
প্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২৬, ১১:২৯

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে যাত্রীবাহী একটি বাস পড়ে যাওয়ার ঘটনায় নিখোঁজ চালক আরমান খানের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস।
উদ্ধারকারী দল জানায়, দুর্ঘটনার পর থেকেই চালক নিখোঁজ ছিলেন। পরে নদীতে তল্লাশি চালিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়, যা স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিহত আরমান খান (৩১) রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার পশ্চিমখালখোলা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আরব খানের ছেলে এবং পেশায় একজন অভিজ্ঞ বাসচালক ছিলেন।
দুর্ঘটনার সময় ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি তিনি নিজেই চালাচ্ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ ঘটনায় বাসটির অন্যান্য যাত্রীদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
এদিকে, দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের গুজব ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে চালক বাস থেকে নেমে গেলে হেলপার গাড়ি চালাচ্ছিল—এমন দাবি ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়।

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
তবে এ ধরনের তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন আরমানের পরিবার। নিহতের ফুপাতো ভাই জানান, আরমান নিজেই বাস চালাচ্ছিলেন এবং তিনি বাস থেকে নামেননি।
তিনি আরও বলেন, যদি আরমান বাস থেকে নেমে যেতেন, তাহলে তার মরদেহ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হতো না। এসব গুজব তাদের পরিবারকে মানসিকভাবে আরও কষ্ট দিচ্ছে।
এ বিষয়ে সৌহার্দ্য পরিবহনের মালিক পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে বলে জানা গেছে।