সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬৩ ভাদ্র, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

ইতেকাফে বসার আগে যেসব মাসআলা ও তথ্য জেনে নেয়া জরুরি

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৩ মে ২০২১, ১০:১৪

শেয়ার করুনঃ
ইতেকাফে বসার আগে যেসব মাসআলা ও তথ্য জেনে নেয়া জরুরি

২০ রমজান মোতাবেক ৩ মে সন্ধ্যা থেকেই ইতেকাফে বসবে রোজাদার মুসলমান। এ ইতেকাফ কী? কেন ইতেকাফে বসবে রোজাদার? ইতেকাফের শর্ত ও তথ্যগুলো কী? ইতেকাফে বসার আগে যে বিষয়গুলো জেনে নেয়া জরুরি, সেসবের কিছু তথ্য তুলে ধরা হলো-

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একটি গুরুত্বপূর্ণ রমজানের নিয়মিত আমল হলো ইতেকাফ। তিনি রমজানের শেষ দশ দিন এ ইবাদত করতেন। এ দশকে লাইলাতুল কদর পাওয়া এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ইতেকাফ অনেক জরুরি বিষয়। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম আমৃত্যু ইতেকাফ করে গেছেন।

আরও

তাওয়াক্কুল ও ধৈর্যেই মুমিনের প্রকৃত সফলতা

তাওয়াক্কুল ও ধৈর্যেই মুমিনের প্রকৃত সফলতা

ইতেকাফ কী?

ইতেকাফ শব্দের হলো আঁকড়ে ধরা অর্থাৎ উদ্দেশ্য হাসিলের নিমিত্তে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরা ও তার প্রতি মনকে আবদ্ধ রাখা। ইসলামি শরিয়তে আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য মসজিদে অবস্থান করাকে ইতেকাফ বলে।

আরও

তাওয়াক্কুল ও ধৈর্যেই মুমিনের প্রকৃত সফলতা

তাওয়াক্কুল ও ধৈর্যেই মুমিনের প্রকৃত সফলতা

ইতিকাফে বসবেন কেন?

আগের সব নবি-রাসুলগণ ও তাদের উম্মতগণ শ’ কিংবা হাজার বছর হায়াত (জীবন) পেয়েছেন। তারা বছরের পর বছর আল্লাহ ইবাদাত-বন্দেগিতে কাটাতেন। সে হিসেবে আল্লাহ তাআলা আমাদের অল্প আয়ু বা জীবনকাল দিয়েছেন।

তাই মহান আল্লাহ তাআলা উম্মাতে মুহাম্মাদির জন্য দান করেছেন মহিমান্বিত লাইলাতুল কদর। যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। যা রমজানের শেষ দশকের যে কোনো এক বেজোড় রাতে সংঘঠিত হয়। ইতেকাফকারীদের অধিকাংশেরই এ রাতটি পাওয়ার সৌভাগ্য হয়ে থাকে।

এ কারণেই মুসলিম উম্মাহ রমজানের শেষ দশকে লাইলাতুল কদর পাওয়ার আশায় ইতেকাফে বসেন। ইতেকাফে বসা প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর যখন তোমরা মসজিদ ইতিকাফে বসো তখন স্ত্রীদের সাথে সহবাস করো না। এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত সীমারেখা; এর ধারে কাছেও যেও না।’

ইতিকাফে বসার অর্থই হচ্ছে, রমজানের শেষ দশ দিন মসজিদে অবস্থান করা এবং এই  দিনগুলোকে আল্লাহর জিকিরের জন্য নির্দিষ্ট করা। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুনিয়ার জীবনে রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করে গেছেন। (বুখারি, মুসলিম)।

ইতেকাফের গুরুত্বপূর্ণ মাসায়িল

মুমিন বান্দাদের জন্য ২০ রমজান সূর্যাস্তের আগে অর্থাৎ ইফতারের আগেই ইতেকাফের নিয়তে মসজিদে উপস্থিত হওয়া আবশ্যক।

ইতেকাফের জন্য নিয়্ত করা আবশ্যক। এক সঙ্গে দশদিনের জন্য নিয়্ত না করলে সুন্নাত ইতেকাফ আদায় হবে না, বরং তা নফলে পরিণত হবে।

মাসনুন ইতেকাফের নিয়ত করলে অবশ্যই তা পূর্ণ করা আবশ্যক। ওজর ব্যতিত তা ভঙ্গ করা বৈধ নয়।

ইতেকাফকারীর জন্য ইতেকাফ অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করা হারাম। আল্লাহ বলেন, ‘আর যতক্ষণ তোমরা এতেকাফ অবস্থায় মসজিদে অবস্থান কর, ততক্ষণ পর্যন্ত স্ত্রীদের সাথে মিশো না। এই হলো আল্লাহ কর্তৃক বেঁধে দেয়া সীমানা।’ (সুরা বাক্বারা : আয়াত ১৮৭) এমনকি স্ত্রীকে চুমু খাওয়া, আলিঙ্গন করাও বৈধ নয়।

মাসনুন ইতেকাফ শুরু করার পর কোনো ব্যক্তির যদি দু’একদিন ভঙ্গ হয়ে যায়, তখন ভঙ্গ দিনের ইতেকাফ পরে কাযা করে নিতে হবে।

পারিশ্রমিক বা ইফতার-সাহরির বিনিময়ে ইতেকাফ করা ও করানো কোনোটিই বৈধ নয়।

ইতেকাফকালীন সময়ে কুরআন তেলাওয়াত, তাসবিহ তাহলিল করা, দ্বীনি মাসআলা-মাসায়েল আলোচনা করা, নিজের শিক্ষা অর্জন করা এবং অন্যকে শিখানো উত্তম এবং বৈধ।

ইতেকাফে বসে চুপচাপ থাকাকে ইবাদাত-বন্দেগি মনে করলে সে চুপচাপ থাকা ইতেকাফ মাকরূহ হবে। তবে মুখের গোনাহসমূহ থেকে বিরত থাকতে চুপ থাকাও অনেক বড় ইবাদাত।

ইতেকাফের স্থানকে ব্যবসাস্থল বানানো মাকরূহ। ওয়াজিব ইতেকাফ ফাসিদ বা বাতিল হয়ে গেলে তার কাযা আদায় করা ওয়াজিব। ইতেকাফকারী নিজের কারণে ফাসিদ/বাতিল হোক অথবা হায়েজ (ঋতুস্রাব) বা নিফাসের (রক্তস্রাব) কারণে বাতিল হোক। পরবর্তীতে তা আদায় করা ওয়াজিব।

নারীরা নিজেদের ঘরে ইতেকাফের স্থানকে কাপড় দিয়ে পর্দা টেনে নিবে, যাতে বেগানা পুরুষসহ যে কেউ আসলে ইতেকাফের স্থান ত্যাগ না করতে হয়।

ইতেকাফের শর্ত ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg

রমজানের ইতেকাফের জন্য রোজা রাখা শর্ত। রমজানের বাইরে অন্য সময় ইতেকাফের জন্য রোজা শর্ত নয়। রমজানে শেষ দশ দিন ইতেকাফ করা। ন্যূনতম শেষ তিন দিন ইতেকাফ করা। রমজানের বাইরে ইতেকাফের নির্দিষ্ট কোনো মেয়াদ নেই।

ইতেকাফ সহিহ হওয়ার শর্ত-

মুসলমান হওয়া;

জ্ঞানবান হওয়া; প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়া ইতেকাফের জন্য শর্ত নয় বরং জ্ঞানবান নাবালিগের জন্যও ইতেকাফ সহিহ হবে।

জানাবাত (অপবিত্রতা), হায়েজ (ঋতুস্রাব) ও নিফাস থেকে পবিত্র হওয়া।

নারীদের ইতেকাফের জন্য স্বামীর অনুমতি শর্ত। স্বামী অনুমতি দেয়ার পর ইতেকাফ থেকে বারণ বা বিরত রাখা যাবে না।

ইতেকাফ কোথায় করবেন

ইতেকাফ এমন মসজিদে করা, যেখানে নামাজের জামাআত হয়।

ইতেকাফের জন্য সর্বোত্তম স্থান হলো মসজিদুল হারাম (বাইতুল্লাহ)।

 অতঃপর মসজিদে নববি (মদিনা)।

তারপর বাইতুল মুকাদ্দাস (মসজিদে আকসা)।

যে মসজিদে মুসল্লির সংখ্যা বেশি হয়।

যে কোনো জামে মসজিদ।

নারীরা নিজ গৃহের নির্দিষ্ট স্থানে ইতেকাফ করবে। মসজিদে নারীদের জন্য ইতেকাফ করা বৈধ নয়।

ইতেকাফে বসার আদব-

ইতেকাফ করাকালীন সময়ে ভালো কথা ও কাজ ছাড়া অপ্রয়োজনীয় কথা ও কাজ থেকে বিরত থাকা। শ্রেষ্ঠ মসজিদকে ইতেকাফের জন্য নির্ধারিত করা।

ইতেকাফ অবস্থায় কুরআন তেলাওয়াত ও অধ্যয়ন, হাদিস অধ্যয়ন, দ্বীনি ইলম শিক্ষা করা এবং শিক্ষা দেয়া।

সর্বোপরি দুনিয়াবি কাজ-কর্ম থেকে বিরত থেকে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন ও লাইলাতুল কদর পেতে ইবাদাত-বন্দেগিতে মশগুল থাকাই হলো ইতেকাফের আদব।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে ইতেকাফের বিষয়গুলো যথাযথভাবে আদায় করার তাওফিক দান করুন। বিশেষ করে লাইলাতুল কদরের ফজিলত দান করুন। আমিন।

#ইনিউজ৭১/জি/হা/২০২১

ইসলাম
https://enews71.com/storage/ads/01KTB48CFAEJRYTN4T9G053ER9.png

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

সর্বশেষ সংবাদ

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর সুপারিশ, সর্বোচ্চ বৃদ্ধি শতভাগ

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর সুপারিশ, সর্বোচ্চ বৃদ্ধি শতভাগ

শ্রীমঙ্গল বিএনপিতে নেতৃত্ব বদল ঘিরে তীব্র অসন্তোষ, বিক্ষোভ

শ্রীমঙ্গল বিএনপিতে নেতৃত্ব বদল ঘিরে তীব্র অসন্তোষ, বিক্ষোভ

হিলিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

হিলিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

রাজবাড়ীতে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হামলা মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

রাজবাড়ীতে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হামলা মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

পারিবারিক বিরোধে চাচির মুখে ফুটন্ত গরম পানি ঢাললেন ভাতিজার বউ

পারিবারিক বিরোধে চাচির মুখে ফুটন্ত গরম পানি ঢাললেন ভাতিজার বউ

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

জনপ্রিয় সংবাদ

মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের আর সুযোগ দেবে না জনগণ: রিজভী

মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের আর সুযোগ দেবে না জনগণ: রিজভী

সিলেটের বাসায় স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার

সিলেটের বাসায় স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার

হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে, দাবি ট্রাম্পের

হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে, দাবি ট্রাম্পের

হরমুজ নিয়ে অনিশ্চয়তায় বিশ্ববাজারে ঊর্ধ্বমুখী জ্বালানি তেলের দাম

হরমুজ নিয়ে অনিশ্চয়তায় বিশ্ববাজারে ঊর্ধ্বমুখী জ্বালানি তেলের দাম

বুধবার পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ, অন্ধকারে ঢাকবে পৃথিবীর যেসব অঞ্চল

বুধবার পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ, অন্ধকারে ঢাকবে পৃথিবীর যেসব অঞ্চল

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

জুমার দিনে মুমিনের জন্য বিশেষ রহমত ও বরকত

জুমার দিনে মুমিনের জন্য বিশেষ রহমত ও বরকত

ইসলাম ধর্মে জুমার দিনটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ। প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার মুসলমানদের জন্য বিশেষ ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুযোগ নিয়ে আসে। এ দিনকে কেন্দ্র করে মুসলিম সমাজে নামাজ, দোয়া, কোরআন তিলাওয়াত ও নেক আমলের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। জুমার দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো জুমার নামাজ আদায় করা। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ মুসলমানদের জন্য জুমার নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা

সবর ও তাওয়াক্কুলে মুমিনের শক্তি

সবর ও তাওয়াক্কুলে মুমিনের শক্তি

জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত মানুষের জন্য পরীক্ষা। কখনো সুখ, কখনো দুঃখ, কখনো সাফল্য আবার কখনো ব্যর্থতার মধ্য দিয়ে মানুষকে পথ চলতে হয়। ইসলামে এসব পরিস্থিতিতে একজন মুমিনের অন্যতম বড় শক্তি হলো সবর বা ধৈর্য এবং আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল বা ভরসা রাখা। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।’ এই ঘোষণা একজন মুমিনের জন্য বড় আশ্বাস। কঠিন সময়ে মানুষ যখন নিজেকে

ঈমানের দৃঢ়তা মুমিনের জীবনে এনে দেয় প্রকৃত শান্তি

ঈমানের দৃঢ়তা মুমিনের জীবনে এনে দেয় প্রকৃত শান্তি

ইসলামে ঈমান মানুষের বিশ্বাস, চিন্তা ও জীবনযাপনের মূল ভিত্তি। ঈমান বলতে আল্লাহর প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস এবং তাঁর নির্দেশিত সত্য বিষয়গুলো অন্তর থেকে গ্রহণ করাকে বোঝায়। একজন মুসলমানের জীবনে ঈমান শুধু মুখের স্বীকৃতি নয়; বরং অন্তরের বিশ্বাস, মুখের স্বীকারোক্তি এবং সেই বিশ্বাস অনুযায়ী কাজের মাধ্যমে এর প্রকাশ ঘটে। ইসলামের মৌলিক আকিদার মধ্যে রয়েছে একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করা এবং তাঁর সঙ্গে কাউকে শরিক

জুমার দিনের বিশেষ আমলে রহমত বরকত ক্ষমার অশেষ সুযোগ

জুমার দিনের বিশেষ আমলে রহমত বরকত ক্ষমার অশেষ সুযোগ

ইসলামে জুমার দিনকে সপ্তাহের সর্বশ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। পবিত্র কোরআন ও সহিহ হাদিসে জুমার দিনের মর্যাদা, গুরুত্ব এবং বিশেষ কিছু আমলের কথা উল্লেখ রয়েছে। ইসলামি চিন্তাবিদরা বলছেন, এই দিনে আন্তরিকতার সঙ্গে ইবাদত করলে আল্লাহর রহমত, ক্ষমা ও অশেষ সওয়াব লাভের সুযোগ সৃষ্টি হয়। ধর্মীয় সূত্রে জানা যায়, জুমার দিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো সময়মতো গোসল করা, পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিধান

ফজরের নামাজের উপকারিতা ও ফজিলত

ফজরের নামাজের উপকারিতা ও ফজিলত

নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা’দ” প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আজ আমি আপনাদের হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী, আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই, ফজরের নামাজের উপকারিতা ও ফজিলত নিয়ে, সেই সম্পর্কে নিম্নে সংকিপ্ত আকারে আলোচনা তুলে ধরছি, “ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ” ঈমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নামাজ। নামাজ ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ।  মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে আমাদের প্রিয় নবী রাসূলুল্লাহ