রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬২৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

আপনার এলাকার খবর

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg
https://enews71.com/storage/ads/01KTB48CFAEJRYTN4T9G053ER9.png
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png

মতামত

Card Image

জিয়াউল হক

একক লড়াইয়ে ইসলামী আন্দোলন !

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো জোটে না থেকে এককভাবে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১১ দলীয় জোটে তারা আর থাকছে না এবং নিজের শক্তির ওপর ভর করেই নির্বাচনী মাঠে নামবে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশের ২৬৮টি আসনে প্রার্থী দেবে। দীর্ঘদিন ধরে জোট রাজনীতির বাইরে থেকে স্বতন্ত্র অবস্থান ধরে রাখার যে নীতি দলটি অনুসরণ করে আসছে, এই সিদ্ধান্ত তারই ধারাবাহিকতা বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। এর আগে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন একটি জোট সমঝোতার অংশ হিসেবে কিছু আসন খালি রাখার উদ্যোগ নেয়। সেখানে প্রায় ৫০টি আসন ছাড় দেওয়ার আলোচনা থাকলেও চরমোনাই পীর মুফতি রেজাউল করিমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন সেই প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি। বরং দলটি শুরু থেকেই এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান নেয়। দলীয় নেতারা বলছেন, জনগণের প্রত্যাশা ও ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাজনীতির বিস্তারের লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জোট রাজনীতির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে সরাসরি ভোটারদের কাছে নিজেদের বার্তা পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল উদ্দেশ্য। এদিকে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একটি গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের প্রাথমিক ধাপ শেষ হয়েছে এবং এখন আপিল নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া চলছে। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ২০ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণায় নামতে পারবেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

শহীদ নূর হোসেন থেকে শহীদ ওসমান হাদি: রাষ্ট্র কি বদলেছে?

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু মৃত্যু সময়কে ভাগ করে দেয়—আগের বাংলাদেশ আর পরের বাংলাদেশ। ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেনের মৃত্যু যেমন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনকে নতুন গতি দিয়েছিল, তেমনি ২০২৫ সালে শহীদ ওসমান হাদির মৃত্যু আজকের রাষ্ট্রব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে কঠিন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। নূর হোসেন ছিলেন একজন সাধারণ মানুষ। কোনো বড় পদ, ক্ষমতা বা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা তার ছিল না। তবুও তিনি বুক-পিঠে লেখা দুটি বাক্য—‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ ও ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’—নিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন। রাষ্ট্র তখন প্রকাশ্য স্বৈরশাসনের অধীনে ছিল। গুলির মুখে দাঁড়িয়ে নূর হোসেন দেখিয়ে দিয়েছিলেন, গণতন্ত্র কেবল রাজনৈতিক দল নয়, সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগেই বেঁচে থাকে। তার রক্তের দাগ মুছে যায়নি; বরং তা ইতিহাসে চিহ্ন হয়ে রয়ে গেছে। অন্যদিকে শহীদ ওসমান হাদি ছিলেন একটি প্রজন্মের কণ্ঠস্বর। তিনি কোনো সামরিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে নয়, বরং তথাকথিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভেতরের ব্যর্থতা, বৈষম্য ও নিরাপত্তাহীনতার বিরুদ্ধে কথা বলছিলেন। দিনের আলোয় রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে রিকশায় বসে থাকা একজন রাজনৈতিক কর্মী গুলিবিদ্ধ হন—এটি শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়, এটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রকাশ্য ভেঙে পড়ার ঘোষণা। নূর হোসেনের সময় রাষ্ট্র বলত, “আমরা স্বৈরাচার, তাই দমন করব।” হাদির সময় রাষ্ট্র বলে, “আমরা গণতান্ত্রিক, কিন্তু অপরাধ ঠেকাতে পারছি না।” এই দুই বক্তব্যের মাঝখানে পার্থক্য থাকলেও ফলাফল এক—একজন নাগরিক নিহত। সবচেয়ে বেদনাদায়ক প্রশ্ন হলো, নূর হোসেনের আত্মত্যাগের ৩৮ বছর পরও কেন হাদির

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

৭ই নভেম্বর: স্বাধীনতা-গণতন্ত্র-সংহতি: এক দিনে তিন প্রতীক

বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে ৭ নভেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ‘মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পরিচিত এই দিনটি ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার পটভূমিতে সিপাহী-জনতার অভ্যুদয়ের প্রতীক হয়ে উঠে। দিনটি নিয়ে নানা মত ও ব্যাখ্যা থাকলেও এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না। কারণ, এই দিনের ঘটনাপ্রবাহ রাষ্ট্রের সামগ্রিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসে এবং জাতীয় রাজনীতির গতিপথে এক নতুন ধারা সূচনা করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর রাষ্ট্রে তীব্র অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। সামরিক, প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে নতুন ক্ষমতার সমীকরণ গড়ে উঠতে থাকে। এরপর ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে হত্যা এবং ক্ষমতার পালাবদলের ধারাবাহিকতায় ৭ নভেম্বর এক বিশেষ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সৈনিকদের একটি অংশ এবং জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সেদিনের ঘটনাকে কেউ বিপ্লব, কেউ সামরিক অভ্যুত্থান এবং কেউ জাতীয় ঐক্যের স্ফুরণ হিসেবে উল্লেখ করেন। এই দিবসটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কারণে। সেই সময় বন্দী অবস্থায় থাকা তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে মুক্তি পান এবং পরবর্তী সময়ে তিনি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব হাতে নেন। জিয়া রাষ্ট্রপরিচালনায় আসার পর বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর নতুন রাজনীতিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয় বলে মতামত রয়েছে। ৭ নভেম্বরকে একদলীয় শাসনের অবসান ও বহু মত-চিন্তার উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরির সূচনা হিসেবে দেখেন অনেক বিশ্লেষক।

আইন-আদালত

রামিসা হত্যা: সোহেল রানার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে নতুন মোড়

রামিসা হত্যা: সোহেল রানার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে নতুন মোড়

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলার বিচার কার্যক্রম শুরুর দিনে প্রধান আসামি সোহেল রানার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে নতুন আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার (১ জুন) ঢাকার শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলার বিচার শুরু হয়। আদালতে হাজির করার সময় সোহেল রানা দাবি করেন, রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যা করেছে “ডলার” নামের এক ব্যক্তি। তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, “ডলার ধর্ষণ করেছে, মারছেও ডলার। আমি শুধু লাশ গুম করতে চেয়েছিলাম।” তিনি

পল্লবী হত্যাকাণ্ডে এক সপ্তাহে রিপোর্ট দিতে নির্দেশ

পল্লবী হত্যাকাণ্ডে এক সপ্তাহে রিপোর্ট দিতে নির্দেশ

সভাপতি খোকন, সম্পাদক আলী—বার নির্বাচনে বিএনপির জয়

সভাপতি খোকন, সম্পাদক আলী—বার নির্বাচনে বিএনপির জয়

ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণে হাইকোর্টের যুগান্তকারী রায়

ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণে হাইকোর্টের যুগান্তকারী রায়

ধর্ম

হঠাৎ তিনদিন হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনাতে না থাকার অশ্রুশিক্ত ঘটনা

হঠাৎ তিনদিন হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনাতে না থাকার অশ্রুশিক্ত ঘটনা

। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী। নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা’দ” প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আজ আমি আপনাদের হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী, আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই হঠাৎ তিনদিন হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনাতে না থাকার অশ্রুশিক্ত ঘটনাটি নিয়ে সেই সম্পর্কে নিম্নে সংকিপ্ত আকারে আলোচনা তুলে ধরছি, ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ একটি ঘটনা পরলে চোখের পানি চলে আসবে পড়তে পড়তে কখন কেঁদে ফেলেছি নিজেও জানিনা- তিনদিন হলো হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনাতে নেই।কেউ জানেনা নবীজি কোথায়। ওমর ফারুক (রাঃ) মুক্ত তরবারি হাতে ঘোষণা দিলেন,

জুমার দিনে সবচেয়ে উত্তম আমল দরুদ পাঠ ও নামাজ

জুমার দিনে সবচেয়ে উত্তম আমল দরুদ পাঠ ও নামাজ

এতিমদের অধিকার রক্ষায় ইসলামের কঠোর নির্দেশনা

এতিমদের অধিকার রক্ষায় ইসলামের কঠোর নির্দেশনা

ইসলামে পর্দা নারীর মর্যাদা ও নিরাপত্তার ঢাল

ইসলামে পর্দা নারীর মর্যাদা ও নিরাপত্তার ঢাল

খেলাধুলা

বিতর্কিত সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করল বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক ফিফা

বিতর্কিত সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করল বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক ফিফা

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে স্টেডিয়ামে পানির বোতল প্রবেশ নিয়ে বিতর্কিত সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে ফিফা। শুরুতে পুনর্ব্যবহারযোগ্য পানির বোতল স্টেডিয়ামে আনা নিষিদ্ধ করা হলেও সমর্থক গোষ্ঠী ও শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের তীব্র প্রতিবাদের মুখে শেষ পর্যন্ত সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়েছে। শুক্রবার (৫ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে নতুন নীতিমালা ঘোষণা করে ফিফা জানায়, এবার থেকে দর্শকেরা নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে পানির বোতল সঙ্গে নিয়ে

ফিফার সঙ্গে সম্প্রচার চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে বাংলাদেশ

ফিফার সঙ্গে সম্প্রচার চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে বাংলাদেশ

বাংলাদেশে ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল সরাসরি সম্প্রচারের বিষয়ে সরকারের সঙ্গে ফিফার আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। আলোচনা সফল হলে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) বিশ্বকাপের সব ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার করবে। এতে দেশের কোটি ফুটবলপ্রেমীর মধ্যে বিশ্বকাপ দেখা নিয়ে যে অনিশ্চয়তা ছিল, তা অনেকটাই দূর হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বুধবার (৩ জুন) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং বিটিভির একাধিক সূত্র গণমাধ্যমকে

মেসির নেতৃত্বে নতুন ইতিহাসের অপেক্ষা

মেসির নেতৃত্বে নতুন ইতিহাসের অপেক্ষা

আর্জেন্টিনার হয়ে লিওনেল মেসি এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ তিনটি বিশ্বকাপ আসরে অধিনায়ক হিসেবে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই তারকার সামনে এবার অপেক্ষা করছে নতুন এক মাইলফলক—২০২৬ বিশ্বকাপে চতুর্থবারের মতো অধিনায়কত্ব করার রেকর্ড। আগামী ১১ জুন থেকে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় শুরু হতে যাওয়া ফিফা বিশ্বকাপে মেসির অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলে এটি হবে তার ষষ্ঠ বিশ্বকাপ আসর। এর মাধ্যমে তিনি যৌথভাবে সর্বোচ্চ ছয়টি বিশ্বকাপ খেলার রেকর্ডেও পৌঁছে যাবেন, যা ফুটবল ইতিহাসে এক বিরল অর্জন। আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টসের তথ্য অনুযায়ী, মেসি এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে ২৬টি ম্যাচ খেলেছেন, যা টুর্নামেন্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এবার সেই সংখ্যা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইতোমধ্যে তিনি টানা ১৮

সাইকেল মেকানিকের ছেলে থেকে ফুটবল তারকা, স্বপ্ন জাতীয় দল

সাইকেল মেকানিকের ছেলে থেকে ফুটবল তারকা, স্বপ্ন জাতীয় দল

বরিশালের উজিরপুর উপজেলার এক সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা কিশোর ফুটবলার দেব মন্ডলের গল্প এখন স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠেছে। বাবা মিন্টু মন্ডলের ছোট্ট সাইকেল মেরামতের দোকানের টুংটাং শব্দের মাঝেই বড় হওয়া দেব আজ নিজের ফুটবল প্রতিভায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। দেব মন্ডল সরকারি উজিরপুর বারো বাইকা মডেল ইনস্টিটিউশনের নবম শ্রেণির ছাত্র। অভাবের সংসার, নেই কোনো আধুনিক প্রশিক্ষণ কিংবা নামী ফুটবল একাডেমির সুযোগ। তবুও অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও স্বাভাবিক প্রতিভার জোরে চলমান ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬’ প্রতিযোগিতায় দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে সবার নজর কেড়েছেন তিনি। উপজেলা পর্যায়ের খেলায় দুই গোল করে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন দেব। তার অসাধারণ পারফরম্যান্সের সুবাদে জায়গা করে নেন বরিশাল জেলা

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

পাকিস্তানকে টেস্ট সিরিজে আবারও হোয়াইটওয়াশ করলো বাংলাদেশ। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টের পঞ্চম দিনে ৭৮ রানের রোমাঞ্চকর জয় তুলে নেয় টাইগাররা। এর ফলে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ বাংলাদেশ জিতল ২-০ ব্যবধানে। ঘরের মাটিতে এই প্রথমবার টেস্ট ক্রিকেটে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করার কীর্তি গড়ল বাংলাদেশ। এর আগে পাকিস্তানের মাটিতেও একই অর্জন করেছিল টাইগাররা। ফলে দুই দেশের টেস্ট ইতিহাসে বাংলাদেশের আধিপত্য আরও একবার প্রতিষ্ঠিত হলো। সিলেট টেস্টে পাকিস্তান ৪৩৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেছিল। চতুর্থ দিন শেষে সফরকারীদের সংগ্রহ ছিল ৭ উইকেটে ৩১৬ রান। শেষ দিনে জয়ের জন্য পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ১২০ রান এবং বাংলাদেশের দরকার ছিল মাত্র ৩ উইকেট। পঞ্চম দিনের শুরুতে

নারী ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের বড় অগ্রগতি

নারী ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের বড় অগ্রগতি

আইসিসি (International Cricket Council)-এর সর্বশেষ বার্ষিক হালনাগাদে নারী ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে বড় অগ্রগতি করেছে Bangladesh national women's cricket team। নতুন তালিকা অনুযায়ী বাংলাদেশ এক ধাপ এগিয়ে পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এখন সপ্তম স্থানে উঠে এসেছে। আইসিসির প্রকাশিত হালনাগাদ র‌্যাঙ্কিংয়ে মে ২০২৫ থেকে অনুষ্ঠিত ম্যাচগুলোকে ১০০ শতাংশ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং আগের দুই বছরের পারফরম্যান্সকে ৫০ শতাংশ হিসেবে গণনা করা হয়েছে। এই পদ্ধতিগত পরিবর্তনের ফলে অনেক দলের অবস্থানে পরিবর্তন এসেছে। বাংলাদেশ নারী দল বর্তমানে ৭৩ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছে। অন্যদিকে Pakistan women's cricket team ৭২ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে নেমে গেছে অষ্টম স্থানে। পাকিস্তান ৩ রেটিং পয়েন্ট হারানোর কারণে মূলত এই অবস্থান পরিবর্তন ঘটে।

বিনোদন

আশা ভোঁসলের প্রয়াণে সংগীতের স্বর্ণযুগের অবসান

আশা ভোঁসলের প্রয়াণে সংগীতের স্বর্ণযুগের অবসান

ভারতীয় সংগীত অঙ্গনের কিংবদন্তি শিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই। রোববার (১২ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। হৃদরোগ ও শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতার কারণে শনিবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। হাসপাতাল সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন এই গায়িকা। শনিবার রাতে হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে নিবিড় পরিচর্যা কক্ষে স্থানান্তর করা হয়। রোববার দুপুরে তার ছেলে আনন্দ ভোঁসলে পরিবারের পক্ষ থেকে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। সোমবার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ১৯৩৩ সালে সংগীতময় মঙ্গেশকর পরিবারে জন্ম নেওয়া আশা ভোঁসলে মাত্র ৯ বছর বয়স থেকেই পেশাদার সংগীতচর্চা শুরু করেন। ১৯৪৩ সালে চলচ্চিত্রে প্রথম গান রেকর্ড করার মাধ্যমে তার যাত্রা শুরু হয়। বড় বোন লতা মঙ্গেশকর-এর খ্যাতির ছায়ায় থেকেও নিজস্ব গায়কী ভঙ্গিতে তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্র সংগীতে স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেন। ক্যারিয়ারের শুরুতে চটুল ধাঁচের গানে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা হলেও ‘উমরাও জান’ ছবির গজল পরিবেশনের মাধ্যমে তিনি নিজের বহুমাত্রিক প্রতিভা প্রমাণ করেন। দীর্ঘ সংগীতজীবনে সাতবার ফিল্মফেয়ার সেরা নেপথ্য গায়িকার পুরস্কার এবং দুইবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। ‘দিল চিজ কেয়া হ্যায়’ গানটি তাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। ব্যক্তিগত জীবনে নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে পথ চলেছেন তিনি। অল্প বয়সে প্রথম বিবাহ ভেঙে যাওয়ার পর ১৯৮০ সালে কিংবদন্তি সংগীত পরিচালক রাহুল দেব বর্মণ-এর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ১৯৯৪ সালে বর্মণের মৃত্যু পর্যন্ত তারা একসঙ্গে ছিলেন। জীবনের শেষ সময়গুলোতে নাতনি জেনাই ভোঁসলে ছিলেন তার নিত্যসঙ্গী। তার প্রয়াণে ভারতীয় সংগীতের এক স্বর্ণযুগের অবসান ঘটেছে বলে মনে করছেন সংগীতবিশ্বের বিশ্লেষকেরা।

অভিনেত্রী সুভাষিণীর রহস্যজনক মৃত্যু, চাঞ্চল্য

অভিনেত্রী সুভাষিণীর রহস্যজনক মৃত্যু, চাঞ্চল্য

দক্ষিণী চলচ্চিত্র ও ছোটপর্দার পরিচিত মুখ, তামিল অভিনেত্রী সুভাষিণী বালসুব্রহ্মণ্যম রহস্যজনকভাবে মারা গেছেন। সোমবার (৬ এপ্রিল) চেন্নাইয়ের নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, যা নিয়ে সহ-অভিনেতা ও ভক্তরা হতবাক। মাত্র ৩৬ বছর বয়সে এই অকাল মৃত্যু দক্ষিণী বিনোদন জগতে শোকের ছায়া ফেলে দিয়েছে। পুলিশ সূত্র জানায়, চেন্নাইয়ের বাসা থেকেই তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, ব্যক্তিগত জীবনের অশান্তি এবং মানসিক চাপের কারণে সুভাষিণী এই ধাপ নিতে পারেন। ঘটনার আগে তিনি স্বামীর সঙ্গে ভিডিও কলে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িত ছিলেন, যা তাকে মানসিকভাবে ভেঙে ফেলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এ পর্যন্ত তার স্বামীর পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। শ্রীলঙ্কায় জন্মগ্রহণ করা সুভাষিণী ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের স্বপ্ন দেখেছিলেন। চেন্নাইতে পাড়ি জমিয়ে তিনি ধাপে ধাপে তামিল বিনোদন জগতে নিজের স্থান তৈরি করেছিলেন। অডিশন, ছোট চরিত্র এবং কঠিন প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে তিনি অবশেষে ‘কয়াল’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে দর্শকের নজর কাড়েন। এই ধারাবাহিকই তাকে জনপ্রিয়তা এনে দেয় এবং তার ক্যারিয়ারে শক্ত অবস্থান তৈরি করে। তার অকাল মৃত্যুতে দক্ষিণী বিনোদন অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমেছে। ভক্তরা সোশ্যাল মিডিয়ায় শোক প্রকাশ করছেন এবং তার অবদানকে স্মরণ করছেন।

স্বাস্থ্য

দেশে বাড়ছে হাম আতঙ্ক, ২৪ ঘণ্টায় দশ মৃত্যু

দেশে বাড়ছে হাম আতঙ্ক, ২৪ ঘণ্টায় দশ মৃত্যু

দেশে হামের সংক্রমণ ও উপসর্গজনিত মৃত্যু উদ্বেগজনক হারে বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৬১৬ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী। শুক্রবার (২৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ২ শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে চলমান এই সংক্রমণে এখন

হাম আতঙ্কে দেশজুড়ে বাড়ছে শিশু মৃত্যুর হার, ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ১৭

হাম আতঙ্কে দেশজুড়ে বাড়ছে শিশু মৃত্যুর হার, ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ১৭

২৪ ঘণ্টায় আরও হাম-উপসর্গে ১৩ শিশুর মৃত্যুর

২৪ ঘণ্টায় আরও হাম-উপসর্গে ১৩ শিশুর মৃত্যুর

ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি নিয়ে বৈশ্বিক সতর্কতা, মহামারির আশঙ্কা

ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি নিয়ে বৈশ্বিক সতর্কতা, মহামারির আশঙ্কা

প্রতিবেশী

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ভারতবিরোধী মনোভাব এবং ভূ-রাজনৈতিক টানাপড়েনের মধ্যেও নয়াদিল্লি বাংলাদেশের জন্য অর্থ সহায়তা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। ২০২৬ অর্থবছরের ভারতের কেন্দ্রীয় বাজেট অনুযায়ী বাংলাদেশে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬০ কোটি রুপি। গত অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এই বরাদ্দ ছিল ৩৪ কোটি ৪৮ লাখ রুপি। অর্থাৎ নতুন বরাদ্দ প্রায় ৭৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। ভারতের এই উদ্যোগে ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির প্রতিফলন দেখা যায়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় আসামের এনআইটি ৫ জনকে বহিষ্কার

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় আসামের এনআইটি ৫ জনকে বহিষ্কার

মার্কিন শুল্কে ভারতীয় রপ্তানি বিপর্যয়, বিধ্বস্ত ভারতীয়রা !

মার্কিন শুল্কে ভারতীয় রপ্তানি বিপর্যয়, বিধ্বস্ত ভারতীয়রা !

রাজনীতি

সীমান্ত হত্যা: সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুললেন নাহিদ ইসলাম

সীমান্তে ভারতীয় বাহিনীর নির্বিচার হত্যা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দীন আহমদের দেওয়া বক্তব্যকে অত্যন্ত আপত্তিকর ও অপমানজনক বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। শনিবার (৬ জুন) ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকারের একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রীর কাছ থেকে এমন বক্তব্য পাওয়া জাতির জন্য লজ্জাজনক। তিনি অভিযোগ করেন, তিন দিন পার হলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্য প্রত্যাহার করেননি এবং সরকারও এ বিষয়ে কোনো নিন্দা জানায়নি। এর ফলে ধারণা করা হচ্ছে, এ বক্তব্যই সীমান্ত হত্যা বিষয়ে সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান। তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেন, সীমান্তে যদি অন্য দেশের বাহিনী জিরো লাইনে বা সীমান্তের ভেতরে হত্যা করে, সেটাই বর্ডার কিলিং হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে কেউ যদি অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করে, তাহলে সেটি ওই দেশের আইন অনুযায়ী মোকাবিলা করা হয় এবং এটিকে বর্ডার কিলিং বলা ঠিক নয়—এমন বক্তব্যের সমালোচনা করেন তিনি। নাহিদ ইসলাম বলেন, এ অবস্থান আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তিনি আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সনদের ৬ নম্বর অনুচ্ছেদের কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রতিটি মানুষের জীবনের অধিকার মৌলিক এবং রাষ্ট্র তা রক্ষা করতে বাধ্য। তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘের আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের নীতিমালা অনুযায়ী প্রাণঘাতী অস্ত্র কেবল তখনই ব্যবহার করা যাবে, যখন জীবন রক্ষার অন্য কোনো উপায় থাকবে না। সীমান্তে চোরাচালান বা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগের সুযোগ নেই।

সীমান্ত হত্যা: সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুললেন নাহিদ ইসলাম
যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি অনুমোদন

যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি অনুমোদন

দল পুনর্গঠনে নতুন কৌশলে এগোচ্ছেন শেখ হাসিনা

দল পুনর্গঠনে নতুন কৌশলে এগোচ্ছেন শেখ হাসিনা

বর্ষীয়ান রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদ না ফেরার দেশে

বর্ষীয়ান রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদ না ফেরার দেশে

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি

ধর্মীয় দৃষ্টিতে বিজ্ঞান মানবকল্যাণের গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার

ধর্মীয় দৃষ্টিতে বিজ্ঞান মানবকল্যাণের গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার

ধর্ম ও বিজ্ঞানকে অনেক সময় দুটি ভিন্ন ধারার জ্ঞান হিসেবে বিবেচনা করা হলেও বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, উভয়ের মূল লক্ষ্য মানবকল্যাণ এবং সত্যের অনুসন্ধান। ধর্মীয় দৃষ্টিতে বিজ্ঞানকে সৃষ্টিজগতের রহস্য অনুধাবনের একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে দেখা হয়। ইসলামসহ বিশ্বের বিভিন্ন ধর্মে জ্ঞান অর্জনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ধর্মীয় শিক্ষায় মানুষকে প্রকৃতি, মহাবিশ্ব এবং সৃষ্টির নানা নিদর্শন নিয়ে চিন্তা-গবেষণা করতে উৎসাহিত করা হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় বিজ্ঞান মানুষের জীবনকে সহজ, নিরাপদ এবং সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ধর্মীয় চিন্তাবিদদের মতে, বিজ্ঞান মানুষের কাছে সৃষ্টিকর্তার

সহায়ক প্রযুক্তিতে বাড়ছে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুযোগ

সহায়ক প্রযুক্তিতে বাড়ছে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুযোগ

নারী শিক্ষায় প্রযুক্তির বিস্তার, বদলে যাচ্ছে শেখার ধরন

নারী শিক্ষায় প্রযুক্তির বিস্তার, বদলে যাচ্ছে শেখার ধরন

প্রযুক্তি ব্যবহারে উন্নয়ন পাচ্ছে শিক্ষা স্বাস্থ্য ও অর্থনীতি

প্রযুক্তি ব্যবহারে উন্নয়ন পাচ্ছে শিক্ষা স্বাস্থ্য ও অর্থনীতি

চাকুরী

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ৫০তম বিসিএসের বহুল প্রত্যাশিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বুধবার সন্ধ্যায় পিএসসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই বিসিএসে মোট ২ হাজার ১৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হবে ১ হাজার ৭৫৫ জনকে এবং নন-ক্যাডারে ৩৯৫ জনকে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন যুক্ত পদসহ এবার প্রশাসন, পুলিশ, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের নিয়োগ হচ্ছে। ক্যাডার পদের মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ২০০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ১১৭ জন, স্বাস্থ্য ক্যাডারে সর্বোচ্চ ৬৫০ জন,

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

আন্তর্জাতিক

ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল টানাপোড়েন

ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল টানাপোড়েন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন ইসরায়েলের গোয়েন্দা তৎপরতা নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (ডিআইএ) সম্প্রতি তাদের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে ইসরায়েলি পাল্টা গোয়েন্দা হুমকির মাত্রা ‘সর্বোচ্চ’ বা ‘ক্রিটিক্যাল’ পর্যায়ে উন্নীত করেছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই বর্তমান ও এক সাবেক কর্মকর্তা। তাদের মতে, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি ও মধ্যপ্রাচ্যের জটিল কূটনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের তথ্য সংগ্রহে নজরদারি বাড়িয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ডিআইএ’র সাত পৃষ্ঠার একটি অভ্যন্তরীণ নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মানব-সোর্স ও প্রযুক্তিগত উভয় মাধ্যমেই ইসরায়েলের গোয়েন্দা সক্ষমতা এখন ‘সংকটজনক স্তরে’ পৌঁছেছে। একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, নথিতে সংযুক্ত একটি চার্টে ইসরায়েলি গোয়েন্দা তৎপরতাকে স্বাভাবিক মাত্রার বাইরে হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে ওয়াশিংটনে অবস্থিত ইসরায়েলি দূতাবাস এসব অভিযোগকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই প্রতিবেদনের দাবি বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। পেন্টাগন এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তবে প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের সতর্কবার্তা দুই দেশের দীর্ঘদিনের কৌশলগত সম্পর্কের ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষজ্ঞ এমিলি হার্ডিং বলেন, ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা অত্যন্ত সক্রিয় এবং তারা মার্কিন নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়া বোঝার ক্ষেত্রে আগ্রহী। এ ঘটনা এমন সময় সামনে এলো, যখন ইরান-ইসরায়েল সংঘাত এবং লেবানন পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে নীতিগত বিরোধ ক্রমেই বাড়ছে।

ইরানের অনড় অবস্থানে বিলম্বিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি: ট্রাম্প

