
প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৬, ১০:২৯

আজ শুক্রবার, মুসলিম উম্মাহর জন্য সপ্তাহের সর্বশ্রেষ্ঠ ও বরকতময় দিন। ইসলামে জুমার দিনের বিশেষ মর্যাদা রয়েছে। এ দিনকে ‘সাইয়্যিদুল আইয়াম’ বা সব দিনের সেরা দিন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পবিত্র এই দিনে আল্লাহ তাআলা বান্দাদের জন্য রহমত, বরকত ও ক্ষমার বিশেষ সুযোগ রেখেছেন।
হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, জুমার দিনে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে যখন কোনো মুসলিম বান্দা একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর কাছে দোয়া করলে তা কবুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই এ দিন বেশি বেশি দোয়া, তাওবা, কোরআন তিলাওয়াত এবং নফল ইবাদতে মনোযোগ দেওয়ার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন ইসলামি চিন্তাবিদরা।
জুমার দিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো সূরা আল-কাহফ তিলাওয়াত করা। এছাড়া মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি বেশি বেশি দরুদ শরিফ পাঠেরও বিশেষ ফজিলত রয়েছে। মসজিদে আগে পৌঁছে মনোযোগসহ খুতবা শোনা এবং জামাতে জুমার নামাজ আদায় করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত।
আলেমরা বলেন, জুমা শুধু একটি নামাজের দিন নয়; এটি আত্মশুদ্ধি, আত্মসমালোচনা এবং আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার এক অনন্য সুযোগ। এ দিনে অহংকার, হিংসা, বিদ্বেষ ও অন্যায় থেকে দূরে থেকে মানবকল্যাণে কাজ করার সংকল্প গ্রহণ করা উচিত।

তারা আরও বলেন, পরিবার, সমাজ ও দেশের শান্তি-সমৃদ্ধির জন্য জুমার দিনে আন্তরিকভাবে দোয়া করা এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো একজন মুমিনের দায়িত্ব। পাশাপাশি সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও মানবিক মূল্যবোধকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ধারণ করার আহ্বান জানান তারা।
পবিত্র এই জুমার দিনে মহান আল্লাহ তাআলা যেন সকল মুসলিমের ইবাদত কবুল করেন, গুনাহ মাফ করে দেন এবং বিশ্বজুড়ে শান্তি, নিরাপত্তা ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা করেন—এটাই প্রতিটি মুমিনের প্রত্যাশা।