
বিরল প্রজাতির সাকার ফিশ দেখা গিয়েছে বরিশালের হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের কাউরিয়া মাছ বাজারে। মাছ বিক্রেতার নাম জানতে চাইলে সে কিছুটা বিব্রত হন এবং নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, পুকুরে অন্যান্য মাছ ধরার সময় এই মাছ গুলো ধরা পড়েছে।
তবে এই মাছের নাম তিনি জানেন না, মাছ গুলো দেখতে সুন্দর এবং কেউ যদি পছন্দ করে ক্রয় করে সে কারণে বাজারে নিয়ে এসেছেন। কিভাবে মাছ গুলো পুকুরে এলো তা তার জানা নেই। মাছ চাষির ধারণা, যখন তারা অন্যান্য মাছের পোনা কিনেছেন সেখান থেকে পোনার সাথে এই পোনাও আসতে পারে।
জানা গিয়েছে, এই মাছ দেখে পুলকিত হলেও সাকার ফিশ পুকুরে বা জলাশয়ে চাষ করা, উৎপাদন বা বাজার জাত করার উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এগুলো বেশিরভাগ অ্যাকুরিয়ামের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত হয়। এসব মাছ যে পুকুরে থাকবে সেসব পুকুরের অন্যান্য মাছের বংশ বিস্তারে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। এই বিরল প্রজাতির সাকার ফিশ এক কেজিরও বেশি ওজন হতে পারে। এ ব্যাপারে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার এম এম পারভেজ জানান, এই মাছ একটি ক্ষতিকারক মাছ।

এগুলো যেকোনো পরিবেশে বাঁচতে পারে এবং দ্রুত বংশ বৃদ্ধি করে। দেশীয় প্রজাতির মাছের ডিম ও রেণু পোনা খেয়ে অন্যান্য মাছের বংশ বিস্তারে ক্ষতি করে। এছাড়াও এ মাছ দেশীয় প্রজাতির ছোট মাছ সহ জলজ পোকামাকড়, শেওলা, ছোট শামুক জাতীয় শক্ত খোলসযুক্ত প্রাণী খেয়ে পরিবেশের খাদ্য শৃঙ্খল নষ্ট করে। তাই এ মাছ গুলো দেখা মাত্রই মেরে ফেলাই উত্তম।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
