শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

কৃষিবাংলাদেশ

ফসল সুরক্ষায় ঐতিহ্যের স্মারক হয়ে দাঁড়িয়ে কাকতাড়ুয়া

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৩ নভেম্বর ২০২২, ২৩:৮

শেয়ার করুনঃ
ফসল সুরক্ষায় ঐতিহ্যের স্মারক হয়ে দাঁড়িয়ে কাকতাড়ুয়া

উত্তর জনপদের শষ্য ভান্ডার খ্যাত নওগাঁর আত্রাই উপজেলার কৃষকেরা আজও ক্ষেতের ফসল রক্ষায় কাকতাড়ুয়ার ব্যবহার করে আসছেন। আবহমান গ্রাম বাংলায় কৃষক ক্ষেতের ফসলকে পাখি, ইঁদুর ও মানুষের কু-নজরের হাত থেকে রক্ষা করার কৌশল হিসেবে অদ্ভূত ও অভিনব পদ্ধতির আবিষ্কার করেন আদিকাল থেকে এরকম এক প্রহরী যার নাম কাকতাড়ুয়া। গ্রাম বাংলার গ্রামীন জনপদে ফসলের ক্ষেতের অতি পরিচিত দৃশ্য এই কাকতাড়ুয়া।

কালের প্রবাহে ফসল রক্ষার  এই সনাতনি পদ্ধতিটি গ্রাম বাংলার বিমূর্ত প্রতীক হয়ে উঠে আসে গল্প, কবিতা, নাটক, সিনেমায়। এরপর  কাকতাড়ুয়া আধুনিক সমাজে পৌছে যায় শিল্পীর চিত্রকর্মে বইয়ের প্রচ্ছদে প্রচ্ছদে।

আরও

ব্লেডের নিখুঁত ছোঁয়ায় কোটি টাকার স্বপ্ন, ছড়াচ্ছে দেশজুড়ে

ব্লেডের নিখুঁত ছোঁয়ায় কোটি টাকার স্বপ্ন, ছড়াচ্ছে দেশজুড়ে

গ্রাম-বাংলার গ্রামীন জনপদে আজো প্রবাদ আছে যাবার পথে কালো বিড়াল অতিক্রম করলে যাত্রা অশুভ হবে। পরীক্ষার আগে ডিম খেলে ফলাফল খারাপ হবে। গ্রামাঞ্চলে এখনো মায়েরা ছোট্ট শিশুর কপালে কালো টিপ এঁকে দেন, যাতে কারো নজর না লাগে।

বিজ্ঞানের যুগেও এমন অদ্ভুত বিশ্বাসের লোকের অভাব নেই গ্রামীণ জনপদে! তেমনই এক আত্মবিশ্বাস নিয়ে কৃষকরা ক্ষেতের ফসল বাঁচাতে কাকতাড়ুয়া (মানুষের প্রতীক) ব্যবহার করছেন। 

আরও

আধুনিক প্রযুক্তিতে বদলে যাচ্ছে কৃষির চিত্র

আধুনিক প্রযুক্তিতে বদলে যাচ্ছে কৃষির চিত্র

কাকতাড়ুয়া
https://enews71.com/storage/ads/01M1TJ1Y03SG5Y5HBJA4PJG3XC.PNG

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

কৃষকদের আত্মবিশ্বাস, কাকতাড়ুয়া স্থাপন করলে ক্ষেতের ফসল দেখে কেউ ঈর্ষা করবে না বা ফসলে কারো নজর লাগবে না। পাঁখি বা ইঁদুর ফসল নষ্ট করতে পারবে না। ক্ষেতের ফসল ভাল হবে।

লম্বা খাড়া দন্ডায়মান একটি খুটি এবং দুই বা তিন ফুট উপরে আড়াআড়ি অরেকটি খুটি বেঁধে তাতে ছন বা খড় পেচিয়ে মোটাসোটা করা হয়। তারপর  আড়াআড়ি বাঁধানো অংশের সামান্য উপরে ছন বা খড়কুটো দিয়ে ডিম্বাকৃতি  বা মাথার মতো বস্তু বানানো হয়। এরপর বাড়ি থেকে ব্যবহূত পরিত্যাক্ত ছেড়া জামা বা পাঞ্জাবি পরিয়ে দেয়া হয় এটিকে। ডিম্বাকৃতির অংশটিকে ঢেকে দেয়া হয় মাটির হাড়ি দিয়ে। সেই হাড়িতে চোখ -নাক- মুখ এঁকে দেয়া হয় চুন বা চক দিয়ে। ফলে এক অদ্ভূত অভিনব সৌন্দর্য সৃষ্টি হয়। যা দেখে ভয় পাওয়ার মতো একটা ব্যাপার ঘটে। এই কাকতাড়ুয়াকে ফসলি জমির মাঝখানে দন্ডায়মান পুতে রাখা হয়। অনেকের বিশ্বাস কাকতাড়ুয়া বাড়ন্ত ফসলের দিকে পথচারির কুদৃষ্টি থেকে রক্ষা করে।

প্রযুক্তির ছোঁয়ায় চাষাবাদের ধরণ বদলে গেলেও নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় ক্ষেতের ফসল রক্ষায় কৃষকরা সনাতন পদ্ধতির কাকতাড়ুয়ার ব্যবহার করছেন।

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg

খড়ের কাঠামোর মাথায় মাটির হাঁড়ি আর তাতে চুন দিয়ে কাঁচা হাতে এঁকে দেয়া হয় নাক, চোখ-মুখ। পরিত্যক্ত জামা গায়ে জড়িয়ে জমিতে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। নাম তার কাকতাড়ুয়া।

কাকতাড়ুয়া হচ্ছে কাক কিংবা অন্যান্য পশু-পাখিকে ভয় দেখানোর জন্য জমিতে রক্ষিত মানুষের প্রতিকৃতি বিশেষ। এর মাধ্যমে পশু-পাখিকে ক্ষেতের ফসল কিংবা বীজের রক্ষণাবেক্ষণের লক্ষ্যে নিরুৎসাহিত করা হয়।

দেখা যায়, ফসলি জমিতে পশু-পাখি তাড়ানোর জন্য কাকতাড়ুয়া জমির মাঝখানে দাঁড় করিয়ে রেখেছে। দূর থেকে দেখলে যেন মনে হয় মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। এই কাকতাড়ুয়া দেখে ক্ষেতে পশু-পাখির উপদ্রব ঘটে না। ফলে ফসলও নষ্ট হয় না। বিশেষ করে শুকনো মৌসুমে জমিতে বেগুন, খিরা, মরিচ, আলু, পেঁয়াজ, শসা, টমেটো জাতীয় ফসল রোপণ করা হয় তখনই এই কাকতাড়ুয়াদের ব্যবহার করা হয়। 

সরেজমিনে উপজেলার শাহাগোলা ইউনিয়নের মাগুড়াপাড়া ও ভবানীপুর গ্রামের একাধিক কৃষকদের সাথে কথা বললে তারা জানান, কাকতাড়ুয়া পশু-পাখিকে ভয় দেখানোর জন্যে জমিতে রক্ষিত মানুষের প্রতিকৃতি বিশেষ। ক্ষতিকর পাখির আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষার উদ্দেশ্যে জমিতে কাকতাড়ুয়া দাঁড় করে রাখা হয়। এটি এক প্রকার ফাঁদ হিসেবে ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়। সনাতনি ধারায় এটি মানুষের দেহের গঠনের সঙ্গে মিল রেখে পরিত্যক্ত কাপড় দিয়ে সঙের ন্যায় সাজানো হয়। তারপর জমির মাঝামাঝি স্থানে খুঁটি হিসেবে দাঁড় করিয়ে রাখে। এটি বাতাসে দুলতে থাকায় পাখির উৎপাত ও তাদের খাদ্য সংগ্রহ করা থেকে বিরত রাখার প্রয়াস চালানো হয়। 

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কেএম কাউছার হোসেন বলেন, ফসলের কোনো ক্ষতি হবে না এমন আত্মবিশ্বাস থেকেই প্রত্যন্ত এলাকার কৃষকরা ক্ষেতে কাকতাড়ুয়া স্থাপন করে। চাষাবাদে প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় কৃষক আগের মত আর কাকতাড়ুয়া ব্যবহার করছে না। দিন দিন উপজেলার প্রতিটি এলাকায় কৃষকের কাছে পার্চিং ও আলোকফাঁদ পদ্ধতির ব্যবহার জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। 

এদিকে উপজেলার  কৃষিপ্রেমীরা মনেকরেন গ্রামবাংলার প্রাচীন ঐতিহ্য হিসেবে কাকতাড়ুয়া হাজার বছর বেচে থাকুক তাদের ঐতিহ্যের স্মারক হয়ে এমনটি প্রত্যাশা । 

সর্বশেষ সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্ভাব্য সমঝোতা: তৃতীয় দেশে ইউরেনিয়াম সরানো ও হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার প্রস্তাব

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্ভাব্য সমঝোতা: তৃতীয় দেশে ইউরেনিয়াম সরানো ও হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার প্রস্তাব

এইচএসসি ফলাফলে প্রকৃত চিত্র প্রকাশের সাহস দেখিয়েছে সরকার: সারজিস আলম

এইচএসসি ফলাফলে প্রকৃত চিত্র প্রকাশের সাহস দেখিয়েছে সরকার: সারজিস আলম

সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তার মৃত্যু: বন্ধুস্থানীয় দীপের ৪ দিনের রিমান্ড

সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তার মৃত্যু: বন্ধুস্থানীয় দীপের ৪ দিনের রিমান্ড

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে, বিএনপিকে হুঁশিয়ারি জামায়াত আমিরের

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে, বিএনপিকে হুঁশিয়ারি জামায়াত আমিরের

এইচএসসির ফল প্রকাশ: বরিশাল বোর্ডে সবার পেছনে ঝালকাঠি

এইচএসসির ফল প্রকাশ: বরিশাল বোর্ডে সবার পেছনে ঝালকাঠি

জনপ্রিয় সংবাদ

পিতা-মাতার সন্তুষ্টিতেই আল্লাহর সন্তুষ্টি, সদ্ব্যবহার সন্তানের অপরিহার্য কর্তব্য

পিতা-মাতার সন্তুষ্টিতেই আল্লাহর সন্তুষ্টি, সদ্ব্যবহার সন্তানের অপরিহার্য কর্তব্য

মাদক থেকে টাকা না পেলেই পুলিশকে অকার্যকর বলেন সাংবাদিকেরা: আইজিপি

মাদক থেকে টাকা না পেলেই পুলিশকে অকার্যকর বলেন সাংবাদিকেরা: আইজিপি

দেশের ৮৫ সাব-রেজিস্ট্রারকে একযোগে বদলি, যোগদানের শেষ সময় ২৯ অক্টোবর

দেশের ৮৫ সাব-রেজিস্ট্রারকে একযোগে বদলি, যোগদানের শেষ সময় ২৯ অক্টোবর

২০ শতাংশ জমিতে কেরালা শিম চাষে দেড় লাখ টাকা লাভের স্বপ্ন

২০ শতাংশ জমিতে কেরালা শিম চাষে দেড় লাখ টাকা লাভের স্বপ্ন

বিদেশে বাংলাদেশিদের কনস্যুলার সহায়তায় ব্যর্থতার অভিযোগে হাইকোর্টে রিট

বিদেশে বাংলাদেশিদের কনস্যুলার সহায়তায় ব্যর্থতার অভিযোগে হাইকোর্টে রিট

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

২০ শতাংশ জমিতে কেরালা শিম চাষে দেড় লাখ টাকা লাভের স্বপ্ন

২০ শতাংশ জমিতে কেরালা শিম চাষে দেড় লাখ টাকা লাভের স্বপ্ন

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে প্রচলিত ফসলের বাইরে আগাম জাতের সবজি চাষ করে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন কৃষকেরা। উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের পাঁচগাছি ব্লকের মালদহ গ্রামের কৃষক রাজু মিয়া (৪০) মাত্র ২০ শতাংশ জমিতে আগাম জাতের ‘কেরালা শিম’ চাষ করে এলাকায় সাড়া ফেলেছেন। ২৭ অক্টোবরের আগে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। সরেজমিনে জানা গেছে, রাজু মিয়া তাঁর জমিতে ১৩৩টি শিমগাছ

ডিজেল ছাড়াই সেচ, বরেন্দ্র অঞ্চলে কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা

ডিজেল ছাড়াই সেচ, বরেন্দ্র অঞ্চলে কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা

সরকারি উদ্যোগে সৌরশক্তিচালিত সেচব্যবস্থা চালুর ফলে রাজশাহী বিভাগের বরেন্দ্র অঞ্চলে কৃষির চিত্র বদলে যাচ্ছে। বিদ্যুৎবিহীন, খরাপ্রবণ ও দুর্গম এলাকায় গত দুই বছরে ৩২টি সৌর সেচপাম্প স্থাপনের ফলে কৃষকদের সেচ ব্যয় প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমেছে। একই সঙ্গে ফসলের নিবিড়তা বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ। ‘রাজশাহী বিভাগ কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প’-এর আওতায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো, সেচ ব্যয় কমানো এবং পানির পরিমিত ব্যবহার নিশ্চিত করতে

ব্লেডের নিখুঁত ছোঁয়ায় কোটি টাকার স্বপ্ন, ছড়াচ্ছে দেশজুড়ে

ব্লেডের নিখুঁত ছোঁয়ায় কোটি টাকার স্বপ্ন, ছড়াচ্ছে দেশজুড়ে

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় বনবেগুনের শক্ত শিকড়ের সঙ্গে উন্নত জাতের টমেটোর ডাল জুড়ে তৈরি হচ্ছে রোগ প্রতিরোধী ও অতি-ফলনশীল গ্রাফটিং চারা। বিশেষ এই চারার চাহিদা দেশের অন্তত ১০টি জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। কমলগঞ্জের নার্সারিগুলোতে প্রতি মৌসুমে উৎপাদন হচ্ছে প্রায় ৬৫ থেকে ৭০ লাখ চারা। এ খাতকে ঘিরে কয়েক মাসে প্রায় ৫ থেকে ৬ কোটি টাকার লেনদেন হচ্ছে। আদমপুর, জালালপুর, বনগাঁও, কান্দিগাঁও, মধ্যগাঁও ও

পাঁচবিবিতে অতিবৃষ্টিতে কমেছে পাটের ফলন, ভালো দামে খুশি চাষিরা

পাঁচবিবিতে অতিবৃষ্টিতে কমেছে পাটের ফলন, ভালো দামে খুশি চাষিরা

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে চলতি মৌসুমে লাভের আশায় ১ হাজার ৪০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করেছেন কৃষকেরা। তবে মৌসুমের শুরু থেকেই টানা বৃষ্টিপাত ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পাটগাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়েছে। এতে গত বছরের তুলনায় এবার আঁশের ফলন কিছুটা কম হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা। অবশ্য বাজারে পাটের দাম ভালো থাকায় ফলন কম হলেও কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছেন

দেশ ছাড়িয়ে বিশ্ববাজারে পরিচিত শ্রীমঙ্গলের আনারস

দেশ ছাড়িয়ে বিশ্ববাজারে পরিচিত শ্রীমঙ্গলের আনারস

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল দীর্ঘদিন ধরেই দেশের আনারস উৎপাদনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। পাহাড়ি টিলা, অনুকূল আবহাওয়া, উর্বর মাটি এবং কৃষকদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কারণে এখানকার আনারস স্বাদ, গন্ধ ও গুণগত মানে দেশের অন্য সব অঞ্চলের চেয়ে আলাদা পরিচিতি পেয়েছে। এবার সেই ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ফিলিপাইন থেকে আমদানিকৃত উচ্চফলনশীল এমডি-২ জাতের আনারস, যা স্থানীয় কৃষকদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। ইতিহাস ঘেঁটে