শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬২৯ ফাল্গুন, ১৪৩২
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

বিশেষ প্রতিবেদন

কালিঘাটে চা-শ্রমিকের অর্থে ‘মাইক্রো’ দুর্নীতি! দীর্ঘশ্বাস

এহসান বিন মুজাহির
এহসান বিন মুজাহির মৌলভীবাজার, জেলা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৫, ২১:৩৯

শেয়ার করুনঃ
কালিঘাটে চা-শ্রমিকের অর্থে ‘মাইক্রো’ দুর্নীতি! দীর্ঘশ্বাস

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার কালিঘাট ইউনিয়নে চা-শ্রমিকদের জন্য সরকার নির্ধারিত এককালীন ছয় হাজার টাকা প্রাপ্তিতে ব্যাপক অনিয়ম ও ভোগান্তির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ব্যাংক এশিয়া লিমিটেডের দুইজন মাইক্রো মার্চেন্ট আশিশ কর্মকার ও অপূর্ব তাতীর বিরুদ্ধে এই অনিয়মের অভিযোগ করেছেন উপকারভোগীরা। শ্রমিকদের অভিযোগ, তারা আঙুলের ছাপসহ বায়োম্যাট্রিক পদ্ধতির প্রক্রিয়া শেষ করেও নির্ধারিত টাকা পুরোপুরি পাচ্ছেন না এবং ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করেও টাকা তুলতে পারছেন না।

সরকারি সমাজসেবা অধিদফতরের বাস্তবায়নে চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ৬৪২ জন শ্রমিকের প্রত্যেককে ৬ হাজার টাকা করে মোট ৩৮ লাখ ৫২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এই অর্থ ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আঙুলের ছাপ গ্রহণ করে সরাসরি উপকারভোগীর হাতে পৌঁছানোর কথা থাকলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা হয়নি। অভিযোগে বলা হয়, দুই মাইক্রো মার্চেন্ট জনপ্রতি ১০০ থেকে ২০০ টাকা করে কেটে নিয়ে ৫৮০০ বা ৫৯০০ টাকা দিচ্ছেন।

সরেজমিনে বটগাছ চৌমুহনী ও জগন্নাথ মন্দির এলাকায় অবস্থিত ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট দোকানে গিয়ে দেখা যায়, শতাধিক শ্রমিক দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করছেন। কেউ কেউ দুই দিন আগেই বায়োম্যাট্রিক কার্যক্রম শেষ করেও টাকা তুলতে পারেননি। আবার যারা পেয়েছেন, তারা কম টাকায় সন্তুষ্ট থাকতে বাধ্য হয়েছেন।

আরও

কুয়াশা ঠান্ডায় ভাঙছে কৃষকের শীতকালীন স্বপ্ন

কুয়াশা ঠান্ডায় ভাঙছে কৃষকের শীতকালীন স্বপ্ন
উপকারভোগী দুখনী তাতী, বাণী তাতী, সুনীল পাল ও পরমেশ্বরীসহ অনেকেই অভিযোগ করেন, তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০০ থেকে ২০০ টাকা কম দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত এজেন্ট আশিশ কর্মকার অভিযোগ অস্বীকার না করে বলেন, শহরে তো ১৫০ টাকা পর্যন্ত কেটে নেয়, আমরা কম রাখছি। অন্যদিকে, অপূর্ব তাতীর ভাই তপু তাতী জানান, টাকা না থাকায় বিতরণ সম্ভব হয়নি।

https://enews71.com/storage/ads/01KE26RV3X2DEVSK9FXGRJNSKS.png
এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. সোয়েব হোসেন চৌধুরী বলেন, অনিয়মের বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে কমিশন কাটা যায় কি না, সে বিষয়ে পরিষ্কার নন বলে জানান তিনি। কালিঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রানেশ গোয়ালা বলেন, এমন অভিযোগ খুবই দুঃখজনক এবং বিষয়টি এখনই খতিয়ে দেখা হবে।

শ্রীমঙ্গলচা-শ্রমিক‘মাইক্রো’ দুর্নীতি
https://enews71.com/storage/ads/01JR36BQSKCPE69WB8Z3TARXE3.jpg

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01JR3CX28Y9BM01PRE4TXCNDWF.jpg
শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসলাম উদ্দিন বলেন, বিষয়টি এখন জানলাম। তদন্ত করে অনিয়ম প্রমাণিত হলে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, এর আগেও মির্জাপুর ইউনিয়নে অনিয়মের কারণে দুইজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং এবারও কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

এই অনিয়ম শুধু প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়, এটি একজন শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার হরণ। সরকারের কল্যাণমূলক প্রকল্প যদি মাঠ পর্যায়ে দুর্নীতির ফাঁদে পড়ে, তাহলে প্রকৃত উপকারভোগীরা বঞ্চিত হবেন এবং জনসচেতনতায় আস্থা হারাবে। তাই অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সার্বিক তদারকি জোরদার করার দাবিও উঠেছে সংশ্লিষ্ট মহলে।

আরও

লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলেও বেড়েছে চা উৎপাদন

লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলেও বেড়েছে চা উৎপাদন

সর্বশেষ সংবাদ

ইরাকের আকাশে মার্কিন জ্বালানি বিমান বিধ্বস্ত, চার নিহত

ইরাকের আকাশে মার্কিন জ্বালানি বিমান বিধ্বস্ত, চার নিহত

শ্রীমঙ্গলে প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেলেন ২৩ হাজার পরিবার

শ্রীমঙ্গলে প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেলেন ২৩ হাজার পরিবার

গোয়ালন্দে জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদের দায়ে ব্যবসায়ীকে জরিমানা

গোয়ালন্দে জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদের দায়ে ব্যবসায়ীকে জরিমানা

হিলিতে পাঁচ টাকায় মানুষকে ইফতার দিচ্ছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উদ্দীপ্ত তরুণ

হিলিতে পাঁচ টাকায় মানুষকে ইফতার দিচ্ছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উদ্দীপ্ত তরুণ

টেন্ডার বক্সে জোর করে সিডিউল জমা, শ্রমিকদল নেতার কারাদণ্ড

টেন্ডার বক্সে জোর করে সিডিউল জমা, শ্রমিকদল নেতার কারাদণ্ড

জনপ্রিয় সংবাদ

দারিদ্র্য বিমোচনে কার্যকর জাকাত ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

দারিদ্র্য বিমোচনে কার্যকর জাকাত ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বরিশালে ইলেকট্রিক ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

বরিশালে ইলেকট্রিক ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

নারায়ণগঞ্জে দায়িত্বপালনরত পুলিশের পিস্তল ছিনতাই

নারায়ণগঞ্জে দায়িত্বপালনরত পুলিশের পিস্তল ছিনতাই

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা মব নয়, নির্ধারিত অপরাধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা মব নয়, নির্ধারিত অপরাধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

হরমুজ প্রণালিতে সীমিত নিষেধাজ্ঞা, অন্য দেশের জাহাজ চলবে

হরমুজ প্রণালিতে সীমিত নিষেধাজ্ঞা, অন্য দেশের জাহাজ চলবে

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলেও বেড়েছে চা উৎপাদন

লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলেও বেড়েছে চা উৎপাদন

সদ্য সমাপ্ত ২০২৫ সালের চা উৎপাদন মৌসুমে আগের বছরের তুলনায় ১৮ লাখ ৭০ হাজার কেজি বেশি চা উৎপাদিত হয়েছে। যদিও নির্ধারিত উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ১০ কোটি ৩০ লাখ কেজি অর্জন করা সম্ভব হয়নি, তথাপি সংশ্লিষ্টরা উৎপাদন বৃদ্ধিকে দেশের চা শিল্পের জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। বাংলাদেশ চা বোর্ডের মাসিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশের মোট চা উৎপাদন দাঁড়িয়েছে ৯ কোটি ৪৯ লাখ ১২

অবহেলায় ধ্বংসের পথে ঘোড়াঘাটের ঐতিহাসিক ডাকবাংলো

অবহেলায় ধ্বংসের পথে ঘোড়াঘাটের ঐতিহাসিক ডাকবাংলো

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার পৌর সদরে অবস্থিত ব্রিটিশ আমলের ঐতিহাসিক ডাকবাংলোটি দীর্ঘদিন ধরে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্তমানে এটি মাদকসেবীদের আড্ডাস্থলে পরিণত হয়েছে। উপজেলা সদর থেকে থানা ভবনের উত্তর পাশে গেলেই চোখে পড়ে চুন-শুরকির গাঁথুনি ও ছাঁদ ঢালাইয়ে নির্মিত নান্দনিক স্থাপনাটি। একসময় প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড, অতিথি আপ্যায়ন এবং ব্যবসায়িক আনাগোনায় মুখর ছিল ডাকবাংলোটি। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় তা এখন বিলুপ্তির পথে। স্থানীয়

দুই নারী টিকিয়ে রেখেছেন বিলুপ্তপ্রায় খাড়িয়া ভাষা

দুই নারী টিকিয়ে রেখেছেন বিলুপ্তপ্রায় খাড়িয়া ভাষা

মৌলভীবাজারের চা শিল্পাঞ্চলে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে খাড়িয়া ভাষা এখন বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে। ভাষাটি বর্তমানে টিকে আছে মাত্র দুইজন মানুষের মুখে—শ্রীমঙ্গল উপজেলার বর্মাছড়া চা বাগানের শ্রমিক ভেরোনিকা কেরকেটা (৮১) ও তাঁর বোন খ্রিস্টিনা কেরকেটা (৭৬)। ভাষা বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয়দের আশঙ্কা, তাদের মৃত্যু হলে চিরতরে হারিয়ে যাবে বাংলাদেশের এই অতি বিপন্ন ভাষাগুলোর একটি। মৌলভীবাজারের চা বাগানাঞ্চলে খাসিয়া, গারো, মণিপুরী, ত্রিপুরা, খাড়িয়া, সাঁওতাল, মুন্ডা,

পৃষ্টপোষকতার অভাবে মৌলভীবাজারে বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী শীতল পাটি শিল্প

পৃষ্টপোষকতার অভাবে মৌলভীবাজারে বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী শীতল পাটি শিল্প

মৌলভীবাজারের রাজনগর ও বড়লেখাসহ বিভিন্ন এলাকায় একসময় সমৃদ্ধ গ্রামীণ ঐতিহ্য শীতল পাটি শিল্প এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে। আধুনিকতার ছোঁয়ায় প্লাস্টিকের মাদুর, ফ্লোরম্যাট ও টাইলসের দাপটে হারিয়ে যাচ্ছে শতবর্ষের এই লোকজ শিল্প। অথচ একসময় গ্রামবাংলার প্রতিটি ঘরে অতিথি আপ্যায়ন থেকে শুরু করে গৃহকর্তার বসার জন্যও ব্যবহৃত হতো শীতল পাটি। গরমের দিনে এই পাটি দেহ ও মনকে শীতলতা দিত বলে এর কদর

গোয়ালন্দে ফসল রক্ষার নামে পাখি নিধন বাড়ছে! হুমকিতে জীববৈচিত্র্য

গোয়ালন্দে ফসল রক্ষার নামে পাখি নিধন বাড়ছে! হুমকিতে জীববৈচিত্র্য

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় সবজি ক্ষেত রক্ষার নামে কারেন্ট জাল পেতে নির্বিচারে পাখি হত্যার ঘটনা ঘটছে। কৃষকদের বসানো এ জালে আটকা পড়ে বক, শালিক, ঘুঘু, চড়ুই, কবুতর, বুলবুলি, দোয়েল, পেঁচাসহ বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির পাখি মারা যাচ্ছে। পরিবেশবান্ধব এসব পাখি নিধনের ঘটনায় স্থানীয়ভাবে তেমন কোনো সচেতনতা বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ না থাকায় জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। খোঁজ নিয়ে