
প্রকাশ: ৫ জুলাই ২০২২, ১৬:৪৫

বৃষ্টিহীন আষাঢ়ে কাট ফাটা রোদ আর গরমের দাপটে জনজীবনে যখন ত্রাহি ত্রাহি অবস্থায় তখন মিলছে না বিদ্যুৎ। অস্বাভাবিক ও অসহনীয় লোডশেডিংয়ে স্বাধীনতার সূতিকাগার ঐতিহাসিক মুজিবনগর খ্যাত মেহেরপুরের সাধারণ মানুষ বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে। নাকাল হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।
চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই শুরু হয় লোডশেডিং। দিনা রাতে যত্রতত্র ভাবে চলে যাচ্ছে বিদ্যুৎ। ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎহীন রয়েছে মানুষ। কয়েকঘন্টা পর স্বল্প সময়ের জন্য আসছে বিদ্যুৎ। বিদ্যুৎ বিভ্রাট আর লোডশেডিং এর কারণে জনজীবন যেমন বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে। ঠিক তেমনি কলকারখানা থেকে শুরু ব্যাটারি চালিত যেসব যানবাহনের মাধ্যমে প্রতিদিনের রোজগার করা মানুষগুলো নানামুখী সমস্যার মধ্যে পড়েছে।
গাংনী উপজেলার হাড়াভাঙ্গা গ্রামের অটোরিকশা চালক রবিউল ইসলাম বলেন, গত কয়েক দিন পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ না থাকার জন্য তার অটোরিকশা চার্জহীন রয়েছে, যার ফলে প্রতিদিনের আয়ের উৎস প্রায় বন্ধ হয়ে রয়েছে।'একই গ্রামের আব্দুল কাফি বলেন, 'গত তিন দিনে বিদ্যুৎ মাত্র কয়েক ঘন্টার জন্য ছিল। সারাদিন বিভিন্ন কাজকর্ম শেষে মাত্রা অতিরিক্ত গরম আর বিদ্যুৎ না থাকার ফলে শান্তির ঘুম নির্ঘুমে কাটছে।'

এবিষয়ে মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জিএম আবু রায়হান অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে লোডশেডিং সমস্যা সমাধান হবে বলে আশ্বাস প্রদান করেন। তবে জেলার বিদ্যুৎ বিভ্রাট পর্যবেক্ষন কমিটির আহ্বায়ক (এজিএম) সহ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের অনেকেই মুঠোফোন বন্ধ করে রাখেন। গাংনী উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এরিয়া পরিচালক রিয়াজ আহমেদ জানান, 'গ্যাস উৎপাদন স্বল্পতার কারনে বিদ্যুৎ উৎপাদনে স্বল্পতার সৃষ্টি হয়েছে। যার ফলে লোডশেডিং চলছে। তবে আশা করা যাচ্ছে আসন্ন ঈদের আগে দ্রুত সময়ের মধ্যে লোডশেডিং সমস্যা সমাধান হবে।'
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি