মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬১০ আষাঢ়, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

আপনার এলাকার খবর

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg
https://enews71.com/storage/ads/01KTB48CFAEJRYTN4T9G053ER9.png
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png

বিশেষ সংবাদ

আধুনিকতার চাপে ধ্বংস হচ্ছে আত্রাইয়ের ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প

আধুনিকতার চাপে ধ্বংস হচ্ছে আত্রাইয়ের ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প

মৃৎশিল্প বাংলাদেশের অতি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী একটি শিল্প, যা আবহমান বাংলার সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। বিশেষ করে কুমার বা কুম্ভকার সম্প্রদায় শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মাটি দিয়ে তৈজসপত্র, খেলনা ও নানাবিধ গৃহস্থালি সামগ্রী তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। প্রাচীনকাল থেকেই পাল বর্ণের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ এই পেশার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও সময়ের পরিবর্তনে এখন অন্য সম্প্রদায়ের মানুষও এই শিল্পে যুক্ত হয়েছে। নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার ছোট যমুনা নদীর তীরবর্তী ভবানীপুর পালপাড়া আজও মৃৎশিল্পের ঐতিহ্যের সাক্ষ্য বহন করছে। ভবানীপুর,...

বই সংকটে নিষ্প্রভ রায়গঞ্জের উন্মুক্ত পাঠাগার

বই সংকটে নিষ্প্রভ রায়গঞ্জের উন্মুক্ত পাঠাগার

বাজেট অনুমোদন হলেও চা বাগানে নেই স্বস্তির ছোঁয়া

বাজেট অনুমোদন হলেও চা বাগানে নেই স্বস্তির ছোঁয়া

লিচুর বাম্পার ফলনে প্রাণ ফিরেছে মৌলভীবাজারের অর্থনীতিতে

লিচুর বাম্পার ফলনে প্রাণ ফিরেছে মৌলভীবাজারের অর্থনীতিতে

ঈদে গরুর মাংসে সাতকরা চাই সিলেটবাসীর, দামের ঊর্ধ্বগতি

ঈদে গরুর মাংসে সাতকরা চাই সিলেটবাসীর, দামের ঊর্ধ্বগতি

ধর্ম

কারবালার রক্তঝরা হৃদয় বিদারক এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

কারবালার রক্তঝরা হৃদয় বিদারক এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা’দ” প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আজ আমি আপনাদের হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী, আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই কারবালার রক্তঝরা হৃদয় বিদারক এর সংকিপ্ত ইতিহাস, সেই সম্পর্কে নিম্নে সংকিপ্ত আকারে আলোচনা তুলে ধরছি, “ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ” ‘ইসলাম জিন্দা হোতে হে হার কারবালাকে বাদ’ অর্থাৎ ইসলামের পুনর্জাগরণ হয় প্রতিটি কারবালার পরই। কোনো এক উর্দু কবির এ প্রবাদটিই তুলে ধরে কারাবালার ইতিহাস ও মর্মকথা। যে ইতিহাস রক্তঝরা ইতিহাস, যে ইতিহাস ভূবন কাঁদায়, যে ইতিহাস সত্যের পথে লড়াইয়ের শক্তি জোগায়,

আধুনিক সমাজগঠনে ইসলামের নীতি মানবকল্যাণের পথপ্রদর্শক

আধুনিক সমাজগঠনে ইসলামের নীতি মানবকল্যাণের পথপ্রদর্শক

ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক ভালোবাসা, মর্যাদা ও দায়িত্বের বন্ধন

ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক ভালোবাসা, মর্যাদা ও দায়িত্বের বন্ধন

জুমার নামাজ মুসলিম উম্মাহর সাপ্তাহিক ইবাদত ও ঐক্যের অন্যতম ভিত্তি

জুমার নামাজ মুসলিম উম্মাহর সাপ্তাহিক ইবাদত ও ঐক্যের অন্যতম ভিত্তি

খেলাধুলা

গোল, রেকর্ড আর ব্যর্থতা মিলিয়ে মেসির বিশ্বকাপ ইতিহাসে নতুন অধ্যায়

গোল, রেকর্ড আর ব্যর্থতা মিলিয়ে মেসির বিশ্বকাপ ইতিহাসে নতুন অধ্যায়

ডালাসে অনুষ্ঠিত ম্যাচে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি একসঙ্গে রচনা করলেন সাফল্য ও ব্যর্থতার এক অনন্য অধ্যায়। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড গড়ার লক্ষ্য নিয়ে নামা এই তারকা ম্যাচের শুরুতেই পেনাল্টি মিস করেন। তবে পরে গোল করে তিনি ইতিহাসে নিজের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেন। এই ম্যাচের পর বিশ্বকাপে মেসির গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭-তে, যা টুর্নামেন্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ। তিনি ভেঙে দিয়েছেন জার্মানির কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার

মেসির জোড়া গোলে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করলো আর্জেন্টিনা

মেসির জোড়া গোলে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করলো আর্জেন্টিনা

লিওনেল মেসির দুর্দান্ত নৈপুণ্যে অস্ট্রিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের পরবর্তী পর্বে খেলা নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। ‘জি’ গ্রুপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জোড়া গোল করে দলের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে আর্জেন্টিনা। তৃতীয় মিনিটে লাওতারো মার্তিনেজ গোলের সুযোগ পেলেও অস্ট্রিয়ার দুই ডিফেন্ডারের চাপে তা কাজে লাগাতে পারেননি। এরপর মার্তিনেজকে বক্সের মধ্যে ফাউল করলে ভিএআর পর্যালোচনার পর পেনাল্টি

আর্জেন্টিনা-অস্ট্রিয়া লড়াইয়ে মেসির ইতিহাস গড়ার অপেক্ষা

আর্জেন্টিনা-অস্ট্রিয়া লড়াইয়ে মেসির ইতিহাস গড়ার অপেক্ষা

২০২৬ বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘জে’-এর বহুল প্রতীক্ষিত ম্যাচে আজ রাতে মুখোমুখি হচ্ছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও শক্তিশালী ইউরোপীয় দল অস্ট্রিয়া। পরিসংখ্যান ও সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের বিচারে আর্জেন্টিনা এগিয়ে থাকলেও বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ম্যাচে চমক দেখাতে পারে রাল্ফ রাংনিকের অস্ট্রিয়া। ম্যাচটি যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাদের মতে, আর্জেন্টিনার হয়ে গোল করতে পারেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি ও হুলিয়ান আলভারেজ। অন্যদিকে অস্ট্রিয়ার হয়ে গোলের সম্ভাব্য নাম হিসেবে উঠে এসেছে মার্কো আরনাউটোভিচ ও মার্সেল সাবিৎজার। প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে দুর্দান্ত সূচনা করেছে আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচে ক্যারিয়ারের ৬১তম হ্যাটট্রিক করেন মেসি, যা

মেসিকে পেছনে ফেলে বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস গড়লেন লামিনে ইয়ামাল

মেসিকে পেছনে ফেলে বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস গড়লেন লামিনে ইয়ামাল

রেকর্ড ভাঙা-গড়ার খেলায় নতুন মাইলফলক স্পর্শ করলেন স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে সৌদি আরবের বিপক্ষে গোল করে আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসির একটি দীর্ঘদিনের রেকর্ড তিনি পেছনে ফেলেছেন। এই কীর্তির মাধ্যমে বিশ্ব ফুটবলে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় অনুষ্ঠিত গ্রুপ পর্বের ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে স্পেন। ম্যাচের শুরুতেই সতীর্থের নিখুঁত পাস থেকে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে গোল করেন ইয়ামাল। তার সেই গোলেই এগিয়ে যায় স্পেন এবং শেষ পর্যন্ত ম্যাচে বড় জয় নিশ্চিত করে দলটি। এই গোলটি ছিল ইয়ামালের বিশ্বকাপে প্রথম গোল। গোল করার সময় তার বয়স ছিল ১৮ বছর ৩৪৩ দিন। এর ফলে তিনি বিশ্বকাপে প্রথম

তিন ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে বিশ্বকাপে মেসি

তিন ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে বিশ্বকাপে মেসি

লিওনেল মেসি আবারও রেকর্ড বইয়ের নতুন অধ্যায় লিখতে প্রস্তুত। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে ইতিহাস গড়ার পর এবার দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। ম্যাচটি আগামীকাল সোমবার (২২ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় ডালাসে অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ম্যাচে তিন গোল করে বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারে প্রথম হ্যাটট্রিকের স্বাদ পান মেসি। একই সঙ্গে তার বিশ্বকাপ গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১৬-তে। এতে তিনি জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার সঙ্গে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় অবস্থান করছেন। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে এক গোল করলেই বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসন এককভাবে দখল করবেন মেসি। ফলে পুরো ফুটবল বিশ্ব এখন তাকিয়ে আছে তার এই সম্ভাব্য নতুন কীর্তির দিকে। মেসির সামনে আরও দুটি

বিশ্বকাপের মাঝেই নতুন গন্তব্য মায়ামি

বিশ্বকাপের মাঝেই নতুন গন্তব্য মায়ামি

ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার কাসেমিরো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছাড়তে যাচ্ছেন এবং ফ্রি এজেন্ট হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে যোগ দিচ্ছেন—এমন তথ্য নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও দলবদল বিশেষজ্ঞরা। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন, যেখানে তিনি ২০২৫-২৬ বিশ্বকাপ-এর প্রস্তুতি বা আন্তর্জাতিক ম্যাচের অংশ হিসেবে ব্রাজিল জাতীয় দলের সঙ্গে আছেন। ব্রাজিলের হয়ে প্রথম দুই ম্যাচেই তিনি শুরুর একাদশে ছিলেন বলে জানা গেছে। ফ্যাব্রিজিও রোমানোর তথ্য অনুযায়ী, কাসেমিরোর সঙ্গে ইন্টার মায়ামির সব ধরনের মৌখিক চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। এখন কেবল আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের অপেক্ষা। এই স্বাক্ষরের পরই ক্লাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম ঘোষণা করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে সাম্প্রতিক মৌসুমে কাসেমিরো দারুণ ফর্মে ছিলেন। তার অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বগুণ দলকে গুরুত্বপূর্ণ

আইন-আদালত

প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে আবেদ আলীর পরিবারের বিচার শুরু

প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে আবেদ আলীর পরিবারের বিচার শুরু

সরকারি কর্ম কমিশনের প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে আলোচিত সৈয়দ আবেদ আলী জীবনের ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামের বিরুদ্ধে করা দুর্নীতির মামলায় অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মাধ্যমে মামলাটির আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হলো। বুধবার ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ বেগম শামীমা আফরোজের আদালত এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে আদালত আগামী ৯ জুলাই সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেছেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৫ জানুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশন সৈয়দ আবেদ আলী, তার স্ত্রী এবং ছেলে সিয়ামের বিরুদ্ধে পৃথকভাবে মামলা দায়ের করে। সেই মামলাগুলোর মধ্যে সিয়ামের

সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ থেকে পদত্যাগ করলেন আশিক রুবাইয়াত

সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ থেকে পদত্যাগ করলেন আশিক রুবাইয়াত

ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল

ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল

পাঁচ বছরের আলোচিত মামলা শেষে নাসির-তামিমা খালাস

পাঁচ বছরের আলোচিত মামলা শেষে নাসির-তামিমা খালাস

আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালিতে সরবরাহ বাড়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দরপতন

