
প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২২, ২২:৩২

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের পাইকারি বাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে ভারত থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজসহ সব ধরনের পেঁয়াজের দাম কমেছে। বুধবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে হিলি স্থলবন্দর এর বাজার ঘুরে দেখা যায়, ভারতীয় পেঁয়াজ পাইকারি বাজারে প্রকারভেদে প্রতি কেজি ২ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ১২ টাকায় এবং দেশি পেঁয়াজ ৪-৫ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ১৭-১৮ টাকা দরে।
টানা ১২ দিন বন্ধ থাকার পর আবারও ভারতীয় পেঁয়াজের আমদানি শুরু হওয়া এবং বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহের কারণে দাম কমেছে বলছেন ব্যবসায়ীরা। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য পেঁয়াজের দাম কমাতে স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে।
বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা কোরবান আলী জানান, রমজান মাসে পেঁয়াজের প্রয়োজন অনেক বেশি। প্রতিটি রান্নার কাজে পেঁয়াজ প্রয়োজন হয়। পেঁয়াজের দাম কিছুটা স্বাভাবিক আছে। তবে সয়াবিন তেল, চিনি, আটা এবং চিনির বাজারে কোনো স্বস্তির খবর নেই। যার জন্য সাধারণ ভোক্তারা বিপাকে আছে। সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এমনটিই আশা তাদের।
হিলি বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা শাকিল খান জানান, এক সপ্তাহের ব্যবধানে ভারতীয় পেঁয়াজসহ সবধরনের পেঁয়াজ এর দাম কমেছে। ভারতীয় পেঁয়াজ প্রতি কেজি পাইকারি কিনতেছি ১২ টাকায়। আর খুচরা ওই পেঁয়াজ বিক্রি করতেছি প্রতি কেজি ১৪-১৫ টাকায়। অন্য দিকে দেশীয় পাইকারি ১৬-১৭ কেজি কিনে ১৮-১৯ টাকায় বিক্রি করছি।

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর রশিদ জানান, দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল রাখার জন্য নতুন (আইপি) অনুমতি পত্রের ভারতীয় পেঁয়াজের আমদানি শুরু করা হয়েছে। রমজান মাসে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির কোনো সম্ভাবনা নেই।
হিলি কাস্টমসের তথ্যমতে, গত ২৯ মার্চ পর টানা ১২ দিন বন্ধ থাকার পরে গত ১১ এপ্রিল সোমবার ভারতীয় ছয়টি ট্রাকে ১৬৮ টন ১২ এপ্রিল মঙ্গলবার সাতটি ভারতীয় ট্রাকে ১৯৪ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে এই স্থলবন্দর দিয়ে।