
প্রকাশ: ১৩ নভেম্বর ২০২২, ২:৩৪

আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে মাঠ প্রশাসনে ব্যাপক রদবল করতে পারে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তার আগে সঙ্গে আস্থার জায়গাটাও তৈরি করা হবে। আজ রবিবার নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের কাছে এমন ঈঙ্গিত দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান।
জাতীয় সংসদের তিন শ আসনের নির্বাচনে মাঠ পর্যায়ে সবার জন্য সমান ক্ষেত্র প্রস্তুতে ইসির ভূমিকা কী হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা আমরা ইতিমধ্যে বলেছি।
সিসি ক্যামেরা থাকবে তিন লক্ষাধিক। টেকনিক্যালি এটা সম্ভব। আবার এ বাস্তবতাও আছে যে, যাকে দায়িত্ব দিলাম সে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করল না। এক্ষেত্রেও বাস্তবতার বিষয় আছে। সেগুলো বিবেচনায় নিয়েই আমাদের এগোতে হবে। তবে নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা থাকলে পরিস্থিতি উন্নত হয়। সচেতনতা বাড়ে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা তফসিল ঘোষণার পর সবকিছু তো আমাদের নিয়ন্ত্রণেই চলে আসবে। অতীতেও মাঠ পর্যায়ে ব্যাপক রদবদল করা হয়েছে। কাজেই সময়ই বলে দেবে কখন কী করব। এখনো যথেষ্ট সময় আছে। তার আগে আস্থার জায়গাটাও তৈরি করব।

তিনি বলেন, আমরা বাস্তবতার আলোকে বিষয়টা বিবেচনায় নেব। এখনো যথেষ্ট সময় আছে। টাইম ইজ দ্যা বেস্ট হিলার। আমরা আশবাদী যে সবাই নির্বাচনে আসবে। নির্বাচনে অনেক সমীকরণ আছে। সময় যতো ঘনিয়ে আসবে এগুলো আরো স্পষ্ট হবে।
আনিছুর রহমান বলেন, ডিসেম্বরের শেষ থেকেই জানুয়ারির শুরুর মধ্যেই জাতীয় সংসদ নির্বাচনের শিডিউলটা থাকবে। পুনর্নিবাচনের সময়ও আমাদের রাখতে হবে। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই নির্বাচন করার চেষ্টা করব। তবে এখনো এগুলো নিয়ে আমরা কমিশন বৈঠকে আলোচনা করনি। আমরা এমনিতেই ভেবে নিয়েছি জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহের মধ্যেই সংসদ নির্বাচন করতে হবে। আমাদের ব্রেথিং টাইম রাখতে হবে। কারণ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উপ-নির্বাচনও সম্পন্ন করতে হবে।
তিনি বলেন, এখনো অনেক সময় আছে নির্বাচনের। আদৌ কী হবে, দুর্ভিক্ষ হবে কিনা সেটা তো জানি না। দুর্ভিক্ষ হলে কি নির্বাচন হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দ্বৈব দুর্বিপাক কী কভার করে না দুর্ভিক্ষ? কাজেই এটা হলে তো সারা পৃথিবীতেই হবে। হলে তখন বোঝা যাবে।