ইরানের অনড় অবস্থানে বিলম্বিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি: ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের স্থায়ী অবসানে চুক্তি করতে সময় লাগছে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানি নেতারা এখনো নিজেদের অবস্থানে অনড় ও আত্মবিশ্বাসী থাকায় আলোচনার অগ্রগতি ধীরগতির। তবে শেষ পর্যন্ত তাদের চুক্তিতে আসা ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প থাকবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, “তারা শক্তিশালী, তারা গর্বিত। এমন কিছু বিষয় আছে যা তারা আগে কখনো করবে ভাবেনি, কিন্তু এখন করতে হবে। তাদের সামনে আর কোনো বিকল্প নেই। তবে এসব বিষয়ে সময় লাগে।” গত এপ্রিলে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি। সম্প্রতি হরমুজ প্রণালির কাছে পাল্টাপাল্টি

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান পুতিনের

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান পুতিনের

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানে সরাসরি আলোচনার উদ্যোগে নতুন করে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির দেওয়া মুখোমুখি বৈঠকের প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, বর্তমানে জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের কোনো প্রয়োজন তিনি দেখছেন না। গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এক খোলা চিঠিতে পুতিনকে সরাসরি আলোচনায় বসার আহ্বান জানান জেলেনস্কি। ওই চিঠিতে তিনি বলেন, ২০২২ সালে শুরু হওয়া যুদ্ধের অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় মধ্যস্থতার ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করা ঠিক হবে না। পাশাপাশি ইরানকে ঘিরে নতুন সংকটের কারণে ওয়াশিংটনের মনোযোগ অন্যদিকে সরে যাওয়ায় যুদ্ধবিরতি আলোচনাও কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন। তবে পুতিন এই উদ্যোগকে ‘অমার্জিত’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি

ভারতের অরুণাচলে ১৫ মসজিদ সিলগালা, বড় বিতর্ক শুরু

ভারতের অরুণাচলে ১৫ মসজিদ সিলগালা, বড় বিতর্ক শুরু

লেবাননে ইসরাইলি হামলা বন্ধের আহ্বান আইআরজিসির, যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান

লেবাননে ইসরাইলি হামলা বন্ধের আহ্বান আইআরজিসির, যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান

বিশ্ব মানচিত্র বদলের আশঙ্কা, ঝুঁকিতে একাধিক রাষ্ট্র

বিশ্ব মানচিত্র বদলের আশঙ্কা, ঝুঁকিতে একাধিক রাষ্ট্র

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে নির্বাচিত হলো পাঁচ নতুন দেশ

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে নির্বাচিত হলো পাঁচ নতুন দেশ

ইরান সংকট ঘিরে ওয়াশিংটন–জেরুজালেম টানাপোড়েন তীব্র

ইরান সংকট ঘিরে ওয়াশিংটন–জেরুজালেম টানাপোড়েন তীব্র

তৃণমূলে বড় ভাঙন, ৬০ বিধায়কের বিদ্রোহে নতুন সমীকরণ

তৃণমূলে বড় ভাঙন, ৬০ বিধায়কের বিদ্রোহে নতুন সমীকরণ

শিক্ষা

অনুমোদন বাতিলের হুঁশিয়ারিতে চাপে দেশের ১৪৭ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

অনুমোদন বাতিলের হুঁশিয়ারিতে চাপে দেশের ১৪৭ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

দেশের ১৪৭টি ডিপ্লোমা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদন কেন বাতিল বা প্রত্যাহার করা হবে না—এ বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থী ভর্তি না নেওয়ায় এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বোর্ডের পরিদর্শক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও সচিব মো. আল মাসুদ করিম স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। চিঠিতে বলা হয়, ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল এবং ডিপ্লোমা ইন অ্যাগ্রিকালচার শিক্ষাক্রমের অধীনে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন ধরে কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি করছে না। বোর্ড জানায়, এসব প্রতিষ্ঠানকে

প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা বদলে দিচ্ছে স্কুল-কলেজের চিত্র

প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা বদলে দিচ্ছে স্কুল-কলেজের চিত্র

২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা ৩১ ডিসেম্বর শুরুর পরিকল্পনা

২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা ৩১ ডিসেম্বর শুরুর পরিকল্পনা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মান প্রথম বর্ষে ভর্তির লড়াই আজ শুরু

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মান প্রথম বর্ষে ভর্তির লড়াই আজ শুরু

বিশেষ সংবাদ

ঈদে গরুর মাংসে সাতকরা চাই সিলেটবাসীর, দামের ঊর্ধ্বগতি

ঈদে গরুর মাংসে সাতকরা চাই সিলেটবাসীর, দামের ঊর্ধ্বগতি

পবিত্র কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারসহ সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন হাট-বাজারে বেড়েছে সাতকরার চাহিদা। সিলেটের ঐতিহ্যবাহী এই সুগন্ধি ফলটি গরুর মাংস রান্নার অন্যতম প্রধান উপাদান হিসেবে পরিচিত। ফলে ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাজারে ক্রেতাদের ভিড় বাড়ছে এবং সঙ্গে বাড়ছে দামও। মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ঝুড়িভর্তি সাতকরা নিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। ছোট আকারের সাতকরা প্রতি হালি ১১০ থেকে ১৪০ টাকায়, মাঝারি আকারের সাতকরা ১৩০ থেকে ১৮০ টাকায় এবং বড় আকারের সাতকরা ২০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে আকার...

প্রাণপ্রাচুর্য আর অপরূপ বর্ণালিতে মৌলভীবাজারকে রাঙিয়ে দিয়েছে প্রকৃতি

প্রাণপ্রাচুর্য আর অপরূপ বর্ণালিতে মৌলভীবাজারকে রাঙিয়ে দিয়েছে প্রকৃতি

দুই শতকের শ্রম, তবুও দারিদ্র্যের চক্রে চা শ্রমিকরা

দুই শতকের শ্রম, তবুও দারিদ্র্যের চক্রে চা শ্রমিকরা

সাতছড়ি উদ্যানে দেখা মিলল বিরল সিঁদুরে মৌটুসি পাখির

সাতছড়ি উদ্যানে দেখা মিলল বিরল সিঁদুরে মৌটুসি পাখির

শ্রীমঙ্গলে ফুটেছে দুর্লভ ক্যাসিয়া জাভানিকা ফুল, ছড়াচ্ছে মুগ্ধতা

শ্রীমঙ্গলে ফুটেছে দুর্লভ ক্যাসিয়া জাভানিকা ফুল, ছড়াচ্ছে মুগ্ধতা

সম্পাদকীয়

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ১৯৯১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত সময়কে এক অনন্য অধ্যায় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময়জুড়ে দেশের রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন দুই নারী নেত্রী , শেখ হাসিনা ও বেগম খালেদা জিয়া। একদিকে আওয়ামী লীগ, অন্যদিকে বিএনপি,  এই দুই দল এবং তাদের দুই নেত্রীর নেতৃত্বই মূলত বাংলাদেশের রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করেছে। ফলে এই সময়কে অনেকেই যথার্থভাবেই ‘দুই নেত্রীর যুগ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের অভ্যুত্থান বাংলাদেশের এই রাজনৈতিক ধারাবাহিকতায় বড় ধরনের ছেদ টেনেছে। গণআন্দোলনের মুখে শেখ

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

সীমান্তে ভারতীয় পুশ-ইন: বাংলাদেশে নতুন শরণার্থী সংকট আসছে কি ?

সীমান্তে ভারতীয় পুশ-ইন: বাংলাদেশে নতুন শরণার্থী সংকট আসছে কি ?

দেশজুড়ে আলোচিত রামিসা হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড

দেশজুড়ে আলোচিত রামিসা হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণায় বিচারক বলেন, আসামি সোহেল রানা তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ স্বীকার করেছে। হত্যার আগে শিশুটিকে ধর্ষণ করে সোহেল রানা। একই ঘটনায় তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার সহযোগিতা করে তাকে পালাতে সহায়তা করেছেন বলে আদালতে প্রমাণিত হয়। রায়ে আদালত দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। আদালতের এই রায়ে ঘটনাটি আবারও দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসে। উল্লেখ্য, গত ১৯ মে পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হলে মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে পুলিশ তদন্ত শেষ করে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে ২৪ মে মামলাটি দ্রুত বিচারের জন্য ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। ১ জুন বিচারকের অবকাশকালীন ছুটি বাতিল করে দুই আসামির বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা ও মরদেহ গোপনের অভিযোগ গঠন করা হয় এবং বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, সরকারের সদিচ্ছা ও দ্রুত বিচার কার্যক্রমের কারণে অল্প সময়েই রায় দেওয়া সম্ভব হয়েছে, যা বিচার ব্যবস্থার একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

আরও পড়ুন
১১ ঘণ্টা আগে
www.kidora.com.bd
ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল টানাপোড়েন

ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল টানাপোড়েন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন ইসরায়েলের গোয়েন্দা তৎপরতা নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (ডিআইএ) সম্প্রতি তাদের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে ইসরায়েলি পাল্টা গোয়েন্দা হুমকির মাত্রা ‘সর্বোচ্চ’ বা ‘ক্রিটিক্যাল’ পর্যায়ে উন্নীত করেছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই

ইরানের অনড় অবস্থানে বিলম্বিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি: ট্রাম্প

ইরানের অনড় অবস্থানে বিলম্বিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি: ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের স্থায়ী অবসানে চুক্তি করতে সময় লাগছে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানি নেতারা এখনো নিজেদের অবস্থানে অনড় ও আত্মবিশ্বাসী থাকায় আলোচনার অগ্রগতি ধীরগতির। তবে শেষ পর্যন্ত

বিচার শুধু রায় ঘোষণায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে

বিচার শুধু রায় ঘোষণায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে

দেশে ফিরেছেন ৩৭ হাজার ৪৩৫ জন বাংলাদেশি হাজি

দেশে ফিরেছেন ৩৭ হাজার ৪৩৫ জন বাংলাদেশি হাজি

সীমান্ত হত্যা: সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুললেন নাহিদ ইসলাম

সীমান্ত হত্যা: সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুললেন নাহিদ ইসলাম

তিন দিনের সফরে রাশিয়া গেলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

তিন দিনের সফরে রাশিয়া গেলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ শুরু

ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ শুরু

ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস আজ, বাঙালির মুক্তির সনদের স্মরণ

ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস আজ, বাঙালির মুক্তির সনদের স্মরণ

সর্বশেষ সংবাদ

জনপ্রিয়

বিচার শুধু রায় ঘোষণায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে

বিচার শুধু রায় ঘোষণায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে

ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল টানাপোড়েন

ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল টানাপোড়েন

দেশজুড়ে আলোচিত রামিসা হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড

দেশজুড়ে আলোচিত রামিসা হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড

দেশে ফিরেছেন ৩৭ হাজার ৪৩৫ জন বাংলাদেশি হাজি

দেশে ফিরেছেন ৩৭ হাজার ৪৩৫ জন বাংলাদেশি হাজি

সীমান্ত হত্যা: সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুললেন নাহিদ ইসলাম

সীমান্ত হত্যা: সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুললেন নাহিদ ইসলাম

তিন দিনের সফরে রাশিয়া গেলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

তিন দিনের সফরে রাশিয়া গেলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ শুরু

ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ শুরু

ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস আজ, বাঙালির মুক্তির সনদের স্মরণ

ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস আজ, বাঙালির মুক্তির সনদের স্মরণ

রামিসা হত্যা মামলার রায় আজ, শেষ হচ্ছে আলোচিত বিচারিক প্রক্রিয়া

রামিসা হত্যা মামলার রায় আজ, শেষ হচ্ছে আলোচিত বিচারিক প্রক্রিয়া

আজ বিসিবি নির্বাচন, নির্ধারিত হবে নতুন নেতৃত্ব

আজ বিসিবি নির্বাচন, নির্ধারিত হবে নতুন নেতৃত্ব
https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

সারাদেশ

বিচার শুধু রায় ঘোষণায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে

বিচার শুধু রায় ঘোষণায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে

মিরপুরে আলোচিত শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় শুনতে এসে ন্যায়বিচার বাস্তবায়ন নিয়ে কঠোর বার্তা দিয়েছেন জুলাই আন্দোলনে নিহত মিরাজুল ইসলাম মিরাজের বাবা আব্দুস সালাম। তিনি বলেন, শুধু দোষীদের ফাঁসির রায় দিলেই হবে না, সেই রায় যেন কার্যকর হয় সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। তবেই তার পরিবারসহ দেশের অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার কিছুটা শান্তি পাবে। আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আব্দুস সালাম বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন যেন আইনে কোনো দুর্বলতা বা ফাঁকফোকর না থাকে। তার আশঙ্কা, বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘ হলে...

দেশে ফিরেছেন ৩৭ হাজার ৪৩৫ জন বাংলাদেশি হাজি

দেশে ফিরেছেন ৩৭ হাজার ৪৩৫ জন বাংলাদেশি হাজি

রামিসা হত্যা মামলার রায় আজ, শেষ হচ্ছে আলোচিত বিচারিক প্রক্রিয়া

রামিসা হত্যা মামলার রায় আজ, শেষ হচ্ছে আলোচিত বিচারিক প্রক্রিয়া

আজ বিসিবি নির্বাচন, নির্ধারিত হবে নতুন নেতৃত্ব

আজ বিসিবি নির্বাচন, নির্ধারিত হবে নতুন নেতৃত্ব

ঢাকা মহানগর এখন বসবাসের অযোগ্য: মির্জা ফখরুল

ঢাকা মহানগর এখন বসবাসের অযোগ্য: মির্জা ফখরুল

জাতীয়

দেশজুড়ে আলোচিত রামিসা হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণায় বিচারক বলেন, আসামি সোহেল রানা তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ স্বীকার করেছে। হত্যার আগে শিশুটিকে ধর্ষণ করে সোহেল রানা। একই ঘটনায় তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার সহযোগিতা করে তাকে পালাতে সহায়তা করেছেন বলে আদালতে প্রমাণিত হয়। রায়ে আদালত দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। আদালতের এই রায়ে ঘটনাটি আবারও দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসে। উল্লেখ্য, গত ১৯ মে পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হলে মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে পুলিশ তদন্ত শেষ করে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে ২৪ মে মামলাটি দ্রুত বিচারের জন্য ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। ১ জুন বিচারকের অবকাশকালীন ছুটি বাতিল করে দুই আসামির বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা ও মরদেহ গোপনের অভিযোগ গঠন করা হয় এবং বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, সরকারের সদিচ্ছা ও দ্রুত বিচার কার্যক্রমের কারণে অল্প সময়েই রায় দেওয়া সম্ভব হয়েছে, যা বিচার ব্যবস্থার একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

দেশজুড়ে আলোচিত রামিসা হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড
তিন দিনের সফরে রাশিয়া গেলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

তিন দিনের সফরে রাশিয়া গেলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ শুরু

ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ শুরু

ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস আজ, বাঙালির মুক্তির সনদের স্মরণ

ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস আজ, বাঙালির মুক্তির সনদের স্মরণ

ভিডিও সংবাদ

Card Image

হিলিতে শিক্ষার্থীদের মাঝে ৩৮০০ ফলজ ও ওষুধি গাছের চারা বিতরণ

Card Image

🔴 “একই পরিবারের ৩ জনকে হত্যা!”🔍 “কুমিল্লায় নৃশংস খুন!”

Card Image

শেষ ঠিকানার কারিগর মনু মিয়া আর নেই, প্রায় ৩ হাজার কবর খোঁরেছিলেন তিনি || Enews71

Card Image

হিলি স্থলবন্দরে উন্নয়নের নামে কোটি কোটি টাকা শোষণ করা হয়েছে- সারজিস আলম

Card Image

জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে এসে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন বিএনপি'র মহাসচিব মির্জা ফখরুল

Card Image

'পলো বাওয়া’ উৎসবে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড়

Card Image

ভোগান্তির আরেক নাম পটুয়াখালী বাস টার্মিনাল, সড়কে যানজট বাড়ছে দুর্ঘটনা

Card Image

নওগাঁয় ঐতিহ্যবাহী পুকুরে হাঁস ধরা উৎসব | enews71

Card Image

সেনা কর্মকর্তা তানজিম হ'ত্যা'র ঘটনায় যেভাবে আট'ক হলেন তারা | enews71 | tazim |sena |army

Card Image

মেট্রোরেল যাচ্ছে সদরঘাট : দুর হচ্ছে পুরান ঢাকাবাসীর কস্ট | enews71 | metro | Dhaka metro rail

লাইফস্টাইল

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ভালোবাসা পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি। ‘মা’ শব্দটি শুধু একটি সম্বোধন নয়, বরং স্নেহ, মমতা, ত্যাগ ও অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রতীক। জন্মের পর মানুষের মুখে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত শব্দও ‘মা’। সেই মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানাতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্ব মা দিবস উদযাপন করা হয়। যদিও মাকে ভালোবাসা প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট কোনো দিন প্রয়োজন হয় না, তবুও বিশেষভাবে মায়েদের সম্মান জানাতেই দিনটি আলাদাভাবে পালিত হয়। ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়,

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন