রবিবার, ৩ মে, ২০২৬২১ বৈশাখ, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

আপনার এলাকার খবর

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg
https://enews71.com/storage/ads/01KQAG1VP3BB73V7HDE2DKRZ1X.jpg
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png
https://enews71.com/storage/ads/01KE26MYQNFK6C8P9G5Q10HR49.png

ভিডিও সংবাদ

Card Image

হিলিতে শিক্ষার্থীদের মাঝে ৩৮০০ ফলজ ও ওষুধি গাছের চারা বিতরণ

Card Image

🔴 “একই পরিবারের ৩ জনকে হত্যা!”🔍 “কুমিল্লায় নৃশংস খুন!”

Card Image

শেষ ঠিকানার কারিগর মনু মিয়া আর নেই, প্রায় ৩ হাজার কবর খোঁরেছিলেন তিনি || Enews71

Card Image

হিলি স্থলবন্দরে উন্নয়নের নামে কোটি কোটি টাকা শোষণ করা হয়েছে- সারজিস আলম

Card Image

জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে এসে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন বিএনপি'র মহাসচিব মির্জা ফখরুল

Card Image

'পলো বাওয়া’ উৎসবে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড়

Card Image

ভোগান্তির আরেক নাম পটুয়াখালী বাস টার্মিনাল, সড়কে যানজট বাড়ছে দুর্ঘটনা

Card Image

নওগাঁয় ঐতিহ্যবাহী পুকুরে হাঁস ধরা উৎসব | enews71

Card Image

সেনা কর্মকর্তা তানজিম হ'ত্যা'র ঘটনায় যেভাবে আট'ক হলেন তারা | enews71 | tazim |sena |army

Card Image

মেট্রোরেল যাচ্ছে সদরঘাট : দুর হচ্ছে পুরান ঢাকাবাসীর কস্ট | enews71 | metro | Dhaka metro rail

বিনোদন

আশা ভোঁসলের প্রয়াণে সংগীতের স্বর্ণযুগের অবসান

আশা ভোঁসলের প্রয়াণে সংগীতের স্বর্ণযুগের অবসান

ভারতীয় সংগীত অঙ্গনের কিংবদন্তি শিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই। রোববার (১২ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। হৃদরোগ ও শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতার কারণে শনিবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। হাসপাতাল সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন এই গায়িকা। শনিবার রাতে হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে নিবিড় পরিচর্যা কক্ষে স্থানান্তর করা হয়। রোববার দুপুরে তার ছেলে আনন্দ ভোঁসলে পরিবারের পক্ষ থেকে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। সোমবার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ১৯৩৩ সালে সংগীতময় মঙ্গেশকর পরিবারে জন্ম নেওয়া আশা ভোঁসলে মাত্র ৯ বছর বয়স থেকেই পেশাদার সংগীতচর্চা শুরু করেন। ১৯৪৩ সালে চলচ্চিত্রে প্রথম গান রেকর্ড করার মাধ্যমে তার যাত্রা শুরু হয়। বড় বোন লতা মঙ্গেশকর-এর খ্যাতির ছায়ায় থেকেও নিজস্ব গায়কী ভঙ্গিতে তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্র সংগীতে স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেন। ক্যারিয়ারের শুরুতে চটুল ধাঁচের গানে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা হলেও ‘উমরাও জান’ ছবির গজল পরিবেশনের মাধ্যমে তিনি নিজের বহুমাত্রিক প্রতিভা প্রমাণ করেন। দীর্ঘ সংগীতজীবনে সাতবার ফিল্মফেয়ার সেরা নেপথ্য গায়িকার পুরস্কার এবং দুইবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। ‘দিল চিজ কেয়া হ্যায়’ গানটি তাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। ব্যক্তিগত জীবনে নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে পথ চলেছেন তিনি। অল্প বয়সে প্রথম বিবাহ ভেঙে যাওয়ার পর ১৯৮০ সালে কিংবদন্তি সংগীত পরিচালক রাহুল দেব বর্মণ-এর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ১৯৯৪ সালে বর্মণের মৃত্যু পর্যন্ত তারা একসঙ্গে ছিলেন। জীবনের শেষ সময়গুলোতে নাতনি জেনাই ভোঁসলে ছিলেন তার নিত্যসঙ্গী। তার প্রয়াণে ভারতীয় সংগীতের এক স্বর্ণযুগের অবসান ঘটেছে বলে মনে করছেন সংগীতবিশ্বের বিশ্লেষকেরা।

অভিনেত্রী সুভাষিণীর রহস্যজনক মৃত্যু, চাঞ্চল্য

অভিনেত্রী সুভাষিণীর রহস্যজনক মৃত্যু, চাঞ্চল্য

দক্ষিণী চলচ্চিত্র ও ছোটপর্দার পরিচিত মুখ, তামিল অভিনেত্রী সুভাষিণী বালসুব্রহ্মণ্যম রহস্যজনকভাবে মারা গেছেন। সোমবার (৬ এপ্রিল) চেন্নাইয়ের নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, যা নিয়ে সহ-অভিনেতা ও ভক্তরা হতবাক। মাত্র ৩৬ বছর বয়সে এই অকাল মৃত্যু দক্ষিণী বিনোদন জগতে শোকের ছায়া ফেলে দিয়েছে। পুলিশ সূত্র জানায়, চেন্নাইয়ের বাসা থেকেই তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, ব্যক্তিগত জীবনের অশান্তি এবং মানসিক চাপের কারণে সুভাষিণী এই ধাপ নিতে পারেন। ঘটনার আগে তিনি স্বামীর সঙ্গে ভিডিও কলে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িত ছিলেন, যা তাকে মানসিকভাবে ভেঙে ফেলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এ পর্যন্ত তার স্বামীর পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। শ্রীলঙ্কায় জন্মগ্রহণ করা সুভাষিণী ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের স্বপ্ন দেখেছিলেন। চেন্নাইতে পাড়ি জমিয়ে তিনি ধাপে ধাপে তামিল বিনোদন জগতে নিজের স্থান তৈরি করেছিলেন। অডিশন, ছোট চরিত্র এবং কঠিন প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে তিনি অবশেষে ‘কয়াল’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে দর্শকের নজর কাড়েন। এই ধারাবাহিকই তাকে জনপ্রিয়তা এনে দেয় এবং তার ক্যারিয়ারে শক্ত অবস্থান তৈরি করে। তার অকাল মৃত্যুতে দক্ষিণী বিনোদন অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমেছে। ভক্তরা সোশ্যাল মিডিয়ায় শোক প্রকাশ করছেন এবং তার অবদানকে স্মরণ করছেন।

ধর্ম

কোরবানির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও শিক্ষা: হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর ত্যাগের মহিমা

কোরবানির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও শিক্ষা: হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর ত্যাগের মহিমা

নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা’দ, কোরবানি : সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ হচ্ছে, ‘নিশ্চয়ই (হে নবী!) আমি আপনাকে (নিয়ামত পূর্ণ) কাওসার দান করেছি, অতএব, আপনি আপনার ‘রব’ এর সন্তুষ্টির জন্যে সালাত কায়েম করুন ও তাঁর নামে কোরবানি করুন’ (সূরা আল কাওসার-১০৮/১-২)। রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও কোরবানি করবে না সে যেন ঈদগাহের নিকটে না আসে’ (আহমদ ও ইবনে মাজাহ)। হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা.) বলেছেন, কোরবানির দিনে মানবসন্তানের কোনো নেক আমলই

সৌদি আরবে হজে চার বাংলাদেশির মৃত্যু

সৌদি আরবে হজে চার বাংলাদেশির মৃত্যু

ইসলামের দৃষ্টিতে যারা আলোকিত মানুষ

ইসলামের দৃষ্টিতে যারা আলোকিত মানুষ

দুনিয়াবি জীবনে নৈতিকতার ইসলামী দিশা

দুনিয়াবি জীবনে নৈতিকতার ইসলামী দিশা

জনপ্রশাসনে বদলির নীতিতে সততা ও দক্ষতার ওপর জোর-প্রধানমন্ত্রী

জনপ্রশাসনে বদলির নীতিতে সততা ও দক্ষতার ওপর জোর-প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীতে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক সম্মেলনে সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে জনপ্রশাসনের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও যোগ্যতার গুরুত্বের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। দায়িত্ব পালনে সততা, মেধা ও দক্ষতাকেই প্রধান মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়। সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে বক্তা বলেন, জনপ্রশাসনের প্রতিটি পদই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং দায়িত্ব পালনে কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ আন্তরিকতা থাকা প্রয়োজন। দেশের যেকোনো প্রান্তে কাজ করার মানসিক প্রস্তুতি রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরকার বা প্রশাসনের কোনো পদই স্থায়ী নয়। তাই দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়, বরং জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এতে করে জনগণের আস্থা অর্জন সহজ হবে বলে তিনি মনে করেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের কথাও তুলে ধরা হয়। দারিদ্র্য ও বেকারত্ব বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দুর্বল হয়ে পড়েছে, তবে জনগণের দুর্ভোগ না বাড়িয়ে কার্যকর সমাধানের পথ খোঁজা হচ্ছে। ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে তিনি জানান, জনগণের সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতিগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের কর্মকর্তাদেরও এই লক্ষ্য পূরণে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে বলা হয়। এদিকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতনতা বাড়াতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয় সন্ধ্যার পর বিশেষ করে মার্কেট ও শপিংমলে বিদ্যুৎ অপচয় রোধে নজরদারি জোরদার করতে। এতে জ্বালানি সাশ্রয় হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। সম্মেলনের প্রথম দিনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। দিনশেষে জেলা প্রশাসকরা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে

আরও পড়ুন
৬ ঘণ্টা আগে
https://kidora.com.bd
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বিমানের অস্বাভাবিক তৎপরতা, বাড়ছে যুদ্ধ আশঙ্কা

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বিমানের অস্বাভাবিক তৎপরতা, বাড়ছে যুদ্ধ আশঙ্কা

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উড়োজাহাজ চলাচল নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন করে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্বখ্যাত উড়োজাহাজ পর্যবেক্ষণ ওয়েবসাইট FlightRadar24-এর তথ্য অনুযায়ী, শনিবার ইউরোপের বিভিন্ন ঘাঁটি থেকে অস্বাভাবিক সংখ্যক মার্কিন সামরিক বিমান মধ্যপ্রাচ্যের দিকে উড্ডয়ন করেছে। পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, পাঠানো বিমানগুলোর

পুলিশের ১৭ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা অবসর

পুলিশের ১৭ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা অবসর

সরকার বাংলাদেশ পুলিশের বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ১৭ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে। অবসরে পাঠানোদের মধ্যে ১৬ জন ডিআইজি এবং ১ জন অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তা রয়েছেন। রোববার (৩ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে

সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে ‘ভণ্ডামি’ অভিযোগ হাসনাত আবদুল্লাহর

সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে ‘ভণ্ডামি’ অভিযোগ হাসনাত আবদুল্লাহর

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড তদন্তে নতুন তথ্য প্রকাশ

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড তদন্তে নতুন তথ্য প্রকাশ

হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে তিন মাস সরকার

হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে তিন মাস সরকার

ঢাকায় সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়লেই মামলা

ঢাকায় সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়লেই মামলা

সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত এমপিদের আজ শপথ

সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত এমপিদের আজ শপথ

সারাদেশে একযোগে ছাত্রদলের ২৯ নতুন কমিটি ঘোষণা

সারাদেশে একযোগে ছাত্রদলের ২৯ নতুন কমিটি ঘোষণা

সর্বশেষ সংবাদ

জনপ্রিয়

সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে ‘ভণ্ডামি’ অভিযোগ হাসনাত আবদুল্লাহর

সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে ‘ভণ্ডামি’ অভিযোগ হাসনাত আবদুল্লাহর

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বিমানের অস্বাভাবিক তৎপরতা, বাড়ছে যুদ্ধ আশঙ্কা

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বিমানের অস্বাভাবিক তৎপরতা, বাড়ছে যুদ্ধ আশঙ্কা

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড তদন্তে নতুন তথ্য প্রকাশ

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড তদন্তে নতুন তথ্য প্রকাশ

বরিশালে মেয়েকে পরিকল্পিত হত্যা, বিচার দাবি মায়ের

বরিশালে মেয়েকে পরিকল্পিত হত্যা, বিচার দাবি মায়ের

পুলিশের ১৭ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা অবসর

পুলিশের ১৭ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা অবসর

ববি ছাত্রদল কমিটিতে ছাত্রলীগের ঠাঁই, তীব্র বিতর্ক শুরু

ববি ছাত্রদল কমিটিতে ছাত্রলীগের ঠাঁই, তীব্র বিতর্ক শুরু

গোয়ালন্দে প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছনার প্রতিবাদে মানববন্ধন, অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবি

গোয়ালন্দে প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছনার প্রতিবাদে মানববন্ধন, অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবি

জয়পুরহাট সরকারি কলেজ ছাত্রদলে দপ্তর সম্পাদক পদে নাজমুল হাসান, নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ

জয়পুরহাট সরকারি কলেজ ছাত্রদলে দপ্তর সম্পাদক পদে নাজমুল হাসান, নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ

গোয়ালন্দের উজানচরে ২৮০ জেলের মাঝে ভিজিএফ চাউল বিতরণ, জাটকা সংরক্ষণে সরকারি সহায়তা

গোয়ালন্দের উজানচরে ২৮০ জেলের মাঝে ভিজিএফ চাউল বিতরণ, জাটকা সংরক্ষণে সরকারি সহায়তা

উলিপুরে বাইপাস সংযোগস্থল পরিবর্তনের দাবি জোরদার, ভিটেমাটি ও জীবিকা হারানোর শঙ্কা এলাকাবাসীর

উলিপুরে বাইপাস সংযোগস্থল পরিবর্তনের দাবি জোরদার, ভিটেমাটি ও জীবিকা হারানোর শঙ্কা এলাকাবাসীর
https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

শিক্ষা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মান প্রথম বর্ষে ভর্তির লড়াই আজ শুরু

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মান প্রথম বর্ষে ভর্তির লড়াই আজ শুরু

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষা আজ শনিবার (২৫ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দেশের বিভাগীয় ও জেলা শহরের নির্বাচিত ১৩৮টি কেন্দ্রে একযোগে এই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা বেলা ১১টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলবে। এ বছর ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন প্রায় ৪ লাখ ৫৩ হাজার শিক্ষার্থী। সারাদেশের মোট ৮৮০টি কলেজে ভর্তি হওয়ার জন্য শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন। এসব কলেজের মধ্যে ৩৭৫টি সরকারি এবং ৫০৫টি বেসরকারি কলেজ রয়েছে। মোট ৪ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৫টি আসনের বিপরীতে

প্রকাশিত হলো ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি

প্রকাশিত হলো ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি

এসএসসি পরীক্ষায় ফিরছে ‘নীরব বহিষ্কার’ ব্যবস্থা, কার্যকর যেদিন থেকে

এসএসসি পরীক্ষায় ফিরছে ‘নীরব বহিষ্কার’ ব্যবস্থা, কার্যকর যেদিন থেকে

১৬ বছর পর শুরু প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা, শিক্ষাঙ্গন উৎসবমুখর

১৬ বছর পর শুরু প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা, শিক্ষাঙ্গন উৎসবমুখর

আন্তর্জাতিক

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বিমানের অস্বাভাবিক তৎপরতা, বাড়ছে যুদ্ধ আশঙ্কা

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বিমানের অস্বাভাবিক তৎপরতা, বাড়ছে যুদ্ধ আশঙ্কা

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উড়োজাহাজ চলাচল নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন করে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্বখ্যাত উড়োজাহাজ পর্যবেক্ষণ ওয়েবসাইট FlightRadar24-এর তথ্য অনুযায়ী, শনিবার ইউরোপের বিভিন্ন ঘাঁটি থেকে অস্বাভাবিক সংখ্যক মার্কিন সামরিক বিমান মধ্যপ্রাচ্যের দিকে উড্ডয়ন করেছে। পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, পাঠানো বিমানগুলোর বড় অংশই ভারী পরিবহন ও আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী উড়োজাহাজ। বিশেষ করে শক্তিশালী ‘সি-১৭এ গ্লোবমাস্টার–৩’ মডেলের সামরিক কার্গো বিমান সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়েছে। প্রতিটি বিমান প্রায় ৭৭ টন যুদ্ধসরঞ্জাম এবং প্রায় ১০০ জন সশস্ত্র সেনাসদস্য বহনে সক্ষম। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera জানিয়েছে, অন্তত ১২টি সি-১৭ বিমান জার্মানি ও ইউরোপের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে। একই সঙ্গে ‘কেসি-১৩৫ স্ট্র্যাটো ট্যাঙ্কার’ মডেলের জ্বালানি সরবরাহকারী উড়োজাহাজও ইসরায়েল ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ আকাশসীমায় সক্রিয়ভাবে টহল দিচ্ছে। এই বিশেষায়িত বিমানগুলো যুদ্ধবিমান ও বোমারু জেটকে দীর্ঘ সময় আকাশে থাকার সুযোগ দেয়, যা সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের প্রস্তুতির ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি—বিশেষ করে ইরান ও ইসরায়েলের বিরোধ—এই সামরিক মোতায়েনের মূল কারণ হতে পারে। বিপুল সংখ্যক পরিবহন বিমান ব্যবহারের অর্থ হলো কোনো বড় সামরিক ঘাঁটি শক্তিশালী করা বা নতুন ফ্রন্টে রসদ সরবরাহ নিশ্চিত করা। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, আকাশপথে এমন বড় সামরিক লজিস্টিক তৎপরতা বিশ্ব জ্বালানি বাজার, কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে এটিকে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বড় সামরিক মুভমেন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

ইরান ইস্যুতে সামরিক নয় কূটনীতির পক্ষে রাশিয়া

ইরান ইস্যুতে সামরিক নয় কূটনীতির পক্ষে রাশিয়া

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সাম্প্রতিক মস্কো সফরের পর দেশটিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনায় রাশিয়ার অবস্থান আবারও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। রাশিয়া স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, ইরান ইস্যুতে তারা কোনো সামরিক সমাধানকে সমর্থন করছে না; বরং কূটনৈতিক উদ্যোগকেই সংকট নিরসনের কার্যকর পথ হিসেবে দেখছে। মস্কোর মতে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে তা শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তাকেই হুমকির মুখে ফেলবে না, বরং একটি বড় মানবিক সংকট তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক অর্থনীতি, জ্বালানি সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে। রাশিয়া আরও জানিয়েছে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন ছাড়া ইরানের ওপর কোনো একতরফা নিষেধাজ্ঞা বা সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।

ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব নিয়ে সন্দেহে ট্রাম্প, পর্যালোচনার ঘোষণা

ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব নিয়ে সন্দেহে ট্রাম্প, পর্যালোচনার ঘোষণা

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের নতুন যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব পর্যালোচনার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে শুরুতেই এই প্রস্তাবের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে গভীর সংশয় প্রকাশ করেছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Truth Social-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, গত ৪৭ বছর ধরে ইরান বিশ্বজুড়ে যেসব কর্মকাণ্ড চালিয়েছে, তার তুলনায় বর্তমান প্রস্তাবে যথেষ্ট দায়বদ্ধতার প্রতিফলন নেই। তার ভাষায়, “আমি কল্পনাও করতে পারছি না এটি গ্রহণযোগ্য হবে। মানবতা ও বিশ্বের ওপর যে আঘাত তারা হেনেছে, তার জন্য এখনো যথেষ্ট মূল্য পরিশোধ করা হয়নি।” এর আগে গত শুক্রবার তেহরানের পাঠানো একটি যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন তিনি। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প জানান, ইরানের প্রস্তাব তাকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি। যুদ্ধবিরতি

ইরানি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষতিগ্রস্ত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি: সিএনএন

ইরানি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষতিগ্রস্ত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি: সিএনএন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন যুদ্ধের আশঙ্কা, প্রস্তুত ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন যুদ্ধের আশঙ্কা, প্রস্তুত ইরান

ইরানে অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ বিস্ফোরণে ১৪ বিপ্লবী গার্ড নিহত

ইরানে অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ বিস্ফোরণে ১৪ বিপ্লবী গার্ড নিহত

ইরানের পরবর্তী টার্গেট কে? কৌতুকের ছলে ট্রাম্প

ইরানের পরবর্তী টার্গেট কে? কৌতুকের ছলে ট্রাম্প

ফোনালাপেই এগোচ্ছে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা: ট্রাম্প

ফোনালাপেই এগোচ্ছে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা: ট্রাম্প

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই মিত্র দেশে অস্ত্র বিক্রি বাড়ালো যুক্তরাষ্ট্র

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই মিত্র দেশে অস্ত্র বিক্রি বাড়ালো যুক্তরাষ্ট্র

সারাদেশ

বরিশালে মেয়েকে পরিকল্পিত হত্যা, বিচার দাবি মায়ের

বরিশালে মেয়েকে পরিকল্পিত হত্যা, বিচার দাবি মায়ের

বরিশালে গৃহবধূ আঁখি আক্তারের রহস্যজনক মৃত্যুকে ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’ দাবি করে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন নিহতের মা মোসাম্মৎ মিনারা বেগম। একই সঙ্গে ঘটনার পর পুলিশ মামলা নিতে গড়িমসি করেছে এবং আলামত সংগ্রহে বাধা দিয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। রবিবার (৩ মে) সকাল সাড়ে ১১টায় বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মিনারা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার মেয়েকে নির্মমভাবে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করা হয়েছে। আমি এই হত্যার বিচার চাই।” তিনি জানান, ২০২২ সালের ১৩ ডিসেম্বর নগরীর হযরত শাহজালাল...

ববি ছাত্রদল কমিটিতে ছাত্রলীগের ঠাঁই, তীব্র বিতর্ক শুরু

ববি ছাত্রদল কমিটিতে ছাত্রলীগের ঠাঁই, তীব্র বিতর্ক শুরু

গোয়ালন্দে প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছনার প্রতিবাদে মানববন্ধন, অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবি

গোয়ালন্দে প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছনার প্রতিবাদে মানববন্ধন, অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবি

জয়পুরহাট সরকারি কলেজ ছাত্রদলে দপ্তর সম্পাদক পদে নাজমুল হাসান, নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ

জয়পুরহাট সরকারি কলেজ ছাত্রদলে দপ্তর সম্পাদক পদে নাজমুল হাসান, নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ

গোয়ালন্দের উজানচরে ২৮০ জেলের মাঝে ভিজিএফ চাউল বিতরণ, জাটকা সংরক্ষণে সরকারি সহায়তা

গোয়ালন্দের উজানচরে ২৮০ জেলের মাঝে ভিজিএফ চাউল বিতরণ, জাটকা সংরক্ষণে সরকারি সহায়তা

লাইফস্টাইল

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

এসএসসি ২০০৪ বাংলাদেশের উদ্যোগে “জিরোফোর ক্রুজ কার্নিভ্যাল ২০২৫” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ব্যাচভিত্তিক সামাজিক প্ল্যাটফর্ম SSC 2004 Bangladesh এ বছরও আয়োজন করতে যাচ্ছে তাদের বহুল প্রতীক্ষিত অনুষ্ঠান “Zero4 Cruise Carnival 2025 (Season 05)”। দীর্ঘদিন ধরে ব্যাচভিত্তিক এই কমিউনিটি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের আয়োজন করে আসছে, আর তারই ধারাবাহিকতায় আগামী ২৪ অক্টোবর ২০২৫, সকাল ৯টা থেকে শুরু হবে এই মহোৎসব। গ্রুপটির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য , শওকত হায়দার - সম্পাদক,ইনিউজ৭১ বলেন, এটি কেবল একটি বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান নয়; বরং ব্যাচের হাজারো সদস্যের একসঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ। স্কুলজীবনের স্মৃতি, বন্ধুত্বের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করা

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে কী চলছে এখন

গ্রীষ্মে লিভার সুস্থ রাখতে খাদ্যতালিকায় যা রাখবেন

গ্রীষ্মে লিভার সুস্থ রাখতে খাদ্যতালিকায় যা রাখবেন

রাজনীতি

সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে ‘ভণ্ডামি’ অভিযোগ হাসনাত আবদুল্লাহর

জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ-এর বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি দাবি করেছেন, সংসদে দাঁড়িয়ে মন্ত্রী নিজেই সরকারের রাজনৈতিক দুর্বলতা প্রকাশ করেছেন। রোববার (৩ মে) সকালে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট-এ অনুষ্ঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টির সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজিত জ্বালানি, অর্থনীতি সংস্কার ও গণভোট বিষয়ে জাতীয় কনভেনশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বীকার করেছেন যে সংস্কার ও নির্বাচন প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থান মূলত নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই নেওয়া হয়েছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বাচন যেন কোনোভাবেই পিছিয়ে না যায়—এ কারণেই বিভিন্ন দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এই বক্তব্য সরকারের রাজনৈতিক অবস্থানকে দুর্বল হিসেবে তুলে ধরে। তার দাবি, জনগণের সামনে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া আসলে নীতিগত দ্বৈত অবস্থানের প্রকাশ। এনসিপি নেতার ভাষায়, সংসদের ভেতরে দেওয়া ওই বক্তব্য সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বচ্ছতা ও দৃঢ়তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে। তিনি আরও বলেন, সংস্কার প্রক্রিয়া ও নির্বাচনকে একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়ার নামে আপসের রাজনীতি করা হয়েছে। কনভেনশনে জ্বালানি খাত সংস্কার, অর্থনৈতিক কাঠামো পুনর্বিন্যাস এবং গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় বিষয়ে গণভোট আয়োজনের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা হয়। দলটির নেতারা দাবি করেন, রাজনৈতিক সংস্কার ছাড়া টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।

সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে ‘ভণ্ডামি’ অভিযোগ হাসনাত আবদুল্লাহর
সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত এমপিদের আজ শপথ

সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত এমপিদের আজ শপথ

সারাদেশে একযোগে ছাত্রদলের ২৯ নতুন কমিটি ঘোষণা

সারাদেশে একযোগে ছাত্রদলের ২৯ নতুন কমিটি ঘোষণা

‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম

‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম

প্রতিবেশী

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

ভারতের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বাড়লো

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ভারতবিরোধী মনোভাব এবং ভূ-রাজনৈতিক টানাপড়েনের মধ্যেও নয়াদিল্লি বাংলাদেশের জন্য অর্থ সহায়তা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। ২০২৬ অর্থবছরের ভারতের কেন্দ্রীয় বাজেট অনুযায়ী বাংলাদেশে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬০ কোটি রুপি। গত অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এই বরাদ্দ ছিল ৩৪ কোটি ৪৮ লাখ রুপি। অর্থাৎ নতুন বরাদ্দ প্রায় ৭৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। ভারতের এই উদ্যোগে ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির প্রতিফলন দেখা যায়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

ভারতে ‘আই লাভ মুহাম্মদ’ সমর্থনে প্রতিবাদ, পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তেজনা

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় আসামের এনআইটি ৫ জনকে বহিষ্কার

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় আসামের এনআইটি ৫ জনকে বহিষ্কার

মার্কিন শুল্কে ভারতীয় রপ্তানি বিপর্যয়, বিধ্বস্ত ভারতীয়রা !

মার্কিন শুল্কে ভারতীয় রপ্তানি বিপর্যয়, বিধ্বস্ত ভারতীয়রা !

খেলাধুলা

নারী ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের বড় অগ্রগতি

নারী ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের বড় অগ্রগতি

আইসিসি (International Cricket Council)-এর সর্বশেষ বার্ষিক হালনাগাদে নারী ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে বড় অগ্রগতি করেছে Bangladesh national women's cricket team। নতুন তালিকা অনুযায়ী বাংলাদেশ এক ধাপ এগিয়ে পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এখন সপ্তম স্থানে উঠে এসেছে। আইসিসির প্রকাশিত হালনাগাদ র‌্যাঙ্কিংয়ে মে ২০২৫ থেকে অনুষ্ঠিত ম্যাচগুলোকে ১০০ শতাংশ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং আগের দুই বছরের পারফরম্যান্সকে ৫০ শতাংশ হিসেবে গণনা করা হয়েছে। এই পদ্ধতিগত পরিবর্তনের

বাফুফে কোচ বাছাইয়ে ১৪২ জনের তালিকা চূড়ান্ত

বাফুফে কোচ বাছাইয়ে ১৪২ জনের তালিকা চূড়ান্ত

জাতীয় ফুটবল দলের নতুন প্রধান কোচ নিয়োগে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। প্রধান কোচ পদে প্রায় তিন শতাধিক বিদেশি কোচ আবেদন করেছিলেন, যাদের মধ্য থেকে কঠোর বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বর্তমানে ১৪২ জনের একটি প্রাথমিক তালিকা তৈরি করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। বাফুফে জানিয়েছে, এবার কোচ নিয়োগে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। জাতীয় দলের জন্য একজন যোগ্য, অভিজ্ঞ ও

অলিখিত ফাইনালে টস জিতে বোলিং নিল নিউজিল্যান্ড

অলিখিত ফাইনালে টস জিতে বোলিং নিল নিউজিল্যান্ড

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল। কিউই অধিনায়ক টম ল্যাথাম টস জিতে বাংলাদেশকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠান। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম মাঠে। তিন ম্যাচ সিরিজের এই লড়াইকে কার্যত অলিখিত ফাইনাল হিসেবেই দেখছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা। সিরিজ বর্তমানে ১-১ সমতায় থাকায় শেষ ম্যাচেই নির্ধারিত হবে সিরিজ বিজয়ী। এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে একাদশে দুটি পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে পেসার তাসকিন আহমেদ ও অলরাউন্ডার রিশাদ হোসেইনকে। তাদের পরিবর্তে দলে ফিরেছেন অভিজ্ঞ পেসার মোস্তাফিজুর রহমান এবং স্পিনার তানভির ইসলাম। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড দলে একটি পরিবর্তন এনে

সিরিজ বাঁচাতে মাঠে বাংলাদেশ, টস জিতে ব্যাটিং নিউজিল্যান্ডের

সিরিজ বাঁচাতে মাঠে বাংলাদেশ, টস জিতে ব্যাটিং নিউজিল্যান্ডের

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সোমবার (২০ এপ্রিল) মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম-এ অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল-এর অধিনায়ক টম ল্যাথাম। সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ২৬ রানে হেরে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। ফলে সিরিজে টিকে থাকতে এই ম্যাচে জয় ছাড়া বিকল্প নেই টাইগারদের সামনে। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে একাদশে একটি পরিবর্তন এনেছে স্বাগতিকরা। দলে জায়গা হারিয়েছেন আফিফ হোসেন, তার পরিবর্তে সুযোগ পেয়েছেন সৌম্য সরকার। এ ম্যাচে বাংলাদেশের জন্য বিশেষ মুহূর্তও রয়েছে। দলের নির্ভরযোগ্য ব্যাটার লিটন দাস দেশের ১৪তম ক্রিকেটার হিসেবে শততম ওয়ানডে ম্যাচ খেলতে

লড়াই করেও মিডল অর্ডার ব্যর্থতায় হারল বাংলাদেশ

লড়াই করেও মিডল অর্ডার ব্যর্থতায় হারল বাংলাদেশ

মিরপুরে দারুণ লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত মিডল অর্ডারের ব্যাটিং ব্যর্থতায় হার মানতে হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল-কে। ২৬ রানের জয়ে তিন ম্যাচের একদিনের সিরিজে এগিয়ে গেল নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল। শুক্রবার রাজধানীর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম-এ টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন কিউই অধিনায়ক টম লাথাম। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৪৭ রান সংগ্রহ করে সফরকারীরা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৮৩ বলে ৬৮ রান করেন হেনরি নিকোলস। এছাড়া ড্যান ফক্সক্রফট ৫৮ বলে ৫৯ এবং উইল ইয়ং ৪২ বলে ৩০ রান যোগ করেন। বাংলাদেশের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ, রিশাদ হোসেন ও শরীফুল ইসলাম। ২৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপদে

বিসিবি বোর্ড ভেঙে তামিমের নেতৃত্বে নতুন কমিটি

বিসিবি বোর্ড ভেঙে তামিমের নেতৃত্বে নতুন কমিটি

বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রশাসনে বড় পরিবর্তন এসেছে। দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। আপাতত ক্রিকেট পরিচালনার জন্য ১১ সদস্যবিশিষ্ট একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন এনএসসির ক্রীড়া পরিচালক আমিনুল এহসান। তিনি জানান, বিসিবির সাম্প্রতিক নির্বাচনে কারচুপি ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ পাওয়ায় বোর্ড ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমিনুল এহসান বলেন, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য দুর্বলতা ও প্রশাসনিক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)-কে

জাতীয়

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড তদন্তে নতুন তথ্য প্রকাশ

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে সংঘটিত বহুল আলোচিত হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। তদন্তে এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র ঢাকাতেই ৩২ জন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। রোববার (৩ মে) সকালে নিজ কার্যালয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, তদন্ত কার্যক্রম প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। ১৩ বছর আগে রাজধানীর শাপলা চত্বরে অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে আলোচনায় আসে কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম। ব্লগারদের বিরুদ্ধে ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ, নারীনীতির বিরোধিতা এবং ১৩ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংগঠনটি ওই কর্মসূচি পালন করে। ২০১৩ সালের ৫ মে দিনভর উত্তেজনা, সংঘর্ষ ও সহিংসতার ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং রাতে মতিঝিলের শাপলা চত্বর এলাকায় ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী—পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবি যৌথ অভিযানে এলাকা খালি করে। চিফ প্রসিকিউটর জানান, তদন্তে ওই অভিযানের সময় ৩২ জন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তদন্তের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তির আগে মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে চূড়ান্ত মন্তব্য করা সম্ভব নয়। দীর্ঘ সময় ধরে আলোচিত এই ঘটনার তদন্ত শেষ হলে দেশের রাজনৈতিক ও আইনগত অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব পড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড তদন্তে নতুন তথ্য প্রকাশ
পুলিশের ১৭ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা অবসর

পুলিশের ১৭ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা অবসর

হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে তিন মাস সরকার

হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে তিন মাস সরকার

জনপ্রশাসনে বদলির নীতিতে সততা ও দক্ষতার ওপর জোর-প্রধানমন্ত্রী

জনপ্রশাসনে বদলির নীতিতে সততা ও দক্ষতার ওপর জোর-প্রধানমন্ত্রী

স্বাস্থ্য

হাম প্রতিরোধে দেশজুড়ে টিকাদান শুরু

হাম প্রতিরোধে দেশজুড়ে টিকাদান শুরু

দেশে দিন দিন বাড়ছে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও, ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জরুরি পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এই প্রেক্ষাপটে সোমবার থেকে সারা দেশে শুরু হচ্ছে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি। স্বাস্থ্য বিভাগ আশা করছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে সংক্রমণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। এর আগে গত ৫ এপ্রিল দেশের ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলাকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে সেখানে জরুরি ভিত্তিতে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হয়। পরে ১২ এপ্রিল রাজধানী ঢাকায়ও এই কর্মসূচি চালু

উদ্বেগজনক রূপ নিচ্ছে দেশের হাম পরিস্থিতি, ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ১০

উদ্বেগজনক রূপ নিচ্ছে দেশের হাম পরিস্থিতি, ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ১০

হামের হঠাৎ প্রাদুর্ভাব ‘বজ্রপাতের মতো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

হামের হঠাৎ প্রাদুর্ভাব ‘বজ্রপাতের মতো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কক্ষ সংকট, ব্যাহত চিকিৎসা সেবা

কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কক্ষ সংকট, ব্যাহত চিকিৎসা সেবা

বিশেষ সংবাদ

দুই শতকের শ্রম, তবুও দারিদ্র্যের চক্রে চা শ্রমিকরা

দুই শতকের শ্রম, তবুও দারিদ্র্যের চক্রে চা শ্রমিকরা

বাংলাদেশের চা শিল্প জাতীয় অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হলেও এ শিল্পের প্রাণ—চা শ্রমিকদের জীবনমান এখনো উন্নয়নের মূলধারার বাইরে রয়ে গেছে। দেশের ১৬৭টি চা বাগানে কর্মরত লক্ষাধিক শ্রমিকের শ্রমে প্রতিবছর রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদন হচ্ছে এবং বিশ্বের অন্তত ২৫টি দেশে বাংলাদেশি চা রপ্তানি হচ্ছে। অথচ উৎপাদনের মূল কারিগর শ্রমিকরাই সবচেয়ে কম মজুরির বাস্তবতায় জীবনযাপন করছেন। তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে চা বাগানের স্থায়ী শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি মাত্র ১৭৮ টাকা, যা দেশের ৩১টি শিল্পখাতের মধ্যে সর্বনিম্ন। ২০২২ সালের আন্দোলনের পর সরকারের হস্তক্ষেপে মজুরি ১২০ টাকা...

সাতছড়ি উদ্যানে দেখা মিলল বিরল সিঁদুরে মৌটুসি পাখির

সাতছড়ি উদ্যানে দেখা মিলল বিরল সিঁদুরে মৌটুসি পাখির

শ্রীমঙ্গলে ফুটেছে দুর্লভ ক্যাসিয়া জাভানিকা ফুল, ছড়াচ্ছে মুগ্ধতা

শ্রীমঙ্গলে ফুটেছে দুর্লভ ক্যাসিয়া জাভানিকা ফুল, ছড়াচ্ছে মুগ্ধতা

‘শান্তিবাগ ওয়াকওয়ে’ ফুটছে নানা রঙের দুুষ্প্রাপ্য ফুল, মুগ্ধ দর্শনার্থীরা

‘শান্তিবাগ ওয়াকওয়ে’ ফুটছে নানা রঙের দুুষ্প্রাপ্য ফুল, মুগ্ধ দর্শনার্থীরা

মৌলভীবাজারে হাইব্রিড আবাদে ঝুঁকছেন কৃষকরা, হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় ধান

মৌলভীবাজারে হাইব্রিড আবাদে ঝুঁকছেন কৃষকরা, হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় ধান

আইন-আদালত

প্রিজনভ্যান দুর্ঘটনায় আহত সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক

প্রিজনভ্যান দুর্ঘটনায় আহত সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক

সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে বহনকারী পুলিশের একটি প্রিজনভ্যান দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে তাকে কারাগার থেকে আদালতে নেওয়ার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে তিনি ও ভ্যানে থাকা আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আদালতে হাজির করার উদ্দেশ্যে পলককে কারাগার থেকে নেওয়ার পথে হঠাৎ করে প্রিজনভ্যানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় পড়ে। দুর্ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত হয়ে আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। আহতদের মধ্যে

তিনটি আসনের ব্যালট পেপারসহ নথি হেফাজতে নিতে ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ

তিনটি আসনের ব্যালট পেপারসহ নথি হেফাজতে নিতে ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ

উখিয়া-টেকনাফের সাবেক এমপি বদির জামিন

উখিয়া-টেকনাফের সাবেক এমপি বদির জামিন

রূপপুরে জালিয়াতি তদন্তে হাইকোর্টের কঠোর নির্দেশ

রূপপুরে জালিয়াতি তদন্তে হাইকোর্টের কঠোর নির্দেশ

সম্পাদকীয়

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ১৯৯১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত সময়কে এক অনন্য অধ্যায় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময়জুড়ে দেশের রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন দুই নারী নেত্রী , শেখ হাসিনা ও বেগম খালেদা জিয়া। একদিকে আওয়ামী লীগ, অন্যদিকে বিএনপি,  এই দুই দল এবং তাদের দুই নেত্রীর নেতৃত্বই মূলত বাংলাদেশের রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করেছে। ফলে এই সময়কে অনেকেই যথার্থভাবেই ‘দুই নেত্রীর যুগ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের অভ্যুত্থান বাংলাদেশের এই রাজনৈতিক ধারাবাহিকতায় বড় ধরনের ছেদ টেনেছে। গণআন্দোলনের মুখে শেখ

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

সীমান্তে ভারতীয় পুশ-ইন: বাংলাদেশে নতুন শরণার্থী সংকট আসছে কি ?

সীমান্তে ভারতীয় পুশ-ইন: বাংলাদেশে নতুন শরণার্থী সংকট আসছে কি ?

চাকুরী

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু যেদিন থেকে

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ৫০তম বিসিএসের বহুল প্রত্যাশিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বুধবার সন্ধ্যায় পিএসসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই বিসিএসে মোট ২ হাজার ১৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হবে ১ হাজার ৭৫৫ জনকে এবং নন-ক্যাডারে ৩৯৫ জনকে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন যুক্ত পদসহ এবার প্রশাসন, পুলিশ, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের নিয়োগ হচ্ছে। ক্যাডার পদের মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ২০০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ১১৭ জন, স্বাস্থ্য ক্যাডারে সর্বোচ্চ ৬৫০ জন,

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

মে মাসে আনন্দের খবর, দুইবার টানা ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

বাংলাদেশে ২০ হাজার নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ, আজ ঘোষণা

মতামত

Card Image

জিয়াউল হক

একক লড়াইয়ে ইসলামী আন্দোলন !

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো জোটে না থেকে এককভাবে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১১ দলীয় জোটে তারা আর থাকছে না এবং নিজের শক্তির ওপর ভর করেই নির্বাচনী মাঠে নামবে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশের ২৬৮টি আসনে প্রার্থী দেবে। দীর্ঘদিন ধরে জোট রাজনীতির বাইরে থেকে স্বতন্ত্র অবস্থান ধরে রাখার যে নীতি দলটি অনুসরণ করে আসছে, এই সিদ্ধান্ত তারই ধারাবাহিকতা বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। এর আগে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন একটি জোট সমঝোতার অংশ হিসেবে কিছু আসন খালি রাখার উদ্যোগ নেয়। সেখানে প্রায় ৫০টি আসন ছাড় দেওয়ার আলোচনা থাকলেও চরমোনাই পীর মুফতি রেজাউল করিমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন সেই প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি। বরং দলটি শুরু থেকেই এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান নেয়। দলীয় নেতারা বলছেন, জনগণের প্রত্যাশা ও ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাজনীতির বিস্তারের লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জোট রাজনীতির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে সরাসরি ভোটারদের কাছে নিজেদের বার্তা পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল উদ্দেশ্য। এদিকে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একটি গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের প্রাথমিক ধাপ শেষ হয়েছে এবং এখন আপিল নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া চলছে। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ২০ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণায় নামতে পারবেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

শহীদ নূর হোসেন থেকে শহীদ ওসমান হাদি: রাষ্ট্র কি বদলেছে?

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু মৃত্যু সময়কে ভাগ করে দেয়—আগের বাংলাদেশ আর পরের বাংলাদেশ। ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেনের মৃত্যু যেমন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনকে নতুন গতি দিয়েছিল, তেমনি ২০২৫ সালে শহীদ ওসমান হাদির মৃত্যু আজকের রাষ্ট্রব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে কঠিন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। নূর হোসেন ছিলেন একজন সাধারণ মানুষ। কোনো বড় পদ, ক্ষমতা বা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা তার ছিল না। তবুও তিনি বুক-পিঠে লেখা দুটি বাক্য—‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ ও ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’—নিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন। রাষ্ট্র তখন প্রকাশ্য স্বৈরশাসনের অধীনে ছিল। গুলির মুখে দাঁড়িয়ে নূর হোসেন দেখিয়ে দিয়েছিলেন, গণতন্ত্র কেবল রাজনৈতিক দল নয়, সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগেই বেঁচে থাকে। তার রক্তের দাগ মুছে যায়নি; বরং তা ইতিহাসে চিহ্ন হয়ে রয়ে গেছে। অন্যদিকে শহীদ ওসমান হাদি ছিলেন একটি প্রজন্মের কণ্ঠস্বর। তিনি কোনো সামরিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে নয়, বরং তথাকথিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভেতরের ব্যর্থতা, বৈষম্য ও নিরাপত্তাহীনতার বিরুদ্ধে কথা বলছিলেন। দিনের আলোয় রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে রিকশায় বসে থাকা একজন রাজনৈতিক কর্মী গুলিবিদ্ধ হন—এটি শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়, এটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রকাশ্য ভেঙে পড়ার ঘোষণা। নূর হোসেনের সময় রাষ্ট্র বলত, “আমরা স্বৈরাচার, তাই দমন করব।” হাদির সময় রাষ্ট্র বলে, “আমরা গণতান্ত্রিক, কিন্তু অপরাধ ঠেকাতে পারছি না।” এই দুই বক্তব্যের মাঝখানে পার্থক্য থাকলেও ফলাফল এক—একজন নাগরিক নিহত। সবচেয়ে বেদনাদায়ক প্রশ্ন হলো, নূর হোসেনের আত্মত্যাগের ৩৮ বছর পরও কেন হাদির

Card Image

কামরুজ্জামান রানা

৭ই নভেম্বর: স্বাধীনতা-গণতন্ত্র-সংহতি: এক দিনে তিন প্রতীক

বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে ৭ নভেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ‘মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পরিচিত এই দিনটি ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার পটভূমিতে সিপাহী-জনতার অভ্যুদয়ের প্রতীক হয়ে উঠে। দিনটি নিয়ে নানা মত ও ব্যাখ্যা থাকলেও এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না। কারণ, এই দিনের ঘটনাপ্রবাহ রাষ্ট্রের সামগ্রিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসে এবং জাতীয় রাজনীতির গতিপথে এক নতুন ধারা সূচনা করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর রাষ্ট্রে তীব্র অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। সামরিক, প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে নতুন ক্ষমতার সমীকরণ গড়ে উঠতে থাকে। এরপর ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে হত্যা এবং ক্ষমতার পালাবদলের ধারাবাহিকতায় ৭ নভেম্বর এক বিশেষ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সৈনিকদের একটি অংশ এবং জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সেদিনের ঘটনাকে কেউ বিপ্লব, কেউ সামরিক অভ্যুত্থান এবং কেউ জাতীয় ঐক্যের স্ফুরণ হিসেবে উল্লেখ করেন। এই দিবসটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কারণে। সেই সময় বন্দী অবস্থায় থাকা তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে মুক্তি পান এবং পরবর্তী সময়ে তিনি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব হাতে নেন। জিয়া রাষ্ট্রপরিচালনায় আসার পর বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর নতুন রাজনীতিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয় বলে মতামত রয়েছে। ৭ নভেম্বরকে একদলীয় শাসনের অবসান ও বহু মত-চিন্তার উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরির সূচনা হিসেবে দেখেন অনেক বিশ্লেষক।

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি

অবিক্রীত মোবাইল তথ্য জমার সময় বাড়াল বিটিআরসি

অবিক্রীত মোবাইল তথ্য জমার সময় বাড়াল বিটিআরসি

দেশে অবৈধ পথে ও চোরাই মোবাইল ফোন আমদানি বন্ধের লক্ষ্যে সরকারের বহুল আলোচিত ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেম চালুর সময়সূচি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে এই সিস্টেম কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও, বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে তা আগামী ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, এনইআইআর চালুর আগে দেশের সব মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের কাছে থাকা পূর্বে আমদানীকৃত কিন্তু এখনো অবিক্রীত বা স্থিত মোবাইল হ্যান্ডসেটের তথ্য নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

১৮ কোটি মানুষের ই-মেইল ও পাসওয়ার্ড ফাঁস: সাইবার হামলার আশঙ্কা

১৮ কোটি মানুষের ই-মেইল ও পাসওয়ার্ড ফাঁস: সাইবার হামলার আশঙ্কা

ফেসবুক এখন মোবাইল গ্যালারির ছবি বিশ্লেষণ করবে!

ফেসবুক এখন মোবাইল গ্যালারির ছবি বিশ্লেষণ করবে!

মোবাইল নম্বরের ওপর আর নির্ভর করবে না হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার

মোবাইল নম্বরের ওপর আর নির্ভর করবে না হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার