বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

যে কারণে সব ধরনের খাবার খেতেন না বিশ্বনবি

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৩ আগস্ট ২০২১, ১৫:৫৬

শেয়ার করুনঃ
যে কারণে সব ধরনের খাবার খেতেন না বিশ্বনবি

পাকস্থলীর ওপর চাপ পড়ে এবং ফুসফুসের কার্যকারীতা হ্রাস পায় এমন খাবার ও পানীয় থেকে বিরত থাকতেন বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।  এমনকি এ জাতীয় খাবার গ্রহণের কথাও কাউকে বলতেন না তিনি। অতিরিক্ত স্বাদ ও রুচির জন্য বেশি মসলাযুক্ত খাবার খাওয়া থেকেও বিরত থাকার উপদেশ দিতেন।

তবে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সব সময় স্বাস্থ্য সম্মত খাবার পছন্দ করতেন। আর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর খাবার থেকে বিরত থাকতেন। যেসব খাবার থেকে তিনি বিরত থাকতেন; তাহলো-

আরও

হঠাৎ তিনদিন হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনাতে না থাকার অশ্রুশিক্ত ঘটনা

হঠাৎ তিনদিন হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনাতে না থাকার অশ্রুশিক্ত ঘটনা

১. বেশি মিহি ময়দার পাতলা চাপালা পছন্দ করতেন না। তিনি চালাবিহীন আটার রুটি পছন্দ করতেন।

২. স্বাদ ও রুচির জন্য অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার থেকে বিরত থাকতেন।

আরও

এতিমদের অধিকার রক্ষায় ইসলামের কঠোর নির্দেশনা

এতিমদের অধিকার রক্ষায় ইসলামের কঠোর নির্দেশনা

৩. যেসব খাবার দ্রুত হজম হয় না; তা খাওয়া থেকেও বিরত থাকতেন।

বিশ্বনবিসব ধরনের খাবার খেতেন
https://enews71.com/storage/ads/01KTB48CFAEJRYTN4T9G053ER9.png

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

৪. অতিরিক্ত স্বাদ ও রুচিসম্মত খাবার ও বেশি খেতেন না।

৫. অতিরিক্ত গরম যে কোনো খাবার থেকেই তিনি বিরত থাকতেন। যে খাদ্য থেকে ধোঁয়া বের হয়, এরূপ খাবারও খেতেন না প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। এ রকম অতিরিক্ত গরম খাবার ঠাণ্ডা হওয়া পর্যন্ত তিনি অপেক্ষা করতেন। অতিরিক্ত গরম খাবার সম্পর্কে তিনি কখনও কখনও বলতেন-'আল্লাহ তাআলা আমাদের আগুন খাওয়ানি।' আবার কখনও বলতেন, 'গরম খাদ্যে বরকত নেই।'

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনও অতিরিক্ত খাবারও খেতেন না। এক নাগাড়ে শুদু খাবার খাওয়ার উপর থাকতেও নিষেধ করেছেন। অতিরক্তি খাবার খাওয়া সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলতেন-

' মুমিন এক অন্ত্রণালীতে খাবার খায়। আর কাফের অবিশ্বাসীরা সাত অন্ত্রণালীতে খাবার খায়।' (তিরমিজি)মনে রাখতে হবে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হালাল কোনো খাবারকেই খারাপ বলেননি। হাদিসে এসেছে-

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনও কোনো খাবারকে খারাপ বলেননি। তিনি কোনো খাবার পছন্দ হলে খেয়েছেন আর অপছন্দ হলে তা ত্যাগ করেছেন।’ (বুখারি)

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অপছন্দনীয় খাবারগুলো খাওয়া থেকে বিরত থাকা। যেসব খাবার সুস্থতা ও সুস্বাস্থ্যের জন্য উপকারি, তা খাওয়া। খাবার গ্রহণেও মধ্যমপন্থা অবলম্বন করা। তবেই সুস্থ শরীর, দেহ ও মনের অধিকারী হবে মুমিন।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সঠিক নিয়মে যথাযথ খাবার গ্রহণ করার তাওফিক দান করুন। অতিরক্তি গরম ও মসলাযুক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন। খাবারের সময় নিজেদের সংযত রাখার তাওফিক দান করুন। খাবার নিয়ন্ত্রণ করে সুস্থ থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন দখলচেষ্টা ব্যর্থ, স্বস্তিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা

ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন দখলচেষ্টা ব্যর্থ, স্বস্তিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা

তুরস্ককে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল দেওয়ার প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ

তুরস্ককে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল দেওয়ার প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ

ভূরুঙ্গামারী বাজারে ভয়াবহ আগুনে শতাধিক দোকান পুড়ে ছাই

ভূরুঙ্গামারী বাজারে ভয়াবহ আগুনে শতাধিক দোকান পুড়ে ছাই

সাপাহার সীমান্তে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ করল বিজিবি

সাপাহার সীমান্তে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ করল বিজিবি

গোপালপুরে সংঘর্ষে নিহত ১, দুই গ্রামে ১৪৪ ধারা জারি

গোপালপুরে সংঘর্ষে নিহত ১, দুই গ্রামে ১৪৪ ধারা জারি

সর্বশেষ সংবাদ

টেকনাফে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: অপহৃত ৫ শিশু-কিশোর উদ্ধার

টেকনাফে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: অপহৃত ৫ শিশু-কিশোর উদ্ধার

ত্রিমাত্রিক নেশায় ধ্বংস হচ্ছে সরাইলের তরুণরা

ত্রিমাত্রিক নেশায় ধ্বংস হচ্ছে সরাইলের তরুণরা

বরিশালের কেডিসি বস্তিতে মজুদকৃত ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার

বরিশালের কেডিসি বস্তিতে মজুদকৃত ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার

বিজিবি’র অভিযান: উখিয়া সীমান্তে সাড়ে ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার

বিজিবি’র অভিযান: উখিয়া সীমান্তে সাড়ে ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার

হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত

হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

পারস্পরিক সম্মানেই টিকে থাকে সুখী দাম্পত্য জীবন

পারস্পরিক সম্মানেই টিকে থাকে সুখী দাম্পত্য জীবন

পরিবার সমাজের মূল ভিত্তি, আর সেই পরিবারের কেন্দ্রবিন্দু হলো স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক। ইসলাম স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা, সম্মান, সহযোগিতা এবং দায়িত্বশীলতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে উভয়ের অধিকার ও কর্তব্য স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। ইসলাম অনুযায়ী, স্বামীর অন্যতম দায়িত্ব হলো স্ত্রীর ভরণপোষণ, নিরাপত্তা এবং মর্যাদা নিশ্চিত করা। স্ত্রীকে সম্মানজনক আচরণ করা এবং তার ন্যায্য অধিকার আদায় করা

নারী শিশুর মর্যাদা রক্ষায় ইসলামের সুস্পষ্ট নির্দেশনা

নারী শিশুর মর্যাদা রক্ষায় ইসলামের সুস্পষ্ট নির্দেশনা

নারী ও শিশুর অধিকার রক্ষায় ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ ও মানবিক জীবনব্যবস্থা উপস্থাপন করেছে। ইসলাম নারী ও শিশুকে সমাজের দুর্বল অংশ হিসেবে নয়, বরং সম্মানিত ও অধিকারসম্পন্ন মানুষ হিসেবে বিবেচনা করে। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে নারী ও শিশুর নিরাপত্তা, শিক্ষা, ভরণপোষণ, মর্যাদা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইসলাম-পূর্ব আরব সমাজে কন্যাশিশুকে অবহেলা করা হতো, এমনকি জীবন্ত কবর দেওয়ার

হঠাৎ তিনদিন হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনাতে না থাকার অশ্রুশিক্ত ঘটনা

হঠাৎ তিনদিন হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনাতে না থাকার অশ্রুশিক্ত ঘটনা

। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী। নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা’দ” প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আজ আমি আপনাদের হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী, আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই হঠাৎ তিনদিন হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনাতে না থাকার অশ্রুশিক্ত ঘটনাটি নিয়ে সেই সম্পর্কে নিম্নে সংকিপ্ত আকারে আলোচনা তুলে ধরছি, ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ একটি ঘটনা পরলে চোখের পানি চলে আসবে পড়তে পড়তে কখন কেঁদে ফেলেছি

জুমার দিনে সবচেয়ে উত্তম আমল দরুদ পাঠ ও নামাজ

জুমার দিনে সবচেয়ে উত্তম আমল দরুদ পাঠ ও নামাজ

ইসলামে জুমার দিনকে সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। পবিত্র এই দিনে আল্লাহ তাআলা বিশেষ রহমত, বরকত ও মাগফিরাতের দরজা খুলে দেন। তাই মুসলমানরা এ দিনে বিভিন্ন ইবাদত ও নেক আমলের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের চেষ্টা করেন। ইসলামি গবেষক ও আলেমদের মতে, জুমার দিনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আমল হলো সময়মতো জুমার নামাজ আদায় করা, বেশি বেশি দরুদ শরিফ পাঠ করা এবং

এতিমদের অধিকার রক্ষায় ইসলামের কঠোর নির্দেশনা

এতিমদের অধিকার রক্ষায় ইসলামের কঠোর নির্দেশনা

ইসলাম এতিমদের প্রতি সহানুভূতি, দয়া ও দায়িত্বশীল আচরণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এতিমদের অধিকার রক্ষা, তাদের ভরণ-পোষণ নিশ্চিত করা এবং সম্পদের নিরাপত্তা বিধানের ব্যাপারে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইসলামের দৃষ্টিতে এতিম হলো সেই শিশু, যে বালেগ হওয়ার আগে পিতাকে হারায়। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন আয়াতে এতিমদের প্রতি সদাচরণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে তাদের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভোগ