রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬৩১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

আপনার এলাকার খবর

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg
https://enews71.com/storage/ads/01KTB48CFAEJRYTN4T9G053ER9.png
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png

ভিডিও সংবাদ

Card Image

হিলিতে শিক্ষার্থীদের মাঝে ৩৮০০ ফলজ ও ওষুধি গাছের চারা বিতরণ

Card Image

🔴 “একই পরিবারের ৩ জনকে হত্যা!”🔍 “কুমিল্লায় নৃশংস খুন!”

Card Image

শেষ ঠিকানার কারিগর মনু মিয়া আর নেই, প্রায় ৩ হাজার কবর খোঁরেছিলেন তিনি || Enews71

Card Image

হিলি স্থলবন্দরে উন্নয়নের নামে কোটি কোটি টাকা শোষণ করা হয়েছে- সারজিস আলম

Card Image

জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে এসে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন বিএনপি'র মহাসচিব মির্জা ফখরুল

Card Image

'পলো বাওয়া’ উৎসবে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড়

Card Image

ভোগান্তির আরেক নাম পটুয়াখালী বাস টার্মিনাল, সড়কে যানজট বাড়ছে দুর্ঘটনা

Card Image

নওগাঁয় ঐতিহ্যবাহী পুকুরে হাঁস ধরা উৎসব | enews71

Card Image

সেনা কর্মকর্তা তানজিম হ'ত্যা'র ঘটনায় যেভাবে আট'ক হলেন তারা | enews71 | tazim |sena |army

Card Image

মেট্রোরেল যাচ্ছে সদরঘাট : দুর হচ্ছে পুরান ঢাকাবাসীর কস্ট | enews71 | metro | Dhaka metro rail

সিঙ্গাপুর কানাডা নয় বেটার বাংলাদেশ চান প্রধানমন্ত্রী

সিঙ্গাপুর কানাডা নয় বেটার বাংলাদেশ চান প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বা কানাডার মতো বানানোর লক্ষ্য নয়, বরং একটি ‘বেটার বাংলাদেশ’ গড়াই তাদের লক্ষ্য। শনিবার রাতে কক্সবাজারের একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা প্রায়শই শুনতাম, বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বানিয়ে ফেলবো, কানাডা বানিয়ে ফেলবো বা অন্য কোনো দেশের মতো বানাবো। আমি বাংলাদেশকে অন্য কিছু বানাতে চাই না, আমি চাই বাংলাদেশকে একটু বেটার বানাতে।’ তিনি আরও বলেন, এই উন্নয়ন এককভাবে সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়, এর জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি দেশের উন্নয়ন ও পরিবর্তনের জন্য জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। তার মতে, সমন্বিত প্রচেষ্টা ছাড়া দেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন অর্জন সম্ভব নয়। কক্সবাজার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন শহর, যা বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের জন্য পরিচিত। তিনি বলেন, শহরের পরিচিতি আরও বৃদ্ধি করতে স্থানীয়দের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি কক্সবাজারকে একটি পরিচ্ছন্ন ও পরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে তোলার ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা, ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলা এবং নিরাপদ হাঁটার পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন
২ ঘণ্টা আগে
www.kidora.com.bd
নেতানিয়াহুর নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে ইসরায়েল

নেতানিয়াহুর নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে ইসরায়েল

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আবারও বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে তেল আবিব। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের হামলার আগে ও পরে ঘটে যাওয়া ‘নিরাপত্তা ব্যর্থতার’ তদন্তে স্বাধীন রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠন না করায় এই বিক্ষোভের সূত্রপাত

ট্রাম্পের দাবি রোববারই শান্তিচুক্তি, স্বাক্ষরের সম্ভাবনা নাকচ ইরানের

ট্রাম্পের দাবি রোববারই শান্তিচুক্তি, স্বাক্ষরের সম্ভাবনা নাকচ ইরানের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচিত শান্তিচুক্তি রোববার (১৪ জুন) স্বাক্ষরিত হবে। তবে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ট্রাম্পের এই বক্তব্যের সঙ্গে সরাসরি দ্বিমত পোষণ করে জানিয়েছে, সমঝোতা এখনো চূড়ান্ত হয়নি এবং নির্ধারিত দিনে

যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি নিয়ে ইরানে তীব্র বিক্ষোভ

যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি নিয়ে ইরানে তীব্র বিক্ষোভ

টাইগারদের চোখ এখন হোয়াইটওয়াশে, ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

টাইগারদের চোখ এখন হোয়াইটওয়াশে, ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

দশ জেলায় চালু হচ্ছে নতুন আইসিইউ ইউনিট

দশ জেলায় চালু হচ্ছে নতুন আইসিইউ ইউনিট

হাসিনাসহ ১৭ আসামির মামলায় আজ পঞ্চম সাক্ষ্য

হাসিনাসহ ১৭ আসামির মামলায় আজ পঞ্চম সাক্ষ্য

চট্টগ্রামে মা–মেয়ের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

চট্টগ্রামে মা–মেয়ের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

শীর্ষ সন্ত্রাসীদের মধ্যে আতঙ্ক, আত্মগোপনে শতাধিক সদস্য

শীর্ষ সন্ত্রাসীদের মধ্যে আতঙ্ক, আত্মগোপনে শতাধিক সদস্য

সর্বশেষ সংবাদ

জনপ্রিয়

সিঙ্গাপুর কানাডা নয় বেটার বাংলাদেশ চান প্রধানমন্ত্রী

সিঙ্গাপুর কানাডা নয় বেটার বাংলাদেশ চান প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি নিয়ে ইরানে তীব্র বিক্ষোভ

যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি নিয়ে ইরানে তীব্র বিক্ষোভ

খুলনায় ফজরের নামাজে গুলি-হামলা দুইজন আহত

খুলনায় ফজরের নামাজে গুলি-হামলা দুইজন আহত

দর্শনা সীমান্তে বিএসএফের পুশইন ব্যর্থ করল বিজিবি

দর্শনা সীমান্তে বিএসএফের পুশইন ব্যর্থ করল বিজিবি

টাইগারদের চোখ এখন হোয়াইটওয়াশে, ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

টাইগারদের চোখ এখন হোয়াইটওয়াশে, ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

দশ জেলায় চালু হচ্ছে নতুন আইসিইউ ইউনিট

দশ জেলায় চালু হচ্ছে নতুন আইসিইউ ইউনিট

নেতানিয়াহুর নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে ইসরায়েল

নেতানিয়াহুর নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে ইসরায়েল

হাসিনাসহ ১৭ আসামির মামলায় আজ পঞ্চম সাক্ষ্য

হাসিনাসহ ১৭ আসামির মামলায় আজ পঞ্চম সাক্ষ্য

চট্টগ্রামে মা–মেয়ের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

চট্টগ্রামে মা–মেয়ের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

শীর্ষ সন্ত্রাসীদের মধ্যে আতঙ্ক, আত্মগোপনে শতাধিক সদস্য

শীর্ষ সন্ত্রাসীদের মধ্যে আতঙ্ক, আত্মগোপনে শতাধিক সদস্য
https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

লাইফস্টাইল

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ভালোবাসা পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি। ‘মা’ শব্দটি শুধু একটি সম্বোধন নয়, বরং স্নেহ, মমতা, ত্যাগ ও অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রতীক। জন্মের পর মানুষের মুখে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত শব্দও ‘মা’। সেই মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানাতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্ব মা দিবস উদযাপন করা হয়। যদিও মাকে ভালোবাসা প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট কোনো দিন প্রয়োজন হয় না, তবুও বিশেষভাবে মায়েদের সম্মান জানাতেই দিনটি আলাদাভাবে পালিত হয়। ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়,

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

খেলাধুলা

টাইগারদের চোখ এখন হোয়াইটওয়াশে, ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

টাইগারদের চোখ এখন হোয়াইটওয়াশে, ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

টানা দুই জয়ে ইতিহাস গড়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। এবার সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্যে মাঠে নামছে টিম টাইগার্স। আজ (তারিখ অনুযায়ী) মিরপুর শেরে-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের শেষ ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ দল। ম্যাচ শুরু হয়েছে বেলা ১১টায়। এর আগে প্রথম দুই ম্যাচে জয়ের মাধ্যমে

মরক্কোর সঙ্গে ড্র, বিশ্বকাপ শুরুতেই ধাক্কা ব্রাজিলের

মরক্কোর সঙ্গে ড্র, বিশ্বকাপ শুরুতেই ধাক্কা ব্রাজিলের

বিশ্বকাপ ২০২৬-এর প্রথম ম্যাচেই প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স দেখাতে পারেনি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। বাংলাদেশ সময় রোববার (১৪ জুন) ভোরে নিউজার্সিতে অনুষ্ঠিত গ্রুপপর্বের ম্যাচে আফ্রিকার শক্তিশালী দল মরক্কোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে সেলেসাওরা। ম্যাচের শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলতে থাকে মরক্কো। কোচের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ভীক আক্রমণাত্মক খেলায় ব্রাজিলকে চাপে ফেলে তারা। এরই ধারাবাহিকতায় ইসমায়েল সাইবারির গোলে এগিয়ে যায় মরক্কো। গোল হজমের পর কিছুটা

বিশ্বকাপ ২০২৬ গ্রুপ পর্বে ব্রাজিল–মরক্কো হাইভোল্টেজ লড়াই

বিশ্বকাপ ২০২৬ গ্রুপ পর্বে ব্রাজিল–মরক্কো হাইভোল্টেজ লড়াই

বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ পর্বে ফুটবলবিশ্বের নজর এখন এক হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে—পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দল বনাম আফ্রিকার উদীয়মান শক্তি মরক্কো জাতীয় ফুটবল দল। ম্যাচটি নিয়ে ইতোমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পরিসংখ্যানভিত্তিক পূর্বাভাস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান অপ্টা অ্যানালিস্ট জানায়, এই ম্যাচে ব্রাজিলের জয় পাওয়ার সম্ভাবনা ৫৭.৭ শতাংশ। অন্যদিকে মরক্কোর জয়ের সম্ভাবনা ১৮.৮ শতাংশ এবং ম্যাচ ড্র হওয়ার সম্ভাবনা ২৩.৫ শতাংশ। গ্রুপ ‘সি’-এর শীর্ষে ওঠার দৌড়েও ব্রাজিল এগিয়ে রয়েছে। তাদের গ্রুপ টপার হওয়ার সম্ভাবনা ৬৫.৮৫ শতাংশ, যেখানে মরক্কোর সম্ভাবনা ২৩.১৪ শতাংশ। ব্রাজিল বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সফল দল। টুর্নামেন্ট শুরুর পর থেকে প্রতিটি আসরেই অংশ নিয়েছে তারা। তবে ২০০২ সালের পর থেকে আর শিরোপা জিততে

বড় ব্যবধানের জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করল যুক্তরাষ্ট্র

বড় ব্যবধানের জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করল যুক্তরাষ্ট্র

ক্যালিফোর্নিয়ার সোফি স্টেডিয়ামে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র দারুণ সূচনায় বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছে। লাতিন আমেরিকার দল প্যারাগুয়েকে ৪–১ ব্যবধানে হারিয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের শক্ত অবস্থানের জানান দিয়েছে তারা। ১৯৯৪ সালের পর ফের বিশ্বকাপ আয়োজনের সুযোগ পাওয়া যুক্তরাষ্ট্র এবার শিরোপা লক্ষ্যে মাঠে নেমেছে। নতুন কোচ মরিসিও পচেত্তিনোর অধীনে দলটি আক্রমণাত্মক ও গতি-নির্ভর ফুটবলে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলে দেয়। ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য দেখায় যুক্তরাষ্ট্র। মাত্র ৭ মিনিটেই পুলিসিচের তৈরি আক্রমণ থেকে আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। এরপর ৩১তম মিনিটে প্রথম গোল করেন ফোলারিন বালোগুন। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে তিনি ব্যবধান ৩–০ করেন। প্রথমার্ধেই ৩–০ গোলে এগিয়ে থেকে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপ ইতিহাসে তাদের সবচেয়ে

চট্টগ্রামে জাতীয় দলের স্পিনারকে মারধর, তোলপাড় প্রশাসনে

চট্টগ্রামে জাতীয় দলের স্পিনারকে মারধর, তোলপাড় প্রশাসনে

জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসান চট্টগ্রামে ডিবি পরিচয়ে মারধর ও হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১২ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর লালখানবাজার ফ্লাইওভারের নিচে এ ঘটনা ঘটে। পরে আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়। বর্তমানে তিনি নিজ বাসায় অবস্থান করছেন। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে নাঈম হাসান জানান, প্রিমিয়ার লিগ খেলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে ফেরেন তিনি। ফ্লাইট বিলম্ব হওয়ায় বিমানবন্দর থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাসায় ফিরছিলেন। পথে লালখানবাজার ফ্লাইওভারের মুখে পুলিশ তার ব্যবহৃত সিএনজি থামিয়ে চালকের কাগজপত্র পরীক্ষা করে। নাঈম বলেন, তিনি নিজে থেকেই ব্যাগ তল্লাশি করতে বলেন। কিন্তু হঠাৎ এক ব্যক্তি তার গলা চেপে ধরে একটি

৯৬ বছরের রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস মোরার

৯৬ বছরের রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস মোরার

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে মাঠে নেমেই ইতিহাস গড়েছেন মেক্সিকোর তরুণ মিডফিল্ডার গিলবার্তো মোরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে অংশ নিয়ে তিনি মেক্সিকোর ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপে খেলার রেকর্ড গড়েছেন। বৃহস্পতিবার মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক আসতেকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের ৬৬তম মিনিটে আলভারো ফিদালগোর পরিবর্তে মাঠে নামেন মোরা। মাত্র ১৭ বছর ২৪০ দিন বয়সে বিশ্বকাপ অভিষেক হয় তার। এই কীর্তির মাধ্যমে প্রায় এক শতাব্দী ধরে অটুট থাকা একটি রেকর্ড ভেঙে দেন তিনি। এর আগে মেক্সিকোর হয়ে সবচেয়ে কম বয়সে বিশ্বকাপে খেলার রেকর্ড ছিল মানুয়েল রোসাসের দখলে। ১৯৩০ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম বিশ্বকাপে তিনি ১৮ বছর ৮৭ দিন বয়সে মাঠে নেমেছিলেন। দীর্ঘ ৯৬ বছর সেই

স্বাস্থ্য

দেশে বাড়ছে হাম আতঙ্ক, ২৪ ঘণ্টায় দশ মৃত্যু

দেশে বাড়ছে হাম আতঙ্ক, ২৪ ঘণ্টায় দশ মৃত্যু

দেশে হামের সংক্রমণ ও উপসর্গজনিত মৃত্যু উদ্বেগজনক হারে বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৬১৬ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী। শুক্রবার (২৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ২ শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে চলমান এই সংক্রমণে এখন

হাম আতঙ্কে দেশজুড়ে বাড়ছে শিশু মৃত্যুর হার, ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ১৭

হাম আতঙ্কে দেশজুড়ে বাড়ছে শিশু মৃত্যুর হার, ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ১৭

২৪ ঘণ্টায় আরও হাম-উপসর্গে ১৩ শিশুর মৃত্যুর

২৪ ঘণ্টায় আরও হাম-উপসর্গে ১৩ শিশুর মৃত্যুর

ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি নিয়ে বৈশ্বিক সতর্কতা, মহামারির আশঙ্কা

ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি নিয়ে বৈশ্বিক সতর্কতা, মহামারির আশঙ্কা

রাজনীতি

হাসিনাসহ ১৭ আসামির মামলায় আজ পঞ্চম সাক্ষ্য

র‍্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে আজ পঞ্চম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। রোববার (১৪ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই সাক্ষীর পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন। তারা জানিয়েছে, এদিন একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে, যিনি মামলার তদন্ত ও ঘটনার বিবরণে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করতে পারেন। এর আগে গত ৩ জুন এ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের দিন নির্ধারিত থাকলেও প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তা পরিবর্তন করে আজকের দিন ধার্য করা হয়। এর আগে মামলায় চারজন সাক্ষী জবানবন্দি দিয়েছেন। গত ২১ জানুয়ারি থেকে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শুরু হয়। ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর বক্তব্য গ্রহণ করছে ট্রাইব্যুনাল। মামলায় মোট ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১০ জন বর্তমানে গ্রেপ্তার হয়ে ঢাকার সেনানিবাসের সাব-জেলে রয়েছেন। এরা র‍্যাব ও সেনাবাহিনীর সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, কর্নেল কেএম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেনসহ আরও কয়েকজন। অন্যদিকে ৭ জন আসামি পলাতক রয়েছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদসহ র‍্যাবের সাবেক কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানিয়েছে, সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মামলার পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ করা হবে।

হাসিনাসহ ১৭ আসামির মামলায় আজ পঞ্চম সাক্ষ্য
সরকারের বাজেটের চেয়ে জনবান্ধব জামায়াতের ছায়া বাজেট: গোলাম পরওয়ার

সরকারের বাজেটের চেয়ে জনবান্ধব জামায়াতের ছায়া বাজেট: গোলাম পরওয়ার

বাজেটকে ‘চানাচুর’ আখ্যা দিয়ে কঠোর সমালোচনা নাহিদ ইসলামের

বাজেটকে ‘চানাচুর’ আখ্যা দিয়ে কঠোর সমালোচনা নাহিদ ইসলামের

নেতৃত্ব ছাড়বেন না শেখ হাসিনা, দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার

নেতৃত্ব ছাড়বেন না শেখ হাসিনা, দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার

সারাদেশ

খুলনায় ফজরের নামাজে গুলি-হামলা দুইজন আহত

খুলনায় ফজরের নামাজে গুলি-হামলা দুইজন আহত

খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর থানার পশ্চিম কাশিপুর এলাকায় ফজরের নামাজ চলাকালে মসজিদে সন্ত্রাসীদের গুলিবর্ষণের ঘটনায় দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। রোববার (১৪ জুন) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে পশ্চিম কাশিপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। নামাজ আদায়ের সময় হঠাৎ কয়েকজন সন্ত্রাসী মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করে গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধরা হলেন মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি ও উত্তর কাশিপুর এলাকার মৃত জব্বার শেখের ছেলে লোকমান হাকিম (৪৫) এবং একই এলাকার মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে আলম মণ্ডল (৫৫)। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে...

দর্শনা সীমান্তে বিএসএফের পুশইন ব্যর্থ করল বিজিবি

দর্শনা সীমান্তে বিএসএফের পুশইন ব্যর্থ করল বিজিবি

চট্টগ্রামে মা–মেয়ের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

চট্টগ্রামে মা–মেয়ের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

হিলি স্থলবন্দর ট্রাক মালিক গ্রুপের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

হিলি স্থলবন্দর ট্রাক মালিক গ্রুপের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

রাজাপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কাপড়ের দোকান পুড়ে ছাই

রাজাপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কাপড়ের দোকান পুড়ে ছাই

সম্পাদকীয়

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ১৯৯১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত সময়কে এক অনন্য অধ্যায় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময়জুড়ে দেশের রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন দুই নারী নেত্রী , শেখ হাসিনা ও বেগম খালেদা জিয়া। একদিকে আওয়ামী লীগ, অন্যদিকে বিএনপি,  এই দুই দল এবং তাদের দুই নেত্রীর নেতৃত্বই মূলত বাংলাদেশের রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করেছে। ফলে এই সময়কে অনেকেই যথার্থভাবেই ‘দুই নেত্রীর যুগ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের অভ্যুত্থান বাংলাদেশের এই রাজনৈতিক ধারাবাহিকতায় বড় ধরনের ছেদ টেনেছে। গণআন্দোলনের মুখে শেখ

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

সীমান্তে ভারতীয় পুশ-ইন: বাংলাদেশে নতুন শরণার্থী সংকট আসছে কি ?

সীমান্তে ভারতীয় পুশ-ইন: বাংলাদেশে নতুন শরণার্থী সংকট আসছে কি ?

চাকুরী

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ৫০তম বিসিএসের বহুল প্রত্যাশিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বুধবার সন্ধ্যায় পিএসসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই বিসিএসে মোট ২ হাজার ১৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হবে ১ হাজার ৭৫৫ জনকে এবং নন-ক্যাডারে ৩৯৫ জনকে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন যুক্ত পদসহ এবার প্রশাসন, পুলিশ, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের নিয়োগ হচ্ছে। ক্যাডার পদের মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ২০০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ১১৭ জন, স্বাস্থ্য ক্যাডারে সর্বোচ্চ ৬৫০ জন,

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

প্রতিবেশী

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ভারতবিরোধী মনোভাব এবং ভূ-রাজনৈতিক টানাপড়েনের মধ্যেও নয়াদিল্লি বাংলাদেশের জন্য অর্থ সহায়তা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। ২০২৬ অর্থবছরের ভারতের কেন্দ্রীয় বাজেট অনুযায়ী বাংলাদেশে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬০ কোটি রুপি। গত অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এই বরাদ্দ ছিল ৩৪ কোটি ৪৮ লাখ রুপি। অর্থাৎ নতুন বরাদ্দ প্রায় ৭৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। ভারতের এই উদ্যোগে ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির প্রতিফলন দেখা যায়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় আসামের এনআইটি ৫ জনকে বহিষ্কার

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় আসামের এনআইটি ৫ জনকে বহিষ্কার

মার্কিন শুল্কে ভারতীয় রপ্তানি বিপর্যয়, বিধ্বস্ত ভারতীয়রা !

মার্কিন শুল্কে ভারতীয় রপ্তানি বিপর্যয়, বিধ্বস্ত ভারতীয়রা !

