
প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২২, ২৩:৪৬

আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের সোনারচর অভয়ারণ্যের সংরক্ষিত বন সংলগ্ন খালে মাছ ধরা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে আটজন আহত হয়। সোমবার বিকেলের এ সংঘর্ষে গুরুত্বর আহতদের উদ্ধার করে রাতে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে, স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় ওই দুইটি পক্ষ সেখানে মাছ ধরার জন্য যায়। তাদের এক পক্ষ গণেশের, আরেকপক্ষ পলাশের। দু’জনের বাড়িই ওই ইউনিয়নের দক্ষিণ চরমোন্তাজ গ্রামে। তাদের মধ্যে যেকোন এক পক্ষ ওই খালে মাছ ধরবে-এনিয়ে দুই পক্ষের দ্বন্দ্ব চলছিল। এর জেরে সোমবার বিকেলে এ সংঘর্ষ হয়। আহত হয় আটজন।
উল্লেখ্য, জেলা পরিবেশ ও বন উন্নয়ন কমিটির সভার সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে চলতি বছরের ২০ মার্চ জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় জীববৈচিত্র তথা মৎস্য ও বনজ সম্পদ রক্ষায় উপজেলার সোনারচর অভয়ারণ্যসহ বন বিভাগের আওতাধীন খালে মাছ শিকারের জন্য অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
অথচ উল্লেখিত নির্দেশনা অমান্য করে বন বিভাগের চরমোন্তাজ রেঞ্জের আওতাধীন সোনারচর অভয়ারণ্যের সংরক্ষিত বন সংলগ্ন খালে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়েছে।


বন বিভাগের চরমোন্তাজ রেঞ্চ কর্মকর্তা নয়ন মিস্ত্রী বলেন, বন্যপ্রাণী রক্ষায় সোনারচরকে অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে মাছ শিকারের কোন সুযোগ নেই। দুই পক্ষই বেআইনিভাবে বনের খালে প্রবেশ করেছে। খবর পেয়ে আমি সোনারচর বিট অফিসারকে পাঠিয়েছি। ওখানে গিয়ে সে কাউকে পায়নি।
এ ব্যাপারে উপজেলার চরমোন্তাজ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোহম্মাদ মিজান বলেন, সোনারচর বনের খালের কাপে মাছ ধরতে গিয়ে সংঘর্ষ হয়। এক পক্ষের পাঁচজন, আরেক পক্ষের তিনজন আহত হয়। এ ঘটনায় এক পক্ষ লিখিত অভিযোগ করেছেন। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।