যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে বর্তমানে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক ভালো অবস্থায় রয়েছে এবং একটি সম্ভাব্য পারমাণবিক চুক্তির দিকে দ্রুত অগ্রগতি হচ্ছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা রয়টার্স-কে দেওয়া এক ফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ভবিষ্যতে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রে আনা হতে পারে এবং এ বিষয়ে দুই দেশ যৌথভাবে কাজ করবে।
তিনি আরও জানান, ধাপে ধাপে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর অবশিষ্টাংশ বা তথাকথিত ‘পারমাণবিক ধুলো’ সংগ্রহ করা হতে পারে এবং তা যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তরের বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত বছরের বোমা হামলার পর ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনায় অবশিষ্ট উপাদানকেই তিনি এভাবে উল্লেখ করেছেন।
ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখাই চলমান উত্তেজনার মূল উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, চুক্তি চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ বহাল থাকবে। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ‘সম্ভবত এই সপ্তাহের শেষেই’ আরও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে পারে।
তবে ট্রাম্পের বক্তব্যের কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেন, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কোনো পরিস্থিতিতেই দেশের বাইরে নেওয়া হবে না এবং এমন কোনো পরিকল্পনাও নেই।
ট্রাম্প ইউরেনিয়ামের বিনিময়ে অর্থ লেনদেনের খবরও সরাসরি অস্বীকার করে বলেন, এ ধরনের দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা। চুক্তি সফল হলে তিনি ইসলামাবাদ সফরের সম্ভাবনার কথাও ইঙ্গিত দেন।