স্বাস্থ্য

দেশে বাড়ছে হাম আতঙ্ক, ২৪ ঘণ্টায় দশ মৃত্যু

দেশে বাড়ছে হাম আতঙ্ক, ২৪ ঘণ্টায় দশ মৃত্যু

দেশে হামের সংক্রমণ ও উপসর্গজনিত মৃত্যু উদ্বেগজনক হারে বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৬১৬ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী। শুক্রবার (২৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ২ শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে চলমান এই সংক্রমণে এখন

হাম আতঙ্কে দেশজুড়ে বাড়ছে শিশু মৃত্যুর হার, ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ১৭

হাম আতঙ্কে দেশজুড়ে বাড়ছে শিশু মৃত্যুর হার, ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ১৭

২৪ ঘণ্টায় আরও হাম-উপসর্গে ১৩ শিশুর মৃত্যুর

২৪ ঘণ্টায় আরও হাম-উপসর্গে ১৩ শিশুর মৃত্যুর

ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি নিয়ে বৈশ্বিক সতর্কতা, মহামারির আশঙ্কা

ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি নিয়ে বৈশ্বিক সতর্কতা, মহামারির আশঙ্কা

প্রতিবেশী

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ভারতবিরোধী মনোভাব এবং ভূ-রাজনৈতিক টানাপড়েনের মধ্যেও নয়াদিল্লি বাংলাদেশের জন্য অর্থ সহায়তা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। ২০২৬ অর্থবছরের ভারতের কেন্দ্রীয় বাজেট অনুযায়ী বাংলাদেশে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬০ কোটি রুপি। গত অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এই বরাদ্দ ছিল ৩৪ কোটি ৪৮ লাখ রুপি। অর্থাৎ নতুন বরাদ্দ প্রায় ৭৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। ভারতের এই উদ্যোগে ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির প্রতিফলন দেখা যায়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় আসামের এনআইটি ৫ জনকে বহিষ্কার

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় আসামের এনআইটি ৫ জনকে বহিষ্কার

মার্কিন শুল্কে ভারতীয় রপ্তানি বিপর্যয়, বিধ্বস্ত ভারতীয়রা !

মার্কিন শুল্কে ভারতীয় রপ্তানি বিপর্যয়, বিধ্বস্ত ভারতীয়রা !

মতামত

Card Image

জিয়াউল হক

একক লড়াইয়ে ইসলামী আন্দোলন !

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো জোটে না থেকে এককভাবে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১১ দলীয় জোটে তারা আর থাকছে না এবং নিজের শক্তির ওপর ভর করেই নির্বাচনী মাঠে নামবে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশের ২৬৮টি আসনে প্রার্থী দেবে। দীর্ঘদিন ধরে জোট রাজনীতির বাইরে থেকে স্বতন্ত্র অবস্থান ধরে রাখার যে নীতি দলটি অনুসরণ করে আসছে, এই সিদ্ধান্ত তারই ধারাবাহিকতা বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। এর আগে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন একটি জোট সমঝোতার অংশ হিসেবে কিছু আসন খালি রাখার উদ্যোগ নেয়। সেখানে প্রায় ৫০টি আসন ছাড় দেওয়ার আলোচনা থাকলেও চরমোনাই পীর মুফতি রেজাউল করিমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন সেই প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি। বরং দলটি শুরু থেকেই এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান নেয়। দলীয় নেতারা বলছেন, জনগণের প্রত্যাশা ও ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাজনীতির বিস্তারের লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জোট রাজনীতির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে সরাসরি ভোটারদের কাছে নিজেদের বার্তা পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল উদ্দেশ্য। এদিকে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একটি গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের প্রাথমিক ধাপ শেষ হয়েছে এবং এখন আপিল নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া চলছে। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ২০ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণায় নামতে পারবেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

শহীদ নূর হোসেন থেকে শহীদ ওসমান হাদি: রাষ্ট্র কি বদলেছে?

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু মৃত্যু সময়কে ভাগ করে দেয়—আগের বাংলাদেশ আর পরের বাংলাদেশ। ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেনের মৃত্যু যেমন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনকে নতুন গতি দিয়েছিল, তেমনি ২০২৫ সালে শহীদ ওসমান হাদির মৃত্যু আজকের রাষ্ট্রব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে কঠিন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। নূর হোসেন ছিলেন একজন সাধারণ মানুষ। কোনো বড় পদ, ক্ষমতা বা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা তার ছিল না। তবুও তিনি বুক-পিঠে লেখা দুটি বাক্য—‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ ও ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’—নিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন। রাষ্ট্র তখন প্রকাশ্য স্বৈরশাসনের অধীনে ছিল। গুলির মুখে দাঁড়িয়ে নূর হোসেন দেখিয়ে দিয়েছিলেন, গণতন্ত্র কেবল রাজনৈতিক দল নয়, সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগেই বেঁচে থাকে। তার রক্তের দাগ মুছে যায়নি; বরং তা ইতিহাসে চিহ্ন হয়ে রয়ে গেছে। অন্যদিকে শহীদ ওসমান হাদি ছিলেন একটি প্রজন্মের কণ্ঠস্বর। তিনি কোনো সামরিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে নয়, বরং তথাকথিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভেতরের ব্যর্থতা, বৈষম্য ও নিরাপত্তাহীনতার বিরুদ্ধে কথা বলছিলেন। দিনের আলোয় রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে রিকশায় বসে থাকা একজন রাজনৈতিক কর্মী গুলিবিদ্ধ হন—এটি শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়, এটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রকাশ্য ভেঙে পড়ার ঘোষণা। নূর হোসেনের সময় রাষ্ট্র বলত, “আমরা স্বৈরাচার, তাই দমন করব।” হাদির সময় রাষ্ট্র বলে, “আমরা গণতান্ত্রিক, কিন্তু অপরাধ ঠেকাতে পারছি না।” এই দুই বক্তব্যের মাঝখানে পার্থক্য থাকলেও ফলাফল এক—একজন নাগরিক নিহত। সবচেয়ে বেদনাদায়ক প্রশ্ন হলো, নূর হোসেনের আত্মত্যাগের ৩৮ বছর পরও কেন হাদির

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

৭ই নভেম্বর: স্বাধীনতা-গণতন্ত্র-সংহতি: এক দিনে তিন প্রতীক

বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে ৭ নভেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ‘মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পরিচিত এই দিনটি ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার পটভূমিতে সিপাহী-জনতার অভ্যুদয়ের প্রতীক হয়ে উঠে। দিনটি নিয়ে নানা মত ও ব্যাখ্যা থাকলেও এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না। কারণ, এই দিনের ঘটনাপ্রবাহ রাষ্ট্রের সামগ্রিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসে এবং জাতীয় রাজনীতির গতিপথে এক নতুন ধারা সূচনা করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর রাষ্ট্রে তীব্র অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। সামরিক, প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে নতুন ক্ষমতার সমীকরণ গড়ে উঠতে থাকে। এরপর ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে হত্যা এবং ক্ষমতার পালাবদলের ধারাবাহিকতায় ৭ নভেম্বর এক বিশেষ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সৈনিকদের একটি অংশ এবং জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সেদিনের ঘটনাকে কেউ বিপ্লব, কেউ সামরিক অভ্যুত্থান এবং কেউ জাতীয় ঐক্যের স্ফুরণ হিসেবে উল্লেখ করেন। এই দিবসটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কারণে। সেই সময় বন্দী অবস্থায় থাকা তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে মুক্তি পান এবং পরবর্তী সময়ে তিনি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব হাতে নেন। জিয়া রাষ্ট্রপরিচালনায় আসার পর বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর নতুন রাজনীতিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয় বলে মতামত রয়েছে। ৭ নভেম্বরকে একদলীয় শাসনের অবসান ও বহু মত-চিন্তার উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরির সূচনা হিসেবে দেখেন অনেক বিশ্লেষক।

বিনোদন

আশা ভোঁসলের প্রয়াণে সংগীতের স্বর্ণযুগের অবসান

আশা ভোঁসলের প্রয়াণে সংগীতের স্বর্ণযুগের অবসান

ভারতীয় সংগীত অঙ্গনের কিংবদন্তি শিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই। রোববার (১২ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। হৃদরোগ ও শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতার কারণে শনিবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। হাসপাতাল সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন এই গায়িকা। শনিবার রাতে হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে নিবিড় পরিচর্যা কক্ষে স্থানান্তর করা হয়। রোববার দুপুরে তার ছেলে আনন্দ ভোঁসলে পরিবারের পক্ষ থেকে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। সোমবার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ১৯৩৩ সালে সংগীতময় মঙ্গেশকর পরিবারে জন্ম নেওয়া আশা ভোঁসলে মাত্র ৯ বছর বয়স থেকেই পেশাদার সংগীতচর্চা শুরু করেন। ১৯৪৩ সালে চলচ্চিত্রে প্রথম গান রেকর্ড করার মাধ্যমে তার যাত্রা শুরু হয়। বড় বোন লতা মঙ্গেশকর-এর খ্যাতির ছায়ায় থেকেও নিজস্ব গায়কী ভঙ্গিতে তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্র সংগীতে স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেন। ক্যারিয়ারের শুরুতে চটুল ধাঁচের গানে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা হলেও ‘উমরাও জান’ ছবির গজল পরিবেশনের মাধ্যমে তিনি নিজের বহুমাত্রিক প্রতিভা প্রমাণ করেন। দীর্ঘ সংগীতজীবনে সাতবার ফিল্মফেয়ার সেরা নেপথ্য গায়িকার পুরস্কার এবং দুইবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। ‘দিল চিজ কেয়া হ্যায়’ গানটি তাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। ব্যক্তিগত জীবনে নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে পথ চলেছেন তিনি। অল্প বয়সে প্রথম বিবাহ ভেঙে যাওয়ার পর ১৯৮০ সালে কিংবদন্তি সংগীত পরিচালক রাহুল দেব বর্মণ-এর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ১৯৯৪ সালে বর্মণের মৃত্যু পর্যন্ত তারা একসঙ্গে ছিলেন। জীবনের শেষ সময়গুলোতে নাতনি জেনাই ভোঁসলে ছিলেন তার নিত্যসঙ্গী। তার প্রয়াণে ভারতীয় সংগীতের এক স্বর্ণযুগের অবসান ঘটেছে বলে মনে করছেন সংগীতবিশ্বের বিশ্লেষকেরা।

