সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬২৩ ভাদ্র, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

আপনার এলাকার খবর

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg
https://enews71.com/storage/ads/01M1TJ1Y03SG5Y5HBJA4PJG3XC.PNG
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png

ভিডিও সংবাদ

Card Image

ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের পথে ১১ দলীয় জোট! কী হচ্ছে রাজপথে

Card Image

বাবার চোখের পানি দেখে প্রেমের ইতি? মুসলিম তরুণীর নতুন সিদ্ধান্ত

Card Image

বরযাত্রীর গাড়ি আটকে নববধূকে তুলে নেওয়া! পেছনের রহস্য কী

Card Image

চেয়ারম্যান থেকে রাষ্ট্রপতির চেয়ারে! অবিশ্বাস্য রাজনৈতিক উত্থান

Card Image

রাজশাহীতে চলন্ত ট্রেন থেকে তেল চুরি! এটাকে কি চুরি বলবেন, নাকি লুট?

Card Image

বরিশালে বিদ্যুৎ দুর্যোগ! কবে মিলবে নিরবচ্ছিন্ন সাপ্লাই?

Card Image

নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কেন বাড়ছে বারবার?

Card Image

ইসরায়েলের পরমাণু সুবিধা লক্ষ্য করে ইরানের আঘাত ও প্রতিশোধ

Card Image

কারিগরি শিক্ষা নিয়ে সরকারের নতুন পরিকল্পনা, কী বললেন নুরুল হক?

Card Image

বরিশালে অন্ডকোষ চেপে ধরে স্টাম্পে স্বাক্ষর! মুখ খুললেন ভুক্তভোগী | কী ঘটেছিল সেদিন?

বিনোদন

জন্মের পর অন্য পরিবারের কাছে চলে গিয়েছিলেন রানি মুখার্জি

জন্মের পর অন্য পরিবারের কাছে চলে গিয়েছিলেন রানি মুখার্জি

বলিউড অভিনেত্রী রানি মুখার্জির জীবনের এক অবাক করা ঘটনা দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে। জন্মের পর হাসপাতালের এক ভুলে তিনি অন্য এক পরিবারের কাছে চলে গিয়েছিলেন। পরে তার মা কৃষ্ণা মুখার্জির তৎপরতায় তিনি নিজের প্রকৃত পরিবারের কাছে ফিরে আসেন। ১৯৭৮ সালের ২১ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন রানি মুখার্জি। তিনি চলচ্চিত্র নির্মাতা রাম মুখার্জি ও কৃষ্ণা মুখার্জির মেয়ে। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, জন্মের পর হাসপাতালের এক নার্সের ভুলে তাকে একটি পাঞ্জাবি দম্পতির নবজাতকের সঙ্গে অদলবদল করা হয়েছিল। রানির ভাষ্য অনুযায়ী, তার মা শিশুটিকে দেখেই সন্দেহ করেন। কারণ নবজাতকের চোখের রং তার সন্তানের চোখের রঙের সঙ্গে মিলছিল না। বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি দ্রুত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানান যে শিশুটি তার নয় এবং নিজের সন্তানকে খুঁজে বের করার দাবি জানান। এরপর হাসপাতালজুড়ে অনুসন্ধান চালিয়ে ওই পাঞ্জাবি দম্পতির কাছ থেকে রানিকে উদ্ধার করা হয়। পরে দুই নবজাতককে তাদের প্রকৃত পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। রানি জানান, পরবর্তী সময়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটি নিয়ে প্রায়ই হাস্যরস করতেন। অনেকে মজা করে বলতেন, তিনি আসলে পাঞ্জাবি পরিবারের সন্তান, ভুল করে মুখার্জি পরিবারে বড় হয়েছেন। ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নবজাতকদের পরিচয়পত্র লাগানোর সময় দায়িত্বে থাকা এক নার্সের ভুলেই এই অদলবদলের ঘটনা ঘটেছিল। বর্তমানে এই ঘটনাটি রানির জীবনের অন্যতম আলোচিত স্মৃতি হিসেবে পরিচিত।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে মুখ খুললেন সালমান খান

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে মুখ খুললেন সালমান খান

শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়ে মুখ খুলেছেন বলিউড অভিনেতা সালমান খান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক দীর্ঘ বার্তায় তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসকে ‘অত্যন্ত গুরুতর বিষয়’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ না দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রশংসা করে আহতদের প্রতি সমবেদনা জানান। সালমান খান লেখেন, আন্দোলনটি শুরু হয়েছিল অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে। তবে শেষ পর্যন্ত তা সহিংসতায় রূপ নেওয়ায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস একটি অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা। দেশের তরুণেরা উন্নত শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে এবং তাঁদের অভিভাবকেরাও পাশে দাঁড়িয়েছেন—এটি ইতিবাচক একটি বিষয়। তিনি আরও বলেন, নিষ্ঠা, সততা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়তে এবং আরও শিক্ষিত ভারত গঠনের যে আগ্রহ শিক্ষার্থীরা দেখিয়েছে, তা প্রশংসার দাবিদার। তাঁর ভাষায়, আন্দোলন বা প্রতিবাদ গণতান্ত্রিক অধিকারের অংশ এবং শিক্ষার্থীরা তা শান্তিপূর্ণভাবেই করেছে। শিক্ষা নিয়ে সচেতন এই প্রজন্ম একদিন ভারতের জন্য গৌরব বয়ে আনবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। পোস্টের শেষাংশে সালমান খান বলেন, এটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষাব্যবস্থার বিষয়। তাই একে রাজনৈতিক রং দেওয়া উচিত নয়। তাঁর বিশ্বাস, সরকারও শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবে এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তিনি শিক্ষার্থীদের মঙ্গল কামনাও করেন। শিক্ষাব্যবস্থায় সংস্কার এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের পদত্যাগের দাবিতে রাজধানী দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়। সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার সময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। অভিযোগ রয়েছে, পুলিশ লাঠিপেটা ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করেছে, যাতে বহু শিক্ষার্থী আহত ও অসুস্থ হয়েছেন। তবে সহিংসতার জন্য উভয় পক্ষই একে অপরকে দায়ী করেছে। এর আগে চলচ্চিত্র অঙ্গনের

ধর্ম

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

ইসলাম শুধু ইবাদতের শিক্ষা দেয় না, মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ারও নির্দেশ দেয়। একজন মুসলমানের উত্তম চরিত্রের অন্যতম প্রকাশ হলো অন্যের উপকারে এগিয়ে আসা। বিপদে থাকা মানুষকে সহযোগিতা করা, অসহায়কে সাহায্য করা এবং মানুষের কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করাকে ইসলাম অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ আমল হিসেবে বিবেচনা করে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘সৎকর্ম ও তাকওয়ায় একে অন্যকে সহযোগিতা করো।’ এই নির্দেশনা থেকে বোঝা যায়, সমাজে ভালো কাজ প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের কল্যাণে পারস্পরিক সহযোগিতা করা একজন মুমিনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। শুধু নিজের স্বার্থ নিয়ে ব্যস্ত না থেকে

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

মহানবীর জন্ম ও ওফাত স্মরণে আজ পবিত্র মিলাদুন্নবী

মহানবীর জন্ম ও ওফাত স্মরণে আজ পবিত্র মিলাদুন্নবী

ক্ষমাশীল হতে বলেছে কোরআন ও হাদিস

ক্ষমাশীল হতে বলেছে কোরআন ও হাদিস

সারাদেশ

ইবিতে ছাত্রদল–শিবির সংঘর্ষ, অস্ত্রসহ ১৯ বহিরাগত শনাক্ত

ইবিতে ছাত্রদল–শিবির সংঘর্ষ, অস্ত্রসহ ১৯ বহিরাগত শনাক্ত

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অস্ত্র হাতে থাকা ১৯ বহিরাগতকে শনাক্ত করা হয়েছে। সংঘর্ষের সময় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজ ও ছবি বিশ্লেষণ করে ক্যাম্পাসের আশপাশের বিভিন্ন এলাকার এসব ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনার সূত্রপাত হয় এক ছাত্রদল নেতার হাতে ছাত্রশিবিরের এক নেতার থাপ্পড় খাওয়াকে কেন্দ্র করে। পরে দুই সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা, ধস্তাধস্তি ও সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর শনিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের...

দেবীদ্বারে ব্যাংকে গ্রাহক সেজে চার লাখ টাকা চুরি

দেবীদ্বারে ব্যাংকে গ্রাহক সেজে চার লাখ টাকা চুরি

কলতাবাজার মেসে জবি ছাত্রীকে নিতে গিয়ে র‍্যাবের তৎপরতা, অত:পর ..

কলতাবাজার মেসে জবি ছাত্রীকে নিতে গিয়ে র‍্যাবের তৎপরতা, অত:পর ..

গোপালগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে, নিহত তিনজন

গোপালগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে, নিহত তিনজন

উত্তর বাড্ডায় ফার্নিচারের গুদামে ভয়াবহ আগুন

উত্তর বাড্ডায় ফার্নিচারের গুদামে ভয়াবহ আগুন

আন্তর্জাতিক

বিশ্ব জ্বালানি সংকটের জন্য ওয়াশিংটনই দায়ী: ইরান

বিশ্ব জ্বালানি সংকটের জন্য ওয়াশিংটনই দায়ী: ইরান

বিশ্বব্যাপী চলমান বিশৃঙ্খলা ও জ্বালানি সংকটের জন্য ইরানকে দায়ী করার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র—এমন অভিযোগ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, বর্তমান সংকটের পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শুরু করা যুদ্ধই মূল কারণ। বাঘেইর ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর যৌথ হামলা চালানোর আগ পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ছিল। যুদ্ধ শুরুর পর পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন ঘটে। তার অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রের ‘অবৈধ ও নৃশংস যুদ্ধ’ গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করেছে। তিনি আরও বলেন, সংঘাতের কারণে জ্বালানিবাহী তেলবাহী ট্যাংকারের চলাচলও স্তব্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এবং তেলের দাম দ্রুত বেড়েছে। বাঘেইর দাবি, যুদ্ধ ও সামুদ্রিক চলাচলে বিঘ্নের প্রভাব কেবল আঞ্চলিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নেই; এর প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারেও পড়ছে। ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে আরও গুরুতর অভিযোগ তুলে বলেন, সংঘাতটি যুক্তরাষ্ট্রই তৈরি করেছে। অথচ নিজেদের তৈরি করা বিশ্ব সংকটের দায় এখন ইরানের ওপর চাপানোর চেষ্টা করছে তারা। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়, যার খেসারত শেষ পর্যন্ত পুরো বিশ্বকে দিতে হবে। হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ইরানের বক্তব্যে যুদ্ধ শুরুর আগে ও পরের পরিস্থিতির তুলনা করে দেখানো হয়েছে যে, সংঘাতের পর বাণিজ্যিক নৌযান ও তেলবাহী জাহাজ চলাচল ব্যাহত হয়েছে। এর ফলে জ্বালানি বাজারে যে মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে, তার জন্য ইরানকে দায়ী করার প্রচেষ্টার বিরোধিতা করেছেন বাঘেই। রোববারের ওই বক্তব্যে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নীতির তীব্র সমালোচনা করেন এবং বিশ্ব সংকটের দায় নির্ধারণে যুদ্ধের সূত্রপাত ও তার পরিণতিকে বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানান। সূত্র: মিডল ইস্ট আই।

পেট্রোলের দাম দ্বিগুণ করল ইরান, চাপ বাড়ছে

পেট্রোলের দাম দ্বিগুণ করল ইরান, চাপ বাড়ছে

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ জোরদারের মুখে কৌশলগত হরমুজ প্রণালি ও পারস্য উপসাগরের নির্দিষ্ট অংশজুড়ে নতুন একটি ‘নিষিদ্ধ এলাকা’ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এই এলাকা কার্যকর করার কথা জানিয়েছে দেশটি। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) টাইমস নাউ-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা প্রধান মহসেন রেজাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে বলেন, মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ রেখা থেকে শুরু করে পারস্য উপসাগরের নির্দিষ্ট অংশ নিয়ে নতুন নিষিদ্ধ অঞ্চল তৈরি করা হবে। এই এলাকায় প্রবেশকারী যেকোনো জলযানকে ইরানের নিজস্ব নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলেও তিনি জানান। এতে হরমুজ প্রণালি ঘিরে সামুদ্রিক উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এদিকে অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির ওপর

সৌদি আরবে ই-পাসপোর্ট বায়োমেট্রিকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাধ্যতামূলক

সৌদি আরবে ই-পাসপোর্ট বায়োমেট্রিকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাধ্যতামূলক

সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের ই-পাসপোর্টের বায়োমেট্রিক সুবিধা গ্রহণের ক্ষেত্রে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাধ্যতামূলক করেছে রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাস। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর বুধবার থেকে পূর্বনির্ধারিত অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়া কোনো আবেদনকারীর বায়োমেট্রিক গ্রহণ করা হবে না বলে জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে দূতাবাস কর্তৃপক্ষ। দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ই-পাসপোর্টের বায়োমেট্রিক সেবা নিতে আবেদনকারীদের অতিরিক্ত উপস্থিতির কারণে দূতাবাস কার্যালয় ও এর আশপাশের এলাকায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। এ কারণে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুরোধে সেবাগ্রহীতাদের জন্য নতুন এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। ভিড় নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সুশৃঙ্খল পরিবেশে পাসপোর্টসেবা নিশ্চিত করতেই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ই-পাসপোর্টের আবেদনকারীদের বায়োমেট্রিক দেওয়ার আগে দূতাবাসের নিজস্ব অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে আগাম তারিখ নির্ধারণ করতে হবে। এ

মিয়ামি বিমানবন্দরে অ্যামাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫

মিয়ামি বিমানবন্দরে অ্যামাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫

হরমুজ বন্ধে মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানি কমেছে ৩৯ শতাংশ

হরমুজ বন্ধে মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানি কমেছে ৩৯ শতাংশ

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় পালালো মার্কিন দুই যুদ্ধজাহাজ

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় পালালো মার্কিন দুই যুদ্ধজাহাজ

ভোরের অন্ধকারে ভারতে ১৫০ বছরের মসজিদ গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

ভোরের অন্ধকারে ভারতে ১৫০ বছরের মসজিদ গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

ইরানে জ্বালানি ট্যাংকার বিস্ফোরণে নিহত অন্তত ১০ জন

ইরানে জ্বালানি ট্যাংকার বিস্ফোরণে নিহত অন্তত ১০ জন

যুদ্ধ দীর্ঘায়নে আত্মবিশ্বাসী ইরান, মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়ন

যুদ্ধ দীর্ঘায়নে আত্মবিশ্বাসী ইরান, মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়ন

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি

প্রযুক্তিতে এগোচ্ছে বাংলাদেশ, বাড়ছে বৈশ্বিক বাজারে সক্ষমতা

প্রযুক্তিতে এগোচ্ছে বাংলাদেশ, বাড়ছে বৈশ্বিক বাজারে সক্ষমতা

প্রযুক্তি খাতে গত এক দশকে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে বাংলাদেশে। মোবাইল ও ইন্টারনেটের বিস্তার, ডিজিটাল সরকারি সেবা, সফটওয়্যার উন্নয়ন, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবা, ফ্রিল্যান্সিং এবং স্টার্টআপের প্রসারে দেশের প্রযুক্তি খাত এখন অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট ইন্টারনেট গ্রাহক ছিল প্রায় ১৩ কোটি। একই সময়ে মোবাইল ব্রডব্যান্ড গ্রাহক ছিল ১০ কোটি ৩৭ লাখের বেশি এবং মোট মোবাইল গ্রাহক প্রায় ১৮ কোটি ৭ লাখ। অর্থাৎ প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় ভিত্তি—সংযোগ ও ডিজিটাল ব্যবহারকারী—দেশে ইতোমধ্যে

পুরনো ফোনও চলবে নতুনের মতো, জেনে নিন সহজ কিছু কৌশল

পুরনো ফোনও চলবে নতুনের মতো, জেনে নিন সহজ কিছু কৌশল

যে দিন পৃথিবীর ছায়ায় ঢাকবে চাঁদের প্রায় ছিয়ানব্বই শতাংশ

যে দিন পৃথিবীর ছায়ায় ঢাকবে চাঁদের প্রায় ছিয়ানব্বই শতাংশ

দেশে চাঁদাবাজির খবর জানাতে চালু নতুন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চাঁদাবিডি ডটকম

দেশে চাঁদাবাজির খবর জানাতে চালু নতুন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চাঁদাবিডি ডটকম

জাতীয়

সংঘাত নয়, সমঝোতায় দেশ এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে সংঘাত ও প্রতিশোধের রাজনীতি পরিহার করে গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখার জন্য সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি। আজ সোমবার ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে দেওয়া বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। এর আগে সকাল ১১টায় সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত স্থানে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘হানাহানি ও সংঘর্ষ নয়, আলাপ-আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।’ তিনি বলেন, অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্র যেন আর হারিয়ে না যায়, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার পূরণ হয়েছে বলেও জানান রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণকাজ শুরু হবে। এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার প্রসার ঘটবে, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং শিক্ষার মান উন্নত হবে। রাষ্ট্রপতি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের এই দিনটি ঠাকুরগাঁওসহ এ অঞ্চলের মানুষের জন্য আনন্দের দিন। এর মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের মানুষের উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে। গতকাল রবিবার দুপুরে দুই দিনের সরকারি সফরে ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে এটিই তাঁর প্রথম সফর। সফরের দ্বিতীয় দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের উচ্চশিক্ষার প্রত্যাশার সঙ্গে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।

সংঘাত নয়, সমঝোতায় দেশ এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
উপজেলা নির্বাচনে পোস্টার-মিছিল-শোডাউন নিষিদ্ধ, কঠোর ইসি

উপজেলা নির্বাচনে পোস্টার-মিছিল-শোডাউন নিষিদ্ধ, কঠোর ইসি

জ্বালানি সংকটে লোডশেডিং, ইন্টারনেটেও বাড়ছে মানুষের ভোগান্তি

জ্বালানি সংকটে লোডশেডিং, ইন্টারনেটেও বাড়ছে মানুষের ভোগান্তি

কৃষকদের ১ হাজার ৩৫২ কোটি টাকার ঋণ মওকুফ

কৃষকদের ১ হাজার ৩৫২ কোটি টাকার ঋণ মওকুফ

সম্পাদকীয়

    চীন-করিডোর: সুযোগ নাকি কৌশলগত পরীক্ষা?

চীন-করিডোর: সুযোগ নাকি কৌশলগত পরীক্ষা?

বিশ্ব রাজনীতিতে বন্ধু কিংবা প্রতিপক্ষ এই পরিচয়গুলো সময়ের সঙ্গে বদলে যায়। কিন্তু একটি বিষয় কখনো বদলায় না, সেটি হলো অর্থনৈতিক স্বার্থ। আধুনিক বিশ্বে যে রাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার প্রভাবও তত বেশি। ফলে আদর্শিক মতভেদ থাকলেও বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দেশগুলোকে একে অপরের সঙ্গে কাজ করতেই হয়। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। সম্প্রতি বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনকে ঘিরে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক করিডোর নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টিকে রাজনৈতিক আবেগ কিংবা পক্ষ-বিপক্ষের দৃষ্টিভঙ্গিতে না দেখে রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থের আলোকে মূল্যায়ন করা জরুরি। যেকোনো

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

স্বাস্থ্য

ডেঙ্গুর ছোবলে তরুণরা বেশি, বাড়ছে মৃত্যু ও কর্মহানি

ডেঙ্গুর ছোবলে তরুণরা বেশি, বাড়ছে মৃত্যু ও কর্মহানি

বর্ষা মৌসুম পেরিয়ে গেলেও থেমে থেমে বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ। সারা দেশে প্রতিদিনই আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ায় মশাবাহিত এ রোগের পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। শুধু সেপ্টেম্বরের প্রথম পাঁচ দিনেই ডেঙ্গুতে ১৬ জনের মৃত্যু এবং ৫ হাজার ১৮৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের বড় অংশই কর্মক্ষম তরুণ। ফলে চিকিৎসার পাশাপাশি পরিবার ও কর্মক্ষেত্রেও পড়ছে ব্যাপক প্রভাব। রাজধানীর শহিদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ডে ভর্তি ২৪ বছর বয়সি মারজান হাওলাদার আশুলিয়ার তামিম ফ্যাশন লিমিটেডে কাজ করেন। ছয়

মা-শিশুর চিকিৎসায় বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্র দিচ্ছে ২৪ লাখ ডলার

মা-শিশুর চিকিৎসায় বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্র দিচ্ছে ২৪ লাখ ডলার

স্বাস্থ্য খাতে ১৩-১৬ গ্রেডে নিয়োগের উদ্যোগ

স্বাস্থ্য খাতে ১৩-১৬ গ্রেডে নিয়োগের উদ্যোগ

ঢাকায় ডেঙ্গুর ধরন বদল, বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকি

ঢাকায় ডেঙ্গুর ধরন বদল, বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকি

বিশেষ সংবাদ

ছয় মাসেই রেকর্ড চা উৎপাদন, সুদিন ফিরছে দেশের বাগানে

ছয় মাসেই রেকর্ড চা উৎপাদন, সুদিন ফিরছে দেশের বাগানে

নানা প্রতিকূলতা ও উৎপাদন ব্যয়ের চাপ কাটিয়ে দেশের চা শিল্পে আবারও সুদিনের আভাস দেখা দিয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত, সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং চায়ের নিলামে ভালো দাম পাওয়ায় চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদন হয়েছে। গত তিন বছরের প্রথমার্ধের তুলনায় এ উৎপাদন সর্বোচ্চ। চলতি বছরে দেশে ১০ কোটি ৪০ লাখ কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। জুন পর্যন্ত উৎপাদন হয়েছে প্রায় ২ কোটি ২৪ লাখ কেজি, যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ২৯ দশমিক ৪৫ শতাংশ। বাংলাদেশ চা বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,...

গোল্ডেন পেয়ারায় বদলাচ্ছে জুড়ীর পতিত জমির অর্থনীতি

গোল্ডেন পেয়ারায় বদলাচ্ছে জুড়ীর পতিত জমির অর্থনীতি

যমুনার তীরে বেহুলা ভাসান, বেঁচে আছে বাংলার লোকঐতিহ্য

যমুনার তীরে বেহুলা ভাসান, বেঁচে আছে বাংলার লোকঐতিহ্য

শ্রীমঙ্গলে কাঁটায় ভরা ক্যাকটাসে রাতজাগা ফুলের মুগ্ধতা

শ্রীমঙ্গলে কাঁটায় ভরা ক্যাকটাসে রাতজাগা ফুলের মুগ্ধতা

বিলুপ্তির শঙ্কা কাটিয়ে মৌলভীবাজারে ফিরছে পাহাড়ি ফল চাম কাঁঠাল

বিলুপ্তির শঙ্কা কাটিয়ে মৌলভীবাজারে ফিরছে পাহাড়ি ফল চাম কাঁঠাল

প্রতিবেশী

হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে ঢাকার ধারাবাহিক দাবির মধ্যে ভারতের অবস্থান আরও স্পষ্ট হয়েছে। দেশটির শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রত্যর্পণের বিষয়ে কোনো রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, শেষ পর্যন্ত ভারতের আদালতই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। ভারতীয় কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে প্রত্যর্পণের আনুষ্ঠানিক অনুরোধ এলে সেটি দেশটির বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। অভিযোগগুলো ভারতের আইন অনুযায়ীও অপরাধ হিসেবে বিবেচিত কি না, তা আদালতের সামনে যাচাই করা হবে। এদিকে শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার বিষয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে কূটনৈতিক পর্যায়ে

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় আসামের এনআইটি ৫ জনকে বহিষ্কার

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় আসামের এনআইটি ৫ জনকে বহিষ্কার

লাইফস্টাইল

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ভালোবাসা পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি। ‘মা’ শব্দটি শুধু একটি সম্বোধন নয়, বরং স্নেহ, মমতা, ত্যাগ ও অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রতীক। জন্মের পর মানুষের মুখে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত শব্দও ‘মা’। সেই মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানাতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্ব মা দিবস উদযাপন করা হয়। যদিও মাকে ভালোবাসা প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট কোনো দিন প্রয়োজন হয় না, তবুও বিশেষভাবে মায়েদের সম্মান জানাতেই দিনটি আলাদাভাবে পালিত হয়। ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়,

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

রাজনীতি

আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হচ্ছেন শেখ সেলিম

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্তের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। ভারতের সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ালকে দেওয়া এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে তিনি দেশে ফেরা, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এবং আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে কথা বলেন। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন দ্য ওয়ালের এক্সিকিউটিভ এডিটর অমল সরকার। শেখ হাসিনা বলেন, তিনি দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং তৃণমূলের নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। ডিসেম্বর মাসকে দেশে ফেরার জন্য বেছে নেওয়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, এটি বাংলাদেশের বিজয়ের মাস। ডিসেম্বরের আগেই পরিস্থিতি অনুকূল হলে ফিরবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ডিসেম্বর মাসটি তিনি ইচ্ছাকৃতভাবেই বেছে নিয়েছেন এবং সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে দেশে ফিরলে বিমানবন্দরেই তাকে হত্যার আশঙ্কা রয়েছে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, প্রত্যেকের জীবনের ঝুঁকি রয়েছে এবং তিনি দেশে ফেরার নির্দেশনা দিয়ে কাউকে বিপদের মধ্যে ফেলতে চান না। ট্রাভেল ডকুমেন্ট না দিলেও কীভাবে ফিরবেন—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশটি তার নিজের এবং তার বাবা এ দেশ স্বাধীন করেছেন। স্কুলজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাই নিজের দেশে তাকে ফিরতে দেওয়া হবে না কেন, সেটিই তার প্রশ্ন। বিএনপি সরকার ভারত সরকারের কাছে তাকে ফেরত দেওয়ার কথা বলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফেরত দেওয়ার প্রয়োজন নেই, তিনি নিজেই যাবেন। তবে অন্য কোনোভাবে দেশে প্রবেশ করবেন কি না, তা পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানান। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণভবন থেকে ভারতে যাওয়ার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, দেশ ছাড়ার ইচ্ছা তার ছিল না এবং কী ঘটতে যাচ্ছে, তা আগেও জানতেন না। হেলিকপ্টারে সীমান্ত পার হওয়ার পর

আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হচ্ছেন শেখ সেলিম
জনগণ বর্তমান বিএনপি সরকারকে আর ছাড় দেবে না: গোলাম পরওয়ার

জনগণ বর্তমান বিএনপি সরকারকে আর ছাড় দেবে না: গোলাম পরওয়ার

লংমার্চে এক লাখ লিটার তেল অপচয়, জনভোগান্তি বাড়ছে: রাশেদ খান

লংমার্চে এক লাখ লিটার তেল অপচয়, জনভোগান্তি বাড়ছে: রাশেদ খান

সাহস থাকলে দেশে আসুন, শেখ হাসিনাকে গয়েশ্বরের আহ্বান

সাহস থাকলে দেশে আসুন, শেখ হাসিনাকে গয়েশ্বরের আহ্বান

মতামত

Card Image

জিয়াউল হক

একক লড়াইয়ে ইসলামী আন্দোলন !

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো জোটে না থেকে এককভাবে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১১ দলীয় জোটে তারা আর থাকছে না এবং নিজের শক্তির ওপর ভর করেই নির্বাচনী মাঠে নামবে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশের ২৬৮টি আসনে প্রার্থী দেবে। দীর্ঘদিন ধরে জোট রাজনীতির বাইরে থেকে স্বতন্ত্র অবস্থান ধরে রাখার যে নীতি দলটি অনুসরণ করে আসছে, এই সিদ্ধান্ত তারই ধারাবাহিকতা বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। এর আগে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন একটি জোট সমঝোতার অংশ হিসেবে কিছু আসন খালি রাখার উদ্যোগ নেয়। সেখানে প্রায় ৫০টি আসন ছাড় দেওয়ার আলোচনা থাকলেও চরমোনাই পীর মুফতি রেজাউল করিমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন সেই প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি। বরং দলটি শুরু থেকেই এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান নেয়। দলীয় নেতারা বলছেন, জনগণের প্রত্যাশা ও ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাজনীতির বিস্তারের লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জোট রাজনীতির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে সরাসরি ভোটারদের কাছে নিজেদের বার্তা পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল উদ্দেশ্য। এদিকে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একটি গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের প্রাথমিক ধাপ শেষ হয়েছে এবং এখন আপিল নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া চলছে। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ২০ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণায় নামতে পারবেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

শহীদ নূর হোসেন থেকে শহীদ ওসমান হাদি: রাষ্ট্র কি বদলেছে?

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু মৃত্যু সময়কে ভাগ করে দেয়—আগের বাংলাদেশ আর পরের বাংলাদেশ। ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেনের মৃত্যু যেমন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনকে নতুন গতি দিয়েছিল, তেমনি ২০২৫ সালে শহীদ ওসমান হাদির মৃত্যু আজকের রাষ্ট্রব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে কঠিন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। নূর হোসেন ছিলেন একজন সাধারণ মানুষ। কোনো বড় পদ, ক্ষমতা বা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা তার ছিল না। তবুও তিনি বুক-পিঠে লেখা দুটি বাক্য—‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ ও ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’—নিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন। রাষ্ট্র তখন প্রকাশ্য স্বৈরশাসনের অধীনে ছিল। গুলির মুখে দাঁড়িয়ে নূর হোসেন দেখিয়ে দিয়েছিলেন, গণতন্ত্র কেবল রাজনৈতিক দল নয়, সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগেই বেঁচে থাকে। তার রক্তের দাগ মুছে যায়নি; বরং তা ইতিহাসে চিহ্ন হয়ে রয়ে গেছে। অন্যদিকে শহীদ ওসমান হাদি ছিলেন একটি প্রজন্মের কণ্ঠস্বর। তিনি কোনো সামরিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে নয়, বরং তথাকথিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভেতরের ব্যর্থতা, বৈষম্য ও নিরাপত্তাহীনতার বিরুদ্ধে কথা বলছিলেন। দিনের আলোয় রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে রিকশায় বসে থাকা একজন রাজনৈতিক কর্মী গুলিবিদ্ধ হন—এটি শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়, এটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রকাশ্য ভেঙে পড়ার ঘোষণা। নূর হোসেনের সময় রাষ্ট্র বলত, “আমরা স্বৈরাচার, তাই দমন করব।” হাদির সময় রাষ্ট্র বলে, “আমরা গণতান্ত্রিক, কিন্তু অপরাধ ঠেকাতে পারছি না।” এই দুই বক্তব্যের মাঝখানে পার্থক্য থাকলেও ফলাফল এক—একজন নাগরিক নিহত। সবচেয়ে বেদনাদায়ক প্রশ্ন হলো, নূর হোসেনের আত্মত্যাগের ৩৮ বছর পরও কেন হাদির

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

৭ই নভেম্বর: স্বাধীনতা-গণতন্ত্র-সংহতি: এক দিনে তিন প্রতীক

বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে ৭ নভেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ‘মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পরিচিত এই দিনটি ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার পটভূমিতে সিপাহী-জনতার অভ্যুদয়ের প্রতীক হয়ে উঠে। দিনটি নিয়ে নানা মত ও ব্যাখ্যা থাকলেও এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না। কারণ, এই দিনের ঘটনাপ্রবাহ রাষ্ট্রের সামগ্রিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসে এবং জাতীয় রাজনীতির গতিপথে এক নতুন ধারা সূচনা করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর রাষ্ট্রে তীব্র অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। সামরিক, প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে নতুন ক্ষমতার সমীকরণ গড়ে উঠতে থাকে। এরপর ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে হত্যা এবং ক্ষমতার পালাবদলের ধারাবাহিকতায় ৭ নভেম্বর এক বিশেষ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সৈনিকদের একটি অংশ এবং জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সেদিনের ঘটনাকে কেউ বিপ্লব, কেউ সামরিক অভ্যুত্থান এবং কেউ জাতীয় ঐক্যের স্ফুরণ হিসেবে উল্লেখ করেন। এই দিবসটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কারণে। সেই সময় বন্দী অবস্থায় থাকা তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে মুক্তি পান এবং পরবর্তী সময়ে তিনি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব হাতে নেন। জিয়া রাষ্ট্রপরিচালনায় আসার পর বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর নতুন রাজনীতিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয় বলে মতামত রয়েছে। ৭ নভেম্বরকে একদলীয় শাসনের অবসান ও বহু মত-চিন্তার উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরির সূচনা হিসেবে দেখেন অনেক বিশ্লেষক।

শিক্ষা

প্রাথমিক বৃত্তিতে নতুন হার, তিন বছর মিলবে সুবিধা

প্রাথমিক বৃত্তিতে নতুন হার, তিন বছর মিলবে সুবিধা

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫-এর ফলাফলের ভিত্তিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন হারে বৃত্তির অর্থ নির্ধারণ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। আগামী তিন বছর এ বৃত্তি কার্যকর থাকবে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুলে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা মাসে ৩০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ২২৫ টাকা করে পাবেন। উভয় শ্রেণির বৃত্তিধারীদের বছরে এককালীন ২২৫ টাকা দেওয়া হবে। গত ২৫ আগস্ট প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী তিন বছর প্রাথমিক শিক্ষা ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ বৃত্তি প্রদান করা হবে। প্রজ্ঞাপনে এ বৃত্তির

মান নিয়ে প্রশ্ন, তবু বেড়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়

মান নিয়ে প্রশ্ন, তবু বেড়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়

সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাত নির্দেশনা দিল মাউশি

সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাত নির্দেশনা দিল মাউশি

এসএসসি ফল নিয়ে অসন্তুষ্টদের খাতা চ্যালেঞ্জের সুযোগ শুরু আজ

এসএসসি ফল নিয়ে অসন্তুষ্টদের খাতা চ্যালেঞ্জের সুযোগ শুরু আজ

চাকুরী

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ৫০তম বিসিএসের বহুল প্রত্যাশিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বুধবার সন্ধ্যায় পিএসসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই বিসিএসে মোট ২ হাজার ১৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হবে ১ হাজার ৭৫৫ জনকে এবং নন-ক্যাডারে ৩৯৫ জনকে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন যুক্ত পদসহ এবার প্রশাসন, পুলিশ, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের নিয়োগ হচ্ছে। ক্যাডার পদের মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ২০০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ১১৭ জন, স্বাস্থ্য ক্যাডারে সর্বোচ্চ ৬৫০ জন,

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

খেলাধুলা

২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ইতি, বিদায় বললেন মেসি

২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ইতি, বিদায় বললেন মেসি

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার লিওনেল মেসি। সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত জানান আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন তিনি। মেসির অবসরের ঘোষণায় ভক্তদের মধ্যে বিস্ময় ও হতাশা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের আসন্ন আন্তর্জাতিক বিরতির পরিকল্পনাতেও পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

স্টার্ককে ফিরিয়ে শরীফুলের ছয় উইকেট

স্টার্ককে ফিরিয়ে শরীফুলের ছয় উইকেট

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলাম। স্বাগতিক দলের ইনিংসে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মিচেল স্টার্ককে সাজঘরে ফিরিয়ে নিজের ষষ্ঠ উইকেট পূর্ণ করেছেন তিনি। স্টার্কের উইকেটটি শরীফুলের জন্য ছিল বিশেষ তাৎপর্যের। কারণ এর মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার অর্জনের পরপরই এক ইনিংসে ছয় উইকেট নেওয়ার কৃতিত্বও অর্জন করলেন বাংলাদেশের এই পেসার। এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটিং ধসিয়ে দেন

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো স্বাগতিকদের হারিয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে চার দিন ধরে দাপট দেখিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এই জয় শুধু একটি ম্যাচের সাফল্য নয়, বরং অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের দীর্ঘ অপেক্ষারও অবসান। ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পষ্ট। প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে মাত্র ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন পেসার হাসান মাহমুদ। দুর্দান্ত বোলিংয়ে তিনি মাত্র ৫৫ রান খরচ করে তুলে নেন ৬ উইকেট। তার আগ্রাসী বোলিংয়েই শুরুতেই চাপে পড়ে যায় স্বাগতিক দল। অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ধসের পর বাংলাদেশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল নিজেদের ব্যাটিং শক্তি প্রমাণ করা।

অস্ট্রেলিয়াকে গুটিয়ে জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য মাত্র ৫৭

অস্ট্রেলিয়াকে গুটিয়ে জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য মাত্র ৫৭

ক্যামেরন গ্রিনের লড়াকু সেঞ্চুরি অস্ট্রেলিয়াকে ইনিংস হারের লজ্জা থেকে বাঁচালেও ডারউইন টেস্টে ঐতিহাসিক জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংস ২৮৪ রানে গুটিয়ে যাওয়ায় স্বাগতিকদের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে মাত্র ৫৭ রান। চতুর্থ দিন ৪ উইকেটে ১৬১ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। শুরু থেকেই স্বাগতিকদের চাপে রাখে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ। প্রথম দেড় ঘণ্টায় স্পিনের ঘূর্ণিতে অ্যালেক্স ক্যারি, বেউ ওয়েবস্টার ও অধিনায়ক প্যাট কামিন্সকে ফিরিয়ে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ক্যারি করেন ৩০, ওয়েবস্টার ৫ এবং কামিন্স ৮ রান। এতে ২০৭ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারের শঙ্কায় পড়ে অস্ট্রেলিয়া। সেখান থেকে এক প্রান্ত

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম জয়ের স্বপ্নে এগিয়ে বাংলাদেশ দল

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম জয়ের স্বপ্নে এগিয়ে বাংলাদেশ দল

প্রস্তুতি ম্যাচে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের কাছে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। সেই দলেরই এবার যেন সম্পূর্ণ ভিন্ন চেহারা। ডারউইন টেস্টে পূর্ণশক্তির অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দাপট দেখিয়ে ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনের মধ্যাহ্নভোজের বিরতি পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ২১৯ রানের বিশাল লিড নিয়েছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের সম্ভাবনা এখন বাস্তব হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে অস্ট্রেলিয়ার অতীত পরিসংখ্যান। ২০০০ সালের পর প্রথম ইনিংসে অন্তত ১৫০ রানে পিছিয়ে থাকার পর অস্ট্রেলিয়া মাত্র তিনবার টেস্ট জিতেছে। এর মধ্যে ২০১০ সালে সিডনিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০৬ রানে পিছিয়ে থেকেও জয় পেয়েছিল তারা।

হাসানের পর তানজিদ, ডারউইনে চলছে টাইগারদের রাজত্ব

হাসানের পর তানজিদ, ডারউইনে চলছে টাইগারদের রাজত্ব

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২৩ বছর আগে টেস্ট ইতিহাসের শুরুতে যে বাংলাদেশকে ডারউইন ও কেয়ার্নসের মাঠে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল, সেই ডারউইনেই এবার ভিন্ন গল্প লিখছে লাল-সবুজের দল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে বোলিংয়ের পর ব্যাটিংয়েও দাপট দেখিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদের ছয় উইকেটের পর তানজিদ হাসানের সেঞ্চুরিতে স্বাগতিকদের চাপে ফেলেছে সফরকারীরা। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পর দ্বিতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ শক্ত অবস্থান তৈরি করে। তানজিদ হাসান ১৮৮ বলে আটটি চার ও একটি ছক্কায় ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট শতক তুলে নেন। নাথান লায়নের বল লং অফ দিয়ে সিঙ্গেল নিয়ে শতরানের মাইলফলকে পৌঁছান তিনি। এরপর হেলমেট

আইন-আদালত

শেখ হাসিনা ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে সুযোগ নেই : চিফ প্রসিকিউটর

শেখ হাসিনা ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে সুযোগ নেই : চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, শেখ হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যেসব আসামি রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করেননি, তাদের আর আপিল করার সুযোগ নেই। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় গুম ও মানবাধিকার আইন নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আইন অনুযায়ী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য ৩০ দিনের সময়সীমা রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো আসামি আপিল না করলে পরবর্তীতে তার আর আপিলের সুযোগ থাকবে না। তিনি বলেন, রায়ের পর আইন নির্ধারিত সময়ের

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু

জিয়া হত্যার রহস্য ভেদে মোজাফফরের মুঠোফোনেই নতুন সূত্র

জিয়া হত্যার রহস্য ভেদে মোজাফফরের মুঠোফোনেই নতুন সূত্র

আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি হাবিবুল গনির শপথ

আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি হাবিবুল গনির শপথ

ছাদে সৌরবিদ্যুৎ, ২০৩০ সালে ২০০ কোটি ডলারের বাজার

ছাদে সৌরবিদ্যুৎ, ২০৩০ সালে ২০০ কোটি ডলারের বাজার

বাংলাদেশে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের ব্যাপক সম্প্রসারণ হলে ২০৩০ সালের মধ্যে এ খাতে প্রায় ২০০ কোটি মার্কিন ডলারের সরঞ্জাম ও উপকরণের বাজার তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে গৃহস্থালি পর্যায়ে প্রযুক্তিটির ব্যাপক ব্যবহার হলে সর্বোচ্চ ২১ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা গড়ে উঠতে পারে, যা জাতীয় বিদ্যুৎ চাহিদার ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত পূরণ করতে সক্ষম হবে বলে জানিয়েছে ডিস্ট্রিবিউটেড রিনিউএবল এনার্জি প্ল্যাটফর্ম (ডিআরইপি)। ডিআরইপি পাঁচটি বেসরকারি সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, আবাসিক খাত এ সম্ভাবনার প্রধান চালিকাশক্তি। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের ৫৭ দশমিক ২ শতাংশ বা ৫১ দশমিক ৯৪ টেরাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ আবাসিক খাতে ব্যবহৃত হয়েছে। দেশের ৪ কোটি ৩ লাখ পরিবারের মধ্যে ৩ কোটি ৫৬ লাখ বা ৮৮ দশমিক ৫ শতাংশ নিজস্ব বাড়িতে বসবাস করে। ডিআরইপির হিসাব অনুযায়ী, মাত্র ১০ শতাংশ পরিবার ১ থেকে ৫ কিলোওয়াট-পিক ক্ষমতার ছাদভিত্তিক ব্যবস্থা স্থাপন করলেও ২০৩০ সালে ৮ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট-পিক সক্ষমতা অর্জন সম্ভব। এতে বছরে ১৩ হাজার ৯৩৭ গিগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে, যা বর্তমান জাতীয় চাহিদার প্রায় ১৫ শতাংশ পূরণ করতে পারে। ক্লিনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মেহেদী বলেন, মাঝারি মাত্রায় প্রসার ঘটলে ২১ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট সক্ষমতা এবং বছরে ৩৪ হাজার ৫১৮ গিগাওয়াট-ঘণ্টা উৎপাদন সম্ভব। প্রতি মেগাওয়াট ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ বছরে জাতীয় কোষাগারের ৩ কোটি ১০ লাখ টাকা সাশ্রয় করতে পারে। একই সঙ্গে ফার্নেস অয়েলের নির্ভরতা

আরও পড়ুন
৪ ঘণ্টা আগে
https://surl.li/lmarci
বিশ্ব জ্বালানি সংকটের জন্য ওয়াশিংটনই দায়ী: ইরান

বিশ্ব জ্বালানি সংকটের জন্য ওয়াশিংটনই দায়ী: ইরান

বিশ্বব্যাপী চলমান বিশৃঙ্খলা ও জ্বালানি সংকটের জন্য ইরানকে দায়ী করার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র—এমন অভিযোগ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, বর্তমান সংকটের পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শুরু করা

পেট্রোলের দাম দ্বিগুণ করল ইরান, চাপ বাড়ছে

পেট্রোলের দাম দ্বিগুণ করল ইরান, চাপ বাড়ছে

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ জোরদারের মুখে কৌশলগত হরমুজ প্রণালি ও পারস্য উপসাগরের নির্দিষ্ট অংশজুড়ে নতুন একটি ‘নিষিদ্ধ এলাকা’ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এই এলাকা কার্যকর করার কথা জানিয়েছে দেশটি। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) টাইমস নাউ-এর এক প্রতিবেদনে এ

শেখ হাসিনা ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে সুযোগ নেই : চিফ প্রসিকিউটর

শেখ হাসিনা ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে সুযোগ নেই : চিফ প্রসিকিউটর

সংঘাত নয়, সমঝোতায় দেশ এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

সংঘাত নয়, সমঝোতায় দেশ এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

সর্বশেষ সংবাদ

জনপ্রিয়

শেখ হাসিনা ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে সুযোগ নেই : চিফ প্রসিকিউটর

শেখ হাসিনা ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে সুযোগ নেই : চিফ প্রসিকিউটর

সংঘাত নয়, সমঝোতায় দেশ এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

সংঘাত নয়, সমঝোতায় দেশ এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ইবিতে ছাত্রদল–শিবির সংঘর্ষ, অস্ত্রসহ ১৯ বহিরাগত শনাক্ত

ইবিতে ছাত্রদল–শিবির সংঘর্ষ, অস্ত্রসহ ১৯ বহিরাগত শনাক্ত

উপজেলা নির্বাচনে পোস্টার-মিছিল-শোডাউন নিষিদ্ধ, কঠোর ইসি

উপজেলা নির্বাচনে পোস্টার-মিছিল-শোডাউন নিষিদ্ধ, কঠোর ইসি

বিশ্ব জ্বালানি সংকটের জন্য ওয়াশিংটনই দায়ী: ইরান

বিশ্ব জ্বালানি সংকটের জন্য ওয়াশিংটনই দায়ী: ইরান

আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হচ্ছেন শেখ সেলিম

আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হচ্ছেন শেখ সেলিম

দেবীদ্বারে ব্যাংকে গ্রাহক সেজে চার লাখ টাকা চুরি

দেবীদ্বারে ব্যাংকে গ্রাহক সেজে চার লাখ টাকা চুরি

কলতাবাজার মেসে জবি ছাত্রীকে নিতে গিয়ে র‍্যাবের তৎপরতা, অত:পর ..

কলতাবাজার মেসে জবি ছাত্রীকে নিতে গিয়ে র‍্যাবের তৎপরতা, অত:পর ..

দেশে মাথাপিছু ঋণ এক লাখ ২৯ হাজার ২৩৯ টাকা

দেশে মাথাপিছু ঋণ এক লাখ ২৯ হাজার ২৩৯ টাকা

দেশে জ্বালানি সংকটেও রপ্তানি আয় বাড়ল দুই মাসে

দেশে জ্বালানি সংকটেও রপ্তানি আয় বাড়ল দুই মাসে
ইবিতে ছাত্রদল–শিবির সংঘর্ষ, অস্ত্রসহ ১৯ বহিরাগত শনাক্ত

ইবিতে ছাত্রদল–শিবির সংঘর্ষ, অস্ত্রসহ ১৯ বহিরাগত শনাক্ত

উপজেলা নির্বাচনে পোস্টার-মিছিল-শোডাউন নিষিদ্ধ, কঠোর ইসি

উপজেলা নির্বাচনে পোস্টার-মিছিল-শোডাউন নিষিদ্ধ, কঠোর ইসি

আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হচ্ছেন শেখ সেলিম

আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হচ্ছেন শেখ সেলিম

দেশে মাথাপিছু ঋণ এক লাখ ২৯ হাজার ২৩৯ টাকা

দেশে মাথাপিছু ঋণ এক লাখ ২৯ হাজার ২৩৯ টাকা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg