মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬১৭ ভাদ্র, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

আপনার এলাকার খবর

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg
https://enews71.com/storage/ads/01KTB48CFAEJRYTN4T9G053ER9.png
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png
বাংলাদেশের নতুন বোয়িং কেনার চুক্তিকে ‘অসাধারণ’ বলল যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশের নতুন বোয়িং কেনার চুক্তিকে ‘অসাধারণ’ বলল যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশ অতিরিক্ত বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার জন্য বিলিয়ন ডলারের অর্ডারে সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে হওয়া এই সমঝোতাকে ‘অসাধারণ চুক্তি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গোর। রোববার (৩০ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প প্রশাসনের অর্থনৈতিক সাফল্যের প্রশংসা করতে গিয়ে বাংলাদেশ-বোয়িং চুক্তির বিষয়টি তুলে ধরেন গোর। তিনি বলেন, চলতি সপ্তাহেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে আরেকটি ‘অসাধারণ চুক্তি’ হয়েছে। এর আওতায় বাংলাদেশ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সার্জিও গোরের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে ট্রাম্পই ‘সর্বশ্রেষ্ঠ প্রেসিডেন্ট’। তিনি দাবি করেন, ট্রাম্প উচ্চ বেতনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিপুল অঙ্কের বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং মার্কিন অর্থনীতিকে চাঙা করতে নিরলসভাবে কাজ করছেন। বাংলাদেশের সঙ্গে বোয়িংয়ের নতুন অর্ডারকেও যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে তুলে ধরেছেন গোর। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ আগের অর্ডারের বাইরে আরও বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। তবে প্রকাশ্যে আসা তথ্য অনুযায়ী, এখনো উড়োজাহাজের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা, মোট চুক্তিমূল্য এবং সরবরাহের সময়সূচি জানানো হয়নি। সার্জিও গোর বর্তমানে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূতের দায়িত্বও পালন করছেন। এর আগে গত ৩০ জুলাই তিনি তিন দিনের সফরে ঢাকায় এসেছিলেন।

আরও পড়ুন
১ দিন আগে
www.kidora.com.bd
নেপালে বন্যায় মৃত ৯০৩, নিখোঁজ ৪২০০; গণকবরে মরদেহ দাফন

নেপালে বন্যায় মৃত ৯০৩, নিখোঁজ ৪২০০; গণকবরে মরদেহ দাফন

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯০৩ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটির জাতীয় দুর্যোগ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখনো ৪ হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের দুই শতাধিক শিক্ষার্থীও রয়েছে। বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে ভারতীয়দের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা

জ্বালানি সংকটে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত, বাড়ছে পণ্যের দাম

জ্বালানি সংকটে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত, বাড়ছে পণ্যের দাম

বিশ্ববাজারের অস্থিরতা এবং দেশে জ্বালানির অপ্রতুলতায় সংকটে পড়েছে দেশের শিল্প খাত। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ না থাকায় কারখানার উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে ব্যয়বহুল বিকল্প ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে উদ্যোক্তাদের। এতে উৎপাদন ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাচ্ছে, যার প্রভাব শেষ পর্যন্ত

স্থানীয় নির্বাচনে ভোটার প্রায় ১৩ কোটি, প্রস্তুত কমিশন

স্থানীয় নির্বাচনে ভোটার প্রায় ১৩ কোটি, প্রস্তুত কমিশন

জর্ডানের দুই মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ভয়াবহ পাল্টা হামলা

জর্ডানের দুই মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ভয়াবহ পাল্টা হামলা

গণপতি হত্যা মামলায় দুই আসামির ডোপ টেস্টের নমুনা

গণপতি হত্যা মামলায় দুই আসামির ডোপ টেস্টের নমুনা

মা-শিশুর চিকিৎসায় বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্র দিচ্ছে ২৪ লাখ ডলার

মা-শিশুর চিকিৎসায় বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্র দিচ্ছে ২৪ লাখ ডলার

শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা: হাইকোর্টে হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল

শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা: হাইকোর্টে হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল

সত্য প্রকাশে সাংবাদিকদের মাথা নত করা উচিত নয়: রিজভী

সত্য প্রকাশে সাংবাদিকদের মাথা নত করা উচিত নয়: রিজভী

সর্বশেষ সংবাদ

জনপ্রিয়

স্থানীয় নির্বাচনে ভোটার প্রায় ১৩ কোটি, প্রস্তুত কমিশন

স্থানীয় নির্বাচনে ভোটার প্রায় ১৩ কোটি, প্রস্তুত কমিশন

কুড়িগ্রামে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

কুড়িগ্রামে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

শিক্ষার্থী রিপন হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী জামাল গ্রেফতার

শিক্ষার্থী রিপন হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী জামাল গ্রেফতার

শিশুর চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতালে দুই আনসার সদস্যের হাতাহাতি

শিশুর চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতালে দুই আনসার সদস্যের হাতাহাতি

পাঁচবিবিতে নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

পাঁচবিবিতে নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

হাকিমপুরে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

হাকিমপুরে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

জর্ডানের দুই মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ভয়াবহ পাল্টা হামলা

জর্ডানের দুই মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ভয়াবহ পাল্টা হামলা

গণপতি হত্যা মামলায় দুই আসামির ডোপ টেস্টের নমুনা

গণপতি হত্যা মামলায় দুই আসামির ডোপ টেস্টের নমুনা

মা-শিশুর চিকিৎসায় বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্র দিচ্ছে ২৪ লাখ ডলার

মা-শিশুর চিকিৎসায় বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্র দিচ্ছে ২৪ লাখ ডলার

নেপালে বন্যায় মৃত ৯০৩, নিখোঁজ ৪২০০; গণকবরে মরদেহ দাফন

নেপালে বন্যায় মৃত ৯০৩, নিখোঁজ ৪২০০; গণকবরে মরদেহ দাফন
https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

মতামত

Card Image

জিয়াউল হক

একক লড়াইয়ে ইসলামী আন্দোলন !

