ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান হামলা নবম দিনে গড়িয়েছে। এই সংঘাতের জেরে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। এরই মধ্যে ইরান বিভিন্ন দেশে পাল্টা হামলা শুরু করেছে, যার মধ্যে সৌদি আরবও রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রিয়াদ স্পষ্টভাবে তেহরানকে জানিয়েছে, তারা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সংঘাতের কূটনৈতিক সমাধান চায়। তবে ইরান যদি সৌদি ভূখণ্ড বা জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা অব্যাহত রাখে, তাহলে সৌদি আরবও
ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলা নবম দিনে গড়িয়েছে। এরই মধ্যে দেশটির উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ জব্দ করতে ইরানে বিশেষ বাহিনী পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস। রোববার (৮ মার্চ) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল ও মার্কিন প্রশাসনের মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ঠেকাতে সম্ভাব্য একটি বিশেষ কমান্ডো অভিযান নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এই অভিযানে শুধু মার্কিন বিশেষ বাহিনী,
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল নিয়ে অস্থিরতার মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত জানিয়েছে ইরান। দেশটি বলেছে, হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ করা হয়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের মিত্র দেশগুলোর জাহাজকে এই প্রণালি দিয়ে চলাচল করতে দেওয়া হবে না। ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর এলিট শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জলপথ হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল, ইউরোপীয় দেশগুলো এবং তাদের
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে ইরান। এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ। বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলার ফলে জর্ডানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের দুর্বলতা তৈরি হয়েছে। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ফাউন্ডেশন ফর ডিফেন্স অব ডেমোক্রেসিসের সেন্টার অন মিলিটারি অ্যান্ড পলিটিক্যাল পাওয়ারের উপপরিচালক রায়ান ব্রবস্ট বলেন, ‘থাড রাডারের ওপর
ইরান থেকে ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে শুক্রবার মধ্যরাত থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত ইসরায়েলের লাখ লাখ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র বা বাংকারে অবস্থান করতে হয়েছে। ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি, এ সময়ের মধ্যে ইরান থেকে অন্তত পাঁচটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের দিকে ছোড়া হয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্কবার্তা পাওয়ার পর দেশটির বিভিন্ন শহরে সাইরেন বাজানো হয় এবং জনগণকে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাওয়ার
প্রথমবারের মতো সৌদি আরবের একটি তেলের খনি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। তবে সৌদি প্রতিরক্ষা বাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হামলার আগেই সব ড্রোন ধ্বংস করে দেয় বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, সৌদি আরবের শায়েবাহ তেল খনি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছিল। তবে সৌদির এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম তা
ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক অভিযান অষ্টম দিনে গড়িয়েছে। শনিবার (৭ মার্চ) পর্যন্ত দেশ দুটি ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা ও কৌশলগত অবকাঠামোর ওপর ব্যাপক হামলা অব্যাহত রেখেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, ইরান পুরোপুরি আত্মসমর্পণ না করা পর্যন্ত এই যুদ্ধ চলবে। এ পরিস্থিতির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট নতুন করে ভয়াবহ বার্তা দিয়েছেন। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে
মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে প্রকম্পিত হয়ে উঠল ইরানের শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রের গর্জনে। ইসরায়েলের বাণিজ্যিক রাজধানী তেল আবিবসহ দেশটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, চলমান ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’-এর ২১তম ধাপের অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে। এই অভিযানে বিশেষভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে তেল আবিবের কেন্দ্রস্থলকে, যেখানে ইরানের অত্যাধুনিক
ইরানের সামরিক বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী মোহাম্মদ নাইনি জানিয়েছেন, ইরান দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। তিনি বলেন, “এর জন্য আমরা কিছু নতুন অস্ত্র আলাদাভাবে তুলে রেখেছি। এসব এখনও বড় মাত্রায় ব্যবহার করা হয়নি। নতুন অস্ত্রগুলো শত্রুদের গুরুতর ও যন্ত্রণাদায়ক প্রতিশোধ দেবে। বর্তমানে সেগুলো পাইপলাইনে আছে এবং যথাসময়ে ব্যবহার করা হবে।” বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো ইসরায়েলকে
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে প্রথম ১০০ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে বলে এক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিস প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধের প্রথম পর্যায়ে সাধারণত অত্যাধুনিক ও ব্যয়বহুল অস্ত্র এবং গোলাবারুদ ব্যবহার করা হয়। ফলে সংঘাতের শুরুর সময় সামরিক ব্যয়ের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি
ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধের সপ্তম দিনে রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে ভয়াবহ ও নজিরবিহীন বিমান হামলা চালানো হয়েছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) ভোররাত থেকে শুরু হওয়া এই বোমাবর্ষণকে যুদ্ধ শুরুর পর এখন পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী ও তীব্র আক্রমণ বলে উল্লেখ করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা। আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি তৌহিদ আসাদি জানান, পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব তেহরানে মুহুর্মুহু বিস্ফোরণের শব্দে গোটা শহর কেঁপে উঠছে। বিস্ফোরণের
মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ডস (আইআরজিসি)। তবে এ দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা Tasnim News Agency–এর বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে। তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের অভিজাত সামরিক বাহিনী Islamic Revolutionary Guard Corps দাবি করেছে যে তারা দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি দুই আসনের
ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধ বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ষষ্ঠ দিনে গড়িয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সংঘাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে মার্কিন মদদপুষ্ট কুর্দি যোদ্ধাদের অংশগ্রহণ। ইতোমধ্যে হাজার হাজার কুর্দি যোদ্ধা ইরানের সীমান্ত অতিক্রম করে দেশটির ভেতরে স্থল অভিযান শুরু করেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য জেরুজালেম পোস্ট ও মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরাক-ইরান সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে
শ্রীলঙ্কার উপকূলের কাছে একটি ইরানি জাহাজে সাবমেরিন হামলায় অন্তত ১০১ জন নিখোঁজ, একজন নিহত এবং ৭৮ জন আহত হয়েছেন বলে শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্র বুধবার জানিয়েছে। হামলাটি কারা চালিয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনীর এক মুখপাত্র জানান, জাহাজটি এখন ডুবে গেছে। তবে তিনি ১০১ জন নিখোঁজ থাকার খবরটি কিছুটা সংশোধন করে বলেন, আহতদের মধ্যে ৩২ জনকে উদ্ধার করে
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানের তীব্র সমালোচনা করে অবিলম্বে হামলা বন্ধের দাবি জানিয়েছে মস্কো ও বেইজিং। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী Sergey Lavrov স্পষ্ট জানিয়েছেন, তেহরান পারমাণবিক বোমা তৈরি করছে—এমন কোনো প্রমাণ মস্কোর কাছে নেই। মস্কোতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ল্যাভরভ সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই যুদ্ধের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে হিতে বিপরীত পরিস্থিতি
ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত আরও ১০ দিন স্থায়ী হলে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত বিপজ্জনক পর্যায়ে নেমে আসতে পারে—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর Pentagon। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের চতুর্থ দিনে পেন্টাগনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা প্রেসিডেন্ট Donald Trump-কে সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে অবহিত করেছেন। ফাঁস হওয়া তথ্যানুযায়ী, বিশেষ করে ইন্টারসেপ্টর বা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থার সংকট সবচেয়ে প্রকট হতে পারে। জয়েন্ট
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোকে যুক্ত না হওয়ার বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। মঙ্গলবার তেহরানে এক সংবাদ সম্মেলনে এ সতর্কবার্তা দেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। সম্প্রতি জার্মানি, ব্রিটেন ও ফ্রান্স ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ সক্ষমতা ধ্বংসের লক্ষ্যে ‘প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা’ নেওয়ার সম্ভাবনার কথা জানায়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই তেহরান এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে। সংবাদ সম্মেলনে বাঘাই বলেন, “এটি যুদ্ধের শামিল
ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, শত্রুদের ওপর যথেষ্ট চাপ আসার আগ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জলপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকবে। আইআরজিসির বর্তমান শীর্ষ কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এব্রাহিম জাবারি সোমবার রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে বলেন, “বর্তমানে (অপরিশোধিত) তেলের দাম ৮১ ডলারে পৌঁছেছে। অল্প সময়ের মধ্যেই এটি ২০০ ডলারে পৌঁছাবে, কারণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ রয়েছে।
ওমান উপসাগরে টহলরত ইরানের নৌবাহিনীর ১১টি যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টকোম। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “দু’দিন আগেও ওমান উপসাগরে ইরানের ১১টি যুদ্ধজাহাজ টহল দিয়ে বেড়াচ্ছিল। গতকাল সোমবার সবগুলোকে ধ্বংস করা হয়েছে। বর্তমানে ওমান উপসাগরে ইরানের কোনো যুদ্ধজাহাজ নেই।” সেন্টকোম আরও দাবি করে, গত কয়েক
টানা চারদিন ধরে ইরান–এর বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র অতর্কিত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরানও। এ যুদ্ধ শুরুর পর আন্তর্জাতিক মহলে গুঞ্জন ওঠে—চীন নাকি ইরানকে সামরিক সহায়তা দিচ্ছে। তবে এমন দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে চীন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা–এর লাইভ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। সেখানে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই–কে ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ বা সামরিক সহযোগিতার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু-এর কার্যালয় এবং দেশটির বিমানবাহিনীর কমান্ডারের অবস্থান লক্ষ্য করে ‘খাইবার’ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে আকস্মিক হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। সোমবার (২ মার্চ) আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগ এক বিবৃতিতে এ দাবি করে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘জায়নবাদী শাসনের অপরাধী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং শাসনব্যবস্থার বিমানবাহিনীর প্রধানের সদরদপ্তর লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।’ তবে হামলার ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বা হতাহতের
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-এর যৌথ সামরিক অভিযানে নিহতের সংখ্যা ৫৫০ ছাড়িয়ে গেছে। দেশটির ইরান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি নিশ্চিত করেছে, এখন পর্যন্ত অন্তত ৫৫৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। মেহর নিউজ এজেন্সি স্থানীয় কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ফার্স প্রদেশ-এ অন্তত ৩৫ জন নিহত হয়েছেন। কয়েকদিন ধরে চলা বিমান হামলায় একের পর এক জনপদ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে। রেড ক্রিসেন্টের
ইরান ও ইসরায়েল-এর মধ্যকার সংঘাত চরম ও বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। আল জাজিরা ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ইরান থেকে নতুন করে ঝাঁকে ঝাঁকে মিসাইল ইসরায়েলের দিকে ধাবিত হচ্ছে এবং দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেগুলো প্রতিহত করতে কাজ করছে। নাগরিকদের সতর্ক সংকেত পেলেই নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই উত্তেজনার প্রভাব আঞ্চলিক আকাশপথেও পড়েছে। কাতার এয়ারওয়েজসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক বিমান
মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে কুয়েত-এর আকাশসীমায় ইরানের মিসাইলের আঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি F-15 Eagle ফাইটার জেট বিধ্বস্ত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার (২ মার্চ) দুপুর ১২টা নাগাদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, আকাশে উড়ন্ত যুদ্ধবিমানটি হঠাৎ আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে নিচে আছড়ে পড়ে। ভিডিও ফুটেজে অন্তত একজন পাইলটকে প্যারাসুটের মাধ্যমে নিরাপদে ইজেক্ট করতে দেখা গেছে। তবে United States Armed Forces এখনো