
প্রকাশ: ৯ জুলাই ২০২২, ২১:১৮

বছরের দুটি ঈদে কর্মস্থল ছেড়ে অসংখ্য মানুষ আসেন নিজ নিজ জন্মশহরে। অনেকটা নাড়ীর টানেই বাড়ি ফেরা। ঈদ মৌসুমে এসমস্ত মানুষের সবচেয়ে বড় ভোগান্তি হয়ে দাঁড়ায় যাতায়াত মাধ্যমে। বাস কিংবা ট্রেন সবখানেই টিকিট বিড়ম্বনার শিকার যাত্রীরা।
কর্মস্থল থেকে ঘরে ফিরে মানুষেরা অনেকেই আবার কর্মস্থলে ফিরতি অগ্রীম টিকিট কাটতে গিয়ে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন। বর্তমানে বিভিন্ন কাউন্টারে মেহেরপুর থেকে ঢাকাগামী বাসে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ করছেন অগ্রীম টিকিট ক্রেতা যাত্রী মহল।
অগ্রীম টিকিট ক্রেতা জহুরুল ইসলাম বলেন, 'আগামী ১৫ জুলাইয়ের ৩টা টিকিট কিনেছি। অনলাইন টিকিট কাউন্টার থেকে ৬৫০ টাকা করে কাটছে কিন্তু আমার কাছে থেকে ৯০০ টাকা চেয়েছে, পরে ৫০ টাকা কম করে ৮৫০ টাকা দিয়েছি।'
১৪ জুলাইয়ের অগ্রীম টিকিট ক্রেতা আবু জাহিদ বলেন,'আমি ৩টা টিকিট কিনেছি ২৭০০টাকায়। এখন কর্মস্থলে ফিরতে হবে জীবন-জীবিকার জন্য। সেজন্য টাকা যায় লাগছে তাতেই টিকিট কিনতে হবে। তবে প্রশাসন চাইলে এধরণের অনিয়ম দূর করা সম্ভব।'
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
একই তারিখের আরেকজন অগ্রীম টিকিট ক্রেতা সহিদুর রহমান বলেন, 'ঢাকায় থেকে টিকেট কিনেছি বাড়তি টাকায়। এখন মেহেরপুরেও অতিরিক্ত টাকায় টিকিট কিনলাম। বাসের টিকিট কিনতে এসে মনে হচ্ছে দিনেদুপুরে ডাকাতি হচ্ছে।'

কথা হয় মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা শহর এবং বামন্দী শহরের বেশ কয়েকজন কাউন্টার মাষ্টারের সঙ্গে। তারা সকলেই জানান ঈদ সামনে বাসের অনলাইন টিকিট পরিবহন মালিক কতৃপক্ষ যে মূল্য দিচ্ছে সেই মূল্য বৃদ্ধি করার কোন সুযোগ আমাদের কাছে নেই। তাহলে যাত্রীদের অভিযোগ কি মিথ্যা? এমন প্রশ্নের জবাবে তারা বিষয়টি নানান ব্যাস্ততা দেখিয়ে এড়িয়ে যান।
বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হয় গাংনী উপজেলা প্রশাসনের সাথে। গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌসুমি খানম জানান, 'অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হলে এটি সম্পুর্ণ অন্যায় করা হচ্ছে। আমরা বাসের টিকিট সংশ্লিষ্টদের অবহিত করবো বিষয়টি এবং প্রয়োজন মতো ব্যাবস্থা গ্রহণ করবো।'