শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬৯ শ্রাবণ, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

আল্লাহর স্মরণ থেকে বিরত থাকার শাস্তি

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৩, ১৭:৯

শেয়ার করুনঃ
আল্লাহর স্মরণ থেকে বিরত থাকার শাস্তি

জিকির না করার শাস্তি মারাত্মক। জিকির না করা ব্যক্তিদের আল্লাহ তাআলা দুই ধরণের শাস্তি দেবেন। যে/যারা জিকির থেকে নিজেদের বিরত রাখবে, আল্লাহর জিকির করবে না; আল্লাহ তাআলা দুনিয়া ও পরকালে তাদের দুই ধরণের শাস্তি দেবেন। যে কারণে বেশি বেশি জিকির করা জরুরি। কিন্তু জিকির থেকে বিরত থাকা ব্যক্তিদের শাস্তি কী হবে?

আল্লাহ তাআলা সুরা ত্বহার ১২০নং আয়াতে এ বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। দুনিয়া ও পরকালের শান্তির বর্ণনা দিয়েছেন। জিকির না করার পরিণতি তুলে ধরে আল্লাহ তাআলা বলেন-

আরও

তাওয়াক্কুল ও ধৈর্যেই মুমিনের প্রকৃত সফলতা

তাওয়াক্কুল ও ধৈর্যেই মুমিনের প্রকৃত সফলতা

وَ مَنۡ اَعۡرَضَ عَنۡ ذِکۡرِیۡ فَاِنَّ لَهٗ مَعِیۡشَۃً ضَنۡکًا وَّ نَحۡشُرُهٗ یَوۡمَ الۡقِیٰمَۃِ اَعۡمٰی

‘আর যে আমার স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, তার জীবিকা সংকীর্ণ হবে আর আমি তাকে কেয়ামতের দিন অন্ধ অবস্থায় উত্থিত করবো।’ (সুরা ত্বহা: আয়াত ১২০)

আরও

জুমার দিনের ইবাদত মুমিনের আত্মশুদ্ধির অন্যতম শ্রেষ্ঠ সুযোগ

জুমার দিনের ইবাদত মুমিনের আত্মশুদ্ধির অন্যতম শ্রেষ্ঠ সুযোগ

এ আয়াতে আল্লাহর স্মরণ বলতে কোরআনের সব বিধি-বিধানকে বোঝানো হয়েছে। যারা কোরআনের আনুগত্য করবে না; তারাই দুনিয়া ও পরকালে শাস্তি ভোগ করবে। যারা কোরআন ছাড়া অন্য কোনো বিধান মানবে পরিণামে তার জীবিকা সংকীর্ণ হবে। (ইবনেকাসির)

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

https://enews71.com/storage/ads/01KTB48CFAEJRYTN4T9G053ER9.png

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

সংকীর্ণ জীবন কী?

কোরআনের ভাষ্যে ওই সব লোকদের জন্য সংকীর্ণ ও তিক্ত জীবনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে; যারা আল্লাহর কোরআন ও তাঁর রাসুলের প্রদর্শিত পথে চলতে অপারগ হয়। কিন্তু তাদের সে সংকীর্ণ ও তিক্ত জীবন কোথায় হবে তা নির্ধারণে একাধিক মত রয়েছে-

১. তাদের দুনিয়ার জীবন হবে সংকীর্ণ। তাদের কাছ থেকে অল্পে তুষ্টির গুণ ছিনিয়ে নেয়া হবে এবং সাংসারিক লোভ-লালসা বাড়িয়ে দেওয়া হবে। যা তাদের জীবনকে অতিষ্ট করে তুলবে। ফলে তাদের কাছে যত অর্থ-সম্পদই সঞ্চিত হোক না কেন, আন্তরিক শান্তি তাদের ভাগ্যে জুটবে না। সদা-সর্বদা সম্পদ বৃদ্ধি করার চিন্তা এবং ক্ষতির আশঙ্কা তাদেরকে অস্থির করে তুলবে। কেননা, সুখ-শান্তি অন্তরের স্থিরতা ও নিশ্চিন্ততার মাধ্যমেই অর্জিত হয়; শুধু প্রাচুর্য্যে নয়।’ (ইবন কাসির, ফাতহুল কাদির)

২. অনেক তাফসিরকারের মতে সংকীর্ণ জীবন বলতে এখানে কবরের জীবনকে বোঝানো হয়েছে।’ (ইবনে কাসির) অর্থাৎ তাদের কবর বিভিন্ন প্রকার শাস্তির মাধ্যমে তাদের উপর সংকীর্ণ হয়ে যাবে। এতে করে কবরে তাদের জীবন দুর্বিষহ হবে। তাদের বাসস্থান কবর তাদেরকে এমনভাবে চাপ দেবে যে, তাদের পাঁজর ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাবে। এক হাদিসে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বয়ং (مَعِيشَةً ضَنْكًا) এর তাফসিরে বলেছেন যে, এখানে কবর জগত ও সেখানকার আজাব বোঝানো হয়েছে।’ (মুসতাদরাকে হাকেম, ইবনে হিব্বান)

তাছাড়াও বিভিন্ন বিশুদ্ধ হাদিসে কবরের জিন্দেগীর বিভিন্ন শাস্তির যে বর্ণনা এসেছে, তা থেকে বুঝা যায় যে, যারা আল্লাহ, কোরআন ও রাসুলের প্রদর্শিত দ্বীন থেকে বিমুখ হবে, কবরে তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি।

নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘মুমিন তার কবরে সবুজ প্রশস্ত উদ্যানে অবস্থান করবে। আর তার কবরকে ৭০ গজ প্রশস্ত করা হবে। পূর্নিমার চাঁদের আলোর মত তার কবরকে আলোকিত করা হবে। তোমরা কি জান আল্লাহর আয়াত (তাদের জন্য রয়েছে সংকীর্ণ জীবন) কাদের সম্পর্কে নাজিল হয়েছে? তোমরা কি জানো সংকীর্ণ জীবন কী? সাহাবায়ে কেরাম বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসুলই ভালো জানেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তাহলো- কবরে অস্বীকারকারীর শাস্তি। যার হাতে আমার জীবন, তার শপথ করে বলছি- তাকে ন্যস্ত করা হবে ৯৯টি বিষাক্ত তিন্নিন সাপের কাছে। তোমরা কি জানো তিন্নিন কী? তিন্নিন হলো- ৯৯টি সাপ। প্ৰত্যেকটি সাপের রয়েছে ৭টি মাথা। যেগুলো দিয়ে সে কাফেরের শরীরে কেয়ামত পর্যন্ত ছোবল মারতে থাকবে, কামড়াতে ও ছিড়তে থাকবে।’ (ইবনে হিব্বান, দারেমি, মুসনাদে আহমাদ)

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg

অন্ধত্বের জীবন

যারা নিজেদের আল্লাহর স্মরণ থেকে বিরত রাখে কেয়ামতের দিন অন্ধ অবস্থায় তাদের হাশর করা হবে। এখানে অন্ধ অবস্থার কয়েকটি অর্থ হতে পারে-

১. বাস্তবিকই সে অন্ধ হয়ে উঠবে।

২. সে জাহান্নাম ছাড়া আর কিছুই দেখতে পাবে না।

২. সে তার পক্ষে পেশ করার মতো কোনো যুক্তি থেকে অন্ধ হয়ে যাবে। কোনো প্রকার প্রমাণাদি পেশ করা থেকে অন্ধ হয়ে থাকবে।’ (ইবনে কাসির, ফাতহুল কাদির)

৪. জ্ঞান থেকে বঞ্চিত অবস্থায়। অর্থাৎ কেয়ামতের দিন এমন কোন প্রমাণ তার মাথায় আসবে না, যা পেশ করে সে আজাব হতে নিজেকে বাঁচাতে পারে।

তখন তার পরবর্তী আয়াতের অর্থ হবে- সে বলবে, হে আমার রব! আমাকে কেন আমার যাবতীয় যুক্তিহীন অবস্থায় হাশর করেছেন? আল্লাহ উত্তরে বলবেন, অনুরূপভাবে তোমার কাছে আমার নিদর্শনসমূহ এসেছিল, কিন্তু তুমি সেগুলো ত্যাগ করে ভুলে বসেছিলে, তাই আজকের দিনেও তোমাকে যুক্তি-প্রমাণহীন অবস্থায় অন্ধ করে ত্যাগ করা হবে, ভুলে যাওয়া হবে। কারণ এটা তো তোমারই কাজের যথোপযুক্ত ফল।’ (ইবসে কাসির)

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, সব সময় মহান রবের সব বিধিবিধান মেনে চলা। বেশি বেশি আল্লাহর জিকির করা। দুনিয়ার প্রতিটি কাজে মহান রবের নির্দেশ মতে জীবন পরিচালনা করা। তবেই দুনিয়ার জীবনের সংকীর্ণতা এবং পরকালের অন্ধ হয়ে ওঠা থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে দুনিয়ায় মহান রবের বিধিবিধান মেনে জীবন গঠনের তাওফিক দান করুন। বেশি বেশি আল্লাহর জিকির করার তাওফিক দান করুন। কোরআনের ঘোষিত শাস্তি দুটি থেকে হেফাজত থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

সর্বশেষ সংবাদ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে পৌঁছালো ৩৬.৪৮ বিলিয়ন ডলারে

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে পৌঁছালো ৩৬.৪৮ বিলিয়ন ডলারে

দুদফা বৃদ্ধির পর বড় পতনে সোনার বাজারে নতুন চমক

দুদফা বৃদ্ধির পর বড় পতনে সোনার বাজারে নতুন চমক

রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে গুজব নয়, দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান ফখরুলের

রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে গুজব নয়, দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান ফখরুলের

সুরমা কুশিয়ারায় পানি বাড়লেও বন্যার শঙ্কা দেখছে না পাউবো

সুরমা কুশিয়ারায় পানি বাড়লেও বন্যার শঙ্কা দেখছে না পাউবো

ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান, উত্তেজনা আরও বাড়ল

ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান, উত্তেজনা আরও বাড়ল

জনপ্রিয় সংবাদ

আত্রাইয়ে শুরু ডিজিটাল ‘কৃষক কার্ড’ বাস্তবায়নের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম

আত্রাইয়ে শুরু ডিজিটাল ‘কৃষক কার্ড’ বাস্তবায়নের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম

গণভোট বাস্তবায়ন না হলে সরকারও মানা হবে না: ডা. শফিকুর

গণভোট বাস্তবায়ন না হলে সরকারও মানা হবে না: ডা. শফিকুর

ঘোড়াঘাটে গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন গোবিন্দগঞ্জ একাদশ

ঘোড়াঘাটে গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন গোবিন্দগঞ্জ একাদশ

টেকনাফ বর্ডার গার্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

টেকনাফ বর্ডার গার্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

আগামী তিনদিন বৃষ্টি বাড়বে, বন্যা পরিস্থিতি অবনতির পূর্বাভাস

আগামী তিনদিন বৃষ্টি বাড়বে, বন্যা পরিস্থিতি অবনতির পূর্বাভাস

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

জুমার দিনের ইবাদত মুমিনের আত্মশুদ্ধির অন্যতম শ্রেষ্ঠ সুযোগ

জুমার দিনের ইবাদত মুমিনের আত্মশুদ্ধির অন্যতম শ্রেষ্ঠ সুযোগ

ইসলামে জুমার নামাজ সপ্তাহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতগুলোর একটি। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে জুমার নামাজের গুরুত্ব, মর্যাদা এবং তা যথাযথভাবে আদায়ের বিষয়ে বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ ও স্থায়ীভাবে বসবাসকারী মুসলিম পুরুষদের জন্য জুমার নামাজ ফরজ। এই নামাজ শুধু একটি ইবাদত নয়, বরং মুসলিম সমাজে ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব ও পারস্পরিক সম্প্রীতি বৃদ্ধিরও গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। পবিত্র কোরআনের সূরা আল-জুমুআয় আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দিয়েছেন,

তাওয়াক্কুল ও ধৈর্যেই মুমিনের প্রকৃত সফলতা

তাওয়াক্কুল ও ধৈর্যেই মুমিনের প্রকৃত সফলতা

ইসলাম মানুষকে সব পরিস্থিতিতে আল্লাহর ওপর ভরসা (তাওয়াক্কুল) এবং ধৈর্য ধারণের শিক্ষা দেয়। সুখ-দুঃখ, প্রাচুর্য-অভাব কিংবা বিপদ-আপদ—প্রতিটি অবস্থায় একজন মুমিনের করণীয় হলো আল্লাহর নির্দেশ মেনে চলা এবং তাঁর সিদ্ধান্তের ওপর সন্তুষ্ট থাকা। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।” (সুরা আল-বাকারা: ১৫৩)। এই আয়াত থেকে বোঝা যায়, ধৈর্য শুধু একটি উত্তম গুণ নয়, বরং এটি আল্লাহর বিশেষ সাহায্য

লন্ডনে আল্লামা দুবাগী (রহ.)-এর ষষ্ঠ ঈসালে সাওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠিত

লন্ডনে আল্লামা দুবাগী (রহ.)-এর ষষ্ঠ ঈসালে সাওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠিত

লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী ব্রিকলেন জামে মসজিদে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামী চিন্তাবিদ, পীরে কামিল হযরত আল্লামা মুফতী মুজাহিদ উদ্দীন চৌধুরী দুবাগী (রহ.)-এর ষষ্ঠ বার্ষিক ঈসালে সাওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার আয়োজিত এ মাহফিলে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহরসহ দেশ-বিদেশ থেকে আগত আলেম-উলামা, পীর-মাশায়েখ, শিক্ষাবিদ ও অসংখ্য ধর্মপ্রাণ মুসল্লির উপস্থিতিতে ধর্মীয় আবহের সৃষ্টি হয়। আল্লামা দুবাগী (রহ.) ঈসালে সাওয়াব মাহফিল কমিটির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তাঁর

জুমার দিনে আমল বাড়ানোর আহ্বান, রহমত ও ক্ষমার বার্তা

জুমার দিনে আমল বাড়ানোর আহ্বান, রহমত ও ক্ষমার বার্তা

আজ শুক্রবার, মুসলিম উম্মাহর জন্য সপ্তাহের সর্বশ্রেষ্ঠ ও বরকতময় দিন। ইসলামে জুমার দিনের বিশেষ মর্যাদা রয়েছে। এ দিনকে ‘সাইয়্যিদুল আইয়াম’ বা সব দিনের সেরা দিন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পবিত্র এই দিনে আল্লাহ তাআলা বান্দাদের জন্য রহমত, বরকত ও ক্ষমার বিশেষ সুযোগ রেখেছেন। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, জুমার দিনে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে যখন কোনো মুসলিম বান্দা একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর কাছে দোয়া করলে

জুমার দিনের শ্রেষ্ঠ আমল, ইসলামের আলোকে করণীয় জানুন

জুমার দিনের শ্রেষ্ঠ আমল, ইসলামের আলোকে করণীয় জানুন

ইসলামে সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে জুমার দিনের বিশেষ মর্যাদা রয়েছে। পবিত্র এই দিনটি মুসলমানদের জন্য রহমত, বরকত ও ক্ষমা লাভের অন্যতম সুযোগ। কোরআন ও হাদিসে জুমার দিনের বিভিন্ন আমলের প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। বিশেষ করে জুমার নামাজ আদায়, বেশি বেশি দরুদ শরিফ পাঠ, দোয়া, তওবা, কোরআন তিলাওয়াত এবং সূরা কাহফ পাঠের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ইসলামী চিন্তাবিদরা বলেন, জুমার দিনের