প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২১, ২২:৩৮
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় খালে বাধঁ দিয়ে মাছ চাষ করছে প্রভাবশালীরা। এতে জলাবদ্ধতা সৃস্টি হয়। কৃষকদের ফসল ডুবে থাকতো পানির নিচে। অবশেষে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেপে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেয়েছে কৃষকরা। উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের পাঁচজুনিয়া গ্রামের প্রভাবশালীদের হাতে দখলে থাকা প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার খাল অবমুক্ত করে দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদুল হক। সোমবার ও মঙ্গলবার বৃষ্টির মধ্যে তিনি সরকারী এ খালে অবৈধভাবে দেয়া ১৬ টি বাঁধের মধ্যে ১০ টি বাঁধ কেটে দিয়েছেন।
এ সময় উপজেলা পরিষদ চেয়াম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এসএম রাকিবুল আহসান, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রিয়াজ তালুকদারসহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে প্রভাবশালীরা ওই খালটিতে অবৈধভাবে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করে আসছিলেন। ফলে ওই এলাকার ২ হাজার একর ফসলী জমির পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এতে অনাবাদী ছিলো কৃষি জমি।
এখন বাঁধ কেটে দেওয়ায় খুশি কৃষকরা। ওই এলাকার কৃষক শাহাবুদ্দিন হাওলাদার বলেন,তার চার একর জমির ধান গত বর্ষার সময় জলাবদ্ধতার কারনে সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। বাঁধ কেটে দেওয়ার করনে জলাবদ্ধতা থাকবে না। ক্ষেতের ফসল এখন আর নষ্ট হবেনা।ধানখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো.রিয়াজ তালুকদার বলেন, দীর্ঘ বছর ধরে প্রভাবশালীরা খাল দখল করে মাছ চাষ করে আসছিল। সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপস্থিত থেকে খালের বাঁধগুলো কেটে দিয়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদুল হক বলেন, ধানখালী ইউনিয়নের পাঁচজুনিয়া গ্রামে সাড়ে তিন কিলোমিটার খালের ১৬ টি অবৈধ বাঁধের মধ্যে ১০টি পয়েন্টে বাঁধ কেটে উন্মক্ত করা হয়েছে। বাকি চারটি বাঁধ বৈরী আবহাওয়ার কারনে কাটা হয়নি। আগামীকাল বাকি বাঁধ কাটা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।