হরমুজ প্রণালিতে সরবরাহ বাড়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দরপতন

মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজে অপরিশোধিত তেল পরিবহন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমে গেছে। সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে দীর্ঘদিনের উদ্বেগ হ্রাস পেয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) আন্তর্জাতিক বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি সামান্য হ্রাস পেয়ে ৭৭ দশমিক ৭০ মার্কিন ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বাজারভিত্তিক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দামও ব্যারেলপ্রতি কমে ৭৩ দশমিক ৭৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর আগের কার্যদিবসেও বিশ্ববাজারে তেলের দাম এক ধাক্কায় ৩ শতাংশের বেশি কমে যায়। বিশ্লেষকদের মতে, এর অন্যতম কারণ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের তেল রপ্তানির ওপর থাকা কিছু কঠোর নিষেধাজ্ঞা আগামী ৬০ দিনের জন্য সাময়িকভাবে শিথিল করার সিদ্ধান্ত। জ্বালানি খাতের বাজার বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে এখন তেল পরিবহন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরছে। সামুদ্রিক জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বহনকারী দুটি বড় ট্যাংকার কোনো বাধা ছাড়াই এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ অতিক্রম করেছে। এতে বৈশ্বিক বাজারে সরবরাহ বাড়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, যা সরাসরি তেলের দামে প্রভাব ফেলছে।

তুরস্কের সামরিক উত্থান নিয়ে ইসরায়েলের নতুন উদ্বেগ

তুরস্কের সামরিক উত্থান নিয়ে ইসরায়েলের নতুন উদ্বেগ

মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিশালী দেশ তুরস্ক বর্তমানে ইসরায়েলের জন্য চিরবৈরী দেশ ইরানের চেয়েও বড় ও দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েলের একটি প্রভাবশালী সংবাদপত্র। ইসরায়েলি দৈনিক মারিভ-এ প্রকাশিত এক বিশেষ সামরিক বিশ্লেষণে আঙ্কারার ক্রমবর্ধমান সামরিক শক্তি ও কৌশলগত সক্ষমতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, তুরস্ক বর্তমানে আন্তর্জাতিক সামরিক জোট ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সশস্ত্র বাহিনীর অধিকারী দেশ। শক্তিশালী জনবল, আধুনিক যুদ্ধকৌশল এবং প্রযুক্তিনির্ভর সামরিক সক্ষমতা দেশটিকে আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে আরও দৃঢ় অবস্থানে নিয়ে গেছে। বিশ্লেষণে আরও বলা হয়, তুরস্ক নিজস্ব প্রযুক্তিতে তাদের জাতীয় প্রতিরক্ষা খাতের প্রায় ৮০ শতাংশ চাহিদা পূরণে স্বনির্ভরতা অর্জন করেছে, যা তাদের সামরিক সক্ষমতায়

শিথিল হলো মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, ইরানের ১২০০ কোটি ডলার অবমুক্ত

শিথিল হলো মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, ইরানের ১২০০ কোটি ডলার অবমুক্ত

সুইজারল্যান্ডে টানা ১৮ ঘণ্টার উচ্চপর্যায়ের আলোচনার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সমঝোতা হয়েছে, যেখানে দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক ব্যাংকে আটকে থাকা ইরানের প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি ডলার রাষ্ট্রীয় সম্পদ অবমুক্ত করতে সম্মত হয়েছে ওয়াশিংটন। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এই চুক্তির মাধ্যমে শুধু অবরুদ্ধ অর্থই ছাড় হচ্ছে না, বরং ইরানের জ্বালানি তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল খাতের ওপর আরোপিত কিছু মার্কিন নিষেধাজ্ঞাও সাময়িকভাবে শিথিল করা হয়েছে। চুক্তির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী ১ আগস্ট পর্যন্ত ইরান আন্তর্জাতিক বাজারে তাদের তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য বিক্রি করতে পারবে বিশেষ অনুমতির আওতায়। এটি দীর্ঘ

রেকর্ড তাপপ্রবাহে ফ্রান্সে দুই দিনে ১৮ জনের মৃত্যু

রেকর্ড তাপপ্রবাহে ফ্রান্সে দুই দিনে ১৮ জনের মৃত্যু

পশ্চিমবঙ্গে ৭ থেকে ৮ নতুন স্থলবন্দর গড়ার পরিকল্পনা ভারতের

পশ্চিমবঙ্গে ৭ থেকে ৮ নতুন স্থলবন্দর গড়ার পরিকল্পনা ভারতের

ইসরায়েল না থাকলে যুক্তরাষ্ট্রের অস্তিত্ব থাকত না—মার্কিন রাষ্ট্রদূত

ইসরায়েল না থাকলে যুক্তরাষ্ট্রের অস্তিত্ব থাকত না—মার্কিন রাষ্ট্রদূত

কাতার-পাকিস্তান মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় সমঝোতা

কাতার-পাকিস্তান মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় সমঝোতা

সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিতের পর ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের

সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিতের পর ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার পর বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার পর বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন

রাজনীতি

ধানমন্ডি ৩২ এ মিছিল শেষে সাংবাদিকের ওপর হামলা

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জামায়াতে ইসলামীর একটি মিছিল শেষে এক সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে জামায়াতে ইসলামী ধানমন্ডি জোন ওই এলাকায় একটি মিছিলের আয়োজন করে। মিছিল শেষে ব্রিফিং চলাকালে কয়েকজন কর্মী এক সাংবাদিককে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ আখ্যা দেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। এরপর পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকরা এ মন্তব্যের প্রতিবাদ জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি সংঘর্ষে রূপ নেয়। অভিযোগ অনুযায়ী, জামায়াতের কয়েকজন কর্মী সাংবাদিক মাহফুজুর রহমান শিশিরের কলার চেপে ধরেন এবং তাকে ঘুষি মারেন। পরে তিনি রাস্তায় পড়ে গেলে তাকে লাথিও মারা হয়। আহত সাংবাদিক মাহফুজুর রহমান শিশির দৈনিক সকালের রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আমাকে মারধর করে আহত করা হয়েছে, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক।” তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতার কথা বললেও একজন সাংবাদিকের ওপর হামলা কীভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে। ঘটনার পর সহকর্মীরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে নিকটস্থ একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তিনি চিকিৎসা গ্রহণ করেন। এ ঘটনায় সাংবাদিক মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা সংবাদকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ধানমন্ডি ৩২ এ মিছিল শেষে সাংবাদিকের ওপর হামলা
দেশবিরোধী চক্রান্ত রুখে দেওয়ার ঘোষণা বিএনপির

দেশবিরোধী চক্রান্ত রুখে দেওয়ার ঘোষণা বিএনপির

সংসদে স্বাধীনতাবিরোধী অভিযোগ তুলে জামাতের নিষিদ্ধ দাবি

সংসদে স্বাধীনতাবিরোধী অভিযোগ তুলে জামাতের নিষিদ্ধ দাবি

গণহত্যার বিচার ও নিরাপত্তা দাবিতে ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ কাল

গণহত্যার বিচার ও নিরাপত্তা দাবিতে ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ কাল

শিক্ষা

ভুল শূন্যপদ তথ্য জমায় প্রতিষ্ঠান প্রধানদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

ভুল শূন্যপদ তথ্য জমায় প্রতিষ্ঠান প্রধানদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের জন্য শূন্যপদের ভুল তথ্য জমা দেওয়ার ঘটনায় কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে সরকার। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এক সহকারী পরিচালক স্বাক্ষরিত নোটিশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। নোটিশে বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ থেকে পাওয়া তথ্য যাচাইয়ের পর দেখা গেছে, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে দেওয়া শূন্যপদের মধ্যে বহু ভুল তথ্য রয়েছে। প্রাপ্ত প্রতিবেদনে দেখা যায়, মোট ২৩৭টি পদ ভুলভাবে চাহিদাভুক্ত করা হয়েছে। এসব ভুলের মধ্যে

পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন প্রো-ভিসি নিয়োগ দিল সরকার

পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন প্রো-ভিসি নিয়োগ দিল সরকার

উচ্চশিক্ষায় বড় সংস্কার, বাতিল হচ্ছে একাধিক অনার্স বিষয়

উচ্চশিক্ষায় বড় সংস্কার, বাতিল হচ্ছে একাধিক অনার্স বিষয়

অনুমোদন বাতিলের হুঁশিয়ারিতে চাপে দেশের ১৪৭ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

অনুমোদন বাতিলের হুঁশিয়ারিতে চাপে দেশের ১৪৭ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

চাকুরী

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ৫০তম বিসিএসের বহুল প্রত্যাশিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বুধবার সন্ধ্যায় পিএসসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই বিসিএসে মোট ২ হাজার ১৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হবে ১ হাজার ৭৫৫ জনকে এবং নন-ক্যাডারে ৩৯৫ জনকে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন যুক্ত পদসহ এবার প্রশাসন, পুলিশ, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের নিয়োগ হচ্ছে। ক্যাডার পদের মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ২০০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ১১৭ জন, স্বাস্থ্য ক্যাডারে সর্বোচ্চ ৬৫০ জন,

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

লাইফস্টাইল

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ভালোবাসা পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি। ‘মা’ শব্দটি শুধু একটি সম্বোধন নয়, বরং স্নেহ, মমতা, ত্যাগ ও অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রতীক। জন্মের পর মানুষের মুখে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত শব্দও ‘মা’। সেই মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানাতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্ব মা দিবস উদযাপন করা হয়। যদিও মাকে ভালোবাসা প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট কোনো দিন প্রয়োজন হয় না, তবুও বিশেষভাবে মায়েদের সম্মান জানাতেই দিনটি আলাদাভাবে পালিত হয়। ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়,

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

প্রতিবেশী

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ভারতবিরোধী মনোভাব এবং ভূ-রাজনৈতিক টানাপড়েনের মধ্যেও নয়াদিল্লি বাংলাদেশের জন্য অর্থ সহায়তা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। ২০২৬ অর্থবছরের ভারতের কেন্দ্রীয় বাজেট অনুযায়ী বাংলাদেশে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬০ কোটি রুপি। গত অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এই বরাদ্দ ছিল ৩৪ কোটি ৪৮ লাখ রুপি। অর্থাৎ নতুন বরাদ্দ প্রায় ৭৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। ভারতের এই উদ্যোগে ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির প্রতিফলন দেখা যায়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় আসামের এনআইটি ৫ জনকে বহিষ্কার

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় আসামের এনআইটি ৫ জনকে বহিষ্কার

মার্কিন শুল্কে ভারতীয় রপ্তানি বিপর্যয়, বিধ্বস্ত ভারতীয়রা !

মার্কিন শুল্কে ভারতীয় রপ্তানি বিপর্যয়, বিধ্বস্ত ভারতীয়রা !

জাতীয়

জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতি তহবিল দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় ‘ক্ষয়ক্ষতি তহবিল’ দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, কেবল প্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য এ তহবিল কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। মঙ্গলবার (২৩ জুন, ২০২৬) চীনের ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের গ্রীষ্মকালীন দাভোস সম্মেলনের ‘ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন অ্যা শিফটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্কেপ’ শীর্ষক সেশনে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু অর্থায়ন এমনভাবে পরিচালিত হতে হবে যাতে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলো সহজে তা গ্রহণ করতে পারে। একই সঙ্গে তিনি ‘সবুজ জলবায়ু তহবিল’কে আরও কার্যকর, বাস্তবমুখী এবং ফলপ্রসূ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বৈশ্বিক জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় শুধু কার্বন নিঃসরণ কমানো বা প্রশমন কার্যক্রমই যথেষ্ট নয়। জলবায়ু অভিযোজন এবং সহনশীলতা গড়ে তোলার জন্য প্রযুক্তি, অর্থায়ন ও আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তনের পাশাপাশি বৈশ্বিক অর্থনীতি, শিল্প কাঠামোর পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং প্রযুক্তির বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়। ‘বৃহৎ পরিসরে উদ্ভাবন’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ সম্মেলনে বিশ্বের ৯০টি দেশের প্রায় ১ হাজার ৭০০ প্রতিনিধি, নীতিনির্ধারক এবং ব্যবসায়ী নেতা অংশগ্রহণ করছেন। এদিকে সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলোইস জভিংগি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। উল্লেখ্য, ২৩ জুন শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী গ্রীষ্মকালীন দাভোস সম্মেলন আগামী ২৫ জুন পর্যন্ত চলবে।

জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতি তহবিল দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
নাশকতা পরিকল্পনা ভেস্তে দেওয়ার দাবি ডিএমপির

নাশকতা পরিকল্পনা ভেস্তে দেওয়ার দাবি ডিএমপির

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিয়ে সিদ্ধান্ত দেবে ট্রাইব্যুনাল

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিয়ে সিদ্ধান্ত দেবে ট্রাইব্যুনাল

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে প্রতিরক্ষা ও যুদ্ধবিমান ক্রয় চুক্তিতে অগ্রগতি

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে প্রতিরক্ষা ও যুদ্ধবিমান ক্রয় চুক্তিতে অগ্রগতি

স্বাস্থ্য

দেশে হামে ভয়াবহ শিশু মৃত্যু ইতিহাসে নজিরবিহীন সংকট

দেশে হামে ভয়াবহ শিশু মৃত্যু ইতিহাসে নজিরবিহীন সংকট

দেশে হামের সংক্রমণ ও মৃত্যুর ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে ২০ জুন পর্যন্ত সারাদেশে হাম ও এর উপসর্গে মোট ৬৭৭ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৯৩ জন শিশু এবং হামের উপসর্গে মারা গেছে ৫৮৪ জন। একই সময়ে হাম ও উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে এক লাখেরও বেশি শিশু। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিকে ইতিহাসে নজিরবিহীন বলে উল্লেখ করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, দেশে

স্বাস্থ্যখাতে বড় বিনিয়োগ, এক লাখ কর্মী নিয়োগের ঘোষণা

স্বাস্থ্যখাতে বড় বিনিয়োগ, এক লাখ কর্মী নিয়োগের ঘোষণা

দেশে বাড়ছে হাম আতঙ্ক, ২৪ ঘণ্টায় দশ মৃত্যু

দেশে বাড়ছে হাম আতঙ্ক, ২৪ ঘণ্টায় দশ মৃত্যু

হাম আতঙ্কে দেশজুড়ে বাড়ছে শিশু মৃত্যুর হার, ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ১৭

হাম আতঙ্কে দেশজুড়ে বাড়ছে শিশু মৃত্যুর হার, ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ১৭

সারাদেশ

দেবীদ্বারে শিক্ষার্থী দিয়ে এসএসসি খাতা মূল্যায়নের অভিযোগে তোলপাড়

দেবীদ্বারে শিক্ষার্থী দিয়ে এসএসসি খাতা মূল্যায়নের অভিযোগে তোলপাড়

কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার আব্দুল্লাহপুর হাজী আমীর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. বাচ্চু মিয়ার বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে দিয়ে এসএসসি পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করানোর অভিযোগ এনে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেল ৩টার দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে এক শিক্ষার্থীকে এসএসসি পরীক্ষার খাতা দেখতে দেখা যায়। ভিডিওটি প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চলতি ২০২৬ সালের এসএসসি...

শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবিতে কাউখালীতে মানববন্ধন

শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবিতে কাউখালীতে মানববন্ধন

রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের ২৬ কর্মী গ্রেপ্তার

রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের ২৬ কর্মী গ্রেপ্তার

টেকনাফে ব্রিজে ধাক্কা খেয়ে বাস ছিটকে পড়ল খালে, আহত ১২

টেকনাফে ব্রিজে ধাক্কা খেয়ে বাস ছিটকে পড়ল খালে, আহত ১২

বাজার থেকে বাড়ি ফিরা হলো না, সড়কেই গেল প্রাণ

বাজার থেকে বাড়ি ফিরা হলো না, সড়কেই গেল প্রাণ

মতামত

Card Image

জিয়াউল হক

একক লড়াইয়ে ইসলামী আন্দোলন !

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো জোটে না থেকে এককভাবে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১১ দলীয় জোটে তারা আর থাকছে না এবং নিজের শক্তির ওপর ভর করেই নির্বাচনী মাঠে নামবে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশের ২৬৮টি আসনে প্রার্থী দেবে। দীর্ঘদিন ধরে জোট রাজনীতির বাইরে থেকে স্বতন্ত্র অবস্থান ধরে রাখার যে নীতি দলটি অনুসরণ করে আসছে, এই সিদ্ধান্ত তারই ধারাবাহিকতা বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। এর আগে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন একটি জোট সমঝোতার অংশ হিসেবে কিছু আসন খালি রাখার উদ্যোগ নেয়। সেখানে প্রায় ৫০টি আসন ছাড় দেওয়ার আলোচনা থাকলেও চরমোনাই পীর মুফতি রেজাউল করিমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন সেই প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি। বরং দলটি শুরু থেকেই এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান নেয়। দলীয় নেতারা বলছেন, জনগণের প্রত্যাশা ও ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাজনীতির বিস্তারের লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জোট রাজনীতির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে সরাসরি ভোটারদের কাছে নিজেদের বার্তা পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল উদ্দেশ্য। এদিকে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একটি গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের প্রাথমিক ধাপ শেষ হয়েছে এবং এখন আপিল নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া চলছে। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ২০ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণায় নামতে পারবেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

শহীদ নূর হোসেন থেকে শহীদ ওসমান হাদি: রাষ্ট্র কি বদলেছে?

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু মৃত্যু সময়কে ভাগ করে দেয়—আগের বাংলাদেশ আর পরের বাংলাদেশ। ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেনের মৃত্যু যেমন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনকে নতুন গতি দিয়েছিল, তেমনি ২০২৫ সালে শহীদ ওসমান হাদির মৃত্যু আজকের রাষ্ট্রব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে কঠিন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। নূর হোসেন ছিলেন একজন সাধারণ মানুষ। কোনো বড় পদ, ক্ষমতা বা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা তার ছিল না। তবুও তিনি বুক-পিঠে লেখা দুটি বাক্য—‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ ও ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’—নিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন। রাষ্ট্র তখন প্রকাশ্য স্বৈরশাসনের অধীনে ছিল। গুলির মুখে দাঁড়িয়ে নূর হোসেন দেখিয়ে দিয়েছিলেন, গণতন্ত্র কেবল রাজনৈতিক দল নয়, সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগেই বেঁচে থাকে। তার রক্তের দাগ মুছে যায়নি; বরং তা ইতিহাসে চিহ্ন হয়ে রয়ে গেছে। অন্যদিকে শহীদ ওসমান হাদি ছিলেন একটি প্রজন্মের কণ্ঠস্বর। তিনি কোনো সামরিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে নয়, বরং তথাকথিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভেতরের ব্যর্থতা, বৈষম্য ও নিরাপত্তাহীনতার বিরুদ্ধে কথা বলছিলেন। দিনের আলোয় রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে রিকশায় বসে থাকা একজন রাজনৈতিক কর্মী গুলিবিদ্ধ হন—এটি শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়, এটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রকাশ্য ভেঙে পড়ার ঘোষণা। নূর হোসেনের সময় রাষ্ট্র বলত, “আমরা স্বৈরাচার, তাই দমন করব।” হাদির সময় রাষ্ট্র বলে, “আমরা গণতান্ত্রিক, কিন্তু অপরাধ ঠেকাতে পারছি না।” এই দুই বক্তব্যের মাঝখানে পার্থক্য থাকলেও ফলাফল এক—একজন নাগরিক নিহত। সবচেয়ে বেদনাদায়ক প্রশ্ন হলো, নূর হোসেনের আত্মত্যাগের ৩৮ বছর পরও কেন হাদির

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

৭ই নভেম্বর: স্বাধীনতা-গণতন্ত্র-সংহতি: এক দিনে তিন প্রতীক

বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে ৭ নভেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ‘মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পরিচিত এই দিনটি ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার পটভূমিতে সিপাহী-জনতার অভ্যুদয়ের প্রতীক হয়ে উঠে। দিনটি নিয়ে নানা মত ও ব্যাখ্যা থাকলেও এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না। কারণ, এই দিনের ঘটনাপ্রবাহ রাষ্ট্রের সামগ্রিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসে এবং জাতীয় রাজনীতির গতিপথে এক নতুন ধারা সূচনা করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর রাষ্ট্রে তীব্র অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। সামরিক, প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে নতুন ক্ষমতার সমীকরণ গড়ে উঠতে থাকে। এরপর ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে হত্যা এবং ক্ষমতার পালাবদলের ধারাবাহিকতায় ৭ নভেম্বর এক বিশেষ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সৈনিকদের একটি অংশ এবং জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সেদিনের ঘটনাকে কেউ বিপ্লব, কেউ সামরিক অভ্যুত্থান এবং কেউ জাতীয় ঐক্যের স্ফুরণ হিসেবে উল্লেখ করেন। এই দিবসটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কারণে। সেই সময় বন্দী অবস্থায় থাকা তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে মুক্তি পান এবং পরবর্তী সময়ে তিনি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব হাতে নেন। জিয়া রাষ্ট্রপরিচালনায় আসার পর বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর নতুন রাজনীতিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয় বলে মতামত রয়েছে। ৭ নভেম্বরকে একদলীয় শাসনের অবসান ও বহু মত-চিন্তার উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরির সূচনা হিসেবে দেখেন অনেক বিশ্লেষক।

জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতি তহবিল দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতি তহবিল দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় ‘ক্ষয়ক্ষতি তহবিল’ দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, কেবল প্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য এ তহবিল কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। মঙ্গলবার (২৩ জুন, ২০২৬) চীনের ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের গ্রীষ্মকালীন দাভোস সম্মেলনের ‘ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন অ্যা শিফটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্কেপ’ শীর্ষক সেশনে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু অর্থায়ন এমনভাবে পরিচালিত হতে হবে যাতে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলো সহজে তা গ্রহণ করতে পারে। একই সঙ্গে তিনি ‘সবুজ জলবায়ু তহবিল’কে আরও কার্যকর, বাস্তবমুখী এবং ফলপ্রসূ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বৈশ্বিক জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় শুধু কার্বন নিঃসরণ কমানো বা প্রশমন কার্যক্রমই যথেষ্ট নয়। জলবায়ু অভিযোজন এবং সহনশীলতা গড়ে তোলার জন্য প্রযুক্তি, অর্থায়ন ও আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তনের পাশাপাশি বৈশ্বিক অর্থনীতি, শিল্প কাঠামোর পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং প্রযুক্তির বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়। ‘বৃহৎ পরিসরে উদ্ভাবন’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ সম্মেলনে বিশ্বের ৯০টি দেশের প্রায় ১ হাজার ৭০০ প্রতিনিধি, নীতিনির্ধারক এবং ব্যবসায়ী নেতা অংশগ্রহণ করছেন। এদিকে সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলোইস জভিংগি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। উল্লেখ্য, ২৩ জুন শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী গ্রীষ্মকালীন দাভোস সম্মেলন আগামী ২৫ জুন পর্যন্ত চলবে।

আরও পড়ুন
২ মিনিট আগে
www.kidora.com.bd
শিথিল হলো মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, ইরানের ১২০০ কোটি ডলার অবমুক্ত

শিথিল হলো মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, ইরানের ১২০০ কোটি ডলার অবমুক্ত

সুইজারল্যান্ডে টানা ১৮ ঘণ্টার উচ্চপর্যায়ের আলোচনার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সমঝোতা হয়েছে, যেখানে দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক ব্যাংকে আটকে থাকা ইরানের প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি ডলার রাষ্ট্রীয় সম্পদ অবমুক্ত করতে সম্মত হয়েছে ওয়াশিংটন। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও

মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনে পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনে পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়ায় দুই দিনের সরকারি সফর শেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এখন চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন। সোমবার (২২ জুন) স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট দালিয়ান ঝুশুইজি আন্তর্জাতিক

নাশকতা পরিকল্পনা ভেস্তে দেওয়ার দাবি ডিএমপির

নাশকতা পরিকল্পনা ভেস্তে দেওয়ার দাবি ডিএমপির

রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের ২৬ কর্মী গ্রেপ্তার

রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের ২৬ কর্মী গ্রেপ্তার

হরমুজ প্রণালিতে সরবরাহ বাড়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দরপতন

হরমুজ প্রণালিতে সরবরাহ বাড়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দরপতন

ধানমন্ডি ৩২ এ মিছিল শেষে সাংবাদিকের ওপর হামলা

ধানমন্ডি ৩২ এ মিছিল শেষে সাংবাদিকের ওপর হামলা

তুরস্কের সামরিক উত্থান নিয়ে ইসরায়েলের নতুন উদ্বেগ

তুরস্কের সামরিক উত্থান নিয়ে ইসরায়েলের নতুন উদ্বেগ

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিয়ে সিদ্ধান্ত দেবে ট্রাইব্যুনাল

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিয়ে সিদ্ধান্ত দেবে ট্রাইব্যুনাল

সর্বশেষ সংবাদ

জনপ্রিয়

জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতি তহবিল দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতি তহবিল দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

দেশ ছাড়িয়ে বিশ্ববাজারে পরিচিত শ্রীমঙ্গলের আনারস

দেশ ছাড়িয়ে বিশ্ববাজারে পরিচিত শ্রীমঙ্গলের আনারস

দেবীদ্বারে শিক্ষার্থী দিয়ে এসএসসি খাতা মূল্যায়নের অভিযোগে তোলপাড়

দেবীদ্বারে শিক্ষার্থী দিয়ে এসএসসি খাতা মূল্যায়নের অভিযোগে তোলপাড়

শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবিতে কাউখালীতে মানববন্ধন

শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবিতে কাউখালীতে মানববন্ধন

নাশকতা পরিকল্পনা ভেস্তে দেওয়ার দাবি ডিএমপির

নাশকতা পরিকল্পনা ভেস্তে দেওয়ার দাবি ডিএমপির

রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের ২৬ কর্মী গ্রেপ্তার

রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের ২৬ কর্মী গ্রেপ্তার

হরমুজ প্রণালিতে সরবরাহ বাড়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দরপতন

হরমুজ প্রণালিতে সরবরাহ বাড়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দরপতন

ধানমন্ডি ৩২ এ মিছিল শেষে সাংবাদিকের ওপর হামলা

ধানমন্ডি ৩২ এ মিছিল শেষে সাংবাদিকের ওপর হামলা

টেকনাফে ব্রিজে ধাক্কা খেয়ে বাস ছিটকে পড়ল খালে, আহত ১২

টেকনাফে ব্রিজে ধাক্কা খেয়ে বাস ছিটকে পড়ল খালে, আহত ১২

বাজার থেকে বাড়ি ফিরা হলো না, সড়কেই গেল প্রাণ

বাজার থেকে বাড়ি ফিরা হলো না, সড়কেই গেল প্রাণ
https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

সম্পাদকীয়

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ১৯৯১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত সময়কে এক অনন্য অধ্যায় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময়জুড়ে দেশের রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন দুই নারী নেত্রী , শেখ হাসিনা ও বেগম খালেদা জিয়া। একদিকে আওয়ামী লীগ, অন্যদিকে বিএনপি,  এই দুই দল এবং তাদের দুই নেত্রীর নেতৃত্বই মূলত বাংলাদেশের রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করেছে। ফলে এই সময়কে অনেকেই যথার্থভাবেই ‘দুই নেত্রীর যুগ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের অভ্যুত্থান বাংলাদেশের এই রাজনৈতিক ধারাবাহিকতায় বড় ধরনের ছেদ টেনেছে। গণআন্দোলনের মুখে শেখ

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

সীমান্তে ভারতীয় পুশ-ইন: বাংলাদেশে নতুন শরণার্থী সংকট আসছে কি ?

সীমান্তে ভারতীয় পুশ-ইন: বাংলাদেশে নতুন শরণার্থী সংকট আসছে কি ?

ভিডিও সংবাদ

Card Image

হিলিতে শিক্ষার্থীদের মাঝে ৩৮০০ ফলজ ও ওষুধি গাছের চারা বিতরণ

Card Image

🔴 “একই পরিবারের ৩ জনকে হত্যা!”🔍 “কুমিল্লায় নৃশংস খুন!”

Card Image

শেষ ঠিকানার কারিগর মনু মিয়া আর নেই, প্রায় ৩ হাজার কবর খোঁরেছিলেন তিনি || Enews71

Card Image

হিলি স্থলবন্দরে উন্নয়নের নামে কোটি কোটি টাকা শোষণ করা হয়েছে- সারজিস আলম

Card Image

জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে এসে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন বিএনপি'র মহাসচিব মির্জা ফখরুল

Card Image

'পলো বাওয়া’ উৎসবে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড়

Card Image

ভোগান্তির আরেক নাম পটুয়াখালী বাস টার্মিনাল, সড়কে যানজট বাড়ছে দুর্ঘটনা

Card Image

নওগাঁয় ঐতিহ্যবাহী পুকুরে হাঁস ধরা উৎসব | enews71

Card Image

সেনা কর্মকর্তা তানজিম হ'ত্যা'র ঘটনায় যেভাবে আট'ক হলেন তারা | enews71 | tazim |sena |army

Card Image

মেট্রোরেল যাচ্ছে সদরঘাট : দুর হচ্ছে পুরান ঢাকাবাসীর কস্ট | enews71 | metro | Dhaka metro rail

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি

ধর্মীয় দৃষ্টিতে বিজ্ঞান মানবকল্যাণের গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার

ধর্মীয় দৃষ্টিতে বিজ্ঞান মানবকল্যাণের গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার

ধর্ম ও বিজ্ঞানকে অনেক সময় দুটি ভিন্ন ধারার জ্ঞান হিসেবে বিবেচনা করা হলেও বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, উভয়ের মূল লক্ষ্য মানবকল্যাণ এবং সত্যের অনুসন্ধান। ধর্মীয় দৃষ্টিতে বিজ্ঞানকে সৃষ্টিজগতের রহস্য অনুধাবনের একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে দেখা হয়। ইসলামসহ বিশ্বের বিভিন্ন ধর্মে জ্ঞান অর্জনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ধর্মীয় শিক্ষায় মানুষকে প্রকৃতি, মহাবিশ্ব এবং সৃষ্টির নানা নিদর্শন নিয়ে চিন্তা-গবেষণা করতে উৎসাহিত করা হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় বিজ্ঞান মানুষের জীবনকে সহজ, নিরাপদ এবং সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ধর্মীয় চিন্তাবিদদের মতে, বিজ্ঞান মানুষের কাছে সৃষ্টিকর্তার

সহায়ক প্রযুক্তিতে বাড়ছে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুযোগ

সহায়ক প্রযুক্তিতে বাড়ছে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুযোগ

নারী শিক্ষায় প্রযুক্তির বিস্তার, বদলে যাচ্ছে শেখার ধরন

নারী শিক্ষায় প্রযুক্তির বিস্তার, বদলে যাচ্ছে শেখার ধরন

প্রযুক্তি ব্যবহারে উন্নয়ন পাচ্ছে শিক্ষা স্বাস্থ্য ও অর্থনীতি

প্রযুক্তি ব্যবহারে উন্নয়ন পাচ্ছে শিক্ষা স্বাস্থ্য ও অর্থনীতি

বিনোদন

ইউটিউব লাইভ কনসার্টে অংশ নিয়ে ইরানি গায়িকার দোররা শাস্তি

ইউটিউব লাইভ কনসার্টে অংশ নিয়ে ইরানি গায়িকার দোররা শাস্তি

ইরানের সংগীতশিল্পী পারাস্তু আহমাদি এবং তার প্রযোজনা দলের আট সদস্যকে ৭৪টি করে দোররা মারার সাজা দিয়েছে দেশটির আদালত। ২০২৪ সালে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে লাইভস্ট্রিম করা একটি কনসার্টে অংশ নেওয়ার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এই রায় দেওয়া হয়। ২৯ বছর বয়সী পারাস্তু আহমাদি ‘আজ খুনে জাভানানে ওয়াতান’ শিরোনামের একটি দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেছিলেন, যা ইউটিউবে লাইভ সম্প্রচার করা হয়। ওই সময় তিনি হিজাব ছাড়া পারফর্ম করেন। পরে ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হলে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। ইরানি আদালত ওই কনটেন্টকে ‘অশ্লীল’ আখ্যা দিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়। গান প্রকাশের কিছুদিনের মধ্যেই পারাস্তু আহমাদি এবং তার কয়েকজন সহকর্মীকে আটক করা হয়। পরে তারা মুক্তি পেলেও তাদের বিরুদ্ধে মামলা চলমান থাকে। সাম্প্রতিক রায়ে কোম প্রদেশের আদালত পারাস্তু আহমাদি ও তার দলের আট সদস্যকে ৭৪টি করে দোররা মারার শাস্তি ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি গায়িকার ওপর দুই বছরের সংগীত নিষেধাজ্ঞা এবং দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করা হয়েছে। এই রায়কে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, এটি সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারের ওপর কঠোর আঘাত।

প্রতারণা মামলায় তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার

প্রতারণা মামলায় তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার

রাজধানীর ওয়ারী থানায় দায়ের করা প্রতারণা মামলায় আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৫ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাতের আদালত এই নির্দেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশীদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওয়ারী থানার উপ-পরিদর্শক মো. মাহফুজুর রহমান আসামিকে আদালতে হাজির করে তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, তদন্তে সন্দেহভাজন আসামি নিশাদুজ্জামান নিশাদকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তৌহিদ উদ্দিন আফ্রিদীর সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো জরুরি বলে উল্লেখ করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সৈয়দ গোলাম মুর্তজা ইবনে ইসলাম আদালতে গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী ইকবাল মাহমুদ শোভন এ আবেদনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন মঞ্জুর করেন। আদালতের আদেশের পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে। মামলাটি এখনো তদন্তাধীন রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।