
প্রকাশ: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০:১০

স্বামী ও দুই সন্তানকে ছেড়ে ওয়েল্ডিংয়ের দোকানের মিস্ত্রির সঙ্গে পালিয়েছেন গৃহবধূ সুমি দে। ঘটনাটি হুগলির চুঁচুড়ার।
ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৪ বছর আগে রবীন্দ্রনগর কালিতলা এলাকার বাসিন্দা নিতাই দে’র সঙ্গে সুমির বিয়ে হয়। তাদের সংসারে ১২ বছরের এক ছেলে ও পাঁচ বছরের একটি সন্তান রয়েছে। কিছুদিন আগে থেকেই নিখোঁজ রয়েছেন সুমি। তখন থানায় সেই অভিযোগ জানান নিতাই। পরে তিনিই আবার অভিযোগ জানান, বাড়ির উল্টো দিকের ওয়েল্ডিংয়ের দোকানের মিস্ত্রি বাপি বড়ালের সঙ্গে পালিয়েছেন সুমি দে।
নিতাইয়ের ভাষ্য, দীর্ঘ দিনের সংসারে তাদের তেমন কোনো সমস্যা ছিল না। তবে মাঝে মধ্যে একটু অশান্তি হতো। তার অভিযোগ, বছর দুয়েক আগেও এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন সুমি। তার সঙ্গেও পালিয়ে গিয়েছিলেন। তখন সন্তানদের কথা ভেবে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনেন নিতাই দে। কিছুদিন আগে নতুন মোবাইলের জন্য বায়না করেছিলেন স্ত্রী। তাও কিনে দিয়েছিলেন বলে জানান কালিতলার বাসিন্দা।

তিনি জানান, কিছুদিন আগে স্ত্রীর সঙ্গে তার ঝামেলা হয়েছিল। ঘটনার জেরে বাড়ির দেয়ালে ঠুকে নিজের মাথা ফাটিয়ে ফেলেন সুমি। হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে স্ত্রীর চিকিৎসা করিয়েছিলেন তিনি। এরপর সব ঠিক ছিল। মেয়ের জন্মদিনের অনুষ্ঠানও একসঙ্গে পালন করেছিলেন। এরপর হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যান সুমি।

নিখোঁজ থাকাকালীন সময়ে ছেলেকে একবার ফোন করেছিলেন ওই গৃহবধূ। শুধু মেয়ের খোঁজ নিয়ে ফোন রেখে দেন। এখন সন্তানদের কথা চিন্তা করে স্ত্রী ফিরে আসুক এটাই চাওয়া পরিবারের।
সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন