
প্রকাশ: ৩ জুন ২০২০, ২১:৩০

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ রোধে নিয়ন্ত্রণ সংস্থা হিসেবে বিভিন্ন নির্দেশনা দিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু বাতির নিচে অন্ধকার! যারা নির্দেশনা দিচ্ছে তাদের ঘরেই বেহাল দশা। স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মীরা। ইতোমধ্যে কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন অর্ধশতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী। উপসর্গ দেখা দিয়েছে শতাধিক কর্মীর।
‘করোনা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা যেমন-গাজীপুর, সাভার, নারায়ণগঞ্জ থেকে বাসে করে যাতায়াতের দীর্ঘসময় ভ্রমণে কর্মকর্তাদের সংক্রমণ ঝুঁকি বাড়ছে। অনেক বিভাগের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় সংখ্যক আসন চেম্বার না থাকায় একই কম্পিউটারে একাধিক কর্মকর্তাকে কাজ করতে হচ্ছে। এহেন পরিস্থিতিতে অফিসের কাজে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক গুরুত্ব বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি করছে।’

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রায় অর্ধশতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আরও অর্ধশতাধিক কর্মকর্তার উপসর্গ দেখা দিয়েছে। যারা করোনা পরীক্ষা করিয়েছেন, ফলাফল এখনও তাদের হাতে পৌঁছায়নি। তবে অনেক ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তির উপসর্গ প্রকাশ পায় না বিধায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা আরও অধিক হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ পূর্বক অফিস আদালত পরিচালনা করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কেবল আবশ্যকীয় কাজগুলো চালিয়ে নেয়ার কথা বলা হয়েছে। এ পদক্ষেপের অংশ হিসেবে প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে চার ভাগে ভাগ করে পাঁচভাগের একভাগ কর্মকর্তার উপস্থিতির মাধ্যমে কর্ম সম্পাদনের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষেত্রেও একই নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলেছে ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল।