প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৬, ১৬:১৮

দেশের স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে ১৩ থেকে ১৬তম গ্রেডের শূন্য পদে জরুরি ভিত্তিতে জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের আওতাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোতে দীর্ঘদিনের জনবল সংকট কমাতেই এ কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে শুক্রবার (২০ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী স্বাক্ষরিত একটি চিঠি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়। চিঠিটি দেশের বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের পরিচালক, সিভিল সার্জন, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য খাতে জনবল ঘাটতি পূরণে বড় পরিসরে কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাসিক সমন্বয় সভার সিদ্ধান্ত এবং সরকারি কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
নন-মেডিকেল কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা-২০১৮ অনুসরণ করে পদোন্নতি ও সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে ১৩ থেকে ১৬তম গ্রেডের শূন্য পদ পূরণের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র সংগ্রহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে কোনো কোনো স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও আবেদন গ্রহণ করা হলেও প্রক্রিয়া শেষ করা যায়নি। এসব প্রতিষ্ঠানে নতুন করে শূন্য পদের ছাড়পত্র নিয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং আগের আবেদনকারীদের সঙ্গে সমন্বয় করে নিয়োগ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কোনো প্রতিষ্ঠানে নিয়োগসংক্রান্ত মামলা বা প্রশাসনিক জটিলতা থাকলে তা দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিতেও বলা হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা নিয়োগ কার্যক্রম পুনরায় সচল করার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
চিঠিতে প্রধান সহকারীসহ কয়েকটি পদের গ্রেড নিয়ে বিদ্যমান জটিলতার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে। ১৪তম গ্রেডে কর্মরত প্রধান সহকারী, উচ্চমান সহকারী বা সমমানের পদধারীদের ১৩তম গ্রেডের শূন্য পদে নিজ বেতনে বা চলতি দায়িত্বে পদায়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
নিয়োগ কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। দেশের স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়োগসংক্রান্ত তথ্য নির্ধারিত ছকে প্রতি মাসের ৫ তারিখের মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখায় পাঠাতে হবে। হার্ডকপির পাশাপাশি ই-মেইলেও এসব তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।