বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬২০ কার্তিক, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জাতীয়বাংলাদেশ

শান্তির জন্য যা যা করা দরকার তা-ই করবে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৯ মে ২০২৩, ২৩:৫৪

শেয়ার করুনঃ
শান্তির জন্য যা যা করা দরকার তা-ই করবে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ শান্তিতে বিশ্বাস করে এবং শান্তির জন্য যা যা করা দরকার তা-ই করবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা শান্তিতে বিশ্বাস করি, সংঘাতে নয়। বাংলাদেশ সর্বদা শান্তিতে বিশ্বাস করে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যা যা করা দরকার সবই করবে।’ 

আরও

এলজিইডিতে ১৮১ সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ, যোগদান ১০ নভেম্বর

এলজিইডিতে ১৮১ সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ, যোগদান ১০ নভেম্বর

শেখ হাসিনা আজ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২৩ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র ভাষণে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা যে কোনো সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধান চাই।’

আরও

৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ঘিরে দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচি

৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ঘিরে দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচি

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমরা অস্ত্র প্রতিযোগিতা চাই না। কারণ নারী, শিশু ও প্রতিটি পরিবার এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ে। তাই তাদের এই দুর্ভোগ থেকে রক্ষা করাই আমাদের লক্ষ্য।’

প্রধানমন্ত্রী
https://enews71.com/storage/ads/01M1TJ1Y03SG5Y5HBJA4PJG3XC.PNG

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

সরকার বলেন, বিশ্বে শান্তি নিশ্চিত করা অতীতের চেয়ে এখন বেশি কঠিন। কারণ, অশুভ শক্তি প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষের জীবনের শান্তি কেড়ে নিচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তির সাম্প্রতিক বিকাশ ও অগ্রগতির সাথে সাথে অশুভ শক্তির নতুন হুমকি বাড়ছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, প্রযুক্তি মানুষকে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নসহ সব ক্ষেত্রে সুযোগ দিচ্ছে। কিন্তু এর পাশাপাশি আমরা এটাও দেখছি যে- অপশক্তিগুলোও প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে এবং মানুষের জীবনের শান্তি কেড়ে নিচ্ছে। কাজেই জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে শান্তিরক্ষীদের জটিল বহুমাত্রিক পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে।

তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন যে, ‘আর এজন্য, উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে শান্তিরক্ষা মিশনকে সমৃদ্ধ করার প্রয়োজনীয়তা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকার বিশ্বের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং ও বিপজ্জনক অঞ্চলে জটিল পরিস্থিতি মোকাবেলায় সর্বদা বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীদের সর্বাধুনিক প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রস্তুত করেছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা মিশন এলাকার পরিবেশ, আবহাওয়া এবং ভূখ-ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ পোশাক, অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ নিশ্চিত করছি।’

এই প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা আরো বলেন, সরকার শান্তিরক্ষীদের যোগাযোগের জন্য বাংলাদেশ কন্টিনজেন্টে আধুনিক মাইন-প্রতিরোধী, অতর্কিত হামলা-সুরক্ষিত যানবাহন ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করেছে।

সরকার প্রধান আরো বলেন, ‘আধুনিক প্রযুক্তি এবং প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত করা একটি চলমান প্রক্রিয়া- যা আমরা ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখব।’ 

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ও জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গুয়েন লুইস।

অনুষ্ঠানের শুরুতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় আত্মদানকারী বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ‘বাংলাদেশ ইন গ্লোবাল পিস’ শীর্ষক একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শিত হয়।

নিহত পাঁচজন শান্তিরক্ষীর পরিবারের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন। তিনি পাঁচজন আহত শান্তিক্ষীর হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

পরে, প্রধানমন্ত্রী ইন্টারন্যাশনাল পিসকিপার জার্নাল উন্মোচন করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৩ আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসের থিম- ‘পিস বিগিনস উইথ মি’ খুবই সময়োপযোগী বলে তিনি মনে করেন । তিনি আরো বলেন, এই নীতিবাক্য নিয়ে আমরা আমাদের জাতির পিতার দেখানো পথে বিশ্ব শান্তির জন্য কাজ করব এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পৃথিবী দেয়ার চেষ্টা করব- এটাই আজ আমাদের অঙ্গীকার।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা যাতে আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জাতিসংঘের আহ্বানে সাড়া দিতে পারে সেজন্য তাঁর সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg

তিনি আরো বলেন, আমি আশা করি বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীরা তাদের দক্ষতা, পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে দেশের সম্মান ও ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রাখবে।

সরকার প্রধান বলেন, আপনারা (শান্তিরক্ষীরা) সংঘাত প্রতিরোধ, বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা, মানবাধিকার নিশ্চিত করতে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় অক্লান্ত পরিশ্রম করেন।

তিনি বলেন, “আপনাদের আন্তরিক কাজের কারণে ওই সব দেশের জনগণ আপনাদের নিঃশর্ত ভালোবাসা দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘বাংলাদেশী কন্টিজেন্টের সঙ্গে যুক্ত অনেক দেশের স্থানীয় নাগরিকরা আপনাদের কাছ থেকে বাংলা সংস্কৃতি ও ভাষা শিখেছেন। আপনারা অন্যান্য দেশের সহকর্মী শান্তিরক্ষীদের সম্মান ও ভালবাসা অর্জন করেছেন। কোভিড-১৯ মহামারীর মধ্যেও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আপনাদের পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও নিষ্ঠার প্রশংসা করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীরা বিশ্বশান্তি বজায় রাখতে এবং দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার ক্ষেত্রে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

বর্তমানে বাংলাদেশের ৭ হাজার ৪৩৬ শান্তিরক্ষী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ও কার্যক্রমে নিয়োজিত আছে আর এই সংখ্যা বিশ্বব্যাপী মোতায়েন শান্তিরক্ষীদের মোট সংখ্যার প্রায় ৯ দশমিক ৮ শতাংশ। এর মধ্যে ৫৭২ জন বাংলাদেশী নারী শান্তিরক্ষীও রয়েছে।

শেখ হাসিনা আরো বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিব আরও নারী শান্তিরক্ষী পাঠানোর অনুরোধ করায় আমরা নারী শান্তিরক্ষীদের সংখ্যা বাড়ানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের ৪০টি দেশে জাতিসংঘের ৬৩টি মিশন সফলভাবে সম্পন্ন করেছে।

বর্তমানে বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীরা জাতিসংঘের ১৪টি মিশন ও কার্যক্রমে নিয়োজিত আছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২০টি, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দুটি, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর চারটি ও বাংলাদেশ পুলিশের তিনটি দল এসব মিশনে কাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ সুদানের আবেইতে একটি ফোর্স প্রোটেকশন ব্যাটালিয়ন মোতায়েন করেছে- যেখানে মালিতে একটি কুইক রিঅ্যাকশন ফোর্স হিসেবে একটি মেকানাইজড ইনফ্যান্ট্রি কোম্পানি, কঙ্গোতে একটি বিস্ফোরক অস্ত্র নিষ্পত্তি প্লাটুন এবং মধ্যাঞ্চলে একটি লেভেল-২ হাসপাতাল কন্টিনজেন্ট যুক্ত করেছে। মালিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি নতুন আর্মড ইউটিলিটি হেলিকপ্টার ইউনিট, বেস ডিফেন্স কন্টিনজেন্ট হিসেবে একটি নতুন মেকানাইজড ইনফ্যান্ট্রি কোম্পানি এবং বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি এয়ারফিল্ড সাপোর্ট ইউনিট মোতায়েন রয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ফোর্স কমান্ডার, ডেপুটি ফোর্স কমান্ডার এবং সেক্টর কমান্ডার হিসেবে বিভিন্ন মিশনে নিয়োজিত রয়েছেন।

জাতির পিতার আদর্শ অনুসরণ করে তারা বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি আরো বলেন, ‘শান্তিরক্ষা মিশন ছাড়া অন্যান্য আন্তর্জাতিক ফোরামেও আমরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করি ও অবদান রাখি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘে ‘শান্তির সংস্কৃতি’ প্রস্তাব পেশ করে- ১৯৯৯ সালে যা সর্বসম্মতিভাবে গৃহীত হয়। তখন থেকে প্রতিবছর জাতিসংঘে বাংলাদেশের ফ্ল্যাগশিপ রেজুলেশন ‘শান্তির সংস্কৃতি’ সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়।

শেখ হাসিনা আরো বলেন, জাতিসংঘ ২০০০ সালকে ‘আন্তর্জাতিক শান্তির সংস্কৃতির বছর’ ও ২০০১-২০১০ কে ‘শান্তির সংস্কৃতি ও অ-সংঘাতের দশক’ ঘোষণা করে।

তিনি বলেন, এগুলো বাংলাদেশের জাতির পিতার বৈদেশিক নীতিকেই অনুসরণ করে। তিনি বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় ছিলেন  দৃঢ়-প্রতিজ্ঞ। যার ফলে বাংলাদেশ জাতিসংঘের ‘ব্লু হেলমেট’ পরিবারের সদস্য হয়ে উঠে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৮৮ সালে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের সাথে যোগ দেয়। পরে, ১৯৮৭ সালে বাংলাদেশ পুলিশ এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী ১৯৯৩ সালে শান্তিরক্ষী বাহিনীর সাথে যুক্ত হয়।  

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিগত ৩৫ বছর ধরে সুনামের সাথে শান্তিরক্ষা বাহিনীতে কাজ করে যাচ্ছে। সর্বোচ্চ সৈন্য ও পুলিশ সদস্য এই বাহিনীতে দেশের জন্য অবদান রেখে যাচ্ছে এবং এর পাশাপাশি জাতিসংঘের বিভিন্ন শান্তিরক্ষা অভিযানে সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণ করছে।

শেখ হাসিনা আরো বলেন, ‘আজ শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে আন্তজাতিক অঙ্গণে বাংলাদেশ একটি নির্ভরযোগ্য নাম।’

অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ সুদান, মালি, লেবানন, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র ও ডিআর কঙ্গোসহ বিভিন্ন দেশে মোতায়েন বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীদের সাথে ভার্চুয়ালি কথা বলেন।

সূত্র: বাসস

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদেশে বাংলাদেশিদের কনস্যুলার সহায়তায় ব্যর্থতার অভিযোগে হাইকোর্টে রিট

বিদেশে বাংলাদেশিদের কনস্যুলার সহায়তায় ব্যর্থতার অভিযোগে হাইকোর্টে রিট

সরকারি বাসা ভাড়া দিলে বরাদ্দ বাতিল, কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার

সরকারি বাসা ভাড়া দিলে বরাদ্দ বাতিল, কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার

নবাবগঞ্জে কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত: অংশ নিল ১২৫৭ শিক্ষার্থী

নবাবগঞ্জে কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত: অংশ নিল ১২৫৭ শিক্ষার্থী

বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের ৮৫তম জন্মদিন আজ

বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের ৮৫তম জন্মদিন আজ

মির্জাপুরে ট্রেন লাইনচ্যুত, উত্তরবঙ্গের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ

মির্জাপুরে ট্রেন লাইনচ্যুত, উত্তরবঙ্গের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ

সর্বশেষ সংবাদ

৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ঘিরে দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচি

৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ঘিরে দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচি

ফতুল্লায় বেতন বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ

ফতুল্লায় বেতন বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ

মালয়েশিয়া থেকে এক সপ্তাহে ৪৫ বাংলাদেশিসহ ১৮২ জনের প্রত্যাবাসন

মালয়েশিয়া থেকে এক সপ্তাহে ৪৫ বাংলাদেশিসহ ১৮২ জনের প্রত্যাবাসন

প্রযুক্তিনির্ভর সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রযুক্তিনির্ভর সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ট্রাম্পের রসিকতা, ইসরায়েলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ঘোষণা

ট্রাম্পের রসিকতা, ইসরায়েলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ঘোষণা

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ঘিরে দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচি

৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ঘিরে দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচি

আগামী ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস যথাযোগ্য মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপনে দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে পৃথক বাণী দেবেন। পাশাপাশি সারা দেশে সাধারণ ছুটি পালিত হবে। গত ২৮ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এসব কর্মসূচি সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়। বুধবার (৪

প্রযুক্তিনির্ভর সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রযুক্তিনির্ভর সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আধুনিক, সমন্বিত ও প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপদ সীমান্ত ব্যবস্থাপনা জাতীয় নিরাপত্তা সুসংহত করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বুধবার (৪ নভেম্বর) ঢাকার হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ের মেঘনা হলে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আয়োজিত ‘বাংলাদেশে অভিবাসন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনা বিষয়ে কৌশলগত রূপরেখা (২০২৭-২০৩১)’ শীর্ষক ব্রিফিংয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত পরিচালনায় জাতীয় নিরাপত্তা

চারদিন গ্যাসের চাপ কমবে, সরবরাহ বন্ধের খবর গুজব

চারদিন গ্যাসের চাপ কমবে, সরবরাহ বন্ধের খবর গুজব

সারা দেশে আজ বুধবার (৪ নভেম্বর) থেকে টানা চারদিন গ্যাসের চাপ কম থাকবে। তবে এ সময়ে কোথাও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা)। সামিট এলএনজির ভাসমান টার্মিনালে রক্ষণাবেক্ষণকাজের কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট।

জাপান সফরের অভিজ্ঞতা রাষ্ট্রপতিকে জানালেন প্রধানমন্ত্রী

জাপান সফরের অভিজ্ঞতা রাষ্ট্রপতিকে জানালেন প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে বঙ্গভবনে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির মধ্যে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তাঁর সাম্প্রতিক জাপান সফরের বিভিন্ন দিক এবং সফরে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। সাক্ষাৎকালে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ও জাতীয় স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন তাঁরা।

শেখ হাসিনা বেঁচে থাকা পর্যন্ত অস্থিতিশীলতার চেষ্টা চলবে: তথ্য উপদেষ্টা

শেখ হাসিনা বেঁচে থাকা পর্যন্ত অস্থিতিশীলতার চেষ্টা চলবে: তথ্য উপদেষ্টা

শেখ হাসিনা যত দিন বেঁচে আছেন, তত দিন দেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করবেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। সরকার এসব অপচেষ্টা প্রতিহত করবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা। তিনি বলেন, দেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা শুধু এখন কিংবা ডিসেম্বর পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকবে না। ডিসেম্বরের