
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০:২৪

২১ জেলার প্রবেশখ্যাত রাজবাড়ীর দৌলতদিয়-পাটুরিয়া নৌরুটে যানবাহনের তীব্র যানজটে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যানবাহনের যাত্রী, চালকসহ সংশ্লিষ্টদের।
ঘাট সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দৌলতদিয়া- পাটুরিয়া নৌরুটের ঘাট সংকট, বৈরীআবহাওয়া ছাড়াও শিমুলিয়া- বাংলাবাজার নৌরুট বন্ধ থাকায় অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ থাকায় প্রিতিনিয়তই ঘন্টার পর ঘন্টা দূর্ভোগ শিকার হচ্ছে যাত্রীবাহী যানবাহন ও পণ্যবাহী ট্রাক। তবে সবচেয়ে বেশী দূূর্ভোগের শিকার হচ্ছে অপচনশীল পণ্যবাহী ট্রাকের চালক ও সংশ্লিষ্টরা। ফেরি পারের জন্য তাদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে দুই থেকে তিনদিন পর্যন্ত।
সোমবার (১৮ অক্টোবর) সরেজমিন দেখা যায়, দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন বাংলাদেশ হ্যাচারী পর্যন্ত ডাবল লাইনের এক লাইনে অপচনশীল পণ্যবাহী প্রায় তিন শতাধিক ট্রাক ও অপর লাইনে পচনশীল পন্যবাহী ও যাত্রীবাহী প্রায় দুই শতাধিক যানবাহন নদী পারের অপেক্ষায় সিরিয়ালে আটকে আছে। এছাড়াও দৌলতদিয়া ঘাটকে যানজট মুক্ত রাখতে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে গোয়ালন্দ মোড়ে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কে আটকে রাখা হয়েছে প্রায় ২শতাধিক পন্যবাহী ট্রাক। সব মিলিয়ে ফেরি পারের অপেক্ষায় রয়েছে প্রায় ৭ শতাধিক যানবাহন। ঘাটের এমন চিত্র প্রায় প্রতিদিনই দেখা যাচ্ছে।

যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা সকলেই জানান, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুট মানেই ভোগান্তি, প্রতিনিয়তই এমন ভোগান্তির শিকার হয়েই ফেরি পারাপার হতে হয়। ৩০ থেকে ৪৫মিনিটের নদী পারাপারের জন্যে অপেক্ষা করতে হচ্ছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা, দিনে দিনের পর দিন। এই দুর্ভোগ যেন নিত্য দিনের সঙ্গী।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
বিআইডব্লিউটিসি'র দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী ব্যাবস্থাপক খোরশেদ আলম জানান, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুট বন্ধ থাকায় এবং বৈরী আবহাওয়ার কারণে দৌলতদিয়া- পাটুরিয়া নৌরুটে যানবাহনের বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। ঘাট এলাকায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি সৃষ্টি হচ্ছে । তিনি আরো জানান, এই নৌরুটে বর্তমানে ছোটবড় ১৯ টি ফেরি চলাচল করছে।