প্রকাশ: ১০ ডিসেম্বর ২০২০, ৫:১২
ইসলাম শুধু ইবাদতের শিক্ষা দেয় না, মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ারও নির্দেশ দেয়। একজন মুসলমানের উত্তম চরিত্রের অন্যতম প্রকাশ হলো অন্যের উপকারে এগিয়ে আসা। বিপদে থাকা মানুষকে সহযোগিতা করা, অসহায়কে সাহায্য করা এবং মানুষের কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করাকে ইসলাম অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ আমল হিসেবে বিবেচনা করে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘সৎকর্ম ও তাকওয়ায় একে অন্যকে সহযোগিতা করো।’ এই নির্দেশনা থেকে বোঝা যায়, সমাজে
ইসলাম ধর্মে শুক্রবার একটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ দিন। মুসলমানদের কাছে সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় জুমার দিনের গুরুত্ব ও ফজিলত অনেক বেশি। এদিন নামাজ, দোয়া, জিকির ও বিভিন্ন নেক আমলের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের সুযোগ রয়েছে। তাই ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা শুক্রবারকে ইবাদত-বন্দেগিতে বিশেষভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেন। শুক্রবারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো জুমার নামাজ আদায় করা। প্রাপ্তবয়স্ক ও সামর্থ্যবান পুরুষ মুসলমানদের জন্য জুমার নামাজ
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাতের পুণ্য স্মৃতিবিজড়িত দিনটি ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালন করবেন বিশ্বের মুসলমানরা। প্রায় ১,৪০০ বছর আগে এই দিনে মানবজাতির হেদায়েতের আলো নিয়ে আখেরি নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন। ৬৩২ খ্রিস্টাব্দের একই দিনে তিনি ওফাত লাভ করেন। মহানবী (সা.) ইসলামের সর্বশেষ নবী ও রাসুল। ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে মক্কার অভিজাত কুরাইশ গোত্রে
মানুষের জীবনে ভুল, মতবিরোধ ও মনোমালিন্য স্বাভাবিক বিষয়। তবে ইসলাম মানুষকে প্রতিশোধের পরিবর্তে ক্ষমা, ধৈর্য ও উদারতার শিক্ষা দিয়েছে। কোরআন ও হাদিসে অন্যকে ক্ষমা করার মর্যাদা এবং এর মাধ্যমে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘যারা রাগ সংবরণ করে এবং মানুষকে ক্ষমা করে, আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন।’ এই আয়াত একজন মুমিনকে রাগের মুহূর্তেও নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার
ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সম্প্রদায়, জাতি ও ধর্মের সীমারেখা পেরিয়ে গোটা মানবজাতির জন্য কল্যাণ, শান্তি ও উত্তম আদর্শ নিয়ে আগমন করেছেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)। তিনি ছিলেন ‘রাহমাতুল্লিল আলামিন’—সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য রহমত। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসুলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ; তার জন্য, যে আল্লাহ ও পরকাল প্রত্যাশা করে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে।’ (সূরা আল-আহযাব: ২১) মহানবী