প্রকাশ: ৩ মে ২০২৬, ১৮:৭

রোববার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে হাওরাঞ্চলের ফসল পরিস্থিতি ও আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন এবং সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের কার্যক্রম তুলে ধরা হয়।
সংবাদ সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল কোরবানির পশুর চাহিদা নিরূপণ, সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পশু পরিবহনে যেন কোনো বাধা না থাকে, তা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি হাওরাঞ্চলের কৃষি পরিস্থিতিও আলোচনায় উঠে আসে।
মন্ত্রী জানান, দেশের হাওরাঞ্চল ধান উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে প্রাকৃতিক কারণে প্রায়ই এসব এলাকায় আকস্মিকভাবে পানি ঢুকে পড়ে, যার ফলে ফসলের ক্ষতি হয়।
তিনি বলেন, এই ধরনের বন্যা বা পানির প্রবেশ মানুষের নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। এটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক একটি প্রক্রিয়া, যা প্রতিনিয়ত কৃষকদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।
ফসল রক্ষায় সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি জানান, যেখানে সম্ভব সেখানে টেকসই বাঁধ নির্মাণের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে কৃষি মন্ত্রণালয়। এতে ভবিষ্যতে ক্ষতির পরিমাণ কমানো সম্ভব হবে।

গত দুই সপ্তাহ ধরে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। এর মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের বাস্তব পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে অনেক এলাকায় প্রায় ৮০ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। কোথাও শ্রমিক সংকট দেখা দিলে অন্য অঞ্চল থেকে শ্রমিক এনে তা মোকাবিলা করা হয়েছে, এমনকি প্রয়োজন হলে পরিবহন সুবিধাও দেওয়া হয়েছে।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তিনি জানান, কিছু এলাকায় ফসলের ক্ষতি হলেও তা সীমিত পর্যায়ে রয়েছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় সরকার ইতোমধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে এবং আগামী তিন মাস তাদের জন্য সহায়তা অব্যাহত থাকবে।