প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৮:৪৭
সম্প্রতি একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, পাইথনের পেটের ভিতর থেকে বের করা হচ্ছে তোয়ালে। ‘স্মল অ্যানিমেল স্পেশালিস্ট হাসপাতালে’র ইউটিউব চ্যানেল থেকে ভিডিওটি শেয়ার করা হয়েছে।
ভিডিও:
সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার মধ্যে ইরানের বন্দর আব্বাসের আকাশে একটি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী বন্দর আব্বাস কাউন্টির হাজিয়াবাদ এলাকার আকাশে একটি শত্রুভাবাপন্ন ‘লুকাস’ ড্রোন শনাক্ত করে সেটিকে সফলভাবে গুলি করে ধ্বংস করেছে বলে দাবি করা হয়েছে। ইরানের সেনাবাহিনীর এক বিশেষ বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের আকাশসীমা নিরাপদ রাখা এবং শত্রুপক্ষের আক্রমণ প্রতিহত করার দায়িত্ব
গত জুন মাসের শেষ দিকে ইউরোপজুড়ে টানা আট দিনের তীব্র তাপপ্রবাহে ১০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ইউরোপভিত্তিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউরোমোমো রোববার (১২ জুলাই) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইউরোমোমো ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি সদস্যরাষ্ট্র এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় পরিচালিত একটি পর্যবেক্ষণ সংস্থা। সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২০ থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত চলা তাপপ্রবাহের সময় ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের চাতুচাক এলাকায় একটি বারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২৭ জন নিহত এবং ৬০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৯ জন পুরুষ ও ১৮ জন নারী রয়েছেন। এছাড়া কয়েকজন এখনও নিখোঁজ বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সোমবার (১৩ জুলাই) দিবাগত রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে রাত ১২টার কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিস। সে সময়
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের জবাবে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। একই সঙ্গে তেহরান আবারও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করেছে। এর ফলে গত মাসে দুই দেশের মধ্যে হওয়া অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির ভবিষ্যৎ নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ ও অসামরিক নাবিকদের নিরাপদ
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র ও আত্মঘাতী ড্রোন হামলা শুরু করেছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ইরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক বিমান হামলার সরাসরি প্রতিশোধ নিতেই এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ইরানি সামরিক বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, গত আটচল্লিশ ঘণ্টায় চিহ্নিত শত্রুপক্ষের গতিবিধি বিশ্লেষণের পর পরিকল্পিতভাবে এই অভিযান শুরু হয়। প্রতিশোধমূলক অভিযানের প্রথম