
প্রকাশ: ২ জুন ২০২২, ১৬:২৯

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদকারী শিক্ষক নজরুল ইসলামকে পিটিয়ে আহত করার ঘটনায় সাগর ও স্বপনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১২, সিপিসি-৩ এর সদস্যরা। আজ ভোর সাড়ে ৪টার টার দিকে উপজেলার পুনর্বাসন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার সাগর ওই এলাকার আবদুল আলিমের ছেলে ও স্বপন ফজলুর রহমানের ছেলে।
র্যাব-১২, সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের একটি আভিযানিক দল আজ ভোর সাড়ে চারটার দিকে টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের পুনর্বাসন এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় সিরাজকান্দী দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক নজরুল ইসলামকে মারপিটের ঘটনায় অভিযুক্ত মোঃ স্বপন ও মোঃ সাগরকে আটক করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা জানায়, রোববার (২৯ মে) দুপুরে মাদ্রাসার মেয়েদের কমন রুমের কাছে টয়লেটের উপর দিয়ে উঁকি মারছিল জাহিদ ও সাগর নামের দুই বখাটে। ঘটনাটি ওই মাদরাসার শিক্ষকরা টের পেলে বখাটে দু’জনের মধ্যে সাগর পালিয়ে যায় এবং জাহিদকে ধরে অফিস কক্ষে নিয়ে যায় শিক্ষকরা। এসময় তার কৃতকর্মের জন্য সবার কাছে ক্ষমা চাইতে বলে।

গত সোমবার (৩০ মে) দুপুরে ওই মাদরাসার শিক্ষক নজরুল ইসলাম ও মুন্নাফ টিফিন পিরিয়ডে নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় এক নম্বর ও দুই নম্বর পুনর্বাসনের মাঝামাঝি কমিউনিটি ক্লিনিকের কাছে পৌঁছালে জাহিদ, সাগর, শাহাদত, বাছেদ, স্বপনসহ ৮-১০ জন বখাটে শিক্ষক নজরুল ইসলামকে মারার জন্য পথ আটকায়। একপর্যায়ে বখাটেরা তাকে রড ও ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্প দিয়ে মাথায় ও হাতে আঘাত করে আহত করে।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
পরে এলাকাবাসী ও শিক্ষকরা তাকে উদ্ধার করে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করে। ইতোমধ্যে ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হলে টাঙ্গাইল র্যাবের কমান্ডার স্বপন ও সাগর নামে দু'জনকে আটক করে।জিজ্ঞাসাবাদে তারা আরও জানায়, বহুদিন ধরে তারা মাদরাসার ছাত্রীদেরকে উক্ত্যক্ত করে আসছিল। আটককৃত আসামীদ্বয়কে টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান র্যাব কমান্ডার।