প্রকাশ: ১০ ডিসেম্বর ২০২০, ৫:১২
জাকাত ইসলামি অর্থব্যবস্থার অতীব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিধান। ঈমান আনা ও নামাজ আদায়ের পর জাকাত নিয়মিত আদায় করেই একজন বিত্তবান ব্যক্তি মুসলিম সমাজের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেন। এখানে জাকাত সংক্রান্ত কিছু জরুরি মাসয়ালা উল্লেখ করা হলো- মাসয়ালা: প্রাপ্তবয়স্ক এবং বুদ্ধি-জ্ঞানসম্পন্ন মুসলমানের (নারী-পুরুষ) মালের ওপর কিছু শর্তসাপেক্ষে জাকাত ফরজ করা হয়েছে। যেসব শর্তসাপেক্ষে উপরোক্ত ব্যক্তির মালের ওপর জাকাত ধার্য হয় তা হলো- ১. মালের
"নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা'দ" প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আজ আমি হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী, আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই রমজান মাস এতে নাজিল হয়েছে পবিত্র কোরআন শরীফ সেই সম্পর্কে নিম্নে আলোচনা সংকিপ্ত আকারে তুলে ধরছি, "ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ" আল্লাহ তায়ালা বলেন : রমজান মাস, এতে নাজিল হয়েছে পবিত্র কোরআন, যা মানুষের দিশারি এবং স্পষ্ট নিদর্শন ও সত্যাসত্যের পার্থক্যকারী।
পবিত্র রমজান মাস মুসলমানদের জন্য এক মহিমান্বিত ও বরকতময় সময়। এ মাসের আগমনে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা আনন্দ প্রকাশ করে থাকেন, যা আল্লাহর অনুগ্রহের প্রতি কৃতজ্ঞতার প্রকাশ। কোরআনে আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দিয়েছেন—তাঁর দয়া ও অনুগ্রহের জন্য যেন মুমিনরা আনন্দিত হয়, কারণ তা পার্থিব সব সম্পদের চেয়েও উত্তম। রমজান মাসের অন্যতম মর্যাদা হলো—এ মাসে সিয়াম বা রোজা পালন ফরজ করা হয়েছে, যা ইসলামের পাঁচটি
আজ মঙ্গলবার দিবসের আলোকরেখা পশ্চিমে মিলিয়ে যাওয়ার পরই শুরু হবে অনেক মুসলমানের কাছে পরম কাঙ্ক্ষিত মহিমাময় রজনি—শবে বরাত। পাপ থেকে সর্বান্তকরণে ক্ষমা প্রার্থনা করে নিষ্কৃতি লাভের অপার সৌভাগ্যের রাত। শবে বরাত পালন নিয়ে আলেম-ওলামাদের মধ্যে দুস্তর মতভেদ বিদ্যমান। পালনের বিপক্ষের পাল্লা দিনে দিনে ভারী হচ্ছে। ইবনে মাজাহ ও বাইহাকীর একটি দুর্বল হাদিসে উল্লেখ আছে, হজরত আলি ইবনে আবি তালেব (রা.)
যাদের ধারণা রয়েছে যে, শবে বরাত এবং পনেরই শা’বান রাতের কোন অস্তিত্ব, কোন হাকিকত, ফযিলত এবং কোনরূপ বিশেষত্ব নেই, তারা যেন শবে বরাতের গুরুত্ব ও ফযিলত সম্পর্কে সিহাসিত্তার বিশ্বস্ত কিতাব জামে তিরমিযির ২য় খণ্ড ৭৩৯নং হাদিস খুলে দেখেন। তাদের জন্য উচিৎ হল এ সম্পর্কে জানা, হাদিসের কিতাবসমূহ খুলে দেখা এবং অজ্ঞতা বশতঃ মিথ্যা ফতওয়াবাজী করার পূর্বে এ বিষয়ে সঠিক জ্ঞান