
প্রকাশ: ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৭:৫৬

জামায়াতে ইসলামীর আমিরের সাম্প্রতিক বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। বিএনপি নেতৃত্ব এই বক্তব্যকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে, যা দুই দলের মধ্যে মতবিরোধকে আরও প্রকাশ্য করে তুলেছে।
রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব বলেন, এ ধরনের মন্তব্য শুধু বিভ্রান্তিকর নয়, বরং দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য ক্ষতিকর। তিনি দাবি করেন, জনগণের ভোটে গঠিত সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা অযৌক্তিক।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় পর একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের মতামত প্রতিফলিত হয়েছে। দেশি-বিদেশি মহলে এই নির্বাচন ইতিবাচকভাবে মূল্যায়িত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তাই এই প্রক্রিয়া নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি করা অনভিপ্রেত বলে মন্তব্য করেন।
জামায়াতের অতীত ভূমিকার প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশের মানুষ তাদের ইতিহাস সম্পর্কে অবগত। জনগণ সচেতনভাবেই অতীতে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে এবং ভবিষ্যতেও রাজনৈতিকভাবে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানান তিনি।
তার বক্তব্যে আরও উঠে আসে, একটি বিশেষ গোষ্ঠী বারবার বিভ্রান্তি ছড়িয়ে গণতান্ত্রিক পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে। এতে করে দেশের অগ্রযাত্রা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি সতর্ক করে বলেন, এ ধরনের রাজনৈতিক বক্তব্য দেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে দুর্বল করতে পারে। তাই জনগণকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যেন কোনো অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির অন্যান্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন এবং তারাও একই সুরে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তারা মনে করেন, রাজনৈতিক শালীনতা বজায় রেখে মতবিনিময় করা উচিত।
বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সংলাপ জরুরি বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। অন্যথায় এ ধরনের বক্তব্য ভবিষ্যতে আরও বড় রাজনৈতিক বিভাজনের কারণ হয়ে উঠতে পারে।