অভিনেত্রী সুভাষিণীর রহস্যজনক মৃত্যু, চাঞ্চল্য

অভিনেত্রী সুভাষিণীর রহস্যজনক মৃত্যু, চাঞ্চল্য

দক্ষিণী চলচ্চিত্র ও ছোটপর্দার পরিচিত মুখ, তামিল অভিনেত্রী সুভাষিণী বালসুব্রহ্মণ্যম রহস্যজনকভাবে মারা গেছেন। সোমবার (৬ এপ্রিল) চেন্নাইয়ের নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, যা নিয়ে সহ-অভিনেতা ও ভক্তরা হতবাক। মাত্র ৩৬ বছর বয়সে এই অকাল মৃত্যু দক্ষিণী বিনোদন জগতে শোকের ছায়া ফেলে দিয়েছে। পুলিশ সূত্র জানায়, চেন্নাইয়ের বাসা থেকেই তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, ব্যক্তিগত জীবনের অশান্তি এবং মানসিক চাপের কারণে সুভাষিণী এই ধাপ নিতে পারেন। ঘটনার আগে তিনি স্বামীর সঙ্গে ভিডিও কলে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িত ছিলেন, যা তাকে মানসিকভাবে ভেঙে ফেলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এ পর্যন্ত তার স্বামীর পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। শ্রীলঙ্কায় জন্মগ্রহণ করা সুভাষিণী ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের স্বপ্ন দেখেছিলেন। চেন্নাইতে পাড়ি জমিয়ে তিনি ধাপে ধাপে তামিল বিনোদন জগতে নিজের স্থান তৈরি করেছিলেন। অডিশন, ছোট চরিত্র এবং কঠিন প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে তিনি অবশেষে ‘কয়াল’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে দর্শকের নজর কাড়েন। এই ধারাবাহিকই তাকে জনপ্রিয়তা এনে দেয় এবং তার ক্যারিয়ারে শক্ত অবস্থান তৈরি করে। তার অকাল মৃত্যুতে দক্ষিণী বিনোদন অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমেছে। ভক্তরা সোশ্যাল মিডিয়ায় শোক প্রকাশ করছেন এবং তার অবদানকে স্মরণ করছেন।

বিশেষ সংবাদ

ঈদে গরুর মাংসে সাতকরা চাই সিলেটবাসীর, দামের ঊর্ধ্বগতি

ঈদে গরুর মাংসে সাতকরা চাই সিলেটবাসীর, দামের ঊর্ধ্বগতি

পবিত্র কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারসহ সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন হাট-বাজারে বেড়েছে সাতকরার চাহিদা। সিলেটের ঐতিহ্যবাহী এই সুগন্ধি ফলটি গরুর মাংস রান্নার অন্যতম প্রধান উপাদান হিসেবে পরিচিত। ফলে ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাজারে ক্রেতাদের ভিড় বাড়ছে এবং সঙ্গে বাড়ছে দামও। মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ঝুড়িভর্তি সাতকরা নিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। ছোট আকারের সাতকরা প্রতি হালি ১১০ থেকে ১৪০ টাকায়, মাঝারি আকারের সাতকরা ১৩০ থেকে ১৮০ টাকায় এবং বড় আকারের সাতকরা ২০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে আকার...

প্রাণপ্রাচুর্য আর অপরূপ বর্ণালিতে মৌলভীবাজারকে রাঙিয়ে দিয়েছে প্রকৃতি

প্রাণপ্রাচুর্য আর অপরূপ বর্ণালিতে মৌলভীবাজারকে রাঙিয়ে দিয়েছে প্রকৃতি

দুই শতকের শ্রম, তবুও দারিদ্র্যের চক্রে চা শ্রমিকরা

দুই শতকের শ্রম, তবুও দারিদ্র্যের চক্রে চা শ্রমিকরা

সাতছড়ি উদ্যানে দেখা মিলল বিরল সিঁদুরে মৌটুসি পাখির

সাতছড়ি উদ্যানে দেখা মিলল বিরল সিঁদুরে মৌটুসি পাখির

শ্রীমঙ্গলে ফুটেছে দুর্লভ ক্যাসিয়া জাভানিকা ফুল, ছড়াচ্ছে মুগ্ধতা

শ্রীমঙ্গলে ফুটেছে দুর্লভ ক্যাসিয়া জাভানিকা ফুল, ছড়াচ্ছে মুগ্ধতা

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি

নারী শিক্ষায় প্রযুক্তির বিস্তার, বদলে যাচ্ছে শেখার ধরন

নারী শিক্ষায় প্রযুক্তির বিস্তার, বদলে যাচ্ছে শেখার ধরন

প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে দেশে নারী শিক্ষার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থা, অনলাইন ক্লাস, স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে এখন নারীরা ঘরে বসেই শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন। এতে শিক্ষা কার্যক্রমে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে এবং পিছিয়ে পড়া অনেক শিক্ষার্থীও মূলধারায় ফিরতে পারছেন। শিক্ষাবিদদের মতে, প্রযুক্তির ব্যবহার নারী শিক্ষাকে আরও সহজ, গতিশীল ও সময়োপযোগী করেছে। বিশেষ করে গ্রামীণ অঞ্চলের মেয়েদের জন্য অনলাইন শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আগে যেসব শিক্ষার্থী দূরত্ব, আর্থিক সংকট বা সামাজিক প্রতিবন্ধকতার কারণে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারতেন

প্রযুক্তি ব্যবহারে উন্নয়ন পাচ্ছে শিক্ষা স্বাস্থ্য ও অর্থনীতি

প্রযুক্তি ব্যবহারে উন্নয়ন পাচ্ছে শিক্ষা স্বাস্থ্য ও অর্থনীতি

প্রযুক্তি খাতে উন্নয়নের পথে প্রধান বাধাগুলো চিহ্নিত

প্রযুক্তি খাতে উন্নয়নের পথে প্রধান বাধাগুলো চিহ্নিত

প্রযুক্তি খাতে সম্ভাবনা উজ্জ্বল, এখনও রয়ে গেছে চ্যালেঞ্জ

প্রযুক্তি খাতে সম্ভাবনা উজ্জ্বল, এখনও রয়ে গেছে চ্যালেঞ্জ

চাকুরী

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ৫০তম বিসিএসের বহুল প্রত্যাশিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বুধবার সন্ধ্যায় পিএসসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই বিসিএসে মোট ২ হাজার ১৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হবে ১ হাজার ৭৫৫ জনকে এবং নন-ক্যাডারে ৩৯৫ জনকে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন যুক্ত পদসহ এবার প্রশাসন, পুলিশ, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের নিয়োগ হচ্ছে। ক্যাডার পদের মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ২০০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ১১৭ জন, স্বাস্থ্য ক্যাডারে সর্বোচ্চ ৬৫০ জন,

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

লাইফস্টাইল

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ভালোবাসা পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি। ‘মা’ শব্দটি শুধু একটি সম্বোধন নয়, বরং স্নেহ, মমতা, ত্যাগ ও অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রতীক। জন্মের পর মানুষের মুখে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত শব্দও ‘মা’। সেই মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানাতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্ব মা দিবস উদযাপন করা হয়। যদিও মাকে ভালোবাসা প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট কোনো দিন প্রয়োজন হয় না, তবুও বিশেষভাবে মায়েদের সম্মান জানাতেই দিনটি আলাদাভাবে পালিত হয়। ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়,

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

সম্পাদকীয়

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ১৯৯১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত সময়কে এক অনন্য অধ্যায় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময়জুড়ে দেশের রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন দুই নারী নেত্রী , শেখ হাসিনা ও বেগম খালেদা জিয়া। একদিকে আওয়ামী লীগ, অন্যদিকে বিএনপি,  এই দুই দল এবং তাদের দুই নেত্রীর নেতৃত্বই মূলত বাংলাদেশের রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করেছে। ফলে এই সময়কে অনেকেই যথার্থভাবেই ‘দুই নেত্রীর যুগ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের অভ্যুত্থান বাংলাদেশের এই রাজনৈতিক ধারাবাহিকতায় বড় ধরনের ছেদ টেনেছে। গণআন্দোলনের মুখে শেখ

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

সীমান্তে ভারতীয় পুশ-ইন: বাংলাদেশে নতুন শরণার্থী সংকট আসছে কি ?

সীমান্তে ভারতীয় পুশ-ইন: বাংলাদেশে নতুন শরণার্থী সংকট আসছে কি ?

রাজনীতি

ফ্যাসিবাদের কারণে ১৭ বছর স্মরণ সীমিত ছিল: মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ফ্যাসিবাদের চাপের কারণে গত ১৭ বছর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী স্বাভাবিকভাবে পালন করা সম্ভব হয়নি। শনিবার (৩০ মে) বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে তার সমাধি জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, বর্তমানে তুলনামূলকভাবে বেশি স্বাধীন পরিবেশে দলীয় নেতাকর্মীরা শহীদ রাষ্ট্রপতিকে স্মরণ করতে পারছেন, যা অতীতের তুলনায় ভিন্ন পরিস্থিতি তৈরি করেছে। মির্জা ফখরুল আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আধুনিক ও সুশাসনভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, বর্তমান সময়ে সেই রাষ্ট্রচিন্তা ও সংস্কার ধারণা বাস্তবায়নের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তিনি জানান, পুরোনো ব্যবস্থার পরিবর্তে আধুনিক রাষ্ট্র পরিচালনা ও সুশাসনের ভিত্তি গড়ে তোলার দর্শন জিয়াউর রহমানই প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যা আজও প্রাসঙ্গিক।

ফ্যাসিবাদের কারণে ১৭ বছর স্মরণ সীমিত ছিল: মির্জা ফখরুল
নেতৃত্ব সংকটে স্থবির আওয়ামী লীগ, পদ ছাড়বেন না শেখ হাসিনা

নেতৃত্ব সংকটে স্থবির আওয়ামী লীগ, পদ ছাড়বেন না শেখ হাসিনা

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্তিতে জামায়াতের তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্তিতে জামায়াতের তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ, সরকার স্বীকার করে না: শফিকুর রহমান

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ, সরকার স্বীকার করে না: শফিকুর রহমান

ভিডিও সংবাদ

Card Image

হিলিতে শিক্ষার্থীদের মাঝে ৩৮০০ ফলজ ও ওষুধি গাছের চারা বিতরণ

Card Image

🔴 “একই পরিবারের ৩ জনকে হত্যা!”🔍 “কুমিল্লায় নৃশংস খুন!”

Card Image

শেষ ঠিকানার কারিগর মনু মিয়া আর নেই, প্রায় ৩ হাজার কবর খোঁরেছিলেন তিনি || Enews71

Card Image

হিলি স্থলবন্দরে উন্নয়নের নামে কোটি কোটি টাকা শোষণ করা হয়েছে- সারজিস আলম

Card Image

জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে এসে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন বিএনপি'র মহাসচিব মির্জা ফখরুল

Card Image

'পলো বাওয়া’ উৎসবে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড়

Card Image

ভোগান্তির আরেক নাম পটুয়াখালী বাস টার্মিনাল, সড়কে যানজট বাড়ছে দুর্ঘটনা

Card Image

নওগাঁয় ঐতিহ্যবাহী পুকুরে হাঁস ধরা উৎসব | enews71

Card Image

সেনা কর্মকর্তা তানজিম হ'ত্যা'র ঘটনায় যেভাবে আট'ক হলেন তারা | enews71 | tazim |sena |army

Card Image

মেট্রোরেল যাচ্ছে সদরঘাট : দুর হচ্ছে পুরান ঢাকাবাসীর কস্ট | enews71 | metro | Dhaka metro rail

