রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬১৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

বিশেষ প্রতিবেদনকৃষি

মৌলভীবাজারে হাইব্রিড আবাদে ঝুঁকছেন কৃষকরা, হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় ধান

এহসান বিন মুজাহির
এহসান বিন মুজাহির মৌলভীবাজার, জেলা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৬

শেয়ার করুনঃ
মৌলভীবাজারে হাইব্রিড আবাদে ঝুঁকছেন কৃষকরা, হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় ধান

হাইব্রিড ও উচ্চফলনশীল ধানের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে মৌলভীবাজার জেলায় ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় অসংখ্য জাতের বহুমাত্রিক ধান। এক সময় জেলার গ্রামাঞ্চলে দেশি ও স্থানীয় বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের ধানের ব্যাপক চাষাবাদ হলেও বর্তমানে আমন, বোরো ও আউশ মৌসুমে এসব ধানের চাষ প্রায় বিলুপ্তির পথে।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, তিন দশক আগেও জেলায় প্রায় সত্তর প্রজাতির স্থানীয় ধানের চাষ হতো। বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ২০ থেকে ২৫ প্রজাতিতে। খাদ্যের বাড়তি চাহিদা, কৃষিজমি কমে যাওয়া, জমির উর্বরতা হ্রাস এবং অর্থনৈতিক লাভের হিসাব কৃষকদের উচ্চফলনশীল ও হাইব্রিড ধান চাষে ঝুঁকতে বাধ্য করেছে।

এক সময় আউশ, রোপা আমন ও বোনা আমন মৌসুমে কাসালাথ, আড়াই, চেংড়ি, বাউরস, নাজিমুদ্দিন, লাঠিশাইল, বালাম, ভুতুবালাম, মুরালী, কাতিছিনি, নিহি, খৈসা, পশুআইল, ছিরমইন, পাখবিরনী ও দুধকাতারীসহ বহু ঐতিহ্যবাহী ধানের চাষ হতো। বাউরস ও চেংড়ি ধান দেশের আবহাওয়ার সঙ্গে অত্যন্ত মানানসই ছিল। দুই ফুট পানিতে নিমজ্জিত জমিতেও এসব ধানের ভালো ফলন মিলত।

আরও

কাউখালীতে সরিষার বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

কাউখালীতে সরিষার বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি
চেংড়ি ধানের ভাত ও চিড়া ছিল অত্যন্ত সুস্বাদু। নাজিমুদ্দিন ধান ছিল আভিজাত্যের প্রতীক, যা ঈদ, পূজা, বিয়ে ও নানা সামাজিক অনুষ্ঠানে অপরিহার্য ছিল। কালো রঙের নিহি ধান পাকার সময় চারপাশে সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়ত। বালাম ও ভুতুবালাম ছিল লালচে, আর কাতিছিনি ছিল খয়েরি রঙের ধান। ছিরমইন ধান প্রায় পনেরো ফুট পানিতেও উৎপাদনে সক্ষম ছিল।

বর্তমানে ধানবীজের বাজার ঘুরেও এসব জাতের বীজ পাওয়া যায় না। প্রবীণ কৃষকদের কাছে এসব ধান এখন শুধুই স্মৃতি। রাজনগরের প্রবীণ কৃষক মো. সুরুজ আলী জানান, আগে দেশীয় ধানে প্রতি একরে ৪০ থেকে ৪৫ মন ফলন হতো, আর এখন উচ্চফলনশীল ধানে ৯০ থেকে ১০০ মন পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়। একই জমিতে দ্বিগুণ উৎপাদন হওয়ায় কৃষকরা দেশীয় ধান ছেড়ে দিয়েছেন।

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কৃষক জোনাব আলী বলেন, আগে হাওরে বিন্নি ও কালিজিরা ধানের চাষ বেশি হতো। এখন পারিবারিক প্রয়োজনে অল্প জমিতে এসব ধান হয়, বাকি জমিতে উচ্চফলনশীল ধান চাষ করতে হয়, নইলে খরচ ওঠে না।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, বর্তমান বোরো মৌসুমে জেলায় ৬২ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে আবাদ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আমন মৌসুমে ৯৮ হাজার ২০ হেক্টর এবং আউশ মৌসুমে প্রায় ২১ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে, যার অধিকাংশই উচ্চফলনশীল ধান।

আরও

হাকিমপুরে প্রথমবার ক্যাপসিকাম চাষে সফল, দামে হতাশ কৃষকরা

হাকিমপুরে প্রথমবার ক্যাপসিকাম চাষে সফল, দামে হতাশ কৃষকরা
কৃষি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফজলুর রহমান বলেন, দেশীয় ধান আমাদের ইতিহাস ও সংস্কৃতির অংশ। সংরক্ষণ ও গবেষণার অভাবে এসব জাত বিলুপ্ত হচ্ছে। দ্রুত সংরক্ষণ উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এসব ধানের নামও জানবে না।

কৃষি_ঐতিহ্যকৃষিসংকটদেশীয়ধান
https://enews71.com/storage/ads/01KQAG1VP3BB73V7HDE2DKRZ1X.jpg

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

সর্বশেষ সংবাদ

চুক্তি ঠেকাতে ইরানের ভেতরে কট্টরপন্থী গোষ্ঠী সক্রিয়!

চুক্তি ঠেকাতে ইরানের ভেতরে কট্টরপন্থী গোষ্ঠী সক্রিয়!

মঠবাড়িয়ায় ভিন্ন স্থানে দুই মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য

মঠবাড়িয়ায় ভিন্ন স্থানে দুই মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য

বিশ্বশান্তিতে বাংলাদেশের আত্মত্যাগের অনন্য স্বীকৃতি পেল সেনারা

বিশ্বশান্তিতে বাংলাদেশের আত্মত্যাগের অনন্য স্বীকৃতি পেল সেনারা

ইরানে সরাসরি যুদ্ধে জড়ানো সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল না: ট্রাম্প

ইরানে সরাসরি যুদ্ধে জড়ানো সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল না: ট্রাম্প

হজ শেষে ফিরছেন হাজিরা, প্রথম দিনে দেশে এলেন ৬১৭৫ জন

হজ শেষে ফিরছেন হাজিরা, প্রথম দিনে দেশে এলেন ৬১৭৫ জন

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রীমঙ্গলে ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ কৃষক পরিবারে নগদ চেক ও চাল বিতরণ

শ্রীমঙ্গলে ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ কৃষক পরিবারে নগদ চেক ও চাল বিতরণ

কালবৈশাখীতে রাজাপুরে বিদ্যালয়ের দুই শ্রেণিকক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত, পাঠদান ব্যাহতের শঙ্কা

কালবৈশাখীতে রাজাপুরে বিদ্যালয়ের দুই শ্রেণিকক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত, পাঠদান ব্যাহতের শঙ্কা

ঈদ সামনে রেখে শ্রীমঙ্গলে বাজার মনিটরিং অভিযান

ঈদ সামনে রেখে শ্রীমঙ্গলে বাজার মনিটরিং অভিযান

হাকিমপুরে মাদকসহ পুলিশের হাতে দুই জন গ্রেফতার

হাকিমপুরে মাদকসহ পুলিশের হাতে দুই জন গ্রেফতার

আগামীকাল রাজাপুরে অর্ধশত পরিবারে ঈদুল আজহা উদযাপন

আগামীকাল রাজাপুরে অর্ধশত পরিবারে ঈদুল আজহা উদযাপন

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

ঈদে গরুর মাংসে সাতকরা চাই সিলেটবাসীর, দামের ঊর্ধ্বগতি

ঈদে গরুর মাংসে সাতকরা চাই সিলেটবাসীর, দামের ঊর্ধ্বগতি

পবিত্র কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারসহ সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন হাট-বাজারে বেড়েছে সাতকরার চাহিদা। সিলেটের ঐতিহ্যবাহী এই সুগন্ধি ফলটি গরুর মাংস রান্নার অন্যতম প্রধান উপাদান হিসেবে পরিচিত। ফলে ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাজারে ক্রেতাদের ভিড় বাড়ছে এবং সঙ্গে বাড়ছে দামও। মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ঝুড়িভর্তি সাতকরা নিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। ছোট আকারের সাতকরা প্রতি হালি ১১০ থেকে ১৪০ টাকায়,

প্রাণপ্রাচুর্য আর অপরূপ বর্ণালিতে মৌলভীবাজারকে রাঙিয়ে দিয়েছে প্রকৃতি

প্রাণপ্রাচুর্য আর অপরূপ বর্ণালিতে মৌলভীবাজারকে রাঙিয়ে দিয়েছে প্রকৃতি

গ্রীষ্মের শুরুতেই ফুলের রঙে রঙিন হয়ে উঠেছে মৌলভীবাজার শহর ও পর্যটন নগরী শ্রীমঙ্গল। কৃষ্ণচূড়া, সোনালু, জারুল, রাধাচূড়া, কনকচূড়া, ক্যাসিয়া জাভানিকা, কুর্চি ও কাঠগোলাপ ফুলের অপূর্ব সমারোহে প্রকৃতি যেন নতুন সাজে সেজেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, মৌলভীবাজার-সিলেট রোড, শহরের কোর্ট রোড, মনু নদীসংলগ্ন শান্তিবাগ ওয়াকওয়ে, কোদালীপুল এলাকা এবং শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সড়কজুড়ে ফুলে ভরে উঠেছে রাস্তার দুই পাশ। বাতাসে দুলছে সোনালুর ঝুলন্ত হলুদ পুষ্পমালা, কৃষ্ণচূড়ার

দুই শতকের শ্রম, তবুও দারিদ্র্যের চক্রে চা শ্রমিকরা

দুই শতকের শ্রম, তবুও দারিদ্র্যের চক্রে চা শ্রমিকরা

বাংলাদেশের চা শিল্প জাতীয় অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হলেও এ শিল্পের প্রাণ—চা শ্রমিকদের জীবনমান এখনো উন্নয়নের মূলধারার বাইরে রয়ে গেছে। দেশের ১৬৭টি চা বাগানে কর্মরত লক্ষাধিক শ্রমিকের শ্রমে প্রতিবছর রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদন হচ্ছে এবং বিশ্বের অন্তত ২৫টি দেশে বাংলাদেশি চা রপ্তানি হচ্ছে। অথচ উৎপাদনের মূল কারিগর শ্রমিকরাই সবচেয়ে কম মজুরির বাস্তবতায় জীবনযাপন করছেন। তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে চা বাগানের স্থায়ী শ্রমিকদের

সাতছড়ি উদ্যানে দেখা মিলল বিরল সিঁদুরে মৌটুসি পাখির

সাতছড়ি উদ্যানে দেখা মিলল বিরল সিঁদুরে মৌটুসি পাখির

প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান পাখি। পৃথিবীর উড়ন্ত সৌন্দর্যের অন্যতম প্রতীক এই প্রাণীকুলের মধ্যে সৌন্দর্যের দিক থেকে বিশেষভাবে আলোচিত মধুচুষকি গোত্রের পাখিরা। বিশেষ করে মৌটুসি পাখিরা তাদের রঙ, উড়ার ভঙ্গি, সুরেলা ডাক ও বাসা তৈরির অনন্য দক্ষতার কারণে আলাদা মর্যাদা পেয়েছে। এই গোত্রের অন্যতম আকর্ষণীয় ও দুর্লভ আবাসিক পাখি ‘সিঁদুরে মৌটুসি’র সাম্প্রতিক দেখা মিলেছে হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে। সম্প্রতি শ্রীমঙ্গলের শৌখিন

শ্রীমঙ্গলে ফুটেছে দুর্লভ ক্যাসিয়া জাভানিকা ফুল, ছড়াচ্ছে মুগ্ধতা

শ্রীমঙ্গলে ফুটেছে দুর্লভ ক্যাসিয়া জাভানিকা ফুল, ছড়াচ্ছে মুগ্ধতা

গ্রীষ্মের তীব্র খরতাপের মধ্যেও মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন সড়কজুড়ে এখন প্রকৃতির রঙিন উৎসব। সবুজ গাছগাছালি আর রংবেরঙের ফুলে সেজেছে জেলার শ্রীমঙ্গল শহরসহ আশপাশের এলাকা। কৃষ্ণচূড়া, জারুল, সোনালু ও নানা প্রজাতির ফুলগাছের পাশাপাশি বিশেষভাবে নজর কাড়ছে দুর্লভ লাল সোনাইল বা ক্যাসিয়া জাভানিকা ফুলগাছ। সরজমিনে দেখা যায়, শ্রীমঙ্গল কলেজ রোড এলাকায় পাঁচ বছর বয়সী ক্যাসিয়া জাভানিকা গাছের সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে ফুটে থাকা গোলাপি