শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬১৭ আশ্বিন, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

আপনার এলাকার খবর

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg
https://enews71.com/storage/ads/01M1TJ1Y03SG5Y5HBJA4PJG3XC.PNG
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png

ভিডিও সংবাদ

Card Image

মাঝ আকাশে পাইলটকে ছুরিকাঘাত, অল্পের জন্য রক্ষা পেল ১৮০ যাত্রী

Card Image

হরমুজ প্রণালীতে আসলে কী ঘটছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে নতুন মোড়

Card Image

আজকের আলোচ্য বিষয়সমূহ | আজকের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা | Today's Discussion

Card Image

অটোরিকশার ভেতরের তথ্য জানেন অজানা এসব তথ্য চমকে দেবে আপনাকে!

Card Image

ট্রাম্পের কঠোর পদক্ষেপ: রাশিয়ার তেল কিনলে ভারত-চীনের বিপদ!

Card Image

৫ মাসে রেমিট্যান্সে রেকর্ড! প্রবাসীদের পাঠানো টাকায় বড় চমক

Card Image

যাত্রাবাড়ীর দুই মামলায় বড় মোড়, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ

Card Image

ময়লার ভাগাড়ে দুই নবজাতকের মরদেহ, বরিশালে চাঞ্চল্য

Card Image

তেলের দাম কি এবার ১০০ ডলার ছুঁতে যাচ্ছে কেন বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম

Card Image

ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের পথে ১১ দলীয় জোট! কী হচ্ছে রাজপথে

আইন-আদালত

আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলায় মাকছুদার রিমান্ডে মিলল তথ্য

আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলায় মাকছুদার রিমান্ডে মিলল তথ্য

আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হয়েছে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা ইসলামকে। জিজ্ঞাসাবাদে মামলাসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে আদালতকে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, মাকছুদাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে মামলা-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, যা তদন্তে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেনের আদালতে এ আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা জানান প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম।

ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাটে এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাটে এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জ, রিট খারিজ

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জ, রিট খারিজ

অবসরের পর বিচারপতিদের পাসপোর্টে গোয়েন্দা যাচাই অযৌক্তিক: হাইকোর্ট

অবসরের পর বিচারপতিদের পাসপোর্টে গোয়েন্দা যাচাই অযৌক্তিক: হাইকোর্ট

বিশেষ সংবাদ

ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী লবণশিল্পে ধস, টিকে আছে মাত্র আটটি মিল

ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী লবণশিল্পে ধস, টিকে আছে মাত্র আটটি মিল

একসময় ঝালকাঠির নদীবন্দর ঘিরে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলত লবণের জমজমাট কর্মযজ্ঞ। কক্সবাজারসহ উপকূলীয় অঞ্চল থেকে নৌপথে ঝালকাঠিতে আসত অপরিশোধিত লবণ। ঘাটে নোঙর করত নৌযান। শ্রমিকেরা মাথায় করে বস্তা নিয়ে কারখানা, ঘাট ও আড়তের মধ্যে ছুটে বেড়াতেন। কারখানাগুলোতে লবণ পরিষ্কার, পরিশোধন, আয়োডিন মেশানো, শুকানো ও প্যাকেটজাত করার কাজে ব্যস্ত থাকতেন শত শত শ্রমিক। পরে নৌ ও সড়কপথে সেই লবণ ছড়িয়ে পড়ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই কর্মচাঞ্চল্য অনেকটাই হারিয়ে গেছে। একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ঝালকাঠির...

ইলিশের মৌসুমে মাছের বদলে ঋণের দুশ্চিন্তায় ঝালকাঠির জেলেরা

ইলিশের মৌসুমে মাছের বদলে ঋণের দুশ্চিন্তায় ঝালকাঠির জেলেরা

ছয় মাসেই রেকর্ড চা উৎপাদন, সুদিন ফিরছে দেশের বাগানে

ছয় মাসেই রেকর্ড চা উৎপাদন, সুদিন ফিরছে দেশের বাগানে

গোল্ডেন পেয়ারায় বদলাচ্ছে জুড়ীর পতিত জমির অর্থনীতি

গোল্ডেন পেয়ারায় বদলাচ্ছে জুড়ীর পতিত জমির অর্থনীতি

যমুনার তীরে বেহুলা ভাসান, বেঁচে আছে বাংলার লোকঐতিহ্য

যমুনার তীরে বেহুলা ভাসান, বেঁচে আছে বাংলার লোকঐতিহ্য

শিক্ষা

জাল সনদের অভিযোগে মতিঝিলের ২৩ শিক্ষককে দুদকের তলব

জাল সনদের অভিযোগে মতিঝিলের ২৩ শিক্ষককে দুদকের তলব

ভুয়া ও জাল সনদ ব্যবহার করে চাকরি করার অভিযোগে রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৩ শিক্ষককে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আগামী ১ অক্টোবর কলেজের অধ্যক্ষের কার্যালয়ে এসব শিক্ষককে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের বিএড সনদের মূল কপি, এক সেট ফটোকপি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সঙ্গে আনতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত ২৪ সেপ্টেম্বর অধ্যক্ষ বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে এ তথ্য জানায় দুদক। সংস্থাটির সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা আখতারুজ্জামান চিঠিতে স্বাক্ষর করেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির বেশ কয়েকজন

জাবির নতুন উপাচার্য হলেন অধ্যাপক ড. নূরুল ইসলাম

জাবির নতুন উপাচার্য হলেন অধ্যাপক ড. নূরুল ইসলাম

জেলা কল্যাণের আড়ালে জবিতে সক্রিয় হচ্ছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ!

জেলা কল্যাণের আড়ালে জবিতে সক্রিয় হচ্ছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ!

জবি তরুণ লেখক সংঘে নতুন নেতৃত্ব, সভাপতি রিমি সম্পাদক মোসাব্বীর

জবি তরুণ লেখক সংঘে নতুন নেতৃত্ব, সভাপতি রিমি সম্পাদক মোসাব্বীর

আন্তর্জাতিক

বৃহৎ ষড়যন্ত্র তদন্ত থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের আইনজীবী ওলসেন

বৃহৎ ষড়যন্ত্র তদন্ত থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের আইনজীবী ওলসেন

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের আলোচিত ‘বৃহৎ ষড়যন্ত্র’ তদন্ত থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন আইনজীবী কার্ট ওলসেন। তবে তিনি বিচার বিভাগ থেকে পদত্যাগ করছেন না। জ্যেষ্ঠ আইনজীবী হিসেবে তিনি বিভাগে বহাল থাকবেন বলে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিচার বিভাগের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। এর আগে ওলসেনের একটি ই-মেইলকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে ধারণা করা হয়েছিল, তিনি পুরো বিচার বিভাগ থেকেই পদত্যাগ করছেন। পরে তিনি বিষয়টি পরিষ্কার করেন। ওলসেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও জো বাইডেনের সময়কার কর্মকর্তাদের নিয়ে চলা ‘বৃহৎ ষড়যন্ত্র’ তদন্তে যুক্ত ছিলেন। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) তিনি ফ্লোরিডার দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলার মার্কিন অ্যাটর্নিকে পাঠানো ই-মেইলে ওই তদন্ত থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা জানান। এরপর বিচার বিভাগের মিয়ামি ও ওয়াশিংটন কার্যালয়ের কর্মকর্তারা ধরে নেন, তিনি পুরো বিভাগ থেকেই বিদায় নিচ্ছেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তার পদত্যাগের খবর প্রকাশের পর ওলসেন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান, তিনি বিচার বিভাগে আইনজীবী হিসেবে কাজ চালিয়ে যেতে চান। বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঙ্ককে ওলসেনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ওলসেন পদত্যাগ করেননি এবং আগের জায়গাতেই কাজ করছেন। পরে বিচার বিভাগের কর্মকর্তা বিষয়টি পরিষ্কার করে জানান, তিনি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী হিসেবে চাকরিতে থাকলেও ‘বৃহৎ ষড়যন্ত্র’ তদন্তে আর দায়িত্ব পালন করবেন না। তবে এরপর তিনি ঠিক কী দায়িত্ব পালন করবেন, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তদন্ত থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে ওলসেনের নিরাপত্তা অনুমতিপত্র নিয়েও সমস্যা দেখা দিয়েছিল বলে বিষয়টি জানেন এমন দুই ব্যক্তি জানিয়েছেন। ফলে গোপন নথি ও তথ্য পর্যালোচনার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে তার যুক্ত থাকা কঠিন হয়ে পড়ে। তদন্তের আওতায় রয়েছে ২০১৬ সালের নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপ নিয়ে গোয়েন্দা মূল্যায়ন এবং সাবেক বিশেষ কৌঁসুলি জ্যাক স্মিথের মাধ্যমে ট্রাম্পের গোপন নথি সংরক্ষণসংক্রান্ত তদন্ত। দুই সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ওলসেন উত্তর ক্যারোলিনার মধ্যাঞ্চলীয় জেলার মার্কিন অ্যাটর্নির কার্যালয়ে বদলি হয়ে নির্বাচনসংক্রান্ত বিষয়ে কাজ করার আগ্রহ জানিয়েছেন। তবে সেটি চূড়ান্ত হয়নি। চলতি বছর সংশ্লিষ্ট তদন্ত থেকে সরে দাঁড়ানো তৃতীয় কৌঁসুলি তিনি। এপ্রিল মাসে মারিয়া মেডেটিস লংকে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং সেপ্টেম্বরে জো ডি জেনোভা পদত্যাগ করেন। ওলসেন বসন্তে ফ্লোরিডায় জ্যেষ্ঠ আইনজীবী হিসেবে যোগ দেন। এর আগে হোয়াইট হাউসে নির্বাচন নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা বিষয়ে কাজ করেছেন। ২০২০ সালের নির্বাচনের ফল পরিবর্তনের প্রচেষ্টায় তিনি টেক্সাসের অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটনের সঙ্গে কাজ করেছিলেন। পরে জর্জিয়া, অ্যারিজোনা ও অন্যান্য নির্বাচনসংক্রান্ত বিষয়ে বিচার বিভাগ ও এফবিআইকে সুপারিশও করেছিলেন। সূত্র: সিবিএস নিউজ

আফগান সন্ত্রাসী ঘাঁটিতে পাকিস্তানের বিমান হামলা, নিহত ২২

আফগান সন্ত্রাসী ঘাঁটিতে পাকিস্তানের বিমান হামলা, নিহত ২২

আফগানিস্তানে সন্ত্রাসীদের দুটি আস্তানায় বিমান হামলা চালিয়ে অন্তত ২২ জন জঙ্গিকে হত্যার দাবি করেছে পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দেশটির তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। পাকিস্তানের দাবি, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আফগানিস্তানের দুটি স্থানে অভিযান চালানো হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘অপারেশন গজব লিল-হক’-এর আওতায় এসব হামলা চালানো হয়। হামলার লক্ষ্য ছিল ফিতনা আল-খাওয়ারিজ, ফিতনা আল-হিন্দুস্তান ও তাদের সহযোগীদের সন্ত্রাসী ক্যাম্প ও আস্তানা। পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে সুনির্দিষ্টভাবে হামলা চালানো হয়েছে। পাকিস্তানের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, হামলায় ২২ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে আস্তানাগুলোতে মজুত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসলামাবাদ। হামলার সময় বেসামরিক হতাহতের

ইরানের সঙ্গে দ্রুত চুক্তি না হলে সামরিক পদক্ষেপ: ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে দ্রুত চুক্তি না হলে সামরিক পদক্ষেপ: ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে দ্রুত সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারলে দেশটির বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ সতর্কবার্তা দেন। ট্রাম্পের বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ও নতুন সমঝোতার বিষয়ে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আলোচনা চলছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প ইরানের নেতাদের নিয়ে কঠোর মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ইরানের নেতাদের যদি যুক্তরাষ্ট্র ‘অযৌক্তিক’ মনে করে, তাহলে তাদের সঙ্গে কীভাবে চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব। এরপর তিনি সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, ‘হয়তো তাদের উড়িয়ে দিতে হবে।’ তবে সম্ভাব্য ওই সামরিক পদক্ষেপের ধরন, লক্ষ্য বা সময়

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পরিবেশ নেই, রাখাইন হামলায় জাতিসংঘের উদ্বেগ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পরিবেশ নেই, রাখাইন হামলায় জাতিসংঘের উদ্বেগ

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের অনাগ্রহে আবার বাড়ল তেলের দাম

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের অনাগ্রহে আবার বাড়ল তেলের দাম

ইরান যুদ্ধের বিজয় দাবি, মার্কিন ভোটারদের বার্তা আইআরজিসির

ইরান যুদ্ধের বিজয় দাবি, মার্কিন ভোটারদের বার্তা আইআরজিসির

দুই দশক পর ইরাক ছাড়ল মার্কিন সেনা, বাড়ছে নিরাপত্তা শঙ্কা

দুই দশক পর ইরাক ছাড়ল মার্কিন সেনা, বাড়ছে নিরাপত্তা শঙ্কা

বাংলাদেশের বিশেষায়িত ওষুধে যুক্তরাষ্ট্রে শূন্য শুল্কের সুবিধা

বাংলাদেশের বিশেষায়িত ওষুধে যুক্তরাষ্ট্রে শূন্য শুল্কের সুবিধা

মিয়ানমারে জান্তার বিমান হামলা, নিহত অন্তত ৩৩ জন

মিয়ানমারে জান্তার বিমান হামলা, নিহত অন্তত ৩৩ জন

২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য

২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য

২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য অর্জনে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, দক্ষ মানবসম্পদ ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ে আধুনিক, প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই অর্থনীতি গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। আধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, দক্ষ মানবসম্পদ ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ে শিল্প ও সেবা খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করতে হবে। এ জন্য সরকারি নীতিগত সহায়তার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সবার সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশনের উদ্যোগে দিবসটি পালিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শিল্পোদ্যোক্তা, গবেষক, পেশাজীবী, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, শ্রমিক-কর্মচারী এবং শিল্প ও সেবা খাতের সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা জানান। এবারের প্রতিপাদ্য ‘উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও দক্ষতার সমন্বয়’কে বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বাস্তবতায় সময়োপযোগী উল্লেখ করে তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অটোমেশন, রোবোটিক্স, ইন্টারনেট অব থিংস, ডেটা অ্যানালিটিক্স ও ডিজিটাল উৎপাদন ব্যবস্থা বিশ্বজুড়ে শিল্পের ধরন দ্রুত বদলে দিচ্ছে। বাংলাদেশকেও এ পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের পাশাপাশি দক্ষ, সৃজনশীল ও অভিযোজনক্ষম মানবসম্পদ গড়ে তুলতে হবে। উৎপাদনশীলতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন ও উচ্চদক্ষতার কর্মসংস্থান বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে। সরকারের উন্নয়ননীতিতে

আরও পড়ুন
৫ ঘণ্টা আগে
https://surl.li/lmarci
ইরানের সঙ্গে দ্রুত চুক্তি না হলে সামরিক পদক্ষেপ: ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে দ্রুত চুক্তি না হলে সামরিক পদক্ষেপ: ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে দ্রুত সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারলে দেশটির বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ সতর্কবার্তা দেন। ট্রাম্পের বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো,

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পরিবেশ নেই, রাখাইন হামলায় জাতিসংঘের উদ্বেগ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পরিবেশ নেই, রাখাইন হামলায় জাতিসংঘের উদ্বেগ

বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের কায়ুকতো শহরে সামরিক বাহিনীর বিমান হামলায় অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। সোমবার চালানো ওই হামলায় আরও অন্তত ৫৮ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে রাখাইনভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি। স্থানীয় সহায়তাকর্মী ওয়েই হান ওংও হতাহতের

ডিজিটাল অপরাধ দমনে যাত্রা শুরু সাইবার পুলিশ ইউনিট

ডিজিটাল অপরাধ দমনে যাত্রা শুরু সাইবার পুলিশ ইউনিট

পদত্যাগপত্র পেয়েই মিষ্টির আসন শূন্য ঘোষণা করলেন স্পিকার

পদত্যাগপত্র পেয়েই মিষ্টির আসন শূন্য ঘোষণা করলেন স্পিকার

যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে সিকদার গ্রুপের সম্পদ ফেরাতে বাংলাদেশের বড় পদক্ষেপ

যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে সিকদার গ্রুপের সম্পদ ফেরাতে বাংলাদেশের বড় পদক্ষেপ

ক্লিন হার্ট নয়, সমন্বিত অভিযান জোরদার করবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ক্লিন হার্ট নয়, সমন্বিত অভিযান জোরদার করবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলা কিউআরে লেনদেন বাড়ল সাড়ে তিনগুণ, আসছে পিটুপি সুবিধা

বাংলা কিউআরে লেনদেন বাড়ল সাড়ে তিনগুণ, আসছে পিটুপি সুবিধা

বৃহৎ ষড়যন্ত্র তদন্ত থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের আইনজীবী ওলসেন

বৃহৎ ষড়যন্ত্র তদন্ত থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের আইনজীবী ওলসেন

সর্বশেষ সংবাদ

জনপ্রিয়

ডিজিটাল অপরাধ দমনে যাত্রা শুরু সাইবার পুলিশ ইউনিট

ডিজিটাল অপরাধ দমনে যাত্রা শুরু সাইবার পুলিশ ইউনিট

পদত্যাগপত্র পেয়েই মিষ্টির আসন শূন্য ঘোষণা করলেন স্পিকার

পদত্যাগপত্র পেয়েই মিষ্টির আসন শূন্য ঘোষণা করলেন স্পিকার

২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য

২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য

শাহপরী দ্বীপে কোস্ট গার্ডের অভিযান: ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

শাহপরী দ্বীপে কোস্ট গার্ডের অভিযান: ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

ভূরুঙ্গামারীতে মহাসমারোহে নদ থেকে বালু উত্তোলন, ঝুঁকিতে নির্মাণাধীন সেতু ও তীর রক্ষা বাঁধ

ভূরুঙ্গামারীতে মহাসমারোহে নদ থেকে বালু উত্তোলন, ঝুঁকিতে নির্মাণাধীন সেতু ও তীর রক্ষা বাঁধ

কমলগঞ্জে বিজিবির অভিযানে ২টি এক নলা বন্দুক উদ্ধার

কমলগঞ্জে বিজিবির অভিযানে ২টি এক নলা বন্দুক উদ্ধার

যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে সিকদার গ্রুপের সম্পদ ফেরাতে বাংলাদেশের বড় পদক্ষেপ

যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে সিকদার গ্রুপের সম্পদ ফেরাতে বাংলাদেশের বড় পদক্ষেপ

ক্লিন হার্ট নয়, সমন্বিত অভিযান জোরদার করবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ক্লিন হার্ট নয়, সমন্বিত অভিযান জোরদার করবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তায় ফ্যামিলি কার্ডের সহায়তা বাড়ছে

প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তায় ফ্যামিলি কার্ডের সহায়তা বাড়ছে

বাংলা কিউআরে লেনদেন বাড়ল সাড়ে তিনগুণ, আসছে পিটুপি সুবিধা

বাংলা কিউআরে লেনদেন বাড়ল সাড়ে তিনগুণ, আসছে পিটুপি সুবিধা
https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

চাকুরী

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ৫০তম বিসিএসের বহুল প্রত্যাশিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বুধবার সন্ধ্যায় পিএসসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই বিসিএসে মোট ২ হাজার ১৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হবে ১ হাজার ৭৫৫ জনকে এবং নন-ক্যাডারে ৩৯৫ জনকে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন যুক্ত পদসহ এবার প্রশাসন, পুলিশ, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের নিয়োগ হচ্ছে। ক্যাডার পদের মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ২০০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ১১৭ জন, স্বাস্থ্য ক্যাডারে সর্বোচ্চ ৬৫০ জন,

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

জাতীয়

ডিজিটাল অপরাধ দমনে যাত্রা শুরু সাইবার পুলিশ ইউনিট

সাইবার অপরাধ দমন এবং দেশের ডিজিটাল পরিসর নিরাপদ রাখতে বাংলাদেশ পুলিশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে বিশেষায়িত ‘সাইবার পুলিশ ইউনিট’। অতিরিক্ত আইজিপি ইকবাল হোসেনকে প্রধান করে গঠিত এই ইউনিটের উদ্বোধন করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ইউনিটটির উদ্বোধন করা হয়। আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরের সভাপতিত্বে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সমসাময়িক প্রতিবেদনে ইউনিটটির নির্ধারিত জনবল ৪ হাজার ৫৯২ জন বলে জানানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, অনুমোদিত সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী ইউনিটটির মোট জনবল ৪ হাজার ৫৯২ জন নির্ধারণ করা হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক যন্ত্রপাতি, ডিজিটাল ও ফরেনসিক প্রযুক্তিসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়ে এটি কার্যক্রম পরিচালনা করবে। প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের সঙ্গে সাইবার অপরাধের ধরন বদলে যাওয়ায় বিশেষায়িত সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, অতিরিক্ত আইজিপির নেতৃত্বে ইউনিটটির কার্যক্রম দেশজুড়ে বিস্তৃত থাকবে। বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের পাশাপাশি থানা পর্যায়েও কর্মকর্তারা সাইবার অপরাধ দমনে দায়িত্ব পালন করবেন। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সাইবার আইন কিংবা নতুন ইউনিটের কার্যক্রমের কারণে কোনো গণমাধ্যম যেন অযথা ভোগান্তির শিকার না হয়, সেদিকে নজর রাখা হবে। সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি আইনের অপপ্রয়োগের মাধ্যমে নিরপরাধ বা সংশ্লিষ্ট নন এমন কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, সেটিও বিবেচনায় রাখার কথা জানান তিনি।

ডিজিটাল অপরাধ দমনে যাত্রা শুরু সাইবার পুলিশ ইউনিট
পদত্যাগপত্র পেয়েই মিষ্টির আসন শূন্য ঘোষণা করলেন স্পিকার

পদত্যাগপত্র পেয়েই মিষ্টির আসন শূন্য ঘোষণা করলেন স্পিকার

২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য

২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য

ক্লিন হার্ট নয়, সমন্বিত অভিযান জোরদার করবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ক্লিন হার্ট নয়, সমন্বিত অভিযান জোরদার করবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বাস্থ্য

জেলা হাসপাতালে ১০টি, মেডিকেলে ৫০টি ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপনের সিদ্ধান্ত

জেলা হাসপাতালে ১০টি, মেডিকেলে ৫০টি ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপনের সিদ্ধান্ত

দেশের জেলা পর্যায়ের হাসপাতালে ১০টি করে এবং মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে ৫০টি করে ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে বিশ্ব হার্ট দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা বাড়াতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এবারই প্রথম স্বাস্থ্য খাতকে গুরুত্ব দিয়ে সর্বোচ্চ বাজেট দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ থেকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে রাজধানীর

কলেরার টিকার প্রথম ধাপে বাদ পড়ল সাড়ে ৮ লাখ মানুষ

কলেরার টিকার প্রথম ধাপে বাদ পড়ল সাড়ে ৮ লাখ মানুষ

দেশে ফের হাম টিকা ক্যাম্পেইন শুরু, টিকা পাবে ৩৪ লাখ শিশু

দেশে ফের হাম টিকা ক্যাম্পেইন শুরু, টিকা পাবে ৩৪ লাখ শিশু

সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুর ভয়াবহ ছোবল, প্রাণ গেল ১১৪ জনের

সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুর ভয়াবহ ছোবল, প্রাণ গেল ১১৪ জনের

মতামত

Card Image

জিয়াউল হক

একক লড়াইয়ে ইসলামী আন্দোলন !

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো জোটে না থেকে এককভাবে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১১ দলীয় জোটে তারা আর থাকছে না এবং নিজের শক্তির ওপর ভর করেই নির্বাচনী মাঠে নামবে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশের ২৬৮টি আসনে প্রার্থী দেবে। দীর্ঘদিন ধরে জোট রাজনীতির বাইরে থেকে স্বতন্ত্র অবস্থান ধরে রাখার যে নীতি দলটি অনুসরণ করে আসছে, এই সিদ্ধান্ত তারই ধারাবাহিকতা বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। এর আগে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন একটি জোট সমঝোতার অংশ হিসেবে কিছু আসন খালি রাখার উদ্যোগ নেয়। সেখানে প্রায় ৫০টি আসন ছাড় দেওয়ার আলোচনা থাকলেও চরমোনাই পীর মুফতি রেজাউল করিমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন সেই প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি। বরং দলটি শুরু থেকেই এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান নেয়। দলীয় নেতারা বলছেন, জনগণের প্রত্যাশা ও ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাজনীতির বিস্তারের লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জোট রাজনীতির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে সরাসরি ভোটারদের কাছে নিজেদের বার্তা পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল উদ্দেশ্য। এদিকে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একটি গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের প্রাথমিক ধাপ শেষ হয়েছে এবং এখন আপিল নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া চলছে। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ২০ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণায় নামতে পারবেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

শহীদ নূর হোসেন থেকে শহীদ ওসমান হাদি: রাষ্ট্র কি বদলেছে?

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু মৃত্যু সময়কে ভাগ করে দেয়—আগের বাংলাদেশ আর পরের বাংলাদেশ। ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেনের মৃত্যু যেমন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনকে নতুন গতি দিয়েছিল, তেমনি ২০২৫ সালে শহীদ ওসমান হাদির মৃত্যু আজকের রাষ্ট্রব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে কঠিন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। নূর হোসেন ছিলেন একজন সাধারণ মানুষ। কোনো বড় পদ, ক্ষমতা বা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা তার ছিল না। তবুও তিনি বুক-পিঠে লেখা দুটি বাক্য—‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ ও ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’—নিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন। রাষ্ট্র তখন প্রকাশ্য স্বৈরশাসনের অধীনে ছিল। গুলির মুখে দাঁড়িয়ে নূর হোসেন দেখিয়ে দিয়েছিলেন, গণতন্ত্র কেবল রাজনৈতিক দল নয়, সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগেই বেঁচে থাকে। তার রক্তের দাগ মুছে যায়নি; বরং তা ইতিহাসে চিহ্ন হয়ে রয়ে গেছে। অন্যদিকে শহীদ ওসমান হাদি ছিলেন একটি প্রজন্মের কণ্ঠস্বর। তিনি কোনো সামরিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে নয়, বরং তথাকথিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভেতরের ব্যর্থতা, বৈষম্য ও নিরাপত্তাহীনতার বিরুদ্ধে কথা বলছিলেন। দিনের আলোয় রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে রিকশায় বসে থাকা একজন রাজনৈতিক কর্মী গুলিবিদ্ধ হন—এটি শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়, এটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রকাশ্য ভেঙে পড়ার ঘোষণা। নূর হোসেনের সময় রাষ্ট্র বলত, “আমরা স্বৈরাচার, তাই দমন করব।” হাদির সময় রাষ্ট্র বলে, “আমরা গণতান্ত্রিক, কিন্তু অপরাধ ঠেকাতে পারছি না।” এই দুই বক্তব্যের মাঝখানে পার্থক্য থাকলেও ফলাফল এক—একজন নাগরিক নিহত। সবচেয়ে বেদনাদায়ক প্রশ্ন হলো, নূর হোসেনের আত্মত্যাগের ৩৮ বছর পরও কেন হাদির

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

৭ই নভেম্বর: স্বাধীনতা-গণতন্ত্র-সংহতি: এক দিনে তিন প্রতীক

বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে ৭ নভেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ‘মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পরিচিত এই দিনটি ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার পটভূমিতে সিপাহী-জনতার অভ্যুদয়ের প্রতীক হয়ে উঠে। দিনটি নিয়ে নানা মত ও ব্যাখ্যা থাকলেও এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না। কারণ, এই দিনের ঘটনাপ্রবাহ রাষ্ট্রের সামগ্রিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসে এবং জাতীয় রাজনীতির গতিপথে এক নতুন ধারা সূচনা করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর রাষ্ট্রে তীব্র অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। সামরিক, প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে নতুন ক্ষমতার সমীকরণ গড়ে উঠতে থাকে। এরপর ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে হত্যা এবং ক্ষমতার পালাবদলের ধারাবাহিকতায় ৭ নভেম্বর এক বিশেষ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সৈনিকদের একটি অংশ এবং জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সেদিনের ঘটনাকে কেউ বিপ্লব, কেউ সামরিক অভ্যুত্থান এবং কেউ জাতীয় ঐক্যের স্ফুরণ হিসেবে উল্লেখ করেন। এই দিবসটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কারণে। সেই সময় বন্দী অবস্থায় থাকা তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে মুক্তি পান এবং পরবর্তী সময়ে তিনি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব হাতে নেন। জিয়া রাষ্ট্রপরিচালনায় আসার পর বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর নতুন রাজনীতিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয় বলে মতামত রয়েছে। ৭ নভেম্বরকে একদলীয় শাসনের অবসান ও বহু মত-চিন্তার উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরির সূচনা হিসেবে দেখেন অনেক বিশ্লেষক।

ধর্ম

জুমার নামাজ মুমিনের সাপ্তাহিক ঈমান নবায়নের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

জুমার নামাজ মুমিনের সাপ্তাহিক ঈমান নবায়নের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

জুমার নামাজ ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক ইবাদত। প্রতি শুক্রবার মুসলমানরা মসজিদে একত্র হয়ে খুতবা শোনেন এবং জামাতে জুমার নামাজ আদায় করেন। কোরআনের সূরা জুমার ৯ নম্বর আয়াতে জুমার নামাজের আহ্বান হলে আল্লাহর স্মরণের দিকে এগিয়ে যেতে এবং বেচাকেনা ছেড়ে দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে বোঝা যায়, জুমার সময় পার্থিব ব্যস্ততার চেয়ে ইবাদতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার গুরুত্ব রয়েছে। জুমার দিনের বিশেষ মর্যাদার কথাও হাদিসে এসেছে। সহিহ মুসলিমের একটি হাদিসে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) শুক্রবারকে সূর্যোদয়ের দিনগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এ

জুমার দিনের আমলেই মিলতে পারে অশেষ রহমত ও বরকত

জুমার দিনের আমলেই মিলতে পারে অশেষ রহমত ও বরকত

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

লাইফস্টাইল

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ভালোবাসা পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি। ‘মা’ শব্দটি শুধু একটি সম্বোধন নয়, বরং স্নেহ, মমতা, ত্যাগ ও অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রতীক। জন্মের পর মানুষের মুখে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত শব্দও ‘মা’। সেই মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানাতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্ব মা দিবস উদযাপন করা হয়। যদিও মাকে ভালোবাসা প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট কোনো দিন প্রয়োজন হয় না, তবুও বিশেষভাবে মায়েদের সম্মান জানাতেই দিনটি আলাদাভাবে পালিত হয়। ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়,

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

সারাদেশ

শাহপরী দ্বীপে কোস্ট গার্ডের অভিযান: ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

শাহপরী দ্বীপে কোস্ট গার্ডের অভিযান: ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরী দ্বীপের জালিয়াপাড়া সংলগ্ন নাফ নদীতে অভিযান চালিয়ে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট শাহপরী কর্তৃক শাহপরী দ্বীপের জালিয়াপাড়া সংলগ্ন নাফ নদীতে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন উক্ত এলাকায় একটি সন্দেহজনক ইঞ্জিন চালিত কাঠের বোটকে থামার সংকেত দেওয়া হয়। কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক পাচারকারীরা বোট...

ভূরুঙ্গামারীতে মহাসমারোহে নদ থেকে বালু উত্তোলন, ঝুঁকিতে নির্মাণাধীন সেতু ও তীর রক্ষা বাঁধ

ভূরুঙ্গামারীতে মহাসমারোহে নদ থেকে বালু উত্তোলন, ঝুঁকিতে নির্মাণাধীন সেতু ও তীর রক্ষা বাঁধ

কমলগঞ্জে বিজিবির অভিযানে ২টি এক নলা বন্দুক উদ্ধার

কমলগঞ্জে বিজিবির অভিযানে ২টি এক নলা বন্দুক উদ্ধার

যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে সিকদার গ্রুপের সম্পদ ফেরাতে বাংলাদেশের বড় পদক্ষেপ

যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে সিকদার গ্রুপের সম্পদ ফেরাতে বাংলাদেশের বড় পদক্ষেপ

তীব্র গরমে গোয়ালন্দ হাসপাতালে ফ্যান সংকটে রোগীদের দুর্ভোগ

তীব্র গরমে গোয়ালন্দ হাসপাতালে ফ্যান সংকটে রোগীদের দুর্ভোগ

প্রতিবেশী

পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপূজায় পদ্মার ইলিশ চায় ভারতের আমদানিকারকরা

পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপূজায় পদ্মার ইলিশ চায় ভারতের আমদানিকারকরা

দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছে ভারতের মাছ আমদানিকারকদের সংগঠন। পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরায় বাংলাদেশের পদ্মার ইলিশের ব্যাপক চাহিদার কথা উল্লেখ করে এ আবেদন জানানো হয়েছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রীর কাছে এ বিষয়ে চিঠি পাঠিয়েছে কলকাতার ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। চিঠিতে আমদানিকারকরা উল্লেখ করেন, ১৯৯৬ সাল থেকে বেনাপোল ও আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে নিয়মিত ইলিশ আমদানি করে আসছেন তারা। তবে ২০১২ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশ সরকার ইলিশ

হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি

প্রযুক্তিতে এগোচ্ছে বাংলাদেশ, বাড়ছে বৈশ্বিক বাজারে সক্ষমতা

প্রযুক্তিতে এগোচ্ছে বাংলাদেশ, বাড়ছে বৈশ্বিক বাজারে সক্ষমতা

প্রযুক্তি খাতে গত এক দশকে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে বাংলাদেশে। মোবাইল ও ইন্টারনেটের বিস্তার, ডিজিটাল সরকারি সেবা, সফটওয়্যার উন্নয়ন, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবা, ফ্রিল্যান্সিং এবং স্টার্টআপের প্রসারে দেশের প্রযুক্তি খাত এখন অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট ইন্টারনেট গ্রাহক ছিল প্রায় ১৩ কোটি। একই সময়ে মোবাইল ব্রডব্যান্ড গ্রাহক ছিল ১০ কোটি ৩৭ লাখের বেশি এবং মোট মোবাইল গ্রাহক প্রায় ১৮ কোটি ৭ লাখ। অর্থাৎ প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় ভিত্তি—সংযোগ ও ডিজিটাল ব্যবহারকারী—দেশে ইতোমধ্যে

পুরনো ফোনও চলবে নতুনের মতো, জেনে নিন সহজ কিছু কৌশল

পুরনো ফোনও চলবে নতুনের মতো, জেনে নিন সহজ কিছু কৌশল

যে দিন পৃথিবীর ছায়ায় ঢাকবে চাঁদের প্রায় ছিয়ানব্বই শতাংশ

যে দিন পৃথিবীর ছায়ায় ঢাকবে চাঁদের প্রায় ছিয়ানব্বই শতাংশ

দেশে চাঁদাবাজির খবর জানাতে চালু নতুন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চাঁদাবিডি ডটকম

দেশে চাঁদাবাজির খবর জানাতে চালু নতুন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চাঁদাবিডি ডটকম

খেলাধুলা

২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ইতি, বিদায় বললেন মেসি

২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ইতি, বিদায় বললেন মেসি

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার লিওনেল মেসি। সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত জানান আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন তিনি। মেসির অবসরের ঘোষণায় ভক্তদের মধ্যে বিস্ময় ও হতাশা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের আসন্ন আন্তর্জাতিক বিরতির পরিকল্পনাতেও পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

স্টার্ককে ফিরিয়ে শরীফুলের ছয় উইকেট

স্টার্ককে ফিরিয়ে শরীফুলের ছয় উইকেট

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলাম। স্বাগতিক দলের ইনিংসে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মিচেল স্টার্ককে সাজঘরে ফিরিয়ে নিজের ষষ্ঠ উইকেট পূর্ণ করেছেন তিনি। স্টার্কের উইকেটটি শরীফুলের জন্য ছিল বিশেষ তাৎপর্যের। কারণ এর মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার অর্জনের পরপরই এক ইনিংসে ছয় উইকেট নেওয়ার কৃতিত্বও অর্জন করলেন বাংলাদেশের এই পেসার। এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটিং ধসিয়ে দেন

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো স্বাগতিকদের হারিয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে চার দিন ধরে দাপট দেখিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এই জয় শুধু একটি ম্যাচের সাফল্য নয়, বরং অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের দীর্ঘ অপেক্ষারও অবসান। ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পষ্ট। প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে মাত্র ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন পেসার হাসান মাহমুদ। দুর্দান্ত বোলিংয়ে তিনি মাত্র ৫৫ রান খরচ করে তুলে নেন ৬ উইকেট। তার আগ্রাসী বোলিংয়েই শুরুতেই চাপে পড়ে যায় স্বাগতিক দল। অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ধসের পর বাংলাদেশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল নিজেদের ব্যাটিং শক্তি প্রমাণ করা।

অস্ট্রেলিয়াকে গুটিয়ে জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য মাত্র ৫৭

অস্ট্রেলিয়াকে গুটিয়ে জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য মাত্র ৫৭

ক্যামেরন গ্রিনের লড়াকু সেঞ্চুরি অস্ট্রেলিয়াকে ইনিংস হারের লজ্জা থেকে বাঁচালেও ডারউইন টেস্টে ঐতিহাসিক জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংস ২৮৪ রানে গুটিয়ে যাওয়ায় স্বাগতিকদের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে মাত্র ৫৭ রান। চতুর্থ দিন ৪ উইকেটে ১৬১ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। শুরু থেকেই স্বাগতিকদের চাপে রাখে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ। প্রথম দেড় ঘণ্টায় স্পিনের ঘূর্ণিতে অ্যালেক্স ক্যারি, বেউ ওয়েবস্টার ও অধিনায়ক প্যাট কামিন্সকে ফিরিয়ে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ক্যারি করেন ৩০, ওয়েবস্টার ৫ এবং কামিন্স ৮ রান। এতে ২০৭ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারের শঙ্কায় পড়ে অস্ট্রেলিয়া। সেখান থেকে এক প্রান্ত

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম জয়ের স্বপ্নে এগিয়ে বাংলাদেশ দল

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম জয়ের স্বপ্নে এগিয়ে বাংলাদেশ দল

প্রস্তুতি ম্যাচে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের কাছে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। সেই দলেরই এবার যেন সম্পূর্ণ ভিন্ন চেহারা। ডারউইন টেস্টে পূর্ণশক্তির অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দাপট দেখিয়ে ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনের মধ্যাহ্নভোজের বিরতি পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ২১৯ রানের বিশাল লিড নিয়েছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের সম্ভাবনা এখন বাস্তব হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে অস্ট্রেলিয়ার অতীত পরিসংখ্যান। ২০০০ সালের পর প্রথম ইনিংসে অন্তত ১৫০ রানে পিছিয়ে থাকার পর অস্ট্রেলিয়া মাত্র তিনবার টেস্ট জিতেছে। এর মধ্যে ২০১০ সালে সিডনিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০৬ রানে পিছিয়ে থেকেও জয় পেয়েছিল তারা।

হাসানের পর তানজিদ, ডারউইনে চলছে টাইগারদের রাজত্ব

হাসানের পর তানজিদ, ডারউইনে চলছে টাইগারদের রাজত্ব

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২৩ বছর আগে টেস্ট ইতিহাসের শুরুতে যে বাংলাদেশকে ডারউইন ও কেয়ার্নসের মাঠে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল, সেই ডারউইনেই এবার ভিন্ন গল্প লিখছে লাল-সবুজের দল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে বোলিংয়ের পর ব্যাটিংয়েও দাপট দেখিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদের ছয় উইকেটের পর তানজিদ হাসানের সেঞ্চুরিতে স্বাগতিকদের চাপে ফেলেছে সফরকারীরা। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পর দ্বিতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ শক্ত অবস্থান তৈরি করে। তানজিদ হাসান ১৮৮ বলে আটটি চার ও একটি ছক্কায় ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট শতক তুলে নেন। নাথান লায়নের বল লং অফ দিয়ে সিঙ্গেল নিয়ে শতরানের মাইলফলকে পৌঁছান তিনি। এরপর হেলমেট

বিনোদন

শেখ সোলায়মানের নতুন গান ‘মানব জীবন’, ফুটে উঠবে যমুনার পাড়ের সৌন্দর্য

শেখ সোলায়মানের নতুন গান ‘মানব জীবন’, ফুটে উঠবে যমুনার পাড়ের সৌন্দর্য

গ্রামের আঁকাবাঁকা আলপথ কিংবা নদীতীরে বাঁশির সুরে শ্রোতাদের হৃদয়ে যে আবেগ ও বেদনা ছড়িয়ে দিয়েছেন বাঁশিওয়ালা শেখ সোলায়মান, সেই সুর এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও আলোচিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাঁশির সুরের জন্য ইতোমধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন তিনি। বাঁশির পাশাপাশি গানেও নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন এই শিল্পী। কভার গানে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জনের পর সাম্প্রতিক সময়ে মৌলিক গান তৈরিতে মনোযোগ দিয়েছেন শেখ সোলায়মান। সেই ধারাবাহিকতায় এবার প্রকাশ হতে যাচ্ছে তার নতুন মৌলিক গান ‘মানব জীবন’। গানটির কথা ও সুর করেছেন খ্যাতনামা সাংবাদিক সাইফুল শাহীন।  সংগীতায়োজন করেছেন এআর রানা। ইতোমধ্যে গানটির অডিও নির্মাণের পাশাপাশি সম্পন্ন হয়েছে নান্দনিক মিউজিক ভিডিওর চিত্রায়ণ। টাঙ্গাইলের যমুনা নদীর তীর, ঐতিহাসিক হেমনগর জমিদারবাড়ি, নবগ্রামসহ জেলার বিভিন্ন মনোরম লোকেশনে মিউজিক ভিডিওটির দৃশ্যধারণ করা হয়েছে। লোকজ আবহে নির্মিত এই ভিডিওতে গানটির কথা ও সুরের পাশাপাশি টাঙ্গাইলের নদী, গ্রামবাংলার প্রকৃতি এবং অপরূপ বাংলাদেশের নান্দনিক দৃশ্যও উঠে আসবে। শেখ সোলায়মানের নতুন গান ‘মানব জীবন’ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন অডিও প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি গানটির মিউজিক ভিডিও প্রকাশ পাবে শেখ সোলায়মানের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে। নতুন এই গান ও মিউজিক ভিডিও নিয়ে ইতোমধ্যে শ্রোতা-দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। শিল্পীর প্রত্যাশা, ‘মানব জীবন’ গানটি দেশ-বিদেশের বাংলা গানের শ্রোতাদের হৃদয়ে জায়গা করে নেবে।

‘দ্বিতীয় জয়া বচ্চন’ তুলনা প্রশংসা হিসেবেই দেখেন তাপসী

‘দ্বিতীয় জয়া বচ্চন’ তুলনা প্রশংসা হিসেবেই দেখেন তাপসী

বলিউডের অভিনেত্রী তাপসী পান্নু পাপারাজ্জিদের সঙ্গে তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে প্রায়ই খবরের শিরোনামে আসেন। এ কারণে তার ভক্ত-অনুরাগীদের একাংশ তাকে ‘দ্বিতীয় জয়া বচ্চন’ বলেও সম্বোধন করেন। এবার এই তুলনা নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তাপসী। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, ‘দ্বিতীয় জয়া বচ্চন’ বলে সম্বোধন করাকে তিনি কোনো গালি হিসেবে দেখেন না; বরং এটি তার কাছে প্রশংসা। তাপসীর ভাষ্য, জয়া বচ্চন খুব ভালো একজন অভিনেত্রী। তার সঙ্গে জয়া বচ্চনের তুলনা করে মানুষ আসলে তার প্রতিই সদয় হচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি কোনো পরোয়া করেন না বলেও জানিয়েছেন। তাপসী আরও বলেন, তিনি কাউকে গালিগালাজ করেন না এবং নিজের সীমারেখা খুব স্পষ্ট। তার মতে, যে নারীর নিজের সীমারেখা পরিষ্কার, তাকে অনেকের কাছেই ভয়ংকর মনে হয়। পাপারাজ্জিদের সঙ্গে তার তর্কে জড়ানোর কারণও ব্যাখ্যা করেছেন তাপসী। তিনি জানান, বড় হওয়ার পর বাবা-মা ছাড়া আর কেউ তার সঙ্গে চিৎকার করে কথা বলেননি। অথচ পাপারাজ্জিরা বারবার ‘তাপসী, তাপসী’ বলে চিৎকার করেন। তিনি কখনো তাদের সঙ্গে সেই সুরে কথা বলেননি। তারপরও যদি তাকে রাগী বলা হয়, তাহলে হয়তো যারা বলেন তারা ‘রাগ’ শব্দটির অর্থই জানেন না—এমন মন্তব্য করেন অভিনেত্রী। তাপসী জানান, তিনি যখন সত্যিই রেগে যান, তখন চুপ হয়ে যান এবং কথা বলা বন্ধ করে দেন। একই সঙ্গে তিনি সবসময় পাপারাজ্জিদের সম্মান করেছেন বলেও উল্লেখ করেন।

রাজনীতি

রাড্ডা থেকে স্টুডিও, হামলা-ভাঙচুরে বিব্রত সরকার

দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও দখলের ঘটনায় সরকার বিব্রত হলেও রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে। মিরপুরের রাড্ডা মা ও শিশুসাস্থ্য কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়া, ইসিবি চত্বরে সালমান মুক্তাদিরের ব্রাউনফিশ স্টুডিওতে হামলা এবং মোহাম্মদপুর-আদাবরে জমি ও বাড়ি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনাও আলোচনায় এসেছে। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান মঙ্গলবার সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে বলেন, এসব ঘটনায় সরকার দুঃখিত ও বিব্রত। তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের আইনি ব্যবস্থায় আনা হবে এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা জানিয়েছেন, দলের নেতৃত্বের নির্দেশে ঘটনাগুলোতে দলীয় নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততা ও ইন্ধন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের ঘটনায় ১০ জনের বেশি গ্রেপ্তার হয়েছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে দুই শতাধিক মুখোশধারী সেখানে ঢুকে নিরাপত্তাকর্মীদের আটকে রেখে চিকিৎসা সরঞ্জাম, ওষুধ, টিকা ও মালামাল লুট করে এবং এক্সক্যাভেটর দিয়ে স্থাপনাটি গুঁড়িয়ে দেয়। পরে ‘সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেড’-এর সাইনবোর্ড ও ব্যানার টাঙানো হয়। তদন্তে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার প্রমাণ পাওয়ায় শাহ আলী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। টিকা কার্যক্রম চলছে এবং স্থাপনা মেরামত শুরু হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, হামলার আগে অনেকে শাহ আলী থানা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ লেলিন ও বিএনপি নেতা হানিফ মিয়ার কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। পরে হানিফ, আবুল কালাম, ঢাকা মহানগর যুবদলের সাবেক সদস্যসচিব মোস্তফা জগলুল পাশা পাপেলসহ কয়েকজন ঘটনাস্থলের আশপাশে থেকে নির্দেশনা দেন বলে দাবি করা হয়েছে। ভাঙচুরে নেতৃত্বের অভিযোগ রয়েছে ছাত্রদলের আওলাদ হোসেন নাডা আওলাদ ও ৯৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির মো. ইলিয়াসের বিরুদ্ধে। এক্সক্যাভেটর জোগাড়ের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মারুফের বিরুদ্ধে। কয়েকজনকে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী

রাড্ডা থেকে স্টুডিও, হামলা-ভাঙচুরে বিব্রত সরকার
নতুন গণভোট কেন, সরকারের কাছে তিন প্রশ্ন জামায়াত নেতা আযাদের

নতুন গণভোট কেন, সরকারের কাছে তিন প্রশ্ন জামায়াত নেতা আযাদের

ক্ষমতার আঁচ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে, দুষ্কৃতিকারীদের শাস্তি দাবি শফিকের

ক্ষমতার আঁচ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে, দুষ্কৃতিকারীদের শাস্তি দাবি শফিকের

এমপি-মন্ত্রীদের বেতন বাড়ানোর উদ্যোগ হলে বিরোধিতা করবে জামায়াত

এমপি-মন্ত্রীদের বেতন বাড়ানোর উদ্যোগ হলে বিরোধিতা করবে জামায়াত

সম্পাদকীয়

সাবেক উপদেষ্টার দুর্নীতির ১১ হাজার কোটি টাকার অভিযোগ: আসল প্রশ্ন, টাকা দিল কে?

সাবেক উপদেষ্টার দুর্নীতির ১১ হাজার কোটি টাকার অভিযোগ: আসল প্রশ্ন, টাকা দিল কে?

সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগ নিয়ে গতকাল থেকে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে। অভিযোগে নিয়োগ-বাণিজ্য, পদায়ন এবং বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচারের মতো বিষয় উঠে এসেছে বলে বিভিন্ন মাধ্যমে আলোচনা হচ্ছে। তবে অভিযোগের সত্যতা এখনো তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়। তাই তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কাউকে অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে বিবেচনা করা সমীচীন নয়। তবে এই অভিযোগ সামনে আসার পর দুর্নীতির পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এসেছে। বিশেষ

    চীন-করিডোর: সুযোগ নাকি কৌশলগত পরীক্ষা?

চীন-করিডোর: সুযোগ নাকি কৌশলগত পরীক্ষা?

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র