শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬৩১ শ্রাবণ, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

কারও বিপদ হলে ‘আল্লাহ বিচার করেছেন’ বলা যাবে কি?

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১২ মার্চ ২০২৩, ১৭:২

শেয়ার করুনঃ
কারও বিপদ হলে ‘আল্লাহ বিচার করেছেন’ বলা যাবে কি?

কখনো কখনো মানুষের বালা-মুসিবত, বিপদ-আপদ এবং জটিল ও কঠিন রোগব্যাধি হয়। কিন্তু মানুষের এসব রোগ-ব্যাধি বা বিপদ হলে এটাকে ‘আল্লাহর বিচার বা অভিশাপ’ হিসেবে মন্তব্য করা যাবে কি?

না, সুনির্দিষ্টভাবে কাউকে উদ্দেশ্য করে এ কথা বলা যাবে না। কেউ অসুস্থ হলে বা কঠিন বিপদের মুখোমুখি হলে ‘আল্লাহ নাফরমানির বিচার করেছেন’ এ কথা বলা যাবে না। কেননা কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যক্তির অসুস্থতা বা বিপদের বিষয়টি ঐশী বাণী কোরআন বা হাদিস দ্বারা প্রমাণিত নয়।

আরও

লন্ডনে আল্লামা দুবাগী (রহ.)-এর ষষ্ঠ ঈসালে সাওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠিত

লন্ডনে আল্লামা দুবাগী (রহ.)-এর ষষ্ঠ ঈসালে সাওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠিত

কোরআন-সুন্নাহর আলোকে ইসলামিক স্কলারদের মত হলো- নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বিপদে আক্রান্ত হলে, তার ব্যাপারে এভাবে সিদ্ধান্ত দেওয়া যাবে না যে, অমুক কাজটির কারণেই তার এমন হয়েছে। কারণ এটি অজানা বিষয়। আল্লাহ তো আমাদের বলেননি যে, অমুক লোককে অমুক অপরাধের কারণে ওই শাস্তিটি দিয়েছি। তাই, এমনটি করা থেকে সতর্ক থাকতে হবে।

কোরআন-সুন্নাহর সতর্কতা

আরও

জুমার দিনের ইবাদত মুমিনের আত্মশুদ্ধির অন্যতম শ্রেষ্ঠ সুযোগ

জুমার দিনের ইবাদত মুমিনের আত্মশুদ্ধির অন্যতম শ্রেষ্ঠ সুযোগ

কঠিন রোগ-ব্যাধি ও বিপদ-আপদ সম্পর্কে কোরআন-সুন্নাহর বক্তব্য সুস্পষ্ট। আল্লাহ তাআলা মানুষকে তার অন্যায়-অপরাধের কারণে শাস্তি দেন যেমন সত্য, তেমনি অনেককে তিনি পরীক্ষা করার জন্যও রোগশোক, বিপদ-আপদ দিয়ে থাকেন। উভয় ব্যাপারে কোরআন ও সুন্নায় সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেওয়া আছে। আল্লাহ তাআলা মানুষকে পরীক্ষা করার বিষয়ে কুরআনে পাকে উল্লেখ করেন-

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

https://enews71.com/storage/ads/01KTB48CFAEJRYTN4T9G053ER9.png

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

وَ لَنَبۡلُوَنَّکُمۡ بِشَیۡءٍ مِّنَ الۡخَوۡفِ وَ الۡجُوۡعِ وَ نَقۡصٍ مِّنَ الۡاَمۡوَالِ وَ الۡاَنۡفُسِ وَ الثَّمَرٰتِ ؕ وَ بَشِّرِ الصّٰبِرِیۡنَ الَّذِیۡنَ اِذَاۤ اَصَابَتۡهُمۡ مُّصِیۡبَۃٌ ۙ قَالُوۡۤا اِنَّا لِلّٰهِ وَ اِنَّاۤ اِلَیۡهِ رٰجِعُوۡنَ

‘‌নিশ্চয় আমি তোমাদেরকে কিছু ভয় ও ক্ষুধা দ্বারা এবং কিছু ধন-সম্পদ-প্রাণ ও ফলের ক্ষতির মাধ্যমে পরীক্ষা করব। আর আপনি ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দিন। যারা তাদের ওপর কোনো বিপদ-আপদ আসে; তখন তারা বলে, নিশ্চয় আমরা আল্লাহর জন্য এবং নিশ্চিতভাবে তার দিকেই ফিরে যাব।' (সুরা বাকারা : আয়াত ১৫৫-১৫৬)

আর এ সব কঠিন বিপদে ওই বান্দা সবর করার পাশাপাশি ‘ইন্না লিল্লাহ’ পড়ে এবং আল্লাহর দরবারে মুসিবতের ধরণ অনুযায়ী সওয়াবের আশা করে। আল্লাহ তাআলা তাকে যে মুসিবতে আক্রান্ত করেন, তা সে মেনে নেয়। আর তখনই সে বান্দার জন্য বিপদ পরিমাণ সন্তুষ্টি ও পরিপূর্ণ সওয়াব নির্ধারিত হবে। হাদিসে পাকে এসেছে-

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘নিশ্চয় বড় পুরষ্কার বড় মুসিবত তথা বিপদের বিনিময়ে পাওয়া যায়। আর নিশ্চয়ই আল্লাহ যখন কোনো জাতিকে ভালোবাসেন তখন তার ওপর বিপদাপদ চাপিয়ে দেন। সুতরাং (বিপদের সময়) যে সন্তুষ্ট হবে, তার জন্য সন্তুষ্টি থাকবে; আর যে অসন্তুষ্ট হবে, তার জন্য (আল্লাহর পক্ষ থেকে) অসন্তুষ্টিই থাকবে।’ (তিরমিজি)

হজরত আবু সাঈদ খুদরি ও হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মুসলিম ব্যক্তির ওপর যেসব যাতনা রোগ ব্যধি উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দুঃশ্চিন্তা কষ্ট ও পেরেশানি আপতিত হয়। এমন কি যে কাটা তার দেহে বিদ্ধ হয় এ সবের দ্বারা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন। (বুখারি)

নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেন, ‘কোনো মুসলিম যখন কোনো কষ্টের মুখোমুখি হয়, তখন আল্লাহ তাআলা তার গোনাহগুলো এমনভাবে ঝেড়ে ফেলে দেন, যেমন গাছের পাতাগুলো ঝরে যায়।’ (বুখারি ও মুসলিম)

আবার মানুষের কৃতকর্মের জন্য তাদের ওপর বিপদ-আপদ নেমে আসে এ সম্পর্কেও কোরআন-সুন্নায় সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা রয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন-

ظَهَرَ الۡفَسَادُ فِی الۡبَرِّ وَ الۡبَحۡرِ بِمَا کَسَبَتۡ اَیۡدِی النَّاسِ لِیُذِیۡقَهُمۡ بَعۡضَ الَّذِیۡ عَمِلُوۡا لَعَلَّهُمۡ یَرۡجِعُوۡنَ

মানুষের কৃতকর্মের দরুন জলে-স্থলে বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়েছে; যাতে ওদের কোনো কোনো কর্মের শাস্তি ওদের আস্বাদন করানো হয়। যাতে ওরা (সৎপথে) ফিরে আসে।’ (সুরা রূম : আয়াত ৪১)

হাদিসে পাকে কিছু অন্যায়ের সুস্পষ্ট শাস্তির কথা এভাবে ওঠে এসেছে-

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg

হজরত ইমরান ইবনু হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘এই উম্মতের জন্য (আজাব হিসেবে) ভূমিধ্বস, চেহারা বিকৃতি এবং পাথরবর্ষণ ঘটবে।’ এক ব্যক্তি প্রশ্ন করলো, হে আল্লাহর রাসুল! এগুলো কখন হবে? তিনি বলেন, ‘যখন (গায়ক) গায়িকা ও বাদ্যযন্ত্র বিস্তৃতি লাভ করবে এবং মদ্যপানের সয়লাব হবে।’ (তিরমিজি ২২১২)

তাই কোনো ব্যক্তিকে আক্রমণ করে বা দোষারোপ করে ‘আল্লাহর বিচার’ বলে আখ্যায়িত করা যাবে না। এভাবে ব্যক্তি বিশেষের অসুস্থতা ও বিপদের উপর কোরআন-সুন্নাহর প্রয়োগ করা গর্হিত কাজ। এটা কখনও আল্লাহর পক্ষ থেকে শাস্তি হিসেবে আবার কখনও পরীক্ষা হিসেবেও আসতে পারে। আল্লাহ অনেক সময় বান্দাকে বড় ধরনের বিপদে ফেলে তার গুনাহ ক্ষমা করেন, তার মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।

বিপদ থেকে বেঁচে থাকার দোয়া

নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুনিয়ার যাবতীয় বিপদ ও মুসিবতে আল্লাহর দরবারে ধরণা দিতে শিখিয়েছেন। হাদিসে এসেছে-‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যখন কোনো মুসলিম ভাই মুসিবতে আক্রান্ত হয়; তারপর আল্লাহ তাকে যে নির্দেশ দিয়েছেন তা বলে-

اِنَّا لِلَّهِ وَ اِنَّا اِلَيْهِ رَاجِعُوْنَ – اَللَّهُمَّ اَجِرْنِىْ فِىْ مُصِيْبَتِىْ وَ اَخْلِفْ لِىْ خَيْرًا مِنْهَا

উচ্চারণ : ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আল্লাহুম্মা আজিরনি ফি মুসিবাতি ওয়া আখলিফলি খাইরাম মিনহা।’

অর্থ : ‘আমরা আল্লাহর জন্য এবং আল্লাহর দিকেই ফিরে যাব। হে আল্লাহ! তুমি আমাকে আমার মুসিবতে সাওয়াব দান কর, আর আমার জন্য এর চেয়ে উত্তম বদলা দাও!।’

তাহলে আল্লাহ তাআলা তাকে আগের তুলনায় উত্তম প্রতিদান এবং বদলা দান করবেন।’অনুরূপভাবে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুমিন বান্দাকে আরও শিখিয়েছেন যে, যখন সে কোনো বিপদগ্রস্ত লোককে দেখবে, তখন এ দোয়া করবে-

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِىْ عَافَانِىْ مِمَّا ابْتَلَاكَ بِهِ – وَ فَضَّلَنِىْ عَلَى كَثِيْرٍ مِّمَنْ خَلَقَ تَفْضِيْلَا

উচ্চারণ : আলহামদুলিল্লাহিল্লাজি আফানি মিম্মানিবতালাকা বিহি; ওয়া ফাদ্দালানি আলা কাছিরিম মিম্মান খালাকা তাফদিলা।’

অর্থ : সব প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি তোমাকে বিপদাক্রান্ত করেছেন; তা থেকে আমাকে নিরাপদ রেখেছেন এবং আমাকে তিনি তার মাখলুক থেকে মাখলুকের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন।’

তখন তাকে এ মুসিবত কখনো স্পর্শ করবে না।’ (তিরমিজি)

আল্লাহ তাআলা দুনিয়ার প্রতিটি ঘটনা, অসুস্থতা ও বিপদ-আপনকে মুসলিম উম্মাহর হেদায়েতের উপলক্ষ হিসেবে কবুল করুন। সবাইকে দ্বীনের সঠিক বুঝ দান করুন। সবাইকে সদা সুস্থ রাখুন এবং ঈমানের উপর মৃত্যু দিন। আমিন।

জনপ্রিয় সংবাদ

মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের আর সুযোগ দেবে না জনগণ: রিজভী

মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের আর সুযোগ দেবে না জনগণ: রিজভী

সিলেটের বাসায় স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার

সিলেটের বাসায় স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার

হরমুজ নিয়ে অনিশ্চয়তায় বিশ্ববাজারে ঊর্ধ্বমুখী জ্বালানি তেলের দাম

হরমুজ নিয়ে অনিশ্চয়তায় বিশ্ববাজারে ঊর্ধ্বমুখী জ্বালানি তেলের দাম

হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে, দাবি ট্রাম্পের

হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে, দাবি ট্রাম্পের

বুধবার পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ, অন্ধকারে ঢাকবে পৃথিবীর যেসব অঞ্চল

বুধবার পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ, অন্ধকারে ঢাকবে পৃথিবীর যেসব অঞ্চল

সর্বশেষ সংবাদ

সামিট টার্মিনাল চালু, জাতীয় গ্রিডে ফিরল গ্যাস সরবরাহ

সামিট টার্মিনাল চালু, জাতীয় গ্রিডে ফিরল গ্যাস সরবরাহ

উপকূলে ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৩ নম্বর সংকেত বহাল

উপকূলে ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৩ নম্বর সংকেত বহাল

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম জয়ের স্বপ্নে এগিয়ে বাংলাদেশ দল

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম জয়ের স্বপ্নে এগিয়ে বাংলাদেশ দল

ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, ধসে পড়ল বহু ভবন

ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, ধসে পড়ল বহু ভবন

হরমুজকে মার্কিন ভূখণ্ড ঘোষণার হুমকি, ইরানের কড়া জবাব

হরমুজকে মার্কিন ভূখণ্ড ঘোষণার হুমকি, ইরানের কড়া জবাব

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

জুমার দিনে মুমিনের জন্য বিশেষ রহমত ও বরকত

জুমার দিনে মুমিনের জন্য বিশেষ রহমত ও বরকত

ইসলাম ধর্মে জুমার দিনটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ। প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার মুসলমানদের জন্য বিশেষ ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুযোগ নিয়ে আসে। এ দিনকে কেন্দ্র করে মুসলিম সমাজে নামাজ, দোয়া, কোরআন তিলাওয়াত ও নেক আমলের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। জুমার দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো জুমার নামাজ আদায় করা। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ মুসলমানদের জন্য জুমার নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা

সবর ও তাওয়াক্কুলে মুমিনের শক্তি

সবর ও তাওয়াক্কুলে মুমিনের শক্তি

জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত মানুষের জন্য পরীক্ষা। কখনো সুখ, কখনো দুঃখ, কখনো সাফল্য আবার কখনো ব্যর্থতার মধ্য দিয়ে মানুষকে পথ চলতে হয়। ইসলামে এসব পরিস্থিতিতে একজন মুমিনের অন্যতম বড় শক্তি হলো সবর বা ধৈর্য এবং আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল বা ভরসা রাখা। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।’ এই ঘোষণা একজন মুমিনের জন্য বড় আশ্বাস। কঠিন সময়ে মানুষ যখন নিজেকে

ঈমানের দৃঢ়তা মুমিনের জীবনে এনে দেয় প্রকৃত শান্তি

ঈমানের দৃঢ়তা মুমিনের জীবনে এনে দেয় প্রকৃত শান্তি

ইসলামে ঈমান মানুষের বিশ্বাস, চিন্তা ও জীবনযাপনের মূল ভিত্তি। ঈমান বলতে আল্লাহর প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস এবং তাঁর নির্দেশিত সত্য বিষয়গুলো অন্তর থেকে গ্রহণ করাকে বোঝায়। একজন মুসলমানের জীবনে ঈমান শুধু মুখের স্বীকৃতি নয়; বরং অন্তরের বিশ্বাস, মুখের স্বীকারোক্তি এবং সেই বিশ্বাস অনুযায়ী কাজের মাধ্যমে এর প্রকাশ ঘটে। ইসলামের মৌলিক আকিদার মধ্যে রয়েছে একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করা এবং তাঁর সঙ্গে কাউকে শরিক

জুমার দিনের বিশেষ আমলে রহমত বরকত ক্ষমার অশেষ সুযোগ

জুমার দিনের বিশেষ আমলে রহমত বরকত ক্ষমার অশেষ সুযোগ

ইসলামে জুমার দিনকে সপ্তাহের সর্বশ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। পবিত্র কোরআন ও সহিহ হাদিসে জুমার দিনের মর্যাদা, গুরুত্ব এবং বিশেষ কিছু আমলের কথা উল্লেখ রয়েছে। ইসলামি চিন্তাবিদরা বলছেন, এই দিনে আন্তরিকতার সঙ্গে ইবাদত করলে আল্লাহর রহমত, ক্ষমা ও অশেষ সওয়াব লাভের সুযোগ সৃষ্টি হয়। ধর্মীয় সূত্রে জানা যায়, জুমার দিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো সময়মতো গোসল করা, পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিধান

ফজরের নামাজের উপকারিতা ও ফজিলত

ফজরের নামাজের উপকারিতা ও ফজিলত

নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা’দ” প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আজ আমি আপনাদের হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী, আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই, ফজরের নামাজের উপকারিতা ও ফজিলত নিয়ে, সেই সম্পর্কে নিম্নে সংকিপ্ত আকারে আলোচনা তুলে ধরছি, “ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ” ঈমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নামাজ। নামাজ ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ।  মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে আমাদের প্রিয় নবী রাসূলুল্লাহ