খেলাধুলা

মেসির নেতৃত্বে নতুন ইতিহাসের অপেক্ষা

মেসির নেতৃত্বে নতুন ইতিহাসের অপেক্ষা

আর্জেন্টিনার হয়ে লিওনেল মেসি এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ তিনটি বিশ্বকাপ আসরে অধিনায়ক হিসেবে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই তারকার সামনে এবার অপেক্ষা করছে নতুন এক মাইলফলক—২০২৬ বিশ্বকাপে চতুর্থবারের মতো অধিনায়কত্ব করার রেকর্ড। আগামী ১১ জুন থেকে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় শুরু হতে যাওয়া ফিফা বিশ্বকাপে মেসির অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলে এটি হবে তার ষষ্ঠ বিশ্বকাপ আসর। এর মাধ্যমে তিনি যৌথভাবে

সাইকেল মেকানিকের ছেলে থেকে ফুটবল তারকা, স্বপ্ন জাতীয় দল

সাইকেল মেকানিকের ছেলে থেকে ফুটবল তারকা, স্বপ্ন জাতীয় দল

বরিশালের উজিরপুর উপজেলার এক সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা কিশোর ফুটবলার দেব মন্ডলের গল্প এখন স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠেছে। বাবা মিন্টু মন্ডলের ছোট্ট সাইকেল মেরামতের দোকানের টুংটাং শব্দের মাঝেই বড় হওয়া দেব আজ নিজের ফুটবল প্রতিভায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। দেব মন্ডল সরকারি উজিরপুর বারো বাইকা মডেল ইনস্টিটিউশনের নবম শ্রেণির ছাত্র। অভাবের সংসার, নেই কোনো আধুনিক প্রশিক্ষণ কিংবা নামী ফুটবল একাডেমির

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

পাকিস্তানকে টেস্ট সিরিজে আবারও হোয়াইটওয়াশ করলো বাংলাদেশ। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টের পঞ্চম দিনে ৭৮ রানের রোমাঞ্চকর জয় তুলে নেয় টাইগাররা। এর ফলে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ বাংলাদেশ জিতল ২-০ ব্যবধানে। ঘরের মাটিতে এই প্রথমবার টেস্ট ক্রিকেটে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করার কীর্তি গড়ল বাংলাদেশ। এর আগে পাকিস্তানের মাটিতেও একই অর্জন করেছিল টাইগাররা। ফলে দুই দেশের টেস্ট ইতিহাসে বাংলাদেশের আধিপত্য আরও একবার প্রতিষ্ঠিত হলো। সিলেট টেস্টে পাকিস্তান ৪৩৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেছিল। চতুর্থ দিন শেষে সফরকারীদের সংগ্রহ ছিল ৭ উইকেটে ৩১৬ রান। শেষ দিনে জয়ের জন্য পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ১২০ রান এবং বাংলাদেশের দরকার ছিল মাত্র ৩ উইকেট। পঞ্চম দিনের শুরুতে

নারী ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের বড় অগ্রগতি

নারী ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের বড় অগ্রগতি

আইসিসি (International Cricket Council)-এর সর্বশেষ বার্ষিক হালনাগাদে নারী ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে বড় অগ্রগতি করেছে Bangladesh national women's cricket team। নতুন তালিকা অনুযায়ী বাংলাদেশ এক ধাপ এগিয়ে পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এখন সপ্তম স্থানে উঠে এসেছে। আইসিসির প্রকাশিত হালনাগাদ র‌্যাঙ্কিংয়ে মে ২০২৫ থেকে অনুষ্ঠিত ম্যাচগুলোকে ১০০ শতাংশ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং আগের দুই বছরের পারফরম্যান্সকে ৫০ শতাংশ হিসেবে গণনা করা হয়েছে। এই পদ্ধতিগত পরিবর্তনের ফলে অনেক দলের অবস্থানে পরিবর্তন এসেছে। বাংলাদেশ নারী দল বর্তমানে ৭৩ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছে। অন্যদিকে Pakistan women's cricket team ৭২ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে নেমে গেছে অষ্টম স্থানে। পাকিস্তান ৩ রেটিং পয়েন্ট হারানোর কারণে মূলত এই অবস্থান পরিবর্তন ঘটে।

বাফুফে কোচ বাছাইয়ে ১৪২ জনের তালিকা চূড়ান্ত

বাফুফে কোচ বাছাইয়ে ১৪২ জনের তালিকা চূড়ান্ত

জাতীয় ফুটবল দলের নতুন প্রধান কোচ নিয়োগে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। প্রধান কোচ পদে প্রায় তিন শতাধিক বিদেশি কোচ আবেদন করেছিলেন, যাদের মধ্য থেকে কঠোর বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বর্তমানে ১৪২ জনের একটি প্রাথমিক তালিকা তৈরি করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। বাফুফে জানিয়েছে, এবার কোচ নিয়োগে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। জাতীয় দলের জন্য একজন যোগ্য, অভিজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন কোচ বাছাই করাই মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে উয়েফা প্রো লাইসেন্সধারী কোচদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বাছাই প্রক্রিয়ায় কাজ করছে একটি বিশেষ কমিটি, যেখানে আছেন টেকনিক্যাল ডিরেক্টর সাইফুল বারী, নির্বাহী কমিটির সদস্য ছাইদ হাছান কানন এবং ইকবাল হোসেন। তারা প্রার্থীদের আন্তর্জাতিক

অলিখিত ফাইনালে টস জিতে বোলিং নিল নিউজিল্যান্ড

অলিখিত ফাইনালে টস জিতে বোলিং নিল নিউজিল্যান্ড

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল। কিউই অধিনায়ক টম ল্যাথাম টস জিতে বাংলাদেশকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠান। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম মাঠে। তিন ম্যাচ সিরিজের এই লড়াইকে কার্যত অলিখিত ফাইনাল হিসেবেই দেখছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা। সিরিজ বর্তমানে ১-১ সমতায় থাকায় শেষ ম্যাচেই নির্ধারিত হবে সিরিজ বিজয়ী। এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে একাদশে দুটি পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে পেসার তাসকিন আহমেদ ও অলরাউন্ডার রিশাদ হোসেইনকে। তাদের পরিবর্তে দলে ফিরেছেন অভিজ্ঞ পেসার মোস্তাফিজুর রহমান এবং স্পিনার তানভির ইসলাম। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড দলে একটি পরিবর্তন এনে

শিক্ষা

২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা ৩১ ডিসেম্বর শুরুর পরিকল্পনা

২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা ৩১ ডিসেম্বর শুরুর পরিকল্পনা

২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা আগামী ৩১ ডিসেম্বর শুরু করে ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ করার প্রাথমিক পরিকল্পনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। বুধবার (১৪ মে) শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষা–সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত বিবেচনায় নিয়ে এই প্রাথমিক সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়। আগামী দুই–এক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শিক্ষামন্ত্রীর ডিসেম্বরের মধ্যে পরীক্ষা নেওয়ার ঘোষণার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের জানুয়ারিতে পরীক্ষার দাবির সমন্বয় করে ৩১ ডিসেম্বর পরীক্ষা শুরুর প্রস্তাব রাখা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মান প্রথম বর্ষে ভর্তির লড়াই আজ শুরু

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মান প্রথম বর্ষে ভর্তির লড়াই আজ শুরু

প্রকাশিত হলো ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি

প্রকাশিত হলো ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি

এসএসসি পরীক্ষায় ফিরছে ‘নীরব বহিষ্কার’ ব্যবস্থা, কার্যকর যেদিন থেকে

এসএসসি পরীক্ষায় ফিরছে ‘নীরব বহিষ্কার’ ব্যবস্থা, কার্যকর যেদিন থেকে

ধর্ম

‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর আরাফাত

‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর আরাফাত

পবিত্র হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও আধ্যাত্মিক পর্ব ‘উকুফে আরাফা’ পালনে সৌদি আরবের পবিত্র আরাফাতের ময়দানে সমবেত হয়েছেন ১৬ লাখেরও বেশি হাজি। মঙ্গলবার (২৬ মে) ভোর থেকে ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো আরাফাত প্রান্তর। দিনব্যাপী দোয়া, ইবাদত, কোরআন তিলাওয়াত এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনায় মগ্ন থাকেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত মুসল্লিরা। সৌদি প্রেস এজেন্সি ও আরব নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, জিলহজ মাসের নবম দিনে ভোর থেকেই হাজিরা আরাফাতের নির্ধারিত সীমানায় প্রবেশ করতে শুরু করেন। সূর্যাস্ত পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করে

হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু আজ, অংশ নিচ্ছেন ১৮ লাখ মুসল্লি

হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু আজ, অংশ নিচ্ছেন ১৮ লাখ মুসল্লি

আত্মশুদ্ধির অনন্য ইবাদত পবিত্র হজ পালন

আত্মশুদ্ধির অনন্য ইবাদত পবিত্র হজ পালন

সামর্থ্যবান মুসলিমদের জন্য কুরবানি ওয়াজিব: আলেমদের মত

সামর্থ্যবান মুসলিমদের জন্য কুরবানি ওয়াজিব: আলেমদের মত

আন্তর্জাতিক

চুক্তি ঠেকাতে ইরানের ভেতরে কট্টরপন্থী গোষ্ঠী সক্রিয়!

চুক্তি ঠেকাতে ইরানের ভেতরে কট্টরপন্থী গোষ্ঠী সক্রিয়!

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের সামরিক ও রাজনৈতিক অচলাবস্থা কাটিয়ে একটি সম্ভাব্য সমঝোতা চুক্তির আভাস মিলতেই ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চুক্তি ঠেকাতে ইরানের ভেতরে একটি কট্টরপন্থী গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইরানের সংসদ ও সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের কিছু প্রভাবশালী সদস্য এই গোষ্ঠীর অংশ। তারা সংখ্যায় কম হলেও জনসভা, গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক চাপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো ধরনের সমঝোতার বিরোধিতা করছে। চুক্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। গত শুক্রবার হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে প্রায় দুই ঘণ্টা বৈঠক হলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ জানিয়েছেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করে না এবং শত্রুপক্ষ আগে পদক্ষেপ না নিলে ইরানও কোনো উদ্যোগ নেবে না।

ইরানে সরাসরি যুদ্ধে জড়ানো সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল না: ট্রাম্প

ইরানে সরাসরি যুদ্ধে জড়ানো সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল না: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ইরাক বা ইরান যুদ্ধে যাওয়া উচিত হয়নি। তিনি এ মন্তব্য করেন মার্কিন টেলিভিশন ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, যা পরবর্তীতে আল জাজিরা প্রকাশ করে। ট্রাম্প ইরাক যুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, বাগদাদে মার্কিন বাহিনীর যাওয়া একটি বড় ভুল ছিল। তার ভাষায়, ইরাকে যা ঘটেছে তা ছিল অত্যন্ত বোকামিপূর্ণ সিদ্ধান্ত এবং সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের শুরু থেকেই না যাওয়া উচিত ছিল। তিনি আরও বলেন, ইরান নিয়েও একই ধরনের ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তার মতে, এসব যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প দাবি করেন, অতীতে কিছু সামরিক পদক্ষেপে এমন ভুল হয়েছে, যার ফলে একটি দেশ ধ্বংসের মুখে পড়ে এবং তা

