
প্রকাশ: ৯ অক্টোবর ২০২১, ২১:০

সুন্দরগঞ্জ উপজেলার উত্তর ধুমাইটারী গ্রামের লাকী বেগমের পরিবার হয়রানী মূলক মামলার শিকার হইয়ে পথে বসেছে। বাড়ি ঘর উচ্ছেদের চেষ্টা। সরেজমিনে শনিবার (৯ অক্টোবর) গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার উত্তর ধুমাইটারী গ্রামে গিয়েঘটনার বিবরনে জানাযায়, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার উত্তর ধুমাইটারি গ্রামের দুদু মিয়া তার স্ত্রী ও এক নাবালক সন্তানকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রীর নামে কেনা জমিতে বাড়ি করে বসবাস করে আসছে।
এদিকে উক্ত বাড়ি হতে উচ্ছেদ করার জন্য দুদু মিয়ার স্ত্রী লাকি বেগমের আপন চাচা আব্দুর রহমান ও আবুল হোসেন দীর্ঘদিন থেকে চেষ্টা চালিয়ে আসছে। কোন ভাবেই নিজ ভাতিজি ও ভাতিজি জামাতাকে উচ্ছেদ করতে না পেরে চলতি বছরের ১২ আগষ্ট ও ২৩ আগষ্ট গাইবান্ধা কোর্টে এবং ০২ অক্টোবর সুন্দরগঞ্জ থানায় তিনটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। মামলা গুলোতে লাকি বেগম ছাড়াও আরো দশ জনকে আসামী করে হয়রারি মূলক মামলা করা হইয়েছে। এদিকে মিথ্যা হয়রানি মূলক মামলা থেকে জামিন নিয়ে লাকি বেগম বাড়ীতে গিয়ে আশ্রয় নিলেও তার স্বামী দুদু মিয়া বাড়িতে গেলে তাকে মৃত্যু ভয় দেখিয়ে বাড়ি ছাড়া করেছে প্রতিপক্ষ।
প্রতিবেদকের উপস্থিতি ভুক্তভোগী লাকি বেগম কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমি বাড়িতে আছি এই নাবালক সন্তানকে নিয়ে। যে কোন সময় আমাকে মেরে ফেলবে তা বলতে পারছি না। গত বৃহস্পতিবার রাতে আমার চাচা ও চাচাত ভাইয়েরা আমি বাড়িতে না থাকার সুযোগে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে আমার রান্নার চুলা ভেঙ্গে ফেলেছে। গতকাল থেকে বাড়িতে কোন রান্না হয়নি আজ না খেয়ে আছি। সেই সাথে আমার ভাই অনেকদিন ধরে আমার বাড়িতে না আসলেও সম্প্রতি ছিনতাইয়ের একটি মিথ্যা মামলায় তাকে জড়িয়েছে। ঐ তারিখে আমার ভাই উপজেলার বাহিরে ছিলো।

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
কিন্তু তাকেও মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দিয়েছে। এছাড়াও আমার এক বোন গোবিন্দগঞ্জে পোষ্ট অফিসে চাকুরী করে ও এক ভাই বেলকা থাকে তারা ঘটনার সময় তাদের কাজে থাকলেও তাদের নামেও মামলা দিয়েছে। তিনি আরো বলেন আমার চাচাদের লাঠির জোর অনেক যার কারনে আমরা পেরে উঠছি না। আমি আমাদের বিরুদ্ধে দায়েরকরা হয়রানি মামলা থেকে অব্যাহতি সহ সুষ্ঠ বিচার দাবী করছি।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আব্দুর রহমান ও আবুল হোসেনের বক্তব্য নেওয়ার জন্য তাদের বাড়িতে গেলে তারা কেউ বাড়িতে নেই বলে বাড়ির লোকজন জানান। বাড়ির লোকজনের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করলেও তারাও বক্তব্য দিতে অস্বীকার করে।