বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬২৪ আশ্বিন, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

ধর্ষণের ঘটনায় হত্যা বা আত্মহত্যা কি জায়েজ?

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২০, ১৫:২৮

শেয়ার করুনঃ
ধর্ষণের ঘটনায় হত্যা বা আত্মহত্যা কি জায়েজ?

ধর্ষণ বা ব্যভিচার একটি মারাত্মক অপরাধ। ইসলামি শরিয়তে এর সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে। ইসলামি বিধানের কার্যকারিতা না থাকাই ধর্ষণ-ব্যভিচার দিন দিন লাগামহীনভাবে বেড়ে চলছে। কিন্তু ধর্ষণ-ব্যভিচার থেকে নিজেকে রক্ষা করতে হত্যা-আত্মহত্যা সম্পর্কে ইসলাম কী বলে? ইসলামি শরিয়তে ধর্ষণ-ব্যভিচারের এত সুন্দর সমাধান বা শাস্তির সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে যে, যদি কেউ বিধান অনুযায়ী বিচার ফয়সালা করে তবে সামাজ জীবনে ধর্ষণ-ব্যভিচার থাকবে না বললেই চলে। কেননা অবিবাহিত নারী-পুরুষের ক্ষেত্রে এ অপরাধে নির্ধারিত সংখ্যায় বেত্রাঘাত করার বিধান রয়েছে। আবার বিবাহিত নারী-পুরুষের ক্ষেত্রে শাস্তি হলো পাথর মেরে হত্যা করা। প্রকাশ্যে উন্মুক্ত ময়দানে অপরাধীর ওপর এ শাস্তি কার্যকর হলে নিশ্চিত ধর্ষণ-ব্যভিচার থাকব শূন্যের কোটায়।

ধর্ষণ-ব্যভিচারে হত্যা

ধর্ষণ-ব্যভিচারে দুইভাবে হত্যা কার্যক্রম সংঘটিত হয়। অনেক সময় ধর্ষিতা নিজেকে রক্ষা করতে গিয়ে ধর্ষণকারীকে হত্যা করে বসে। আবার অনেক ক্ষেত্রে ধর্ষণকারী বা ব্যভিচারী এ অপরাধ ঘটানোর পর ধর্ষিতাকে হত্যা করে। ইসলামে এ দুটি বিষয়েও রয়েছে সমাধান।

আরও

ক্ষমাশীল হতে বলেছে কোরআন ও হাদিস

ক্ষমাশীল হতে বলেছে কোরআন ও হাদিস
ধর্ষণ প্রতিরোধে হত্যা

ধর্ষণ বা ব্যভিচারের ঘটনা থেকে আত্মরক্ষার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা ফরজ বা আবশ্যক। তারপরও যদি কোনো নারী জোরপূর্বক ধর্ষণ-ব্যভিচারে আক্রান্ত হয় তবে ওই নারী গোনাহগার হবে না। তবে জালিমরা আল্লাহর কাছে অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে।ধর্ষণ বা ব্যভিচার থেকে নিজেকে রক্ষা করতে গিয়ে যদি ধর্ষককে হত্যা করা হয় বা কোনোভাবে ধর্ষক হত্যার শিকার হয়; ইসলামি আদালতে এ হত্যায় ওই নারীর কোনো শাস্তি হবে না।হজরত ইবনে আব্দুল বার রাহমাতুল্লাহি আলাইহি এ সম্পর্কে বলেন, ‘আমার জানামতে আগের-পরের কোনো আলেমের মধ্যে এ বিষয়ে দ্বিমত নেই যে, জোরপূর্বক ধর্ষণের শিকার নারীর ওপর কোনো হদ বা দণ্ড প্রয়োগ করা হবে না; যদি সঠিকভাবে প্রমাণিত হয় যে, সে অপহরণ ও ধর্ষণের শিকার হয়েছে।

ধর্ম
https://enews71.com/storage/ads/01M1TJ1Y03SG5Y5HBJA4PJG3XC.PNG

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg
আর ধর্ষিতা আত্মরক্ষা করতে গিয়ে কিংবা অত্যাচারের শিকার হয়ে যদি মারা যায় তবে পরকালে ওই নারী শাহাদাতের মর্যাদা লাভ করবেন। কারণ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে পাকে তা সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা দিয়েছেন।

‘যে ব্যক্তি তার ধন-সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয়, সে শহিদ।

আরও

জুমার দিনে যেসব আমল বদলে দিতে পারে জীবন

জুমার দিনে যেসব আমল বদলে দিতে পারে জীবন
যে ব্যক্তি নিজেকে রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয়, সে শহিদ।

যে তার দ্বীন রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয়, সে শহিদ।

আর যে তার পরিবার রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয়, সে-ও শহিদ।’ (আবু দাউদ, তিরমিজি)

ধর্ষিতার আত্মহত্যা কি জায়েজ?

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg
ধর্ষণ বা ব্যভিচারের শিকার হয়ে আত্মহত্যাকে ইসলাম সমর্থন করে না। বরং ইসলামের দৃষ্টিতে পরিস্থিতি যা-ই হোক না কেন; কোনো অবস্থাতেই আত্মহত্যা করা জায়েজ নয়। সুতরাং দুঃখ-কষ্ট, ব্যথা-বেদনা, অসুস্থতা-হতাশা, শত্রুর আক্রমণ এমনকি সম্ভ্রমহানি, সম্ভ্রমহানির পর লোকলজ্জা ও কঠিন পরিস্থিতির কারণে আত্মহত্যা করা যাবে না। কেননা ইসলামে আত্মহত্যা কবিরা গোনাহ ও জাহান্নামে যাওয়ার অন্যতম কারণ। আল্লাহ তাআলা বলেন-

وَلَا تَقۡتُلُوٓاْ أَنفُسَكُمۡۚ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ بِكُمۡ رَحِيمٗا - وَمَن يَفۡعَلۡ ذَٰلِكَ عُدۡوَٰنٗا وَظُلۡمٗا فَسَوۡفَ نُصۡلِيهِ نَارٗاۚ وَكَانَ ذَٰلِكَ عَلَى ٱللَّهِ يَسِيرًا

‘আর তোমরা নিজেদের হত্যা করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের প্রতি দয়ালু। আর কেউ জুলুম করে, অন্যায়ভাবে তা (আত্মহত্যা) করবে, অবশ্যই আমি তাকে অগ্নিদগ্ধ করবো, আল্লাহর পক্ষে তা সহজসাধ্য।’ (সুরা নিসা : আয়াত ২৯-৩০)

হজরত ছাবিত বিন জিহাক রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি দুনিয়াতে কোনো বস্তু দিয়ে নিজেকে হত্যা করবে, কেয়ামতের দিন তাকে সে বস্তু দিয়েই শাস্তি প্রদান করা হবে।’ (বুখারি ও মুসলিম)

ধর্ষিতা হওয়ার আশংকায় আত্মহত্যা

যদি কোনো মুসলিম নারী এ ধারণা পোষণ করেন যে, শত্রুরা তার ইজ্জতের ওপর হামলা করবে; তবে কি ওই নারী নিজের সম্ভ্রম-ইজ্জত রক্ষা করার জন্য আত্মহত্যা করতে পারবেন? ইসলামে কি তা বৈধ?

এ সম্পর্কে সৌদি সর্বোচ্চ ওলামা পরিষদের স্থায়ী ফতোয়া হলো-

لا يجوز لها أن تقتل نفسها، ولو خافت أن يقع بها ما ذُكر قهرا، وهي معذورة إن حصل ما خافت دون رضاها

অর্থাৎ ‘তার জন্য আত্মহত্যা করা জায়েজ নয়; যদিও তার সঙ্গে জোরপূর্বক উল্লেখিত কিছু ঘটার আশঙ্কা করে। সে যা আশঙ্কা করছিলো তা যদি তার ইচ্ছার বাইরে সংঘটিত হয়; তাহলে সে নির্দোষ বলে গণ্য হবে।’

ইসলামি শরিয়তে নিষিদ্ধ ও দণ্ডযোগ্য অপরাধ ধর্ষণ ও ব্যভিচার। এ মহামারি থেকে উত্তরণে ইসলামি দণ্ড প্রয়োগের বিকল্প নেই। পরিস্থিতি যা-ই হোক না কেন, কোনো অবস্থাতেই ধর্ষণ থেকে বাঁচতে আত্মহত্যার পথ বেঁচে নেয়ার সুযোগ নেই। বরং সর্বশক্তি দিয়ে এ মহামারি ধর্ষণ ও ব্যভিচার থেকে নিজেকে রক্ষার চেষ্টা অব্যাহত রাখা জরুরি।আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সব নারীকে ধর্ষণ ও ব্যভিচার থেকে হেফাজত করুন। জালিম অত্যাচারীদের প্রতিহত করার তাওফিক দান করুন। নারীদের নিজেদের আত্মরক্ষায় মার্জিত ও ইসলামের বিধান মেনে জীবন পরিচালনায় নিয়োজিত হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

জনপ্রিয় সংবাদ

কলকাতায় বাংলাদেশ মিশন ঘেরাও করার চেষ্টা

কলকাতায় বাংলাদেশ মিশন ঘেরাও করার চেষ্টা

মমতাজ আওয়ামী লীগেও ছিল, এখন জামায়াতেও আসছে

মমতাজ আওয়ামী লীগেও ছিল, এখন জামায়াতেও আসছে

ট্রাম্পের নৈশভোজের ছবি প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী

ট্রাম্পের নৈশভোজের ছবি প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী

জ্বালানি নিরাপত্তায় সৌরশক্তির মহাযাত্রা, বড় লক্ষ্যে সরকার এগোচ্ছে

জ্বালানি নিরাপত্তায় সৌরশক্তির মহাযাত্রা, বড় লক্ষ্যে সরকার এগোচ্ছে

ক্যানসারের সঙ্গে লড়ে বুশরার এসএসসিতে অবিশ্বাস্য জিপিএ-৫ অর্জন

ক্যানসারের সঙ্গে লড়ে বুশরার এসএসসিতে অবিশ্বাস্য জিপিএ-৫ অর্জন

সর্বশেষ সংবাদ

কোস্ট গার্ডের অভিযান: সেন্টমার্টিনে ৪২ কোটি টাকার ইয়াবা ও হেরোইন উদ্ধার

কোস্ট গার্ডের অভিযান: সেন্টমার্টিনে ৪২ কোটি টাকার ইয়াবা ও হেরোইন উদ্ধার

১৮ কোটি মানুষের পানির নিশ্চয়তায় বড় সমন্বিত উদ্যোগ সরকারের

১৮ কোটি মানুষের পানির নিশ্চয়তায় বড় সমন্বিত উদ্যোগ সরকারের

বাংলাদেশে স্টারলিংক চালু, উচ্ছ্বাস প্রকাশ ইলন মাস্কের

বাংলাদেশে স্টারলিংক চালু, উচ্ছ্বাস প্রকাশ ইলন মাস্কের

ফেরির ধাক্কায় পন্টুন ভাঙল, দৌলতদিয়ায় দীর্ঘ যানজট

ফেরির ধাক্কায় পন্টুন ভাঙল, দৌলতদিয়ায় দীর্ঘ যানজট

টেকনাফে এসআরবি-বিজিবির যৌথ অভিযান: মাটির নিচে মিলল তিন লাখ ইয়াবা

টেকনাফে এসআরবি-বিজিবির যৌথ অভিযান: মাটির নিচে মিলল তিন লাখ ইয়াবা

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

জুমার দিনে যেসব আমল বদলে দিতে পারে জীবন

জুমার দিনে যেসব আমল বদলে দিতে পারে জীবন

জুমার দিন মুসলমানদের জন্য সপ্তাহের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ দিন। হাদিসে এ দিনের বিশেষ ফজিলতের কথা বর্ণিত হয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমার দিনের মর্যাদা উল্লেখ করে এটিকে গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে তুলে ধরেছেন। এ দিনে জুমার নামাজ আদায় করা হয়, যা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। কোরআনে জুমার নামাজের আজান হলে আল্লাহর স্মরণের দিকে এগিয়ে যেতে এবং বেচাকেনা ছেড়ে দিতে নির্দেশ দেওয়া

জুমার নামাজ মুমিনের সাপ্তাহিক ঈমান নবায়নের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

জুমার নামাজ মুমিনের সাপ্তাহিক ঈমান নবায়নের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

জুমার নামাজ ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক ইবাদত। প্রতি শুক্রবার মুসলমানরা মসজিদে একত্র হয়ে খুতবা শোনেন এবং জামাতে জুমার নামাজ আদায় করেন। কোরআনের সূরা জুমার ৯ নম্বর আয়াতে জুমার নামাজের আহ্বান হলে আল্লাহর স্মরণের দিকে এগিয়ে যেতে এবং বেচাকেনা ছেড়ে দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে বোঝা যায়, জুমার সময় পার্থিব ব্যস্ততার চেয়ে ইবাদতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার গুরুত্ব রয়েছে। জুমার দিনের বিশেষ মর্যাদার কথাও

জুমার দিনের আমলেই মিলতে পারে অশেষ রহমত ও বরকত

জুমার দিনের আমলেই মিলতে পারে অশেষ রহমত ও বরকত

ইসলামে সপ্তাহের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ দিনগুলোর একটি হলো জুমার দিন। এ দিনে মুসলমানদের জন্য রয়েছে বিশেষ কিছু আমল ও ইবাদতের সুযোগ। কোরআনে জুমার নামাজের আহ্বান হলে ব্যবসা-বাণিজ্য ছেড়ে আল্লাহর স্মরণের দিকে এগিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূরা জুমার ৯ নম্বর আয়াতে এ নির্দেশনা এসেছে। জুমার দিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো গোসল করে পরিচ্ছন্ন হওয়া। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমার দিনে গোসলের

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

ইসলাম শুধু ইবাদতের শিক্ষা দেয় না, মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ারও নির্দেশ দেয়। একজন মুসলমানের উত্তম চরিত্রের অন্যতম প্রকাশ হলো অন্যের উপকারে এগিয়ে আসা। বিপদে থাকা মানুষকে সহযোগিতা করা, অসহায়কে সাহায্য করা এবং মানুষের কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করাকে ইসলাম অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ আমল হিসেবে বিবেচনা করে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘সৎকর্ম ও তাকওয়ায় একে অন্যকে সহযোগিতা করো।’ এই নির্দেশনা থেকে বোঝা যায়, সমাজে

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

ইসলাম ধর্মে শুক্রবার একটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ দিন। মুসলমানদের কাছে সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় জুমার দিনের গুরুত্ব ও ফজিলত অনেক বেশি। এদিন নামাজ, দোয়া, জিকির ও বিভিন্ন নেক আমলের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের সুযোগ রয়েছে। তাই ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা শুক্রবারকে ইবাদত-বন্দেগিতে বিশেষভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেন। শুক্রবারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো জুমার নামাজ আদায় করা। প্রাপ্তবয়স্ক ও সামর্থ্যবান পুরুষ মুসলমানদের জন্য জুমার নামাজ