দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্মার্টফোনে ফুল চার্জ করার রেকর্ড অর্জনের দাবি করেছে শাওমি। চার্জিং কেবল ও ওয়্যারলেস চার্জিং প্রযুক্তি দুটির ক্ষেত্রেই এমন দাবি করেছে চীনা প্রতিষ্ঠানটি।
৪ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ারের একটি রূপান্তরিত ‘মি ১১ প্রো’ মডেলের স্মার্টফোনে পরীক্ষা চালিয়ে শাওমি বলেছে, ২০০ ওয়াটের ‘হাইপারচার্জ’ সিস্টেমে স্মার্টফোনটি পূর্ণ চার্জ হতে সময় নিয়েছে ৮ মিনিটের কাছাকাছি। আর ১২০ ওয়াটের তারহীন চার্জিং ব্যবস্থায় সময় লেগেছে ১৫ মিনিটের মতো।
চীনা স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বরাবরই চার্জ করার গতি নিয়ে প্রতিযোগিতায় নামে। সে জন্য মাঝেমধ্যেই দ্রুততম সময়ে চার্জ করার রেকর্ড ভাঙার খবর শোনা যায়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অবশ্য বাজারে পাওয়া স্মার্টফোনে সে প্রযুক্তি থাকে না।
যেমন বছর দুয়েক আগে ১০০ ওয়াট চার্জিং সিস্টেমে ১৭ মিনিটে ৪ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি পূর্ণ চার্জ করার ঘোষণা দিয়েছিল শাওমি। তবে গত বছর ‘মি ১০’ আলট্রা বাজারে এলে দেখা গেল সেটি ১২০ ওয়াটে পূর্ণ চার্জ হতে ২৩ মিনিট সময় নিচ্ছে। অবশ্য সে স্মার্টফোন কিছুটা বড়, সাড়ে ৪ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি ছিল তাতে।
দ্রুত চার্জ করার প্রযুক্তিতে আরেক চীনা প্রতিষ্ঠান অপো বরাবরই বিশেষ দক্ষতার পরিচয় দিয়ে এসেছে। গত বছর ১২৫ ওয়াটের চার্জিং সিস্টেমে ৪ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ারের স্মার্টফোন ২০ মিনিটে পূর্ণ চার্জ করে দেখিয়েছিল তারা (শাওমি অবশ্য এক বছর আগেই তা করে দেখিয়েছে)। অথচ অপোর বর্তমান ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন ‘ফাইন্ড এক্সথ্রি প্রো’ চার্জ হয় কেবল ৬৫ ওয়াটে। সেটিও কম নয়, তবে যা দেখিয়েছিল, তা ব্যবহারকারীরা পাচ্ছেন না।
যা–ই হোক, প্রযুক্তির অগ্রগতিকে স্বাগত জানানো উচিত। আজ না হলেও একদিন আমরা হয়তো স্মার্টফোন কেবল আট মিনিটে শূন্য থেকে শতভাগ চার্জ করার সুবিধা পাব। সেদিন যত দ্রুত আসে, ততই ভালো।