জীবনের পথে মানুষকে নানা ধরনের পরীক্ষা ও সংকটের মুখোমুখি হতে হয়। কখনো অর্থনৈতিক কষ্ট, কখনো পারিবারিক সমস্যা, আবার কখনো অসুস্থতা বা মানসিক অস্থিরতা মানুষকে দুর্বল করে তোলে। ইসলাম শিক্ষা দেয়, এসব পরিস্থিতিতে হতাশ না হয়ে ধৈর্য ধারণ এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখাই একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় শক্তি। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, "নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।" (সূরা আল-বাকারা: ১৫৩)
জুমার দিন মুসলমানদের জন্য সপ্তাহের সেরা দিন। এই দিনটি শুধু একটি সাপ্তাহিক ইবাদতের দিনই নয়, বরং আল্লাহর বিশেষ রহমত, বরকত ও ক্ষমা লাভের অনন্য সুযোগ। পবিত্র কোরআনে জুমার নামেই একটি সূরা রয়েছে, যা এই দিনের গুরুত্বকে আরও সুস্পষ্ট করে তোলে। একজন মুমিনের উচিত জুমার দিনটিকে যথাযথ মর্যাদা ও আমলের মাধ্যমে অতিবাহিত করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি উত্তমভাবে অজু করে জুমার
ইসলামি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখ, পবিত্র আশুরা মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। এই দিনটি শুধু ঐতিহাসিক নানা ঘটনার স্মৃতিবাহী নয়, বরং সত্য, ন্যায় ও আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের এক অনন্য শিক্ষা বহন করে। জকিগঞ্জ উপজেলা সচেতন নাগরিক ফোরাম সিলেটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী এক বক্তব্যে বলেন, আশুরার রোজা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ নফল ইবাদতের অন্যতম। রমজানের রোজা ফরজ
নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা’দ” প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আজ আমি আপনাদের হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী, আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই এই ফেতনার যুগে ঈমান রক্ষার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপায় নিয়ে, সেই সম্পর্কে নিম্নে সংকিপ্ত আকারে আলোচনা তুলে ধরছি, “ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ” ঈমান শব্দের আভিধানিক অর্থ স্বীকার করা, স্বীকৃতি দেওয়া, অনুগত হওয়া মতান্তরে দৃঢ় বিশ্বাস করা। এটি কুফর বা
নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা’দ” প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আজ আমি আপনাদের হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী, আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই কারবালার রক্তঝরা হৃদয় বিদারক এর সংকিপ্ত ইতিহাস, সেই সম্পর্কে নিম্নে সংকিপ্ত আকারে আলোচনা তুলে ধরছি, “ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ” ‘ইসলাম জিন্দা হোতে হে হার কারবালাকে বাদ’ অর্থাৎ ইসলামের পুনর্জাগরণ হয় প্রতিটি কারবালার পরই। কোনো এক উর্দু কবির এ প্রবাদটিই তুলে
নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা’দ” প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আজ আমি আপনাদের হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী, আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত নিয়ে সেই সম্পর্কে নিম্নে সংকিপ্ত আকারে আলোচনা তুলে ধরছি, “ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ” মহররম হিজরি বছরের প্রথম মাস। এ মাসে আল্লাহ তাআলার নিকট প্রতিটি মুসলমানের একমাত্র চাওয়া-পাওয়া হলো তিনি যেন মুসলিম উম্মাহকে বছরজুড়ে রহমত,
জকিগঞ্জ উপজেলা সচেতন নাগরিক ফোরাম সিলেট এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সাবেক ইমাম ও খতীব কদমতলী হযরত দরিয়া শাহ রহ. মাজার জামে মসজিদ সিলেটের বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ লেখক ও কলামিস্ট হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকীর মতে আবাসিক মহিলা মাদ্রাসায় পুরুষ শিক্ষক বিষয়ে মতামত ও প্রস্তাব জানিয়েছেন। ১. আবাসিক মহিলা মাদ্রাসায় কোনো ধরনের পুরুষ শিক্ষক বা কর্মচারী রাখা উচিত নয়। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে
জীবনের প্রতিটি ধাপে মানুষ নানা ধরনের সংকট, দুশ্চিন্তা ও পরীক্ষার সম্মুখীন হয়, আর এই সময়েই একজন মুমিনের প্রকৃত পরিচয় প্রকাশ পায় ধৈর্য ও আল্লাহর ওপর ভরসার মাধ্যমে। ইসলাম আমাদের শেখায়, বিপদের মুহূর্তে হতাশ না হয়ে বরং আল্লাহর প্রতি আস্থা রাখা এবং ধৈর্য ধারণ করাই হলো প্রকৃত মুমিনের গুণ। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন, যা আমাদের জন্য
নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা’দ, কোরবানি : সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ হচ্ছে, ‘নিশ্চয়ই (হে নবী!) আমি আপনাকে (নিয়ামত পূর্ণ) কাওসার দান করেছি, অতএব, আপনি আপনার ‘রব’ এর সন্তুষ্টির জন্যে সালাত কায়েম করুন ও তাঁর নামে কোরবানি করুন’ (সূরা আল কাওসার-১০৮/১-২)। রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও কোরবানি করবে না সে যেন ঈদগাহের নিকটে না আসে’
আপনি কি আপনার সন্তানকে গড়ে তুলার জন্য কিছু নির্দেশনা খুঁজছেন? চিন্তার কোন কারণ নেই। আপনাদের জন্য ১০ টি নির্দেশনা দিচ্ছি যাতে আপনারা আপনাদের সন্তানদের সহজে গড়ে তুলতে পারেন। ১। আপনার সন্তানকে শুষ্টভাবে গড়ে তুলা অভিভাবক হিসেবে আপনার দ্বায়িত্ব ও কর্তব্য। আপনার সন্তানের কিছু নিশ্চিত বিষয়ের উপর আপনার অটল থাকতে হবে। তাদের সাথে রাগী বা চিৎকার করে কথা বলবেন না। ২। আপনি তাদের
বর্তমান সময়ে দ্রুতগতির জীবনে মানুষ নানা প্রতিযোগিতা ও চাপের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, যেখানে নৈতিকতা অনেক ক্ষেত্রেই অবহেলিত হচ্ছে। অথচ ইসলাম মানুষকে শুধু ইবাদতের দিকেই নয়, বরং দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি কাজে নৈতিকতার উপর গুরুত্ব দিতে শিক্ষা দেয়। সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও দায়িত্ববোধ—এসব গুণ একজন মুসলমানের পরিচয়ের মূল ভিত্তি। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ ন্যায়বিচার, সদাচরণ এবং আত্মীয়স্বজনকে দান করার নির্দেশ দেন।”
আরবি চান্দ্র বছরের একাদশ মাস জিলক্বদ মুসলমানদের জন্য এক বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ সময় হিসেবে বিবেচিত। হজের তিন মাসের মধ্যে এটি দ্বিতীয় মাস এবং একই সঙ্গে হারাম মাসগুলোর একটি, যেখানে ইবাদত, সংযম ও আত্মশুদ্ধির গুরুত্ব বিশেষভাবে আলোচিত হয়। ইসলামের ইতিহাস ও শরিয়তের আলোকে জিলক্বদ মাসকে বিশ্রাম ও প্রস্তুতির সময় বলা হয়। রজব, শাবান, রমজান ও শাওয়াল মাসে ধারাবাহিক ইবাদতের পর এই মাস মুমিনের
পবিত্র রমজান মাস মুসলমানদের জন্য এক মহিমান্বিত ও বরকতময় সময়। এ মাসের আগমনে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা আনন্দ প্রকাশ করে থাকেন, যা আল্লাহর অনুগ্রহের প্রতি কৃতজ্ঞতার প্রকাশ। কোরআনে আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দিয়েছেন—তাঁর দয়া ও অনুগ্রহের জন্য যেন মুমিনরা আনন্দিত হয়, কারণ তা পার্থিব সব সম্পদের চেয়েও উত্তম। রমজান মাসের অন্যতম মর্যাদা হলো—এ মাসে সিয়াম বা রোজা পালন ফরজ করা হয়েছে, যা ইসলামের পাঁচটি
বর্তমান ব্যস্ত ও প্রতিযোগিতামূলক জীবনে মানুষ নানা দুশ্চিন্তা ও অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছে। এই বাস্তবতায় ইসলাম মানুষের জন্য শান্তি, শৃঙ্খলা ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবনব্যবস্থার দিকনির্দেশনা দেয়, যা কেবল ইবাদতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় বরং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ইসলাম মানুষকে সৎ পথে চলার আহ্বান জানায় এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে শেখায়। পবিত্র কুরআনে বারবার ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও সত্যের পক্ষে অবিচল থাকার নির্দেশ
নতুন বছর উপলক্ষে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে আমাদের প্রার্থনা থাকবে তিনি যেন আমাদের জন্য অফুরন্ত কল্যাণ বয়ে আনেন। সাধারণত দেখা যায় নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে লোকেরা হৈ-হুল্লোড় ও ক্রীড়া-কৌতুক আর জাগতিক আনন্দ-উল্লাসের মাঝে সারা রাত কাটিয়ে দেয় আর এতে এমন কোন অপকর্ম নেই যা পাশ্চাত্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে না করা হয়। আমাদের নিজেদের কর্ম নিয়ে একটু তো চিন্তা করা উচিত যে,
শুক্রবার মুসলিম উম্মাহর জন্য সপ্তাহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন। রাসূলুল্লাহ (সা.) হাদিসে বলেছেন, শুক্রবার হলো সপ্তাহের সেরা দিন, যেদিন আদম (আ.) সৃষ্টি হয়েছিলেন এবং যেদিন কিয়ামত সংঘটিত হবে। তাই এদিনকে ইসলামে বিশেষ মর্যাদার আসনে বসানো হয়েছে এবং মুসলমানদের জীবনে এর তাৎপর্য গভীর। শুক্রবারের সকাল থেকেই মুসলমানদের মধ্যে বিশেষ প্রস্তুতির আবহ দেখা যায়। ফজরের পর কোরআন তিলাওয়াত, জিকির এবং দোয়ার মাধ্যমে দিনটি শুরু
ইসলামে দান-সদকা এমন এক আমল যা শুধু দুনিয়ার নয়, আখিরাতের কল্যাণেরও মাধ্যম। আল্লাহ তাআলা কোরআনে বিভিন্ন স্থানে দান-সদকার গুরুত্ব ও ফজিলত উল্লেখ করেছেন। সূরা বাকারা, আয়াত ২৬১-এ আল্লাহ বলেন, যারা আল্লাহর পথে নিজেদের সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উদাহরণ একটি শস্যদানা সদৃশ, যা থেকে সাতটি শীষ জন্মে এবং প্রতিটি শীষে থাকে একশত দানা। এভাবেই আল্লাহ যাকে ইচ্ছা বহুগুণ বৃদ্ধি করে দেন।
শুক্রবারের দিন মুসলমানদের জন্য ইবাদত, দোয়া ও রহমতের পাশাপাশি সাদকা ও দানের জন্যও বিশেষ মর্যাদার দিন। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “মুসলমানের প্রতিটি ভালো কাজই সদকা” (মুসলিম)। আর শুক্রবারের দিন দান করলে এর সওয়াব অন্যান্য দিনের চেয়ে বেশি হয়। ইসলামের ইতিহাসে দেখা যায় সাহাবিরা জুমার দিনে বিশেষভাবে দান করতে পছন্দ করতেন। কুরআনে আল্লাহ বলেন, “যে ব্যক্তি উত্তম কাজ করবে, তার জন্য দশগুণ প্রতিদান
আজ আরবি রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর জন্ম ও ওফাতের পুণ্যময় দিন উদযাপন করা হচ্ছে। ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে মক্কা নগরীতে জন্মগ্রহণ করা তিনি ৬৩ বছর বয়সে একইদিনে ইন্তেকাল করেছেন। মহানবীর জন্মের আগে গোটা আরব জাহেলিয়াতের অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। মানুষ আল্লাহর প্রতি অবহেলা করে নানা অনৈতিক ও হানাহানি কাজে লিপ্ত ছিল। অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলার এই যুগে মহান আল্লাহ
আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর প্রতি ভালোবাসা ঈমানের মূল ভিত্তি। ইসলামে এই ভালোবাসা কেবল মুখের কথায় সীমাবদ্ধ নয় বরং অন্তরের গভীরতা থেকে তাঁর আদর্শ অনুসরণ করাকে অপরিহার্য করা হয়েছে। কুরআন ও হাদীসের অসংখ্য দিকনির্দেশনায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে, নবীজীর প্রতি প্রকৃত মুহাব্বত ছাড়া পূর্ণ ঈমান অর্জন সম্ভব নয়। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর অনন্য গুণাবলী, অতুলনীয় সৌন্দর্য ও অফুরন্ত দয়া উম্মতের ভালোবাসা
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া-সাল্লামকে কেন্দ্র করে মুসলিম উম্মাহর মধ্যে বহুদিন ধরেই আলোচনা-সমালোচনা হয়ে আসছে। ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, প্রাচীন যুগের ইমাম, মুজতাহিদ এবং আলেমরা কোরআন, হাদিস, ইজমা ও কিয়াসের মাধ্যমে এ বিষয়ে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়ে গেছেন। তাঁদের মতে, প্রিয় নবীর জন্মদিনে আনন্দ উদযাপন করা শুধু বৈধই নয়, বরং এটি এক উত্তম আমল। কোরআনের সূরা ইউনুসের ৫৭-৫৮ নং আয়াতে আল্লাহ
মাহে রবিউল আউয়াল ইসলামী মাসগুলোর মধ্যে বিশেষ গুরুত্ব ও মহত্ত্বসম্পন্ন। এই মাসে সমগ্র জগতের জন্য রহমত হিসেবে শেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর আগমন আলোকিত মক্কার মরুপ্রান্তর ও চিরবাস্বর মদিনাতুল মুনাওয়ারাহের জন্য বিশেষ বরকত বয়ে এনেছে। কোরআনে আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেছেন, রসূল (সা.) গোটা সৃষ্টি জগতের জন্য রহমত, যা তাঁর নবুয়তের মহত্ত্বকে প্রমাণ করে। রবিউল আউয়াল
আমরা কেউই গুনাহমুক্ত নই। দুনিয়ার চলার পথে ছোট বা বড় কোনো না কোনো গুনাহ আমাদের জীবনে জড়িয়ে যায়। অথচ গুনাহ নিয়ে জান্নাতে প্রবেশের সুযোগ নেই। জান্নাত হলো পবিত্র স্থান, যেখানে কোনো কলুষতা ও অপবিত্রতার ঠাঁই নেই। তাই জান্নাত পেতে হলে আল্লাহর রহমতে পবিত্র হতে হয়। এ জন্য আল্লাহ তাঁর বান্দাদের গুনাহ মোচনের চারটি পথ খুলে দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন হাফিজ
যুক্তরাজ্যের লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী ব্রিকলেন জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশের শীর্ষ ওলিয়ে কামিল, প্রখ্যাত বুযুর্গ ও আনজুমানে আল-ইসলাহ ইউকের প্রতিষ্ঠাতা আল্লামা মুফতি মুজাহিদ উদ্দীন চৌধুরী দুবাগী ছাহেব কিবলাহ (রহ.)-এর পঞ্চম বার্ষিক ঈসালে সাওয়াব মাহফিল। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এ মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন তাঁর বড় ছাহেবজাদা আল্লামা জিল্লুর রহমান চৌধুরী এবং কোরআন তিলাওয়াত করেন ছোট ছাহেবজাদা ক্বারী মহবুবুর রহমান চৌধুরী। মাহফিলে দেশ-বিদেশের প্রখ্যাত ওলামায়ে কেরাম,