মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬২৫ ভাদ্র, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

আপনার এলাকার খবর

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg
https://enews71.com/storage/ads/01M1TJ1Y03SG5Y5HBJA4PJG3XC.PNG
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png

বিশেষ সংবাদ

ছয় মাসেই রেকর্ড চা উৎপাদন, সুদিন ফিরছে দেশের বাগানে

ছয় মাসেই রেকর্ড চা উৎপাদন, সুদিন ফিরছে দেশের বাগানে

নানা প্রতিকূলতা ও উৎপাদন ব্যয়ের চাপ কাটিয়ে দেশের চা শিল্পে আবারও সুদিনের আভাস দেখা দিয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত, সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং চায়ের নিলামে ভালো দাম পাওয়ায় চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদন হয়েছে। গত তিন বছরের প্রথমার্ধের তুলনায় এ উৎপাদন সর্বোচ্চ। চলতি বছরে দেশে ১০ কোটি ৪০ লাখ কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। জুন পর্যন্ত উৎপাদন হয়েছে প্রায় ২ কোটি ২৪ লাখ কেজি, যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ২৯ দশমিক ৪৫ শতাংশ। বাংলাদেশ চা বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,...

গোল্ডেন পেয়ারায় বদলাচ্ছে জুড়ীর পতিত জমির অর্থনীতি

গোল্ডেন পেয়ারায় বদলাচ্ছে জুড়ীর পতিত জমির অর্থনীতি

যমুনার তীরে বেহুলা ভাসান, বেঁচে আছে বাংলার লোকঐতিহ্য

যমুনার তীরে বেহুলা ভাসান, বেঁচে আছে বাংলার লোকঐতিহ্য

শ্রীমঙ্গলে কাঁটায় ভরা ক্যাকটাসে রাতজাগা ফুলের মুগ্ধতা

শ্রীমঙ্গলে কাঁটায় ভরা ক্যাকটাসে রাতজাগা ফুলের মুগ্ধতা

বিলুপ্তির শঙ্কা কাটিয়ে মৌলভীবাজারে ফিরছে পাহাড়ি ফল চাম কাঁঠাল

বিলুপ্তির শঙ্কা কাটিয়ে মৌলভীবাজারে ফিরছে পাহাড়ি ফল চাম কাঁঠাল

শিক্ষা

জবিতে আবাসন সংকট, কেরানীগঞ্জে ১৬০০ আসনের দাবি

জবিতে আবাসন সংকট, কেরানীগঞ্জে ১৬০০ আসনের দাবি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দীর্ঘদিনের আবাসন সংকট নিরসনে কেরানীগঞ্জের ৭ একর জমিতে ২০২৬ সালের মধ্যে ১ হাজার ৬০০ শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা এবং বিশেষ বৃত্তির বকেয়া টাকা দ্রুত হস্তান্তরের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে জকসুর নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। বক্তারা বলেন, সীমিত জায়গা ও পর্যাপ্ত আবাসিক সুবিধা না থাকায় অধিকাংশ শিক্ষার্থীকে পুরান ঢাকার বিভিন্ন মেস ও বাসাবাড়িতে থাকতে হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত ব্যয় ও নানা

প্রাথমিক বৃত্তিতে নতুন হার, তিন বছর মিলবে সুবিধা

প্রাথমিক বৃত্তিতে নতুন হার, তিন বছর মিলবে সুবিধা

মান নিয়ে প্রশ্ন, তবু বেড়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়

মান নিয়ে প্রশ্ন, তবু বেড়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়

সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাত নির্দেশনা দিল মাউশি

সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাত নির্দেশনা দিল মাউশি

রাজনীতি

ধর্মীয় সম্প্রীতি ভাঙতে বারবার চক্রান্ত হয়েছে: রিজভী

দেশে একটি বিশেষ চক্র ও চক্রান্তকারীরা বারবার ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা চালিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তবে বাংলাদেশিদের পারস্পরিক প্রীতি, সৌহার্দ্য ও বন্ধন যুগ যুগ ধরে অটুট থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন রিজভী। এ সময় হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের নেতারাও তার সঙ্গে ছিলেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে রিজভী বলেন, দেশের সংখ্যালঘু ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ধর্মীয় বিষয়গুলো সঠিকভাবে দেখভাল এবং উন্নয়নের লক্ষ্যেই বিভিন্ন ট্রাস্ট ও কল্যাণ সংগঠন গঠন করা হয়েছিল। তিনি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির ভিত্তি তুলে ধরে বলেন, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি দেশের সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের অধিকার এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক অবস্থান নিশ্চিত করেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বহুদলীয় ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক প্রথা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। অনুষ্ঠানে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ বিএনপির সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা প্রয়াত নেতাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। পরে তাদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে নীরবতা পালন করেন।

ধর্মীয় সম্প্রীতি ভাঙতে বারবার চক্রান্ত হয়েছে: রিজভী
বিএনপির নসিহত নেব না, কর্মসূচি নিজেরাই ঠিক করব: সারজিস

বিএনপির নসিহত নেব না, কর্মসূচি নিজেরাই ঠিক করব: সারজিস

আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হচ্ছেন শেখ সেলিম

আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হচ্ছেন শেখ সেলিম

জনগণ বর্তমান বিএনপি সরকারকে আর ছাড় দেবে না: গোলাম পরওয়ার

জনগণ বর্তমান বিএনপি সরকারকে আর ছাড় দেবে না: গোলাম পরওয়ার

সম্পাদকীয়

    চীন-করিডোর: সুযোগ নাকি কৌশলগত পরীক্ষা?

চীন-করিডোর: সুযোগ নাকি কৌশলগত পরীক্ষা?

