সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬২ ভাদ্র, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

আপনার এলাকার খবর

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg
https://enews71.com/storage/ads/01KTB48CFAEJRYTN4T9G053ER9.png
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png

শিক্ষা

এসএসসি ফল নিয়ে অসন্তুষ্টদের খাতা চ্যালেঞ্জের সুযোগ শুরু আজ

এসএসসি ফল নিয়ে অসন্তুষ্টদের খাতা চ্যালেঞ্জের সুযোগ শুরু আজ

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রত্যাশামতো না এলে হতাশ হওয়ার কারণ নেই। ফল নিয়ে অসন্তুষ্ট পরীক্ষার্থীদের জন্য শুরু হয়েছে খাতা চ্যালেঞ্জ বা ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন। মঙ্গলবার ১১ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া এ আবেদন চলবে আগামী ১৭ আগস্ট পর্যন্ত। এবার নতুন পদ্ধতিতে প্রতি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা ফি দিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক চিঠিতে জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য শিক্ষার্থীদের রোল ও নিবন্ধন নম্বর দিয়ে নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালে প্রবেশ

যে কারণে ফেলের হার বেশি, যা বললেন ঢাকা বোর্ড চেয়ারম্যান

যে কারণে ফেলের হার বেশি, যা বললেন ঢাকা বোর্ড চেয়ারম্যান

এসএসসিতে ৩১২ প্রতিষ্ঠানে এবারও পাস করেনি কেউই

এসএসসিতে ৩১২ প্রতিষ্ঠানে এবারও পাস করেনি কেউই

এসএসসিতে পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ

এসএসসিতে পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ

বিশেষ সংবাদ

শ্রীমঙ্গলে কাঁটায় ভরা ক্যাকটাসে রাতজাগা ফুলের মুগ্ধতা

শ্রীমঙ্গলে কাঁটায় ভরা ক্যাকটাসে রাতজাগা ফুলের মুগ্ধতা

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার বিদ্যাবিল টি এস্টেটে দেখা মিলেছে বিরল একাধিক ফুলের কুঁড়ি বহনকারী কলামার ক্যাকটাসের। দৃষ্টিনন্দন এই ক্যাকটাসের সবুজ কাণ্ডের বিভিন্ন অংশে ফুটেছে সবুজ-হলুদ ফুল। কাঁটায় ভরা উদ্ভিদটির এমন ব্যতিক্রমী ফুল স্থানীয়দের পাশাপাশি উদ্ভিদপ্রেমীদেরও কৌতূহলী করে তুলেছে। ক্যাকটাস নানা বর্ণ ও বৈচিত্র্যের হয়ে থাকে। কোনো প্রজাতিতে কাঁটা কম, কোনোটি কাঁটায় ভরা। মরু অঞ্চলের উদ্ভিদ হলেও ঘরের গাছ হিসেবেও ক্যাকটাসের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। পানি স্বল্পতার পরিবেশে টিকে থাকার জন্য এর কাণ্ডে পানি জমা থাকে। সবুজ ও মাংসল কাণ্ডই পাতার মতো সালোকসংশ্লেষণের কাজ করে।...

বিলুপ্তির শঙ্কা কাটিয়ে মৌলভীবাজারে ফিরছে পাহাড়ি ফল চাম কাঁঠাল

বিলুপ্তির শঙ্কা কাটিয়ে মৌলভীবাজারে ফিরছে পাহাড়ি ফল চাম কাঁঠাল

৯০ বছরেও আয়তন বাড়েনি, শ্রীমঙ্গলে স্থাপন হয়নি স্থায়ী ‘ময়লার ডাম্পিং স্টেশন'

৯০ বছরেও আয়তন বাড়েনি, শ্রীমঙ্গলে স্থাপন হয়নি স্থায়ী ‘ময়লার ডাম্পিং স্টেশন'

ভূমি ধসের নীরব সংকটে বিপদে প্রাচ্যের ভেনিস বরিশাল

ভূমি ধসের নীরব সংকটে বিপদে প্রাচ্যের ভেনিস বরিশাল

অযত্নে বিলীনের পথে শ্রীমঙ্গলের সাড়ে ৩৫০ বছরের ‘কামিনী ভবন’

অযত্নে বিলীনের পথে শ্রীমঙ্গলের সাড়ে ৩৫০ বছরের ‘কামিনী ভবন’

চাকুরী

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ৫০তম বিসিএসের বহুল প্রত্যাশিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বুধবার সন্ধ্যায় পিএসসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই বিসিএসে মোট ২ হাজার ১৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হবে ১ হাজার ৭৫৫ জনকে এবং নন-ক্যাডারে ৩৯৫ জনকে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন যুক্ত পদসহ এবার প্রশাসন, পুলিশ, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের নিয়োগ হচ্ছে। ক্যাডার পদের মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ২০০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ১১৭ জন, স্বাস্থ্য ক্যাডারে সর্বোচ্চ ৬৫০ জন,

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

আন্তর্জাতিক

মার্কিন সেনা ধরলে ৩০ হাজার ডলার পুরস্কার দেবে ইরান

মার্কিন সেনা ধরলে ৩০ হাজার ডলার পুরস্কার দেবে ইরান

মার্কিন কোনো সেনাসদস্যকে হত্যা বা আটক করে ইরানের কাছে হস্তান্তর করতে পারলে ৩০ হাজার মার্কিন ডলার পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। কোনো নারী এ ধরনের কাজে অংশ নিলে পুরস্কারের পরিমাণ দ্বিগুণ করা হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামি। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। রোববার ইরানের সেনাবাহিনী এ ঘোষণা দেয়। ইরনাকে দেওয়া বক্তব্যে আমির হাতামি বলেন, আর্থিক সহায়তা কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুলসংখ্যক অনুরোধ আসার পরিপ্রেক্ষিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, কোনো ব্যক্তি মার্কিন সামরিক বাহিনীর কোনো সদস্যকে হত্যা বা আটক করে ইরানের কাছে হস্তান্তর করলে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তাকে ৩০ হাজার ডলার সমপরিমাণ অর্থ পুরস্কার দেওয়া হবে। সাহসী কোনো ইরানি নারী একই কাজ করলে তাকে দ্বিগুণ অর্থ দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। তবে মার্কিন সেনাদের কোথায় বা কখন লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে কিংবা তাদের আটকের চেষ্টা কীভাবে চালানো হবে, সে বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি হাতামি। চলমান সংঘাতে ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী মোতায়েনের খবর পাওয়া যায়নি। তবে এপ্রিলে একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর উদ্ধার অভিযানে মার্কিন সেনারা অংশ নিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। ইরানের এই ঘোষণা দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরও আলোচনায় এনেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মধ্য দিয়ে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। প্রায় ৪০ দিন ধরে সংঘাত চলার পর এপ্রিলে যুদ্ধবিরতি হয়। পরে জুনে শান্তি আলোচনা শুরুর জন্য একটি কাঠামো নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হলেও শেষ পর্যন্ত তা ভেস্তে যায়। এরপর থেকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিক্ষিপ্ত পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রয়েছে।

ডলার দুর্বলতায় আন্তর্জাতিক বাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম

ডলার দুর্বলতায় আন্তর্জাতিক বাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম

মার্কিন ডলার দুর্বল হওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে সাম্প্রতিক দুর্বলতার কারণে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা কমেছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ০.৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৯১ দশমিক ০৭ ডলারে উঠেছে। এর আগে গত সপ্তাহে স্বর্ণের দাম দুই মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। এদিকে ডিসেম্বর ডেলিভারির জন্য মার্কিন গোল্ড ফিউচারের দাম ০.৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৪৪৮ দশমিক ১০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে মার্কিন ডলার সূচক কমেছে ০.১ শতাংশ। ফলে অন্যান্য মুদ্রায় লেনদেনকারী বিনিয়োগকারীদের কাছে ডলারে মূল্য নির্ধারিত স্বর্ণ

৩ লাখ রোহিঙ্গাকে রাখাইনে ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার

৩ লাখ রোহিঙ্গাকে রাখাইনে ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ৩ লাখ ৮ হাজার ৯৭৫ জন রোহিঙ্গাকে রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে মিয়ানমার। রাখাইনের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে তাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সোমবার আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যাচাই-বাছাই শেষে ৩ লাখ ৮ হাজার ৯৭৫ জন বাস্তুচ্যুত মানুষকে রাখাইনের বাসিন্দা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে রাখাইনের নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তাদের প্রত্যাবাসন কার্যকর হবে না। মিয়ানমারের এই স্বীকৃতি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় নতুন একটি বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব ও মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা না থাকায় এর আগে একাধিকবার প্রত্যাবাসনের

পশ্চিমবঙ্গে হোটেলে ভয়াবহ আগুন, প্রাণ গেল ছয় পুণ্যার্থীর

পশ্চিমবঙ্গে হোটেলে ভয়াবহ আগুন, প্রাণ গেল ছয় পুণ্যার্থীর

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম স্থির, কমেছে ডব্লিউটিআই

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম স্থির, কমেছে ডব্লিউটিআই

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের প্রস্তাবে দক্ষিণ কোরিয়ার সরাসরি না

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের প্রস্তাবে দক্ষিণ কোরিয়ার সরাসরি না

হরমুজ প্রণালী ইরানেরই থাকবে, জানালেন উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী

হরমুজ প্রণালী ইরানেরই থাকবে, জানালেন উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরানের খাড়গ দ্বীপে দীর্ঘ বিরতির পর তেল লোডিং

ইরানের খাড়গ দ্বীপে দীর্ঘ বিরতির পর তেল লোডিং

ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, ধসে পড়ল বহু ভবন

ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, ধসে পড়ল বহু ভবন

আইন-আদালত

জুলাই আন্দোলনে উসকানির অভিযোগে আসামি হচ্ছেন তিন সাংবাদিক

জুলাই আন্দোলনে উসকানির অভিযোগে আসামি হচ্ছেন তিন সাংবাদিক

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে আন্দোলনবিরোধী বক্তব্য ও প্রচারণার মাধ্যমে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে তিন সাংবাদিক—শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল হক বাবু ও ফারজানা রুপাকে আসামি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাদের আগামী ২৪ আগস্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ হাজির করতে জেল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। সোমবার প্রসিকিউশনের আবেদনের পর ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন। তাদের আদালতে হাজির করা হলে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে বলে জানানো হয়েছে। প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালকে জানানো হয়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত একটি সংবাদ সম্মেলনে এই

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

আন্দোলনের খবর ঠেকাতে টিভি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন কাদের

আন্দোলনের খবর ঠেকাতে টিভি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন কাদের

সাদ্দাম-ইনানকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার নির্দেশ দেন কাদের

সাদ্দাম-ইনানকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার নির্দেশ দেন কাদের

বিনোদন

জন্মের পর অন্য পরিবারের কাছে চলে গিয়েছিলেন রানি মুখার্জি

জন্মের পর অন্য পরিবারের কাছে চলে গিয়েছিলেন রানি মুখার্জি

বলিউড অভিনেত্রী রানি মুখার্জির জীবনের এক অবাক করা ঘটনা দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে। জন্মের পর হাসপাতালের এক ভুলে তিনি অন্য এক পরিবারের কাছে চলে গিয়েছিলেন। পরে তার মা কৃষ্ণা মুখার্জির তৎপরতায় তিনি নিজের প্রকৃত পরিবারের কাছে ফিরে আসেন। ১৯৭৮ সালের ২১ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন রানি মুখার্জি। তিনি চলচ্চিত্র নির্মাতা রাম মুখার্জি ও কৃষ্ণা মুখার্জির মেয়ে। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, জন্মের পর হাসপাতালের এক নার্সের ভুলে তাকে একটি পাঞ্জাবি দম্পতির নবজাতকের সঙ্গে অদলবদল করা হয়েছিল। রানির ভাষ্য অনুযায়ী, তার মা শিশুটিকে দেখেই সন্দেহ করেন। কারণ নবজাতকের চোখের রং তার সন্তানের চোখের রঙের সঙ্গে মিলছিল না। বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি দ্রুত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানান যে শিশুটি তার নয় এবং নিজের সন্তানকে খুঁজে বের করার দাবি জানান। এরপর হাসপাতালজুড়ে অনুসন্ধান চালিয়ে ওই পাঞ্জাবি দম্পতির কাছ থেকে রানিকে উদ্ধার করা হয়। পরে দুই নবজাতককে তাদের প্রকৃত পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। রানি জানান, পরবর্তী সময়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটি নিয়ে প্রায়ই হাস্যরস করতেন। অনেকে মজা করে বলতেন, তিনি আসলে পাঞ্জাবি পরিবারের সন্তান, ভুল করে মুখার্জি পরিবারে বড় হয়েছেন। ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নবজাতকদের পরিচয়পত্র লাগানোর সময় দায়িত্বে থাকা এক নার্সের ভুলেই এই অদলবদলের ঘটনা ঘটেছিল। বর্তমানে এই ঘটনাটি রানির জীবনের অন্যতম আলোচিত স্মৃতি হিসেবে পরিচিত।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে মুখ খুললেন সালমান খান

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে মুখ খুললেন সালমান খান

শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়ে মুখ খুলেছেন বলিউড অভিনেতা সালমান খান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক দীর্ঘ বার্তায় তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসকে ‘অত্যন্ত গুরুতর বিষয়’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ না দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রশংসা করে আহতদের প্রতি সমবেদনা জানান। সালমান খান লেখেন, আন্দোলনটি শুরু হয়েছিল অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে। তবে শেষ পর্যন্ত তা সহিংসতায় রূপ নেওয়ায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস একটি অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা। দেশের তরুণেরা উন্নত শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে এবং তাঁদের অভিভাবকেরাও পাশে দাঁড়িয়েছেন—এটি ইতিবাচক একটি বিষয়। তিনি আরও বলেন, নিষ্ঠা, সততা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়তে এবং আরও শিক্ষিত ভারত গঠনের যে আগ্রহ শিক্ষার্থীরা দেখিয়েছে, তা প্রশংসার দাবিদার। তাঁর ভাষায়, আন্দোলন বা প্রতিবাদ গণতান্ত্রিক অধিকারের অংশ এবং শিক্ষার্থীরা তা শান্তিপূর্ণভাবেই করেছে। শিক্ষা নিয়ে সচেতন এই প্রজন্ম একদিন ভারতের জন্য গৌরব বয়ে আনবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। পোস্টের শেষাংশে সালমান খান বলেন, এটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষাব্যবস্থার বিষয়। তাই একে রাজনৈতিক রং দেওয়া উচিত নয়। তাঁর বিশ্বাস, সরকারও শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবে এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তিনি শিক্ষার্থীদের মঙ্গল কামনাও করেন। শিক্ষাব্যবস্থায় সংস্কার এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের পদত্যাগের দাবিতে রাজধানী দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়। সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার সময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। অভিযোগ রয়েছে, পুলিশ লাঠিপেটা ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করেছে, যাতে বহু শিক্ষার্থী আহত ও অসুস্থ হয়েছেন। তবে সহিংসতার জন্য উভয় পক্ষই একে অপরকে দায়ী করেছে। এর আগে চলচ্চিত্র অঙ্গনের

সম্পাদকীয়

    চীন-করিডোর: সুযোগ নাকি কৌশলগত পরীক্ষা?

চীন-করিডোর: সুযোগ নাকি কৌশলগত পরীক্ষা?

বিশ্ব রাজনীতিতে বন্ধু কিংবা প্রতিপক্ষ এই পরিচয়গুলো সময়ের সঙ্গে বদলে যায়। কিন্তু একটি বিষয় কখনো বদলায় না, সেটি হলো অর্থনৈতিক স্বার্থ। আধুনিক বিশ্বে যে রাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার প্রভাবও তত বেশি। ফলে আদর্শিক মতভেদ থাকলেও বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দেশগুলোকে একে অপরের সঙ্গে কাজ করতেই হয়। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। সম্প্রতি বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনকে ঘিরে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক করিডোর নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টিকে রাজনৈতিক আবেগ কিংবা পক্ষ-বিপক্ষের দৃষ্টিভঙ্গিতে না দেখে রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থের আলোকে মূল্যায়ন করা জরুরি। যেকোনো

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

ধর্ম

জুমার দিনে মুমিনের জন্য বিশেষ রহমত ও বরকত

জুমার দিনে মুমিনের জন্য বিশেষ রহমত ও বরকত

ইসলাম ধর্মে জুমার দিনটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ। প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার মুসলমানদের জন্য বিশেষ ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুযোগ নিয়ে আসে। এ দিনকে কেন্দ্র করে মুসলিম সমাজে নামাজ, দোয়া, কোরআন তিলাওয়াত ও নেক আমলের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। জুমার দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো জুমার নামাজ আদায় করা। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ মুসলমানদের জন্য জুমার নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এ নামাজের আগে খুতবা দেওয়া হয়। খুতবার সময় মনোযোগ দিয়ে তা শোনা এবং অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে বিরত থাকা

সবর ও তাওয়াক্কুলে মুমিনের শক্তি

সবর ও তাওয়াক্কুলে মুমিনের শক্তি

ঈমানের দৃঢ়তা মুমিনের জীবনে এনে দেয় প্রকৃত শান্তি

ঈমানের দৃঢ়তা মুমিনের জীবনে এনে দেয় প্রকৃত শান্তি

জুমার দিনের বিশেষ আমলে রহমত বরকত ক্ষমার অশেষ সুযোগ

জুমার দিনের বিশেষ আমলে রহমত বরকত ক্ষমার অশেষ সুযোগ

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি

বুধবার পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ, অন্ধকারে ঢাকবে পৃথিবীর যেসব অঞ্চল

বুধবার পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ, অন্ধকারে ঢাকবে পৃথিবীর যেসব অঞ্চল

মহাজাগতিক বিরল এক ঘটনার সাক্ষী হতে যাচ্ছে পৃথিবী। বুধবার ১২ আগস্ট পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ হবে। প্রায় দুই বছর পর সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করায় চাঁদের প্রচ্ছায়ায় ঢেকে যাবে সূর্যের পুরো ডিস্ক। ফলে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় দিনের আলো কয়েক মুহূর্তের জন্য বদলে যাবে গাঢ় অন্ধকারে। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গ্রিনিচ মান সময় বিকেল ৩টা ৩৪ মিনিটে সূর্যগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হবে। বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৩৪ মিনিটে গ্রহণ শুরু হবে। তবে বাংলাদেশ থেকে সরাসরি এ গ্রহণ দেখা যাবে না। এবারের

ফেসবুক বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধে বিকাশ যুক্ত করার উদ্যোগ মেটার

ফেসবুক বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধে বিকাশ যুক্ত করার উদ্যোগ মেটার

এআই যুগে বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তি বিশ্বের ভবিষ্যৎ

এআই যুগে বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তি বিশ্বের ভবিষ্যৎ

মানুষের মতো কথোপকথনে বড় অগ্রগতি আনছে চ্যাটজিপিটির ভয়েস প্রযুক্তি

মানুষের মতো কথোপকথনে বড় অগ্রগতি আনছে চ্যাটজিপিটির ভয়েস প্রযুক্তি

লাইফস্টাইল

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ভালোবাসা পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি। ‘মা’ শব্দটি শুধু একটি সম্বোধন নয়, বরং স্নেহ, মমতা, ত্যাগ ও অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রতীক। জন্মের পর মানুষের মুখে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত শব্দও ‘মা’। সেই মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানাতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্ব মা দিবস উদযাপন করা হয়। যদিও মাকে ভালোবাসা প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট কোনো দিন প্রয়োজন হয় না, তবুও বিশেষভাবে মায়েদের সম্মান জানাতেই দিনটি আলাদাভাবে পালিত হয়। ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়,

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

সারাদেশ

পায়রা বন্দরের কাছে ঝড়ে ডুবল মাছ ধরার ট্রলার, ১০ জেলে উদ্ধার

পায়রা বন্দরের কাছে ঝড়ে ডুবল মাছ ধরার ট্রলার, ১০ জেলে উদ্ধার

পটুয়াখালীর পায়রা বন্দর সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে মাছ ধরার একটি ট্রলার ডুবে গেছে। এ সময় ট্রলারে থাকা ১০ জেলেকে অপর দুটি ট্রলারের জেলেরা উদ্ধার করে নিরাপদে তীরে নিয়ে এসেছেন। সোমবার সকাল ৭টার দিকে বঙ্গোপসাগরের হাইরের চর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে জেলেরা নিরাপদে ফিরলেও ডুবে যাওয়া ট্রলার ও তাতে থাকা মাছ ধরার সরঞ্জাম উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ট্রলারের মালিক শামিম রেজা জানান, সোমবার ভোর রাতে পটুয়াখালীর ধুলাসার ইউনিয়নের আশাখালী এলাকা থেকে ১০ মাঝিমাল্লা নিয়ে ট্রলারটি মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে সমুদ্রে রওনা...

ছয় মাসের কার্যক্রম নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মতবিনিময় আজ

ছয় মাসের কার্যক্রম নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মতবিনিময় আজ

রাঙ্গামাটিতে পিকআপ উল্টে নারীসহ নিহত চার, আহত দুই

রাঙ্গামাটিতে পিকআপ উল্টে নারীসহ নিহত চার, আহত দুই

দৌলতদিয়া ফেরিঘাট ও ওয়েব্রিজ স্কেল পরিদর্শনে বিআইডব্লিউটিসি চেয়ারম্যান

দৌলতদিয়া ফেরিঘাট ও ওয়েব্রিজ স্কেল পরিদর্শনে বিআইডব্লিউটিসি চেয়ারম্যান

খালেদা জিয়ার ৮২ তম জন্মদিনে হিলিতে দোয়া ও খাবার বিতরণ

খালেদা জিয়ার ৮২ তম জন্মদিনে হিলিতে দোয়া ও খাবার বিতরণ

মতামত

Card Image

জিয়াউল হক

একক লড়াইয়ে ইসলামী আন্দোলন !

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো জোটে না থেকে এককভাবে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১১ দলীয় জোটে তারা আর থাকছে না এবং নিজের শক্তির ওপর ভর করেই নির্বাচনী মাঠে নামবে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশের ২৬৮টি আসনে প্রার্থী দেবে। দীর্ঘদিন ধরে জোট রাজনীতির বাইরে থেকে স্বতন্ত্র অবস্থান ধরে রাখার যে নীতি দলটি অনুসরণ করে আসছে, এই সিদ্ধান্ত তারই ধারাবাহিকতা বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। এর আগে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন একটি জোট সমঝোতার অংশ হিসেবে কিছু আসন খালি রাখার উদ্যোগ নেয়। সেখানে প্রায় ৫০টি আসন ছাড় দেওয়ার আলোচনা থাকলেও চরমোনাই পীর মুফতি রেজাউল করিমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন সেই প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি। বরং দলটি শুরু থেকেই এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান নেয়। দলীয় নেতারা বলছেন, জনগণের প্রত্যাশা ও ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাজনীতির বিস্তারের লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জোট রাজনীতির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে সরাসরি ভোটারদের কাছে নিজেদের বার্তা পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল উদ্দেশ্য। এদিকে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একটি গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের প্রাথমিক ধাপ শেষ হয়েছে এবং এখন আপিল নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া চলছে। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ২০ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণায় নামতে পারবেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

শহীদ নূর হোসেন থেকে শহীদ ওসমান হাদি: রাষ্ট্র কি বদলেছে?

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু মৃত্যু সময়কে ভাগ করে দেয়—আগের বাংলাদেশ আর পরের বাংলাদেশ। ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেনের মৃত্যু যেমন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনকে নতুন গতি দিয়েছিল, তেমনি ২০২৫ সালে শহীদ ওসমান হাদির মৃত্যু আজকের রাষ্ট্রব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে কঠিন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। নূর হোসেন ছিলেন একজন সাধারণ মানুষ। কোনো বড় পদ, ক্ষমতা বা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা তার ছিল না। তবুও তিনি বুক-পিঠে লেখা দুটি বাক্য—‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ ও ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’—নিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন। রাষ্ট্র তখন প্রকাশ্য স্বৈরশাসনের অধীনে ছিল। গুলির মুখে দাঁড়িয়ে নূর হোসেন দেখিয়ে দিয়েছিলেন, গণতন্ত্র কেবল রাজনৈতিক দল নয়, সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগেই বেঁচে থাকে। তার রক্তের দাগ মুছে যায়নি; বরং তা ইতিহাসে চিহ্ন হয়ে রয়ে গেছে। অন্যদিকে শহীদ ওসমান হাদি ছিলেন একটি প্রজন্মের কণ্ঠস্বর। তিনি কোনো সামরিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে নয়, বরং তথাকথিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভেতরের ব্যর্থতা, বৈষম্য ও নিরাপত্তাহীনতার বিরুদ্ধে কথা বলছিলেন। দিনের আলোয় রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে রিকশায় বসে থাকা একজন রাজনৈতিক কর্মী গুলিবিদ্ধ হন—এটি শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়, এটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রকাশ্য ভেঙে পড়ার ঘোষণা। নূর হোসেনের সময় রাষ্ট্র বলত, “আমরা স্বৈরাচার, তাই দমন করব।” হাদির সময় রাষ্ট্র বলে, “আমরা গণতান্ত্রিক, কিন্তু অপরাধ ঠেকাতে পারছি না।” এই দুই বক্তব্যের মাঝখানে পার্থক্য থাকলেও ফলাফল এক—একজন নাগরিক নিহত। সবচেয়ে বেদনাদায়ক প্রশ্ন হলো, নূর হোসেনের আত্মত্যাগের ৩৮ বছর পরও কেন হাদির

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

৭ই নভেম্বর: স্বাধীনতা-গণতন্ত্র-সংহতি: এক দিনে তিন প্রতীক

বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে ৭ নভেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ‘মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পরিচিত এই দিনটি ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার পটভূমিতে সিপাহী-জনতার অভ্যুদয়ের প্রতীক হয়ে উঠে। দিনটি নিয়ে নানা মত ও ব্যাখ্যা থাকলেও এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না। কারণ, এই দিনের ঘটনাপ্রবাহ রাষ্ট্রের সামগ্রিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসে এবং জাতীয় রাজনীতির গতিপথে এক নতুন ধারা সূচনা করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর রাষ্ট্রে তীব্র অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। সামরিক, প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে নতুন ক্ষমতার সমীকরণ গড়ে উঠতে থাকে। এরপর ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে হত্যা এবং ক্ষমতার পালাবদলের ধারাবাহিকতায় ৭ নভেম্বর এক বিশেষ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সৈনিকদের একটি অংশ এবং জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সেদিনের ঘটনাকে কেউ বিপ্লব, কেউ সামরিক অভ্যুত্থান এবং কেউ জাতীয় ঐক্যের স্ফুরণ হিসেবে উল্লেখ করেন। এই দিবসটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কারণে। সেই সময় বন্দী অবস্থায় থাকা তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে মুক্তি পান এবং পরবর্তী সময়ে তিনি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব হাতে নেন। জিয়া রাষ্ট্রপরিচালনায় আসার পর বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর নতুন রাজনীতিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয় বলে মতামত রয়েছে। ৭ নভেম্বরকে একদলীয় শাসনের অবসান ও বহু মত-চিন্তার উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরির সূচনা হিসেবে দেখেন অনেক বিশ্লেষক।

রাজনীতি

খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে প্রথম জন্মদিন, স্মরণে পুরো বাংলাদেশ

বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘ সংগ্রাম, গণতন্ত্রের আন্দোলন এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের এক অনন্য অধ্যায়ের নাম বেগম খালেদা জিয়া। আজ ১৫ আগস্ট তাঁর ৮১তম জন্মবার্ষিকী স্মরণ করা হচ্ছে। তবে এবার এই দিনটি এসেছে গভীর শোকের আবহে। গত ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে জলপাইগুড়িতে জন্ম নেওয়া খালেদা খানম পুতুল শৈশবের বড় অংশ কাটান দিনাজপুরে। তাঁর বাবা ইস্কান্দার মজুমদার ও মা তৈয়বা মজুমদার। দিনাজপুরের সেন্ট জোসেফ কনভেন্টে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণের পর তিনি দিনাজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৬০ সালে ম্যাট্রিকুলেশন এবং ১৯৬৩ সালে দিনাজপুর সুরেন্দ্রনাথ কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন। ১৯৬০ সালের ৫ আগস্ট সেনাবাহিনীর তরুণ কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার পর খালেদা জিয়াকেও নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে সময় কাটাতে হয়। দুই সন্তানসহ তিনি আত্মগোপনে ছিলেন এবং পরে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে বন্দী হন। স্বাধীনতার পর তিনি সাধারণ গৃহবধূ হিসেবেই জীবন কাটাচ্ছিলেন। ১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর দলের নেতা-কর্মীদের আহ্বানে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হন। ১৯৮২ সালে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণ এবং ১৯৮৪ সালে চেয়ারপারসনের দায়িত্ব নেওয়ার পর ধীরে ধীরে তিনি জাতীয় রাজনীতির অন্যতম প্রধান নেতায় পরিণত হন। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা তাঁকে ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে পরিচিত করে। ১৯৯১ সালের নির্বাচনের পর তিনি দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। পরবর্তী সময়ে আরও দুই দফা প্রধানমন্ত্রী হন তিনি। তাঁর রাজনৈতিক জীবনে একাধিকবার গ্রেপ্তার, কারাবরণ, আন্দোলন, রাজনৈতিক সংঘাত ও প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। ২০০৭

খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে প্রথম জন্মদিন, স্মরণে পুরো বাংলাদেশ
রাকিবের বিদায়বার্তা, যেকোনো সময় ছাত্রদলের নতুন কমিটি

রাকিবের বিদায়বার্তা, যেকোনো সময় ছাত্রদলের নতুন কমিটি

রিজভী আহমেদ হলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব

রিজভী আহমেদ হলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব

রাষ্ট্রপতি প্রার্থী চূড়ান্তে জরুরি বৈঠকে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব

রাষ্ট্রপতি প্রার্থী চূড়ান্তে জরুরি বৈঠকে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব

প্রতিবেশী

হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে ঢাকার ধারাবাহিক দাবির মধ্যে ভারতের অবস্থান আরও স্পষ্ট হয়েছে। দেশটির শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রত্যর্পণের বিষয়ে কোনো রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, শেষ পর্যন্ত ভারতের আদালতই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। ভারতীয় কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে প্রত্যর্পণের আনুষ্ঠানিক অনুরোধ এলে সেটি দেশটির বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। অভিযোগগুলো ভারতের আইন অনুযায়ীও অপরাধ হিসেবে বিবেচিত কি না, তা আদালতের সামনে যাচাই করা হবে। এদিকে শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার বিষয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে কূটনৈতিক পর্যায়ে

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় আসামের এনআইটি ৫ জনকে বহিষ্কার

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় আসামের এনআইটি ৫ জনকে বহিষ্কার

স্বাস্থ্য

সরকারের ছয় মাসে স্বাস্থ্য সংস্কার, সামনে হাম ডেঙ্গুর চ্যালেঞ্জ

সরকারের ছয় মাসে স্বাস্থ্য সংস্কার, সামনে হাম ডেঙ্গুর চ্যালেঞ্জ

বর্তমান সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনায় স্বাস্থ্য খাতকে ঢেলে সাজানো, চিকিৎসাসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া, মানোন্নয়ন ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে এসব উদ্যোগের সামনে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে হাম ও ডেঙ্গুর মতো প্রাণঘাতী রোগ। পাশাপাশি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে জনবল ঘাটতি, হাসপাতালে অতিরিক্ত রোগীর চাপ, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও রোগ নির্ণয় সুবিধার অসম বণ্টন এবং টিকাদান থেকে কিছু জনগোষ্ঠী বাদ পড়ার সমস্যা রয়েছে। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক

টিকার বাইরে থাকা শিশুরাই বেশি আক্রান্ত, হামে মৃত্যু থামছে না

টিকার বাইরে থাকা শিশুরাই বেশি আক্রান্ত, হামে মৃত্যু থামছে না

রাশিয়ার ব্যক্তিগতকৃত ক্যানসার ভ্যাকসিনে আশাব্যঞ্জক ফল, সুস্থ রয়েছেন প্রথম রোগী

রাশিয়ার ব্যক্তিগতকৃত ক্যানসার ভ্যাকসিনে আশাব্যঞ্জক ফল, সুস্থ রয়েছেন প্রথম রোগী

দেশে অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহারে বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকি, উদ্বেগ বিশেষজ্ঞদের

দেশে অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহারে বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকি, উদ্বেগ বিশেষজ্ঞদের

১১ দিন সাগরে ভেসে মৃত্যু নয় বাংলাদেশির, নিখোঁজ পাঁচ

১১ দিন সাগরে ভেসে মৃত্যু নয় বাংলাদেশির, নিখোঁজ পাঁচ

লিবিয়া থেকে গ্রিসে যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে খাবার ও পানি ছাড়া প্রায় ১১ দিন ভেসে থাকার পর একটি নৌকায় অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেঁচে যাওয়া এক বাংলাদেশি। নিহতদের মধ্যে নয়জন বাংলাদেশি বলে দাবি করেছেন সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জের আবদুল করিম। তবে মিশরের পুলিশ এখনো সাগরে মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করার মতো কোনো তথ্য পায়নি বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস। মিশরের মারসা মাতরুহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আবদুল করিমের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ করে দূতাবাস। কায়রোতে বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রমবিষয়ক ফার্স্ট সেক্রেটারি মো. জাকির হোসেন বিষয়টি জানান। করিমের তথ্য অনুযায়ী, গত ৩ আগস্ট লিবিয়া থেকে ৪২ জন যাত্রী গ্রিসের উদ্দেশে রওনা হন। তাদের মধ্যে ৩৮ জন বাংলাদেশি এবং চারজন সুদানের নাগরিক ছিলেন। ভূমধ্যসাগরে যাওয়ার পর নৌকাটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায় এবং জ্বালানি শেষ হয়ে যায়। এরপর প্রায় ১১ দিন সাগরে ভেসে থেকে ১৩ আগস্ট তারা মিশরের মারসা মাতরুহ উপকূলে পৌঁছান। স্থানীয়রা নৌকাটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে প্রায় ২৯ থেকে ৩০ জনকে উদ্ধার করে দুটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। উদ্ধার হওয়া অনেকেই অচেতন ছিলেন। তারা বর্তমানে পুলিশের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন। করিম জানান, নৌকায় খাবার ও পানি না থাকায় এবং প্রচণ্ড গরমের মধ্যে অন্তত ১১ জন মারা যান। তাদের মধ্যে নয়জন বাংলাদেশি। পরে মরদেহগুলো সাগরে ফেলে দিতে হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতেও তিনি একই তথ্য দিয়েছেন। তার ভাষ্য, নৌকাটিতে সর্বোচ্চ ২৫

আরও পড়ুন
৩ ঘণ্টা আগে
www.kidora.com.bd
মার্কিন সেনা ধরলে ৩০ হাজার ডলার পুরস্কার দেবে ইরান

মার্কিন সেনা ধরলে ৩০ হাজার ডলার পুরস্কার দেবে ইরান

মার্কিন কোনো সেনাসদস্যকে হত্যা বা আটক করে ইরানের কাছে হস্তান্তর করতে পারলে ৩০ হাজার মার্কিন ডলার পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। কোনো নারী এ ধরনের কাজে অংশ নিলে পুরস্কারের পরিমাণ দ্বিগুণ করা হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আমির

লোডশেডিংয়ের চাপে আশার আলো রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্র

লোডশেডিংয়ের চাপে আশার আলো রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্র

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে আগামী সেপ্টেম্বরে পরীক্ষামূলকভাবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যেতে পারে। এ লক্ষ্যে কেন্দ্রটিতে জোরেশোরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। সব প্রক্রিয়া ঠিকঠাক থাকলে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে প্রথম ইউনিট পূর্ণ ক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেতে পারবে বলে সংশ্লিষ্ট

জুলাই আন্দোলনে উসকানির অভিযোগে আসামি হচ্ছেন তিন সাংবাদিক

জুলাই আন্দোলনে উসকানির অভিযোগে আসামি হচ্ছেন তিন সাংবাদিক

ডলার দুর্বলতায় আন্তর্জাতিক বাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম

ডলার দুর্বলতায় আন্তর্জাতিক বাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম

সর্বশেষ সংবাদ

জনপ্রিয়

পায়রা বন্দরের কাছে ঝড়ে ডুবল মাছ ধরার ট্রলার, ১০ জেলে উদ্ধার

পায়রা বন্দরের কাছে ঝড়ে ডুবল মাছ ধরার ট্রলার, ১০ জেলে উদ্ধার

মার্কিন সেনা ধরলে ৩০ হাজার ডলার পুরস্কার দেবে ইরান

মার্কিন সেনা ধরলে ৩০ হাজার ডলার পুরস্কার দেবে ইরান

জুলাই আন্দোলনে উসকানির অভিযোগে আসামি হচ্ছেন তিন সাংবাদিক

জুলাই আন্দোলনে উসকানির অভিযোগে আসামি হচ্ছেন তিন সাংবাদিক

ডলার দুর্বলতায় আন্তর্জাতিক বাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম

ডলার দুর্বলতায় আন্তর্জাতিক বাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম

৩ লাখ রোহিঙ্গাকে রাখাইনে ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার

৩ লাখ রোহিঙ্গাকে রাখাইনে ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার

১১ দিন সাগরে ভেসে মৃত্যু নয় বাংলাদেশির, নিখোঁজ পাঁচ

১১ দিন সাগরে ভেসে মৃত্যু নয় বাংলাদেশির, নিখোঁজ পাঁচ

ভারতে শেখ হাসিনার অবস্থান নিয়ে এখনো স্পষ্ট নয় বাংলাদেশ

ভারতে শেখ হাসিনার অবস্থান নিয়ে এখনো স্পষ্ট নয় বাংলাদেশ

লোডশেডিংয়ের চাপে আশার আলো রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্র

লোডশেডিংয়ের চাপে আশার আলো রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্র

সংস্কার থমকে, হামলা-তদবিরে চাপে দেশের পুলিশ বাহিনী

সংস্কার থমকে, হামলা-তদবিরে চাপে দেশের পুলিশ বাহিনী

১৩ বছর পর মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি

১৩ বছর পর মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি
৩ লাখ রোহিঙ্গাকে রাখাইনে ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার

৩ লাখ রোহিঙ্গাকে রাখাইনে ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার

ভারতে শেখ হাসিনার অবস্থান নিয়ে এখনো স্পষ্ট নয় বাংলাদেশ

ভারতে শেখ হাসিনার অবস্থান নিয়ে এখনো স্পষ্ট নয় বাংলাদেশ

সংস্কার থমকে, হামলা-তদবিরে চাপে দেশের পুলিশ বাহিনী

সংস্কার থমকে, হামলা-তদবিরে চাপে দেশের পুলিশ বাহিনী

১৩ বছর পর মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি

১৩ বছর পর মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

ভিডিও সংবাদ

Card Image

বরিশালে বিদ্যুৎ দুর্যোগ! কবে মিলবে নিরবচ্ছিন্ন সাপ্লাই?

Card Image

নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কেন বাড়ছে বারবার?

Card Image

ইসরায়েলের পরমাণু সুবিধা লক্ষ্য করে ইরানের আঘাত ও প্রতিশোধ

Card Image

প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর

Card Image

কারিগরি শিক্ষা নিয়ে সরকারের নতুন পরিকল্পনা, কী বললেন নুরুল হক?

Card Image

বরিশালে অন্ডকোষ চেপে ধরে স্টাম্পে স্বাক্ষর! মুখ খুললেন ভুক্তভোগী | কী ঘটেছিল সেদিন?

Card Image

হিলিতে শিক্ষার্থীদের মাঝে ৩৮০০ ফলজ ও ওষুধি গাছের চারা বিতরণ

Card Image

🔴 “একই পরিবারের ৩ জনকে হত্যা!”🔍 “কুমিল্লায় নৃশংস খুন!”

Card Image

শেষ ঠিকানার কারিগর মনু মিয়া আর নেই, প্রায় ৩ হাজার কবর খোঁরেছিলেন তিনি || Enews71

Card Image

হিলি স্থলবন্দরে উন্নয়নের নামে কোটি কোটি টাকা শোষণ করা হয়েছে- সারজিস আলম

খেলাধুলা

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো স্বাগতিকদের হারিয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে চার দিন ধরে দাপট দেখিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এই জয় শুধু একটি ম্যাচের সাফল্য নয়, বরং অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের দীর্ঘ অপেক্ষারও অবসান। ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পষ্ট। প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে মাত্র ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পেছনে সবচেয়ে

অস্ট্রেলিয়াকে গুটিয়ে জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য মাত্র ৫৭

অস্ট্রেলিয়াকে গুটিয়ে জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য মাত্র ৫৭

ক্যামেরন গ্রিনের লড়াকু সেঞ্চুরি অস্ট্রেলিয়াকে ইনিংস হারের লজ্জা থেকে বাঁচালেও ডারউইন টেস্টে ঐতিহাসিক জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংস ২৮৪ রানে গুটিয়ে যাওয়ায় স্বাগতিকদের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে মাত্র ৫৭ রান। চতুর্থ দিন ৪ উইকেটে ১৬১ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। শুরু থেকেই স্বাগতিকদের চাপে রাখে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ। প্রথম দেড়

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম জয়ের স্বপ্নে এগিয়ে বাংলাদেশ দল

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম জয়ের স্বপ্নে এগিয়ে বাংলাদেশ দল

প্রস্তুতি ম্যাচে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের কাছে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। সেই দলেরই এবার যেন সম্পূর্ণ ভিন্ন চেহারা। ডারউইন টেস্টে পূর্ণশক্তির অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দাপট দেখিয়ে ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনের মধ্যাহ্নভোজের বিরতি পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ২১৯ রানের বিশাল লিড নিয়েছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের সম্ভাবনা এখন বাস্তব হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে অস্ট্রেলিয়ার অতীত পরিসংখ্যান। ২০০০ সালের পর প্রথম ইনিংসে অন্তত ১৫০ রানে পিছিয়ে থাকার পর অস্ট্রেলিয়া মাত্র তিনবার টেস্ট জিতেছে। এর মধ্যে ২০১০ সালে সিডনিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০৬ রানে পিছিয়ে থেকেও জয় পেয়েছিল তারা।

হাসানের পর তানজিদ, ডারউইনে চলছে টাইগারদের রাজত্ব

হাসানের পর তানজিদ, ডারউইনে চলছে টাইগারদের রাজত্ব

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২৩ বছর আগে টেস্ট ইতিহাসের শুরুতে যে বাংলাদেশকে ডারউইন ও কেয়ার্নসের মাঠে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল, সেই ডারউইনেই এবার ভিন্ন গল্প লিখছে লাল-সবুজের দল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে বোলিংয়ের পর ব্যাটিংয়েও দাপট দেখিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদের ছয় উইকেটের পর তানজিদ হাসানের সেঞ্চুরিতে স্বাগতিকদের চাপে ফেলেছে সফরকারীরা। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পর দ্বিতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ শক্ত অবস্থান তৈরি করে। তানজিদ হাসান ১৮৮ বলে আটটি চার ও একটি ছক্কায় ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট শতক তুলে নেন। নাথান লায়নের বল লং অফ দিয়ে সিঙ্গেল নিয়ে শতরানের মাইলফলকে পৌঁছান তিনি। এরপর হেলমেট

বাংলাদেশের পেস আক্রমণে ঘরের মাঠে বিপর্যস্ত অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং

বাংলাদেশের পেস আক্রমণে ঘরের মাঠে বিপর্যস্ত অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং

২৩ বছর পর ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে নেমে শুরুতেই বড় বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের পেস আক্রমণের তোপে প্রথম ইনিংসে ১৭৬ রানেই ৮ উইকেট হারিয়েছে সফরকারীরা। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৬টায় দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট শুরু হয়। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়া। শুরু থেকেই নতুন বলে হাসান মাহমুদ ও তাসকিন আহমেদের আঁটসাঁট বোলিংয়ে অস্বস্তিতে পড়েন অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার ট্রাভিস হেড ও জেক ওয়েদারাল্ড। ১২তম ওভারের চতুর্থ বলে প্রথম সাফল্য পান হাসান মাহমুদ। অফ স্টাম্পের বাইরে ড্রাইভের প্রলোভনে শট খেলতে গিয়ে ব্যাটের কানা ছোঁয়ান ওয়েদারাল্ড। বল উইকেটকিপার লিটন দাসের গ্লাভসে জমা পড়ে। ২৩ রান করে

ফিফার নতুন পরিকল্পনায় বাংলাদেশের ফুটবলে আসতে পারে বড় অর্থায়ন

ফিফার নতুন পরিকল্পনায় বাংলাদেশের ফুটবলে আসতে পারে বড় অর্থায়ন

বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা নিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর প্রস্তাব ঘিরে বিশ্ব ফুটবলে বিতর্ক তৈরি হলেও, এটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল ফুটবল ফেডারেশনগুলো উল্লেখযোগ্য আর্থিক সুবিধা পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফিফার পরিকল্পনা অনুযায়ী, ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান গঠন করা হবে। এই প্রতিষ্ঠানের অধীনে বিশ্বকাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব, স্পনসরশিপ, টিকিট বিক্রি, লাইসেন্সিংসহ সব ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন প্রতিষ্ঠানের একটি ক্ষুদ্র অংশ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করা হবে। এর সম্ভাব্য মূল্য ধরা হয়েছে ২০ বিলিয়ন ডলার। এ প্রক্রিয়ায় প্রায় ৪ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহের

জাতীয়

১১ দিন সাগরে ভেসে মৃত্যু নয় বাংলাদেশির, নিখোঁজ পাঁচ

লিবিয়া থেকে গ্রিসে যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে খাবার ও পানি ছাড়া প্রায় ১১ দিন ভেসে থাকার পর একটি নৌকায় অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেঁচে যাওয়া এক বাংলাদেশি। নিহতদের মধ্যে নয়জন বাংলাদেশি বলে দাবি করেছেন সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জের আবদুল করিম। তবে মিশরের পুলিশ এখনো সাগরে মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করার মতো কোনো তথ্য পায়নি বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস। মিশরের মারসা মাতরুহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আবদুল করিমের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ করে দূতাবাস। কায়রোতে বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রমবিষয়ক ফার্স্ট সেক্রেটারি মো. জাকির হোসেন বিষয়টি জানান। করিমের তথ্য অনুযায়ী, গত ৩ আগস্ট লিবিয়া থেকে ৪২ জন যাত্রী গ্রিসের উদ্দেশে রওনা হন। তাদের মধ্যে ৩৮ জন বাংলাদেশি এবং চারজন সুদানের নাগরিক ছিলেন। ভূমধ্যসাগরে যাওয়ার পর নৌকাটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায় এবং জ্বালানি শেষ হয়ে যায়। এরপর প্রায় ১১ দিন সাগরে ভেসে থেকে ১৩ আগস্ট তারা মিশরের মারসা মাতরুহ উপকূলে পৌঁছান। স্থানীয়রা নৌকাটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে প্রায় ২৯ থেকে ৩০ জনকে উদ্ধার করে দুটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। উদ্ধার হওয়া অনেকেই অচেতন ছিলেন। তারা বর্তমানে পুলিশের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন। করিম জানান, নৌকায় খাবার ও পানি না থাকায় এবং প্রচণ্ড গরমের মধ্যে অন্তত ১১ জন মারা যান। তাদের মধ্যে নয়জন বাংলাদেশি। পরে মরদেহগুলো সাগরে ফেলে দিতে হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতেও তিনি একই তথ্য দিয়েছেন। তার ভাষ্য, নৌকাটিতে সর্বোচ্চ ২৫ জন যাত্রী বহনের সক্ষমতা থাকলেও ৪২ জনকে তোলা হয়েছিল। নৌকাটিতে ছিল একটি ইঞ্জিন। দীর্ঘ সময় সাগরে থাকার কারণে জীবিতদের শারীরিক অবস্থাও গুরুতর। লবণাক্ত পানিতে থাকার কারণে শরীরের বিভিন্ন অংশে পচন ধরতে শুরু করেছে বলেও জানান করিম। দূতাবাসের কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন,

১১ দিন সাগরে ভেসে মৃত্যু নয় বাংলাদেশির, নিখোঁজ পাঁচ
ভারতে শেখ হাসিনার অবস্থান নিয়ে এখনো স্পষ্ট নয় বাংলাদেশ

ভারতে শেখ হাসিনার অবস্থান নিয়ে এখনো স্পষ্ট নয় বাংলাদেশ

লোডশেডিংয়ের চাপে আশার আলো রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্র

লোডশেডিংয়ের চাপে আশার আলো রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্র

সংস্কার থমকে, হামলা-তদবিরে চাপে দেশের পুলিশ বাহিনী

সংস্কার থমকে, হামলা-তদবিরে চাপে দেশের পুলিশ বাহিনী