প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৪, ১৮:০
রোববার (১৬ জুন) বেলা ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।পুলিশ বলছে, দুর্ঘটনার তথ্য পেয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
বিস্তারিত আসছে...
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
টানা বর্ষণের কারণে কক্সবাজারের টেকনাফে পাহাড় থেকে প্রায় ৩০০ ফুট নিচে পড়ে গুরুতর আহত হওয়া একটি বুনো মা হাতি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। রোববার (১২ জুলাই) সকাল পৌনে ১০টার দিকে হাতিটির মৃত্যু হয়। এর আগে শনিবার (১১ জুলাই) বেলা আড়াইটার দিকে টেকনাফ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের নাইট্যাংপাড়ার শিয়াল্যাঘোনা পাহাড়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে। বন বিভাগ জানায়, প্রায় ২০ থেকে ২৫ বছর বয়সী এশীয়
টানা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসের কারণে দেশের সাত জেলায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বন্যা ও পাহাড়ধস-সংশ্লিষ্ট ঘটনায় ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও ৩৯ জন। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮টি পরিবারের সদস্যরা। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন। ১১ জুলাই
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে দুর্বৃত্তদের হামলায় জিহাদ নামে এক কিশোর নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব কুট্টাপাড়া এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হাইওয়ে থানার ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত জিহাদ উপজেলার পূর্ব কুট্টাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আজগর আলীর ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,
পিরোজপুরের কাউখালী ও নেছারাবাদ উপজেলার মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত আমরাজুড়ি সেতু নির্মাণের উদ্যোগে নতুন অগ্রগতি দেখা দিয়েছে। সম্ভাব্য নির্মাণস্থান সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল। শনিবার (১১ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মো. আবদুর রউফের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল কাউখালীর আমরাজুড়ি ফেরিঘাট সংলগ্ন সন্ধ্যা নদীর
টানা ভারী বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল, আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ধসে চট্টগ্রাম বিভাগে মানবিক সংকট আরও গভীর হয়েছে। প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৩৯ জনে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে পাঁচটি জেলায় প্রায় ৯ লাখ ২৮ হাজার মানুষ বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কক্সবাজারে। এছাড়া চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও রাঙ্গামাটিতেও বন্যা ও পাহাড়ধসে একাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এখনও