বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬১ আষাঢ়, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

শবেবরাতে আমাদের করনীয় ও বর্জনীয়

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৮ এপ্রিল ২০২০, ১৭:৩৭

শেয়ার করুনঃ
শবেবরাতে আমাদের করনীয় ও বর্জনীয়

ইসলামী আক্বীদা ও বিশ্বাস মতে বছরের প্রতিটি মাস, সপ্তাহ, দিন, ঘন্টা ও সেকেন্ড মানুষের জন্য কল্যাণকর। কোনো সময়ের ব্যাপারে অকল্যাণ ও অশুভ হওয়ার ধারণা করা ইসলামী আক্বীদা বিরোধী। কেননা, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ ফরমান, কোনো সময় কিংবা জামানাকে অশুভ ও অকল্যাণকর মনে করা যাবে না। অকল্যাণকর মনে করার অর্থই হলো, আল্লাহ পাক কে অকল্যাণকর মনে করা। বরকত ও মর্যাদার দিক থেকে এ ধরণের শ্রেষ্ঠত্বের কথা কুরআন ও হাদিসের মাধ্যমে উম্মতকে জানানো হয়েছে। যে সকল রাত্রে মর্যাদা, শ্রেষ্ঠত্ব ও বিশেষত্বের কথা কুরআন শরীফে এসেছে, 

তা হলো- শবে মেরাজ, শবে বরাত, শবে কদর ও দুই ঈদের রাত্রি।শবে বরাতকে হাদিসের ভাষায় লাইলাতুল বারাত ও সাধারণ মুসলমানদের মাঝে শবে বরাত নামে প্রসিদ্ধ।আরবী ভাষায় বরাত অর্থ নাজাত ও মুক্তি। আর এই রাতটি এমন, যার মধ্যে আল্লাহ পাক অগণিত/অসংখ্য মানুষের গুনাহ খাতা ক্ষমা করে জাহান্নামের শাস্তি থেকে মুক্তি দান করেন। এ জন্য রাত্রটির নামকরণ করা হয়েছে লাইলাতুল বরাত বা শবে বরাত।তা ছাড়া এ রাত্রিতেে মানুষের প্রয়োজনীয় এক বৎসরের বিষয়াদীর ফয়সালা করা হয়। আর এ রাতটি শা’বানের পনেরতম রাত যা চৌদ্দ তারিখ সূর্য্যাস্ত যাওয়ার পর থেকে শুরু হয়ে সুবহে সাদিকের পূর্ব পর্যন্ত বাকি থাকে। এ রাতটি ঈদুল ফিতর কিংবা ঈদুল আযাহর ন্যায় খুশি উদযাপনের রাত নয়।

ইসলামী শরীয়তে এর পর্যায় এতটুকুই যে, এটা একটি মোবারক ও বরকতপূর্ণ রজনী। এ রাতে রাসূলুল (সা.) অন্যান্য রাতের তুলনায় অধিক পরিমাণে ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল থাকতেন। মৃত: ব্যক্তিদের ইসালে সাওয়াবের জন্য কবরস্থানে তাশরীফ নিয়ে যেতেন। আর এর পরের দিন রোযা রাখতেন। শবে বরাত পালনের মূল পদ্ধতি এইযে, এ রজনীতে বেশী বেশী ইবাদত-বন্দেগী করবে। 

আরও

কারবালার রক্তঝরা হৃদয় বিদারক এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

কারবালার রক্তঝরা হৃদয় বিদারক এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

স্বীয় গুনাহ খাতার জন্য আল্লাহ পাকের দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করবে এবং কবরস্থানে গিয়ে সুন্নাত ত্বরীক্বানুযায়ী নিজের মাতা-পিতা, আত্মীয় স্বজন এবং সকল মুসলমান নর-নারীর জন্য আল্লাহ পাকের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করবে। আর পরের দিন রোযা রাখবে। (তবে এসকল কাজকে অতি জরুরী মনে করা যাবেনা। এটি যার যার ব্যক্তিগত তাকওয়ার ব্যাপার। আর দল বেঁধে কবরস্থানে যাবেনা বা একে জরুরী মনে করবেনা)হযরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রাঃ)থেকে বর্ণিত,রাসুল (সাঃ) এরশাদ করেছেন- আল্লাহ তায়ালা অর্ধ শাবানের রাতে(শবে বরাতে) সৃষ্টির দিকে (রহমতের) দৃষ্টি দেন।এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ব্যতীত সবাইকে মাফ করে দেন।

ধর্ম
https://enews71.com/storage/ads/01KTB48CFAEJRYTN4T9G053ER9.png

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

আসুন জেনে নেই এই রাতে কি করবো আর কি করবোনা।

এই রাতে করনীয়ঃ

আরও

এই ফেতনার যুগে ঈমান রক্ষার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপায়

এই ফেতনার যুগে ঈমান রক্ষার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপায়
১) এই রাতে আল্লাহর রাসুল (সঃ) অনেক দীর্ঘ সময়  নামাজ পড়তেন।

২) পরের দিন রোজা রাখতেন।

রাসুল (সাঃ) বলেছেন -যখন অর্ধ শাবানের রাত আসে- তোমরা সেই রাত ইবাদত বন্দেগীতে কাটাও এবং পরের দিন রোজা রাখো।

৩) এই রাতে পুরুষদের জন্য কবরস্থানে যাওয়া এবং তাদের মৃত আত্মীয় স্বজনদের জন্য ইসালে সাওয়াব করা মুস্তাহাব।

এই সম্পর্কে মুফতী শফি (রহঃ)অভিমত ব্যক্ত করেছেন।তিনি বলেন

রাসুল (সাঃ) যেহেতু জীবনে একবার মাত্র শবে বরাতের রাত্রে কবরস্থানে গিয়েছেন,কাজেই জীবনে একবার এই রাতে কবরস্থানে গেলেই মুস্তাহাব আদায় হয়ে যাবে।এখানে লক্ষণীয় বিষয় হল কোন ভাবেই যাতে বিদআতি কোন কাজ নাহয়ে যায়।

এই রাতে খুব দোয়া করা।কেননা আল্লাহর রাসুল (সাঃ)বলেছেনঃ শাবানের ১৫ তারিখ রাতে আল্লাহর পক্ষ হতে একজন ঘোষণাকারী ঘোষণা করেন,-আছে কি কোন ক্ষমা প্রার্থনাকারী,যাকে আমি ক্ষমা করবো। এমনিভাবে সকল বিষয়ের কথা উল্লেখ করা হয়।এই রাতে নির্দিষ্ট কোন নামাজ নেই।যত নফল নামাজ পড়া যারা,তবে যাদের কাজা নামাজ বাকি আছে তাদের জন্য উত্তম হবে কাজা নামাজ গুলো আদায় করে নেয়া।

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg
কারন হাশরের মাঠে নফলের ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হবেনা,ফরজ সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে।

৪)যেহেতু বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস ভয়ংকর মহামারী আকার ধারণ করেছে, তাই এহেন পরিস্থিতি থেকে উত্তরনের জন্য এই বিশেষ রজনীতে তাওবা ইস্তেগফার ও সংশ্লিষ্ট দোয়াগুলোর উপর অতিমাত্রায় আমল করা।

এই রাতের বর্জনীয় আমল সমুহঃ

১) করোনার এই প্রাদুর্ভাবে  আবেগী হয়ে মসজিদে কিংবা মাঠে জড়োসড়ো হওয়া থেকে বিরত থাকুন,একাকী নিজ বাসায় আমল করুন, নফল এবাদতগুলো বাসায় করাই উত্তম,কারন সম্মিলিত হওয়ার ক্ষেত্রে আমলের চাইতে ফেতনা হওয়ার আশংকাই বেশি।

২) আতশবাজি করা যাবেনা।

৩) হালুয়া রুটি বিতরন করা বা নিজ ঘরে তৈরি করা যাবেনা।

কারণ এতে অহেতুক সময় নষ্ট হয়, এবং বর্তমানে এটা একটা বড় ধরনের ফেতনার আকার ধারন করেছে।

৪) আলোকসজ্জা করা যাবেনা।

৫) মাইকে কুরআন তেলাওয়াত বা হামদ নাত পরিবেশন করে অন্যের আমলে ব্যাঘাত ঘটানো যাবেনা।

৬) কবরস্থানে ভিড় করা বা মেলা বসানো যাবেনা।

আল্লাহ তায়ালা আমাদের কে এই রাতের সকল ফজিলত দান করুন, আমীন।

ইনিউজ ৭১/ জি.হা

জনপ্রিয় সংবাদ

শোকযাত্রা শেষে মাশহাদে সমাহিত হচ্ছেন ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা

শোকযাত্রা শেষে মাশহাদে সমাহিত হচ্ছেন ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক ঘাটতি নেই, বললেন প্রতিমন্ত্রী

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক ঘাটতি নেই, বললেন প্রতিমন্ত্রী

রেফারিং বিতর্কে থানায় অভিযোগ, ক্ষতিপূরণ চাইলেন নোয়াখালীর তরুণ

রেফারিং বিতর্কে থানায় অভিযোগ, ক্ষতিপূরণ চাইলেন নোয়াখালীর তরুণ

শিশু ইরা হত্যা মামলায় বাবু শেখের মৃত্যুদণ্ডাদেশ

শিশু ইরা হত্যা মামলায় বাবু শেখের মৃত্যুদণ্ডাদেশ

চট্টগ্রাম বিভাগে বন্যা ও পাহাড়ধসে প্রাণহানি বেড়ে ৩৯, ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় সাড়ে ৯ লাখ মানুষ

চট্টগ্রাম বিভাগে বন্যা ও পাহাড়ধসে প্রাণহানি বেড়ে ৩৯, ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় সাড়ে ৯ লাখ মানুষ

সর্বশেষ সংবাদ

মেসির সেরা ম্যাচের ভবিষ্যদ্বাণী, জয় নিয়ে নীরব জ্যোতিষী

মেসির সেরা ম্যাচের ভবিষ্যদ্বাণী, জয় নিয়ে নীরব জ্যোতিষী

পরীক্ষা শেষে সড়কে শিক্ষার্থীরা, শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি

পরীক্ষা শেষে সড়কে শিক্ষার্থীরা, শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি

কুঞ্জবনের কাঁচা রাস্তা পাকাকরণে গ্রামবাসীর মানববন্ধন ও আল্টিমেটাম

কুঞ্জবনের কাঁচা রাস্তা পাকাকরণে গ্রামবাসীর মানববন্ধন ও আল্টিমেটাম

ইরানে পুনরায় নৌ অবরোধ জারি করল যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে পুনরায় নৌ অবরোধ জারি করল যুক্তরাষ্ট্র

ধলাই নদীতে নিখোঁজের ৪ দিন পর ভেসে উঠল মাসুক মিয়ার মরদেহ

ধলাই নদীতে নিখোঁজের ৪ দিন পর ভেসে উঠল মাসুক মিয়ার মরদেহ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

জুমার দিনের শ্রেষ্ঠ আমল, ইসলামের আলোকে করণীয় জানুন

জুমার দিনের শ্রেষ্ঠ আমল, ইসলামের আলোকে করণীয় জানুন

ইসলামে সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে জুমার দিনের বিশেষ মর্যাদা রয়েছে। পবিত্র এই দিনটি মুসলমানদের জন্য রহমত, বরকত ও ক্ষমা লাভের অন্যতম সুযোগ। কোরআন ও হাদিসে জুমার দিনের বিভিন্ন আমলের প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। বিশেষ করে জুমার নামাজ আদায়, বেশি বেশি দরুদ শরিফ পাঠ, দোয়া, তওবা, কোরআন তিলাওয়াত এবং সূরা কাহফ পাঠের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ইসলামী চিন্তাবিদরা বলেন, জুমার দিনের

সংকটে মুমিনের শক্তি ধৈর্য ও তাওয়াক্কুল

সংকটে মুমিনের শক্তি ধৈর্য ও তাওয়াক্কুল

জীবনের পথে মানুষকে নানা ধরনের পরীক্ষা ও সংকটের মুখোমুখি হতে হয়। কখনো অর্থনৈতিক কষ্ট, কখনো পারিবারিক সমস্যা, আবার কখনো অসুস্থতা বা মানসিক অস্থিরতা মানুষকে দুর্বল করে তোলে। ইসলাম শিক্ষা দেয়, এসব পরিস্থিতিতে হতাশ না হয়ে ধৈর্য ধারণ এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখাই একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় শক্তি। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, "নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।" (সূরা আল-বাকারা: ১৫৩)

আশুরা ত্যাগ, সত্য ও তাকওয়ার শিক্ষা

আশুরা ত্যাগ, সত্য ও তাকওয়ার শিক্ষা

ইসলামি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখ, পবিত্র আশুরা মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। এই দিনটি শুধু ঐতিহাসিক নানা ঘটনার স্মৃতিবাহী নয়, বরং সত্য, ন্যায় ও আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের এক অনন্য শিক্ষা বহন করে। জকিগঞ্জ উপজেলা সচেতন নাগরিক ফোরাম সিলেটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী এক বক্তব্যে বলেন, আশুরার রোজা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ নফল ইবাদতের অন্যতম। রমজানের রোজা ফরজ

এই ফেতনার যুগে ঈমান রক্ষার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপায়

এই ফেতনার যুগে ঈমান রক্ষার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপায়

নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা’দ” প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আজ আমি আপনাদের হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী, আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই এই ফেতনার যুগে ঈমান রক্ষার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপায় নিয়ে, সেই সম্পর্কে নিম্নে সংকিপ্ত আকারে আলোচনা তুলে ধরছি, “ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ” ঈমান শব্দের আভিধানিক অর্থ স্বীকার করা, স্বীকৃতি দেওয়া, অনুগত হওয়া মতান্তরে দৃঢ় বিশ্বাস করা। এটি কুফর বা

ইয়াতিমের হক আদায়ে ইসলামের কঠোর নির্দেশনা

ইয়াতিমের হক আদায়ে ইসলামের কঠোর নির্দেশনা

ইসলামে ইয়াতিমদের অধিকার সংরক্ষণকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে ইয়াতিমদের প্রতি সদাচরণ, তাদের সম্পদের সুরক্ষা এবং ন্যায়সঙ্গত অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। ইসলামি চিন্তাবিদরা বলছেন, একটি মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে ইয়াতিমদের হক আদায় অপরিহার্য। ধর্মীয় সূত্র মতে, ইয়াতিম হলো সেই শিশু, যার পিতা মৃত্যুবরণ করেছেন এবং সে এখনো প্রাপ্তবয়স্ক হয়নি। ইসলাম ইয়াতিমদের