
প্রকাশ: ২৭ জুন ২০২২, ২১:২০

ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বছরের দু'টি ঈদ। আর মাত্র দুই সপ্তাহ তারপরেই ঈদুল আজহা। এরইমধ্যে স্থানীয় পশুহাট গুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ পশু কেনা-বেচার জন্য উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন হাটে। কোরবানির পশু হিসেবে মেহেরপুরের হাটে গরু ও ছাগলের বেচাকেনার ভিড় তেমন একটা জমে ওঠেনি।
মেহেরপুরের জেলার সর্ববৃহৎ পশুহাট গাংনী উপজেলার বামন্দীতে। সপ্তাহে শুক্রবার ও সোমবার দুইদিন এ হাট বসে। আজ (২৭শে জুন) সোমবার সরেজমিনে বামন্দী পশুহাটে দেখা যায়, বাঁশের খুঁটিতে বাঁধা রয়েছে হাজার হাজার গরু ও ছাগল। অনেকেই এসেছেন বেচতে কিংবা কিনতে। তবে, কেউ কেউ আবার এসেছেন কোরবানির পশু দেখতে।
কোরবানির পশু হিসেবে গরুর চেয়ে বেশি কেনাবেচা হচ্ছে ছাগলের। আর বড় গরুর চেয়ে মাঝারি সাইজের গরু কিনতে বেশি আগ্রহী ক্রেতারা।বামন্দী পশুহাটে কথা হয় বেশ কয়েকজন ব্যাবসায়ীর সাথে। ছাগল ব্যাবসায়ী আবুল হোসেন বলেন, '৪টা ছাগল নিয়ে এসেছি, ক্রেতাদের ভীর রয়েছে কিন্তু তুলনামূলক ভাবে দাম কম বলছে ক্রেতারা।'
করমদি গ্রামের গরু ব্যাবসায়ী সুমন আহমদ বলেন, 'এবারের কোরবানির হাটে গরুর চেয়ে ছাগলের চাহিদা বেশি। গরু ক্রয়বিক্রয় কম হচ্ছে। তবে, মাঝারি এবং ছোট গরু বেশি বিক্রি হচ্ছে।'কোরবানির পশু ক্রয় করতে আসা নিশিপুর গ্রামের একজন ইলেকট্রনিক ব্যাবসায়ী মহন আলী বলেন, 'আমি কোরবানির পশু ক্রয় করতে এসেছি, অতিরিক্ত দাম চেয়ে বসছে বিক্রেতারা তাই ভাবছি কয়েকটি হাট দেখে তারপর কিনবো।'

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
জেলা প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের সূত্রে জানা যায়, মেহেরপুর জেলায় কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে বাণিজ্যিক ও পারিবারিক ২৯ হাজার ২৫২ টি খামারে ৫৮ হাজার ৩৬৩টি গরু, ৫৮২টি মহিষ এবং ১ লাখ ২৮ হাজার ৮৪১টি ছাগল ও ভেড়া রয়েছে । মোট ১ লাখ ৮৭হাজার ৭৮৬টি কোরবানী যোগ্য পশু প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বছরে জেলায় সর্বোচ্চ চাহিদা রয়েছে ৮৯হাজার ৮২০টি পশু।
মেহেরপুর জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা সাইদুর রহমান জানান,'জেলায় এবছর পর্যাপ্ত পরিমাণ কোরবানির পশু প্রস্তুত রয়েছে। সীমান্তবর্তী হওয়ায় জেলায় যাতে অবৈধ উপায়ে কোন পশু প্রবেশ করতে না পারে এবং কোরবানির পশুকে ইনজেকশন কিংবা ঔষধ ব্যাবহার না করতে পারে সেবিষয়ে আমরা প্রয়োজন মতো ব্যাবস্থা গ্রহণ করেছি।'