সরেজমিনে দেখা যায়, বাগানের আমগুলো দেখতে যেমন আকর্ষণীয়, তেমনি রয়েছে বিরল সব জাতের সংগ্রহ। আলফানসো, আমেরিকান কেন্ট, হিমসাগর, চেংমাই, পাকিস্তানি চোষ, আমেরিকান পালমা, সামার বেহেস্ত, সূর্য ডিম, নাচ-১, নাচ-২, নাচ-৩, বৈশাখী, বান্দি নুড়ি, গৌরমতি, কটিমন, থাই কাছা মিটা, কুনাই, বাউ-৩, বারি-১১, নাম ডকমাই, হাড়িভাঙ্গা, ব্ল্যাকস্টোন, মহাচনক, কিউজাই, ব্রুনাই কিং, ব্যানানা, আম্রপালি, হানিডিউ, বারি-৪, ঝাই সাই, ন্যাম ডকমাই ইয়েলো, ন্যাম ডকমাই মুন, সীতাভোগ, অম্বিকা, ভ্যালেন্সিয়া প্রাইড, অস্টিন, সাদা পুনাই, সি-মুয়াং ও সারেংগাসহ অসংখ্য জাতের আম এবার ফল দিয়েছে।
শুধু আম নয়, বাগানজুড়ে রয়েছে ২০ জাতের আঙুর, ১০ জাতের কমলা, ৭ জাতের ড্রাগন ফল, আফ্রিকান পিচ, তুর্কি মালবেরি, রামবুটান, ফিলিপাইন আখ, মিরাকেল বেরি, লুকাট, ত্বীন, সালাক, পার্সিমন, কাজুবাদাম, শরিফা, আতাফল, মালটা, নাশপাতি, ব্রাজিলিয়ান পেয়ারা, ব্ল্যাকবেরি, রোজ জাম, হানি কুমকোয়াটসহ অসংখ্য বিদেশি ফলের গাছ। বিশেষ আকর্ষণ ইন্দোনেশিয়া থেকে আনা ‘হানি কাপোর্ড’ ও ‘চুপাচোপা’ ফল। রেজাউল জানান, হানি কাপোর্ড দেখতে অনেকটা লিচুর মতো হলেও পাকলে জেলির মতো হয়ে যায়। অন্যদিকে চুপাচোপা মিষ্টি স্বাদের জন্য বিশেষ পরিচিত।
বাগানের একাংশে পরিবারের চাহিদা মেটাতে বিট, চাইনিজ গাজর, কালো টমেটো, লাল মুলা, স্ট্রবেরি টমেটো, চেরি টমেটো, ক্যাপসিকাম ও বিভিন্ন জাতের মরিচও চাষ করা হচ্ছে।
রেজাউল করিম জানান, ২০১৭ সালে শখের বশে দেশ-বিদেশ থেকে আমের চারা সংগ্রহ করে বাগান শুরু করেন। বর্তমানে এটি দুই একর জমিতে বিস্তৃত। তিনি ভারতসহ বিভিন্ন দেশ থেকে চারা এনে সংগ্রহ সমৃদ্ধ করেছেন এবং ভবিষ্যতে আরও নতুন জাত যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।