শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬২২ ভাদ্র, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

আপনার এলাকার খবর

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg
https://enews71.com/storage/ads/01KTB48CFAEJRYTN4T9G053ER9.png
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png

বিশেষ সংবাদ

ছয় মাসেই রেকর্ড চা উৎপাদন, সুদিন ফিরছে দেশের বাগানে

ছয় মাসেই রেকর্ড চা উৎপাদন, সুদিন ফিরছে দেশের বাগানে

নানা প্রতিকূলতা ও উৎপাদন ব্যয়ের চাপ কাটিয়ে দেশের চা শিল্পে আবারও সুদিনের আভাস দেখা দিয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত, সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং চায়ের নিলামে ভালো দাম পাওয়ায় চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদন হয়েছে। গত তিন বছরের প্রথমার্ধের তুলনায় এ উৎপাদন সর্বোচ্চ। চলতি বছরে দেশে ১০ কোটি ৪০ লাখ কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। জুন পর্যন্ত উৎপাদন হয়েছে প্রায় ২ কোটি ২৪ লাখ কেজি, যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ২৯ দশমিক ৪৫ শতাংশ। বাংলাদেশ চা বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,...

গোল্ডেন পেয়ারায় বদলাচ্ছে জুড়ীর পতিত জমির অর্থনীতি

গোল্ডেন পেয়ারায় বদলাচ্ছে জুড়ীর পতিত জমির অর্থনীতি

যমুনার তীরে বেহুলা ভাসান, বেঁচে আছে বাংলার লোকঐতিহ্য

যমুনার তীরে বেহুলা ভাসান, বেঁচে আছে বাংলার লোকঐতিহ্য

শ্রীমঙ্গলে কাঁটায় ভরা ক্যাকটাসে রাতজাগা ফুলের মুগ্ধতা

শ্রীমঙ্গলে কাঁটায় ভরা ক্যাকটাসে রাতজাগা ফুলের মুগ্ধতা

বিলুপ্তির শঙ্কা কাটিয়ে মৌলভীবাজারে ফিরছে পাহাড়ি ফল চাম কাঁঠাল

বিলুপ্তির শঙ্কা কাটিয়ে মৌলভীবাজারে ফিরছে পাহাড়ি ফল চাম কাঁঠাল

গণরায় বাস্তবায়নসহ ৮ দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ শুরু

গণরায় বাস্তবায়নসহ ৮ দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ শুরু

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসনসহ বিভিন্ন দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী লংমার্চ শুরু হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে উদ্বোধনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। সমাবেশ শেষে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চের বহর রওনা হয়। সমাবেশে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ। এ সময় ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারাও বক্তব্য দেন। লংমার্চের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করা। একই সঙ্গে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন ও জুলাই গণহত্যার বিচার দাবি করা হয়েছে। লংমার্চের নির্ধারিত রুটে বিভিন্ন স্থানে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। নারায়ণগঞ্জের কাচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাক স্ট্যান্ডে প্রথম পথসভা হবে। এরপর কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল ও মীরেরসরাইয়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষ চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে জনসভা করার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন
১০ ঘণ্টা আগে
www.kidora.com.bd
বার্থ ট্যুরিজম নিষিদ্ধ, বাংলাদেশিদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস

বার্থ ট্যুরিজম নিষিদ্ধ, বাংলাদেশিদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস

বি১/বি২ ভিজিটর ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণকারী বাংলাদেশিদের জন্য সতর্কবার্তা দিয়েছে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস। এ ভিসা ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে কোন ধরনের কর্মকাণ্ড করা যাবে না, তা স্পষ্ট করেছে দূতাবাস। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজেদের ভেরিফায়েড প্রোফাইলে দেওয়া

ব্রিকসে তারেক রহমান যাবেন কি না, জানে না ভারত

ব্রিকসে তারেক রহমান যাবেন কি না, জানে না ভারত

আসন্ন ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যোগ দেবেন কি না, কিংবা তিনি অংশ না নিলে অন্য কেউ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন কি না—এ বিষয়ে ভারত সরকারের কাছে এখনো কোনো নির্দিষ্ট তথ্য নেই। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক

প্রযুক্তিতে এগোচ্ছে বাংলাদেশ, বাড়ছে বৈশ্বিক বাজারে সক্ষমতা

প্রযুক্তিতে এগোচ্ছে বাংলাদেশ, বাড়ছে বৈশ্বিক বাজারে সক্ষমতা

যুদ্ধ দীর্ঘায়নে আত্মবিশ্বাসী ইরান, মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়ন

যুদ্ধ দীর্ঘায়নে আত্মবিশ্বাসী ইরান, মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়ন

লংমার্চে এক লাখ লিটার তেল অপচয়, জনভোগান্তি বাড়ছে: রাশেদ খান

লংমার্চে এক লাখ লিটার তেল অপচয়, জনভোগান্তি বাড়ছে: রাশেদ খান

৬ সেপ্টেম্বর পে স্কেলের গেজেট, কাটেনি শেষ মুহূর্তের জটিলতা

৬ সেপ্টেম্বর পে স্কেলের গেজেট, কাটেনি শেষ মুহূর্তের জটিলতা

কালো ধোঁয়া দেখলেই ব্যবস্থা, জুলাইয়ে ৯১৫ মামলা ডিএমপির

কালো ধোঁয়া দেখলেই ব্যবস্থা, জুলাইয়ে ৯১৫ মামলা ডিএমপির

সাহস থাকলে দেশে আসুন, শেখ হাসিনাকে গয়েশ্বরের আহ্বান

সর্বশেষ সংবাদ

জনপ্রিয়

রাজনগরে প্রকৃতির অপরূপ মেলবন্ধন 'ভুরভুরি বিল'

রাজনগরে প্রকৃতির অপরূপ মেলবন্ধন 'ভুরভুরি বিল'

টানা পাঁচ দিন বন্ধের পর হিলি বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু

টানা পাঁচ দিন বন্ধের পর হিলি বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু

পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে আদালত থেকে পালানো আসামি দুই দিন পর গ্রেপ্তার

পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে আদালত থেকে পালানো আসামি দুই দিন পর গ্রেপ্তার

আখক্ষেতে পেতে রাখা বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে নারীর মৃত্যু, প্রধান আসামি গ্রেফতার

আখক্ষেতে পেতে রাখা বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে নারীর মৃত্যু, প্রধান আসামি গ্রেফতার

গোপালপুরে ইয়াবা বিক্রির অভিযোগে নারীসহ ৩ জন আটক

গোপালপুরে ইয়াবা বিক্রির অভিযোগে নারীসহ ৩ জন আটক

প্রযুক্তিতে এগোচ্ছে বাংলাদেশ, বাড়ছে বৈশ্বিক বাজারে সক্ষমতা

প্রযুক্তিতে এগোচ্ছে বাংলাদেশ, বাড়ছে বৈশ্বিক বাজারে সক্ষমতা

যুদ্ধ দীর্ঘায়নে আত্মবিশ্বাসী ইরান, মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়ন

যুদ্ধ দীর্ঘায়নে আত্মবিশ্বাসী ইরান, মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়ন

বার্থ ট্যুরিজম নিষিদ্ধ, বাংলাদেশিদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস

বার্থ ট্যুরিজম নিষিদ্ধ, বাংলাদেশিদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস

লংমার্চে এক লাখ লিটার তেল অপচয়, জনভোগান্তি বাড়ছে: রাশেদ খান

লংমার্চে এক লাখ লিটার তেল অপচয়, জনভোগান্তি বাড়ছে: রাশেদ খান

রাজস্ব আয় বাড়লেও বাড়েনি পাঁচবিবি রেলস্টেশনের যাত্রীসেবার মান

রাজস্ব আয় বাড়লেও বাড়েনি পাঁচবিবি রেলস্টেশনের যাত্রীসেবার মান

সাহস থাকলে দেশে আসুন, শেখ হাসিনাকে গয়েশ্বরের আহ্বান

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

প্রতিবেশী

হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে ঢাকার ধারাবাহিক দাবির মধ্যে ভারতের অবস্থান আরও স্পষ্ট হয়েছে। দেশটির শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রত্যর্পণের বিষয়ে কোনো রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, শেষ পর্যন্ত ভারতের আদালতই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। ভারতীয় কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে প্রত্যর্পণের আনুষ্ঠানিক অনুরোধ এলে সেটি দেশটির বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। অভিযোগগুলো ভারতের আইন অনুযায়ীও অপরাধ হিসেবে বিবেচিত কি না, তা আদালতের সামনে যাচাই করা হবে। এদিকে শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার বিষয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে কূটনৈতিক পর্যায়ে

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় আসামের এনআইটি ৫ জনকে বহিষ্কার

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় আসামের এনআইটি ৫ জনকে বহিষ্কার

রাজনীতি

লংমার্চে এক লাখ লিটার তেল অপচয়, জনভোগান্তি বাড়ছে: রাশেদ খান

জামায়াত ঘোষিত লং মার্চের কারণে রাস্তাঘাট বন্ধ রাখা এবং এক লাখ লিটার তেল অপচয়ের ফলে জনভোগান্তি ও জ্বালানিসংকট আরও বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খান। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। রাশেদ খান দাবি করেন, জামায়াত ঘোষিত লং মার্চে দলের নেতাকর্মীদের বাইরে সাধারণ মানুষের কোনো আগ্রহ ও অংশগ্রহণ নেই। বিরোধী দলের নেতাদের মুখে হতাশার ছাপ দেখা যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান লেখেন, তারা ভেবেছিল রাস্তার দুই পাশে জনতার ঢল নামবে এবং জামায়াতের আমিরের গাড়ি উপচে পড়া ভিড়ের কারণে চলতে পারবে না। কিন্তু দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের পরও জামায়াত নেতৃত্বাধীন ৯ দলীয় জোট সাধারণ মানুষকে আকৃষ্ট করতে পারেনি বলে দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, দুই দল জামায়াতের জোট ছেড়েছে। রাশেদ খান আরও বলেন, সাধারণ মানুষ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও গ্যাস নিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংকট সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান রাখে। ছয় মাসের সরকারের ওপর ১৮ থেকে ২০ বছরের সমস্যা, সংকট ও অব্যবস্থাপনার দায় চাপানোর চেষ্টা মূর্খতার শামিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বিরোধী দলের ছয় দফা নিয়েও জনগণের আগ্রহ নেই বলে দাবি করেন রাশেদ খান। তার ভাষ্য, রাস্তাঘাট বন্ধ রাখা এবং এক লাখ লিটার তেল অপচয়ের কারণে জনভোগান্তি ও জ্বালানিসংকট আরও বাড়ছে। তিনি বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী ও পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল করে। লং মার্চের কারণে এসব গাড়ি বন্ধ থাকায় রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকা লোকসান হবে। শেষে রাশেদ খান অভিযোগ করেন, সম্পূর্ণ দলীয় স্বার্থে এবং মিথ্যাচার ও প্রতারণাকে পুঁজি করে জামায়াত জনগণের ওপর ‘লং মার্চ’ নামের আন্দোলন একপ্রকার জোরপূর্বক চাপিয়ে

লংমার্চে এক লাখ লিটার তেল অপচয়, জনভোগান্তি বাড়ছে: রাশেদ খান
সাহস থাকলে দেশে আসুন, শেখ হাসিনাকে গয়েশ্বরের আহ্বান

সাহস থাকলে দেশে আসুন, শেখ হাসিনাকে গয়েশ্বরের আহ্বান

বাধা এলে ছয় দফা এক দফায় পরিণত হবে: নাহিদ ইসলাম

বাধা এলে ছয় দফা এক দফায় পরিণত হবে: নাহিদ ইসলাম

বাধা এলে মোকাবিলা করেই গন্তব্যে পৌঁছাব: শফিকুর রহমান

বাধা এলে মোকাবিলা করেই গন্তব্যে পৌঁছাব: শফিকুর রহমান

মতামত

Card Image

জিয়াউল হক

একক লড়াইয়ে ইসলামী আন্দোলন !

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো জোটে না থেকে এককভাবে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১১ দলীয় জোটে তারা আর থাকছে না এবং নিজের শক্তির ওপর ভর করেই নির্বাচনী মাঠে নামবে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশের ২৬৮টি আসনে প্রার্থী দেবে। দীর্ঘদিন ধরে জোট রাজনীতির বাইরে থেকে স্বতন্ত্র অবস্থান ধরে রাখার যে নীতি দলটি অনুসরণ করে আসছে, এই সিদ্ধান্ত তারই ধারাবাহিকতা বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। এর আগে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন একটি জোট সমঝোতার অংশ হিসেবে কিছু আসন খালি রাখার উদ্যোগ নেয়। সেখানে প্রায় ৫০টি আসন ছাড় দেওয়ার আলোচনা থাকলেও চরমোনাই পীর মুফতি রেজাউল করিমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন সেই প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি। বরং দলটি শুরু থেকেই এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান নেয়। দলীয় নেতারা বলছেন, জনগণের প্রত্যাশা ও ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাজনীতির বিস্তারের লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জোট রাজনীতির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে সরাসরি ভোটারদের কাছে নিজেদের বার্তা পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল উদ্দেশ্য। এদিকে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একটি গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের প্রাথমিক ধাপ শেষ হয়েছে এবং এখন আপিল নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া চলছে। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ২০ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণায় নামতে পারবেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

শহীদ নূর হোসেন থেকে শহীদ ওসমান হাদি: রাষ্ট্র কি বদলেছে?

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু মৃত্যু সময়কে ভাগ করে দেয়—আগের বাংলাদেশ আর পরের বাংলাদেশ। ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেনের মৃত্যু যেমন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনকে নতুন গতি দিয়েছিল, তেমনি ২০২৫ সালে শহীদ ওসমান হাদির মৃত্যু আজকের রাষ্ট্রব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে কঠিন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। নূর হোসেন ছিলেন একজন সাধারণ মানুষ। কোনো বড় পদ, ক্ষমতা বা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা তার ছিল না। তবুও তিনি বুক-পিঠে লেখা দুটি বাক্য—‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ ও ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’—নিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন। রাষ্ট্র তখন প্রকাশ্য স্বৈরশাসনের অধীনে ছিল। গুলির মুখে দাঁড়িয়ে নূর হোসেন দেখিয়ে দিয়েছিলেন, গণতন্ত্র কেবল রাজনৈতিক দল নয়, সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগেই বেঁচে থাকে। তার রক্তের দাগ মুছে যায়নি; বরং তা ইতিহাসে চিহ্ন হয়ে রয়ে গেছে। অন্যদিকে শহীদ ওসমান হাদি ছিলেন একটি প্রজন্মের কণ্ঠস্বর। তিনি কোনো সামরিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে নয়, বরং তথাকথিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভেতরের ব্যর্থতা, বৈষম্য ও নিরাপত্তাহীনতার বিরুদ্ধে কথা বলছিলেন। দিনের আলোয় রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে রিকশায় বসে থাকা একজন রাজনৈতিক কর্মী গুলিবিদ্ধ হন—এটি শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়, এটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রকাশ্য ভেঙে পড়ার ঘোষণা। নূর হোসেনের সময় রাষ্ট্র বলত, “আমরা স্বৈরাচার, তাই দমন করব।” হাদির সময় রাষ্ট্র বলে, “আমরা গণতান্ত্রিক, কিন্তু অপরাধ ঠেকাতে পারছি না।” এই দুই বক্তব্যের মাঝখানে পার্থক্য থাকলেও ফলাফল এক—একজন নাগরিক নিহত। সবচেয়ে বেদনাদায়ক প্রশ্ন হলো, নূর হোসেনের আত্মত্যাগের ৩৮ বছর পরও কেন হাদির

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

৭ই নভেম্বর: স্বাধীনতা-গণতন্ত্র-সংহতি: এক দিনে তিন প্রতীক

বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে ৭ নভেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ‘মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পরিচিত এই দিনটি ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার পটভূমিতে সিপাহী-জনতার অভ্যুদয়ের প্রতীক হয়ে উঠে। দিনটি নিয়ে নানা মত ও ব্যাখ্যা থাকলেও এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না। কারণ, এই দিনের ঘটনাপ্রবাহ রাষ্ট্রের সামগ্রিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসে এবং জাতীয় রাজনীতির গতিপথে এক নতুন ধারা সূচনা করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর রাষ্ট্রে তীব্র অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। সামরিক, প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে নতুন ক্ষমতার সমীকরণ গড়ে উঠতে থাকে। এরপর ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে হত্যা এবং ক্ষমতার পালাবদলের ধারাবাহিকতায় ৭ নভেম্বর এক বিশেষ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সৈনিকদের একটি অংশ এবং জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সেদিনের ঘটনাকে কেউ বিপ্লব, কেউ সামরিক অভ্যুত্থান এবং কেউ জাতীয় ঐক্যের স্ফুরণ হিসেবে উল্লেখ করেন। এই দিবসটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কারণে। সেই সময় বন্দী অবস্থায় থাকা তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে মুক্তি পান এবং পরবর্তী সময়ে তিনি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব হাতে নেন। জিয়া রাষ্ট্রপরিচালনায় আসার পর বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর নতুন রাজনীতিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয় বলে মতামত রয়েছে। ৭ নভেম্বরকে একদলীয় শাসনের অবসান ও বহু মত-চিন্তার উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরির সূচনা হিসেবে দেখেন অনেক বিশ্লেষক।

ভিডিও সংবাদ

Card Image

ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের পথে ১১ দলীয় জোট! কী হচ্ছে রাজপথে

Card Image

বাবার চোখের পানি দেখে প্রেমের ইতি? মুসলিম তরুণীর নতুন সিদ্ধান্ত

Card Image

বরযাত্রীর গাড়ি আটকে নববধূকে তুলে নেওয়া! পেছনের রহস্য কী

Card Image

চেয়ারম্যান থেকে রাষ্ট্রপতির চেয়ারে! অবিশ্বাস্য রাজনৈতিক উত্থান

Card Image

রাজশাহীতে চলন্ত ট্রেন থেকে তেল চুরি! এটাকে কি চুরি বলবেন, নাকি লুট?

Card Image

বরিশালে বিদ্যুৎ দুর্যোগ! কবে মিলবে নিরবচ্ছিন্ন সাপ্লাই?

Card Image

নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কেন বাড়ছে বারবার?

Card Image

ইসরায়েলের পরমাণু সুবিধা লক্ষ্য করে ইরানের আঘাত ও প্রতিশোধ

Card Image

কারিগরি শিক্ষা নিয়ে সরকারের নতুন পরিকল্পনা, কী বললেন নুরুল হক?

Card Image

বরিশালে অন্ডকোষ চেপে ধরে স্টাম্পে স্বাক্ষর! মুখ খুললেন ভুক্তভোগী | কী ঘটেছিল সেদিন?

স্বাস্থ্য

মা-শিশুর চিকিৎসায় বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্র দিচ্ছে ২৪ লাখ ডলার

মা-শিশুর চিকিৎসায় বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্র দিচ্ছে ২৪ লাখ ডলার

মা, নবজাতক ও শিশুস্বাস্থ্যসেবা আরও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশকে ২৪ লাখ ডলার বা প্রায় ২৯ কোটি ৩২ লাখ ৮০ হাজার টাকা মূল্যের চিকিৎসা সরঞ্জাম ও প্রয়োজনীয় উপকরণ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দুর্গম এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এসব সরঞ্জাম ও উপকরণ পৌঁছে দেওয়া হবে। সোমবার ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, পঞ্চগড় জেলা হাসপাতালে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন মাতৃ ও নবজাতক স্বাস্থ্যসেবাবিষয়ক একটি প্রশিক্ষণ মডেল সিভিল সার্জন ডা. মো. মিজানুর রহমানের কাছে হস্তান্তর করেন। যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সহায়তার

স্বাস্থ্য খাতে ১৩-১৬ গ্রেডে নিয়োগের উদ্যোগ

স্বাস্থ্য খাতে ১৩-১৬ গ্রেডে নিয়োগের উদ্যোগ

ঢাকায় ডেঙ্গুর ধরন বদল, বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকি

ঢাকায় ডেঙ্গুর ধরন বদল, বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকি

মানহীন চিকিৎসাকেন্দ্রে ছাড় নেই, বন্ধ হচ্ছে অবৈধ প্রতিষ্ঠান

মানহীন চিকিৎসাকেন্দ্রে ছাড় নেই, বন্ধ হচ্ছে অবৈধ প্রতিষ্ঠান

আন্তর্জাতিক

যুদ্ধ দীর্ঘায়নে আত্মবিশ্বাসী ইরান, মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়ন

যুদ্ধ দীর্ঘায়নে আত্মবিশ্বাসী ইরান, মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়ন

ছয় মাসের যুদ্ধ ইরানকে দুর্বল করার পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে আরও আত্মবিশ্বাসী করেছে বলে মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নে উঠে এসেছে। শুক্রবার প্রকাশিত নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, তেহরান এখন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা এবং যুদ্ধের চাপ সহ্য করার সক্ষমতা সম্পর্কে আগের চেয়ে বেশি আত্মবিশ্বাসী। কয়েক মাস ধরে সংঘাত চালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতিও রয়েছে দেশটির। মার্কিন গোয়েন্দাদের ধারণা, ইরানের কট্টরপন্থি নেতৃত্ব যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত করার কৌশল নিতে পারে। ফলে ওয়াশিংটনের সঙ্গে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির সমঝোতা কঠিন হতে পারে। ব্যাপক সামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি হলেও ইরানের নেতৃত্ব মনে করছে, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ সৃষ্টির মতো সক্ষমতা তাদের রয়েছে। কংগ্রেসের গোয়েন্দা কমিটির সদস্যদের বক্তব্যও একই ইঙ্গিত দিচ্ছে। তথ্য সম্পর্কে অবহিত কর্মকর্তাদের মতে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা আগের চেয়ে ভালো বুঝছে। ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের মজুত এবং হরমুজ প্রণালিকে চাপের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের সক্ষমতা তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। সদস্য জেসন ক্রো বলেন, ক্ষয়ক্ষতি সহ্য করেও দীর্ঘ লড়াই চালানো সম্ভব—এটি ইরানের নেতৃত্ব বুঝেছে। এদিকে দীর্ঘ অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুত কমেছে। যুদ্ধ-পূর্ব পর্যায়ে তা ফিরিয়ে নিতে কয়েক বছর লাগতে পারে বলে সামরিক বিশ্লেষকদের ধারণা। হরমুজেও তেহরানের কৌশলগত আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। ৪ সেপ্টেম্বর মাত্র চারটি পণ্যবাহী জাহাজ প্রণালিটি অতিক্রম করেছে; আগের ১০ দিনের গড় ছিল ১৫টি। যুদ্ধের আগে প্রতিদিন প্রায় ১২৫টি বাণিজ্যিক জাহাজ এ পথ ব্যবহার করত। মার্কিন কর্মকর্তাদের একাংশের ধারণা, ইরান নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত সংঘাত টানতে পারে। দীর্ঘ যুদ্ধ ও জ্বালানির উচ্চমূল্য ট্রাম্প ও রিপাবলিকানদের রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়াবে—এমন হিসাব তেহরানের থাকতে পারে। রয়টার্স জানায়, ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারাও নির্বাচনের আগে যুদ্ধের বড় বিস্তার এড়াতে আগ্রহী। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি বড় অভিযান না চালিয়ে অর্থনৈতিক চাপ ও নিষেধাজ্ঞায় জোর দিচ্ছে। তবে নিষেধাজ্ঞা বাড়লে ইরান পাল্টা উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। হরমুজে হামলা, মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা এবং পাল্টা হামলায় সংঘাত আবার তীব্র হয়েছে।

ট্রাম্প-হেগসেথের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ, সরব ডেমোক্র্যাট

ট্রাম্প-হেগসেথের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ, সরব ডেমোক্র্যাট

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ তুলেছেন দেশটির ডেমোক্রেটিক কংগ্রেস সদস্য ডেলিয়া রামিরেজ। বিদেশে মার্কিন অস্ত্রের ব্যবহার এবং ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের তীব্র সমালোচনা করে অবিলম্বে সংঘাত বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় রামিরেজ মার্কিন সামরিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, একটি নবদম্পতির জীবনের নতুন সূচনার উদযাপনের দিন ভয়াবহ ধ্বংসলীলায় পরিণত হয়েছে। ফিলিস্তিন থেকে ইরান পর্যন্ত মার্কিন বোমায় নিরীহ নারী ও শিশুদের হত্যা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। রামিরেজ কংগ্রেসকে যুদ্ধবাজদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ট্রাম্প ও হেগসেথের কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে কংগ্রেসকে নীরব না থাকার তাগিদ দেন

জেন জির পর এবার ভারতের রাজপথে জেন আলফা শিক্ষার্থীরা

জেন জির পর এবার ভারতের রাজপথে জেন আলফা শিক্ষার্থীরা

জেনারেশন জির বিক্ষোভের পর এবার শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের দাবিতে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে রাজপথে নেমেছে জেন আলফা বা স্কুল শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) আল জাজিরায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তরপ্রদেশের সমূহি ভাটপুরওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অন্তত ১০টি রাজ্যের গ্রামীণ এলাকার শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন দাবিতে ক্লাস বর্জন ও বিক্ষোভ করেছে। জরাজীর্ণ স্কুল ভবন, শিক্ষক সংকট, বিদ্যুৎ ও সুপেয় পানির অভাব এবং নিম্নমানের মধ্যাহ্নভোজন নিয়ে তারা প্রতিবাদ জানায়। সম্প্রতি প্রশ্নপত্র ফাঁস ও বেকারত্বের প্রতিবাদে জেন জির নেতৃত্বাধীন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলন এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের ধারাবাহিকতায় স্কুল শিক্ষার্থীদের এই নতুন আন্দোলন শুরু হয়েছে। সিজেপি গত ১৫ আগস্ট থেকে

চিকেনস নেকে চার লেন, বরাদ্দ ২ হাজার ৭৭ কোটি রুপি

চিকেনস নেকে চার লেন, বরাদ্দ ২ হাজার ৭৭ কোটি রুপি

রাশিয়ার কড়া বার্তা, ইরান ছাড়বে না মস্কো

রাশিয়ার কড়া বার্তা, ইরান ছাড়বে না মস্কো

হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া জবাব দিল ইরান

হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া জবাব দিল ইরান

যেকোনো মুহূর্তে ইরানে বড় হামলা, প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

যেকোনো মুহূর্তে ইরানে বড় হামলা, প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

দুই লাখ বাংলাদেশি নিয়োগের খবর নাকচ মালয়েশিয়ার

দুই লাখ বাংলাদেশি নিয়োগের খবর নাকচ মালয়েশিয়ার

ভয়াবহ বন্যায় নেপাল, এক মিলিয়ন ডলার নিয়ে পাশে দাঁড়াল বাংলাদেশ

ভয়াবহ বন্যায় নেপাল, এক মিলিয়ন ডলার নিয়ে পাশে দাঁড়াল বাংলাদেশ

ধর্ম

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

ইসলাম শুধু ইবাদতের শিক্ষা দেয় না, মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ারও নির্দেশ দেয়। একজন মুসলমানের উত্তম চরিত্রের অন্যতম প্রকাশ হলো অন্যের উপকারে এগিয়ে আসা। বিপদে থাকা মানুষকে সহযোগিতা করা, অসহায়কে সাহায্য করা এবং মানুষের কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করাকে ইসলাম অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ আমল হিসেবে বিবেচনা করে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘সৎকর্ম ও তাকওয়ায় একে অন্যকে সহযোগিতা করো।’ এই নির্দেশনা থেকে বোঝা যায়, সমাজে ভালো কাজ প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের কল্যাণে পারস্পরিক সহযোগিতা করা একজন মুমিনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। শুধু নিজের স্বার্থ নিয়ে ব্যস্ত না থেকে

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

মহানবীর জন্ম ও ওফাত স্মরণে আজ পবিত্র মিলাদুন্নবী

মহানবীর জন্ম ও ওফাত স্মরণে আজ পবিত্র মিলাদুন্নবী

ক্ষমাশীল হতে বলেছে কোরআন ও হাদিস

ক্ষমাশীল হতে বলেছে কোরআন ও হাদিস

সম্পাদকীয়

    চীন-করিডোর: সুযোগ নাকি কৌশলগত পরীক্ষা?

চীন-করিডোর: সুযোগ নাকি কৌশলগত পরীক্ষা?

বিশ্ব রাজনীতিতে বন্ধু কিংবা প্রতিপক্ষ এই পরিচয়গুলো সময়ের সঙ্গে বদলে যায়। কিন্তু একটি বিষয় কখনো বদলায় না, সেটি হলো অর্থনৈতিক স্বার্থ। আধুনিক বিশ্বে যে রাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার প্রভাবও তত বেশি। ফলে আদর্শিক মতভেদ থাকলেও বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দেশগুলোকে একে অপরের সঙ্গে কাজ করতেই হয়। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। সম্প্রতি বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনকে ঘিরে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক করিডোর নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টিকে রাজনৈতিক আবেগ কিংবা পক্ষ-বিপক্ষের দৃষ্টিভঙ্গিতে না দেখে রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থের আলোকে মূল্যায়ন করা জরুরি। যেকোনো

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

লাইফস্টাইল

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ভালোবাসা পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি। ‘মা’ শব্দটি শুধু একটি সম্বোধন নয়, বরং স্নেহ, মমতা, ত্যাগ ও অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রতীক। জন্মের পর মানুষের মুখে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত শব্দও ‘মা’। সেই মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানাতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্ব মা দিবস উদযাপন করা হয়। যদিও মাকে ভালোবাসা প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট কোনো দিন প্রয়োজন হয় না, তবুও বিশেষভাবে মায়েদের সম্মান জানাতেই দিনটি আলাদাভাবে পালিত হয়। ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়,

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

জাতীয়

বার্থ ট্যুরিজম নিষিদ্ধ, বাংলাদেশিদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস

বি১/বি২ ভিজিটর ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণকারী বাংলাদেশিদের জন্য সতর্কবার্তা দিয়েছে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস। এ ভিসা ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে কোন ধরনের কর্মকাণ্ড করা যাবে না, তা স্পষ্ট করেছে দূতাবাস। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজেদের ভেরিফায়েড প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে এ সতর্কবার্তা জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, শিশুর মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সন্তান জন্ম দেওয়া বা ‘বার্থ ট্যুরিজম’ বি১/বি২ ভিজিটর ভিসায় অনুমোদিত নয়। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নিয়োগকর্তা বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে পারিশ্রমিক পাওয়া যায়—এমন কোনো কাজও এ ভিসায় করা যাবে না। একইভাবে ডিগ্রি বা প্রাতিষ্ঠানিক ক্রেডিট অর্জনের উদ্দেশ্যে পড়াশোনা এবং পারিশ্রমিকের বিনিময়ে কাজ করাও বি১/বি২ ভিসার আওতায় অনুমোদিত নয়। এর আগে গত ২২ আগস্ট বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্যও সতর্কবার্তা দিয়েছিল মার্কিন দূতাবাস। ওই সতর্কবার্তায় বলা হয়েছিল, শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার বাইরে কাজ করলে, পড়াশোনা ছেড়ে দিলে, নিয়মিত ক্লাসে অনুপস্থিত থাকলে কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে না জানিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম থেকে সরে গেলে তাদের স্টুডেন্ট ভিসা বাতিল হতে পারে। দূতাবাসের সর্বশেষ সতর্কবার্তার মাধ্যমে বি১/বি২ ভিজিটর ভিসাধারীদের অনুমোদিত কার্যক্রমের সীমা এবং নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড সম্পর্কে বাংলাদেশি ভ্রমণকারীদের সচেতন করা হয়েছে।

বার্থ ট্যুরিজম নিষিদ্ধ, বাংলাদেশিদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস
৬ সেপ্টেম্বর পে স্কেলের গেজেট, কাটেনি শেষ মুহূর্তের জটিলতা

৬ সেপ্টেম্বর পে স্কেলের গেজেট, কাটেনি শেষ মুহূর্তের জটিলতা

ব্রিকসে তারেক রহমান যাবেন কি না, জানে না ভারত

ব্রিকসে তারেক রহমান যাবেন কি না, জানে না ভারত

গণরায় বাস্তবায়নসহ ৮ দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ শুরু

গণরায় বাস্তবায়নসহ ৮ দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ শুরু

আইন-আদালত

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি ও কেনাকাটাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুদকের জনসংযোগ বিভাগের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে বদলি বাণিজ্য, নিয়োগ ও পদোন্নতিসংক্রান্ত অভিযোগ যাচাই করে প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়ায় অনুসন্ধান শুরু করা হয়েছে। অভিযোগ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে চার সদস্যের একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করেছে দুদক।

জিয়া হত্যার রহস্য ভেদে মোজাফফরের মুঠোফোনেই নতুন সূত্র

জিয়া হত্যার রহস্য ভেদে মোজাফফরের মুঠোফোনেই নতুন সূত্র

আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি হাবিবুল গনির শপথ

আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি হাবিবুল গনির শপথ

স্বামীর জানাজায় যেতে দীপু মনির প্যারোলের আবেদন

স্বামীর জানাজায় যেতে দীপু মনির প্যারোলের আবেদন

শিক্ষা

প্রাথমিক বৃত্তিতে নতুন হার, তিন বছর মিলবে সুবিধা

প্রাথমিক বৃত্তিতে নতুন হার, তিন বছর মিলবে সুবিধা

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫-এর ফলাফলের ভিত্তিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন হারে বৃত্তির অর্থ নির্ধারণ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। আগামী তিন বছর এ বৃত্তি কার্যকর থাকবে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুলে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা মাসে ৩০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ২২৫ টাকা করে পাবেন। উভয় শ্রেণির বৃত্তিধারীদের বছরে এককালীন ২২৫ টাকা দেওয়া হবে। গত ২৫ আগস্ট প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী তিন বছর প্রাথমিক শিক্ষা ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ বৃত্তি প্রদান করা হবে। প্রজ্ঞাপনে এ বৃত্তির

মান নিয়ে প্রশ্ন, তবু বেড়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়

মান নিয়ে প্রশ্ন, তবু বেড়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়

সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাত নির্দেশনা দিল মাউশি

সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাত নির্দেশনা দিল মাউশি

এসএসসি ফল নিয়ে অসন্তুষ্টদের খাতা চ্যালেঞ্জের সুযোগ শুরু আজ

এসএসসি ফল নিয়ে অসন্তুষ্টদের খাতা চ্যালেঞ্জের সুযোগ শুরু আজ

সারাদেশ

রাজনগরে প্রকৃতির অপরূপ মেলবন্ধন 'ভুরভুরি বিল'

রাজনগরে প্রকৃতির অপরূপ মেলবন্ধন 'ভুরভুরি বিল'

বিকেলের ঢলে হেলে পড়া সূর্য, আর দু’পাশজুড়ে থৈ থৈ জলরাশির সাথে সবুজের দিগন্তজোড়া সমারোহ। ঠিক এমন এক চোখজুড়ানো রূপের পসরা সাজিয়ে বসেছে মৌলভীবাজারের রাজনগরের কাউয়াদীঘি হাওরের ভুরভুরি বিল। আর এই হাওরের বুকে প্রকৃতির চমৎকার মেলবন্ধনে পর্যটনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে রঙে-রূপে রঙিন ‘জোড়া সেতু’। স্থানীয়দের কাছে পরিচিত ‘জোড়া ব্রিজ’ এখন শুধু যাতায়াতের সেতু নয়; এটি এক নৈসর্গিক দৃশ্যের ঠিকানা।  রাজনগর উপজেলার মেদিনীমহল গ্রামে মৌলভীবাজার-রাজনগর খেয়াঘাট সড়কের ওপর সেতু দুটির অবস্থান। সড়কটি সোজা করার প্রয়োজনে পুরোনো সেতুর পাশে নির্মাণ করাহয় নতুন আরেকটি...

টানা পাঁচ দিন বন্ধের পর হিলি বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু

টানা পাঁচ দিন বন্ধের পর হিলি বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু

পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে আদালত থেকে পালানো আসামি দুই দিন পর গ্রেপ্তার

পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে আদালত থেকে পালানো আসামি দুই দিন পর গ্রেপ্তার

আখক্ষেতে পেতে রাখা বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে নারীর মৃত্যু, প্রধান আসামি গ্রেফতার

আখক্ষেতে পেতে রাখা বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে নারীর মৃত্যু, প্রধান আসামি গ্রেফতার

গোপালপুরে ইয়াবা বিক্রির অভিযোগে নারীসহ ৩ জন আটক

গোপালপুরে ইয়াবা বিক্রির অভিযোগে নারীসহ ৩ জন আটক

চাকুরী

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ৫০তম বিসিএসের বহুল প্রত্যাশিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বুধবার সন্ধ্যায় পিএসসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই বিসিএসে মোট ২ হাজার ১৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হবে ১ হাজার ৭৫৫ জনকে এবং নন-ক্যাডারে ৩৯৫ জনকে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন যুক্ত পদসহ এবার প্রশাসন, পুলিশ, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের নিয়োগ হচ্ছে। ক্যাডার পদের মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ২০০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ১১৭ জন, স্বাস্থ্য ক্যাডারে সর্বোচ্চ ৬৫০ জন,

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি

প্রযুক্তিতে এগোচ্ছে বাংলাদেশ, বাড়ছে বৈশ্বিক বাজারে সক্ষমতা

প্রযুক্তিতে এগোচ্ছে বাংলাদেশ, বাড়ছে বৈশ্বিক বাজারে সক্ষমতা

প্রযুক্তি খাতে গত এক দশকে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে বাংলাদেশে। মোবাইল ও ইন্টারনেটের বিস্তার, ডিজিটাল সরকারি সেবা, সফটওয়্যার উন্নয়ন, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবা, ফ্রিল্যান্সিং এবং স্টার্টআপের প্রসারে দেশের প্রযুক্তি খাত এখন অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট ইন্টারনেট গ্রাহক ছিল প্রায় ১৩ কোটি। একই সময়ে মোবাইল ব্রডব্যান্ড গ্রাহক ছিল ১০ কোটি ৩৭ লাখের বেশি এবং মোট মোবাইল গ্রাহক প্রায় ১৮ কোটি ৭ লাখ। অর্থাৎ প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় ভিত্তি—সংযোগ ও ডিজিটাল ব্যবহারকারী—দেশে ইতোমধ্যে

পুরনো ফোনও চলবে নতুনের মতো, জেনে নিন সহজ কিছু কৌশল

পুরনো ফোনও চলবে নতুনের মতো, জেনে নিন সহজ কিছু কৌশল

যে দিন পৃথিবীর ছায়ায় ঢাকবে চাঁদের প্রায় ছিয়ানব্বই শতাংশ

যে দিন পৃথিবীর ছায়ায় ঢাকবে চাঁদের প্রায় ছিয়ানব্বই শতাংশ

দেশে চাঁদাবাজির খবর জানাতে চালু নতুন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চাঁদাবিডি ডটকম

দেশে চাঁদাবাজির খবর জানাতে চালু নতুন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চাঁদাবিডি ডটকম

বিনোদন

জন্মের পর অন্য পরিবারের কাছে চলে গিয়েছিলেন রানি মুখার্জি

জন্মের পর অন্য পরিবারের কাছে চলে গিয়েছিলেন রানি মুখার্জি

বলিউড অভিনেত্রী রানি মুখার্জির জীবনের এক অবাক করা ঘটনা দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে। জন্মের পর হাসপাতালের এক ভুলে তিনি অন্য এক পরিবারের কাছে চলে গিয়েছিলেন। পরে তার মা কৃষ্ণা মুখার্জির তৎপরতায় তিনি নিজের প্রকৃত পরিবারের কাছে ফিরে আসেন। ১৯৭৮ সালের ২১ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন রানি মুখার্জি। তিনি চলচ্চিত্র নির্মাতা রাম মুখার্জি ও কৃষ্ণা মুখার্জির মেয়ে। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, জন্মের পর হাসপাতালের এক নার্সের ভুলে তাকে একটি পাঞ্জাবি দম্পতির নবজাতকের সঙ্গে অদলবদল করা হয়েছিল। রানির ভাষ্য অনুযায়ী, তার মা শিশুটিকে দেখেই সন্দেহ করেন। কারণ নবজাতকের চোখের রং তার সন্তানের চোখের রঙের সঙ্গে মিলছিল না। বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি দ্রুত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানান যে শিশুটি তার নয় এবং নিজের সন্তানকে খুঁজে বের করার দাবি জানান। এরপর হাসপাতালজুড়ে অনুসন্ধান চালিয়ে ওই পাঞ্জাবি দম্পতির কাছ থেকে রানিকে উদ্ধার করা হয়। পরে দুই নবজাতককে তাদের প্রকৃত পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। রানি জানান, পরবর্তী সময়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটি নিয়ে প্রায়ই হাস্যরস করতেন। অনেকে মজা করে বলতেন, তিনি আসলে পাঞ্জাবি পরিবারের সন্তান, ভুল করে মুখার্জি পরিবারে বড় হয়েছেন। ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নবজাতকদের পরিচয়পত্র লাগানোর সময় দায়িত্বে থাকা এক নার্সের ভুলেই এই অদলবদলের ঘটনা ঘটেছিল। বর্তমানে এই ঘটনাটি রানির জীবনের অন্যতম আলোচিত স্মৃতি হিসেবে পরিচিত।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে মুখ খুললেন সালমান খান

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে মুখ খুললেন সালমান খান

শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়ে মুখ খুলেছেন বলিউড অভিনেতা সালমান খান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক দীর্ঘ বার্তায় তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসকে ‘অত্যন্ত গুরুতর বিষয়’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ না দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রশংসা করে আহতদের প্রতি সমবেদনা জানান। সালমান খান লেখেন, আন্দোলনটি শুরু হয়েছিল অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে। তবে শেষ পর্যন্ত তা সহিংসতায় রূপ নেওয়ায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস একটি অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা। দেশের তরুণেরা উন্নত শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে এবং তাঁদের অভিভাবকেরাও পাশে দাঁড়িয়েছেন—এটি ইতিবাচক একটি বিষয়। তিনি আরও বলেন, নিষ্ঠা, সততা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়তে এবং আরও শিক্ষিত ভারত গঠনের যে আগ্রহ শিক্ষার্থীরা দেখিয়েছে, তা প্রশংসার দাবিদার। তাঁর ভাষায়, আন্দোলন বা প্রতিবাদ গণতান্ত্রিক অধিকারের অংশ এবং শিক্ষার্থীরা তা শান্তিপূর্ণভাবেই করেছে। শিক্ষা নিয়ে সচেতন এই প্রজন্ম একদিন ভারতের জন্য গৌরব বয়ে আনবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। পোস্টের শেষাংশে সালমান খান বলেন, এটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষাব্যবস্থার বিষয়। তাই একে রাজনৈতিক রং দেওয়া উচিত নয়। তাঁর বিশ্বাস, সরকারও শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবে এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তিনি শিক্ষার্থীদের মঙ্গল কামনাও করেন। শিক্ষাব্যবস্থায় সংস্কার এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের পদত্যাগের দাবিতে রাজধানী দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়। সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার সময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। অভিযোগ রয়েছে, পুলিশ লাঠিপেটা ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করেছে, যাতে বহু শিক্ষার্থী আহত ও অসুস্থ হয়েছেন। তবে সহিংসতার জন্য উভয় পক্ষই একে অপরকে দায়ী করেছে। এর আগে চলচ্চিত্র অঙ্গনের

খেলাধুলা

২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ইতি, বিদায় বললেন মেসি

২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ইতি, বিদায় বললেন মেসি

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার লিওনেল মেসি। সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত জানান আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন তিনি। মেসির অবসরের ঘোষণায় ভক্তদের মধ্যে বিস্ময় ও হতাশা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের আসন্ন আন্তর্জাতিক বিরতির পরিকল্পনাতেও পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

স্টার্ককে ফিরিয়ে শরীফুলের ছয় উইকেট

স্টার্ককে ফিরিয়ে শরীফুলের ছয় উইকেট

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলাম। স্বাগতিক দলের ইনিংসে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মিচেল স্টার্ককে সাজঘরে ফিরিয়ে নিজের ষষ্ঠ উইকেট পূর্ণ করেছেন তিনি। স্টার্কের উইকেটটি শরীফুলের জন্য ছিল বিশেষ তাৎপর্যের। কারণ এর মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার অর্জনের পরপরই এক ইনিংসে ছয় উইকেট নেওয়ার কৃতিত্বও অর্জন করলেন বাংলাদেশের এই পেসার। এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটিং ধসিয়ে দেন

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো স্বাগতিকদের হারিয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে চার দিন ধরে দাপট দেখিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এই জয় শুধু একটি ম্যাচের সাফল্য নয়, বরং অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের দীর্ঘ অপেক্ষারও অবসান। ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পষ্ট। প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে মাত্র ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন পেসার হাসান মাহমুদ। দুর্দান্ত বোলিংয়ে তিনি মাত্র ৫৫ রান খরচ করে তুলে নেন ৬ উইকেট। তার আগ্রাসী বোলিংয়েই শুরুতেই চাপে পড়ে যায় স্বাগতিক দল। অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ধসের পর বাংলাদেশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল নিজেদের ব্যাটিং শক্তি প্রমাণ করা।

অস্ট্রেলিয়াকে গুটিয়ে জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য মাত্র ৫৭

অস্ট্রেলিয়াকে গুটিয়ে জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য মাত্র ৫৭

ক্যামেরন গ্রিনের লড়াকু সেঞ্চুরি অস্ট্রেলিয়াকে ইনিংস হারের লজ্জা থেকে বাঁচালেও ডারউইন টেস্টে ঐতিহাসিক জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংস ২৮৪ রানে গুটিয়ে যাওয়ায় স্বাগতিকদের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে মাত্র ৫৭ রান। চতুর্থ দিন ৪ উইকেটে ১৬১ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। শুরু থেকেই স্বাগতিকদের চাপে রাখে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ। প্রথম দেড় ঘণ্টায় স্পিনের ঘূর্ণিতে অ্যালেক্স ক্যারি, বেউ ওয়েবস্টার ও অধিনায়ক প্যাট কামিন্সকে ফিরিয়ে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ক্যারি করেন ৩০, ওয়েবস্টার ৫ এবং কামিন্স ৮ রান। এতে ২০৭ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারের শঙ্কায় পড়ে অস্ট্রেলিয়া। সেখান থেকে এক প্রান্ত

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম জয়ের স্বপ্নে এগিয়ে বাংলাদেশ দল

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম জয়ের স্বপ্নে এগিয়ে বাংলাদেশ দল

প্রস্তুতি ম্যাচে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের কাছে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। সেই দলেরই এবার যেন সম্পূর্ণ ভিন্ন চেহারা। ডারউইন টেস্টে পূর্ণশক্তির অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দাপট দেখিয়ে ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনের মধ্যাহ্নভোজের বিরতি পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ২১৯ রানের বিশাল লিড নিয়েছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের সম্ভাবনা এখন বাস্তব হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে অস্ট্রেলিয়ার অতীত পরিসংখ্যান। ২০০০ সালের পর প্রথম ইনিংসে অন্তত ১৫০ রানে পিছিয়ে থাকার পর অস্ট্রেলিয়া মাত্র তিনবার টেস্ট জিতেছে। এর মধ্যে ২০১০ সালে সিডনিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০৬ রানে পিছিয়ে থেকেও জয় পেয়েছিল তারা।

হাসানের পর তানজিদ, ডারউইনে চলছে টাইগারদের রাজত্ব

হাসানের পর তানজিদ, ডারউইনে চলছে টাইগারদের রাজত্ব

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২৩ বছর আগে টেস্ট ইতিহাসের শুরুতে যে বাংলাদেশকে ডারউইন ও কেয়ার্নসের মাঠে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল, সেই ডারউইনেই এবার ভিন্ন গল্প লিখছে লাল-সবুজের দল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে বোলিংয়ের পর ব্যাটিংয়েও দাপট দেখিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদের ছয় উইকেটের পর তানজিদ হাসানের সেঞ্চুরিতে স্বাগতিকদের চাপে ফেলেছে সফরকারীরা। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পর দ্বিতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ শক্ত অবস্থান তৈরি করে। তানজিদ হাসান ১৮৮ বলে আটটি চার ও একটি ছক্কায় ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট শতক তুলে নেন। নাথান লায়নের বল লং অফ দিয়ে সিঙ্গেল নিয়ে শতরানের মাইলফলকে পৌঁছান তিনি। এরপর হেলমেট