
প্রকাশ: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ৪:৩৯

উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাটে শিলাবৃষ্টি হয়েছে। সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে হঠাৎ বৃষ্টির সঙ্গে শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। এতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
লালমনিরহাটের ৫ উপজেলায় ফাল্গুনের শিলাবৃষ্টিতে আলুসহ নানা উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ফাল্গুন মাসে আলু, সরিষা, গম ও তামাক উত্তোলনের মৌসুম শুরু হয় লালমনিরহাটে। অনেকেই এসব ফসল ঘরে তুলতে শুরু করেছেন। এমন সময় সোমবার বিকেলে হঠাৎ জেলার আকাশ কালো মেঘে ছেয়ে যায়। শুরু হয় মেঘের গর্জন। এরপর মাঝারি আকারের শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। চলে কয়েক মিনিট। তবে জেলার পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা উপজেলায় শিলাবৃষ্টি না হলেও কালীগঞ্জ উপজেলায় ব্যাপক ক্ষতি করেছে শিলাবৃষ্টি। আদিতমারী ও সদর উপজেলার আংশিক শিলাবৃষ্টির কবলে পড়ে।
তিস্তাচরের কৃষক মতিবর আলী বলেন, চলতি মৌসুমে পেঁয়াজ বীজের খেতে প্রথমে পরাগায়ন সংকট দেখা দেয়। পরে ১২ হাজার টাকা খরচ করে খেতে মৌমাছির কৃত্রিম বাসা তৈরি করে এ সমস্যার কিছুটা সমাধান করলেও দুই দফা ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে খেত লন্ডভন্ড হয়ে যায়। এখন খেত থেকে ১০ কেজি বীজও পাব কিনা, তা নিয়ে শঙ্কায় আছি।

তিনি আরও বলেন, এ বছর টাকা খরচ করেছি। নিয়মিত পরিচর্যায় জমিতে পেঁয়াজের থোকাও হয়েছিল বেশ ভালো। তামাকও বেশ ভালো হয়েছিল। কিন্তু শিলাবৃষ্টিতে পুরো খেত নষ্ট হয়ে গেছে। এতে তার ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন এই কৃষক।
লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শামীম আশরাফ বলেন, হঠাৎ করে ফাল্গুন মাসে শিলাবৃষ্টিতে উঠতি আলু, সরিষা, গম ও তামাকসহ মাঠে থাকা নানা ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা করছি। তালিকা করলে ক্ষতির পরিমাণ বুঝা যাবে।