বিনোদন

আশা ভোঁসলের প্রয়াণে সংগীতের স্বর্ণযুগের অবসান

আশা ভোঁসলের প্রয়াণে সংগীতের স্বর্ণযুগের অবসান

ভারতীয় সংগীত অঙ্গনের কিংবদন্তি শিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই। রোববার (১২ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। হৃদরোগ ও শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতার কারণে শনিবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। হাসপাতাল সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন এই গায়িকা। শনিবার রাতে হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে নিবিড় পরিচর্যা কক্ষে স্থানান্তর করা হয়। রোববার দুপুরে তার ছেলে আনন্দ ভোঁসলে পরিবারের পক্ষ থেকে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। সোমবার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ১৯৩৩ সালে সংগীতময় মঙ্গেশকর পরিবারে জন্ম নেওয়া আশা ভোঁসলে মাত্র ৯ বছর বয়স থেকেই পেশাদার সংগীতচর্চা শুরু করেন। ১৯৪৩ সালে চলচ্চিত্রে প্রথম গান রেকর্ড করার মাধ্যমে তার যাত্রা শুরু হয়। বড় বোন লতা মঙ্গেশকর-এর খ্যাতির ছায়ায় থেকেও নিজস্ব গায়কী ভঙ্গিতে তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্র সংগীতে স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেন। ক্যারিয়ারের শুরুতে চটুল ধাঁচের গানে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা হলেও ‘উমরাও জান’ ছবির গজল পরিবেশনের মাধ্যমে তিনি নিজের বহুমাত্রিক প্রতিভা প্রমাণ করেন। দীর্ঘ সংগীতজীবনে সাতবার ফিল্মফেয়ার সেরা নেপথ্য গায়িকার পুরস্কার এবং দুইবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। ‘দিল চিজ কেয়া হ্যায়’ গানটি তাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। ব্যক্তিগত জীবনে নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে পথ চলেছেন তিনি। অল্প বয়সে প্রথম বিবাহ ভেঙে যাওয়ার পর ১৯৮০ সালে কিংবদন্তি সংগীত পরিচালক রাহুল দেব বর্মণ-এর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ১৯৯৪ সালে বর্মণের মৃত্যু পর্যন্ত তারা একসঙ্গে ছিলেন। জীবনের শেষ সময়গুলোতে নাতনি জেনাই ভোঁসলে ছিলেন তার নিত্যসঙ্গী। তার প্রয়াণে ভারতীয় সংগীতের এক স্বর্ণযুগের অবসান ঘটেছে বলে মনে করছেন সংগীতবিশ্বের বিশ্লেষকেরা।

অভিনেত্রী সুভাষিণীর রহস্যজনক মৃত্যু, চাঞ্চল্য

অভিনেত্রী সুভাষিণীর রহস্যজনক মৃত্যু, চাঞ্চল্য

দক্ষিণী চলচ্চিত্র ও ছোটপর্দার পরিচিত মুখ, তামিল অভিনেত্রী সুভাষিণী বালসুব্রহ্মণ্যম রহস্যজনকভাবে মারা গেছেন। সোমবার (৬ এপ্রিল) চেন্নাইয়ের নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, যা নিয়ে সহ-অভিনেতা ও ভক্তরা হতবাক। মাত্র ৩৬ বছর বয়সে এই অকাল মৃত্যু দক্ষিণী বিনোদন জগতে শোকের ছায়া ফেলে দিয়েছে। পুলিশ সূত্র জানায়, চেন্নাইয়ের বাসা থেকেই তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, ব্যক্তিগত জীবনের অশান্তি এবং মানসিক চাপের কারণে সুভাষিণী এই ধাপ নিতে পারেন। ঘটনার আগে তিনি স্বামীর সঙ্গে ভিডিও কলে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িত ছিলেন, যা তাকে মানসিকভাবে ভেঙে ফেলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এ পর্যন্ত তার স্বামীর পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। শ্রীলঙ্কায় জন্মগ্রহণ করা সুভাষিণী ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের স্বপ্ন দেখেছিলেন। চেন্নাইতে পাড়ি জমিয়ে তিনি ধাপে ধাপে তামিল বিনোদন জগতে নিজের স্থান তৈরি করেছিলেন। অডিশন, ছোট চরিত্র এবং কঠিন প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে তিনি অবশেষে ‘কয়াল’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে দর্শকের নজর কাড়েন। এই ধারাবাহিকই তাকে জনপ্রিয়তা এনে দেয় এবং তার ক্যারিয়ারে শক্ত অবস্থান তৈরি করে। তার অকাল মৃত্যুতে দক্ষিণী বিনোদন অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমেছে। ভক্তরা সোশ্যাল মিডিয়ায় শোক প্রকাশ করছেন এবং তার অবদানকে স্মরণ করছেন।

মতামত

Card Image

জিয়াউল হক

একক লড়াইয়ে ইসলামী আন্দোলন !

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো জোটে না থেকে এককভাবে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১১ দলীয় জোটে তারা আর থাকছে না এবং নিজের শক্তির ওপর ভর করেই নির্বাচনী মাঠে নামবে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশের ২৬৮টি আসনে প্রার্থী দেবে। দীর্ঘদিন ধরে জোট রাজনীতির বাইরে থেকে স্বতন্ত্র অবস্থান ধরে রাখার যে নীতি দলটি অনুসরণ করে আসছে, এই সিদ্ধান্ত তারই ধারাবাহিকতা বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। এর আগে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন একটি জোট সমঝোতার অংশ হিসেবে কিছু আসন খালি রাখার উদ্যোগ নেয়। সেখানে প্রায় ৫০টি আসন ছাড় দেওয়ার আলোচনা থাকলেও চরমোনাই পীর মুফতি রেজাউল করিমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন সেই প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি। বরং দলটি শুরু থেকেই এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান নেয়। দলীয় নেতারা বলছেন, জনগণের প্রত্যাশা ও ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাজনীতির বিস্তারের লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জোট রাজনীতির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে সরাসরি ভোটারদের কাছে নিজেদের বার্তা পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল উদ্দেশ্য। এদিকে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একটি গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের প্রাথমিক ধাপ শেষ হয়েছে এবং এখন আপিল নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া চলছে। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ২০ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণায় নামতে পারবেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

শহীদ নূর হোসেন থেকে শহীদ ওসমান হাদি: রাষ্ট্র কি বদলেছে?

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু মৃত্যু সময়কে ভাগ করে দেয়—আগের বাংলাদেশ আর পরের বাংলাদেশ। ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেনের মৃত্যু যেমন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনকে নতুন গতি দিয়েছিল, তেমনি ২০২৫ সালে শহীদ ওসমান হাদির মৃত্যু আজকের রাষ্ট্রব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে কঠিন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। নূর হোসেন ছিলেন একজন সাধারণ মানুষ। কোনো বড় পদ, ক্ষমতা বা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা তার ছিল না। তবুও তিনি বুক-পিঠে লেখা দুটি বাক্য—‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ ও ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’—নিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন। রাষ্ট্র তখন প্রকাশ্য স্বৈরশাসনের অধীনে ছিল। গুলির মুখে দাঁড়িয়ে নূর হোসেন দেখিয়ে দিয়েছিলেন, গণতন্ত্র কেবল রাজনৈতিক দল নয়, সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগেই বেঁচে থাকে। তার রক্তের দাগ মুছে যায়নি; বরং তা ইতিহাসে চিহ্ন হয়ে রয়ে গেছে। অন্যদিকে শহীদ ওসমান হাদি ছিলেন একটি প্রজন্মের কণ্ঠস্বর। তিনি কোনো সামরিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে নয়, বরং তথাকথিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভেতরের ব্যর্থতা, বৈষম্য ও নিরাপত্তাহীনতার বিরুদ্ধে কথা বলছিলেন। দিনের আলোয় রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে রিকশায় বসে থাকা একজন রাজনৈতিক কর্মী গুলিবিদ্ধ হন—এটি শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়, এটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রকাশ্য ভেঙে পড়ার ঘোষণা। নূর হোসেনের সময় রাষ্ট্র বলত, “আমরা স্বৈরাচার, তাই দমন করব।” হাদির সময় রাষ্ট্র বলে, “আমরা গণতান্ত্রিক, কিন্তু অপরাধ ঠেকাতে পারছি না।” এই দুই বক্তব্যের মাঝখানে পার্থক্য থাকলেও ফলাফল এক—একজন নাগরিক নিহত। সবচেয়ে বেদনাদায়ক প্রশ্ন হলো, নূর হোসেনের আত্মত্যাগের ৩৮ বছর পরও কেন হাদির

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

৭ই নভেম্বর: স্বাধীনতা-গণতন্ত্র-সংহতি: এক দিনে তিন প্রতীক

বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে ৭ নভেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ‘মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পরিচিত এই দিনটি ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার পটভূমিতে সিপাহী-জনতার অভ্যুদয়ের প্রতীক হয়ে উঠে। দিনটি নিয়ে নানা মত ও ব্যাখ্যা থাকলেও এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না। কারণ, এই দিনের ঘটনাপ্রবাহ রাষ্ট্রের সামগ্রিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসে এবং জাতীয় রাজনীতির গতিপথে এক নতুন ধারা সূচনা করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর রাষ্ট্রে তীব্র অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। সামরিক, প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে নতুন ক্ষমতার সমীকরণ গড়ে উঠতে থাকে। এরপর ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে হত্যা এবং ক্ষমতার পালাবদলের ধারাবাহিকতায় ৭ নভেম্বর এক বিশেষ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সৈনিকদের একটি অংশ এবং জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সেদিনের ঘটনাকে কেউ বিপ্লব, কেউ সামরিক অভ্যুত্থান এবং কেউ জাতীয় ঐক্যের স্ফুরণ হিসেবে উল্লেখ করেন। এই দিবসটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কারণে। সেই সময় বন্দী অবস্থায় থাকা তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে মুক্তি পান এবং পরবর্তী সময়ে তিনি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব হাতে নেন। জিয়া রাষ্ট্রপরিচালনায় আসার পর বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর নতুন রাজনীতিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয় বলে মতামত রয়েছে। ৭ নভেম্বরকে একদলীয় শাসনের অবসান ও বহু মত-চিন্তার উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরির সূচনা হিসেবে দেখেন অনেক বিশ্লেষক।

আইন-আদালত

ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল

ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আলোচিত ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় পাঠানো কারণ দর্শানোর নোটিশের সন্তোষজনক জবাব না পাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস হাসপাতালটির বিরুদ্ধে নেওয়া প্রশাসনিক পদক্ষেপের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ মে সকালে হাসপাতালটিতে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ছয় নবজাতকের মৃত্যু ঘটে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনার প্রকৃত

পাঁচ বছরের আলোচিত মামলা শেষে নাসির-তামিমা খালাস

পাঁচ বছরের আলোচিত মামলা শেষে নাসির-তামিমা খালাস

রামিসা হত্যা: সোহেল রানার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে নতুন মোড়

রামিসা হত্যা: সোহেল রানার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে নতুন মোড়

পল্লবী হত্যাকাণ্ডে এক সপ্তাহে রিপোর্ট দিতে নির্দেশ

পল্লবী হত্যাকাণ্ডে এক সপ্তাহে রিপোর্ট দিতে নির্দেশ

বিশেষ সংবাদ

বাজেট অনুমোদন হলেও চা বাগানে নেই স্বস্তির ছোঁয়া

বাজেট অনুমোদন হলেও চা বাগানে নেই স্বস্তির ছোঁয়া

জুন মাস এলেই জাতীয় বাজেটকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে শুরু হয় আলোচনা-পর্যালোচনা। ব্যবসায়ী, অর্থনীতিবিদ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বাজেটের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে মতামত দেন। তবে মৌলভীবাজার জেলার ৯২টি চা বাগানের শ্রমিকদের বড় এক অংশের কাছে জাতীয় বাজেট এখনো অনেকটাই অজানা বিষয়। বাজেট কী, কীভাবে প্রণয়ন করা হয় কিংবা এর মাধ্যমে তাদের জীবনে কী প্রভাব পড়ে—এসব বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই অধিকাংশ চা শ্রমিকের। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা তারেক রহমান সভাপতিত্বে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার...

লিচুর বাম্পার ফলনে প্রাণ ফিরেছে মৌলভীবাজারের অর্থনীতিতে

লিচুর বাম্পার ফলনে প্রাণ ফিরেছে মৌলভীবাজারের অর্থনীতিতে

ঈদে গরুর মাংসে সাতকরা চাই সিলেটবাসীর, দামের ঊর্ধ্বগতি

ঈদে গরুর মাংসে সাতকরা চাই সিলেটবাসীর, দামের ঊর্ধ্বগতি

প্রাণপ্রাচুর্য আর অপরূপ বর্ণালিতে মৌলভীবাজারকে রাঙিয়ে দিয়েছে প্রকৃতি

প্রাণপ্রাচুর্য আর অপরূপ বর্ণালিতে মৌলভীবাজারকে রাঙিয়ে দিয়েছে প্রকৃতি

দুই শতকের শ্রম, তবুও দারিদ্র্যের চক্রে চা শ্রমিকরা

দুই শতকের শ্রম, তবুও দারিদ্র্যের চক্রে চা শ্রমিকরা

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি নিয়ে ইরানে তীব্র বিক্ষোভ

যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি নিয়ে ইরানে তীব্র বিক্ষোভ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতা চুক্তি নিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন একদল মানুষ। শনিবার (১৩ জুন) রাতে মার্কিনিদের সঙ্গে চুক্তি প্রসঙ্গে টেলিভিশনে দেওয়া তার সাক্ষাৎকারের পরই ইরানের মাসহাদ শহরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভবনের সামনে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে শর্তে চুক্তি হতে যাচ্ছে তা ইরানের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করবে না। তাদের দাবি, এই সমঝোতার ফলে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ইরান হারাতে পারে। বার্তাসংস্থা ফার্স নিউজের প্রচারিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কালো চাদর পরা এক নারী স্লোগান দিচ্ছেন—‘অনুপ্রবেশকারী বেঈমান আরাগচির মৃত্যু হোক’। এ সময় তিনি কালো ও লাল পতাকা উড়ান। বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, আলোচনার টেবিলে ইরানি প্রতিনিধিরা অতিরিক্ত ছাড় দিয়েছেন, যা দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। ঘটনাস্থলে উত্তেজনা থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলোতে শতাধিক মানুষের উপস্থিতি দেখা গেছে, যারা সরকারের সমঝোতা নীতির বিরুদ্ধে স্লোগান দেন।

নেতানিয়াহুর নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে ইসরায়েল

নেতানিয়াহুর নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে ইসরায়েল

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আবারও বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে তেল আবিব। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের হামলার আগে ও পরে ঘটে যাওয়া ‘নিরাপত্তা ব্যর্থতার’ তদন্তে স্বাধীন রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠন না করায় এই বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়। দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার (১৩ জুন) তেল আবিবের হাবিমা স্কয়ারে প্রায় ৫০০ জন বিক্ষোভকারী সমবেত হন। তারা নেতানিয়াহুর সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন এবং অবিলম্বে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি জানান। বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী আইন অনুযায়ী স্বাধীন রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠনে আগ্রহী নন। তাদের মতে, এমন কমিশন গঠিত হলে তা হবে সর্বোচ্চ অনুসন্ধানী কর্তৃপক্ষ, যা

ট্রাম্পের দাবি রোববারই শান্তিচুক্তি, স্বাক্ষরের সম্ভাবনা নাকচ ইরানের

ট্রাম্পের দাবি রোববারই শান্তিচুক্তি, স্বাক্ষরের সম্ভাবনা নাকচ ইরানের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচিত শান্তিচুক্তি রোববার (১৪ জুন) স্বাক্ষরিত হবে। তবে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ট্রাম্পের এই বক্তব্যের সঙ্গে সরাসরি দ্বিমত পোষণ করে জানিয়েছে, সমঝোতা এখনো চূড়ান্ত হয়নি এবং নির্ধারিত দিনে কোনো চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনাও নেই। শনিবার (১৩ জুন) ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি ‘আগামীকাল স্বাক্ষরের জন্য নির্ধারিত’। তার মতে, এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌযান চলাচল পুনরায় নিশ্চিত হবে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বাড়বে। যদিও তেহরানও স্বীকার করেছে যে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা ইতিবাচক অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং উভয় পক্ষ একটি সমঝোতার কাছাকাছি পৌঁছেছে, তবে চুক্তি স্বাক্ষরের

আমেরিকার প্রতি ইরানিদের অনাস্থা দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফল: প্রধান বিচারপতি

আমেরিকার প্রতি ইরানিদের অনাস্থা দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফল: প্রধান বিচারপতি

আসামে ভারতীয় বিমানবাহিনীর পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত

আসামে ভারতীয় বিমানবাহিনীর পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত

আরাগচি বললেন চুক্তি স্বাক্ষরের সবচেয়ে কাছাকাছি সময় এখন

আরাগচি বললেন চুক্তি স্বাক্ষরের সবচেয়ে কাছাকাছি সময় এখন

ইরানের জব্দ অর্থ ছাড় নিয়ে আমিরাত-যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক সমীকরণ

ইরানের জব্দ অর্থ ছাড় নিয়ে আমিরাত-যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক সমীকরণ

ভারতের পুরুলিয়ায় মুসলিম ফেরিওয়ালা আকবরকে হত্যায় উত্তেজনা

ভারতের পুরুলিয়ায় মুসলিম ফেরিওয়ালা আকবরকে হত্যায় উত্তেজনা

৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে দক্ষিণ ফিলিপাইন বিপর্যস্ত, নিহত বেড়ে ৫৫

৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে দক্ষিণ ফিলিপাইন বিপর্যস্ত, নিহত বেড়ে ৫৫

শিক্ষা

পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন প্রো-ভিসি নিয়োগ দিল সরকার

পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন প্রো-ভিসি নিয়োগ দিল সরকার

জাতীয়, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয়সহ পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন প্রো-ভিসি নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বুধবার (১০ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ এ তথ্য জানায়। মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে এসব নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। নতুন নিয়োগ অনুযায়ী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি পৃথক প্রো-ভিসি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (একাডেমিক) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বনবিদ্যা ও পরিবেশ বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের

উচ্চশিক্ষায় বড় সংস্কার, বাতিল হচ্ছে একাধিক অনার্স বিষয়

উচ্চশিক্ষায় বড় সংস্কার, বাতিল হচ্ছে একাধিক অনার্স বিষয়

অনুমোদন বাতিলের হুঁশিয়ারিতে চাপে দেশের ১৪৭ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

অনুমোদন বাতিলের হুঁশিয়ারিতে চাপে দেশের ১৪৭ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা বদলে দিচ্ছে স্কুল-কলেজের চিত্র

প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা বদলে দিচ্ছে স্কুল-কলেজের চিত্র

জাতীয়

সিঙ্গাপুর কানাডা নয় বেটার বাংলাদেশ চান প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বা কানাডার মতো বানানোর লক্ষ্য নয়, বরং একটি ‘বেটার বাংলাদেশ’ গড়াই তাদের লক্ষ্য। শনিবার রাতে কক্সবাজারের একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা প্রায়শই শুনতাম, বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বানিয়ে ফেলবো, কানাডা বানিয়ে ফেলবো বা অন্য কোনো দেশের মতো বানাবো। আমি বাংলাদেশকে অন্য কিছু বানাতে চাই না, আমি চাই বাংলাদেশকে একটু বেটার বানাতে।’ তিনি আরও বলেন, এই উন্নয়ন এককভাবে সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়, এর জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি দেশের উন্নয়ন ও পরিবর্তনের জন্য জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। তার মতে, সমন্বিত প্রচেষ্টা ছাড়া দেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন অর্জন সম্ভব নয়। কক্সবাজার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন শহর, যা বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের জন্য পরিচিত। তিনি বলেন, শহরের পরিচিতি আরও বৃদ্ধি করতে স্থানীয়দের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি কক্সবাজারকে একটি পরিচ্ছন্ন ও পরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে তোলার ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা, ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলা এবং নিরাপদ হাঁটার পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানান।

সিঙ্গাপুর কানাডা নয় বেটার বাংলাদেশ চান প্রধানমন্ত্রী
দশ জেলায় চালু হচ্ছে নতুন আইসিইউ ইউনিট

দশ জেলায় চালু হচ্ছে নতুন আইসিইউ ইউনিট

শীর্ষ সন্ত্রাসীদের মধ্যে আতঙ্ক, আত্মগোপনে শতাধিক সদস্য

শীর্ষ সন্ত্রাসীদের মধ্যে আতঙ্ক, আত্মগোপনে শতাধিক সদস্য

কোটি টাকার প্রলোভনেও আদ্-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিল : বিস্ফোরক মন্তব্য মন্ত্রীর

কোটি টাকার প্রলোভনেও আদ্-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিল : বিস্ফোরক মন্তব্য মন্ত্রীর

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি

ধর্মীয় দৃষ্টিতে বিজ্ঞান মানবকল্যাণের গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার

ধর্মীয় দৃষ্টিতে বিজ্ঞান মানবকল্যাণের গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার

ধর্ম ও বিজ্ঞানকে অনেক সময় দুটি ভিন্ন ধারার জ্ঞান হিসেবে বিবেচনা করা হলেও বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, উভয়ের মূল লক্ষ্য মানবকল্যাণ এবং সত্যের অনুসন্ধান। ধর্মীয় দৃষ্টিতে বিজ্ঞানকে সৃষ্টিজগতের রহস্য অনুধাবনের একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে দেখা হয়। ইসলামসহ বিশ্বের বিভিন্ন ধর্মে জ্ঞান অর্জনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ধর্মীয় শিক্ষায় মানুষকে প্রকৃতি, মহাবিশ্ব এবং সৃষ্টির নানা নিদর্শন নিয়ে চিন্তা-গবেষণা করতে উৎসাহিত করা হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় বিজ্ঞান মানুষের জীবনকে সহজ, নিরাপদ এবং সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ধর্মীয় চিন্তাবিদদের মতে, বিজ্ঞান মানুষের কাছে সৃষ্টিকর্তার

সহায়ক প্রযুক্তিতে বাড়ছে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুযোগ

সহায়ক প্রযুক্তিতে বাড়ছে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুযোগ

নারী শিক্ষায় প্রযুক্তির বিস্তার, বদলে যাচ্ছে শেখার ধরন

নারী শিক্ষায় প্রযুক্তির বিস্তার, বদলে যাচ্ছে শেখার ধরন

প্রযুক্তি ব্যবহারে উন্নয়ন পাচ্ছে শিক্ষা স্বাস্থ্য ও অর্থনীতি

প্রযুক্তি ব্যবহারে উন্নয়ন পাচ্ছে শিক্ষা স্বাস্থ্য ও অর্থনীতি

ধর্ম

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মুমিনের শ্রেষ্ঠ ইবাদত

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মুমিনের শ্রেষ্ঠ ইবাদত

ইসলামে নামাজকে মানুষের নাজাত, সফলতা ও মুক্তির অন্যতম প্রধান মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বহু স্থানে নামাজ প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দিয়েছেন এবং এটিকে মুমিন জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে ঘোষণা করেছেন। ইসলামী শিক্ষায় বলা হয়েছে, নামাজ মানুষের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে এবং তাকে অন্যায়, অশ্লীলতা ও পাপাচার থেকে বিরত রাখে। একজন মুসলমানের দৈনন্দিন জীবনে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক সুদৃঢ় করার সবচেয়ে কার্যকর উপায়। নামাজের মাধ্যমে বান্দা সরাসরি তার সৃষ্টিকর্তার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের ভুলত্রুটি স্বীকার করে ক্ষমা

ইসলামে মানবকল্যাণের শিক্ষা সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার ভিত্তি

ইসলামে মানবকল্যাণের শিক্ষা সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার ভিত্তি

শুক্রবারের বিশেষ মুহূর্তে মুমিনের দোয়া হয় কবুল

শুক্রবারের বিশেষ মুহূর্তে মুমিনের দোয়া হয় কবুল

দৈনন্দিন জীবনে ইসলামের শিক্ষা মানবকল্যাণের পথপ্রদর্শক

দৈনন্দিন জীবনে ইসলামের শিক্ষা মানবকল্যাণের পথপ্রদর্শক