বিশ্ব রাজনীতিতে বন্ধু কিংবা প্রতিপক্ষ এই পরিচয়গুলো সময়ের সঙ্গে বদলে যায়। কিন্তু একটি বিষয় কখনো বদলায় না, সেটি হলো অর্থনৈতিক স্বার্থ। আধুনিক বিশ্বে যে রাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার প্রভাবও তত বেশি। ফলে আদর্শিক মতভেদ থাকলেও বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দেশগুলোকে একে অপরের সঙ্গে কাজ করতেই হয়। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। সম্প্রতি বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনকে ঘিরে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক করিডোর নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টিকে রাজনৈতিক আবেগ কিংবা পক্ষ-বিপক্ষের দৃষ্টিভঙ্গিতে না দেখে রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থের আলোকে মূল্যায়ন করা জরুরি। যেকোনো

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

বিনোদন

জন্মের পর অন্য পরিবারের কাছে চলে গিয়েছিলেন রানি মুখার্জি

জন্মের পর অন্য পরিবারের কাছে চলে গিয়েছিলেন রানি মুখার্জি

বলিউড অভিনেত্রী রানি মুখার্জির জীবনের এক অবাক করা ঘটনা দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে। জন্মের পর হাসপাতালের এক ভুলে তিনি অন্য এক পরিবারের কাছে চলে গিয়েছিলেন। পরে তার মা কৃষ্ণা মুখার্জির তৎপরতায় তিনি নিজের প্রকৃত পরিবারের কাছে ফিরে আসেন। ১৯৭৮ সালের ২১ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন রানি মুখার্জি। তিনি চলচ্চিত্র নির্মাতা রাম মুখার্জি ও কৃষ্ণা মুখার্জির মেয়ে। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, জন্মের পর হাসপাতালের এক নার্সের ভুলে তাকে একটি পাঞ্জাবি দম্পতির নবজাতকের সঙ্গে অদলবদল করা হয়েছিল। রানির ভাষ্য অনুযায়ী, তার মা শিশুটিকে দেখেই সন্দেহ করেন। কারণ নবজাতকের চোখের রং তার সন্তানের চোখের রঙের সঙ্গে মিলছিল না। বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি দ্রুত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানান যে শিশুটি তার নয় এবং নিজের সন্তানকে খুঁজে বের করার দাবি জানান। এরপর হাসপাতালজুড়ে অনুসন্ধান চালিয়ে ওই পাঞ্জাবি দম্পতির কাছ থেকে রানিকে উদ্ধার করা হয়। পরে দুই নবজাতককে তাদের প্রকৃত পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। রানি জানান, পরবর্তী সময়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটি নিয়ে প্রায়ই হাস্যরস করতেন। অনেকে মজা করে বলতেন, তিনি আসলে পাঞ্জাবি পরিবারের সন্তান, ভুল করে মুখার্জি পরিবারে বড় হয়েছেন। ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নবজাতকদের পরিচয়পত্র লাগানোর সময় দায়িত্বে থাকা এক নার্সের ভুলেই এই অদলবদলের ঘটনা ঘটেছিল। বর্তমানে এই ঘটনাটি রানির জীবনের অন্যতম আলোচিত স্মৃতি হিসেবে পরিচিত।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে মুখ খুললেন সালমান খান

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে মুখ খুললেন সালমান খান

শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়ে মুখ খুলেছেন বলিউড অভিনেতা সালমান খান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক দীর্ঘ বার্তায় তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসকে ‘অত্যন্ত গুরুতর বিষয়’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ না দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রশংসা করে আহতদের প্রতি সমবেদনা জানান। সালমান খান লেখেন, আন্দোলনটি শুরু হয়েছিল অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে। তবে শেষ পর্যন্ত তা সহিংসতায় রূপ নেওয়ায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস একটি অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা। দেশের তরুণেরা উন্নত শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে এবং তাঁদের অভিভাবকেরাও পাশে দাঁড়িয়েছেন—এটি ইতিবাচক একটি বিষয়। তিনি আরও বলেন, নিষ্ঠা, সততা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়তে এবং আরও শিক্ষিত ভারত গঠনের যে আগ্রহ শিক্ষার্থীরা দেখিয়েছে, তা প্রশংসার দাবিদার। তাঁর ভাষায়, আন্দোলন বা প্রতিবাদ গণতান্ত্রিক অধিকারের অংশ এবং শিক্ষার্থীরা তা শান্তিপূর্ণভাবেই করেছে। শিক্ষা নিয়ে সচেতন এই প্রজন্ম একদিন ভারতের জন্য গৌরব বয়ে আনবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। পোস্টের শেষাংশে সালমান খান বলেন, এটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষাব্যবস্থার বিষয়। তাই একে রাজনৈতিক রং দেওয়া উচিত নয়। তাঁর বিশ্বাস, সরকারও শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবে এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তিনি শিক্ষার্থীদের মঙ্গল কামনাও করেন। শিক্ষাব্যবস্থায় সংস্কার এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের পদত্যাগের দাবিতে রাজধানী দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়। সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার সময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। অভিযোগ রয়েছে, পুলিশ লাঠিপেটা ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করেছে, যাতে বহু শিক্ষার্থী আহত ও অসুস্থ হয়েছেন। তবে সহিংসতার জন্য উভয় পক্ষই একে অপরকে দায়ী করেছে। এর আগে চলচ্চিত্র অঙ্গনের

প্রতিবেশী

হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে ঢাকার ধারাবাহিক দাবির মধ্যে ভারতের অবস্থান আরও স্পষ্ট হয়েছে। দেশটির শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রত্যর্পণের বিষয়ে কোনো রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, শেষ পর্যন্ত ভারতের আদালতই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। ভারতীয় কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে প্রত্যর্পণের আনুষ্ঠানিক অনুরোধ এলে সেটি দেশটির বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। অভিযোগগুলো ভারতের আইন অনুযায়ীও অপরাধ হিসেবে বিবেচিত কি না, তা আদালতের সামনে যাচাই করা হবে। এদিকে শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার বিষয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে কূটনৈতিক পর্যায়ে

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় আসামের এনআইটি ৫ জনকে বহিষ্কার

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় আসামের এনআইটি ৫ জনকে বহিষ্কার

আন্তর্জাতিক

চার্লসের চিঠিতে স্পষ্ট, রাজকীয় দায়িত্বে নেই হ্যারি-মেগান

চার্লসের চিঠিতে স্পষ্ট, রাজকীয় দায়িত্বে নেই হ্যারি-মেগান

যুক্তরাজ্যে ফিরে এলেও রাজপরিবারের কোনো আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন করবেন না প্রিন্স হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগান। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) এক চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস। সরকার ও সামরিক বাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে তাদের বর্তমান অবস্থান অপরিবর্তিত থাকার বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২০ সালে রাজপরিবারের আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর পর হ্যারি ও মেগান আর রাজপরিবারের কর্মরত সদস্য নন। ফলে তারা যুক্তরাজ্যে ফিরে এলেও তাদের অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজপরিবারের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমে যুক্ত না থাকলেও হ্যারি ও মেগানের বর্তমান রাজকীয় খেতাব ও মর্যাদা বহাল থাকবে। একই সঙ্গে তাদের দাতব্য ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড ব্যক্তিগত উদ্যোগ হিসেবেই পরিচালিত হবে। রাজা তৃতীয় চার্লসের চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কর্মরত রাজপরিবারের সদস্যদের রাষ্ট্রীয় ও রাজকীয় দায়িত্বের বাইরে হ্যারি ও মেগানের আর্থিক স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকারকে সম্মান করা হবে। তাদের অবস্থান অনেকটা বাণিজ্যিক ও দাতব্য কর্মকাণ্ডে যুক্ত সাধারণ নাগরিকদের মতো। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে রাজকীয় দায়িত্ব ছেড়ে স্বাধীনভাবে জীবনযাপন ও ক্যারিয়ার গড়ার লক্ষ্যে হ্যারি ও মেগান যুক্তরাজ্য ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। সেখানে প্রায় ছয় বছর বসবাসের পর গত মাসের শেষ দিকে পরিবারসহ যুক্তরাজ্যে ফেরেন তারা। তবে দেশে ফেরার পরও রাজপরিবারের আনুষ্ঠানিক দায়িত্বে তাদের পুনরায় যুক্ত হওয়ার কোনো পরিবর্তন হয়নি। রাজা চার্লসের চিঠির মাধ্যমে সেই অবস্থানই আবারও নিশ্চিত করা হলো। সূত্র: রয়টার্স

৬জি উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোটে ভারতের নতুন অংশীদারিত্ব

৬জি উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোটে ভারতের নতুন অংশীদারিত্ব

পরবর্তী প্রজন্মের ৬জি টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের উন্নয়ন ও কার্যকারিতা ত্বরান্বিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক উদ্যোগে যোগ দিয়েছে ভারত। ওয়াশিংটনের সঙ্গে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, উদ্ভাবন এবং নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রসহ ২৫টি দেশের জোটে নয়াদিল্লির অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) টাইমস নাউয়ের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। সোমবার মার্কিন বাণিজ্য বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে এই অংশীদারিত্বের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে। এর আগে জি২০ উদ্ভাবন মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের ফাঁকে মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক এবং ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প প্রতিমন্ত্রী জিতিন প্রসাদার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকের পরই ৬জি সহযোগিতা নিয়ে সিদ্ধান্তটি আনুষ্ঠানিক রূপ পায়। মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন অংশীদারিত্বের প্রধান উদ্দেশ্য হলো ভবিষ্যৎ টেলিকমিউনিকেশন

ইরানের পাল্টা হামলার হুমকিতে ঊর্ধ্বমুখী আন্তর্জাতিক তেলবাজার

ইরানের পাল্টা হামলার হুমকিতে ঊর্ধ্বমুখী আন্তর্জাতিক তেলবাজার

মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের ঝুঁকি এবং বৈশ্বিক তেল সরবরাহে সম্ভাব্য বিঘ্নের আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধির এই চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। নতুন পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্য নির্ধারণের অন্যতম প্রধান সূচক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩৪ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৩৫ শতাংশ বেড়ে ৯৭ দশমিক ৩৪ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ১ দশমিক ১৫ ডলার বা ১ দশমিক ২৬ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯২ দশমিক ৬৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে—এমন আশঙ্কাই সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে দেখা

নিউ মেক্সিকোর নাম ‘নিউ আমেরিকা’ চান ট্রাম্প

নিউ মেক্সিকোর নাম ‘নিউ আমেরিকা’ চান ট্রাম্প

বিশ্ব জ্বালানি সংকটের জন্য ওয়াশিংটনই দায়ী: ইরান

বিশ্ব জ্বালানি সংকটের জন্য ওয়াশিংটনই দায়ী: ইরান

পেট্রোলের দাম দ্বিগুণ করল ইরান, চাপ বাড়ছে

পেট্রোলের দাম দ্বিগুণ করল ইরান, চাপ বাড়ছে

সৌদি আরবে ই-পাসপোর্ট বায়োমেট্রিকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাধ্যতামূলক

সৌদি আরবে ই-পাসপোর্ট বায়োমেট্রিকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাধ্যতামূলক

মিয়ামি বিমানবন্দরে অ্যামাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫

মিয়ামি বিমানবন্দরে অ্যামাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫

হরমুজ বন্ধে মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানি কমেছে ৩৯ শতাংশ

হরমুজ বন্ধে মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানি কমেছে ৩৯ শতাংশ

ভিডিও সংবাদ

Card Image

ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের পথে ১১ দলীয় জোট! কী হচ্ছে রাজপথে

Card Image

বাবার চোখের পানি দেখে প্রেমের ইতি? মুসলিম তরুণীর নতুন সিদ্ধান্ত

Card Image

বরযাত্রীর গাড়ি আটকে নববধূকে তুলে নেওয়া! পেছনের রহস্য কী

Card Image

চেয়ারম্যান থেকে রাষ্ট্রপতির চেয়ারে! অবিশ্বাস্য রাজনৈতিক উত্থান

Card Image

রাজশাহীতে চলন্ত ট্রেন থেকে তেল চুরি! এটাকে কি চুরি বলবেন, নাকি লুট?

Card Image

বরিশালে বিদ্যুৎ দুর্যোগ! কবে মিলবে নিরবচ্ছিন্ন সাপ্লাই?

Card Image

নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কেন বাড়ছে বারবার?

Card Image

ইসরায়েলের পরমাণু সুবিধা লক্ষ্য করে ইরানের আঘাত ও প্রতিশোধ

Card Image

কারিগরি শিক্ষা নিয়ে সরকারের নতুন পরিকল্পনা, কী বললেন নুরুল হক?

Card Image

বরিশালে অন্ডকোষ চেপে ধরে স্টাম্পে স্বাক্ষর! মুখ খুললেন ভুক্তভোগী | কী ঘটেছিল সেদিন?

মতামত

Card Image

জিয়াউল হক

একক লড়াইয়ে ইসলামী আন্দোলন !

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো জোটে না থেকে এককভাবে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১১ দলীয় জোটে তারা আর থাকছে না এবং নিজের শক্তির ওপর ভর করেই নির্বাচনী মাঠে নামবে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশের ২৬৮টি আসনে প্রার্থী দেবে। দীর্ঘদিন ধরে জোট রাজনীতির বাইরে থেকে স্বতন্ত্র অবস্থান ধরে রাখার যে নীতি দলটি অনুসরণ করে আসছে, এই সিদ্ধান্ত তারই ধারাবাহিকতা বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। এর আগে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন একটি জোট সমঝোতার অংশ হিসেবে কিছু আসন খালি রাখার উদ্যোগ নেয়। সেখানে প্রায় ৫০টি আসন ছাড় দেওয়ার আলোচনা থাকলেও চরমোনাই পীর মুফতি রেজাউল করিমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন সেই প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি। বরং দলটি শুরু থেকেই এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান নেয়। দলীয় নেতারা বলছেন, জনগণের প্রত্যাশা ও ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাজনীতির বিস্তারের লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জোট রাজনীতির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে সরাসরি ভোটারদের কাছে নিজেদের বার্তা পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল উদ্দেশ্য। এদিকে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একটি গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের প্রাথমিক ধাপ শেষ হয়েছে এবং এখন আপিল নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া চলছে। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ২০ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণায় নামতে পারবেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

শহীদ নূর হোসেন থেকে শহীদ ওসমান হাদি: রাষ্ট্র কি বদলেছে?

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু মৃত্যু সময়কে ভাগ করে দেয়—আগের বাংলাদেশ আর পরের বাংলাদেশ। ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেনের মৃত্যু যেমন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনকে নতুন গতি দিয়েছিল, তেমনি ২০২৫ সালে শহীদ ওসমান হাদির মৃত্যু আজকের রাষ্ট্রব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে কঠিন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। নূর হোসেন ছিলেন একজন সাধারণ মানুষ। কোনো বড় পদ, ক্ষমতা বা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা তার ছিল না। তবুও তিনি বুক-পিঠে লেখা দুটি বাক্য—‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ ও ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’—নিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন। রাষ্ট্র তখন প্রকাশ্য স্বৈরশাসনের অধীনে ছিল। গুলির মুখে দাঁড়িয়ে নূর হোসেন দেখিয়ে দিয়েছিলেন, গণতন্ত্র কেবল রাজনৈতিক দল নয়, সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগেই বেঁচে থাকে। তার রক্তের দাগ মুছে যায়নি; বরং তা ইতিহাসে চিহ্ন হয়ে রয়ে গেছে। অন্যদিকে শহীদ ওসমান হাদি ছিলেন একটি প্রজন্মের কণ্ঠস্বর। তিনি কোনো সামরিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে নয়, বরং তথাকথিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভেতরের ব্যর্থতা, বৈষম্য ও নিরাপত্তাহীনতার বিরুদ্ধে কথা বলছিলেন। দিনের আলোয় রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে রিকশায় বসে থাকা একজন রাজনৈতিক কর্মী গুলিবিদ্ধ হন—এটি শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়, এটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রকাশ্য ভেঙে পড়ার ঘোষণা। নূর হোসেনের সময় রাষ্ট্র বলত, “আমরা স্বৈরাচার, তাই দমন করব।” হাদির সময় রাষ্ট্র বলে, “আমরা গণতান্ত্রিক, কিন্তু অপরাধ ঠেকাতে পারছি না।” এই দুই বক্তব্যের মাঝখানে পার্থক্য থাকলেও ফলাফল এক—একজন নাগরিক নিহত। সবচেয়ে বেদনাদায়ক প্রশ্ন হলো, নূর হোসেনের আত্মত্যাগের ৩৮ বছর পরও কেন হাদির

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

৭ই নভেম্বর: স্বাধীনতা-গণতন্ত্র-সংহতি: এক দিনে তিন প্রতীক

বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে ৭ নভেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ‘মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পরিচিত এই দিনটি ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার পটভূমিতে সিপাহী-জনতার অভ্যুদয়ের প্রতীক হয়ে উঠে। দিনটি নিয়ে নানা মত ও ব্যাখ্যা থাকলেও এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না। কারণ, এই দিনের ঘটনাপ্রবাহ রাষ্ট্রের সামগ্রিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসে এবং জাতীয় রাজনীতির গতিপথে এক নতুন ধারা সূচনা করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর রাষ্ট্রে তীব্র অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। সামরিক, প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে নতুন ক্ষমতার সমীকরণ গড়ে উঠতে থাকে। এরপর ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে হত্যা এবং ক্ষমতার পালাবদলের ধারাবাহিকতায় ৭ নভেম্বর এক বিশেষ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সৈনিকদের একটি অংশ এবং জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সেদিনের ঘটনাকে কেউ বিপ্লব, কেউ সামরিক অভ্যুত্থান এবং কেউ জাতীয় ঐক্যের স্ফুরণ হিসেবে উল্লেখ করেন। এই দিবসটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কারণে। সেই সময় বন্দী অবস্থায় থাকা তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে মুক্তি পান এবং পরবর্তী সময়ে তিনি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব হাতে নেন। জিয়া রাষ্ট্রপরিচালনায় আসার পর বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর নতুন রাজনীতিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয় বলে মতামত রয়েছে। ৭ নভেম্বরকে একদলীয় শাসনের অবসান ও বহু মত-চিন্তার উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরির সূচনা হিসেবে দেখেন অনেক বিশ্লেষক।

সারাদেশ

ঝালকাঠি পৌরসভার অবসরপ্রাপ্তরা পেলো ১ কোটি ১৮ লাখ টাকা

ঝালকাঠি পৌরসভার অবসরপ্রাপ্তরা পেলো ১ কোটি ১৮ লাখ টাকা

ঝালকাঠি পৌরসভার অবসরপ্রাপ্ত ও প্রয়াত ১১ কর্মকর্তা-কর্মচারীর পরিবারের হাতে লাম্পগ্রান্ট ও আনুতোষিকের বকেয়া বাবদ মোট ১ কোটি ১৮ লাখ ৮২ হাজার ২২৫ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা এসব আর্থিক সুবিধা অবশেষে পৌর প্রশাসনের উদ্যোগে পরিশোধের ব্যবস্থা করা হয়। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে ঝালকাঠি পৌরসভার আয়োজনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পৃথক ১১টি চেক সুবিধাভোগী পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চেক বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব...

শ্রীমঙ্গলে পরিত্যক্ত ঘর থেকে ৩০০ ভারতীয় শাড়ি জব্দ

শ্রীমঙ্গলে পরিত্যক্ত ঘর থেকে ৩০০ ভারতীয় শাড়ি জব্দ

সরাইলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে "আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত

সরাইলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে "আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত

গভীর সমুদ্রে জেলের জালে কালো দাতিনা, ৪০ হাজারে বিক্রি

গভীর সমুদ্রে জেলের জালে কালো দাতিনা, ৪০ হাজারে বিক্রি

রাত নামলেই মৌলভীবাজারের বনে সক্রিয় গাছ চোর চক্র, হুমকিতে পরিবেশ

রাত নামলেই মৌলভীবাজারের বনে সক্রিয় গাছ চোর চক্র, হুমকিতে পরিবেশ

জাতীয়

১৬ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হচ্ছে শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম আগামী ১৬ ডিসেম্বর শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বিমানমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ তথ্য জানান। বিমানমন্ত্রী বলেন, তৃতীয় টার্মিনালের কার্যক্রম শুরুর প্রথম দিনে ২০টি উড়োজাহাজ চলাচল করবে। পর্যায়ক্রমে টার্মিনালের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত করা হবে। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পরবর্তী পাঁচ থেকে ছয় মাসের মধ্যে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পুরোপুরি চালু হবে। টার্মিনাল পরিচালনা থেকে অর্জিত আয়ের ২৭ শতাংশ বাংলাদেশ পাবে বলেও জানান এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। পাশাপাশি গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের ৫০ শতাংশ দায়িত্ব পালন করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। শাহজালাল বিমানবন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল ২০১৭ সালে। পরবর্তীতে ২১ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর টার্মিনালটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে বাংলাদেশ সরকার ৫ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে। বাকি অর্থ জাপানি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকার ঋণ থেকে নেওয়া হয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর তৃতীয় টার্মিনালের আংশিক উদ্বোধন করা হয়। সে সময় বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) জানিয়েছিল, ২০২৪ সালের মধ্যে টার্মিনালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হবে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। এবার আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন বিমানমন্ত্রী। এরপর পাঁচ থেকে ছয় মাসের মধ্যে টার্মিনালটির পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

১৬ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হচ্ছে শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল
অবকাশের পর আযাদের আপিল শুনানির দিন নির্ধারণ

অবকাশের পর আযাদের আপিল শুনানির দিন নির্ধারণ

অটোরিকশার অবৈধ ভাড়ায় বছরে ৪ হাজার কোটি রাজস্ব ক্ষতি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অটোরিকশার অবৈধ ভাড়ায় বছরে ৪ হাজার কোটি রাজস্ব ক্ষতি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের তিন আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ

অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের তিন আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি

প্রযুক্তিতে এগোচ্ছে বাংলাদেশ, বাড়ছে বৈশ্বিক বাজারে সক্ষমতা

প্রযুক্তিতে এগোচ্ছে বাংলাদেশ, বাড়ছে বৈশ্বিক বাজারে সক্ষমতা

প্রযুক্তি খাতে গত এক দশকে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে বাংলাদেশে। মোবাইল ও ইন্টারনেটের বিস্তার, ডিজিটাল সরকারি সেবা, সফটওয়্যার উন্নয়ন, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবা, ফ্রিল্যান্সিং এবং স্টার্টআপের প্রসারে দেশের প্রযুক্তি খাত এখন অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট ইন্টারনেট গ্রাহক ছিল প্রায় ১৩ কোটি। একই সময়ে মোবাইল ব্রডব্যান্ড গ্রাহক ছিল ১০ কোটি ৩৭ লাখের বেশি এবং মোট মোবাইল গ্রাহক প্রায় ১৮ কোটি ৭ লাখ। অর্থাৎ প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় ভিত্তি—সংযোগ ও ডিজিটাল ব্যবহারকারী—দেশে ইতোমধ্যে

পুরনো ফোনও চলবে নতুনের মতো, জেনে নিন সহজ কিছু কৌশল

পুরনো ফোনও চলবে নতুনের মতো, জেনে নিন সহজ কিছু কৌশল

যে দিন পৃথিবীর ছায়ায় ঢাকবে চাঁদের প্রায় ছিয়ানব্বই শতাংশ

যে দিন পৃথিবীর ছায়ায় ঢাকবে চাঁদের প্রায় ছিয়ানব্বই শতাংশ

দেশে চাঁদাবাজির খবর জানাতে চালু নতুন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চাঁদাবিডি ডটকম

দেশে চাঁদাবাজির খবর জানাতে চালু নতুন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চাঁদাবিডি ডটকম

লাইফস্টাইল

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস

মায়ের ভালোবাসা পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি। ‘মা’ শব্দটি শুধু একটি সম্বোধন নয়, বরং স্নেহ, মমতা, ত্যাগ ও অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রতীক। জন্মের পর মানুষের মুখে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত শব্দও ‘মা’। সেই মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানাতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্ব মা দিবস উদযাপন করা হয়। যদিও মাকে ভালোবাসা প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট কোনো দিন প্রয়োজন হয় না, তবুও বিশেষভাবে মায়েদের সম্মান জানাতেই দিনটি আলাদাভাবে পালিত হয়। ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়,

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

আইন-আদালত

শেখ হাসিনা ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে সুযোগ নেই : চিফ প্রসিকিউটর

শেখ হাসিনা ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে সুযোগ নেই : চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, শেখ হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যেসব আসামি রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করেননি, তাদের আর আপিল করার সুযোগ নেই। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় গুম ও মানবাধিকার আইন নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আইন অনুযায়ী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য ৩০ দিনের সময়সীমা রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো আসামি আপিল না করলে পরবর্তীতে তার আর আপিলের সুযোগ থাকবে না। তিনি বলেন, রায়ের পর আইন নির্ধারিত সময়ের

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু

জিয়া হত্যার রহস্য ভেদে মোজাফফরের মুঠোফোনেই নতুন সূত্র

জিয়া হত্যার রহস্য ভেদে মোজাফফরের মুঠোফোনেই নতুন সূত্র

আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি হাবিবুল গনির শপথ

আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি হাবিবুল গনির শপথ

ধর্ম

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

ইসলাম শুধু ইবাদতের শিক্ষা দেয় না, মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ারও নির্দেশ দেয়। একজন মুসলমানের উত্তম চরিত্রের অন্যতম প্রকাশ হলো অন্যের উপকারে এগিয়ে আসা। বিপদে থাকা মানুষকে সহযোগিতা করা, অসহায়কে সাহায্য করা এবং মানুষের কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করাকে ইসলাম অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ আমল হিসেবে বিবেচনা করে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘সৎকর্ম ও তাকওয়ায় একে অন্যকে সহযোগিতা করো।’ এই নির্দেশনা থেকে বোঝা যায়, সমাজে ভালো কাজ প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের কল্যাণে পারস্পরিক সহযোগিতা করা একজন মুমিনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। শুধু নিজের স্বার্থ নিয়ে ব্যস্ত না থেকে

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

মহানবীর জন্ম ও ওফাত স্মরণে আজ পবিত্র মিলাদুন্নবী

মহানবীর জন্ম ও ওফাত স্মরণে আজ পবিত্র মিলাদুন্নবী

ক্ষমাশীল হতে বলেছে কোরআন ও হাদিস

ক্ষমাশীল হতে বলেছে কোরআন ও হাদিস

চাকুরী

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ৫০তম বিসিএসের বহুল প্রত্যাশিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বুধবার সন্ধ্যায় পিএসসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই বিসিএসে মোট ২ হাজার ১৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হবে ১ হাজার ৭৫৫ জনকে এবং নন-ক্যাডারে ৩৯৫ জনকে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন যুক্ত পদসহ এবার প্রশাসন, পুলিশ, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের নিয়োগ হচ্ছে। ক্যাডার পদের মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ২০০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ১১৭ জন, স্বাস্থ্য ক্যাডারে সর্বোচ্চ ৬৫০ জন,

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

স্বাস্থ্য

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি, আরও ৯ মৃত্যু, ভর্তি ১ হাজার ৫৭১

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি, আরও ৯ মৃত্যু, ভর্তি ১ হাজার ৫৭১

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত এ রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫৭১ জন ডেঙ্গু রোগী। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে গত সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে আগস্ট মাসেই মারা গেছেন ৪৩

ডেঙ্গুর ছোবলে তরুণরা বেশি, বাড়ছে মৃত্যু ও কর্মহানি

ডেঙ্গুর ছোবলে তরুণরা বেশি, বাড়ছে মৃত্যু ও কর্মহানি

মা-শিশুর চিকিৎসায় বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্র দিচ্ছে ২৪ লাখ ডলার

মা-শিশুর চিকিৎসায় বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্র দিচ্ছে ২৪ লাখ ডলার

স্বাস্থ্য খাতে ১৩-১৬ গ্রেডে নিয়োগের উদ্যোগ

স্বাস্থ্য খাতে ১৩-১৬ গ্রেডে নিয়োগের উদ্যোগ

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি, আরও ৯ মৃত্যু, ভর্তি ১ হাজার ৫৭১

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি, আরও ৯ মৃত্যু, ভর্তি ১ হাজার ৫৭১

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত এ রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫৭১ জন ডেঙ্গু রোগী। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে গত সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে আগস্ট মাসেই মারা গেছেন ৪৩ জন। এছাড়া জানুয়ারিতে দুইজন, ফেব্রুয়ারিতে দুইজন, মে মাসে একজন, জুনে ১৩ জন এবং জুলাইয়ে ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৩৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকার হাসপাতালগুলোতে ১৯৬ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকার হাসপাতালগুলোতে ১৩৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪০৮ জন। বিভাগভিত্তিক হিসাবে বরিশালে ১৪২ জন, চট্টগ্রামে ১৭৭, খুলনায় ২৪২, ময়মনসিংহে ৭৭, রাজশাহীতে ১১৬, রংপুরে ৭১ এবং সিলেটে আটজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ৪৫ হাজার ৪৭৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৪২ হাজার ১২৭ জন। বর্তমানে দেশের

আরও পড়ুন
৫ মিনিট আগে
https://surl.li/lmarci
৬জি উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোটে ভারতের নতুন অংশীদারিত্ব

৬জি উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোটে ভারতের নতুন অংশীদারিত্ব

পরবর্তী প্রজন্মের ৬জি টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের উন্নয়ন ও কার্যকারিতা ত্বরান্বিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক উদ্যোগে যোগ দিয়েছে ভারত। ওয়াশিংটনের সঙ্গে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, উদ্ভাবন এবং নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রসহ ২৫টি দেশের জোটে নয়াদিল্লির অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) টাইমস নাউয়ের

বিশ্ব জ্বালানি সংকটের জন্য ওয়াশিংটনই দায়ী: ইরান

বিশ্ব জ্বালানি সংকটের জন্য ওয়াশিংটনই দায়ী: ইরান

বিশ্বব্যাপী চলমান বিশৃঙ্খলা ও জ্বালানি সংকটের জন্য ইরানকে দায়ী করার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র—এমন অভিযোগ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, বর্তমান সংকটের পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শুরু করা

ধর্মীয় সম্প্রীতি ভাঙতে বারবার চক্রান্ত হয়েছে: রিজভী

ধর্মীয় সম্প্রীতি ভাঙতে বারবার চক্রান্ত হয়েছে: রিজভী

সিগারেটের দামে নতুন সিদ্ধান্ত, বাড়ল নিম্নস্তরের মূল্যসীমা

সিগারেটের দামে নতুন সিদ্ধান্ত, বাড়ল নিম্নস্তরের মূল্যসীমা

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় চার বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় চার বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত

চার্লসের চিঠিতে স্পষ্ট, রাজকীয় দায়িত্বে নেই হ্যারি-মেগান

চার্লসের চিঠিতে স্পষ্ট, রাজকীয় দায়িত্বে নেই হ্যারি-মেগান

অবকাশের পর আযাদের আপিল শুনানির দিন নির্ধারণ

অবকাশের পর আযাদের আপিল শুনানির দিন নির্ধারণ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বাস খাদে, আহত ২০ মেডিকেল শিক্ষার্থী

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বাস খাদে, আহত ২০ মেডিকেল শিক্ষার্থী

সর্বশেষ সংবাদ

জনপ্রিয়

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি, আরও ৯ মৃত্যু, ভর্তি ১ হাজার ৫৭১

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি, আরও ৯ মৃত্যু, ভর্তি ১ হাজার ৫৭১

ঝালকাঠি পৌরসভার অবসরপ্রাপ্তরা পেলো ১ কোটি ১৮ লাখ টাকা

ঝালকাঠি পৌরসভার অবসরপ্রাপ্তরা পেলো ১ কোটি ১৮ লাখ টাকা

শ্রীমঙ্গলে পরিত্যক্ত ঘর থেকে ৩০০ ভারতীয় শাড়ি জব্দ

শ্রীমঙ্গলে পরিত্যক্ত ঘর থেকে ৩০০ ভারতীয় শাড়ি জব্দ

সরাইলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে "আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত

সরাইলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে "আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত

গভীর সমুদ্রে জেলের জালে কালো দাতিনা, ৪০ হাজারে বিক্রি

গভীর সমুদ্রে জেলের জালে কালো দাতিনা, ৪০ হাজারে বিক্রি

রাত নামলেই মৌলভীবাজারের বনে সক্রিয় গাছ চোর চক্র, হুমকিতে পরিবেশ

রাত নামলেই মৌলভীবাজারের বনে সক্রিয় গাছ চোর চক্র, হুমকিতে পরিবেশ

বিষখালীর ভয়াবহ ভাঙনে হুমকিতে নলছিটির চার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

বিষখালীর ভয়াবহ ভাঙনে হুমকিতে নলছিটির চার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে কথিত প্রেমিকের মারধরে যৌনকর্মীর মৃত্যু

দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে কথিত প্রেমিকের মারধরে যৌনকর্মীর মৃত্যু

ধর্মীয় সম্প্রীতি ভাঙতে বারবার চক্রান্ত হয়েছে: রিজভী

ধর্মীয় সম্প্রীতি ভাঙতে বারবার চক্রান্ত হয়েছে: রিজভী

সিগারেটের দামে নতুন সিদ্ধান্ত, বাড়ল নিম্নস্তরের মূল্যসীমা

সিগারেটের দামে নতুন সিদ্ধান্ত, বাড়ল নিম্নস্তরের মূল্যসীমা
https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

খেলাধুলা

২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ইতি, বিদায় বললেন মেসি

২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ইতি, বিদায় বললেন মেসি

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার লিওনেল মেসি। সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত জানান আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন তিনি। মেসির অবসরের ঘোষণায় ভক্তদের মধ্যে বিস্ময় ও হতাশা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের আসন্ন আন্তর্জাতিক বিরতির পরিকল্পনাতেও পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

স্টার্ককে ফিরিয়ে শরীফুলের ছয় উইকেট

স্টার্ককে ফিরিয়ে শরীফুলের ছয় উইকেট

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলাম। স্বাগতিক দলের ইনিংসে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মিচেল স্টার্ককে সাজঘরে ফিরিয়ে নিজের ষষ্ঠ উইকেট পূর্ণ করেছেন তিনি। স্টার্কের উইকেটটি শরীফুলের জন্য ছিল বিশেষ তাৎপর্যের। কারণ এর মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার অর্জনের পরপরই এক ইনিংসে ছয় উইকেট নেওয়ার কৃতিত্বও অর্জন করলেন বাংলাদেশের এই পেসার। এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটিং ধসিয়ে দেন

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো স্বাগতিকদের হারিয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে চার দিন ধরে দাপট দেখিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এই জয় শুধু একটি ম্যাচের সাফল্য নয়, বরং অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের দীর্ঘ অপেক্ষারও অবসান। ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পষ্ট। প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে মাত্র ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন পেসার হাসান মাহমুদ। দুর্দান্ত বোলিংয়ে তিনি মাত্র ৫৫ রান খরচ করে তুলে নেন ৬ উইকেট। তার আগ্রাসী বোলিংয়েই শুরুতেই চাপে পড়ে যায় স্বাগতিক দল। অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ধসের পর বাংলাদেশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল নিজেদের ব্যাটিং শক্তি প্রমাণ করা।

অস্ট্রেলিয়াকে গুটিয়ে জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য মাত্র ৫৭

অস্ট্রেলিয়াকে গুটিয়ে জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য মাত্র ৫৭

ক্যামেরন গ্রিনের লড়াকু সেঞ্চুরি অস্ট্রেলিয়াকে ইনিংস হারের লজ্জা থেকে বাঁচালেও ডারউইন টেস্টে ঐতিহাসিক জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংস ২৮৪ রানে গুটিয়ে যাওয়ায় স্বাগতিকদের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে মাত্র ৫৭ রান। চতুর্থ দিন ৪ উইকেটে ১৬১ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। শুরু থেকেই স্বাগতিকদের চাপে রাখে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ। প্রথম দেড় ঘণ্টায় স্পিনের ঘূর্ণিতে অ্যালেক্স ক্যারি, বেউ ওয়েবস্টার ও অধিনায়ক প্যাট কামিন্সকে ফিরিয়ে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ক্যারি করেন ৩০, ওয়েবস্টার ৫ এবং কামিন্স ৮ রান। এতে ২০৭ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারের শঙ্কায় পড়ে অস্ট্রেলিয়া। সেখান থেকে এক প্রান্ত

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম জয়ের স্বপ্নে এগিয়ে বাংলাদেশ দল

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম জয়ের স্বপ্নে এগিয়ে বাংলাদেশ দল

প্রস্তুতি ম্যাচে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের কাছে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। সেই দলেরই এবার যেন সম্পূর্ণ ভিন্ন চেহারা। ডারউইন টেস্টে পূর্ণশক্তির অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দাপট দেখিয়ে ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনের মধ্যাহ্নভোজের বিরতি পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ২১৯ রানের বিশাল লিড নিয়েছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের সম্ভাবনা এখন বাস্তব হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে অস্ট্রেলিয়ার অতীত পরিসংখ্যান। ২০০০ সালের পর প্রথম ইনিংসে অন্তত ১৫০ রানে পিছিয়ে থাকার পর অস্ট্রেলিয়া মাত্র তিনবার টেস্ট জিতেছে। এর মধ্যে ২০১০ সালে সিডনিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০৬ রানে পিছিয়ে থেকেও জয় পেয়েছিল তারা।

হাসানের পর তানজিদ, ডারউইনে চলছে টাইগারদের রাজত্ব

হাসানের পর তানজিদ, ডারউইনে চলছে টাইগারদের রাজত্ব

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২৩ বছর আগে টেস্ট ইতিহাসের শুরুতে যে বাংলাদেশকে ডারউইন ও কেয়ার্নসের মাঠে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল, সেই ডারউইনেই এবার ভিন্ন গল্প লিখছে লাল-সবুজের দল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে বোলিংয়ের পর ব্যাটিংয়েও দাপট দেখিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদের ছয় উইকেটের পর তানজিদ হাসানের সেঞ্চুরিতে স্বাগতিকদের চাপে ফেলেছে সফরকারীরা। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পর দ্বিতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ শক্ত অবস্থান তৈরি করে। তানজিদ হাসান ১৮৮ বলে আটটি চার ও একটি ছক্কায় ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট শতক তুলে নেন। নাথান লায়নের বল লং অফ দিয়ে সিঙ্গেল নিয়ে শতরানের মাইলফলকে পৌঁছান তিনি। এরপর হেলমেট