বিতর্কের মধ্যেই ভারত সফরে মিন অং হ্লাইং

বিতর্কের মধ্যেই ভারত সফরে মিন অং হ্লাইং

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম বিদেশ সফরে ভারতে পৌঁছেছেন মিন অং হ্লাইং। পাঁচ দিনের এ সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi-এর সঙ্গে বৈঠক ছাড়াও নিরাপত্তা, বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। শনিবার (৩০ মে) সকালে ভারতের Bihar রাজ্যে পৌঁছে তিনি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম পবিত্র তীর্থস্থান Mahabodhi Temple পরিদর্শন করেন এবং সেখানে প্রার্থনা করেন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১ জুন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করবেন মিন অং হ্লাইং। এছাড়া ভারতের রাষ্ট্রপতি Droupadi Murmu-এর সঙ্গেও তার সাক্ষাতের কথা রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, এ সফর দুই দেশের আধ্যাত্মিক, ঐতিহাসিক ও জনগণের পারস্পরিক সম্পর্কের প্রতিফলন। ২০১৯ সালের পর এটিই মিন অং হ্লাইংয়ের

ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে পারবে না

ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে পারবে না

বিশ্বমঞ্চে পাকিস্তানের উত্থান, চ্যালেঞ্জে ভারতের কৌশল

বিশ্বমঞ্চে পাকিস্তানের উত্থান, চ্যালেঞ্জে ভারতের কৌশল

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আশায় কমছে বিশ্ববাজারে তেলের দাম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আশায় কমছে বিশ্ববাজারে তেলের দাম

যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর হলেও, ইরান চুক্তি সম্ভব: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর হলেও, ইরান চুক্তি সম্ভব: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

যুদ্ধবিরতিতেও ইরানে মার্কিন হামলা, বাড়ছে নতুন উত্তেজনা

যুদ্ধবিরতিতেও ইরানে মার্কিন হামলা, বাড়ছে নতুন উত্তেজনা

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আত্মগোপনে, বাড়ছে নিরাপত্তা শঙ্কা

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আত্মগোপনে, বাড়ছে নিরাপত্তা শঙ্কা

সারাদেশ

মঠবাড়িয়ায় ভিন্ন স্থানে দুই মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য

মঠবাড়িয়ায় ভিন্ন স্থানে দুই মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় একই এলাকার ভিন্ন দুটি স্থান থেকে দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (৩১ মে) ভোরে উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পৃথক স্থান থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। এতে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতরা হলেন— মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে আব্দুর রশিদ এবং মো. কালু মিয়ার ছেলে সাগর। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্দুর রশিদকে শনিবার রাত ১১টার দিকে বাড়ি থেকে ডেকে নেওয়া হয়। পরে ভোরে নেহালিয়া মাদ্রাসার পাশের মক্তবখানা এলাকায় তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। একই সময়ে মো....

ঈদ শেষে দৌলতদিয়া ঘাটে বাড়ছে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ

ঈদ শেষে দৌলতদিয়া ঘাটে বাড়ছে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ

তিন দিনে শিল্পনগরীতে এলো পাঁচ লাখ চামড়া

তিন দিনে শিল্পনগরীতে এলো পাঁচ লাখ চামড়া

কালিহাতীতে বাস উল্টে খাদে পড়ে আহত ১৭ জন

কালিহাতীতে বাস উল্টে খাদে পড়ে আহত ১৭ জন

শ্রীমঙ্গলে ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ কৃষক পরিবারে নগদ চেক ও চাল বিতরণ

শ্রীমঙ্গলে ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ কৃষক পরিবারে নগদ চেক ও চাল বিতরণ

জাতীয়

বিশ্বশান্তিতে বাংলাদেশের আত্মত্যাগের অনন্য স্বীকৃতি পেল সেনারা

বিশ্বশান্তি রক্ষায় আত্মত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশের ছয়জন বীর সেনানীকে মরণোত্তর ‘দাগ হ্যামারশোল্ড মেডেল’ প্রদান করছে জাতিসংঘ। চলতি বছরের ৫ জুন জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ‘আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে এই পদক প্রদান করা হবে। সেখানে শান্তিরক্ষীদের সর্বোচ্চ এই সম্মাননা তুলে দেবেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। এ বছর বিশ্বজুড়ে মোট ৬৮ জন সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর এই পদকে ভূষিত করা হচ্ছে। তাদের মধ্যে ৫৯ জন গত বছর দায়িত্ব পালনকালে প্রাণ হারান। বাংলাদেশ থেকে এই সম্মাননা পাচ্ছেন ছয়জন বীর শান্তিরক্ষী। তারা হলেন— প্রাইভেট মো. জাহাঙ্গীর আলম, প্রাইভেট মো. সবুজ মিয়া, কর্পোরাল মো. মাসুদ রানা, প্রাইভেট মো. মোমিনুল ইসলাম, প্রাইভেট শামীম রেজা এবং প্রাইভেট শান্ত মন্ডল।

বিশ্বশান্তিতে বাংলাদেশের আত্মত্যাগের অনন্য স্বীকৃতি পেল সেনারা
হজ শেষে ফিরছেন হাজিরা, প্রথম দিনে দেশে এলেন ৬১৭৫ জন

হজ শেষে ফিরছেন হাজিরা, প্রথম দিনে দেশে এলেন ৬১৭৫ জন

তিন জেলায় ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, সতর্ক সংকেত

তিন জেলায় ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, সতর্ক সংকেত

ছুটি শেষে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম

ছুটি শেষে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম

ছুটি শেষে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম

ছুটি শেষে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি শেষ হচ্ছে আজ। দীর্ঘ অবকাশ শেষে সোমবার (১ জুন) থেকে পুনরায় খুলছে সরকারি-বেসরকারি অফিস, আদালত, ব্যাংক, বিমা প্রতিষ্ঠান ও পুঁজিবাজার। এর মধ্য দিয়ে দেশজুড়ে প্রশাসনিক, আর্থিক ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড আবারও স্বাভাবিক গতিতে ফিরতে শুরু করবে। চলতি বছর ঈদুল আজহা উপলক্ষে ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সরকারি ছুটি নির্ধারিত ছিল। সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা সাত দিনের অবকাশ ভোগের সুযোগ পান। ছুটি শেষে সোমবার থেকে তারা নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগ দেবেন। ঈদের ছুটির সময় জরুরি প্রয়োজনে কিছু ব্যাংক শাখা সীমিত পরিসরে খোলা রাখা হলেও সোমবার থেকে দেশের সব ব্যাংকে স্বাভাবিক লেনদেন শুরু হবে। একই সঙ্গে দেশের পুঁজিবাজারেও নিয়মিত কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসে কাজের চাপ তুলনামূলক কম থাকতে পারে। কারণ এদিন সাধারণত সহকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়েই অনেকটা সময় পার হয়। তবে ছুটির কারণে জমে থাকা বিভিন্ন দাপ্তরিক ও বাণিজ্যিক কাজ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সপ্তাহের বাকি দিনগুলোতে ব্যস্ততা বাড়বে। এদিকে ঈদের ছুটি শেষে রাজধানীমুখী মানুষের ফিরতি যাত্রা শুরু হয়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সড়ক, রেল ও নৌপথে কর্মজীবী মানুষ ঢাকায় ফিরছেন। ফলে রাজধানীর সড়কগুলোতেও যানবাহনের চাপ ধীরে ধীরে বাড়ছে।

আরও পড়ুন
১১ ঘণ্টা আগে
https://kidora.com.bd
চুক্তি ঠেকাতে ইরানের ভেতরে কট্টরপন্থী গোষ্ঠী সক্রিয়!

চুক্তি ঠেকাতে ইরানের ভেতরে কট্টরপন্থী গোষ্ঠী সক্রিয়!

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের সামরিক ও রাজনৈতিক অচলাবস্থা কাটিয়ে একটি সম্ভাব্য সমঝোতা চুক্তির আভাস মিলতেই ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চুক্তি ঠেকাতে ইরানের ভেতরে একটি কট্টরপন্থী গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইরানের

ইরানে সরাসরি যুদ্ধে জড়ানো সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল না: ট্রাম্প

ইরানে সরাসরি যুদ্ধে জড়ানো সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল না: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ইরাক বা ইরান যুদ্ধে যাওয়া উচিত হয়নি। তিনি এ মন্তব্য করেন মার্কিন টেলিভিশন ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, যা পরবর্তীতে আল জাজিরা প্রকাশ করে। ট্রাম্প ইরাক যুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, বাগদাদে মার্কিন বাহিনীর যাওয়া একটি

বিশ্বশান্তিতে বাংলাদেশের আত্মত্যাগের অনন্য স্বীকৃতি পেল সেনারা

বিশ্বশান্তিতে বাংলাদেশের আত্মত্যাগের অনন্য স্বীকৃতি পেল সেনারা

হজ শেষে ফিরছেন হাজিরা, প্রথম দিনে দেশে এলেন ৬১৭৫ জন

হজ শেষে ফিরছেন হাজিরা, প্রথম দিনে দেশে এলেন ৬১৭৫ জন

বিতর্কের মধ্যেই ভারত সফরে মিন অং হ্লাইং

বিতর্কের মধ্যেই ভারত সফরে মিন অং হ্লাইং

ঈদ শেষে দৌলতদিয়া ঘাটে বাড়ছে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ

ঈদ শেষে দৌলতদিয়া ঘাটে বাড়ছে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ

তিন জেলায় ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, সতর্ক সংকেত

তিন জেলায় ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, সতর্ক সংকেত

তিন দিনে শিল্পনগরীতে এলো পাঁচ লাখ চামড়া

তিন দিনে শিল্পনগরীতে এলো পাঁচ লাখ চামড়া

সর্বশেষ সংবাদ

জনপ্রিয়

চুক্তি ঠেকাতে ইরানের ভেতরে কট্টরপন্থী গোষ্ঠী সক্রিয়!

চুক্তি ঠেকাতে ইরানের ভেতরে কট্টরপন্থী গোষ্ঠী সক্রিয়!

মঠবাড়িয়ায় ভিন্ন স্থানে দুই মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য

মঠবাড়িয়ায় ভিন্ন স্থানে দুই মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য

বিশ্বশান্তিতে বাংলাদেশের আত্মত্যাগের অনন্য স্বীকৃতি পেল সেনারা

বিশ্বশান্তিতে বাংলাদেশের আত্মত্যাগের অনন্য স্বীকৃতি পেল সেনারা

ইরানে সরাসরি যুদ্ধে জড়ানো সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল না: ট্রাম্প

ইরানে সরাসরি যুদ্ধে জড়ানো সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল না: ট্রাম্প

হজ শেষে ফিরছেন হাজিরা, প্রথম দিনে দেশে এলেন ৬১৭৫ জন

হজ শেষে ফিরছেন হাজিরা, প্রথম দিনে দেশে এলেন ৬১৭৫ জন

বিতর্কের মধ্যেই ভারত সফরে মিন অং হ্লাইং

বিতর্কের মধ্যেই ভারত সফরে মিন অং হ্লাইং

ঈদ শেষে দৌলতদিয়া ঘাটে বাড়ছে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ

ঈদ শেষে দৌলতদিয়া ঘাটে বাড়ছে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ

তিন জেলায় ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, সতর্ক সংকেত

তিন জেলায় ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, সতর্ক সংকেত

তিন দিনে শিল্পনগরীতে এলো পাঁচ লাখ চামড়া

তিন দিনে শিল্পনগরীতে এলো পাঁচ লাখ চামড়া

ছুটি শেষে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম

ছুটি শেষে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম
https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg