শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬২৯ চৈত্র, ১৪৩২
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

কৃষিবাংলাদেশ

ফসল সুরক্ষায় ঐতিহ্যের স্মারক হয়ে দাঁড়িয়ে কাকতাড়ুয়া

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৩ নভেম্বর ২০২২, ২৩:৮

শেয়ার করুনঃ
ফসল সুরক্ষায় ঐতিহ্যের স্মারক হয়ে দাঁড়িয়ে কাকতাড়ুয়া

উত্তর জনপদের শষ্য ভান্ডার খ্যাত নওগাঁর আত্রাই উপজেলার কৃষকেরা আজও ক্ষেতের ফসল রক্ষায় কাকতাড়ুয়ার ব্যবহার করে আসছেন। আবহমান গ্রাম বাংলায় কৃষক ক্ষেতের ফসলকে পাখি, ইঁদুর ও মানুষের কু-নজরের হাত থেকে রক্ষা করার কৌশল হিসেবে অদ্ভূত ও অভিনব পদ্ধতির আবিষ্কার করেন আদিকাল থেকে এরকম এক প্রহরী যার নাম কাকতাড়ুয়া। গ্রাম বাংলার গ্রামীন জনপদে ফসলের ক্ষেতের অতি পরিচিত দৃশ্য এই কাকতাড়ুয়া।

কালের প্রবাহে ফসল রক্ষার  এই সনাতনি পদ্ধতিটি গ্রাম বাংলার বিমূর্ত প্রতীক হয়ে উঠে আসে গল্প, কবিতা, নাটক, সিনেমায়। এরপর  কাকতাড়ুয়া আধুনিক সমাজে পৌছে যায় শিল্পীর চিত্রকর্মে বইয়ের প্রচ্ছদে প্রচ্ছদে।

আরও

নামে কালো, দামে সোনা - কৃষক হুমায়নের বাজিমাত

নামে কালো, দামে সোনা - কৃষক হুমায়নের বাজিমাত

গ্রাম-বাংলার গ্রামীন জনপদে আজো প্রবাদ আছে যাবার পথে কালো বিড়াল অতিক্রম করলে যাত্রা অশুভ হবে। পরীক্ষার আগে ডিম খেলে ফলাফল খারাপ হবে। গ্রামাঞ্চলে এখনো মায়েরা ছোট্ট শিশুর কপালে কালো টিপ এঁকে দেন, যাতে কারো নজর না লাগে।

বিজ্ঞানের যুগেও এমন অদ্ভুত বিশ্বাসের লোকের অভাব নেই গ্রামীণ জনপদে! তেমনই এক আত্মবিশ্বাস নিয়ে কৃষকরা ক্ষেতের ফসল বাঁচাতে কাকতাড়ুয়া (মানুষের প্রতীক) ব্যবহার করছেন। 

আরও

কম খরচে বেশি লাভ, শ্রীমঙ্গলে মৌরিতে বদলাচ্ছে কৃষকের ভাগ্য

কম খরচে বেশি লাভ, শ্রীমঙ্গলে মৌরিতে বদলাচ্ছে কৃষকের ভাগ্য
কাকতাড়ুয়া
https://enews71.com/storage/ads/01JR36BQSKCPE69WB8Z3TARXE3.jpg

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01JR3CX28Y9BM01PRE4TXCNDWF.jpg

কৃষকদের আত্মবিশ্বাস, কাকতাড়ুয়া স্থাপন করলে ক্ষেতের ফসল দেখে কেউ ঈর্ষা করবে না বা ফসলে কারো নজর লাগবে না। পাঁখি বা ইঁদুর ফসল নষ্ট করতে পারবে না। ক্ষেতের ফসল ভাল হবে।

লম্বা খাড়া দন্ডায়মান একটি খুটি এবং দুই বা তিন ফুট উপরে আড়াআড়ি অরেকটি খুটি বেঁধে তাতে ছন বা খড় পেচিয়ে মোটাসোটা করা হয়। তারপর  আড়াআড়ি বাঁধানো অংশের সামান্য উপরে ছন বা খড়কুটো দিয়ে ডিম্বাকৃতি  বা মাথার মতো বস্তু বানানো হয়। এরপর বাড়ি থেকে ব্যবহূত পরিত্যাক্ত ছেড়া জামা বা পাঞ্জাবি পরিয়ে দেয়া হয় এটিকে। ডিম্বাকৃতির অংশটিকে ঢেকে দেয়া হয় মাটির হাড়ি দিয়ে। সেই হাড়িতে চোখ -নাক- মুখ এঁকে দেয়া হয় চুন বা চক দিয়ে। ফলে এক অদ্ভূত অভিনব সৌন্দর্য সৃষ্টি হয়। যা দেখে ভয় পাওয়ার মতো একটা ব্যাপার ঘটে। এই কাকতাড়ুয়াকে ফসলি জমির মাঝখানে দন্ডায়মান পুতে রাখা হয়। অনেকের বিশ্বাস কাকতাড়ুয়া বাড়ন্ত ফসলের দিকে পথচারির কুদৃষ্টি থেকে রক্ষা করে।

প্রযুক্তির ছোঁয়ায় চাষাবাদের ধরণ বদলে গেলেও নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় ক্ষেতের ফসল রক্ষায় কৃষকরা সনাতন পদ্ধতির কাকতাড়ুয়ার ব্যবহার করছেন।

https://enews71.com/storage/ads/01KE26RV3X2DEVSK9FXGRJNSKS.png

খড়ের কাঠামোর মাথায় মাটির হাঁড়ি আর তাতে চুন দিয়ে কাঁচা হাতে এঁকে দেয়া হয় নাক, চোখ-মুখ। পরিত্যক্ত জামা গায়ে জড়িয়ে জমিতে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। নাম তার কাকতাড়ুয়া।

কাকতাড়ুয়া হচ্ছে কাক কিংবা অন্যান্য পশু-পাখিকে ভয় দেখানোর জন্য জমিতে রক্ষিত মানুষের প্রতিকৃতি বিশেষ। এর মাধ্যমে পশু-পাখিকে ক্ষেতের ফসল কিংবা বীজের রক্ষণাবেক্ষণের লক্ষ্যে নিরুৎসাহিত করা হয়।

দেখা যায়, ফসলি জমিতে পশু-পাখি তাড়ানোর জন্য কাকতাড়ুয়া জমির মাঝখানে দাঁড় করিয়ে রেখেছে। দূর থেকে দেখলে যেন মনে হয় মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। এই কাকতাড়ুয়া দেখে ক্ষেতে পশু-পাখির উপদ্রব ঘটে না। ফলে ফসলও নষ্ট হয় না। বিশেষ করে শুকনো মৌসুমে জমিতে বেগুন, খিরা, মরিচ, আলু, পেঁয়াজ, শসা, টমেটো জাতীয় ফসল রোপণ করা হয় তখনই এই কাকতাড়ুয়াদের ব্যবহার করা হয়। 

সরেজমিনে উপজেলার শাহাগোলা ইউনিয়নের মাগুড়াপাড়া ও ভবানীপুর গ্রামের একাধিক কৃষকদের সাথে কথা বললে তারা জানান, কাকতাড়ুয়া পশু-পাখিকে ভয় দেখানোর জন্যে জমিতে রক্ষিত মানুষের প্রতিকৃতি বিশেষ। ক্ষতিকর পাখির আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষার উদ্দেশ্যে জমিতে কাকতাড়ুয়া দাঁড় করে রাখা হয়। এটি এক প্রকার ফাঁদ হিসেবে ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়। সনাতনি ধারায় এটি মানুষের দেহের গঠনের সঙ্গে মিল রেখে পরিত্যক্ত কাপড় দিয়ে সঙের ন্যায় সাজানো হয়। তারপর জমির মাঝামাঝি স্থানে খুঁটি হিসেবে দাঁড় করিয়ে রাখে। এটি বাতাসে দুলতে থাকায় পাখির উৎপাত ও তাদের খাদ্য সংগ্রহ করা থেকে বিরত রাখার প্রয়াস চালানো হয়। 

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কেএম কাউছার হোসেন বলেন, ফসলের কোনো ক্ষতি হবে না এমন আত্মবিশ্বাস থেকেই প্রত্যন্ত এলাকার কৃষকরা ক্ষেতে কাকতাড়ুয়া স্থাপন করে। চাষাবাদে প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় কৃষক আগের মত আর কাকতাড়ুয়া ব্যবহার করছে না। দিন দিন উপজেলার প্রতিটি এলাকায় কৃষকের কাছে পার্চিং ও আলোকফাঁদ পদ্ধতির ব্যবহার জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। 

এদিকে উপজেলার  কৃষিপ্রেমীরা মনেকরেন গ্রামবাংলার প্রাচীন ঐতিহ্য হিসেবে কাকতাড়ুয়া হাজার বছর বেচে থাকুক তাদের ঐতিহ্যের স্মারক হয়ে এমনটি প্রত্যাশা । 

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে ছদ্মবেশে এলপিজি ক্রেতা এনএসআই, অত:পর ...

বরিশালে ছদ্মবেশে এলপিজি ক্রেতা এনএসআই, অত:পর ...

বৈরী আবহাওয়ায় বিপর্যস্ত রেলপথ, নোয়াখালী-ঢাকা ট্রেন চলাচলে অচলাবস্থা

বৈরী আবহাওয়ায় বিপর্যস্ত রেলপথ, নোয়াখালী-ঢাকা ট্রেন চলাচলে অচলাবস্থা

অভিনেত্রী সুভাষিণীর রহস্যজনক মৃত্যু, চাঞ্চল্য

অভিনেত্রী সুভাষিণীর রহস্যজনক মৃত্যু, চাঞ্চল্য

উলিপুরে নরমাল ডেলিভারিতে ৩ সন্তানের জন্ম!

উলিপুরে নরমাল ডেলিভারিতে ৩ সন্তানের জন্ম!

১৮ এপ্রিল শুরু হচ্ছে পবিত্র হজ ফ্লাইট: সংসদে ধর্মমন্ত্রী

১৮ এপ্রিল শুরু হচ্ছে পবিত্র হজ ফ্লাইট: সংসদে ধর্মমন্ত্রী

সর্বশেষ সংবাদ

তৃণমূলে হতাশা, দেশে ফেরার আহ্বান বড় নেতাদের

তৃণমূলে হতাশা, দেশে ফেরার আহ্বান বড় নেতাদের

বুশ-ওবামা-বাইডেনর না, ট্রাম্প রাজি হামলায়- জন কেরি

বুশ-ওবামা-বাইডেনর না, ট্রাম্প রাজি হামলায়- জন কেরি

ভূগর্ভে লুকানো ইরানের হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার

ভূগর্ভে লুকানো ইরানের হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার

ইরানের জব্দ বিপুল পরিমাণের সম্পদ ছাড়ে বাধ্য হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র !

ইরানের জব্দ বিপুল পরিমাণের সম্পদ ছাড়ে বাধ্য হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র !

ইসলামাবাদে মার্কিন প্রতিনিধি দল, যুদ্ধবিরতির আলোচনা জোরদার

ইসলামাবাদে মার্কিন প্রতিনিধি দল, যুদ্ধবিরতির আলোচনা জোরদার

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

জুড়ীতে হলুদ তরমুজে কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা, গণমাধ্যমকর্মীর সাফল্য

জুড়ীতে হলুদ তরমুজে কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা, গণমাধ্যমকর্মীর সাফল্য

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে হলুদ রঙের তরমুজ চাষ করে আলোচনায় এসেছেন তরুণ উদ্যোক্তা খোর্শেদ আলম। উপজেলার গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ডোমাবাড়ী গ্রামের এই উদ্যমী কৃষক আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নতুন জাতের তরমুজ চাষে সফলতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। ফলে জেলাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ ও সাড়া। লালতীর কোম্পানির উদ্ভাবিত এবং চীন থেকে আমদানিকৃত নতুন জাতের এই হলুদ তরমুজ দেখতে আকর্ষণীয় ও

হাকিমপুরে প্রথমবার ক্যাপসিকাম চাষে সফল, দামে হতাশ কৃষকরা

হাকিমপুরে প্রথমবার ক্যাপসিকাম চাষে সফল, দামে হতাশ কৃষকরা

দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে বিদেশি সবজি ক্যাপসিকাম চাষ করে সফল হয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। কম সময়ে উৎপাদন এবং ভালো ফলনের কারণে কৃষকরা এ সবজি চাষে আগ্রহী হলেও বড় শহরের তুলনায় স্থানীয় বাজারে দাম কম থাকায় তারা কিছুটা হতাশা প্রকাশ করেছেন। ক্যাপসিকাম চাষি গাউসুল আজম বলেন, “আমি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী। পড়াশোনা শেষ করার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ফসল চাষ করি।

অনলাইনের বীজে জিরা চাষে সাফল্য, বদলাচ্ছে সীমান্তের কৃষি

অনলাইনের বীজে জিরা চাষে সাফল্য, বদলাচ্ছে সীমান্তের কৃষি

দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলা-এর সাতকুড়ী গ্রামে নতুন ফসল হিসেবে জিরা চাষ করে সফলতা পেয়েছেন কৃষক হামিদুর রহমান। অনলাইনে বীজ সংগ্রহ করে তিনি প্রথমবার ২ শতাংশ জমিতে চাষ করে প্রায় সাড়ে তিন কেজি জিরা উৎপাদন করেছেন। হামিদুর রহমান জানান, তাদের এলাকায় আগে কখনো জিরা চাষ হয়নি। নতুন উদ্যোগ হিসেবে শুরু করলেও ভালো ফলন তাকে আরও উৎসাহিত করেছে। তিনি বলেন, তার উৎপাদিত জিরার সুগন্ধ

কম খরচে বেশি লাভ, শ্রীমঙ্গলে মৌরিতে বদলাচ্ছে কৃষকের ভাগ্য

কম খরচে বেশি লাভ, শ্রীমঙ্গলে মৌরিতে বদলাচ্ছে কৃষকের ভাগ্য

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার সিন্দুরখান ইউনিয়নের লাহারপুর গ্রামে মসলা জাতীয় ফসল মৌরি চাষে লাভের নতুন স্বপ্ন বুনছেন কৃষক জয় চন্দ্র দেব। সুগন্ধি ও ঔষধিগুণে সমৃদ্ধ এই ফসলের চাহিদা বাড়ায় চলতি মৌসুমে ভালো ফলনের আশায় উচ্ছ্বসিত তিনি। সরেজমিনে দেখা গেছে, লাহারপুর গ্রামের মাঠজুড়ে এখন মৌরি ফুলের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। বাতাসে ভাসছে এর সুগন্ধ। স্থানীয়ভাবে এই ফসল কোথাও ‘গুয়ামুরি’, আবার কোথাও ‘মহুরি’ নামে পরিচিত। গাছ

‘হানিকুইন’ আনারস চাষে বাজিমাত তরুন আতর আলীর

‘হানিকুইন’ আনারস চাষে বাজিমাত তরুন আতর আলীর

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে মিষ্টি ও রসালো ‘হানিকুইন’ আনারস চাষ করে সাফল্যের নজির স্থাপন করেছেন সদর ইউনিয়নের ডলুছড়া গ্রামের তরুণ উদ্যোক্তা মো. আতর আলী। পাহাড়ি টিলাভূমিতে আধুনিক কৃষি পদ্ধতি ব্যবহার করে তিনি এখন স্থানীয় কৃষকদের কাছে অনুপ্রেরণার নাম হয়ে উঠেছেন। চাষি আতর আলী জানান, ডলুছড়া এলাকার পাহাড়ি জমিতে এবার তিনি মোট ৩৫ একর জমিতে ‘হানিকুইন’ আনারস ও লেবুর চাষ করেছেন। এর মধ্যে প্রায়