প্রকাশ: ২৩ মে ২০২১, ২১:২৪
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় নারীসহ অন্তত ৮ জন আহত হয়েছে। রবিবার বেলা এগারোটায় উপজেলার চম্পাপুর ইউনিয়নের মধ্য চম্পাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করেছে। এর মধ্যে গুরুতর আহত জুয়েল গাজী (৪২) কে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।
আহত ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে ০৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যস জলিল ফকির ও চৌকিদার পারভেজ ফকিরের নেতৃত্বে মাছের ঘের করার জন্য জুয়েল গাজীর বাড়ির পাশে সরকারী জমিতে ভেকু দিয়ে মাটি কাটতেছিলো। এসময় জুয়েল গাজী তাদের বাঁধা প্রদান করেন। পরে ওই ইউপি সদস্য ও চৌকিদারের নেতৃত্বে প্রায় ৫০/৬০ জনের লাঠিয়াল বাহিনী জুয়েল গাজীর বাড়িতে প্রবেশ করে প্রথম দফায় হামলা চালায়।
পরবর্তীতে জুয়েল গাজীর ভাগনে সিফাত তার মোবাইলে হামলার ভিডিও ধারন করতে গেলে দ্বিতীয় দফায় ফের হামলা চালায় এবং তার মোবাইল নিয়ে যায়। এতে জুয়েল গাজী (৪২), তার স্ত্রী রোজিনা বেগম (৩২), ভাই সোহেল গাজী (৩৭), তার স্ত্রী টুলু বেগম (৩০), তাদের বোন ফাতেমা (৩৫), ছেলে জিসান (২০), ভাগনে সিফাত (২১) ও তার স্ত্রীর বড় ভাই রেজাউল খান (৪০) গুরুতর জখম হয়।
এসময় রেজাউল খানের সাথে থাকা দেড় লক্ষ টাকা নিয়া যায়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করে।
ইউপি সদস্য জলিল ফকির বলেন, প্রথম দফায় মারামারির সময় আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। দ্বিতীয় দফার মারামারিতে জুয়েল গাজী ও সোহেল গাজী দেশীয় রান্দা ছ্যানা নিয়ে আমাদের বাড়ির ছেলেপানের উপর হামলা চালানোর চেষ্টা চালায়। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রিন্টু তালুকদার বলেন, এ ঘটনায় বেশকিছু লোক আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে সরকারী জমি নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।
কলাপাড়া থানার ওসি তদন্ত আসাদুর রহমান জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।