বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬১৩ কার্তিক, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

১০ই মহরম বা আশুরা কি ?

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৮ আগস্ট ২০২২, ১৫:৫০

শেয়ার করুনঃ
১০ই মহরম বা আশুরা কি ?

মুহাররম ও আশুরার অর্থ 

আরবী বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহাররম মাস। মহররাম শব্দের অর্থ অলঙ্ঘনীয়পবিত্র। মহাররম মাসের দশম তারিখ আশুরা নামে সু-পরিচিত। আরবী আশারাশব্দ থেকে আশুরার উৎপত্তি। আশারা মানে দশ, আর আশারাকেই বিশেষ সম্মানসহকারে ‘আশুরা’ বলা হয় বলে ধারণা করা হয়।

আরও

জুমার দিনের আমলেই মিলতে পারে অশেষ রহমত ও বরকত

জুমার দিনের আমলেই মিলতে পারে অশেষ রহমত ও বরকত

পৃথিবীর সৃষ্টির শুরু থেকেই ১০ই মহাররম তথা আশুরার একটি বিশেষ ভুমিকাপরিলক্ষিত হয়ে আসছে। এ মাসে রয়েছে অনেক বিজয় আর গৌরবমাখা ঐতিহ্যেরস্মৃতি।

মহরম বা আশুরা  নিয়ে কিছু কথা- মহররম হিজরী বছরের প্রথম মাস।এ মাসের কথা উল্লেখ রয়েছে পবিত্র কুরআনে। মহাগ্রন্থ আল কুরআনে সূরা তাওবার ৩৬ নং আয়াতে বর্ণিত যেমাসগুলোতে যুদ্ধ-বিগ্রহ হারাম করা হয়েছে তার মধ্যে মহররম অন্যতম । বহুবিধ কারণে এ মাসটি মুসলিম উম্মাহের কাছে অতীব গুরুত্বপূর্ণ । স্বয়ং আল্লাহর রাসুল (সাঃ) নিজে এ মাসকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বর্ণনা করেছেন । তিনি বলেছেন, ‘রমজানের পরে সর্বোত্তম রোজা হলো আল্লাহর প্রিয় মহররম মাসের সাওম এবং ফরজ নামাজের পর সর্বোত্তম সালাত হল রাতের নামাজ’ । 

আরও

জুমার দিনে যেসব আমল বদলে দিতে পারে জীবন

জুমার দিনে যেসব আমল বদলে দিতে পারে জীবন

১০ই মহরম
https://enews71.com/storage/ads/01M1TJ1Y03SG5Y5HBJA4PJG3XC.PNG

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

অন্যদিকে মানবতার মুক্তির দিশারী, সকল নবী-রাসুলদের নেতা এবং আমাদের পথ প্রদর্শক হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) ধরাবাসীর প্রতি তার দায়িত্ব অর্থ্যাৎ মানুষকে শান্তির ধর্ম ইসলামের পথে আহ্বানের শুরু করেছিলেন মহররম মাসে । পবিত্র কুরআনে আরবী ১২ মাসের মধ্যে মহরম, রজব, জিলক্বদ ও জিলহজ্জ মাসকে বিশেষভাবে সম্মানিত করা হয়েছে এবং কুরআনের জীবন্ত ব্যাখ্যা গ্রন্থ অর্থ্যাৎ বিভিন্ন হাদিস শরীফে এ মাসগুলোর স্বতন্ত্র ফযিলত বর্ননা করা হয়েছে । মহররম মাসের ১০ তারিখ গোটা মুসলিম বিশ্বের কাছে পবিত্র আশুরা নামে পরিচিত । আশুরা ও মুহররম শব্দদ্বয় শ্রবণের সাথে সাথে আমাদের মানসপটে ভেসে ওঠে এক ভয়ংকর, বীভৎস, নিষ্ঠুর, নির্মম ও ইসলামের ইতিহাসের এক কলঙ্কজনক ঘটনা । 

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর নয়নের পুতুলী, কলিজার টুকরা, খাতুনে জান্নাত নবীনন্দিনী হযরত ফাতেমা (রাঃ) এর আদরের দুলাল হযরত হোসাইনের কারবালার প্রান্তরে শাহাদাতের মর্মন্তুদ ঘটনা; যা এ পৃথিবীর এক করুণ ইতিহাস । বিশ্বের সকল মুসলিম নরনারী আজও ধর্মীয় রীতিনীতির মাধ্যমে দিনটিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্মরণ করে । হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর ওফাতের মাত্র পঞ্চাশ বছর পর ফোরাতের তীরে কারবালার কংকরময় প্রান্তরে মুহাম্মদ (সাঃ) এর অন্যতম প্রিয় দৌহিত্র হযরত হোসাইন (রাঃ) স্ব-পরিবারে তার সৈন্যবাহিনী নিয়ে মোয়াবিয়া পুত্র ইয়াজিদের হাতে শাহাদাৎ বরণ করেন । 

এ অধ্যায়কে ইসলামের ইতিহাস আজও বেদনার রক্তদিয়ে লেখা রয়েছে । তবে কারবালার এ করুন ট্র্যাজেডির পরেই ইসলাম নবরূপে আত্মপ্রকাশ করেছে বলেই ইসলামী স্কলারদের বিশ্বাস । তাদের মতে ‘কারবালার ত্যাগের পরেই ইসলাম জিন্দা হয়েছে’ । কারবালাই মুসলমানদের শিক্ষা দিয়ে গেছে, মর্সিয়া কিংবা ক্রন্দন নয় বরং ত্যাগ চাই । মুসলামানদের কাছে আশুরার ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য ব্যাপক । 

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg

প্রিয় নবী (সাঃ) অতি আদরের দৌহিত্র হযরত হোসাইন (রাঃ) ফোরাতের উপকূলে ইয়াজিদ বাহিনী কর্তৃক আহলে বাইতসহ কারবালার কংকরময় প্রান্তরে শাহাদাতের ঘটনাকেই আমরা মহররম ও আশুরার একমাত্র ঐতিহাসি ঘটনা বলে মনে করে থাকি । মূলত আশুরার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও মূল্যবোধের সাথে শুধু কারবালার নিষ্ঠুরতার ঘটনাই জড়িত নয় বরং কারবালার আহলে বাইতের শাহাদাতের ঘটনা আশুরার শেষ ও চূড়ান্ত হৃদয়বিদারক ঘটনা মাত্র । ইসলামের ইতিহাস অনুসারে এ দিনটি নানা কারনে গুরুত্বপূর্ণ ।

 এ দিনটি একটি পবিত্র দিন কেননা এ দিনেই আসমান ও যমিন সৃষ্টি করা হয়েছিল । এই দিনে পৃথিবীর প্রথম মানুষ হযরত আদম (আঃ) কে সৃষ্টি করা হয়েছে । ১০ই মহররম আল্লাহ নবীদেরকে স্ব স্ব শত্রুর হাত থেকে আশ্রয় প্রদান করেছেন । এই দিনে নবী মুসা (আঃ) এর শত্রু ফেরাউনকে নীল নদে ডুবিয়ে দেয়া হয় । হযরত নুহ (আঃ) এর কিস্তি ঝড়ের কবল হতে রক্ষা পেয়েছিল এবং তিনি জুদি পর্বতশৃঙ্গে নোঙ্গর ফেলেছিলেন এই দিনেই । 

এই দিনে হযরত দাউদ (আঃ) এর তওবা কবুল হয়েছিল, নমরুদের কবল থেকে হযরত ঈব্রাহীম (আঃ) উদ্ধার পেয়েছিলেন, হযরত আইয়ুব (আঃ) দূরারোগ্য ব্যাধি থেকে মুক্ত ও সুস্থতা লাভ করেছিলেন । এদিনে হযরত ঈসা (আঃ) কে আল্লাহ তায়ালা উর্ধ্বাকাশে উঠিয়ে নিয়েছিলেন ।

 হাদিস শরীফে বর্ণিত আছে যে ‘১০ই মহররম কেয়ামত সংগঠিত হবে’ (আল হাদীস) ।হিজরী ৬০ সনে পিতার মৃত্যুর পর ইয়াজিদ বিন মুয়াবিয়া নিজেকে মুসলিম বিশ্বের খলিফা হিসাবে ঘোষণা করে । অথচ ইয়াজিদ প্রকৃত মুসলমান ছিল না বরং মোনাফেক ছিল । সে এমনই পথভ্রষ্ট ছিল সে ইসলামে চিরতরে নিষিদ্ধ মধ্যপানকে সে বৈধ ঘোষণা করেছিল । অধিকন্তু সে একই সাথে দুই সহোদরাকে বিবাহ করাকেও বৈধ ঘোষণা করেছিল । শাসক হিসেবে সে ছিল স্বৈরাচারী ও অত্যাচারী । এ সকল কারণে হযরত হোসাইন (রাঃ) শাসক হিসেবে ইয়াজিদকে মান্য করতে অস্বীকৃতি জানান এবং কূফাবাসীর আমন্ত্রন ও ইসলামের সংস্কারের লক্ষ্যে মদীনা ছেড়ে মক্কা চলে আসেন । 

এখানে উল্লেখ্য যে, উমাইয়াদের শাসনামালে ইসলাম তার মূল গতিপথ হারিয়ে ফেলেছিল । হযরত ইমাম হোসাইন (রাঃ) মক্কা থেকে কুফার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন । শেষ পর্যন্ত তিনি কারবালার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন । এ সময় উমর ইবনে সা’দ আবি ওক্কাসের নেতৃত্বে চার হাজার সৈন্য কারাবালায় প্রবেশ করে । কয়েক ঘন্টা পর ইসলামের জঘন্য দুশমন শিমার ইবনে জিলজুশান মুরাদির নেতৃত্বে আরো বহু নতুন সৈন্য এসে আবি ওক্কাসের বাহিনীর সাথে যোগ হয় । অবশেষে বেজে ওঠে যুদ্ধের দামামা । 

এ যুদ্ধ সত্য এবং মিথ্যার দ্বন্ধের অবসান ঘটানোর সংগ্রাম । কারবালায় দুই পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নেয় । নানা নাটকীয় ঘটনার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয় । এই অসম যুদ্ধে ইমাম হোসাইন (রাঃ) এবং তার ৭২ জন সঙ্গী শাহাদৎ বরণ করেন । শিমার ইবনে জিলজুশান মুরাদি নিজে ইমাম হোসাইনের কণ্ঠদেশে ছুড়ি চালিয়ে তাকে হত্যা করে । আর সে বেদনাহত দিনটা ছিল হিজরী ৬১ সালের ১০ই মহররম । (তথ্যসূত্র-উইকিপিডিয়া)

সর্বশেষ সংবাদ

জামায়াতের ওপর ক্ষোভ, দুধ দিয়ে গোসল করে সমর্থন ছাড়লেন ফারুক

জামায়াতের ওপর ক্ষোভ, দুধ দিয়ে গোসল করে সমর্থন ছাড়লেন ফারুক

পাঁচবিবিতে সোনালী অতীত ফুটবল ক্লাবের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

পাঁচবিবিতে সোনালী অতীত ফুটবল ক্লাবের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ফুলবাড়ী সীমান্তে ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেটসহ যুবক আটক

ফুলবাড়ী সীমান্তে ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেটসহ যুবক আটক

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক কিলোমিটারে নতুন ক্লিনিক নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক কিলোমিটারে নতুন ক্লিনিক নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২০২৭ সালের মধ্যে ৭০ শতাংশ লেনদেন নগদবিহীন করার লক্ষ্য

২০২৭ সালের মধ্যে ৭০ শতাংশ লেনদেন নগদবিহীন করার লক্ষ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যেদিন ইরানে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল

যেদিন ইরানে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল

পিএইচপির নিরাপত্তাত্রুটিতে বিশ্বজুড়ে ওয়েবসাইট বন্ধ, সাইবার হামলার আশঙ্কা

পিএইচপির নিরাপত্তাত্রুটিতে বিশ্বজুড়ে ওয়েবসাইট বন্ধ, সাইবার হামলার আশঙ্কা

সোনারগাঁয়ে বাসায় ফেরার পথে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

সোনারগাঁয়ে বাসায় ফেরার পথে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, সরকারি চালও জোটেনি ৩ হাজার ২৯৪ জেলের

২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, সরকারি চালও জোটেনি ৩ হাজার ২৯৪ জেলের

সাইবার নিরাপত্তা আইন সংশোধনে কাজ চলছে: তথ্যমন্ত্রী পার্থ

সাইবার নিরাপত্তা আইন সংশোধনে কাজ চলছে: তথ্যমন্ত্রী পার্থ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

পিতা-মাতার সন্তুষ্টিতেই আল্লাহর সন্তুষ্টি, সদ্ব্যবহার সন্তানের অপরিহার্য কর্তব্য

পিতা-মাতার সন্তুষ্টিতেই আল্লাহর সন্তুষ্টি, সদ্ব্যবহার সন্তানের অপরিহার্য কর্তব্য

ইসলামে পিতা-মাতার প্রতি শ্রদ্ধা, আনুগত্য ও সদ্ব্যবহারকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। মহান আল্লাহর ইবাদতের নির্দেশ দেওয়ার পরই পবিত্র কোরআনে পিতা-মাতার সঙ্গে উত্তম আচরণের নির্দেশ এসেছে। এ কারণে তাঁদের অধিকার রক্ষা করা প্রত্যেক সন্তানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকীর আলোচনায় পিতা-মাতার মর্যাদা ও তাঁদের প্রতি সন্তানের কর্তব্যের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পিতা-মাতার সন্তুষ্টি অর্জন এবং

পবিত্র জমাদিউল আউয়াল মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত

পবিত্র জমাদিউল আউয়াল মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত

নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা’দ, আরবের শীতকাল জমাদিউল আউয়াল। আরবি বর্ষপঞ্জি বা হিজরি সনের পঞ্চম মাস হলো ‘জমাদিউল আউয়াল’। এর জোড়া মাস হলো ‘জমাদিউস সানি’, এটি হিজরি আরবি সনের ষষ্ঠ মাস। আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশে এই মাস দুটি ‘জমাদিউল আউয়াল’ ও ‘জমাদিউস সানি’ নামে সমধিক পরিচিত। এর বাংলা অর্থ হলো প্রথম জমাদা ও দ্বিতীয় জমাদা বা প্রথম শীত ও

পবিত্র জুমার দিনের ফজিলত: যে আমলগুলোতে মিলতে পারে অশেষ সওয়াব

পবিত্র জুমার দিনের ফজিলত: যে আমলগুলোতে মিলতে পারে অশেষ সওয়াব

মুসলিম উম্মাহর কাছে শুক্রবার একটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ দিন। ইসলামে এ দিনকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়। জুমার দিন মুসলমানরা মসজিদে সমবেত হয়ে জুমার নামাজ আদায় করেন, আল্লাহর ইবাদতে মশগুল হন এবং নিজেদের ভুল-ত্রুটির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী, শুক্রবার এমন একটি দিন, যেদিন আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা লাভের বিশেষ সুযোগ রয়েছে। তাই এ দিনটি শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না

জুমার দিনে যেসব আমল বদলে দিতে পারে জীবন

জুমার দিনে যেসব আমল বদলে দিতে পারে জীবন

জুমার দিন মুসলমানদের জন্য সপ্তাহের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ দিন। হাদিসে এ দিনের বিশেষ ফজিলতের কথা বর্ণিত হয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমার দিনের মর্যাদা উল্লেখ করে এটিকে গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে তুলে ধরেছেন। এ দিনে জুমার নামাজ আদায় করা হয়, যা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। কোরআনে জুমার নামাজের আজান হলে আল্লাহর স্মরণের দিকে এগিয়ে যেতে এবং বেচাকেনা ছেড়ে দিতে নির্দেশ দেওয়া

জুমার নামাজ মুমিনের সাপ্তাহিক ঈমান নবায়নের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

জুমার নামাজ মুমিনের সাপ্তাহিক ঈমান নবায়নের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

জুমার নামাজ ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক ইবাদত। প্রতি শুক্রবার মুসলমানরা মসজিদে একত্র হয়ে খুতবা শোনেন এবং জামাতে জুমার নামাজ আদায় করেন। কোরআনের সূরা জুমার ৯ নম্বর আয়াতে জুমার নামাজের আহ্বান হলে আল্লাহর স্মরণের দিকে এগিয়ে যেতে এবং বেচাকেনা ছেড়ে দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে বোঝা যায়, জুমার সময় পার্থিব ব্যস্ততার চেয়ে ইবাদতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার গুরুত্ব রয়েছে। জুমার দিনের বিশেষ মর্যাদার কথাও