
প্রকাশ: ৯ নভেম্বর ২০২২, ২:৩৭

এবার অসমে গণধর্ষণ। ১৩ বছরের নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনে অভিযুক্ত ৬ নাবালক। ধর্ষণের ভিডিও করা হয় বলেও অভিযোগ। করিমগঞ্জের এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা রাজ্যে। ইতিমধ্যে নাবালিকার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ৬ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি দক্ষিণ অসমের করিমগঞ্জের। কিশোরীর পরিবার কালীনগর এলাকার রামকৃষ্ণ নগর থানায় অভিযোগ দায়ের করে। পরিবারের অভিযোগ, গত ১ নভেম্বর ঘটনাটি ঘটে। কিশোরী বাড়িতে একা ছিল। সেই সময় জোর করে ঘরে ঢোকে ৬ নাবালক। তারা প্রত্যেকে এক এক করে কিশোরীকে ধর্ষণ করে। এমনকী ধর্ষণের ভিডিও করা হয়। তা ফাঁস করার ভয় দেখিয়ে হেনস্তা করা হয় কিশোরীকে।

পরিবারটি জানিয়েছে, ঘটনার অভিঘাতে শুরুতে কিছু বলতে পারেনি কিশোরী। পরে সে গোটা ঘটনা জানায় মা-বাবাকে। এর পর সোমবার রামকৃষ্ণ নগর থানায় অভিযোগ দায়ের করে পরিবারটি। দ্রুত ব্যবস্থা নেয় পুলিশ। তদন্ত নেমে জানা যায়, কিশোরী ও অভিযুক্ত ৬ নাবালক স্থানীয় চা বাগানের শ্রমিক পরিবারের ছেলেমেয়ে। অভিযুক্ত ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নাবালকদের বিরুদ্ধে পকসো (POCSO) আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ধর্ষণে আক্রান্ত ও অভিযুক্ত উভয়েই নাবালক এমন ঘটনা ইদানীংকালে বাড়তে শুরু করেছে। ক’দিন আগে হতবাক করে দেওয়া ঘটনা ঘটে যোগীরাজ্যে। ৭ বছরের শিশুকন্যাকে ধর্ষণে অভিযুক্ত হয় ১০ বছরের এক বালক। জানা যায়, পর্ন ছবি দেখার পর এই কাণ্ড ঘটায় সে। নির্যাতিতা শিশুর বাবা অভিযোগ করেন, ঘটনার সময় বাড়িতে একা ছিল তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী তাঁর মেয়ে। তিনি ও তাঁর স্ত্রী বাড়িতে ফিরলে কাঁদতে কাঁদতে সব কথা জানায় শিশুটি। উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) কানপুর জেলার (Kanpur District) এই কাণ্ডে গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্ত বালককে। সে অপরাধের কথা স্বীকার করেছে বলে জানায় পুলিশ।