
প্রকাশ: ২ জুন ২০২২, ২০:৯

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনিস্টিউটের তথ্য মতে, স্থানীয় জাতের ১০ হাজার দেশীয় জাতের ধান বাংলাদেশ থেকে হারিয়ে গেছে, তবে এখনো কয়েক হাজার জাতের ধানের আবাদ হয় বাংলাদেশে। চলমান আউশ মৌসুমে বেশ কয়েকটি ধানের জাত থাকলেও কমসময়ে উৎপাদন এবং উচ্চ ফলনশীল হওয়ায় ব্রী-ধান ৪৮ বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কৃষকদের কাছে।
যারই পেক্ষাপটে গাংনী উপজেলার বিভিন্ন মাঠে হাজার হাজার বিঘা জমিতে রোপণ করা হচ্ছে ব্রী ধান ৪৮ জাত। উপজেলা কৃষি অফিসের সূত্রে জানা যায়, আউশ মৌসুমে ব্রী ধান ৪৮ জাত ১১০ দিনের জীবনকাল ও বিঘা প্রতি সাড়ে ৫ মণের ওপরে ফলন হওয়ায় এই জাতের ধান আবাদে বেশি ঝুঁকি দেয় কৃষকেরা তবে কিছু কিছু জমিতে ব্রী ধান ৪৮ বাদেও বেশ কয়েকটি জাতের ধান রোপণ করা হচ্ছে।
গাংনী উপজেলার জোরপুকুড়ীয়া মাঠের কৃষক আব্দুল হান্নান বলেন, 'স্বল্প সময়ে অধিক ফলন হওয়ায় আমি ব্রী ধান ৪৮ জাতের ধান আউশ মৌসুমে রোপণ করেছি।'একই মাঠের কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের এলাকার আবহাওয়ার সাথে ব্রী ধান ৪৮ জাত সময়োপযোগী হওয়ায় মাঠ জুড়ে আবাদ বেশি এই জাতের।'

এবিষয়ে গাংনী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লাভলী খাতুন জানান, 'আউশ মৌসুমে ধান রোপণ শুরু হয়েছে। আমাদের কৃষকদের কাছে এ মৌসুমে ব্রী ধান৪৮ জনপ্রিয় ধানের জাত। আমরা বীজ সংগ্রহ ও চারা রোপনের ক্ষেত্রে কৃষকদের সব ধরনের সহোযোগিতা নিশ্চিত করেছি।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
