গণভোট বাতিল করা হলে নির্বাচিত জাতীয় সংসদ আইনগত হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে মন্তব্য করেছেন শিশির মনির। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী।
সোমবার (৩০ মার্চ) হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বিদ্যমান আইনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে গণভোট বাতিল করার কোনো সুযোগ নেই। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী যদি গণভোট অনুষ্ঠিত হয় এবং পরে তা বাতিল করা হয়, তাহলে সাধারণ নির্বাচনের ফলাফলও আইনি জটিলতার মধ্যে পড়তে পারে।
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচিত সংসদের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে এবং সাংবিধানিক সংকট তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই গণভোট সম্পর্কিত যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আইনি ও সাংবিধানিক বিষয়গুলো গভীরভাবে বিবেচনার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় তিনি আরও বলেন, গুম কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সংস্কার কমিশন এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগসংক্রান্ত অধ্যাদেশসহ প্রায় ২০টি অধ্যাদেশ বাতিলের উদ্যোগ উদ্বেগজনক। এসব বিষয়ে সরকারকে পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান শিশির মনির।
তিনি দাবি করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে গঠিত জাতীয় ঐক্যমত কমিশনে প্রায় ৩০টি বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য হয়েছিল। তবে বর্তমানে সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বিএনপি টালবাহানা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
রাজনৈতিক অঙ্গনে গণভোট ও অধ্যাদেশ ইস্যু নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।