প্রকাশ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে সামরিক ও কূটনৈতিক চাপ বাড়াতে নতুন করে ১০ হাজারের বেশি সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যা অঞ্চলজুড়ে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন পোস্ট। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর কৌশলগত পরিকল্পনার অংশ।
বর্তমানে ‘ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ’ বিমানবাহী রণতরীসহ একটি শক্তিশালী নৌবহর মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশ্যে অগ্রসর হচ্ছে। এ বহরে প্রায় ৬ হাজার সেনা সদস্য রয়েছে এবং চলতি মাসেই তারা গন্তব্যে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে ইতোমধ্যে ওই অঞ্চলে ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’ এবং ‘ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড’ নামের দুটি বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন রয়েছে। নতুন রণতরী পৌঁছালে সেখানে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।
এর পাশাপাশি, চলতি মাসের শেষ দিকে ‘বক্সার অ্যাম্ফিবিয়াস রেডি গ্রুপ’ এবং ১১তম মেরিন এক্সপিডিশনারি ইউনিটের আরও প্রায় ৪ হাজার ২০০ সেনা সদস্য মধ্যপ্রাচ্যে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া অভিযানের পর এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনা ওই অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে অন্যতম বড় সমাবেশ।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বিপুল সামরিক উপস্থিতি একদিকে যেমন সম্ভাব্য আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে শক্তিশালী করবে, তেমনি এটি যেকোনো সময় বড় ধরনের সামরিক অভিযানের প্রস্তুতির ইঙ্গিতও বহন করে।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে।