
প্রকাশ: ১১ এপ্রিল ২০২১, ১৭:৪৭

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় নদী খননে হাজারো কৃষকের সপ্নজয়ের হাতছাঁনি দিচ্ছে। বর্ষাকালে আবারো চলবে নৌকা, জেলে কিংবা কৃষাণ কৃষাণী আবারো মেতে উঠবে নানান প্রজাতির দেশীয় মৎস আহরনের উৎসবে।
উপজেলা মানুষের মনে এরকম স্বপ্ন এখন দিবালোকের মতো সত্য হতে চলেছে ঐতিহ্যবাহী উল্লাপাড়ার নদী খননের মধ্যদিয়ে। নতুন ধানের ঘ্রানে পরিবারে ফুটবে হাসি আর কৃষকের ঘরে ঘরে অগ্রাহয়ন মাসে নানান জাতের আর নানান স্বাধের পিঠাপুলির উৎসব।
একটি মরা খাল পুনঃখনন পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) থেকে প্রায় দীর্ঘ ২৬ কিলোমিটার ফুলঝোর নদী খননের ফলে এ অ্রঞ্চলের মানুষ ফিরে পাবে তাদের শত বছরের ঐতিহ্য। প্রায় সাড়ে বারো কোটি টাকা ব্যয়ে এটি পুনঃখননের কাজ দ্রুত এগুচ্ছে। নদীটি খননের কারনে পানি প্রবাহ এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সহজ হবে।
উপজেলার খালিয়াপাড়া, ভট্রকাওয়াক, বজ্রাপুর, চাঁদপুর, মনোহরা, ভৈরব হয়ে শাহজাদপুরের চর আঙ্গারু পর্যন্ত একযোগে খনন শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। বহুল প্রতীক্ষিত এ খননকাজ শুরু হওয়ায় স্থানীয়রা বেশ উচ্ছাসিত। তারা চান, কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি ছাড়াই যেন নদী খননের কাজ শেষ হয়।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
খননকাজ শেষ হলে তিন যুগ ধরে বন্ধ থাকা উলাপাড়ার বিভিন্ন নৌপথের যোগাযোগ আবার শুরু হবে। ফলে খুব সহজে ও অল্প খরচে বিভিন্ন হাটবাজার থেকে ব্যবসায়ীরা পণ্য পরিবহন করতে পারবেন।

পাশাপাশি নদী তীরের ফসলি জমিতে ঘুচবে পানির সংকট, বাড়বে ফসলের উৎপাদন। এতে স্থানীয় কৃষক, জেলেসহ সব শ্রেণির মানুষই সুফল পাবেন বলে তারা আশাবাদী ।
এ বিষয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যসহকারী রফিকুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিনের উপজেলা ভিতর দিয়ে বয়ে যাওয়া নদী পুনঃখনন কাজ শুরু হওয়ায় স্থানীয়রা বেশ উচ্ছাসিত । নদী খনন কাজে কোন ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতি করার সুযোগ নেই ।