পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় কর্মরত নারী পুলিশ কনস্টেবল মেহেরুন্নেচ্ছা উর্মি (২৮)-এর রহস্যজনক মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২ মে) ভোররাতে টিয়াখালী ইউনিয়নের বাদুরতলী এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উর্মি কলাপাড়া থানায় কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি টিয়াখালী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে আমিরুল ইসলামের বাসায় স্বামী ও দুই সন্তানসহ ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
গতরাত আনুমানিক ২টার দিকে খবর পেয়ে কলাপাড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরের ফ্লোরে শোয়ানো অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় ঘরের ফ্যানের সঙ্গে একটি ওড়না পেঁচানো অবস্থায় দেখা যায়।
ঘটনার পর নিহতের স্বামী মহিবুর রহমান বাপ্পী (৩২)-কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তিনি বাউফল উপজেলার ইন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং নিজেও একজন পুলিশ সদস্য, বর্তমানে বরখাস্ত অবস্থায় আছেন।
নিহত উর্মি বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি দুই সন্তানের জননী—চার বছর বয়সী মেয়ে ফারিস্তা ও দেড় বছর বয়সী ছেলে ফারদিন।
কলাপাড়া থানার ওসি জানান, প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের জেরে আত্মহত্যার ধারণা পাওয়া যাচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত অব্যাহত আছে।
নিহতের পরিবার দাবি করেছে, এটি আত্মহত্যা নয়, বরং পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। অন্যদিকে স্বামীর দাবি, উর্মি আত্মহত্যা করেছেন।