রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬২২ ভাদ্র, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

বিশেষ প্রতিবেদন

যমুনার তীরে বেহুলা ভাসান, বেঁচে আছে বাংলার লোকঐতিহ্য

মোঃ নুর আলম, গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
মোঃ নুর আলম-গোপালপুর , উপজেলা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৫০

শেয়ার করুনঃ
যমুনার তীরে বেহুলা ভাসান, বেঁচে আছে বাংলার লোকঐতিহ্য

বেহুলা ভাসান বা শ্রাবণের ডালা ভাসান কেবল একটি লোকাচার নয়, এটি বাংলার লোকবিশ্বাস, মনসামঙ্গল কাব্যের কাহিনি, নদীমাতৃক জীবন ও গ্রামীণ সংস্কৃতির জীবন্ত প্রতিফলন। সময়ের পরিবর্তনে বাংলার অনেক প্রাচীন লোকাচার হারিয়ে গেলেও মানুষের বিশ্বাস, আবেগ ও সাংস্কৃতিক চর্চার ধারাবাহিকতায় এখনো টিকে আছে এই ঐতিহ্য।

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার শাখারিয়া এলাকায় প্রতিবছর শ্রাবণ মাসের শেষ দিকে যমুনা নদীর তীরে বেহুলা ভাসানকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। দূর-দূরান্ত থেকে সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষ এই আয়োজন দেখতে আসেন। স্থানীয়দের পাশাপাশি দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গবেষকরাও এতে অংশ নেন এবং বাংলার লোকসংস্কৃতির এই অনন্য ধারাকে কাছ থেকে জানার সুযোগ পান।

লোকাচার অনুযায়ী, কলাগাছ ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপকরণ দিয়ে ছোট ভেলা বা ডালা তৈরি করা হয়। ফুল, ফল, প্রদীপসহ নানা উপকরণ দিয়ে সেটি সাজানোর পর গান, কাহিনি, লাচারি ও বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নদীর পানিতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। লোকবিশ্বাসে এ আয়োজনের সঙ্গে বেহুলা-লখিন্দরের কাহিনি, মনসাদেবীর আরাধনা, মঙ্গলকামনা এবং মানুষের নানা আশা-আকাঙ্ক্ষার সম্পর্ক রয়েছে।

আরও

গোল্ডেন পেয়ারায় বদলাচ্ছে জুড়ীর পতিত জমির অর্থনীতি

গোল্ডেন পেয়ারায় বদলাচ্ছে জুড়ীর পতিত জমির অর্থনীতি
মনসামঙ্গল কাব্যের বেহুলা চরিত্র বাংলার লোকসাহিত্যে এক অনন্য প্রতীক। স্বামী লখিন্দরের জীবন রক্ষায় বেহুলার দীর্ঘ সংগ্রাম, ভালোবাসা, বিশ্বাস ও আত্মত্যাগের কাহিনি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বাংলার মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত। সেই কাহিনিকে ঘিরে গড়ে ওঠা বেহুলা ভাসান লোকসাহিত্য ও লোকবিশ্বাসের সঙ্গে নদীভিত্তিক জীবনযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক সংযোগ তৈরি করেছে।

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg
শাখারিয়ার আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ‘বেহুলা লাচারি’। স্থানীয় শিল্পীরা লাচারি গান, অভিনয়, কাহিনি ও সংলাপের মাধ্যমে বেহুলা-লখিন্দরের উপাখ্যান তুলে ধরেন। লোকজ বাদ্যযন্ত্র, গান ও অভিনয়ে নদীর তীরজুড়ে সৃষ্টি হয় ভিন্নমাত্রার সাংস্কৃতিক পরিবেশ।

এবারও শ্রাবণের শেষে যমুনার তীরে আয়োজিত বেহুলা ভাসানকে ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। শাখারিয়া বেহুলা লাচারি দলের আয়োজনে যুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রতিনিধি এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ওই বিভাগের শিক্ষক ড. কামাল উদ্দিন। উপস্থিত ছিলেন শাখারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আনজু আনোয়ারা ময়না ও কালিদাস রক্ষিতসহ সংশ্লিষ্টরা।

বেহুলাভাসানলোকসংস্কৃতিবাংলারসংস্কৃতি
https://enews71.com/storage/ads/01KTB48CFAEJRYTN4T9G053ER9.png

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg
আয়োজকদের মতে, এই আয়োজন হারিয়ে যেতে বসা লোকঐতিহ্য সংরক্ষণ ও নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

আরও

ছয় মাসেই রেকর্ড চা উৎপাদন, সুদিন ফিরছে দেশের বাগানে

ছয় মাসেই রেকর্ড চা উৎপাদন, সুদিন ফিরছে দেশের বাগানে

জনপ্রিয় সংবাদ

আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি হাবিবুল গনির শপথ

আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি হাবিবুল গনির শপথ

এখনও ফেরেনি তারা, থামেনি পরিবারের কান্না

এখনও ফেরেনি তারা, থামেনি পরিবারের কান্না

কাপ্তাই হ্রদের পানি বাড়ছে, ডুবেছে ঝুলন্ত সেতু

কাপ্তাই হ্রদের পানি বাড়ছে, ডুবেছে ঝুলন্ত সেতু

আত্রাইয়ে ঘরের ফ্যানের সঙ্গে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আত্রাইয়ে ঘরের ফ্যানের সঙ্গে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ছয় মাসে মালয়েশিয়ায় যাবে দুই লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক

ছয় মাসে মালয়েশিয়ায় যাবে দুই লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক

সর্বশেষ সংবাদ

রাজনগরে প্রকৃতির অপরূপ মেলবন্ধন 'ভুরভুরি বিল'

রাজনগরে প্রকৃতির অপরূপ মেলবন্ধন 'ভুরভুরি বিল'

টানা পাঁচ দিন বন্ধের পর হিলি বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু

টানা পাঁচ দিন বন্ধের পর হিলি বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু

পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে আদালত থেকে পালানো আসামি দুই দিন পর গ্রেপ্তার

পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে আদালত থেকে পালানো আসামি দুই দিন পর গ্রেপ্তার

আখক্ষেতে পেতে রাখা বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে নারীর মৃত্যু, প্রধান আসামি গ্রেফতার

আখক্ষেতে পেতে রাখা বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে নারীর মৃত্যু, প্রধান আসামি গ্রেফতার

গোপালপুরে ইয়াবা বিক্রির অভিযোগে নারীসহ ৩ জন আটক

গোপালপুরে ইয়াবা বিক্রির অভিযোগে নারীসহ ৩ জন আটক

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

ছয় মাসেই রেকর্ড চা উৎপাদন, সুদিন ফিরছে দেশের বাগানে

ছয় মাসেই রেকর্ড চা উৎপাদন, সুদিন ফিরছে দেশের বাগানে

নানা প্রতিকূলতা ও উৎপাদন ব্যয়ের চাপ কাটিয়ে দেশের চা শিল্পে আবারও সুদিনের আভাস দেখা দিয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত, সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং চায়ের নিলামে ভালো দাম পাওয়ায় চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদন হয়েছে। গত তিন বছরের প্রথমার্ধের তুলনায় এ উৎপাদন সর্বোচ্চ। চলতি বছরে দেশে ১০ কোটি ৪০ লাখ কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। জুন

গোল্ডেন পেয়ারায় বদলাচ্ছে জুড়ীর পতিত জমির অর্থনীতি

গোল্ডেন পেয়ারায় বদলাচ্ছে জুড়ীর পতিত জমির অর্থনীতি

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় পতিত ও পরিত্যক্ত জমিতে উন্নত জাতের পেয়ারা চাষ কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি করেছে। জায়ফরনগর ইউনিয়নের চম্পকলতা গ্রামের কৃষক ইমামুল হোসেন মাত্র দুই বিঘা জমিতে পেয়ারা বাগান করে সাফল্য পাওয়ার পর স্থানীয় অন্য কৃষকেরাও এ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। ইমামুল হোসেন উন্নত জাতের ‘গোল্ডেন এইট’ ও ‘গোল্ডেন টেন’-এর ৬৭টি চারা রোপণ করে বাগান শুরু করেন। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি প্রয়োগ

শ্রীমঙ্গলে কাঁটায় ভরা ক্যাকটাসে রাতজাগা ফুলের মুগ্ধতা

শ্রীমঙ্গলে কাঁটায় ভরা ক্যাকটাসে রাতজাগা ফুলের মুগ্ধতা

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার বিদ্যাবিল টি এস্টেটে দেখা মিলেছে বিরল একাধিক ফুলের কুঁড়ি বহনকারী কলামার ক্যাকটাসের। দৃষ্টিনন্দন এই ক্যাকটাসের সবুজ কাণ্ডের বিভিন্ন অংশে ফুটেছে সবুজ-হলুদ ফুল। কাঁটায় ভরা উদ্ভিদটির এমন ব্যতিক্রমী ফুল স্থানীয়দের পাশাপাশি উদ্ভিদপ্রেমীদেরও কৌতূহলী করে তুলেছে। ক্যাকটাস নানা বর্ণ ও বৈচিত্র্যের হয়ে থাকে। কোনো প্রজাতিতে কাঁটা কম, কোনোটি কাঁটায় ভরা। মরু অঞ্চলের উদ্ভিদ হলেও ঘরের গাছ হিসেবেও ক্যাকটাসের জনপ্রিয়তা বাড়ছে।

বিলুপ্তির শঙ্কা কাটিয়ে মৌলভীবাজারে ফিরছে পাহাড়ি ফল চাম কাঁঠাল

বিলুপ্তির শঙ্কা কাটিয়ে মৌলভীবাজারে ফিরছে পাহাড়ি ফল চাম কাঁঠাল

গ্রীষ্ম এলেই মৌলভীবাজারের পাহাড়, টিলা, চা-বাগান ও বনাঞ্চলে চোখে পড়ে এক বিশেষ ফল—চাম কাঁঠাল। সবুজ চা-বাগান আর টিলাবেষ্টিত প্রকৃতির মাঝে গাছের কাণ্ডজুড়ে ঝুলে থাকা এই ছোট আকারের ফল যেন প্রকৃতির অনন্য সৌন্দর্যের অংশ হয়ে ওঠে। স্থানীয়ভাবে এটি ‘চাপালিশ’ নামেও পরিচিত। দেখতে অনেকটা কাঁঠালের মতো হলেও আকারে ছোট এবং স্বাদে টক-মিষ্টি হওয়ায় সাধারণ কাঁঠাল থেকে এটি আলাদা। সম্প্রতি সরেজমিনে কমলগঞ্জ উপজেলার লাউয়াছড়া

৯০ বছরেও আয়তন বাড়েনি, শ্রীমঙ্গলে স্থাপন হয়নি স্থায়ী ‘ময়লার ডাম্পিং স্টেশন'

৯০ বছরেও আয়তন বাড়েনি, শ্রীমঙ্গলে স্থাপন হয়নি স্থায়ী ‘ময়লার ডাম্পিং স্টেশন'

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল পৌরসভা প্রতিষ্ঠার ৯০ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো জনবল সংকট, অপর্যাপ্ত নাগরিক সুবিধা এবং স্থায়ী বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাবে ধুঁকছে। প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হলেও ১৫৫টি অনুমোদিত পদের বিপরীতে ১৪৪টি পদ শূন্য রয়েছে। মাত্র ২ জন কর্মকর্তা ও ৯ জন কর্মচারী দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হচ্ছে পৌরসভার কার্যক্রম। একই সঙ্গে স্থায়ী ময়লার ডাম্পিং স্টেশন না থাকায় কলেজ রোডের খোলা স্থানে বর্জ্য