
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১:৮

শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন উপলক্ষে কেন্দ্রীয় যুবলীগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্জ্ব মাইনুল হোসেন খান নিখিলের নির্দেশে সারাদেশের মত আশুলিয়ায় গৃহহীন দুইজনের ভেতর গৃহদান করা হয়েছে৷
রোববার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে ভার্চুয়াল যোগাযোগের মাধ্যেমে আশুলিয়ার ইয়ারপুর গ্রামের আবু ছায়েদ ও ধনাইদ গ্রামের শাহিদা বেগমের মাঝে গৃহের চাবি প্রদান করা হয়।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে যুবলীগ ঘোষিত বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে একটিছিল আশ্রয় কর্মসূচি। এই কর্মসূচির মাধ্যমে আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহ্বায়ক মোঃ কবির হোসেন সরকার তাদের মাঝে গৃহ দান করে৷

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
এ সময় থানা যুবলীগের আহবায়ক মোঃ কবির হোসেন সরকার বলেন, যুবলীগ মানেই মানবিক, যুবলীগ মানেই অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো। তিনি বলেন, যুবলীগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাইনুল হোসেন খান নিখিলের নির্দেশে সারাদেশের মতো আমি আমার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের দুই গ্রামের দুই অসহায় ব্যক্তি আবু সায়েদ ও সাহিদা বেগমকে বাড়ি করে দিয়েছি।তিনি আর বলেন আমার ইচ্ছা আছে আরো তিন ইউনিয়নে তিনটি বাড়ি করে দেব।
এসময় ভার্চুয়াল যোগাযোগের মাধ্যেমে যুবলীগের চেয়ারম্যান বলেন, পৃথিবীতে রাজনৈতিক অনেক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে কিন্তু বঙ্গবন্ধুর ফ্যামিলির উপর যে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে তা কখনই মেনে নেওয়া যায় না। ঘাতকরা শিশু রাসেল কে হত্যা করার আগেই একাধিকবার হত্যা করেছে। শিশু রাসেল বলেছিল আমি আমার মায়ের কাছে যাবো। তখন তারা বলেছে আয় তোকে তোর মায়ের কাছে নিয়ে যায়। তখন বেঈমানের দল শেখ রাসেলকে তার বাবা, চাচা, চাচি সকলের লাশের পাশে হাটিয়ে হাটিয়ে দেখিয়ে দেখিয়ে নিঃস্ব ভাবে বুলেটের আঘাতে রাসেল কে হত্যা করেছিল। তিনি আরো বলেন, আমার যখন শেখ রাসেলের কথা মনে পড়ে তখন আমি আমার মনের ভিতরে একটা চাপা ব্যথা অনুভব করি।
এসময় থানা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ মঈনুল ইসলাম ভূঁইয়া সহ থানা যুবলীগের সকল সদস্য ও ইউনিয়ন পর্যায়ের সকল যুবলীগ নেতাকর্মী এ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।