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো জোটে না থেকে এককভাবে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১১ দলীয় জোটে তারা আর থাকছে না এবং নিজের শক্তির ওপর ভর করেই নির্বাচনী মাঠে নামবে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশের ২৬৮টি আসনে প্রার্থী দেবে। দীর্ঘদিন ধরে জোট রাজনীতির বাইরে থেকে স্বতন্ত্র অবস্থান ধরে রাখার যে নীতি দলটি অনুসরণ করে আসছে, এই সিদ্ধান্ত তারই ধারাবাহিকতা বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। এর আগে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন একটি জোট সমঝোতার অংশ হিসেবে কিছু আসন খালি রাখার উদ্যোগ নেয়। সেখানে প্রায় ৫০টি আসন ছাড় দেওয়ার আলোচনা থাকলেও চরমোনাই পীর মুফতি রেজাউল করিমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন সেই প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি। বরং দলটি শুরু থেকেই এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান নেয়। দলীয় নেতারা বলছেন, জনগণের প্রত্যাশা ও ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাজনীতির বিস্তারের লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জোট রাজনীতির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে সরাসরি ভোটারদের কাছে নিজেদের বার্তা পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল উদ্দেশ্য। এদিকে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একটি গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের প্রাথমিক ধাপ শেষ হয়েছে এবং এখন আপিল নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া চলছে। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ২০ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণায় নামতে পারবেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

শহীদ নূর হোসেন থেকে শহীদ ওসমান হাদি: রাষ্ট্র কি বদলেছে?

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু মৃত্যু সময়কে ভাগ করে দেয়—আগের বাংলাদেশ আর পরের বাংলাদেশ। ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেনের মৃত্যু যেমন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনকে নতুন গতি দিয়েছিল, তেমনি ২০২৫ সালে শহীদ ওসমান হাদির মৃত্যু আজকের রাষ্ট্রব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে কঠিন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। নূর হোসেন ছিলেন একজন সাধারণ মানুষ। কোনো বড় পদ, ক্ষমতা বা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা তার ছিল না। তবুও তিনি বুক-পিঠে লেখা দুটি বাক্য—‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ ও ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’—নিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন। রাষ্ট্র তখন প্রকাশ্য স্বৈরশাসনের অধীনে ছিল। গুলির মুখে দাঁড়িয়ে নূর হোসেন দেখিয়ে দিয়েছিলেন, গণতন্ত্র কেবল রাজনৈতিক দল নয়, সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগেই বেঁচে থাকে। তার রক্তের দাগ মুছে যায়নি; বরং তা ইতিহাসে চিহ্ন হয়ে রয়ে গেছে। অন্যদিকে শহীদ ওসমান হাদি ছিলেন একটি প্রজন্মের কণ্ঠস্বর। তিনি কোনো সামরিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে নয়, বরং তথাকথিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভেতরের ব্যর্থতা, বৈষম্য ও নিরাপত্তাহীনতার বিরুদ্ধে কথা বলছিলেন। দিনের আলোয় রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে রিকশায় বসে থাকা একজন রাজনৈতিক কর্মী গুলিবিদ্ধ হন—এটি শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়, এটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রকাশ্য ভেঙে পড়ার ঘোষণা। নূর হোসেনের সময় রাষ্ট্র বলত, “আমরা স্বৈরাচার, তাই দমন করব।” হাদির সময় রাষ্ট্র বলে, “আমরা গণতান্ত্রিক, কিন্তু অপরাধ ঠেকাতে পারছি না।” এই দুই বক্তব্যের মাঝখানে পার্থক্য থাকলেও ফলাফল এক—একজন নাগরিক নিহত। সবচেয়ে বেদনাদায়ক প্রশ্ন হলো, নূর হোসেনের আত্মত্যাগের ৩৮ বছর পরও কেন হাদির

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

৭ই নভেম্বর: স্বাধীনতা-গণতন্ত্র-সংহতি: এক দিনে তিন প্রতীক

বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে ৭ নভেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ‘মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পরিচিত এই দিনটি ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার পটভূমিতে সিপাহী-জনতার অভ্যুদয়ের প্রতীক হয়ে উঠে। দিনটি নিয়ে নানা মত ও ব্যাখ্যা থাকলেও এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না। কারণ, এই দিনের ঘটনাপ্রবাহ রাষ্ট্রের সামগ্রিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসে এবং জাতীয় রাজনীতির গতিপথে এক নতুন ধারা সূচনা করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর রাষ্ট্রে তীব্র অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। সামরিক, প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে নতুন ক্ষমতার সমীকরণ গড়ে উঠতে থাকে। এরপর ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে হত্যা এবং ক্ষমতার পালাবদলের ধারাবাহিকতায় ৭ নভেম্বর এক বিশেষ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সৈনিকদের একটি অংশ এবং জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সেদিনের ঘটনাকে কেউ বিপ্লব, কেউ সামরিক অভ্যুত্থান এবং কেউ জাতীয় ঐক্যের স্ফুরণ হিসেবে উল্লেখ করেন। এই দিবসটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কারণে। সেই সময় বন্দী অবস্থায় থাকা তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে মুক্তি পান এবং পরবর্তী সময়ে তিনি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব হাতে নেন। জিয়া রাষ্ট্রপরিচালনায় আসার পর বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর নতুন রাজনীতিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয় বলে মতামত রয়েছে। ৭ নভেম্বরকে একদলীয় শাসনের অবসান ও বহু মত-চিন্তার উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরির সূচনা হিসেবে দেখেন অনেক বিশ্লেষক।

শিক্ষা

মান নিয়ে প্রশ্ন, তবু বেড়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়

মান নিয়ে প্রশ্ন, তবু বেড়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়

ডেস্ক রিপোর্ট ॥ শিক্ষকসংকট, পর্যাপ্ত গবেষণার অভাব, স্থায়ী ক্যাম্পাস না থাকা, প্রশাসনিক দুর্বলতা, সনদ বাণিজ্যসহ নানা ধরনের অনিয়মের কারণে দেশের অধিকাংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন দীর্ঘদিনের। তারপরও একে একে বেড়ে ১১৭টিতে দাঁড়িয়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা। এর মধ্যে হাতেগোনা ১৫টির মতো ভালো করছে। বাকিগুলো চলছে খুঁড়িয়ে, খণ্ডকালীন শিক্ষকদের কাঁধে ভর দিয়ে। কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষকের সংখ্যা সার্বক্ষণিক শিক্ষকদের তুলনায় পাঁচ গুণ বেশি। এসব বিশ্ববিদ্যালয় যেসব গ্র্যাজুয়েট তৈরি করছে তাদের বেশির ভাগের মধ্যে শিখন ঘাটতি থেকে যাচ্ছে এবং কর্মবাজারে

সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাত নির্দেশনা দিল মাউশি

সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাত নির্দেশনা দিল মাউশি

এসএসসি ফল নিয়ে অসন্তুষ্টদের খাতা চ্যালেঞ্জের সুযোগ শুরু আজ

এসএসসি ফল নিয়ে অসন্তুষ্টদের খাতা চ্যালেঞ্জের সুযোগ শুরু আজ

যে কারণে ফেলের হার বেশি, যা বললেন ঢাকা বোর্ড চেয়ারম্যান

যে কারণে ফেলের হার বেশি, যা বললেন ঢাকা বোর্ড চেয়ারম্যান

লাইফস্টাইল

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ভালোবাসা পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি। ‘মা’ শব্দটি শুধু একটি সম্বোধন নয়, বরং স্নেহ, মমতা, ত্যাগ ও অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রতীক। জন্মের পর মানুষের মুখে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত শব্দও ‘মা’। সেই মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানাতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্ব মা দিবস উদযাপন করা হয়। যদিও মাকে ভালোবাসা প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট কোনো দিন প্রয়োজন হয় না, তবুও বিশেষভাবে মায়েদের সম্মান জানাতেই দিনটি আলাদাভাবে পালিত হয়। ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়,

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

আন্তর্জাতিক

জর্ডানের দুই মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ভয়াবহ পাল্টা হামলা

জর্ডানের দুই মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ভয়াবহ পাল্টা হামলা

ইরানের ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার পর পাল্টা জবাব হিসেবে জর্ডানে অবস্থিত দুটি মার্কিন বিমানঘাঁটিতে বড় ধরনের সমন্বিত হামলা চালানোর দাবি করেছে তেহরান। ইরান জানিয়েছে, কিং হুসেইন ও আজরাক বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও চালকবিহীন বিমান ব্যবহার করা হয়েছে। হামলায় দুই ঘাঁটির ব্যাপক অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি করেছে দেশটি। তুরস্কের বার্তাসংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের অ্যারোস্পেস ফোর্স সোমবার (৩১ আগস্ট) ভোরের দিকে এ হামলা চালায়। ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, নির্ভুল লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে বিমানঘাঁটি দুটির কারিগরি ও যান্ত্রিক অবকাঠামো, রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র এবং যুদ্ধবিমান রাখার শেডে মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতি করা হয়েছে। আইআরজিসি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের আগ্রাসন চালানো হলে তার জবাব আরও বিধ্বংসী ও তীব্র হবে। এর আগে রোববার (৩০ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কৌশলগত লারাক দ্বীপে থাকা দুটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা লক্ষ্য করে হামলা চালায় বলে মার্কিন এক সামরিক কর্মকর্তার বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে। জুলাইয়ের শেষ দিকে সংঘাতের পর ইরানের মূল ভূখণ্ডে এটিই যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সরাসরি হামলা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের দাবি, হরমুজ প্রণালিতে সমুদ্র-মাইন বহনকারী রকেট নিক্ষেপের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাগুলো লক্ষ্য করা হয়। তবে আইআরজিসির দাবি, ওই হামলায় কয়েকজন সেনা ও বেসামরিক নাগরিক হতাহত হন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই দুই দেশের উত্তেজনা তীব্র হয়েছে। পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় জুনে সাময়িক সমঝোতার সম্ভাবনা তৈরি হলেও হরমুজ প্রণালি নিয়ে বিরোধের জেরে জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্র নৌ-অবরোধ ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রেখেছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

নেপালে বন্যায় মৃত ৯০৩, নিখোঁজ ৪২০০; গণকবরে মরদেহ দাফন

নেপালে বন্যায় মৃত ৯০৩, নিখোঁজ ৪২০০; গণকবরে মরদেহ দাফন

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯০৩ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটির জাতীয় দুর্যোগ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখনো ৪ হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের দুই শতাধিক শিক্ষার্থীও রয়েছে। বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে ভারতীয়দের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত তিন জেলার অন্তত ১৯টি বিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৯টি পুরোপুরি ধ্বংস এবং সাতটি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কয়েকটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরাও নিখোঁজ রয়েছেন। নেপালের শিক্ষা ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মূল্যায়নে ২০০ জনের বেশি শিক্ষার্থী নিখোঁজ এবং প্রায় ২০ জন শিক্ষার্থী পানিতে ভেসে গেছে। রাসুয়া ও নৌয়াকোট জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়গুলোর কয়েকটিতে মোট ২ হাজার ৪২৫ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা

ইরান যুদ্ধের প্রকৃত ব্যয় নিয়ে গালিবাফের বিস্ফোরক অভিযোগ

ইরান যুদ্ধের প্রকৃত ব্যয় নিয়ে গালিবাফের বিস্ফোরক অভিযোগ

ইরানের ওপর ওয়াশিংটনের পরিচালিত যুদ্ধের প্রকৃত ব্যয় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট মিথ্যা তথ্য দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। শনিবার (২৯ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি মার্কিন কর্মকর্তার বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন। এর আগে স্কট বেসেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে সংঘাতের সময় একটি কৌশলগত জলপথ দিয়ে ১৩ কোটি ব্যারেল তেল বাইরে পাঠানো হয়েছে। তাঁর ওই দাবির জবাব দিতে গিয়ে গালিবাফ যুদ্ধের প্রকৃত ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ইরানি স্পিকার মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারিকে উদ্দেশ করে বলেন, প্রকৃত হিসাব জানতে তাঁর কর্মীদের মুডি’সের প্রতিবেদন দেখতে বলা উচিত। তাঁর দাবি, ওই প্রতিবেদনে ইরানের বিরুদ্ধে

নেপাল-চীনে ভয়াবহ বন্যায় মৃত প্রায় সাতশ, নিখোঁজ তিন হাজার

নেপাল-চীনে ভয়াবহ বন্যায় মৃত প্রায় সাতশ, নিখোঁজ তিন হাজার

ভেনেজুয়েলার ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেলের নিয়ন্ত্রণ পেল যুক্তরাষ্ট্র

ভেনেজুয়েলার ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেলের নিয়ন্ত্রণ পেল যুক্তরাষ্ট্র

ইরান যুদ্ধে হেগসেথের অপসারণ দাবি মার্কিন কংগ্রেস সদস্যের

ইরান যুদ্ধে হেগসেথের অপসারণ দাবি মার্কিন কংগ্রেস সদস্যের

ডলারের নির্ভরতা কমিয়ে উৎপাদন বাড়ানোর বার্তা মোজতবা খামেনির

ডলারের নির্ভরতা কমিয়ে উৎপাদন বাড়ানোর বার্তা মোজতবা খামেনির

ভারতের চাপে,বিদেশি উদ্ধারকারী দলকে অনুমতি দিল নেপাল

ভারতের চাপে,বিদেশি উদ্ধারকারী দলকে অনুমতি দিল নেপাল

নেপালে হিমবাহ ধসের বন্যায় নিহত বেড়ে ৪৭৫, নতুন বিপদের শঙ্কা

নেপালে হিমবাহ ধসের বন্যায় নিহত বেড়ে ৪৭৫, নতুন বিপদের শঙ্কা

জাতীয়

স্থানীয় নির্বাচনে ভোটার প্রায় ১৩ কোটি, প্রস্তুত কমিশন

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। তালিকা অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬৪৩ জন। সোমবার (৩১ আগস্ট) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি জানান, মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫৫ লাখ ১০ হাজার ৬৬৫ জন। নারী ভোটারের সংখ্যা ৬ কোটি ৩২ লাখ ৬৫ হাজার ৭১১ জন। এ ছাড়া হিজড়া ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২৬৭ জন। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে নির্বাচন কমিশন নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম এগিয়ে নেয়। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। ভোটের দিন-তারিখ জানার সঙ্গে সঙ্গে তা গণমাধ্যমকে জানিয়ে দেওয়া হবে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর এখন নির্বাচনের তফসিল ও ভোটগ্রহণের তারিখ ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপরই স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের পরবর্তী কার্যক্রম নির্ভর করছে।

স্থানীয় নির্বাচনে ভোটার প্রায় ১৩ কোটি, প্রস্তুত কমিশন
বাংলাদেশের নতুন বোয়িং কেনার চুক্তিকে ‘অসাধারণ’ বলল যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশের নতুন বোয়িং কেনার চুক্তিকে ‘অসাধারণ’ বলল যুক্তরাষ্ট্র

ছয় মাসে মালয়েশিয়ায় যাবে দুই লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক

ছয় মাসে মালয়েশিয়ায় যাবে দুই লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক

এখনও ফেরেনি তারা, থামেনি পরিবারের কান্না

এখনও ফেরেনি তারা, থামেনি পরিবারের কান্না

আইন-আদালত

আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি হাবিবুল গনির শপথ

আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি হাবিবুল গনির শপথ

আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি শপথ নিয়েছেন। রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী তাকে শপথবাক্য পাঠ করান। শপথ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী। এর আগে বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. হাবিবুল গনিকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তাকে এ পদে নিয়োগ দেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে এ নিয়োগ কার্যকর হবে। বিচারপতি

স্বামীর জানাজায় যেতে দীপু মনির প্যারোলের আবেদন

স্বামীর জানাজায় যেতে দীপু মনির প্যারোলের আবেদন

জুলাই আন্দোলনে উসকানির অভিযোগে আসামি হচ্ছেন তিন সাংবাদিক

জুলাই আন্দোলনে উসকানির অভিযোগে আসামি হচ্ছেন তিন সাংবাদিক

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

প্রতিবেশী

হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে ঢাকার ধারাবাহিক দাবির মধ্যে ভারতের অবস্থান আরও স্পষ্ট হয়েছে। দেশটির শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রত্যর্পণের বিষয়ে কোনো রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, শেষ পর্যন্ত ভারতের আদালতই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। ভারতীয় কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে প্রত্যর্পণের আনুষ্ঠানিক অনুরোধ এলে সেটি দেশটির বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। অভিযোগগুলো ভারতের আইন অনুযায়ীও অপরাধ হিসেবে বিবেচিত কি না, তা আদালতের সামনে যাচাই করা হবে। এদিকে শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার বিষয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে কূটনৈতিক পর্যায়ে

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় আসামের এনআইটি ৫ জনকে বহিষ্কার

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় আসামের এনআইটি ৫ জনকে বহিষ্কার

স্বাস্থ্য

মা-শিশুর চিকিৎসায় বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্র দিচ্ছে ২৪ লাখ ডলার

মা-শিশুর চিকিৎসায় বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্র দিচ্ছে ২৪ লাখ ডলার

মা, নবজাতক ও শিশুস্বাস্থ্যসেবা আরও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশকে ২৪ লাখ ডলার বা প্রায় ২৯ কোটি ৩২ লাখ ৮০ হাজার টাকা মূল্যের চিকিৎসা সরঞ্জাম ও প্রয়োজনীয় উপকরণ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দুর্গম এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এসব সরঞ্জাম ও উপকরণ পৌঁছে দেওয়া হবে। সোমবার ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, পঞ্চগড় জেলা হাসপাতালে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন মাতৃ ও নবজাতক স্বাস্থ্যসেবাবিষয়ক একটি প্রশিক্ষণ মডেল সিভিল সার্জন ডা. মো. মিজানুর রহমানের কাছে হস্তান্তর করেন। যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সহায়তার

স্বাস্থ্য খাতে ১৩-১৬ গ্রেডে নিয়োগের উদ্যোগ

স্বাস্থ্য খাতে ১৩-১৬ গ্রেডে নিয়োগের উদ্যোগ

ঢাকায় ডেঙ্গুর ধরন বদল, বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকি

ঢাকায় ডেঙ্গুর ধরন বদল, বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকি

মানহীন চিকিৎসাকেন্দ্রে ছাড় নেই, বন্ধ হচ্ছে অবৈধ প্রতিষ্ঠান

মানহীন চিকিৎসাকেন্দ্রে ছাড় নেই, বন্ধ হচ্ছে অবৈধ প্রতিষ্ঠান

বিনোদন

জন্মের পর অন্য পরিবারের কাছে চলে গিয়েছিলেন রানি মুখার্জি

জন্মের পর অন্য পরিবারের কাছে চলে গিয়েছিলেন রানি মুখার্জি

বলিউড অভিনেত্রী রানি মুখার্জির জীবনের এক অবাক করা ঘটনা দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে। জন্মের পর হাসপাতালের এক ভুলে তিনি অন্য এক পরিবারের কাছে চলে গিয়েছিলেন। পরে তার মা কৃষ্ণা মুখার্জির তৎপরতায় তিনি নিজের প্রকৃত পরিবারের কাছে ফিরে আসেন। ১৯৭৮ সালের ২১ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন রানি মুখার্জি। তিনি চলচ্চিত্র নির্মাতা রাম মুখার্জি ও কৃষ্ণা মুখার্জির মেয়ে। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, জন্মের পর হাসপাতালের এক নার্সের ভুলে তাকে একটি পাঞ্জাবি দম্পতির নবজাতকের সঙ্গে অদলবদল করা হয়েছিল। রানির ভাষ্য অনুযায়ী, তার মা শিশুটিকে দেখেই সন্দেহ করেন। কারণ নবজাতকের চোখের রং তার সন্তানের চোখের রঙের সঙ্গে মিলছিল না। বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি দ্রুত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানান যে শিশুটি তার নয় এবং নিজের সন্তানকে খুঁজে বের করার দাবি জানান। এরপর হাসপাতালজুড়ে অনুসন্ধান চালিয়ে ওই পাঞ্জাবি দম্পতির কাছ থেকে রানিকে উদ্ধার করা হয়। পরে দুই নবজাতককে তাদের প্রকৃত পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। রানি জানান, পরবর্তী সময়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটি নিয়ে প্রায়ই হাস্যরস করতেন। অনেকে মজা করে বলতেন, তিনি আসলে পাঞ্জাবি পরিবারের সন্তান, ভুল করে মুখার্জি পরিবারে বড় হয়েছেন। ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নবজাতকদের পরিচয়পত্র লাগানোর সময় দায়িত্বে থাকা এক নার্সের ভুলেই এই অদলবদলের ঘটনা ঘটেছিল। বর্তমানে এই ঘটনাটি রানির জীবনের অন্যতম আলোচিত স্মৃতি হিসেবে পরিচিত।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে মুখ খুললেন সালমান খান

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে মুখ খুললেন সালমান খান

শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়ে মুখ খুলেছেন বলিউড অভিনেতা সালমান খান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক দীর্ঘ বার্তায় তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসকে ‘অত্যন্ত গুরুতর বিষয়’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ না দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রশংসা করে আহতদের প্রতি সমবেদনা জানান। সালমান খান লেখেন, আন্দোলনটি শুরু হয়েছিল অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে। তবে শেষ পর্যন্ত তা সহিংসতায় রূপ নেওয়ায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস একটি অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা। দেশের তরুণেরা উন্নত শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে এবং তাঁদের অভিভাবকেরাও পাশে দাঁড়িয়েছেন—এটি ইতিবাচক একটি বিষয়। তিনি আরও বলেন, নিষ্ঠা, সততা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়তে এবং আরও শিক্ষিত ভারত গঠনের যে আগ্রহ শিক্ষার্থীরা দেখিয়েছে, তা প্রশংসার দাবিদার। তাঁর ভাষায়, আন্দোলন বা প্রতিবাদ গণতান্ত্রিক অধিকারের অংশ এবং শিক্ষার্থীরা তা শান্তিপূর্ণভাবেই করেছে। শিক্ষা নিয়ে সচেতন এই প্রজন্ম একদিন ভারতের জন্য গৌরব বয়ে আনবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। পোস্টের শেষাংশে সালমান খান বলেন, এটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষাব্যবস্থার বিষয়। তাই একে রাজনৈতিক রং দেওয়া উচিত নয়। তাঁর বিশ্বাস, সরকারও শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবে এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তিনি শিক্ষার্থীদের মঙ্গল কামনাও করেন। শিক্ষাব্যবস্থায় সংস্কার এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের পদত্যাগের দাবিতে রাজধানী দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়। সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার সময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। অভিযোগ রয়েছে, পুলিশ লাঠিপেটা ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করেছে, যাতে বহু শিক্ষার্থী আহত ও অসুস্থ হয়েছেন। তবে সহিংসতার জন্য উভয় পক্ষই একে অপরকে দায়ী করেছে। এর আগে চলচ্চিত্র অঙ্গনের

রাজনীতি

সত্য প্রকাশে সাংবাদিকদের মাথা নত করা উচিত নয়: রিজভী

একসময়ের সাংবাদিকরা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে কোনো অর্থ, হুমকি কিংবা ক্ষমতার কাছে মাথা নত করতেন না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, সাংবাদিক আবদুস সালাম ছিলেন স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিত সাংবাদিকতার প্রতীক। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর সার্কিট হাউজ রোডের প্রেস ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। পিআইবির প্রতিষ্ঠাতা মহাপরিচালক, বাংলাদেশ অবজারভারের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক, প্রখ্যাত সম্পাদক ও ভাষাসৈনিক সাংবাদিক আবদুস সালামের ১১৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়। রিজভী বলেন, নোয়াম চমস্কির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, স্বৈরাচারী ব্যবস্থায় জনগণকে নিয়ন্ত্রণে ডান্ডা-লাঠি ব্যবহারের মতো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রেও স্বৈরাচারী বৈশিষ্ট্যের শাসকেরা গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন। তাঁর মতে, একসময় সাংবাদিকেরা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করতেন এবং অর্থ, ভয় বা ক্ষমতার কাছে নিজেদের বিক্রি করতেন না। আবদুস সালাম ছিলেন সেই সাংবাদিকতার প্রতীক। তিনি আরও বলেন, ভারতে বর্তমানে ‘গদি মিডিয়া’ শব্দটি প্রচলিত হয়েছে। অনেক গণমাধ্যম শাসকপক্ষের অনুগত হয়ে পড়েছে। অন্যান্য উন্নত গণতান্ত্রিক দেশেও গণমাধ্যমকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করার প্রবণতা বাড়ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। রিজভীর ভাষ্য, আবদুস সালামের মতো মানুষ শুধু বাংলাদেশে নয়, গোটা বিশ্বের জন্য প্রয়োজন। সত্য ও মিথ্যার বিভাজন স্পষ্ট করতে স্বাধীনচেতা সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিহার্য। এমন মানুষ জেগে উঠলে যুদ্ধ, বোমাবাজি ও মিথ্যাচার কমবে এবং সত্য প্রতিষ্ঠিত হবে। সভায় আবদুস সালামের নামে ঢাকার তোপখানা রোডের নামকরণের দাবি জানানো হয়। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেন, এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন।

সত্য প্রকাশে সাংবাদিকদের মাথা নত করা উচিত নয়: রিজভী
হাসনাতকে বক্তব্য প্রত্যাহারের চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি রফিকুল মাদানীর

হাসনাতকে বক্তব্য প্রত্যাহারের চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি রফিকুল মাদানীর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষকে ভুল বার্তা, দুঃখ প্রকাশ হাসনাতের

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষকে ভুল বার্তা, দুঃখ প্রকাশ হাসনাতের

দেশমাতৃকার প্রয়োজনে সজাগ থাকার আহ্বান কওমি তরুণদের

দেশমাতৃকার প্রয়োজনে সজাগ থাকার আহ্বান কওমি তরুণদের

ধর্ম

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

ইসলাম ধর্মে শুক্রবার একটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ দিন। মুসলমানদের কাছে সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় জুমার দিনের গুরুত্ব ও ফজিলত অনেক বেশি। এদিন নামাজ, দোয়া, জিকির ও বিভিন্ন নেক আমলের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের সুযোগ রয়েছে। তাই ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা শুক্রবারকে ইবাদত-বন্দেগিতে বিশেষভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেন। শুক্রবারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো জুমার নামাজ আদায় করা। প্রাপ্তবয়স্ক ও সামর্থ্যবান পুরুষ মুসলমানদের জন্য জুমার নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা ফরজ। জুমার নামাজের আগে গোসল করা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পোশাক পরা, সুগন্ধি ব্যবহার করা এবং মসজিদে আগে পৌঁছানোর

মহানবীর জন্ম ও ওফাত স্মরণে আজ পবিত্র মিলাদুন্নবী

মহানবীর জন্ম ও ওফাত স্মরণে আজ পবিত্র মিলাদুন্নবী

ক্ষমাশীল হতে বলেছে কোরআন ও হাদিস

ক্ষমাশীল হতে বলেছে কোরআন ও হাদিস

মহানবী (সা.)-এর সার্বজনীন আদর্শ ও চারিত্রিক গুণাবলি

মহানবী (সা.)-এর সার্বজনীন আদর্শ ও চারিত্রিক গুণাবলি

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি

যে দিন পৃথিবীর ছায়ায় ঢাকবে চাঁদের প্রায় ছিয়ানব্বই শতাংশ

যে দিন পৃথিবীর ছায়ায় ঢাকবে চাঁদের প্রায় ছিয়ানব্বই শতাংশ

আগামী ২৮ আগস্ট আকাশে দেখা যাবে চলতি বছরের অন্যতম বৈচিত্র্যময় মহাজাগতিক দৃশ্য। ওই দিন পৃথিবী সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে অবস্থান করায় বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ গভীর আংশিক চন্দ্রগ্রহণের সাক্ষী হবেন। সংবাদমাধ্যম আনাদোলুর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। চন্দ্রগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হবে ২৭ আগস্ট বৃহস্পতিবার রাত থেকে এবং ২৮ আগস্ট শুক্রবার ভোর পর্যন্ত তা চলবে। এ সময় পৃথিবীর ঘন ছায়া চাঁদের প্রায় ৯৬ শতাংশ অংশ ঢেকে ফেলবে। ফলে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ না হলেও চাঁদের বড় একটি অংশ অন্ধকারে ঢাকা পড়বে। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার

দেশে চাঁদাবাজির খবর জানাতে চালু নতুন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চাঁদাবিডি ডটকম

দেশে চাঁদাবাজির খবর জানাতে চালু নতুন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চাঁদাবিডি ডটকম

বুধবার পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ, অন্ধকারে ঢাকবে পৃথিবীর যেসব অঞ্চল

বুধবার পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ, অন্ধকারে ঢাকবে পৃথিবীর যেসব অঞ্চল

ফেসবুক বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধে বিকাশ যুক্ত করার উদ্যোগ মেটার

ফেসবুক বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধে বিকাশ যুক্ত করার উদ্যোগ মেটার

বিশেষ সংবাদ

ছয় মাসেই রেকর্ড চা উৎপাদন, সুদিন ফিরছে দেশের বাগানে

ছয় মাসেই রেকর্ড চা উৎপাদন, সুদিন ফিরছে দেশের বাগানে

নানা প্রতিকূলতা ও উৎপাদন ব্যয়ের চাপ কাটিয়ে দেশের চা শিল্পে আবারও সুদিনের আভাস দেখা দিয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত, সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং চায়ের নিলামে ভালো দাম পাওয়ায় চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদন হয়েছে। গত তিন বছরের প্রথমার্ধের তুলনায় এ উৎপাদন সর্বোচ্চ। চলতি বছরে দেশে ১০ কোটি ৪০ লাখ কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। জুন পর্যন্ত উৎপাদন হয়েছে প্রায় ২ কোটি ২৪ লাখ কেজি, যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ২৯ দশমিক ৪৫ শতাংশ। বাংলাদেশ চা বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,...

গোল্ডেন পেয়ারায় বদলাচ্ছে জুড়ীর পতিত জমির অর্থনীতি

গোল্ডেন পেয়ারায় বদলাচ্ছে জুড়ীর পতিত জমির অর্থনীতি

যমুনার তীরে বেহুলা ভাসান, বেঁচে আছে বাংলার লোকঐতিহ্য

যমুনার তীরে বেহুলা ভাসান, বেঁচে আছে বাংলার লোকঐতিহ্য

শ্রীমঙ্গলে কাঁটায় ভরা ক্যাকটাসে রাতজাগা ফুলের মুগ্ধতা

শ্রীমঙ্গলে কাঁটায় ভরা ক্যাকটাসে রাতজাগা ফুলের মুগ্ধতা

বিলুপ্তির শঙ্কা কাটিয়ে মৌলভীবাজারে ফিরছে পাহাড়ি ফল চাম কাঁঠাল

বিলুপ্তির শঙ্কা কাটিয়ে মৌলভীবাজারে ফিরছে পাহাড়ি ফল চাম কাঁঠাল

সম্পাদকীয়

    চীন-করিডোর: সুযোগ নাকি কৌশলগত পরীক্ষা?

চীন-করিডোর: সুযোগ নাকি কৌশলগত পরীক্ষা?

বিশ্ব রাজনীতিতে বন্ধু কিংবা প্রতিপক্ষ এই পরিচয়গুলো সময়ের সঙ্গে বদলে যায়। কিন্তু একটি বিষয় কখনো বদলায় না, সেটি হলো অর্থনৈতিক স্বার্থ। আধুনিক বিশ্বে যে রাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার প্রভাবও তত বেশি। ফলে আদর্শিক মতভেদ থাকলেও বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দেশগুলোকে একে অপরের সঙ্গে কাজ করতেই হয়। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। সম্প্রতি বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনকে ঘিরে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক করিডোর নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টিকে রাজনৈতিক আবেগ কিংবা পক্ষ-বিপক্ষের দৃষ্টিভঙ্গিতে না দেখে রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থের আলোকে মূল্যায়ন করা জরুরি। যেকোনো

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

ভিডিও সংবাদ

Card Image

নেপালের পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে ৭৫০ মৃত, ৩ হাজারের বেশি নিখোঁজ

Card Image

চেয়ারম্যান থেকে রাষ্ট্রপতির চেয়ারে! অবিশ্বাস্য রাজনৈতিক উত্থান

Card Image

রাজশাহীতে চলন্ত ট্রেন থেকে তেল চুরি! এটাকে কি চুরি বলবেন, নাকি লুট?

Card Image

বরিশালে বিদ্যুৎ দুর্যোগ! কবে মিলবে নিরবচ্ছিন্ন সাপ্লাই?

Card Image

নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কেন বাড়ছে বারবার?

Card Image

ইসরায়েলের পরমাণু সুবিধা লক্ষ্য করে ইরানের আঘাত ও প্রতিশোধ

Card Image

প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর

Card Image

কারিগরি শিক্ষা নিয়ে সরকারের নতুন পরিকল্পনা, কী বললেন নুরুল হক?

Card Image

বরিশালে অন্ডকোষ চেপে ধরে স্টাম্পে স্বাক্ষর! মুখ খুললেন ভুক্তভোগী | কী ঘটেছিল সেদিন?

Card Image

হিলিতে শিক্ষার্থীদের মাঝে ৩৮০০ ফলজ ও ওষুধি গাছের চারা বিতরণ

খেলাধুলা

স্টার্ককে ফিরিয়ে শরীফুলের ছয় উইকেট

স্টার্ককে ফিরিয়ে শরীফুলের ছয় উইকেট

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলাম। স্বাগতিক দলের ইনিংসে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মিচেল স্টার্ককে সাজঘরে ফিরিয়ে নিজের ষষ্ঠ উইকেট পূর্ণ করেছেন তিনি। স্টার্কের উইকেটটি শরীফুলের জন্য ছিল বিশেষ তাৎপর্যের। কারণ এর মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার অর্জনের পরপরই এক ইনিংসে ছয় উইকেট নেওয়ার কৃতিত্বও অর্জন করলেন বাংলাদেশের এই পেসার। এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটিং ধসিয়ে দেন

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো স্বাগতিকদের হারিয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে চার দিন ধরে দাপট দেখিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এই জয় শুধু একটি ম্যাচের সাফল্য নয়, বরং অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের দীর্ঘ অপেক্ষারও অবসান। ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পষ্ট। প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে মাত্র ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পেছনে সবচেয়ে

অস্ট্রেলিয়াকে গুটিয়ে জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য মাত্র ৫৭

অস্ট্রেলিয়াকে গুটিয়ে জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য মাত্র ৫৭

ক্যামেরন গ্রিনের লড়াকু সেঞ্চুরি অস্ট্রেলিয়াকে ইনিংস হারের লজ্জা থেকে বাঁচালেও ডারউইন টেস্টে ঐতিহাসিক জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংস ২৮৪ রানে গুটিয়ে যাওয়ায় স্বাগতিকদের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে মাত্র ৫৭ রান। চতুর্থ দিন ৪ উইকেটে ১৬১ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। শুরু থেকেই স্বাগতিকদের চাপে রাখে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ। প্রথম দেড় ঘণ্টায় স্পিনের ঘূর্ণিতে অ্যালেক্স ক্যারি, বেউ ওয়েবস্টার ও অধিনায়ক প্যাট কামিন্সকে ফিরিয়ে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ক্যারি করেন ৩০, ওয়েবস্টার ৫ এবং কামিন্স ৮ রান। এতে ২০৭ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারের শঙ্কায় পড়ে অস্ট্রেলিয়া। সেখান থেকে এক প্রান্ত

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম জয়ের স্বপ্নে এগিয়ে বাংলাদেশ দল

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম জয়ের স্বপ্নে এগিয়ে বাংলাদেশ দল

প্রস্তুতি ম্যাচে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের কাছে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। সেই দলেরই এবার যেন সম্পূর্ণ ভিন্ন চেহারা। ডারউইন টেস্টে পূর্ণশক্তির অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দাপট দেখিয়ে ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনের মধ্যাহ্নভোজের বিরতি পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ২১৯ রানের বিশাল লিড নিয়েছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের সম্ভাবনা এখন বাস্তব হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে অস্ট্রেলিয়ার অতীত পরিসংখ্যান। ২০০০ সালের পর প্রথম ইনিংসে অন্তত ১৫০ রানে পিছিয়ে থাকার পর অস্ট্রেলিয়া মাত্র তিনবার টেস্ট জিতেছে। এর মধ্যে ২০১০ সালে সিডনিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০৬ রানে পিছিয়ে থেকেও জয় পেয়েছিল তারা।

হাসানের পর তানজিদ, ডারউইনে চলছে টাইগারদের রাজত্ব

হাসানের পর তানজিদ, ডারউইনে চলছে টাইগারদের রাজত্ব

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২৩ বছর আগে টেস্ট ইতিহাসের শুরুতে যে বাংলাদেশকে ডারউইন ও কেয়ার্নসের মাঠে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল, সেই ডারউইনেই এবার ভিন্ন গল্প লিখছে লাল-সবুজের দল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে বোলিংয়ের পর ব্যাটিংয়েও দাপট দেখিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদের ছয় উইকেটের পর তানজিদ হাসানের সেঞ্চুরিতে স্বাগতিকদের চাপে ফেলেছে সফরকারীরা। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পর দ্বিতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ শক্ত অবস্থান তৈরি করে। তানজিদ হাসান ১৮৮ বলে আটটি চার ও একটি ছক্কায় ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট শতক তুলে নেন। নাথান লায়নের বল লং অফ দিয়ে সিঙ্গেল নিয়ে শতরানের মাইলফলকে পৌঁছান তিনি। এরপর হেলমেট

বাংলাদেশের পেস আক্রমণে ঘরের মাঠে বিপর্যস্ত অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং

বাংলাদেশের পেস আক্রমণে ঘরের মাঠে বিপর্যস্ত অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং

২৩ বছর পর ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে নেমে শুরুতেই বড় বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের পেস আক্রমণের তোপে প্রথম ইনিংসে ১৭৬ রানেই ৮ উইকেট হারিয়েছে সফরকারীরা। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৬টায় দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট শুরু হয়। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়া। শুরু থেকেই নতুন বলে হাসান মাহমুদ ও তাসকিন আহমেদের আঁটসাঁট বোলিংয়ে অস্বস্তিতে পড়েন অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার ট্রাভিস হেড ও জেক ওয়েদারাল্ড। ১২তম ওভারের চতুর্থ বলে প্রথম সাফল্য পান হাসান মাহমুদ। অফ স্টাম্পের বাইরে ড্রাইভের প্রলোভনে শট খেলতে গিয়ে ব্যাটের কানা ছোঁয়ান ওয়েদারাল্ড। বল উইকেটকিপার লিটন দাসের গ্লাভসে জমা পড়ে। ২৩ রান করে

চাকুরী

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ৫০তম বিসিএসের বহুল প্রত্যাশিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বুধবার সন্ধ্যায় পিএসসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই বিসিএসে মোট ২ হাজার ১৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হবে ১ হাজার ৭৫৫ জনকে এবং নন-ক্যাডারে ৩৯৫ জনকে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন যুক্ত পদসহ এবার প্রশাসন, পুলিশ, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের নিয়োগ হচ্ছে। ক্যাডার পদের মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ২০০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ১১৭ জন, স্বাস্থ্য ক্যাডারে সর্বোচ্চ ৬৫০ জন,

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

সারাদেশ

কুড়িগ্রামে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

কুড়িগ্রামে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাটেশ্বরী বাজার এলাকায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে হিরা মিয়া (২৮) ও শফিউর রহমান শুভ (২২) নামে দুই যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ৩০ আগস্ট রাত ৮টার দিকে পাটেশ্বরী বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই সময় দুটি মোটরসাইকেলের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে দুই মোটরসাইকেলে থাকা পাঁচজন আরোহী গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার...

শিক্ষার্থী রিপন হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী জামাল গ্রেফতার

শিক্ষার্থী রিপন হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী জামাল গ্রেফতার

শিশুর চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতালে দুই আনসার সদস্যের হাতাহাতি

শিশুর চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতালে দুই আনসার সদস্যের হাতাহাতি

পাঁচবিবিতে নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

পাঁচবিবিতে নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

হাকিমপুরে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

হাকিমপুরে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন