প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০২৩, ১:৫০
মাদারীপুরে যৌতুকের টাকা না দেওয়ায় শান্তা আক্তার(১৯) নামের এক গৃহবধূকে শ্বাসরোগ করে হত্যার করার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও তার শাশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার(১০ আগস্ট) রাতে মাদারীপুর পৌর শহরের মাছ বাজার এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শান্তা আক্তার মধ্যে পাঁচখোলা এলাকায় ইলিয়াস হাওলাদারের মেয়ে ও নাঈম সরদারের স্ত্রী। এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পরে ঘাতক স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১১ আগস্ট) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহতদের পরিবার।
ভুক্তভোগী পরিবার ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মাদারীপুর সদর মধ্যে পাঁচখোলা এলাকার ইলিয়াস হাওলাদারের মেয়ে শান্তা আক্তার ও পার্শবর্তী জাজিরা এলাকার রিপন সরদারের ছেলে নাঈম সরদারের সাথে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক বিয়ে হয় পরে উভয় পরিবারের লোকজন মিলে পারিবারিকভাবে চার মাস আগে দুই লাখ টাকা এবং ১ভরি স্বর্ণালঙ্কার যৌতুক দিয়ে তাদের বিয়ে দেন।বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন সময় যৌতুকের দাবি করে আসছে নাঈম। কয়েকবার মোটা অঙ্কের টাকাও দেওয়া হয় তাকে। কিন্তু সে প্রায়ই শান্তাকে মারধর করত।এদিকে গত বৃহস্পতিবার রাতে শান্তার শশুর রিপন সরদারকে বিদেশে পাঠানোর কথা বলে আরো তিন লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। এ টাকা দিতে অনিহা বোধ করলে স্বামী তার পরিবারের লোকজনেরা মিলে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করলে পরে পালানোর সময় পুলিশ হাসপাতাল থেকে স্বামী নাঈমকে আটক করে।
নিহতের নানি মায়া বেগম বলেন, যৌতুকের টাকার জন্য যারা আমার নাতিকে মাইরা ফালাইছে তাদের বিচার চাই।
মাদারীপুর সদর হাসপাতালে কর্তব্যরর্ত চিকিৎসক মোঃ শিহাব আহমেদ বলেন,এটি হত্যা আত্মহত্যা এখনো বলা যাচ্ছে না। যতক্ষণ পর্যন্ত ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে না পাওয়া যাচ্ছে।
মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ মনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তার স্বামীকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।